Skip to content

মহাপুরুষের রসিকতা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

’৪৭ এর স্বীকৃত আইন সম্মত সাম্প্রদায়িক বিভেদ আমাদের বুদ্ধিজীবি মহলকে করে গেছিল পংগু, তার জের চলেছিল পরবর্তিকালে আরো দশ বছর। এরপর ’৭১ এর স্বাধীনতা অর্জনের সময়েও বেশ কিছু উচ্চমূল্য জাতিকে প্রদান করতে হয়েছিল; যার একজন ড। জিসি দেব। ’৭১ এর ২৫শে মার্চ কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা প্ররোচনায় যেসব ছাত্র শিক্ষক পাকবাহিনীর নজির বিহীন বর্বর হামলায় নিহত নন তাদের অন্যতম ছিলেন দর্শন বিভাগের প্রধান ও জগন্নাথ হলের প্রভোষ্ট ড। গোবিন্দ চন্দ্র দেব যিনি জিসি দেব নামে সুপরিচিত। শুধু আমাদের দেশেই নয়, প্রখ্যাত দার্শনিক হিসেবে তার ব্যাপক আন্তর্জাতিক খ্যাতিও আছে। শুধু কাগজে কলমে তত্ত্বীয় দর্শন বিদ্যায়ই নয়, তাঁর জীবন কালে তিনি মানব উপকারি জীবনমূখী দর্শন প্রচারনায় নিজেই উদ্যোগী হয়েছিলেন। গড়ে তুলেছিলেন দর্শন ভবন যেখানে ছাত্র শিক্ষকরা জ্ঞান, সংস্কৃতি চর্চা করতেন। ঢাকায় পড়তে আসা বহু দরিদ্র ছাত্রকে নগদ অর্থ সাহায্য, আশ্রয় প্রদান করেছেন। চির অকৃতদার এই মানুষটি তার ব্যাক্তিগত সহায় সম্পত্তি বেশীরভাগই দান করে গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে যা দিয়ে পরবর্তিকালে Dev Center for Philosophical Studies গঠিত হয়। আকারে ছোটখাট এই মানুষটিকে মহাপুরুষ বললে মোটেও অত্যুক্তি হয় না।




২৫ শে মার্চ কালরাতে নিহত হবার পর তাঁর ছোটখাট শরীর নিহত আরো অনেকের সাথে সকাল পর্যন্ত জগন্নাথ হলের মাঠেই পড়ে ছিল। সকালে সেসব মৃতদেহ রাতে বেঁচে যাওয়া কিছু ছাত্র ও আশেপাশের বস্তি থেকে ধরে আনা লোকদের দিয়ে গনকবর দেওয়া হচ্ছিল। এক গ্রুপের কাজ শেষ হবার পর তাদেরও সেই গর্তেই গুলি করে চাপা দেওয়া হচ্ছিল। এমন এক ছাত্রকে বধ্যভূমির দিকে নেবার পথে সে পড়ে থাকা জিসি দেবের লাশ দেখে নির্ভয়ে পরম আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে ওঠে; “অধ্যাপক দেবকেও মেরে ফেলেছে? আমাদের বেঁচে আর কি হবে”। সেকালে দেবতূল্য অধ্যাপক দেবের ভাবমূর্তি ছিল এমনই কিংবদন্তীর মত।


ছোটখাট গড়নের এই জ্ঞানতাপস দেখতে ছিলেন একেবারেই সাধারন। প্রাচীন কালের গ্রীক দার্শনিকদের ষ্টাইলে কাটা বাটি ছাঁট টাইপের ছোট ছোট চুল, অতি সাধারন ধূতি আর পাঞ্জাবী আর তেমনই সাধাসিধা জীবন যাপন দেখে মনে করার কোন উপায়ই থাকত না যে উনি আসলে একজন বিখ্যাত ব্যাক্তিত্ব। ওনাকে এলেবেলে লোক ধরে বহু লোকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। সাধাসিধা মানুষটিকে অনন্য সাধারন করে তুলেছিল ওনার অসাধারন ব্যাক্তিত্ব; ছিলেন সদা হাস্যময় ও অত্যন্ত কৌতূকপ্রিয়, যেখানেই তিনি যেতেন সবাইকে সোজা সরল কথাতেও হাঁসিয়ে মারতেন। ফর্মালিটি ফিটিরও তেমন তোয়াক্কা করতেন না। একবার দর্শন বিভাগের এক সেমিনার হচ্ছে; তিনি সভাপতির ভাষন দিচ্ছেনঃ


