Skip to content

৭১ সালের ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধপরাধীর ক্ষমা প্রসংগে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৬ ই ডিসেম্বরে পাক বাহিনী যখন বাংলাদেশ-ভারতের মিলিত মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে তখন পাকিস্তানীদের তরফ থেকে সবচেয়ে জোর দেওয়া হয়েছিল জেনেভা কনভেনশনের আওতায় তাদের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা। মিত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের বিনিময়ে এই একটি বিষয়েই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ তখন বলতে গেলে কোনরকম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি, জাতিসংঘের জ়েনেভা কনভেনশনের শর্ত রক্ষা করা বাংলাদেশের পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব ছিল না। পাকিস্তানীরাও এটা জানত বলেই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে তারা ঢাকাসহ দেশের সব যায়গাতেই ভারতীয় বাহিনীর কাছেই আত্মসমর্পন করে যাতে করে তারা জেনেভা কনভেনশনের সুবিধে পায়। এ কারনেই আত্মসমর্পনের শর্ত অনুযায়ী ভারত ৯০, ০০০ পাক যুদ্ধবন্দীকে নিরাপত্তার শর্তানূযায়ী ভারতে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়।



ভারত পাকিস্তান ৭২ সালের জুলাই মাসে সিমলা চুক্তির সময় এই ৯০ হাজার পাকিস্তানী যুদ্ধবন্দীকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠাতে ভারত নীতিগতভাবে রাজী হয়। তবে তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ১৯৫ জন পাক সেনার নামে যুদ্ধপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচারের জোর দাবী জানায়। তবে এই আলাপ আলোচনার এক পর্যায়ে ৭৩ সালে বাংলাদেশের তরফ থেকে এই ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধপরাধীর বিচারের দাবী তুলে নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত আজকাল প্রায়ই অনেকে অনেকভাবে বর্ণনা করে থাকেন আর এর পরিপেক্ষতিতে এখন রাজাকারদের বিচার করা যাবে না এমন ধারনা প্রচার করেন। এমন একটি ধারনা এনারা দেন যে মুজিব সরকার ভালবেসে ৭৩ সালে পাক যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দেয়।



বাস্তবতার পরিপেক্ষিতে বলতে হবে যে আসলে আইনী জটিলতার কারনে বাংলাদেশের পক্ষে সে সময়ে সেই পাকিস্তানীদের বিচার করার কোন ক্ষমতাই ছিল না। তাই বাংলাদেশের ক্ষমা ঘোষনা ছিল শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা যার বিনিময়ে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে রাজি হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির স্বীকৃতির জন্য পাকিস্তানের স্বীকৃতির বাংলাদেশের প্রয়োযন ছিল। এখন এই আইনী জটিলতার দিকগুলি একটু দেখি যা হয়ত আমাদের অনেকেরই জানা নেই।



সিমলা চুক্তির পরেও বাংলাদেশ যখন বন্দী পাকযুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবী জানিয়ে আসছিল তখন পাকিস্তান একটি মোক্ষম আইনী ফাক বের করে। তারা এমনকি ৭৩ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধপরাধীদের পাকিস্তানে ফেরত পাঠাবার দাবীতে মামলা ঠুকে দেয়। দূঃখজনক সত্য হল; আন্তর্জাতিক আইন আসলে সেসময় পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। অবাক লাগলেও এটাই সত্য। জেনেভা কনভেনশনসহ জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী যুদ্ধবন্দীদের বিচার হতে হবে অপরাধ যে দেশে সঙ্ঘটিত হয়েছিল সে দেশে; অর্থাৎ বাংলাদেশে, ভারতে বিচার করা যাবে না। এতে তেমন সমস্যা ছিল না, তবে আরো বড় সমস্যা হল যে জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী এই বিচার করার অধিকার বাংলাদেশের তখন ছিল না যেহেতু বাংলাদেশ তখন জাতিসঙ্ঘের সদস্যপদ পায়নি (পায় ৭৪ সালে)। পাকিস্তান ভারতের নামে মামলা ঠুকে দেবার পর আন্তর্জাতিক আদালত এ নির্দেশনা দিয়ে একটি অন্তবর্তি রায় দেয়। আন্তর্জাতিক আদালত ষ্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে অভিযুক্ত পাকিস্তানী সেনাদের বিচারের অধিকার ভারত বাংলাদেশ কারোরই নেই, অধিকার আছে কেবল পাকিস্তানের। রায়টি দেখুনঃ



