Skip to content

অনিমেষ রহমানের অনিয়মিত ভাবনাঃ ১২- খচ্চর কথন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



বাহবা সাবাশ বড়দের দল এই তো চাই,
ছোটোরা খেলবে আসুন আমরা বোমা বানাই।
-সুমনের গান


মোহাম্মদ মুরসী নামক ভদ্রলোক মিশরের প্রেসিডেন্ট হইছেন। তিনি আবার সেখানকার ইসলামিক ব্রাদারহুডের নেতা এবং ইলেকশনে জিতে এসেছেন। গনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।

গত প্রায় তিরিশ বছর সেখানে জগদ্দল পাথর থুক্কু পাথর না লোহার মতো ক্ষমতায় ছিলেন হোসনী মোবারক। যাকে বলা হয় লৌহশাসন। তার আগে ছিলেন আনোয়ার সাদাত নামে একজন। তারো আগে ছিলেন জামাল আব্দুল নাসের নামক আরেক রাখাল রাজা। বলা যায় আরব জাতীয়তাবাদের প্রান পুরুষ। যারা ভেবেছিলেন দজলা থেকে ফোরাত কিংবা লেবাননের পাহাড় থেকে নীল নদ-পুরা আরব বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করবেন ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে। ব্যর্থ হয়েছিলেন জামাল আব্দুল নাসের। পরাজিত হয়েছিলেন আরব-ইসরাইল যুদ্ধে। আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন ইসরাইলী জায়নিষ্টদের বিপক্ষে। আমরা অনেকে ভুলে যাই ইসরাইল হলো পৃথিবীর একমাত্র সাম্রাজ্যবাদের ‘জারজসন্তানের প্রমান’। শুধু শক্তি দিয়ে দেশ প্রতিষ্ঠা এবং স্বদেশ থেকে উতখাত হয়ে যাওয়া লাখো-হাজার ফিলিস্তিনীদের চোখের জলে একদিন ভেসে যাবে ইসরাইল! সাম্রাজ্যবাদের জারজসন্তান কেনো বললাম? নীচের তথ্য দেখুনঃ

In 1920, the League of Nations' Interim Report on the Civil Administration of Palestine stated that there were 700,000 people living in Palestine:
Of these 235,000 live in the larger towns, 465,000 in the smaller towns and villages. Four-fifths of the whole population are Moslems. A small proportion of these are Bedouin Arabs; the remainder, although they speak Arabic and are termed Arabs, are largely of mixed race. Some 77,000 of the population are Christians, in large majority belonging to the Orthodox Church, and speaking Arabic. The minority are members of the Latin or of the Uniate Greek Catholic Church, or—a small number—are Protestants. The Jewish element of the population numbers 76,000. Almost all have entered Palestine during the last 40 years. Prior to 1850 there were in the country only a handful of Jews. In the following 30 years a few hundreds came to Palestine. Most of them were animated by religious motives; they came to pray and to die in the Holy Land, and to be buried in its soil. After the persecutions in Russia forty years ago, the movement of the Jews to Palestine assumed larger proportions.


এরপরেই ইহুদীরা হয়ে গেলো রাষ্ট্রের মালিক আর উতখাত হয়ে গেলো ফিলিস্তিনীরা। খেয়াল করবেন-আমি এখানে ফিলিস্তিনী বলছি। এই ফিলিস্তিনী মুসলিম আছে-খ্রীষ্টান আছে-ইহুদী আছে। আমরা অনেকে জানিনা ফিলিস্তিনী আন্দোলনে নিজের জীবন যৌবন উতসর্গ করা অনেকে জাতিগতভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। সেখানে জর্জ হাবাশের মতো খ্রীষ্টান নেতা। তারপরে অধুনা উত্থান উগ্রপন্থী মুসলিম দল হামাসের। কাহিনী আবার আগের জায়গায়-হিন্দু মুসলিম কার্ডের মতো। এখন হলো ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে দুর্বল করতে যে কোনো কার্ড খেলা যেতে পারে। তেমনি একটা কার্ড ‘আরব বসন্ত’ কার্ড। মিশেল আফ্লাক আর সালাহউদ্দিন আল বিতারের আরব সেক্যুলার জাতীয়তাবাদের বিপক্ষে পরাজিত হতে হতে বৈশ্বিক লুটেরা পুঁজি এবার মাঠে নামালো টাই স্যুট পরা ধর্মিয় দল ইসলামিক ব্রাদারহুডকে! কারন অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীতে ‘বৈশ্বিক পুঁজির সাথে তাদের কোনো প্রতিদ্বন্ধিতা’ নেই।




