Skip to content

শহীদ মিনারে ঈদ পালন আর এসলামীবঙ্গের বু্দ্ধিজীবিদের সংকট

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বীকার করে নিতে হয় যে, আইডিয়ার অভিনবত্বের কারণেশহীদ মিনারে ঈদ পালনের আইডিয়াটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। মানুষ নতুনত্ব পছন্দ করে, সেই নতুনত্বে সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে রাজনীতির এই মিশেল একটা নতুন আইডিয়া। আমরা বছরের ৩৬৫ দিনই রাজনীতি করা জাতি, ঈদের দিন যদি লাইন ধরে বিএনপি আওয়ামীলীগ কর্মীরা নিজ নিজ নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে রাজনীতি করতে পারে, সেক্ষেত্রে নেত্রীবিহীনদের জন্য শহীদ মিনারে ঈদ পালন একটা ভালো কর্মসূচি হতে পারে।

শহীদ মিনারে ঈদের দিন জমায়েত রাজনৈতিক ভাবে একটি ভালো কর্মসূচি, যার সাফল্যের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
কারণ বহুবিদ:

ক. ঈদের দিন ঢাকায় সকালে নামাজ পড়ার পরে আসলে কোনো কাজকর্ম থাকে না। চিড়িয়াখানা আর ফ্যান্টাসি কিংডমে প্রচণ্ড ভিড় হয়। এর বাইরে যাওয়ার কোনো জায়গাও নেই। সেক্ষেত্রে মধ্যবিত্তের জন্য শহীদ মিনার একটা ভালো বিকল্প হতে পারে।

খ. ঢাকার বিভিন্ন দল-মত-পথের এক্টিভিস্টদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত হবে। একটা সামাজিকতা হবে।

গ. যেহেতু যানজট নেই, সুতরাং মিরপুর টু মতিঝিল, বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন সহজেই আসতে পারবে।

ঘ. ঈদের দিন পুলিশ দিয়ে পেটালে সরকারের ভাবমূর্তি খারাপ হবে, তাই পুলিশ এখানে মৃদু লাঠিচার্জ করবে না। এদিক দিয়ে নিরাপদ কর্মসূচি।

ঙ. ঈদের দিন মিডিয়া খবর সংকটে পড়ে। হাসিনা-খালেদার বাইরে নিউজ আইটেম নেই। সুতরাং শহীদ মিনারের কর্মসূচি এদিন ভালো কাভারেজ পাবে।


এই কর্মসূচি দিয়ে দেশ আবুলমুক্ত করা যাবে কি না সেটা পরের ব্যাপার। তবে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ভাবে কাবু করার জন্য এই কর্মসূচি যথেষ্ঠ। কুড়ি বছর পরেও রেফারেন্স টানা হবে, ‌'শেখ হাসিনার সরকারের সময় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা এমনই ভেঙ্গে পড়েছিল, মানুষ ঈদ করতে বাড়ি যেতে পারেনি। সেই সময় প্রতিবাদী মানুষ ঈদের দিন পর্যন্ত শহীদ মিনারে বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হয়েছিল।'
কাহিনীর এই রাজনীতি থেকে বিভিন্ন পক্ষ যার যার মতো ফায়দা তুলতে চেষ্টা করবে সেটাই স্বাভাবিক। সুতরাং ওসব নিয়ে আলাপ আপাতত স্থগিত।

২.
ঈদের দিনের কর্মসূচি নিয়ে আমি কিছু লোককে বেচাইন দেখছি। এদের চেষ্টা হচ্ছে এই কর্মসূচিকে ব্যাঙ্গবিদ্রুপ করা। সরাসরি করতে কিছুটা লজ্জা লাগছে বলেই হয়তো আকারে ইঙিতে এরা 'সেকুলার কেন ঈদ পালন করবে' জাতীয় অতি নিম্নশ্রেনীর যুক্তি কাইজ্যা বিভিন্ন জায়গায় ছড়াচ্ছেন।

