Skip to content

শ‌হীদ কর্ণেল জামিল- বিশ্বস্ততা ও কর্তব্যবোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


শোকাবহ ১৫ই আগষ্ট, ’৭৫ এর ট্র্যাজেডী নিয়ে বহু আলোচনা হয়। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু স্বভাবতই বংগবন্ধু; এর আড়ালে ঢাকা পড়ে যায় আরেকজন মহান লোকের শিক্ষনীয় কর্তব্যবোধ ও আত্মত্যাগের এক বিরল ও উজ্জ্বল আদর্শের দৃষ্টান্ত। সেদিন সকালে আক্রান্ত হবার পরে বংগবন্ধু বেশ কয়েক যায়গায় সাহায্যের আবেদন জানিয়ে ফোন করেছিলেন, নানান কারনে কোথাও থেকে প্রত্যাশীত সাহায্য পাননি।

ব্যাতিক্রম শুধু একজন। তিনি সেদিন বংগবন্ধুর জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় এগিয়ে যাওয়া পাকিস্তান ফেরত একজন সেনা অফিসার; কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ। তার সেই আত্মত্যাগের ঘটনা নিয়েই এ কাহিনী।

১৫ আগষ্ট ভোরবেলা,‌ ১৯৭৫; গণভবনের সরকারী কোয়ার্টারে ঘুমন্ত রাষ্ট্রপতি বংগবন্ধুর বিশ্বস্ত সামরিক সচিব কর্নেল জামিল। দিনটি তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন, এদিন তার ডিজিএফআই এর প্রধানের দায়িত্ব নেবার কথা। বংগবন্ধুরও সকাল বেলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে যাবার কথা। তার নিরাপত্তা নিয়ে গতদিন কেটেছে তার খুবই ব্যস্ত। বংগবন্ধুর ৩২ নং এর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে কখনোই জামিল সন্তুষ্ট নন, এ নিয়ে প্রায়ই আক্ষেপ করতেন যে বংগবন্ধু কেন যে গণভবনের কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকতে চান না। আবার নিজেই বলতেন যে তাতে কি, বংগবন্ধুকে গুলি করতে হলে আগে আমাকে গুলি করতে হবে। কথাটি ফলে গেছিল খুবই করুন ভাবে।


বংগবন্ধুর বিশ্বস্ততা অর্জন তিনি রাতারাতি করেননি। বিশেষ করে একজন পাকিস্তান ফেরত অফিসার হয়ে অমন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পাওয়া খুব সহজ কথা ছিল না। বংগবন্ধুর সাথে তার পরিচয় সেই পাকিস্তান আমল থেকেই, বংগবন্ধুর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় তিনি ঢাকায় আইএসআই প্রধান। তখন থেকেই তিনি দেশপ্রেম ও বিশ্বস্তার কারনে বংগবন্ধুর গভীর আস্থা অর্জন করেন। বংগবন্ধুকে তিনি ফাদার ও বংগবন্ধু বলে সম্বোধন করতেন।


ভোর ৫টার দিকে জামিলের বাড়ির ফোন বেজে উঠল। জামিলের স্ত্রী আঞ্জুমান আরা জামিল ফোন ধরলেন; অপর প্রান্তে স্বয়ং রাষ্ট্রপতি বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জলদ গম্ভীর কন্ঠ; জামিলকে চাচ্ছেন। মিসেস জামিল জামিলকে ফোন দিলেন। মিসেস জামিল অপর প্রান্তের কথা শুনলেন না, জামিলকে শুধু বলতে শুনলেন, আমি এখনই আসছি স্যার। জামিল ফোন রেখে স্ত্রীকে বললেন যে কারা যেন বংগবন্ধুর বাড়ি আক্রমন করেছে। তার জীবন বিপন্ন, আমাকে এখনই যেতে হবে। ড্রাইভার আইনুদ্দিনকে দ্রুত তৈরী হতে নির্দেশ দিলেন, নিজেও সিভিল পোষাকে তৈরী হওয়া শুরু করলেন। এরই ফাঁকে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকেও ফোন করে ফোর্স পাঠাতে বললেন, রক্ষীবাহিনী সদর দফতরেও ফোন করলেন। সিভিল পোষাকে প্রস্তুত হলেও তার গুলি ভর্তি সার্ভিস রিভলবারও নিলেন। বাবা মায়ের নীচু শব্দের কথাবার্তায় পাশের ঘর থেকে বড় মেয়ে কংকাও ঘুম ভেঙ্গে ঘরে ঢুকেছে। সে শুধু দেখল তার বাবা তৈরী হয়ে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে গেলেন। বেরিয়ে যাবার আগে আরেকবার নিজেই বংগবনধুর বাড়িতে ফোন করলেন, তবে সেখানে কেউ ফোন ধরছে না।