এই সব স্যুট-টাই পরা কথিত ধর্মীয় রাজনৈতিক শক্তি কিছু ক্ষেত্রে ছাড় পেলেই তারা খুশি। এখানে আবার বামপন্থী আরব জাতীয়তাবাদীদের রাজনৈতিক ত্রুটিও ছিলো দৃশ্যমান। তারা অনেক বেশী পরিবারকেন্দ্রিক এবং সামরিক শাসনকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছিলেন।তার অনিবার্য পরিণতি স্বরুপ তাদের জনবিচ্ছিন্নতা! মজার ব্যাপার হলো পরিবারতন্ত্র গনতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হলেও মধ্যযুগীয় উপসাগরীয় রাজতন্ত্রের ব্যাপারে জাতিসংঘ কিংবা পশ্চিমাদের কোনো মাথা-ব্যাথা নেই। সে কারনেই সৌদি আরব-বাহরাইন-কুয়েত-ওমান-আমিরাত-কাতারের মতো মধ্যযুগীয় শেখ কিংবা রাজা শাসিত দেশগুলো এখোনো ধরে রেখেছে তাদের ক্ল্যাসিক্যাল রাজতান্ত্রিক ভিত্তি। আর আসলেই পৃথিবীতে আধুনিক মানুষের মনোজগতে এক ধরনের পরিবর্তন এসে গেছে-তারা এক ধরনের ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলের বিরোধিতা করতে গিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে আরেক ধরনের উগ্র ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের-যারা আসলে মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ!যেমন মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার ঠিক পিছনেই অপেক্ষা করে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা। ভারতে বি যে পি কিংবা বজরং দল সাম্প্রদায়িক ঘৃনা উস্কে দিলে বাংলাদেশে জামাতি কিংবা আমিনীরা নড়ে চড়ে উঠে। হামলে পড়ার চেষ্টা করে কিংবা হামলে পড়ে ধর্মীয় সংখ্যালগুদের জীবন-জীবিকা কিংবা সম্পদের উপর। এখানে একটা মজার ইকুয়েশন কাজ করে-তুমি সেখানে চালাও-আমি এখানে চালাই। মানে দেশে দেশে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার চাষ-বাস। এখানে আরেকটা মজার ব্যাপার আছে-প্রথাগতভাবে লম্বা জুব্বা গ্রুপ এখন আর খুব বেশী ক্রিয়াশীল না। কারন তারা জেহাদী জোশ কিংবা জজবায় আপ্লুত হইয়া আজিব কারবার ঘটাইয়া ফেলে। সুতরাং তাদের বিশ্বাস করা কঠিন। একদা পশ্চিমাদের কলাটা-মুলাটা কিংবা ঝোল-রুটি খেয়ে বেড়ে উঠা তালেবান সোভিয়েত পরবর্তীযুগে সেই আমেরিকার মাথাব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। এখানে আরো একটা গুরুত্বপুর্ণ অনুসংগ কাজ করতে পারে তা হলো-বিশ্ববানিজ্য কিন্তু আমেরিকা কিংবা পশ্চিমাদের মেজাজ মর্জিমতো চলছেনা। পুঁজি কিংবা বিশ্ববানিজ্য শ্রমের সহজলভ্যতা কিংবা ন্যুনতম মজুরী এবং বিনিয়োগ পরিবেশের কারনে এশিয়াতে ফিরে এসেছে ওইদিকে আবার ল্যাটিন জেগে উঠছে শত বছরের সাম্রাজ্যবাদী শোষনের শিকল থেকে। তারা প্রমান করে দেখিয়েছে-সর্বহারার কথিত একনায়কত্ব ছাড়াও ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেও সাধারন মানুষের মুক্তির নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব’। আজকে কমরেড চে গুয়েভারার বিশ্ববিপ্লব-জাতীয়তাবাদের সাথে মিলে মিশে গড়ে তুলছে নতুন বিশ্বব্যবস্থা। এগিয়ে যাচ্ছে লুলা-চ্যাভেজ-ওর্তেগা নীরবেই ভবিষ্যতপানে। এই গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ঢেউ এসে পড়তে পারে সারা পৃথিবীতে-মানুষ সব সময় নিজের মনের মতো সমাজ গড়ে তুলতে পারে কিংবা গড়ার চেষ্টা করে। সেখানেই আজকের দুনিয়ার দুর্বল জাতীয়তাবাদীদের শুন্যস্থান পুরন করার জন্য এগিয়ে আসছে কিছু খচ্চর রাজনীতিবিদ। কারন সাম্রাজ্যবাদ জাতীয়তাবাদীদের ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা কারন জাতীয়তাবাদীরা প্রায়শঃ জনগনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নেয়। যতক্ষন তাদের ‘হালুয়া-রুটি’ গিলিয়ে জনগনের বিপক্ষে রাখা যায় ততই বিশ্বসাম্রাজ্যবাদের মঙ্গল। আগে গনতান্ত্রিক শাসনের বিকল্প হিসেবে সাম্রাজ্যবাদের পছন্দের বিষয় ছিলো ‘সামরিক শাসন’। দেশে দেশে মার্কোস কিংবা সুহার্তোদের উত্থান। এখন সেই যুগ নেই-সামরিক শাসন আর ফিরে আসবেনা কিংবা ফিরে আসছেনা।