"Makes the following Order;

"(1) That the process of repatriation of prisoners of war and civilian

internees in accordance with international law, which lias already

begun, should not be interrupted by virtue of charges of

genocide against a certain number of individuals detained in

India.

(2) That such individuals, as are in the custody of lndia and are

charged with alleged acts of genocide, should not be transferred

to 'Bangla Desh' for trial till such time as Pakistan's claim to

exclusive jurisdiction and the lack of jurisdiction of any other

Government or authority in this respect has been adjudged t->\

the Court;"



সূত্রঃসমস্যাটি আশা করি সবার কাছেই পরিষ্কার হয়েছে। বিচার হতে হবে বাংলাদশের মাটিতে, ভারতে নয়। কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য নয় বা জ়েনেভা কনভেশনের সিগ্নেটোরি নয় তাই বাংলাদেশেরও এদের বিচার করার ক্ষমতা নেই। বিচারের অধিকার জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী কেবল পাকিস্তানের।



এখানে এই মামলায় পাকিস্তানী আবেদনের বিবরনী পাবেন। সংগত কারনেই এই নির্দেশনার পর বাংলাদেশকে তার দাবী থেকে বাধ্য হয়েই সরে আসতে হয়, ভারতকেও সিদ্ধান্ত নিতে হয় সব পাকিস্তানী বন্দীকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠাবার। বাংলাদেশ যখন বুঝতে পারে যে পাকিস্তানীদের বিচার করা যাবে না তখন তারা পাকিস্তানের স্বীকৃতি পাবার জন্যই জোর দেয়।



কাজেই, ৭৩ সালে এই ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধপরাধী পার পেয়ে যাওয়ার জন্য ততকালীন সরকারকে অন্ধভাবে দায়ী করা বাস্তবসম্মত নয়। সে সময়ে তো বটেই, এমনকি আজকের দিনেও বাংলাদেশের আমেরিকা বা ইসরাইলের মত ক্ষমতা নেই যে জাতিসঙ্ঘের আইন কানুনকে কলা দেখিয়ে বিদেশের মাটি থেকে বন্দী ছিনিয়ে এনে নিজের মাটিতে বিচার করবে।



[আপডেটঃ আন্তর্জাতিক আদালতের রায় সংক্রান্ত রেফারেন্সটি ভুল ছিল, সেটি সংশোধন করা হল, কৃতজ্ঞতাঃ ব্লগার এহহামিদা, ০৩-২৯-১০]

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরা বিষয়টা এইরকম ভাবে জানতাম না।

ধন্যবাদ

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কেমিকেল আলী,



আমিও জানলাম মাত্র এই সেইদিন।



ঘটনার পেছনেও কিছু ঘটনা থাকে যা আমরা প্রায়ই জানি না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ।



পরাজয় নিশ্চিত জেনেও ইয়াহিয়া খান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে - যাতে বাংলাদেশে নিজেদের পরাজয়কে ভারতের কাছে পরাজয় হিসাবে দেখানো যায়। ( যা পাকিস্তানে ৭১ এর ইতিহাস হিসাবে পড়ানো হয়) আর জেনেভা কনভেনশনের সুবিধা নিয়ে সৈন্যদের বাঁচাতে পারে।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