“ সেবার ফ্যারিসের ইন্টারন্যাশনাল ফিলসফিখ্যাল খংগ্রেসে যোগ দিতে যাচ্ছি। ফ্লেনে উঠতেই দুই তরুনী এয়ারহোষ্টেস আমাকে নানান ভংগীতে খাতির-যত্ন শুরু করে দিল। কিন্তু আমার যা বয়স তাতে তাদের সব চেষ্টাই মাঠে মারা গেল”।


তার কথাবার্তা আরো মজার মনে হত মনে হয় ওনার বিশুদ্ধ সিলেটি উচ্চারনের কারনে যা নিয়ে তিনি কোনই সংকোচ বোধ করতেন না। তার বলা বিখ্যাত মজার মজার উক্তিগুলি সে আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার মুখে মুখে চলত। ওনার একটি বিখ্যাত কৌতূক কাহিনী নিয়েই এই আসলে এই লেখা, ওনার সামান্য পরিচয় দেওয়া দরকার মনে করে কিছু কথা বলে ফেললাম।

মূল ঘটনা হল ’৬০ এর দশকের গোড়ার দিকে চিরঅকৃতদার ড। দেব এবং আরেকজন মহিলা অধ্যাপিকাকে নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক গুজবের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই গুজব তিনি নিজেই কিভাবে ভঞ্জন করে দিয়েছিলেন সেই গল্প। এটি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ স্যারের “নিষ্ফলা মাঠের কৃষক” বই থেকে সরাসরি তুলে দিচ্ছি।

“হঠাত দেখা গেল সেই প্রাধ্যাক্ষের সংগে ড। দেবের বেশ জমজমাট ভাব। সবার চোখ গোল হয়ে কপালে গিয়ে উঠল। ব্যাপার কই? শেষে কি এই বুড়ো বয়সে......! দুষ্ট লোকদের খুব একটা দোষ দেওয়া যায় না। দুজনার মধ্যে মিল অনেক। দুজনেই দর্শনের অধ্যাপক। দুজনেই প্রাধ্যাক্ষ। হল দুটোও পাশাপাশি। দুজনেই বৃদ্ধ। একজন অকৃতদার, আরেকজন বিধবা। গভর্নর হাউজের (একালের বংগভবন) নিমন্ত্রনে হুড-খোলা রিকশায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে একই সংগে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা, বংগভবনের কাছে গিয়ে একই সংগে নামেন। এর পরে এ নিয়ে সন্দেহের আর থাকেই বা কী! ব্যাপারটা নিয়ে ছাত্রমহলে কানাঘুষা বেশ তুংগে, সেই সময় শোনা গেল একদিন চারপাশে গোল হয়ে দাঁড়ানো একদল ভক্ত ছাত্রের সামনে নিজেই তিনি নাকি গল্পটার আসল তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন।

‘তোমোরা যে আমার সম্বন্ধে খী সব খতা বোলো। মিসেস ‘...’ এর সংগে আমার নাকি খীসব সম্পর্খ আছে’। বলে ছাত্রদের সলজ্জভাবে হাসতে দেখে খুলেই বললেন তিনি আসল সম্পর্কটা।

‘সম্পর্খ আছে বৈকি, খিন্তু তা হল দুধ খাওয়ার সম্পর্খ।‘

লজ্জায় স্তব্ধ সবাই। এ কী ভয়াবহ কথা বলছেন অধ্যাপক দেব! কিন্তু না, ভয় নেই। এই বিপন্ন অবস্থা থেকে ছাত্রদের উদ্ধার করলেন তিনি নিজেই। ব্যাপারটা শুনতে যত ভয়াবহ আসলে ততটা নয়। পরের বাক্যে নিজেই ভেংগে বলে দিলেন এই সম্পর্কের আসল কারন।