বিকল্প হিসেবে ফিরে আসছে হাসান আল বান্নার প্যান-ইসলামিজম। কারন এসব দেশে সাম্রাজ্যবাদ তার বিকল্প শক্তিকে ক্ষমতায় আনার জন্য ড্রোন গনতন্ত্র কায়েম করে ক্ষমতায় আনার পথ অনেকটা পরিস্কার করে দিয়েছে। এইসব ব্রাদারহুড নেতাদের মজার কিছু কমন বৈশিষ্ট্য চোখে পড়লোঃ তারা আধুনিক পশ্চিমাদের মতো স্যুট-টাই পরে আবার তাদের থুতনিতে একটু দাঁড়িও আছে। তারা কথিত ধর্মীয় রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায় আবার আধুনিক জীবন যাপনের কথা বলে। কেমন যেনো স্ববিরোধিতা। এই স্ববিরোধিতায় খুব মজা আছে। পরকালের শান্তির রাস্তা আবার দুনিয়াতে অর্থনৈতিক মুক্তি। একধরনের খচ্চর মতাদর্শ অভিমুখে আবার মুসলিম দুনিয়া।



জাতীয়তাবাদী বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্টদেশগুলিতে ভাষাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদীদের বিপরীতে ‘রাজনৈতিক খচ্চর’রা সাম্রাজ্যবাদের মদতে এগিয়ে আসছে’।

কান্ডারী হুঁশিয়ার!!




ঘোড়া ও গাধার সংকর প্রাণীকে খচ্চর বলে। ছেলে গাধা আর মেয়ে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে ইংরেজিতে বলে মিউল আর মেয়ে গাধা আর ছেলে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে বলে হিনি। বাংলা ভাষায় খচ্চর ছেলে বা মেয়ে হতে পারে। কিন্তু এরা সংকর, তাই প্রজননে অক্ষম।



মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘোড়া ও গাধার সংকর প্রাণীকে খচ্চর বলে। ছেলে গাধা আর মেয়ে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে ইংরেজিতে বলে মিউল আর মেয়ে গাধা আর ছেলে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে বলে হিনি। বাংলা ভাষায় খচ্চর ছেলে বা মেয়ে হতে পারে। কিন্তু এরা সংকর, তাই প্রজননে অক্ষম।
খচ্চরের মধ্যে ঘোড়া ও গাধা দুইয়েরই অনেক গুণ আছে। যেমন গাধার মত শান্ত ও এবং ঘোড়ার মত সাহসী ও শক্তিশালী।
মাঝে মাঝে গাধার গুনে গুনান্বিত আর মাঝে মাঝে ঘোড়ার গুনে গুনান্বিত।

===============================
তার আঁখি দুটি ছলছল মৃদু হাসি বদন খানায়
দেখলে যায় রে চেনা।
মহা ভাবের মানুষ হয় যে জনা ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটু কারেকশন করে দিলাম।
যারা প্রজননে অক্ষম তাদের দিয়া ভালু কাম কিতা হইবো।
Wink Wink Wink Wink Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অলটারনেটিভ থিন্কিং ভালা হইসে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সালাম উস্তাদ!!
smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখা সার্বিকভাবে খুব ভাল হয়েছে।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে কি নেক্সট খচ্চর আসবে?