তিনি চেষ্টা করলেন তার অধীনস্থ প্রেসিডেন্টস গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) বাহিনী সমেত যেতে। কিন্তু সে সময় সেখানে বাহিনী নেবার মত জীপ ছিল না। তাই বাহিনীকে মার্চ করে রওনা হবার নির্দেশ দিয়ে নিজের লাল নিশান প্রিন্স গাড়ি নিয়ে আগে রওনা দেবেন সিদ্ধান্ত নিলেন। গাড়িতে রওনা দেবার আগে স্ত্রী শেষ আরেকবার জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে যেতেই হবে? কিছুটা বিস্মইয়ের সাথে তিনি জবাব দিলেন, পাগল হয়েছ? বংগবন্ধুর জীবন বিপন্ন আর আমি যাব না? একটি সিগারেট ধরিয়ে এক গ্লাস পানি পান করে বেরিয়ে গেলেন গাড়ির দিকে। যাবার আগে বলে গেলেন, আমার মেয়েদের ভাল করে যত্ন কোর। স্ত্রী এবং বড় মেয়ের হতবিহবল দৃষ্টির সামনে ড্রাইভার আইনুদ্দিন সবেগে গাড়ি ছেড়ে দিল। তারা পেছনে ফিরতেই বাড়ির একজন গার্ড বলে উঠল, আপনারা ওনাকে যেতে দিলেন! মিসেস জামিল ও মেয়ে কংকা তখনো জানে না যে তাদের প্রিয়জন আর জীবিত ফেরত আসবেন না, সে যাত্রাই তার শেষ যাত্রা।


পরের ঘটনা জানা যায় ড্রাইভার আইনুদ্দিন ও সোবহানবাগ মসজিদের ইমামের ভাষ্য থেকে। বংগবন্ধুর বাড়ির কাছে সোবহানবাগ মসজিদের কাছে পৌছে আর তারা এগুতে পারছেন না। সেখানে ঘাতক দলের একটি বাহিনী রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখেছে। জামিল গাড়ি থেকে নেমে ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে গেলেন। দায়িত্বে আছে এক সুবেদার মেজর। তাকে জামিল নিজের পরিচয় দিয়ে নির্দেশ দিলেন ব্যারিকেড সরাতে এবং তার সাথে বাহিনী নিয়ে এগুতে। সুবেদার মেজর একটু দ্বিধায় পড়ে গেল।


এমন সময় এগিয়ে এল ঘাতক দলের একজন অন্যতম অফিসার বজলুল হুদা। সে আদতে ক্যাপ্টেন, তবে সেদিন সকালে বংগবন্ধুর বাড়িতে খুনোখুনিতে বিশেষ পারদর্শীতা দেখাবার পুরষ্কার হিসেবে ফারুক তাকে তাতক্ষনিকভাবে বংগবন্ধুর বাড়ির উঠোনে মেজর পদে প্রমোশন দেয়। আরেকজন জেসিওকেও প্রমোশন দিয়ে অনারারি লেফটেন্যান্ট বানায় ফারুক। উল্লসিত ফারুক নিজের হাতেই দুই জনের কাঁধের ব্যাজ বদলাবদলি করে। তাই বজলুল হুদার কাঁধে এখন মেজরের শাপলা ব্যাজ চকচক করছে, হাভভাবে চরম ঔদ্ধত্য।