‘প্রত্যেখ দিন শোখাল বেলায় মিসেস ‘......’ আমাকে কিছু দুধ পাঠিয়ে দেন’।

হাঁফ ছেড়ে বাঁচে সবাই। এই জন্যই সম্পর্কটা ‘দুধ খাওয়ার সম্পর্ক’। মিসেস ‘......’ এর বাসায় গোটা কয় দুধেল গরু আছে, প্রত্যেকদিন সকালবেলায় সেই অপর্যাপ্ত দুধের সামান্য অংশ শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ ড। দেবের বাসায় পাঠিয়ে দেন তিনি। তিনি সেই দুধ পান করেন। কি থাকতে পারে এই নিরীহ ব্যাপারটার মধ্যে। কিন্তু এর পরে তার শেষ যে বাক্যটি সবাইকে আপাদমস্তক হাঁসিয়ে মারে তা আরও আতংককরঃ ‘সম্পর্খ আছে বৈকি খিন্তু সে সম্পর্খ ফিজিখ্যাল সম্পর্খ নোয়, সে সম্পর্খ মেট্টা-ফিজিখ্যাল সম্পর্খ। হে হে হে হে”। কথার শেষে সামনে দাঁড়ানো ছাত্রের ভূড়িতে জোরে খোঁচা দিয়ে সকলের সাথে যোগ দিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন ড। দেব।“

অধ্যাপক দেবের ঘরে পাক আর্মি ঢুকে ওনার মাথায় রাইফেলের বাড়ি দিয়ে প্রশ্ন করেছিল ‘কেয়া তুম হিন্দু ইয়া মুসলমান হো?’ উনি স্বভাবগত সত্যবাদিতার সাথে নিজের সঠিক পরিচয় দেন। সংগে সংগে ছুটে আসে এক রাশ গুলি। শোনা যায় যে রোমান সৈন্যদের হাতে আর্কিমিডিস নিহত হবার পরে তাদের সেনাপতি দূঃখ করে বলেছিল যে এমন একটা মাথা কাটতে এক মুহুর্তই যথেষ্ট, কিন্তু জন্ম দিতে হাজার বছরও যথেষ্ট নয়। নির্মম নিষ্ঠুর রোমান সেনাপতিরও এই বোধ থাকলেও পাক বাহিনীর এই বোধ ছিল না। তিনি হিন্দু না মুসলমান তা গুরুত্বপূর্ন মনে করলেও তিনি মানুষ কিনা তা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ন মনে হয়নি। তাই তার মনুষ্যত্ব, মহানুভবতা এসব কিছুরই স্পর্শ পাবার যোগ্যতা তাদের ছিল না।

দেরীতে হলেও ১৯৮০ সালে ওনাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়, ওনার সম্মানে একটি ডাকটিকেটও বের হয়েছে।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মজার শেষে কষ্ট পাইলাম

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আদিল ভাই।


‘সম্পর্খ আছে বৈকি, খিন্তু তা হল দুধ খাওয়ার সম্পর্খ।‘


বড়ই রসিক লোক ছিলে দেখা যায়!!! Tongue

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব জিনিস পড়লেই কেমন কেমন অনুভুতি হয়, না???

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোনসব জিনিশ? দুধ খাওয়ার সম্পর্কের কথা নাকি জিসি দেবের মত মানুষদের কথা? শেষেরটা হলে অবশ্যই অন্যরকম অনুভূতি হয়

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল করে নিয়মিত দুধ খাবেন। আপনার বাড়ন্ত বয়স...,কোন সঙ্কোচ করবেন না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখনকার দুধে ভেজাল। খাটি দুধ পাওয়া যায়না। কি যে করি

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star
চমতকার লিখেছেন।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি উনাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন নাকি?