=D> =D> =D> (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত,



ভাই, আগেই আপনার থেকে ক্ষমা চেয়েছি, আপনার সাথে অনর্থক তর্ক করার মতন ইচ্ছা বা সময় কোনটাই আমার নেই। আপনার যা খুশী লিখতে পারেন। আমি মুছেও দেব না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত,



মুল অপরাধীদের ক্ষমা করে দিয়ে এদের সহযোগীদের নিয়ে টানাটানি আরেকটি হাস্যস্কর ঘটনার জন্ম দিবে




তার মানে কি দাড়াইলো, মূল খুনী পলাতক তাই তার সহযোগীদের বিচার করাটা হাস্যকর। এইরকম আজগুবী কথা কোথা থেকে পান?

আর তারা নিজেরাও তো খুন, রাহাজানি, ধর্ষন করছে। সেগুলার কি হবে?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত, সবই আওয়ামীলীগের দোষ - ওদের আইপি সহ ব্যান করা হউক।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত,

ফটুটা ব্যয়াফুক ইইছে, তয় ফটোসপে বানাইলেন না কি? Wink


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত, এত তথ্য আপনি পান কোথায় ? বলদেরও ক্লাস আছে আপনি কোন ক্লাসের বলদ- একটু কষ্ট করে বলবেন কি ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত,



এইখানে মুজিবর রহমান হাসতেসে বিজয়ের গর্বিত উজ্বল আলোকিত হাসি

আর বাকি দুই জন হাসতেসে পরাজয় ও অপমানের মলিন তেলতেলা হাসি



দেইখা মনে লয় মুজিব আর তার পাশে দুই চামচা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত, ত্যানা পেচায়া লাভ লাভ নাই। ভুট্টোর বিচার না করলে গো.আ.'র বিচার করা যাইব না এইগুলা বাল ছাল যারা কাঁঠাল পাতা খায় তাগোরে বুজাইয়েন। গো.আ/নিজামীরে তাদের নিজেদের অপরাধের জন্যেই শাস্তি পাবে। ভুট্টোকে আমি চিন্তিত না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত, আপনার কষ্টটা বুঝি - কি আর করবেন। চার বছর পর দেখেন বিএনপির কাঁধে চরে আবার ক্ষমতায় যাওয়া যায় কিনা। সেই পর্যন্ত কষ্ট কমানোর তরিকা আমার জানা নাই।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জাহিদ, :] :] :] :]

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বনপলাশী,জনাব আপনার জবার তেনারা কি বুচপেন?

হিংসা আর অহংকার মানুষকে অন্ধ করে দেয়?

---------------------------------------------------------------------------------
'মুক্তিযোদ্ধা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, দেশ ও জনগণের অতন্দ্রপ্রহরী ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসলেম উদ্দিন...।'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আমার-মত, কেনরে ভাই আ-লীর প্রতি এতো বিদ্ধেশ :-"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেলের কাঁটা• •,



:] :]



প্রায় এক বছর পর দেখি হাসি দিলেন?



আমিও তাই ডবল হাসি দিলাম, দুইজনে ভাগ কইরা নিয়েন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুন্দর পোস্ট। এবং ৫ তারার দাবিদার। =D> =D> =D> =D> =D> =D>



থ্যাংকস আদিল ভাই (Y) (Y) (Y) (Y)

------------------------০০০০---------------------------------
ও গানওয়ালা, আর একটা গান গাও...
আমার আর কোথাও যাবার নেই, কিচ্ছু করার নেই...!
_______________০০০০_____________________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাই,,,,,,,,,,,, (*) (*) (*) (*) (*)

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক আদালতে তেমন কোন আইন ছিলো কি বিচার করার মত?



আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই, ২০০২।



মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যু্দ্ধাপরাধ এ্যাক্ট হয় ২০০০ সালে।



২ জুলাই ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এই চুক্তিতে যুদ্ধাপরাধীধের সম্পর্কে কোন কথা বলা হয়নি।



৯ এপ্রিল ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লীতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। সেই চুক্তির ১৫ ধারায় বলা হয়, পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, যেহেতু বাংলাদেশ সরকার ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীকে বিচার না করে পাকিস্তানের কাছে বিচারের ভার দিয়েছে , সেহেতু তারা পাকিস্তানে ফেরত যেতে পারে।





১৯৭৩ সালের ১৩ জুলাই তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর গণহত্যাকারীদের সহায়তাকারীদের বিচারের জন্য রাষ্ট্রকে ক্ষমতা দেয়ার উদ্দেশ্যে আনীত সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বিল সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটিতে বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব করে গণহত্যাকারীদের দোসরদের বিচার করার জন্য রাষ্ট্রকে নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়ার কথা বলা হয়।



৩০ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে এক সরকারি ঘোষণায় কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অপরাধ ব্যতীত দালাল আইনে আটক, সাজাপ্রাপ্ত এবং বিচারাধীন সকল ব্যক্তিদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মুখবন্ধে বলা হয় ‘দেশদ্রোহিতা, হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, অগ্নিসংযোগের অপরাধীরা এই ক্ষমা লাভ করবে না।



ঘোষণার ৫ নং ধারায় বলা হয়, ‘যারা বর্ণিত ধারাসমূহে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে অথবা যাদের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত ধারা মোতাবেক একটি অথবা সব অপরাধের অভিযোগ থাকবে সেসব অপরাধীরা কোনভাবেই ক্ষমার যোগ্য নন।



ধারাসমূহ

১. ১২১- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো অথবা চালানোর চেষ্টা

২. ১২১-ক- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ষড়যন্ত্র

৩. ১২৮-ক- রাষ্ট্রদ্রোহিতা

৪. ৩০২- হত্যা

৫. ৩০৪- হত্যার চেষ্টা

৬. ৩৬৩- অপহরণ

৭. ৩৬৪- হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ

৮. ৩৬৫- আটক রাখার উদ্দেশ্যে অপহরণ

৯. ৩৬৮- অপহৃত ব্যক্তিকে গুম ও আটক রাখা

১০. ৩৭৬- ধর্ষণ

১১. ৩৯২- দস্যুবৃত্তি

১২. ৩৯৪- দস্যুবৃত্তিকালে আঘাত

১৩. ৩৯৫- ডাকাত

১৪. ৩৯৬- খুনসহ ডাকাতি

১৫. ৩৯৭- হত্যা অথবা আঘাতসহ দস্যুবৃত্তি অথবা ডাকাতি

১৬. ৪৩৫- আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে ক্ষতিসাধন

১৭. ৪৩৬- বাড়িঘর ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবহার

১৮. ফৌজদারী দণ্ডবিধি ৪৩৬- আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে কোনো জলযানের ক্ষতিসাধন অথবা এসব কাজে উৎসাহ দান।



সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার সুযোগ নিয়ে দালাল আইনে আটক ৩৭ হাজার ব্যক্তির মধ্যে প্রায় ২৬ হাজার ব্যক্তি মুক্তি লাভ করেন। বাকি ১১ হাজার ব্যক্তি অপরাধের দায়ে কারাগারে বিচারাধীন ছিলেন। ৩১ অক্টোবর ১৯৭৩ এর মধ্যে ৭৫২ জন অপরাধীর মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা প্রদান করা হয়েছিল।



পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সহযোগিদের বিচার করার জন্য ২০ জুলাই ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন’ ১৯৭৩ পাশ করা হয়। এই আইনটি এখনো সংবিধানে বলবৎ রয়েছে। দালাল আইনে বিচার কাজ চলতে থাকায় এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। সংবিধানের ৬৬(২)ঙ ধারা ‘সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা’ অনুচ্ছেদ এবং ১২২(২)ঙ ধারা ‘ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতা’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীনে অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত এবং সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে না। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের আগে পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দালাল আইনে বিচার চলছিল।