বজলুল হুদা এসে সুবেদার মেজরের কাছে জানতে চায়, গাড়িতে কে? কর্নেল জামিল, স্যার; জবাব আসে। ড্রাইভার আইনুদ্দিনের ভাষ্যমতে বজলুল হুদা জামিলের নাম শোনা মাত্র সুবেদার মেজরকে গুলি করার নির্দেশ দেয়। ভ্যাবাচ্যাকা সুবেদার মেজর এ নির্দেশ পালনে অস্বীকৃত জানায়, না আমি পারব না। এর ফলে বজলুল হুদা নিজেই ষ্টেনগান হাতে এগিয়ে এল, বিনা বাক্য ব্যায়ে গাড়িতে বসা জামিলকে লক্ষ্য করে এক ঝাঁক গুলি ছুড়ে দিল, তিনবার লা ইলাহা পড়তে পড়তে পরপারে পাড়ি দিলেন জামিল, রেখে গেলেন কর্তব্যবোধ ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বলে রাখা ভাল যে জামিল সেখানে পৌছাবার আগেই বংগবন্ধুর বাড়িতে পাইকারি হত্যাকান্ড শেষ হয়ে গেছিল। ড্রাইভার আইনুদ্দিন প্রান ভয়ে কোনমতে পালিয়ে গেল। পুরো ঘটনার একমাত্র সিভিলিয়ান স্বাক্ষী হয়ে রইলেন সোবহানবাগ মসজিদের ইমাম সাহেব। হত্যাকান্ডের পর সৈন্যরা জামিলের লাশ সহ গাড়ি ঠেলে ঠেলে বংগবন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যায়, বাড়ির পেছনের আংগিনায় ফেলে রাখে লাশ সমেত গাড়ি। কোন কোন সূত্রমতে জামিলকে ভয় দেখানো হয়েছিল গুলি করা হবে বলে। জামিল পরোয়া করেননি, দৃপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, চালাও গুলি।


এ বর্ননার সাথে সামান্য কিছু অমিল পাওয়া যায় জামিলের মৃতদেহ চাক্ষুস অবলোকনকারী ততকালীন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ষ্টেশন কমান্ডার লেঃকঃ হামিদের বর্ননায়। হামিদের বর্ননামতে জামিলের কপালেই কেবল একটি মাত্র গুলির চিহ্ন ছিল। ষ্টেনগানের ব্রাশ ফায়ারে যেটার সম্ভাবনা অত্যন্ত বিরল। ওনার শোনা মতে হত্যাকারী অফিসার সম্ভবর মেজর নুর। অবশ্য ওনার কাছে ১৫ই আগষ্টের পুরো বর্ননা দিয়েছিল বজলুল হুদা। তারমতে জামিলের হত্যাকারী নুর বা কোন অফিসার নয়, সাধারন সৈনিকরা। তাকে ৩২নং এর দিকে এগুতে নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি এগুতে চাইছিলেন এবং সৈনিকদের গালাগালি করছিলেন।


আরো দুজন সিনিয়র অফিসার সেদিন ভাগ্যক্রমে প্রানে বেঁচে যান। খুনিরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে লেকের পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখে ব্রিগেডিয়ার মশহুরুল হক এবং কর্নেল শরিফ আজিজকে। খুনের নেশায় উন্মাদ সৈন্যরা তাদের মেরে ফেলতে ফারুকের অনুমতি চেয়েছিল। ফারুক বদান্যতা দেখিয়ে আর কোন হত্যাকান্ডের প্রয়োযন নেই বলে তাদের ছেড়ে দিতে বলে। তারা ঠিক কি পরিস্থিতিতে ৩২ নং এ গেছিলেন তা অবশ্য জানা যায় না।


এদিকে জামিলের বাড়িতে উদ্বিগ্ন তার পরিবার। তিনি বেরিয়ে যাবার পর তারা জানতে পেরেছেন যে বংগবন্ধু আর নেই, রেডিওতে শুনতে পেয়েছেন ডালিমের সদম্ভ ঘোষনা। উদ্বেগ আর ও বেড়েছে। নানান যায়গায় যোগাযোগের চেষ্টা করছেন, কোন খবর পাচ্ছেন না। বেলা ১১টার দিকে ড্রাইভার আইনুদ্দিন উদ্ভ্রান্ত অবস্থায় বাসায় এলো। সে তেমন কোন কথা বলতে পারল না, শুধু বিড়বিড় করে বলছিল, আমি স্যারকে যেতে বার বার মানা করেছিলাম, উনি আমার কথা শোনেন নাই। এইটুকু বলেই সে দ্রুত বেরিয়ে যায়।