এরকম নাম না জানা পূর্বপুরুষদের কথা আরো জানার প্রত্যাশা রাখি।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না ভাই, অতটা ভাগ্য নিয়ে তো আসিনি। আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিনব কিভাবে? আমার জন্মের আগেই তো পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।

তবে চেনার ইচ্ছে যখন আছে তখন এই যুগে চিনতে পারা তেমন কোন কষ্টকর কাজ না। ইন্টারনেটে সামান্য সার্চ দিলেই অনেক কিছু জানতে পারবেন। আমিও সেভাবেই মূলত জেনেছি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাঁচ তারা।
আশা করি এখন থেকে নিয়মিত হবেন, বস। এরকম পোষ্টের অভাবেই না আমার মত "গবি" দের দৌরাত্য বেড়ে যাচ্ছে smile :) :-)

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, জোকার জাকির কাফির সব কয়টারে ব্লগ ছাড়া করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ!

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনে নিয়মিত পোস্ট দিলে আর কিছু লাগবেনা, দেখেন না, আজকে আপনার কারনে আমার কোন পোস্ট নাই Wink
জাকির, মাকির, ফকির, শাহরিয়ার, মতিয়ার, আতিয়ার, সব মাটি বাবার তোড়ে কই ভেসে যাবে Wink smile :) :-)

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

আপনেরে দেখতে শুনতে যতটা বেকুব কিসিমের মনে হয় আসলে মনে হয় আপনে ততটা না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Shock Shock Sad

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ,আপনে থাকলে তাহের,লোকমান,হালদার খাওয়া নাই smile :) :-)

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক বলছেন বেলু ছাগু। জাকির মিয়ার কবিতার জ্বালায় সব কয়টায় পালাইছে।

ভারতীয় সাইটে সাইটে তার কবিতা পোষ্ট করা হৌক। হ্যাকিং ম্যাকিং লাগবো না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কালো টুপি, লাল টুপি, সবাইরে জাকির মিয়ার কবিতার বই সরবরাহ করা হোক।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছোটখাট গড়নের এই জ্ঞানতাপস দেখতে ছিলেন একেবারেই সাধারন।


ছবি দেখে এটিএম শামসুজ্জামানের সাথে মিল পাইলাম


‘সম্পর্খ আছে বৈকি, খিন্তু তা হল দুধ খাওয়ার সম্পর্খ।‘


আমি আবার ভাবলাম এখনকার সৌদি মোল্লাদের মত তৎকালীন কোন হিন্দু পুরোহিত আবার দুধ খাওয়ানোর কোন ফতোয়া দিছিলো নাকি!!!

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনের পাপ চোখে এই মানুষটার সাথে কুখ্যাত ভিলেনেরই মিল পাইলেন, সক্রেটিস প্লেটো এদের কারো সাথে মিল পাইলেন না!

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুনছি এটিএম শামসুজ্জামান নাকি মানুষ হিসাবে খুবই ভালো। আমিও ওনাকে পছন্দ করি।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও সেই রকমই জানি।

তার প্রমানও পাইছি। কয়েক বছর আগে পেপারে দেখছিলাম উনি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের ভয়ে কান্নাকাটি করে সংবাদ সম্মেলন করতেছেন, থানা পুলিশ কেউ সাহায্য করে না। বেচারা। এত বড় ভিলেনের রিয়েল লাইফে এই রকম করুন অবস্থা।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জিসি দেবের পান্ডিত্য, সরলতা এবং ছাত্রদের প্রতি স্নেহবাৎসল্যে অনেক লেখাতেই পড়েছি। এরকম একজন মানুষ তাদের সংষ্পর্ষে বদলে দিতে পারে আরও অনেকের জীবন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলেই তাই।

কিছু মানুষ আছে যাদের আশেপাশে আসলেও মনে হয় মনের সব পংকিলতা দূর হয়ে যায়। মনে হয় বিশালের পাশে নিজের ক্ষুদ্রতা ধরা পড়লে এমন অনুভূতি হয়।

সাগরের কাছে আসলেও নাকি মিথ্যা কথা বলা যায় না বলে অনেকে বিশ্বাস করে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনার সম্পর্কে জানতাম না।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব খারাপ কথা, অপরাধের মত।