এদের রাজনীতিটা কী?
এইখানেই আমি একটা মজা দেখছি। এরা মূলত এসলামী বাংলাদেশের নতুন মধ্যবিত্ত চিন্তক শ্রেনী। এরা সরাসরি জামাতি আর আমিনীর সঙ্গে জড়িত কি না তা প্রকাশ্যে সহজে বুঝতে পারা যায় না, কিন্তু এসলামী বাংলার প্রতি তাদের মহব্বত, ইশক এসব বিভিন্ন লেখালেখি ও বক্তব্যে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে টের পাওয়া যায়।
এদের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বাম ও দলবিহীন মধ্যবিত্ত এক্টিভিস্টদেরকে কোনঠাসা করে রাখার সহজ উপায় হচ্ছে এদেরকে ধর্মহীন হিসেবে প্রমান করা। কাউকে যদি প্রথমেই ধর্ম থেকে ছেটে ফেলা যায়, তাকে রাজনৈতিক ভাবে দুর্বল করে ফেলা যায়। এই দুর্গতি কমিউনিস্টদের হয়েছে এই দেশে। এরা ভোটের রাজনীতিতে সফল হতে পারে নি যেসব কারণে এর অন্যতম হচ্ছে নাস্তিকতা নিয়ে এদের বিষয়ে বড় প্রপাগান্ডাটা হয়।

যাক, আমার মনে হচ্ছে সুশীল এসলামী বুদ্ধিজীবি এবং সুশীল সেকুলার বুদ্ধিজীবি এবং তাদের রাজনৈতিক গাটছড়াগুলো দেশের বুদ্ধিজীবি সেক্টরে পরষ্পরের প্রতিদ্বন্ধি, প্রতিযোগী। এই সেক্টরে তাই একজন আরেকজনকে দুর্বল করে ফেলতে পারলে রাজনৈতিক ভাবে ভালো সুবিধা নিতে পারবে এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু এবার সেকুলাররা এসলামী বুদ্ধিজীবিদের সেক্টরে হাত দিয়ে দিয়েছেন। ইনারা ঈদকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের ফন্দি এটেছেন। আমি উপরেই বলেছি যে এই কর্মসূচি সফল হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে। আর যদি একবার তারা এই মজা পেয়ে যান, সেক্ষেত্রে পাবলিকের কাছে পৌছার জন্য ভবিষ্যতে তারা আরো এই ধরণের কর্মসূচি নিতে পারেন।

আর এখানেই সংকট। এখানেই এসলামী বঙ্গের বুদ্ধিজীবিরা হয়তো নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। তারা এই কর্মসূচিকে দুর্বল করার জন্য প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন।
এর বাইরে শহীদ মিনারে ঈদ পালনের কর্মসূচির বিরোধিতা করার আর কোনো কারণ আমার চোখে পড়ছে না আপাততত।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো এনালাইসিস। ব্লগমোল্লার অপেক্ষায় থাকলাম।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিষয়বস্তু ভাল লাগলো , ব্লগীয় মুফতিদের তাস্রিফের অপেক্ষায় Stare