অবশেষে বেলা দুটার দিকে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর টেলিফোন এলো। পদমর্যাদায় শফিউল্লাহ বড় হলেও সিনিয়রিটির হিসেবে জামিল তার সিনিয়র। পাকিস্তান ফেরত বলে জামিলের প্রমোশন অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে হচ্ছে। শফিউল্লাহও ফোনে দূঃসংবাদ পুরো দিতে পারেননি। কেবল; ভাবী জামিল ভাই...জামিল ভাই করে আমতা আমতা করছিলেন। তবে মিসেস জামিল এতেই বুঝে যান যে অবশেষে সেই ভয়াল আশংকাই সত্যে পরিনত হয়েছে। ফোনের রিসিভার হাতেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। এর কিছুক্ষন পর সেনাবাহিনীর এক অফিসার এসে তাদের এ বাড়িতে থাকা আর নিরাপদ নয় বলে সরে যেতে বলে। তারা আশ্রয় নেন লালমাটিয়ায় জামিলের এক ভাই এর বাসায়। হতভম্ব সন্তানরা তখনো বিশ্বাস করতে পারেনি যে তাদের বাবা আর নেই।


এরপর খালেদ মোশারফ আবারো ফোন করে জামিলের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেন। শুরু হল খুনীদের কব্জায় থাকা জামিলের লাশ উদ্ধার নিয়ে এক কুতসিত নাটক। খালেদ লাশ উদ্ধারে হত্যাকারী গ্রুপের সাথে মধ্যস্থতায় লিপ্তে হলেন। হত্যাকারীরা লাশ ফেরত দিতে রাজী হল। জামিলের ভাই ৩২ নং এ গিয়ে হত্যাকারী সৈন্যদের কবল থেকে তাদেরই কড়া পাহারায় লাশ গ্রহন করে খালেদ মোশারফের ক্যান্টনমেন্টের বাসায় রাত ১১টার দিকে নিয়ে আসেন। সে বাসার গ্যারেজে ঠাই হয় জামিলের মৃতদেহের।


অনেক দেন দরবারের পর মুখ দেখানো যাবে না এই শর্তে খুনী দল রাজী হয় জামিলের পরিবারকে মৃতদেহ শেষবারের মত দেখতে দিতে। জামিলের মৃতদেহ গাড়ির পেছনের সিটে রাখা ছিল, পুরো যায়গা হয়নি বলে পা জোড়া বেরিয়ে ছিল জানালা দিয়ে। অত্যন্ত ফর্সা ছিলেন তিনি, তার স্ত্রী স্বামীর পা জোড়া দেখেই চিনতে পারেন যে উনি জামিল ছাড়া আর কেউ নন।


অনেক কাকুতি মিনতির পর কান্নাকাটি করা যাবে না বা কোন কথা বলা যাবে না এই শর্তে জামিলের মুখ এক নজর দেখার অনুমতি মেলে। ১২ বছর বয়সী বড় মেয়ে কংকা বাবার মৃত মুখ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে, সাথে সাথে কড়া ধমকের সাথে বন্দুক উচিয়ে তাকে বাড়ির ভেতর পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কারফিউ এর মধ্যে জামিলের কোন যথাযথ ধর্মীয় মতে শেষকৃত্য হয়নি। খালেদের বাড়িতেই কোনমতে কাজ সারা হয়েছিল। কাফনের কাপড়ের যায়গায় তার কপালে জোটে আমেরিকা থেকে ওনার শ্যালিকার পাঠানো একটি সুদৃশ্য সাদা চাদর। ক্যান্টনমেন্ট গোরস্থানে ১৬ই আগষ্ট দিবাগত রাত ১টায় তাড়াহুড়ো করে চির শয়নে শায়িত করা হয় এই নির্ভিক নিঃস্বার্থ মানুষটিকে, স্বাধীন বাংলায় আত্মত্যাগের এমন বিরল কাহিনী জানল কেবল পরিবারের সদস্যরা।