আমি আসলে ওনার সম্পর্কে লিখতে যাই নাই, নিতান্তই মজার কথা হিসেবে লিখছিলাম, সাথে মনে হল দুটা কথা না বললে নিতান্তই অন্যায় হয়। তাই অনেক কিছুই লিখি নাই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনাকে আমি আর দশজন সাধারন প্রফেসরের মতই জানতাম, এত গুনী, জ্ঞানী ছিলেন মোটেই তা আমার জানা ছিল না।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনি সাধারন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ছিলেন না।

ওনার খ্যাতি বিশ্বময় ছিল। উনি ৬০ দশকের শেষ দিকে আমেরিকার এক ইউনিভার্সিটিতে কিছুদিন শিক্ষতা করেছিলেন, সেখানে ব্যাপক খ্যাতি পাবার পর তার ভক্ততা তার সম্মানে The Govinda Dev Foundation for World Brotherhood for the propagation of Dev's humanist philosophy গঠন করে। ওনার Dev's humanist philosophy দর্শন জগতে খুব পপুলার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৃষ্টশীল মানুষদের কে ক্ষমতাশীনরা ভয় পায়। তাই এদের মৃত্যু আগে নিশ্চিত করে। পোষ্টে তারকা।

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
স্বেচ্ছায় নেওয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতই ভোগ করা যায় ........................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কথা সত্য। মৌলবাদী শক্তি কোনদিনই মুক্তচিন্তার মানুষ সহ্য করতে পারে না, '৭১ও পারেনি আজো পারে না। তাদের হিট লিষ্ট ঠিকই আছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমন একটা মাথা কাটতে এক মুহুর্তই যথেষ্ট, কিন্তু জন্ম দিতে হাজার বছরও যথেষ্ট নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনেদের বয়স বাড়লে আমাদের কি হবে Sad

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাদের বয়স কমবে। বুড়ো হলে মানুষ নাকি শিশু হয়ে যায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গভীর শ্রদ্ধা জানাই তাঁর প্রতি।
ভাল লাগলো।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক্ষণজন্মা, মহাপুরুষ ছিলেন তিনি, জাতি ভালো শিক্ষক হারায়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শ্রদ্ধাঞ্জলি। পড়ে গেলাম একনিঃশ্বাসে। অনবদ্য লেখনি। 'সমন্বয়ী দার্শনিক মতবাদ'-এর প্রবক্তা শহীদ গোবিন্দচন্দ্র দেব বেঁচে থাকবেন আমাদের মাঝে মানবপ্রেমের মূর্ত প্রতীক হয়ে। দারুন এমনটি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেঁচে থাকবেন চিরজীবন কেমন করে আর বলি। সেভাবে মনে হয় না মানুষ ওনাকে চেনে বলে। পদক আর ডাকটিকেট বার করাই সার।

ধন্যবাদ আপনাকে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি যদি আশা করেন, বর্তমান জেনারেশন উনার 'ফিলোসোফি' ফলো করে উনাকে জীবিত রাখবেন, তা'হলে ভুল করছেন; এ জেনারেশন শক্ত কিছু পড়ে বলে আমার মনে হয় না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফিলোসপি ফলো করার আবশ্যিকতা নেই, কিন্তু তার সম্পর্কে সাধারন ধারনা থাকবে না?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনটাই দর্শন। এর মধ্যে কঠিন কোনো কিছু দেখি না। বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা যথেষ্ট জ্ঞান রাখে এ বিষয়ে। তাদের সামনে আজ সবই উন্মুক্ত (ইন্টারনেট, টিভি, মোবাইল, ম্যাগাজিন, রেডিও ইত্যাদি) যেটা আমাদের সময় ছিল অকল্পনীয়। তবে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আরো ব্যাপক প্রচারণার এবং আমাদের সক্রিয়তার প্রয়োজন অপরিহার্য।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মহাপুরুষ ষাটের দশকের শেষের দিকে wilkes কলেজ বর্তমানে সম্ভবত ইউনিভার্সিটিতে অল্প সময় শিক্ষকতা করেন। সেখানে তখনকার গুন মুগ্ধরা তার মানবিক দর্শন প্রচারের লক্ষ্যে The Govinda Dev Foundation for World Brotherhood প্রতিষ্ঠা করে।