------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেনু ব্যারিষ্টার রাজ্জাকরে পছন্দ হয়না?
Wink Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাসেন কেনু?
smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিশর ভিক্ষাতে বিশ্বাসী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিশর আজিব চিড়িয়াখানা।
Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লাইক দিলাম; বিশ্লেষণ দারুণ হইছে।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমেরিকা নিজের স্বার্থে বরাবরই মৌলবাদের দোসর।
সাধু সাবধান।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খচ্চরেরা প্রজননে অক্ষম। কিন্তু রাজনৈতিক খচ্চরেরা কিন্তু তা না। তারা প্রতিনিয়ত তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্যভাবে বলা যায়-মানুষ যখন চিন্তায় খচ্চর হয়ে পড়ে তখন খচ্চরের খাতায় নাম লেখায়।
smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইখানে আরোও একটা ব্যপার হইলো প্যালাস্টাইন এর আদিবাসিরা ইহুদিগো
ধৈরা আগে ঘারাইতো!!
কথা সত্যি....
কিন্তু এখন হালারা(ইহুদি) জোট বান্ধছে।
মিডল ইস্টের অনেক শাসকই খাচ্চর আছিলো ..
থাকবো..
যুদ্ধ , হানাহানি,অপরাজনীতির পরিনাম সবসম​য় নেগেটিভ​।
জেনারেশন ব্লাড সব কোড বহন করে যুগ থেকে যুগান্তরে।

______________________
ব্লগ​....ব্লগার​....ব্লগিং..আলো-চাল​


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিড ইষ্টে খাচ্চর আছিলো দেইখাই সব নবী-রাসুল আল্লাহ ওইখানে পাডাইছিলেন।
Laughing out loud

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হে হে হে, আম্রিকা দেখছে যে একনায়ক ইসলামি হিরু লেবু চিপতে চিপতে রস সব শেষ। জিহাদী লেবুও শেষের পথে, তাই এইবার নতুন লেবু আনছে ম্যাঙ্গো শরবতের জন্য। ইসলামি ব্রাদারহুডের লেবু। উইথ নিউ গনতন্ত্র ফ্লেভার। Wink

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবচেয়ে বেশী বোঝা উচিত ভাশাভিত্তিক জাতীয়তাবাদীদেরকে। তারাও মাঝে মাঝে বইসা থাকে আমেরিকান লেবু খাওনের লাইগ্যা।
smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুক্রবার, ০৬/০৭/২০১২ - ২০:০৬ তারিখে অনিমেষ রহমান বলেছেন
কেনু ব্যারিষ্টার রাজ্জাকরে পছন্দ হয়না?


................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হেতেরে দিয়া আমেরিকা 'মডারেট ইসলামী পার্টি' বানাইবো ঝামাতিদেরকে।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ, শালার হুজুরেরা তো বুঝেনা যে, আল্লার আইন আল্লার আইন কইয়া যতই ফাল পারুক বোমাবাজি করুক, প্রথম পুন মারা তাহারাই খাইবেক

................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ' ঠিক কইছেন শিমুল।
কিন্তু তার আগেই দেশের ক্ষতি কইরা দিয়া যায়।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেট ওয়েলকাম ব্যাক

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক আগেই আইছি দ্বৈত ভাইজান।
Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘোড়া ও গাধার সংকর প্রাণীকে খচ্চর বলে। ছেলে গাধা আর মেয়ে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে ইংরেজিতে বলে মিউল আর মেয়ে গাধা আর ছেলে ঘোড়ার বাচ্চা হলে তাকে বলে হিনি। বাংলা ভাষায় খচ্চর ছেলে বা মেয়ে হতে পারে। কিন্তু এরা সংকর, তাই প্রজননে অক্ষম।

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
স্বেচ্ছায় নেওয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতই ভোগ করা যায় ........................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খচ্চরেরা প্রজননে অক্ষম। কিন্তু রাজনৈতিক খচ্চরেরা কিন্তু তা না। তারা প্রতিনিয়ত তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে।


সহমত ।

=========================================================
স্মৃতি ঝলমল সুনীল মাঠের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্যভাবে বলা যায়-মানুষ যখন চিন্তায় খচ্চর হয়ে পড়ে তখন খচ্চরের খাতায় নাম লেখায়।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাবাস! অনেক ভাল পোস্ট। চমৎকার বিশ্লেষণ। Star Star Star Star Star
-----------------------------------------------------------------------------------------