জামিল উদ্দিন আহমেদের জন্ম গোপালগঞ্জে, ১ ফেব্র"য়ারি ১৯৩৩ সাল। ১৯৫২ সালে ক্যাডেট হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৫৫ সালে কমিশনপ্রাপ্ত হন। ১৯৭৩ সালে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সচিবালয়ে যোগ দেন এবং বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উনি পাক আর্মিতে আইএসআই এর সিনিয়র অফিসার ছিলেন বলে তাকে পাকিস্তান সরকার ভাল পদে তাদের দেশেই থেকে যাবার প্রস্তাব দিয়েছিল, দেশ সেবার অকৃত্রিম টানে জামিল সে লোভনীয় প্রস্তান প্রত্যাখান করেন।


ওনার মৃত্যুর ৪০ দিন পর বেগম জামিলের চতূর্থ সন্তান সম্ভাবনা ধরা পড়ে যে অনাগত সন্তানের সংবাদ জামিল জেনে যেতে পারেননি। শুরু হয় চার নাবালিকা সন্তানসহ বেগম জামিলের কঠিন জীবন সংগ্রাম। জিয়া সেনাপ্রধান হবার পর মিসেস জামিলকে একটি পত্র পাঠিয়ে জামিলকে শহীদ বলে অভিহিত করেন। যদিও জামিল হত্যার কোন রকম তদন্ত বিচার এসব কিছুই করেননি। জিয়া পরিবারের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ পূর্ব পরিচয়ও ছিল। বংগবন্ধু হত্যাকান্ডের পর জিয়ার রহস্যজনক ভূমিকার কারনে মিসেস জামিল সবসময়ই জিয়াকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। জিয়ার কাছে তিনি যেতে চাননি। তবে তার মা তাকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জিয়ার বাসায় নিয়ে গেছিলেন কিছু সাহায্য সহযোগিতা যদি সে দূঃসময়ে পাওয়া যায় এই আশায়। বেগম জিয়া তার সাথে সৌজন্য মূলক আচরন করলেও জিয়ার ব্যাবহার ছিল খুবই রূঢ়। পরবর্তিকালে জিয়া এবং অন্যান্য সরকার তাদের ওপর বহুভাবে নিপীড়ন চালান বলে মিসেস জামিল অভিযোগ করেন। জামিলের ভাই এর বাসাতেই তাদের কাটাতে হয়েছে পরবর্তি ৯ মাস। বহু দেনদরবারের পর মোহাম্মদপুরে মাসিক দেড়শো টাকা ভাড়ায় (পরিত্যাক্ত সম্পত্তি) সরকার থেকে একটি বাসা ভাড়া পান। তাও ’৮০ সালে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তিনি নিজে শুরু করেন ব্যাবসা, চার সন্তানকেই মানুষ করেন। বংগবন্ধুর জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসা একমাত্র শহীদের স্মৃতির গর্বকেই সান্তনা হিসেবে মেনে নিয়ে সয়ে যান অবহেলা আর নানান অত্যাচার নিপীড়ন।


জামিলের মৃত্যুর পর এই অসহায় পরিবারটিকে সুইডিশ সরকার তাদের দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে চেয়েছিল। মিসেস জামিল স্বামীর স্মৃতি বিজড়িত প্রিয় দেশ ছেড়ে সেখানকার নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয় নেননি, বেছে নিয়েছেন সংগ্রাম মুখর অনিশ্চিত ভবিষ্যত। অবশেষে ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আবারও ক্ষমতায় আসলে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্যা নির্বাচিত হন। অবশেষে গত বছর সরকার জামিলকে মরনোত্তর পদোন্নতি দিয়ে ব্রিগেডিয়ার পদবী ও বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করে। স্বাধীন বাংলাদেশে নানান রূপে অসংখ্য চাটুকার দেখা গেলেও জামিলের মত নিঃস্বার্থ, নির্ভীক, ন্যায়পরায়ন, বিশ্বস্ত মানুষ খুব বেশী দেখা যায়নি। অন্য কোন সভ্য দেশ হলে হয়তবা জামিলের আদর্শ স্কুলে পড়ানো হত, আমাদের দেশে তিনি থেকে গেছেন পর্দার আড়ালে। জামিল চিরদিন এক বিরল উদাহরন হয়ে আমাদের ইতিহাসে থাকবেন এই কামনাই করি।

তথ্যসূত্রঃ
১। A Hero's Death

২। দেশের কলঙ্ক মোচন হলো

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেন যে বুকের অক্ষম ক্ষোভগুলোকে আরোও বাড়িয়ে দেন !!