পাক ব্রিগে আসলাম আর লে. ক. তাজ সরাসরি জিসি দেব হত্যায় জড়িত ছিলেন। ড. দেব এর পালিতা কন্যা রোকেয়া বেগম আর তার স্বামী তার বাসায় থাকতেন । হায়েনারা গুলি করে হত্যা করেছে রোকেয়া বেগমের স্বামীকেও। রোকেয়া বেগম আকস্মিক আক্রমন ও হত্যাকান্ডে অচেতন হয়ে পড়ায় বেচে যান।


অসাধারন লেখাটির জন্য আদিল ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমন মহাপুরুষ ধরনের মানুষের সান্নিধ্যে আসলে মনের কালিমা আপনাই দূর হয়।

এই ভদ্রলোক জীবনে কোনদিন মিথ্যা কথা বলেননি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক ধন্যবাদ আদিল ভাই।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল মাহমুদ

২৫শে মার্চ ১৯৭১ -এ রাতে সারারাত ধরেই তাঁর উপর গুলি বর্ষিত হয়েছে, ভোরের দিকে তিনি তাঁর মেয়েকে (পালিত) বললেন, মা, তুমি একটু চা কর, আমি ততক্ষণে ভগবানের একটু নাম করি।ঠিক এই সময় দরজা ভেঙে পাকিস্তানী সেনারা ঘরে প্রবেশ করে, কাঁহা মালাউন কাঁহা বলে তারা প্রফেসর দেবকে খোঁজ করে। পালিত কন্যার স্বামী গৌবিন্দ চন্দ্র দেবকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন এবং সৈন্যদের মন গলানোর জন্য কলেমা পড়েন । কিন্ত্ত এতে কাজ হয় নি। ড. দেব নিজেও দু'হাত ওপরে তুলে গুড সেন্স গুড সেন্স বলে তাদের নিবৃত্ত করতে চেয়েছিলেন । কিন্ত্ত হাত কয়েক ব্যবধানে থেকে ব্রাশ ফায়ার করে ড. গৌবিন্দ্র চন্দ্র দেবকে ও তাঁর কন্যার স্বামীকে হত্যা করা হয় । আমি বোধ হয় স্বাধীনতা দিবসের পত্রিকার কোনো সংখ্যায় এমনটি পড়েছিলাম।
লেখাটি ভালোই লাগল।ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তার হত্যার পুরো বর্ননা এখানে মূখ্য ছিল না, প্রসংগক্রমে কিছুটা বলতে হয়েছিল।

এ ঘটনার বর্ননা পরে সেই পালিতা কন্যা রোকেয়ার জবানীতেই জানা গেছে। মোটামুটি এই রকমই।

পাক আর্মিরা তাকে হিন্দু না মুসলমান জিজ্ঞাসা করেছিল। তিনি গুড সেন্স গুড সেন্স বলেছিলেন পড়েছি। পালিতা কন্যার স্বামীকেও তারা খুন করে, রোকেয়া তাদের বাঁচাতে গেলে তাকে বন্দুকের বাড়ি দিয়ে আহত করে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad

লিখেছেন উনার রসিকতা বোধ নিয়ে, শেষে এসে দুঃখবোধটাই সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দূঃখবোধের দরকার আছে। প্রথমে কৌতূক হিসেবে দিতে চেয়েছিলাম, পরে ক্ষীন সন্দেহ হল যে কৌতূকের আসল চরিত্রকে পাবলিকে চেনে তো? সন্দেহ দেখলাম ঠিকই ছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমন একটা মাথা কাটতে এক মুহুর্তই যথেষ্ট, কিন্তু জন্ম দিতে হাজার বছরও যথেষ্ট নয়।


Sad Sad Sad Sad Sad


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সালাম।

________________________
বিজ্ঞান হলো প্রকৃত সত্য উদঘাটনের চলমান প্রক্রিয়া।

glqxz9283 sfy39587p07