১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন খন্দকার মোশতাক আহমদ। এসময় থেকে মূলত দালালেরা পূনর্বাসিত হওয়ার চেষ্টা শুরু করে। সময় স্বল্পতায় শেষ করতে না পারলেও কিছুদিন পরে জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে মোশতাক সরকারের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করেন। ১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জিয়া-সায়েম সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে দালাল আইন তুলে নেন এবং এই আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও আটক সকলকে মুক্তি দান করেন। সেই অধ্যাদেশে বলা হয়েছিল এই অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতেও কোন মামলা করা যাবে না। এই বিশেষ অধ্যাদেশের ফলে সমাজে পূনর্বাসিত হতে দালালদের কোন সমস্যাই রইল না। এই অধ্যাদেশের ফলে আটক, সাজাপ্রাপ্ত, মামলা চলাকালীন সকল যুদ্ধাপরাধীই একে একে মুক্তি লাভ করে।



এই অধ্যাদেশের ফলে সংবিধানে বর্ণিত সংবিধানের ৬৬(২)ঙ ধারা ‘সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা’ অনুচ্ছেদ এবং ১২২(২)ঙ ধারা ‘ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতা’ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়ে যায়। এরপর ১৯৭৬ সালের জুন মাসে জেনারেল জিয়াউর রহমান যখন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক তখন জারি করা হয় ‘রাজনৈতিক দলবিধি’ নামে এক অভিনব অধ্যাদেশ। এতে বলা হয় কোন দল যদি রাজনীতি করতে চায় তাহলে সরকারের দেয়া কতিপয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা রাজনীতি করতে পারবে।



এই শর্ত পূরণ করে রাজনীতির বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহের জন্য দালালরা বিশেষ তৎপর হয়। জামায়াতে ইসলামীর ঘাতকেরা ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগে এবং অন্যান্য দালালরা মুসলীম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলামীসহ কয়েক ডজন পার্টিতে সংগঠিত হয়। এসময়ে নভেম্বর মাসের মধ্যেই প্রায় ৫৬ টি দল আবেদন করে, এদের মধ্যে ১৭টি দল সামরিক সরকারের স্বীকৃতি পেতে সমর্থ হয়। বাংলাদেশে মৃত মৌলবাদী রাজনীতিতে জিয়াউর রহমান প্রাণ সঞ্চার করেন। ১৯৭৭-এর ২১ এপ্রিল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতাসীন হন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার প্রথম কাজ ছিল সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিদায় দেয়া। এই পরিবর্তন সেসময়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছিল।



সেসময়ে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মোট রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ছিল ২১টি। এদের মধ্যে ৫টি দল জিয়াউর রহমানের নীতির প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। দলগুলো হল- মুসলীম লীগ, ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজাম-ই-ইসলাম ও খেলাফত-ই-রাব্বানী। বলাবাহুল্য মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গণবিরোধী ভূমিকার জন্য ’৭২-এ দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে শাহ আজিজের মতো কুখ্যাত দালাল (যিনি ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের বিরোধিতা করে পাকিস্তানী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন)- কে প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন করেছিলেন। তার মন্ত্রীসভায় জয়পুরহাটের আবদুল আলীম, রংপুরের মাইদুল ইসলাম, মাওলানা মান্নানসহ অনেক যুদ্ধাপরাধী মন্ত্রিত্ব লাভ করেন।



এসময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমেও যুদ্ধাপরাধীরা সংগঠিত হতে থাকে। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত রজনৈতিক দল বিএনপি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দালাল শাহ আজিজও বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তার দলে যুদ্ধাপরাধীদের প্রবেশের কোন রকমের বেগ পেতে হয়নি। এসময় অন্যতম যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট নিয়ে দেশে প্রবেশ করে, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া স্বত্ত্বেও সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শণ করে বসবাস করতে থাকেন।