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ জটিল ভাইজান।
সামনে আরো লেখুম।
সিরিয়াস লেখা আমারে দিয়ে হয়না।
smile :) :-) smile :) :-)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্পট অন। লেখা ভালো হয়েছে। এই নব "প্যান ইসলামিজম" কিন্তু দেখা যাচ্ছে বিশাল ব্যাকিং পাচ্ছে ইউএস-ইউকে থেকে। ওদের ভাব মনে হয় এরকম, বাবারা তোরা নিজের দেশের মানুষকে চুে াক করে ফেল, খালি আমাদের দিকে হাত বাড়াস না। ব্রিটেনে সবচে' শক্তিশালি সাউথ এশিয়ান গ্রুপ হলো জামাতি ছাগুরা। এমনই অবস্থা। বুদ্ধিজীবি হত্যার নায়করা তো জামাই আদরে ইউকেতে থাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের এখানে অনেকেই ভাবে আমেরিকার তথাকথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারনে কোনঠাসা হবে 'সাম্প্রদায়িক শক্তি'। তাদের সেসব চিন্তাকে ভুল প্রমান করে জেগে উঠছে কথিত হাসান আল বান্না'র প্যান-ইসলামিষ্টরা।
কান্ডারী হুশিয়ার।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রওনা দিয়েও পৌছলাম না আপন গৃহে। হয়তো আরো জানবো বলে অথবা জানাব না বলে।

লেখক নই, পাঠক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীচে আপনার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।
Wink Wink

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই আপনার কথা মনে হয় ঠিকি আছে-আমার অবশ্য ধারনা নেই তবে শিবিরের অনেক নেতা এখন ইউরোপ-উত্তর আমেরিকাতে খুব ভালোভাবেই আছে। আমাদের অনেকেরেই বুঝাইতে পারিনা। সময় করে এই পোষ্টটা একটু দেখেন।


---এখানে এসে তো এই ব্যাপারে কিছু পেলাম না দুইটা ছবি ছাড়া।

ওবামা/আমেরিকা কেন আরব বসন্তের নাম করে ইসলামীষ্টদের ক্ষমতায় বসাতে সাহায্য করছে ? আজ তিউনিসিয়াতে বিল পাশ হয়েছে ইসরাইলকে যে কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্র কোন ভাবে সহযোগীটা করবে না করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। পূর্বের একনায়কও এত কঠিন ছিল না। তাহলে ওবামা কার জন্য কাজ করছে ইজরাইল না ফিলিস্তিন? ইসলামীষ্ট না উদার দের জন্য? একবার যেহেতু গ্রিন সিগ্ন্যান পেয়ে গেছে তখন কি ইসলামীষ্ট রা বেপরোয়া হয়ে উঠবে না? নাকি ওদের ব্যপরোয়া করার মধ্যে তাদের কোন উদ্দেশ্য আছে? এসব ব্যাপারে একটু জানতে পারলে ভাল হতো। এটা তো সত্যি মুসলিম ব্রাদারহুড হিজবুল্লারই অংশ অথবা মুসলীম ব্রাদারহুডই সৃষ্টি করেছে হিজবুল্লাহ। একটু খবর নেন। এই টাই ওয়ালা ভদ্রলোক বাংলাদেশের জামাত এক জিনিষ না। হিজবুল্লা একটি বুদ্ধিজীবি সংগঠন সুধু মডারেট মুসলিম নয়।

আর যদি মোডারেট মুসলিমও হয়ে থাকে এটাই একমাত্র সমাধান মোসলমানদের সমস্যা থেকে উত্তরণের। তালেবানকে সাপোর্ট করা আর টাই পরা মুসলিম ব্রাদারহুড কে সাপোর্ট করা এক নয়। ধর্মান্ধ যদি না হয় তাকে তো মোডারেট হতেই হবে। ধর্মতো আর বদলানো যাবে না। এটা কেউ জোর করে করতে চাইলেও পারবে না রক্তারক্তি ছাড়া। তাই একমাত্র সমাধান মোডারেট মুসলিম। মিলেমিশে থাকা সম্ভব না হলেও কাউকে না ঘাঁটানোই উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মোডারেট মুসলমানদের তথা মুসলিম সমাজের নীতি।

