Skip to content

চোরের পোলা কোকোর পাচার করা টাকা সিঙ্গাপুরে ধরা, এদিকে ঢাকায় ধরা খেয়েছে চার জঙ্গি আইটি বিশেষজ্ঞ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাকি গুপ্তচর ও পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর এজেন্ট উর্দুভাষী জিয়ার পোলা কোকো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিভিন্ন দেশে পাচার করেছিল অবৈধভাবে, এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের মামলার রায় হয়ে গেছে। চোরাই টাকা প্রমানিত হওয়ায় কোকোর সহযোগীর দন্ড দেয়া হয় সোমবার। শুধু কোকো একাই না বিএনপি নামক পাকিস্তান ভিত্তিক দলটির মন্ত্রী নেতারা সপরিবারে ডাকাতিতে জড়িত ছিল, আরেক চোরা মন্ত্রী আকবর হোসেনের পোলা সায়মনও ধরা খেয়েছে। তবে চোরের মায়ের গলা সাধারনত বড় থাকে। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় পাকিস্তানী পাঞ্জাবী সেনা কর্মকর্তার বাসায় অবস্থান করা খালেদা মজুমদার গতকাল হুমকি দিয়েছেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের চেষ্টা করা হলে দেখে নেয়া হবে। রাজাকার সা কা চৌ জেলে যাওয়ার পর খালেদার হুঙ্কার যে বাড়ছে সেটা সুধীজনের অনেকেই খেয়াল করছেন।







এদিকে ঢাকা শহরে ধরা খেয়েছে চারজন টেকমোল্লা। চারজনই উল্লা ইহসান মার্কা মোল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পাকি এজেন্ট জিয়ার অনুকরনে খালেদা ক্ষমতায় এসে দেশজুড়ে মাদ্রাসা মার্কা বেশ কিছু ভার্সিটি বসিয়েছিল। এখন বোঝা যাচ্ছে এখানে কি পড়ানো হয়। সরকারের কাছে অনুরোধ করছি এই চার হারামীর পোলাকে এমন শিক্ষা দেওয়া হোক যেন এদের চোদ্দগুষ্ঠিতে কেউ জঙ্গীবাদের কথা মুখে না আনতে পারে। এখানে উল্লেখ্য রাজাকার ও পাকি দালালদের তত্ত্বাবধানে খালেদা এবং তার পোলা তারেক বাংলাদেশে ব্যাপক জঙ্গিবাদের সুচনা করে গতবার। ইন্ধন জুগিয়েছে ঢাকার ঘুষখোর একদল সরকারী কর্মকর্তা এবং হারামখোর কিছু ব্যবসায়ী (সবাই বিএনপিপন্থী। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশ কিছু কথিত বোদ্ধা প্রবাসীও উষ্কানীদাতা। বিএনপি দলটির ৯০ ভাগ নেতা ৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, সুতরাং এরা দেশের ক্ষতি করতে চাইবে এ আর নতুন কি। আইএসআই কর্মকর্তা ও পাকি গুপ্তচর জিয়া দুর্নীতি ও অপঘাতের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করে দেশটি পাকিস্তানের কাছে ইজারা দেয়। একই ব্যক্তি পাকিদের পরামর্শে খুব কৌশলে স্পয়লার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। পাকি প্ল্যানমত বড় বড় বেশ কয়েকটি সন্মুখসমরে জিয়ার কারনে শত শত মুক্তিযোদ্ধা প্রান হারায়। বস্তুত মুক্তিযুদ্ধে জিয়া নামক ব্যক্তির সাফল্য থাক দুরের কথা তিনমাসের মাথায় ষড়যন্ত্র প্রকাশ হয়ে গেলে সর্বাধিনায়ক ওসমানী জিয়াকে কোর্টমার্শালের মুখোমুখি করে। তখনই শাস্তি হয়ে যেত এই দালালের। ভাগ্যের জোরে পার পেয়ে যায়। স্বাধীনতার তিন মাসের মাথায় তার পাকি প্রভুদের নির্দেশমত ক্যু এর চেষ্টা চালাতে থাকে। অবশেষে নারী ও শিশু হত্যাকান্ডের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে পাকি দালাল জিয়া জেল থেকে ৩০ হাজার রাজাকারকে ছেড়ে দেয় এবং ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ফাসি দেয়। তিন টপ রাজাকারকে (যাদু মিয়া (বেলেল্লা বাবি রাসেলের চাচা), সবুর খা ও শাহ আজীজ) দিয়ে দল গঠন করে নাম দেয় বিএনপি। সেই একই দল বিএনপি গত ৩৫ বছর দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে। পাকিস্তানের কাছ থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে অস্ত্র পাচার করত। গত ইলেকশনের খরচও পাকিস্তান দিয়েছে বিএনপিকে - বাবরের স্বীকারোক্তি।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটি উৎসর্গ করছি ব্লগের হারামজাদা শিরোমনি কুলাঙ্গার ফারমার নামক ব্লগারকে। জামাতী বিএনপিরা বাংলাদেশকে ঘৃনা করে জানি, কিন্ত এই ফারমার কুত্তাটার মত এতটা বাংলাদেশ বিরোধী কাউকে দেখি নি। অবিশ্বাসে ওর ব্লগ ঘুরে আসেন, পুরোটাই বাংলাদেশ বিদ্বেষে পরিপুর্ন। গদাম তোর পাছায় শালা ফারমার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@••• (আহমদ উল্লাহ),