মূলকথা যু্দ্ধাপরাধের বিচার করার জন্য পৃথিবীতে কোন আইন ছিলো না। ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন’ ১৯৭৩ এর আদলে পরবর্তিতে ২০০০ সালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যু্দ্ধাপরাধ এ্যাক্ট হয়। আদলে বলছি এই কারণে, ২৭ বছর আগে বাংলাদেশের সংসদে পাশ হওয়া এই আইনটির অধিকাংশ ধারা ঐ আইনের সাথে মিলে যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই, ২০০২ সালে। আর ৯ এপ্রিল ১৯৭৪ ভারতে অবস্থিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে ১৯৫ জন পাকিস্তানি যু্দ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিলো পাকিস্তানে বিচার করার আশ্বাসে যাতে বাংলাদেশের তেমন কিছু করার ছিলো না। বাংলাদেশের আইন অনুসারেই যুদ্ধাপরাধের বিচার করা সম্ভব।





http://iftheker.amarblog.com/posts/96106


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বোল্ড ট্যাগ ক্লোজ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগে বিচার হয় নাই বলে এখন বিচার করা যাবে না এমন কোন কথা নেই ।যুদ্ধা অপরাধিদের বিচারের দাবী শুধুমাত্র আওয়ামিলীগের একার নয়, এ দাবী বাংলাদেশের আপামোর জনতার । ওদের বিচার বাংলার মাটিতে হতেই হবে । যারা আবোর তাবোল যক্তি দিয়ে ওদের রক্ষার চেষ্টা করছে তারা গো-আজম নিজামির পা চাটা কুত্তা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জাহিদ,



সেটাই আমই বলতে চাই।



৭২ এর পরিস্থিতি আর এখঙ্কার পরিস্থিতি এক নয়। বাস্তবতার সীমাবদ্ধতার জন্য যা ৭২ এ করা যায়নি তা এখন করা গেলে কেন করা হবে না?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জাহিদ, (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@জাহিদ, (Y) শেখ মুজিব , জিয়া , এরশাদ , খালেদা, হাসিনা আবার খালেদা ,ফকরুদ্দিন খান প্রমুখ কি করেছে বা করেনি এই সব বালছাল শুনতে চাই না ।

শুয়রের বাচ্চাদের বিচার এবার হতেই হবে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নুরুজ্জামান মানিক,



আমারো সেটাই কথা। কার দায় কতটা, কোন দল বেশী দায়ী জানতে চাই না। অপরাধ হয়েছে, এতদিন যেকোন কারনেই হোক বিচার হয়নি বা করা যায়নি। এখন সরকারই যখন প্রস্তাব দিয়েছে তখন সবারই স্বাগত জানানো উচিত।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শাওন,



ধন্যবাদ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নুরুজ্জামান মানিক,



মানিক ভাই ,কুত্তার বাচ্চারা বলে মুক্তিযুদ্ধ নাকি হয় নাই , হয়েছে গৃহযুদ্ধ ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবাইকে কমেন্টের জন্য ধণ্যবাদ।



দলীয় পক্ষপাতিত্ব বাদ দিয়ে প্রকৃত ইতিহাস জানুন, বাস্তবতার বিচারে তার মূল্যায়ন করুন এটাই অনুরোধ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতীতে কি হয়েছে সেইটা এখন ইতিহাসের উপাদান। ৭৩ সালে কি হয়েছিল সেইটা এখন মুখ্য না। প্রথম কাজ হাতের কাছে যেগুলোকে পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিচার শেষ করা। পাশাপাশি পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে পাক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার চেষ্টা শুরু করা উচিত। পাকিস্তানের উপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের হয়তো ফেরত আনা যাবেনা, তাদের অনুপস্হিতিতেও বিচার করা যেতে পারে। ইতিহাসের দলিলে এইটা লিপিবদ্ধ থাকার প্রয়োজন আছে যে নিয়াজি আর তার দোসররা যুদ্ধাপরাধের দায়ে দন্ডিত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নরকের প্রহরী,



খুব ভাল বলেছেন।



তবে রাজাকারদের দোসর আর তস্য দালালেরা ইতিহাসের এ সমস্ত বিষয়কে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়, তাই প্রকৃত ঘটনা সবার জানা থাকা দরকার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টে পাঁচ তারা দিলাম...