আমি আপনার লিখাটাতে সমাধানের পথ খুঁজতে চেয়েছি। সবাই লিখে কিন্তু কেউ সমাধানের পথ বলে না কারণ সেটা বলতে গেলে সেও মডারেট মুসলিম অথবা ইসলামীষ্ট নতুবা খ্রিষ্টান/ইহুদীদের পক্ষ নিতে হবে। পক্ষনেবার সাহস আসলে কারও নেই। কারন তারাও জানে না বিশ্ব কোন দিকে যাচ্ছে। পক্ষ নিয়ে ভবিষ্যত নষ্ট করবে না-কি। হাহাহা। সত্যি বলে কষ্ট দিলে ক্ষমা করবেন। ভুল বললে গাল দিলে সমাস্যা নাই।

লেখক নই, পাঠক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

--এখানে এসে তো এই ব্যাপারে কিছু পেলাম না দুইটা ছবি ছাড়া।


এবার আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করিঃ

ওবামা/আমেরিকা কেন আরব বসন্তের নাম করে ইসলামীষ্টদের ক্ষমতায় বসাতে সাহায্য করছে ? আজ তিউনিসিয়াতে বিল পাশ হয়েছে ইসরাইলকে যে কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্র কোন ভাবে সহযোগীটা করবে না করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। পূর্বের একনায়কও এত কঠিন ছিল না। তাহলে ওবামা কার জন্য কাজ করছে ইজরাইল না ফিলিস্তিন? ইসলামীষ্ট না উদার দের জন্য? একবার যেহেতু গ্রিন সিগ্ন্যান পেয়ে গেছে তখন কি ইসলামীষ্ট রা বেপরোয়া হয়ে উঠবে না? নাকি ওদের ব্যপরোয়া করার মধ্যে তাদের কোন উদ্দেশ্য আছে? এসব ব্যাপারে একটু জানতে পারলে ভাল হতো। এটা তো সত্যি মুসলিম ব্রাদারহুড হিজবুল্লারই অংশ অথবা মুসলীম ব্রাদারহুডই সৃষ্টি করেছে হিজবুল্লাহ। একটু খবর নেন। এই টাই ওয়ালা ভদ্রলোক বাংলাদেশের জামাত এক জিনিষ না। হিজবুল্লা একটি বুদ্ধিজীবি সংগঠন সুধু মডারেট মুসলিম নয়।


উত্তর দিছিলাম খেয়াল করেন নাই-
মজার ব্যাপার হলো পরিবারতন্ত্র গনতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হলেও মধ্যযুগীয় উপসাগরীয় রাজতন্ত্রের ব্যাপারে জাতিসংঘ কিংবা পশ্চিমাদের কোনো মাথা-ব্যাথা নেই। সে কারনেই সৌদি আরব-বাহরাইন-কুয়েত-ওমান-আমিরাত-কাতারের মতো মধ্যযুগীয় শেখ কিংবা রাজা শাসিত দেশগুলো এখোনো ধরে রেখেছে তাদের ক্ল্যাসিক্যাল রাজতান্ত্রিক ভিত্তি।


এখানে কিছু আলোচনা হতেই পারে-সাউদী আরাবিয়া মুস্লিম দেশ। তাদের সাথে ইসরাইলের কুটনৈতিক সম্পর্ক নেই। কিন্তু সৌদি আর মার্কিন সম্পর্ক হলোঃ ইসরাইল-আমেরিকা ভাই ভাই হইলে সৌদি আমেরিকা হইলো শালা দুলাভাই। সৌদি আরবের সাথে আমেরিকার সম্পর্কের ডাইমেনশন বুঝতে এই পোষ্টটা পইড়েন কষ্ট করে।
ঠিক সেই কারনেই তথাকথিত ইসলামী ব্রাদারহুডকে সন্দেহের ভিতরেই রাখতে হচ্ছে। তিউনিশিয়ানদের মতো সৌদি আরবের কথিত রাজাদের সাথে ইসরাইলের কোনো কুটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তাহলে কি তারা ইসরাইলের কাজ হাসিল করছেনা? সৌদি আরব কি ইসরাইলের জন্য হুমকি? মনে হয়না! একটা কথা মনে রাখবেন-সৌদি আরব সবচাইতে বড় হুমকি মনে করে ইরানকে। ইসরাইল কে না। আপনার কথায় আরেকটা ভুল হলো হিজবুল্লাহ আর মুস্লিম ব্রাদারহুডকে এক করে ফেলা। হিজবুল্লাহ হলো শিয়া সংঘঠন আর মুস্লিম ব্রাদারহুড হলো বাংলাদেশের জামাতীদের পিতৃ-সংগঠন।
উইকি থেকেঃ
Hezbollah[1] (Arabic: حزب الله‎ ḥizbu-llāh, literally "Party of Allah" or "Party of God") is a Shi'a Islamic militant group and political party based in Lebanon.[2][3][4] It receives financial and political support from Iran and Syria, and its paramilitary wing is regarded as a resistance movement throughout much of the Arab and Muslim worlds.[2] The United States, the Netherlands,[5] the United Kingdom, Australia, Canada and Israel classify Hezbollah as a terrorist organization, in whole or in part.[6]