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইন্সাল্লাহ! সময় ও সুযোগ পেলে এক আধ ঘণ্টার জন্যে হলেও যাবো, শহিদ মিনারে। আমি যাবো আমার ভাবনায় আর কত জান নিবে এই সব অদক্ষ আজরাইলেরা? আগে ছিল আজরাইল এক জন, এখন আজরাইলের দায়িত্ব পালনে অদক্ষ ও অর্ধ দক্ষদের নিয়ে একটা কমিটিও যেন হয়ে গেছে, এই কমিটির সভাপতি এক জন আবুল আর সহসভাপতি হল আমাদের নৌমন্ত্রী ( ঈদের আগে এই বেটার নামটা মুখে নিলামনা)।

~~~~~~~~
নিজেদের জন্যে হুইস্কি, ডাবল;
ছোটলোকদের জন্যে ইমাম হাম্বল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আইচ্ছা, এইখানে ঈদের জামাত হইবেক?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জায়গামত হাত দিয়েছেন-----------------------------

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হায় রে! আপনার জন্য মায়া লাগতেছে। তিনারা পোস্টে মুখ দিলে ত্যানা প্যাঁচাইয়া আপনার অবস্থা খারাপ করে দিবে।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো হতো ওখানে একটা ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা। বাসা থেকে সবাই ফির্নি পায়েস সেমাই রেধে ওখানে বসেই জম্পেশ আড্ডা ...........

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সদ্য পাওয়া নাস্তিক উপাধি উদযাপনে এইবার ঈদপালন কর্মসূচি থেকে অব্যহতি নিছি, ঈদের পর দেখি আবার তওবা পালন কইরা আস্তিক হওয়া যায় কিনা

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরিফ জেবতিক এছলামী বন্গের বিরুদ্ধে বলে প্রকারন্তরে তিনি যে নাস্তিক সেটাই প্রমান করেছেন। দাত ভান্গা জবাব দেয়া হউক যাতে আরিফ জেবতিক সেমাই খাইতে না পারে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শহীদ মিনারের মত শোকের জায়গায় ঈদের মত মুসলমানদের প্রধান ধ্মীয় উৎসবটারে পালন কইরা সেকুলার বুদ্ধিজীবিরা ইসলামের অবমাননা করতেছে,এইটা ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র- এসলামী বুদ্ধিজীবিরা এই্ তত্ত্ব বাজারে ছাইড়া দিলেই তো হয় Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মাধুকরী,

ভালো হতো ওখানে একটা ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা।


আরো একটু খোলাসা করিয়া বলুন, সেইখানে ঈদের নামাজ দেখিবার এতো আগ্রহ জাগিল কেন? এক্সট্রা সোয়াবের কি কিছু পাইলেন?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যায়গামত হাত দিছেন। সোজা কথায় বাস্তবতা বলছেন।

আমিনী খামিনীরা যত না সমাজের ক্ষতি করে এই ধরনের উচ্চশিক্ষিত ছূপা আমিনীরা আরো অনেক বেশী ক্ষতি করে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যা যাই বলুক আমি গ্রামে মায়ের কাছে যামু!!
মোল্লারা বড় বেপদে আছে রে ‍‍!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রবিবার, ০৮/২৮/২০১১ - ২০:৩৯ তারিখে শেখের পো বলেছেন

আইচ্ছা, এইখানে ঈদের জামাত হইবেক?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


রবিবার, ০৮/২৮/২০১১ - ২১:৩৫ তারিখে মাধুকরী বলেছেন

ভালো হতো ওখানে একটা ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা। বাসা থেকে সবাই ফির্নি পায়েস সেমাই রেধে ওখানে বসেই জম্পেশ আড্ডা ...........

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!



চিন্তার কত মিল দেখেন!

******************************
আজ বড়ই গর্বের সাথে উদাত্ত কন্ঠে বলতে চাই...............
বিএনপি শুধু পতিতদেরই দল নয়, পতিতাদের দলও বটে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মৃদুভাষী,
আমিও জানতে চাই। কারণ ইমামতি করতে চাই, ইতিহাসের অংশ হমু Tongue


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ ব্যাপারে একটি অনলাইন পিটিশন তৈরি করে আসিপ নজরুলকে একটা ইমিডিয়েট ফারসট মেইল করেন। বিস্টারিত জানার জন্যে শ্রীযুক্ত বাবু রামনারয়নের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

******************************
আজ বড়ই গর্বের সাথে উদাত্ত কন্ঠে বলতে চাই...............
বিএনপি শুধু পতিতদেরই দল নয়, পতিতাদের দলও বটে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরে, আমিই তো ভাবছিলাম ইমামতিডা আমি বাগামু, আপনে কি ইমামতি কর্তারবেন! আমারে চান্স দেন আপনেরে মুয়াজ্জিনের পদডা দিমুনে। Wink

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাইদির একটা ওয়াজের কথা মনে পড়ল----
"আমরা মুসলমান। আমাদের পোষাক হইল পাঞ্জাবী। অথচ হিন্দুরা আমাদের পাঞ্জাবী পড়া শুরু করেছে। তারা আমাদের পোষাক ছিনতাই করছে"

এখন দেখি পুরা ঈদ ছিনতাই করা শুরু করছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গবেষনা করলে দেখা যাবে যে ১৯৭০ সালের পর থেকেই আসলে ঈদ ছিনতাই ষড়যন্ত্র শুরু হয়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেদিন বাঙ্গালী আনুষ্ঠানিকভাবে 'বিড়িখোরের দ্বি-জাতি তত্ত্ব'রে উষ্ঠা দিছে!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খামাখা ঈদের আগে ব্লগমোল্লাদের পাগড়ি ধরে টানাটানির কি দরকার?? এমনিতেই আমেরিকান, ইউরোপীয়ান আর এশিয়ান সেক্যুলার(নাস্তিক) দেশ গুলো সেইখানে মুসলমানদের ঈদ পালন করতে দেয়না।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইখানেই আমি একটা মজা দেখছি। এরা মূলত এসলামী বাংলাদেশের নতুন মধ্যবিত্ত চিন্তক শ্রেনী। এরা সরাসরি জামাতি আর আমিনীর সঙ্গে জড়িত কি না তা প্রকাশ্যে সহজে বুঝতে পারা যায় না, কিন্তু এসলামী বাংলার প্রতি তাদের মহব্বত, ইশক এসব বিভিন্ন লেখালেখি ও বক্তব্যে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে টের পাওয়া যায়


আশপাশে প্রচুর আছে smile :) :-)

উচ্চশিক্ষিতদের (সার্টিফিক্যাট অর্থে) মধ্যে এই সংখ্যাটা আরও বেশী; কিছুটা হিযবুতীয় ফ্লেভার আছে এদের।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা ইসলামকে "এসলাম" বলে ডাকে বা বিকৃত করে, তাদের মত মানুষের ব্লগ শ্রেষ্ট বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতায় যায় কিভাবে, আর এদের জন্য মানুষ ভোট দিয়েছিল !

::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব‌‌ই শয়তানের খেলা রে ভাই।।। আমার আপনের কথা আর কে শুনে বলেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সাথে আমি একমত! আরিফ জেবতিক নাস্তিক। উনার দাত ভেন্গে দেয়া হউক যাতে সেমাই না খাইতে পারে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তর,
আপনার সেমাই কাটা নিয়ে আপনি চিন্তিত কেন?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কারুন যারা ইসলাম নিয়া দুই নাম্বারি করবে তাদের জন্য নো ইদ সেমাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেমাই খাইতে দাত লাগেনাত ।

------------------------------------------
যতক্ষন দেহে আছে প্রাণ
প্রানপনে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক বলেছেন। শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ প্রতিযোগীতায় আসলে ছাগালাপীদেরই একচেটিয়া পুরস্কার পাওয়া দরকার।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা সাহিত্তের পুরনো দিনে ইসলাম না লেখে এসলাম লেখা হত আর সেখান থেকেই নেয়া হয়েছে এসলামি বঙ্গ।