(*) (*) (*) (*) (*)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@পুরোকবি,



ধণ্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট প্রিয়তে গেলো, অনেক ধন্যবাদ আদিল মাহমুদ! (F)

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বাউল,



ধণ্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই আদিল মাহমুদ!!





আন্তর্জাতিক আদালত ষ্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে অভিযুক্ত পাকিস্তানী সেনাদের বিচারের অধিকার ভারত বাংলাদেশ কারোরই নেই, অধিকার আছে কেবল পাকিস্তানের। রায়টি দেখুনঃ



"That such individuals, as are in the custody of lndia and are charged with alleged acts of genocide, should not be transferred to ‘Bangla Desh’ for trial till such time as Pakistan’s claim to exclusive jurisdiction and the lack of jurisdiction of any other Government or authority in this respect has been adjudged by the Court"।




এইটা কি রায় ছিল!!!!!! খেয়াল কইরা!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@এহহামিদা,



আমার দেওয়া রেফারেন্সে অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। অস্বীকার করার উপায় নেই। ভুল ধরিয়ে দেওয়ায় ধন্যবাদ। ঠি করে আদালতের অন্তর্বর্তি রায়ের সঠিক সূত্র দেওয়া হল।



ভুল হবার কারন আন্তর্জাতিক আদালতের দলিলে পাকিস্তানের আর্জি আর আদালতের অন্তর্বর্তিকালীণ রায়ের পিডিএফ ফাইল দুটি দেখতে প্রায় হুবহু এক। রায়ের ভাষাও প্রায় এক, আগেরটার সাথে তূলনা করলে যে কেউই দেখতে পারেন। এর মাঝে কোনরকম তথ্য বিকৃতি বা তেমন কোন ব্যাপার নেই। আশা করি পরিষ্কার হয়েছে।



তবে ভুল ধরে ৭ মিনিটের মাথায় ৩টি পোষ্ট দেবার কোন কারন ছিল না। আর বিশেষ করে কাউকে মিথ্যুক বলার আগে পর্যাপ্ত সময় দিতে হয় আত্মপক্ষ সমর্থনের। ব্লগ সূস্থ আলোচনার যায়গা, মল্লযুদ্ধ করার যায়গা না।



আশা করি এ বিষয়ে যা বলার এখানেই বলবেন। অপ্রাসংগিকভাবে অন্য পোষ্টে এর জের টানবেন না। অন্য পোষ্টে ভুল ত্রুটি পেলে সেখানেই বলবেন।



ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টাইম পাইয়া এই পোস্ট বাইরায়!! তাও আবার বিকৃত!!



J. G. KHARAS কে!!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল মাহমুদ জানুয়ারি ১১, ২০১০ @ ৭:০১ অপরাহ্ন ১১

সবাইকে কমেন্টের জন্য ধণ্যবাদ।



দলীয় পক্ষপাতিত্ব বাদ দিয়ে প্রকৃত ইতিহাস জানুন, বাস্তবতার বিচারে তার মূল্যায়ন করুন এটাই অনুরোধ।




আপনার এই পোস্ট টা মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত!! এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা আমজনতা ৭১ এর কুত্তা ও হায়েনাদের বিচার চাই। বিচার চাই। বিচার চাই।

---------------------------------------------------------------------------------
'মুক্তিযোদ্ধা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, দেশ ও জনগণের অতন্দ্রপ্রহরী ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসলেম উদ্দিন...।'

glqxz9283 sfy39587p07