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর যদি মোডারেট মুসলিমও হয়ে থাকে এটাই একমাত্র সমাধান মোসলমানদের সমস্যা থেকে উত্তরণের। তালেবানকে সাপোর্ট করা আর টাই পরা মুসলিম ব্রাদারহুড কে সাপোর্ট করা এক নয়। ধর্মান্ধ যদি না হয় তাকে তো মোডারেট হতেই হবে। ধর্মতো আর বদলানো যাবে না। এটা কেউ জোর করে করতে চাইলেও পারবে না রক্তারক্তি ছাড়া। তাই একমাত্র সমাধান মোডারেট মুসলিম। মিলেমিশে থাকা সম্ভব না হলেও কাউকে না ঘাঁটানোই উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মোডারেট মুসলমানদের তথা মুসলিম সমাজের নীতি।


আমি জানি টাই পরা মোহাম্মদ মুরসিকে সমর্থন করা এক না-ধর্ম বদলানোর কথা আসছেনা। আসছে ধর্মের রাজনীতিতে ব্যবহারের কথা। আমেরিকা আধুনিক সমাজের কথা বল্লেও তারা বরাবর সখ্যতা বজায় রেখেছে আপাতঃ ধর্মীয় গ্রুপগুলোর সাথে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কথিত ধর্মাশ্রয়ী পাকিস্তানকে সমর্থন যারা করেছে কিংবা এখোনো করছে সেই আমেরিকা আবার ইসরাইলের ভাই। খটকা লাগেনা আপনার?
মোহাম্মদ মুরসির নীচের কাহিনী পড়ুনঃ


The Pentagon chief told reporters that Morsi and Field Marshal Mohammed Hussein Tantawi have a "very good relationship," despite the military's recent moves to limit the powers of the presidency.

Asked about Morsi's affiliation with the Muslim Brotherhood and its reported ties to Islamic extremist groups like Hamas, Panetta said that after talking to Morsi at the presidential palace he believes Morsi "is his own man."

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আপনার লিখাটাতে সমাধানের পথ খুঁজতে চেয়েছি। সবাই লিখে কিন্তু কেউ সমাধানের পথ বলে না কারণ সেটা বলতে গেলে সেও মডারেট মুসলিম অথবা ইসলামীষ্ট নতুবা খ্রিষ্টান/ইহুদীদের পক্ষ নিতে হবে। পক্ষনেবার সাহস আসলে কারও নেই। কারন তারাও জানে না বিশ্ব কোন দিকে যাচ্ছে। পক্ষ নিয়ে ভবিষ্যত নষ্ট করবে না-কি। হাহাহা। সত্যি বলে কষ্ট দিলে ক্ষমা করবেন। ভুল বললে গাল দিলে সমাস্যা নাই।


আমি আমার লেখাটাতে একবারো বলিনি যা কাউকে কারো পক্ষ নিতে। দেখানোর চেষ্টা করেছি কথিত ধর্মাশ্রয়ীদের প্রতি ইসরাইলের ভ্রাতা আমেরিকার ভালোবাসার কারন! তবে কিছু আশা কিংবা সমাধানের কথাও ছিলোঃ