~~~~~~~~
নিজেদের জন্যে হুইস্কি, ডাবল;
ছোটলোকদের জন্যে ইমাম হাম্বল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট পইড়া হাসতে হাসতে পইড়া মাথা ফাটানোর দশা !!! হা হা হা হা হা। শালার ঈদ বিনুদন পোস্ট !! বাস্তবত অনুযায়ী টাইটেল হওয়া উচিত ছিল 'শহীদ মিনারে ঈদ পালন আর বামহাতি বু্দ্ধিজীবিদের সংকট' সেইখানে উল্টা আবার ইসলামিদেরকে এচলামি দিয়া ব্যঙ্গ মারানোর ব্যর্থ চেষ্টা কইরা নিজেগো দৈন্যদশাডারেই আরো প্রকট কইরা তুলছে।


ইসলামের ছাতার নীচে কত রাম-শাম-যদু-মদু ব্যবসা কইরা গেল এখনো কইরা খাইতেছে খাইবও আগামিতে না খাইয়া উপায় নাই গোলাম হোসেন কাহারো উপায় নাই। হাসিনারেও হিজাব পরতে হয় হাসিনার বাবারেও ইনশাআল্লাহ কইতে হইছে এরশাদে রাষ্ট্রধর্ম চায় (খালেদারেও 'এনশাআল্লাহ' বলিতে হয় পোস্টদাতার মত)। না কইয়া যাইব কই যাওনের জাগা আছে !! জাগা নাই ... বামগো জাগা কোনোখানে আরো নাই যারা বলে বাংলাদেশে আরো ৫০ বচ্ছর লাগব বামাগো ক্আমতায় আইতে তারা শুদু ভুল বলে না তারা পাগল।

বাস্তবতা হইলো বাংলাদেশে আরো ৫০০ বছরে যদি বামারা ক্ষমতায় আহে সেইটা হইবো অষ্টম আশ্চইর্য। পরগাছাগুলি এখন সরকারী হইবার চায় মুক্তিযুদ্ধের কথা বেশি কয়, বঙ্গবন্ধুর গুণকীর্তন সরকারী পেলাটফরমে আই্য়া আরো জোরে জোরে গায়, গলা ফাটাইয়া ফেলা্য, গলা তাগো ভাইঙ্গা যায়, হাঁসের মতন ফ্যাঁস ফ্যাঁস কইরা তবু বুদ্ধি দেয়, আমালীগের কাঁধে বন্ধুক রাইখা গুলি করবার চায়, ইসলামবিদ্বেষীগো লাইগা ভাড়া খাটে এইসব অজাতের কতা হুনলে মগর পুটকিমারা আমালিকেই খাইব , বামারা তো নিজেরা পুটকি মারা খাওয়াটাই জীবনেমরণে পেশা,ইসলামের আর মুসলিমের পুটকি মারতে গিয়া অনেকে জানে মারা গেছে অনেকে আঙ্গুল ফুইলা ডাবগাছ হইছে মগর ইসলামের কিস্যু হয় নাইকা, ঐ জত দৌর .... বলোগের ভার্চুয়াল জগতে কয়েকটা ২০০ টেকার কিবোড থাবরাইয়া ভাঙ্গাই সার, সাথে কয়েক ফ্লাসক রং চা আর রাতজাগা ... আর কিসু সিগারেট, পোড়া ছাই, নিকোটিনে পোড়া দুর্গন্ধমুখে কিছু ফোনের বিল। এইতো ...