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৫ আগষ্ট ভোরবেলা,‌ ১৯৭৫; গণভবনের সরকারী কোয়ার্টারে ঘুমন্ত রাষ্ট্রপতি বংগবন্ধুর বিশ্বস্ত সামরিক সচিব কর্নেল জামিল। দিনটি তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন, এদিন তার ডিজিএফআই এর প্রধানের দায়িত্ব নেবার কথা। বংগবন্ধুরও সকাল বেলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে যাবার কথা। তার নিরাপত্তা নিয়ে গতদিন কেটেছে তার খুবই ব্যস্ত।


আমার জানা মতে ডিজিএফআই সেই সময় ছিল না এইটা গঠন করা হয় জিয়াউর রহমানের সময়ে ১৯৭৭ সালে

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাষ্টার সাহেব,

ধন্যবাদ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।

আপনার তথ্য ঠিক না। সেনাবাহিনীতে সব সময়ই আলাদা একটি কোর হিসেবে এফআই (ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স) আছে। ডিজিএফআই হল ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স।

৭৫ সালে বংগবন্ধু হত্যার সময় ডিজিএফআই ছিলেন ব্রিগেডিয়ার রউফ, যিনি ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনা ও ট্যাংক মুভমেন্টের খবর পেয়ে কাউকে কোন রকম সতর্ক না করে সপরিবারে বাসার পেছনে গাছতলায় আশ্রয় নেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে উইকি হতে এই তথ্য পেয়েছি

The Directorate General of Forces Intelligence (DGFI) is the main Military Intelligence agency of Bangladesh. Along with the National Security Intelligence (NSI) and Special Branch (SB), these three agencies are presumably the main components of the country's intelligence community.
It was reformed by then President of Bangladesh Lieutenant General Ziaur Rahman in 1977 as the Directorate of Forces Intelligence (DFI). It was renamed to "Directorate General of Forces Intelligence" (DGFI) afterwards. Its first Director was Air Vice Marshall K.M. Aminul Islam Khan from Bangladesh Air Force, batchmate of then BAF Chief of Staff Air Vice Marshall A. K. Khandker, current Minister of Planning of GoB. After Mujib's assassination, he was removed promtly, along with Khandker and then Army chief of staff K M Shafiullah, and the entire organisation was renamed and restructured. It was alleged that AVM Aminul Islam was serving personal interests and vandetta's of his and his air force coursemate AVM Khandker instead of emphasising on intelligence activities, reorganising and restructuring of the department.

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝলাম। নাম বদল হতে পারে। সম্ভবত নাম বদলে ডিএফআই থেকে ডিজিএফআই হয়েছে জিয়ার আমলে, যদিও নিশ্চিত নই।

৭৫ এর ঘটনাবলীর ওপর যেসব প্রামান্য বই/তথ্যসূত্র আছে সেগুলিতে ডিজিএফআই হিসেবেই লেখা আছে। কর্নেল হামিদের বইতে একাধিকবার ডিজিএফআই আছে।

এছাড়া মিলিটারী ইন্টেলিজেন্স ছিল, যার ডিরেক্টর (ডিএমআই) কর্নেল সালাহউদ্দিন অস্বাভাবিক সেনা ততপরতার খবর শফিউল্লাহকে বংগবন্ধুর ফোনের আগেই জানিয়েছিলেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুণ পোস্ট। জুলফিকার আলী মানিকের এই লেখার খানিকটা দিয়েই শুরু হয়েছে খালেদ মোশাররফের পোস্ট। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সেটা আসছে

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন, কয়দিন ধরেই অপেক্ষায় আছি এটার জন্য।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেজাজ খিচা আছে বস, ওয়ার্ড ডকুমেন্টটা রিপ্লেস হয়ে গেছে, আবার নতুন করে লিখতে হচ্ছে

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হায় হায়!