এখানে আরো একটা গুরুত্বপুর্ণ অনুসংগ কাজ করতে পারে তা হলো-বিশ্ববানিজ্য কিন্তু আমেরিকা কিংবা পশ্চিমাদের মেজাজ মর্জিমতো চলছেনা। পুঁজি কিংবা বিশ্ববানিজ্য শ্রমের সহজলভ্যতা কিংবা ন্যুনতম মজুরী এবং বিনিয়োগ পরিবেশের কারনে এশিয়াতে ফিরে এসেছে ওইদিকে আবার ল্যাটিন জেগে উঠছে শত বছরের সাম্রাজ্যবাদী শোষনের শিকল থেকে। তারা প্রমান করে দেখিয়েছে-সর্বহারার কথিত একনায়কত্ব ছাড়াও ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেও সাধারন মানুষের মুক্তির নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব’। আজকে কমরেড চে গুয়েভারার বিশ্ববিপ্লব-জাতীয়তাবাদের সাথে মিলে মিশে গড়ে তুলছে নতুন বিশ্বব্যবস্থা। এগিয়ে যাচ্ছে লুলা-চ্যাভেজ-ওর্তেগা নীরবেই ভবিষ্যতপানে। এই গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ঢেউ এসে পড়তে পারে সারা পৃথিবীতে-মানুষ সব সময় নিজের মনের মতো সমাজ গড়ে তুলতে পারে কিংবা গড়ার চেষ্টা করে। সেখানেই আজকের দুনিয়ার দুর্বল জাতীয়তাবাদীদের শুন্যস্থান পুরন করার জন্য এগিয়ে আসছে কিছু খচ্চর রাজনীতিবিদ। কারন সাম্রাজ্যবাদ জাতীয়তাবাদীদের ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা কারন জাতীয়তাবাদীরা প্রায়শঃ জনগনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নেয়। যতক্ষন তাদের ‘হালুয়া-রুটি’ গিলিয়ে জনগনের বিপক্ষে রাখা যায় ততই বিশ্বসাম্রাজ্যবাদের মঙ্গল। আগে গনতান্ত্রিক শাসনের বিকল্প হিসেবে সাম্রাজ্যবাদের পছন্দের বিষয় ছিলো ‘সামরিক শাসন’। দেশে দেশে মার্কোস কিংবা সুহার্তোদের উত্থান। এখন সেই যুগ নেই-সামরিক শাসন আর ফিরে আসবেনা কিংবা ফিরে আসছেনা।



ভুল বললে গাল দিলে সমাস্যা নাই।


ছাগু ছাড়া কাউকেই গালি দেবার কিছু নেই-আলোচনায় সব সময় স্বাগতম।
রিলেটেড কিছু তথ্যঃ

By 2020 there will be a major shift in the global balance of economic power compared to 2010. Emerging economies will rise in importance and China will have overtaken the USA to lead the list of the world’s top ten largest economies by GDP measured in PPP terms. Consumer markets in emerging economies will present enormous opportunities but their rapid growth poses a challenge to the global environment. Early this year Japan confirmed that China’s economy surpassed its own as the world’s second largest in 2010.



_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিসরের আকস্মিকভাবে সেনাবাহিনীর দুজন শীর্ষ জেনারেলকে অবসরে পাঠানোর ঘটনাকে অবাক করার মতো কোনো ঘটনা ভাবতে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র।
সেনাবাহিনীর শীর্ষ দুই কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরই মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র আশা করেছিল, মিসর সেনাবাহিনীতে প্রয়োজনীয় রদবদল ও পরিবর্তন আনা হবে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র জর্জ লিটল বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট মুরসি সামরিক নেতৃত্বে কিছু পরিবর্তন আনবেন, নতুন নেতৃত্ব তৈরি করবেন—আমরা এমনটাই প্রত্যাশা করেছিলাম।’ তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা দপ্তর আগের মতোই স্কাফের (সুপ্রিম কাউন্সিল অব দি আর্মড ফোর্সেস) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। পেন্টাগনের মুখপাত্র বলেন, ‘মিসরের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি আমাদের পরিচিত।’
গত রোববার ফিল্ড মার্শাল হুসেইন তানতাউয়ি ও সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ সামি আনানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অবসরে পাঠানোর ঘোষণা দেন মিসরের প্রেসিডেন্ট। এর মধ্যে ফিল্ড মার্শাল হুসেইন তানতাউয়ি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন। বিবিসি।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনিমেষের চিন্তাধারাকে সম্মান জানিয়ে গেলাম

খচ্চরেরা প্রজননে অক্ষম। কিন্তু রাজনৈতিক খচ্চরেরা কিন্তু তা না। তারা প্রতিনিয়ত তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে।

সহমত

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........

glqxz9283 sfy39587p07