ইসলামবিদ্বেষীরা আমালীকের পুটকি আরো বেছি মারবো, মগর ভাব দেহাইবো উদ্ধার কইরা ফালাইছে নীচে উদাহারণ আর লিংকু


খুবই দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, আওয়ামিলীগ ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি আউরে মুখে ফ্যানা তুলে ফেললেও তারা ধর্মনিরপেক্ষতার মূল সুরটি কখনোই অনুধাবন করতে পারে নি। তার প্রমাণ পাওয়া যায় আওয়ামিলীগের ওয়েব সাইট (http://www.albd.org/) দেখলেই। আওয়ামিলীগের ওয়েব সাইটে মাথার উপরে ‘আল্লাহ সর্বশক্তিমান’ লেখা বানীটি তারই পরিচয় বহন করে। অথচ এক সময় আওয়ামিলীগই ‘আওয়ামী মুসলিম লিগ’ থেকে মুসলিম শব্দটি উঠিয়ে দেবার সাহস দেখাতে পেরেছিল কিংবা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রিয় মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। সে সময় রাষ্ট্রিয় মূলনীতিগুলো ছিল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। মুক্তিযুদ্ধের পরিপেক্ষিতে খুব স্বাভাবিক ছিল সে অংগীকার। কিন্তু এর জন্য যে বিশাল সাংস্কৃতিক প্রস্তুতি প্রয়োজন তা তাদের নেতাদের ছিল না, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তো ছিলই না।

ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করলেও এর মুল ভাবটি তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে স্পষ্ট ছিল- এমন কোন নজির পাওয়া যায় নি। পাকিস্তানী কারাগার থেকে ঢাকায় ফিরে এসে রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান যে বক্তৃতা দেন তাতে তিনি বাংলাদেশকে 'দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র' হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন তা কম তাৎপর্যপূণ নয়। ওই বছরেরই সাতই জুন তারিখের বক্তৃতায় শেখ মুজিব ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে যা বলেছেন তা হল –

‘বাংলাদেশ হবে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবে, হিন্দু হিন্দুর ধর্ম পালন করবে। খ্রীস্টান তার ধর্ম পালন করবে। বৌদ্ধও তার নিজের ধর্ম পালন করবে। এ মাটিতে ধর্মহীনতা নেই, ধর্মনিরপেক্ষতা আছে।‘

এ বক্তৃতা থেকে মুজিবের 'সর্বধর্মের প্রতি সদ্ভাবের' সুর ধ্বনিত হলেও সেক্যুলারিজমের মুল সুরটি অনুধাবিত হয় নি। আর হয় নি বলেই, সে সময়কার সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে 'ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ লোপ' করা হলেও, প্রবণতা দেখা দিল রাষ্ট্র কর্তৃক সকল ধর্মকে 'সমান মর্যাদাদানের'। তাই বেতারে, টেলিভিশনে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে - সর্বত্র কুরান শরীফ, গীতা, বাইবেল আর ত্রিপিটক পাঠ করা হতে লাগলো এক সংগে। এ আসলে প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, বরং ধর্ম আর শ্রদ্ধার মিশেল দেওয়া এক ধরণের জগাখিচুরি। সহজ ভাষায় বলা যেতে পারে ‘ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষতা’। যত দিন গেছে, ততই মুজিব এমনকি এই ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষতা থেকেও দূরে সরে গেছেন। তার শাসনামলের প্রান্তে প্রতিটি ভাষণেই মুজিব 'আল্লাহ', 'বিসমিল্লাহ', 'ইনশাল্লাহ', 'তওবা' প্রভৃতি শব্দ উচ্চারণ করতেন। এমনকি শেষদিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক প্রতীক 'জয় বাংলা'ও বাদ দিয়ে 'খোদা হাফেজ' প্রবর্তন করেন। শুধু তাই নয়, যে 'ইসলামিক একাডেমী' মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আলবদরদের সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল, তারও পুনরুত্থান ঘটান মুজিব, এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ‘ফাউন্ডেশন’-এ উত্থিত করেন।


http://www.mukto-mona.com/Articles/avijit/secularism_bangla.htm


জামাতে যেমন বিম্পির পুটকি মারা ছারা আর বেশি কিসু করে নাই তেমনে এহন বামারা আমিলিকের পুটকিই মারবো আর আমিলিকরে ডুবান চারা ার কিসু করবো না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হি হি....

glqxz9283 sfy39587p07