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের একটি যৌথ প্রকাশনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কয়েক লাখ ডলার আত্মসাতের প্রসঙ্গ স্থান পেয়েছে। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) এবং বিশ্বব্যাংকের সমন্বিত উদ্যোগ-স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি ইনিশিয়েটিভের প্রস্তুত করা একটি পুস্তিকায় সিমেন্স কম্পানির কাছ থেকে কোকোর ঘুষ গ্রহণের অভিযোগকে 'জাতীয় মুদ্রা সরানোর' উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

'অ্যাসেট রিকভারি হ্যান্ডবুক_এ গাইড ফর প্র্যাকটিশনার্স' নামের পুস্তিকাটি গত ১৬ ডিসেম্বর ভিয়েনায় প্রকাশ করা হয়। পুস্তিকার ৩৬ ও ১৭৯ পৃষ্ঠায় বাংলাদেশে সিমেন্স কম্পানির সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোর অনৈতিক আর্থিক যোগসাজশের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৬ নম্বর পৃষ্ঠায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করে দেখেছে, সিমেন্স বিভিন্ন দেশে সরকারি কাজ পেতে জনপ্রশাসন কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে কনসালট্যান্টদের ঘুষ দেওয়া হতো। কনসালট্যান্টরা এর বিনিময়ে সরকারি কর্মকর্তা ও সিমেন্স কর্তৃপক্ষের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করেছেন। আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ ও ভেনিজুয়েলায় এ ধরনের ব্যাপক দুর্নীতির দায়ে সিমেন্সকে শেষ পর্যন্ত ৪৫ কোটি ডলার জরিমানা করা হয়।

পুস্তিকার ১৭৯ পৃষ্ঠায় বলা হয়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে ঘুষ হিসেবে বিদেশি একটি কম্পানির দেওয়া অর্থ ২০০৯ সালে বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের যুক্তি ছিল, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমেরিকান মুদ্রার বিনিময় কাজটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষাকারী ব্যাংকের মাধ্যমেই হতে পারে। ঘুষ দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি (সিমেন্স) বিদেশি হলেও সেটি নিউইয়র্ক স্টক এঙ্েেচঞ্জে নিবন্ধিত, আর তাই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ঊধর্ে্ব নয়।



Laughing out loud Laughing out loud

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@-নাছিম-,





(Y) (Y) (Y) (Y) (Y)

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথ্যবহুল পোস্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোরাই টাকা প্রমানিত হওয়ায় কোকোর সহযোগীর দন্ড দেয়া হয় সোমবার


কি দন্ড? দন্ড শরীরের কোন অংশে কিভাবে দেওয়া হইয়াছে? ডিম থেরাপী প্রয়োগ করা হইতাছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডিম থেরাপী দেয়া হউক...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহমদ উল্লাহ সাহেব,আপনি কি বলতে পারেন শেখ হাসিনার ছেলে জয় আমেরিকা কি করে?সে কি ইহুদীর ভাতার নয়?তার পুরবের স্ত্রী কি শিখ নয়?এই ইহুদীর ভাতার জয় তার ১৪ গুষ্টির পাঠানো কমিশন খয়রাত করে চলে।আর বহুজাতিক কোম্পানীর সাথে কোটি কোটি টাকার কমিশন বানিজ্য করে যাচ্ছে।আর জয় নিজেকে পরিচয় দেয় আইটি বিশেষঞ্জ বলে।শুনেছি চোরের মার বড় গলা;এখন দেখি চোরের ছেলেরও বড় গলা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শেখ গোপাল, তোর ল্যান্জার অবস্হান তোর আসার প্রথমদিনই বুঝে গিয়েছিলাম।

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।

glqxz9283 sfy39587p07