আমি এইজন্য বড় লেখা হইলে ওয়ার্ড ছাড়াও ই-মেল এও নিজের কাছেই কপি পাঠাই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তারা ঠিক কি পরিস্থিতিতে ৩২ নং এ গেছিলেন তা অবশ্য জানা যায় না।
ঘটনা বিস্তারিত জানার জন্য মনটা আকুপাকু করছে।

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও জানি না, পিয়াল চাচায় যদি সাহায্য করতে পারেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুঝি নাই, কি ব্যাপারে সাহায্য চাইতেছেন বস?

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, সাহায্য করেন এইখানেঃ

ব্রিগেডিয়ার মশহুরুল হক এবং কর্নেল শরিফ আজিজ - এই দুজনকে সৈন্যরা মারতে উদ্যত হয়েও ফারুকের নির্দেশে ছেড়ে দেয় ঘটনাস্থলে (৩২ নং এ)।

এনারা কি কারনে সেখানে গেছিলেন?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পিয়াল ভাই @

আরো দুজন সিনিয়র অফিসার সেদিন ভাগ্যক্রমে প্রানে বেঁচে যান। খুনিরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে লেকের পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখে ব্রিগেডিয়ার মশহুরুল হক এবং কর্নেল শরিফ আজিজকে। খুনের নেশায় উন্মাদ সৈন্যরা তাদের মেরে ফেলতে ফারুকের অনুমতি চেয়েছিল। ফারুক বদান্যতা দেখিয়ে আর কোন হত্যাকান্ডের প্রয়োযন নেই বলে তাদের ছেড়ে দিতে বলে। তারা ঠিক কি পরিস্থিতিতে ৩২ নং এ গেছিলেন তা অবশ্য জানা যায় না।
আমি জানতে চাচ্ছিলাম মশহুরুল হক ও শরিফ আজিজ কেন ৩২ নাম্বারে গেছিলেন এইটা জানার কোনো উপায় আছে কিনা। কেউ কি এই ব্যাপারে জানেন কিছু? ব্যাপারটা আমার কাছে ইন্টারেস্টিং কারন এই দুজনের নাম প্রথম শুনলাম। তাদেরকে যে বেধে রাখা হয়েছিলো এটাও আজ প্রথম জানলাম। কেনো তারা ঐদিন ৩২ নাম্বারে গেছিলেন এইটা কি রহস্যময় না?

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে তারা কুমিল্লা বিগ্রেডের সদস্য ছিলেন যাদের সেদিন ৩২ নাম্বারে ডিউটিতে থাকার কথা এবং সন্দেহজনক উপায়ে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এটা একান্তই আমার অনুমান, নিশ্চিত হতে কয়টা দিন সময় লাগবে

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম!! অপেক্ষায় থাকলাম।

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হমম,

সেদিন ৩২নং এ গার্ডরা তো কুমিলার ফোর্স ছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ পোষ্ট, স্টিকি করা হোক।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্টিকি করা হোক। রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনি তার প্রাপ্য সম্মান পাননি, আমার ব্লগে তাকে নিয়ে লেখা স্টিকি করে একটু হলেও যদি সম্মান দেখানো যায়

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"heroes never die"


আমাদের বাচ্চাদের এই বীরকে জানা উচিৎ। স হমত ব্লগার আদিল সাহেব


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উদাহরন সব সময়ই তত্ত্বীয় জ্ঞানের থেকে ভাল কাজ করে। অনুকরনীয় আদর্শ না পেলে কিভাবে শেখা যাবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৭৫ সালে বংগবন্ধু হত্যার সময় ডিজিএফআই ছিলেন ব্রিগেডিয়ার রউফ, যিনি ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনা ও ট্যাংক মুভমেন্টের খবর পেয়ে কাউকে কোন রকম সতর্ক না করে সপরিবারে বাসার পেছনে গাছতলায় আশ্রয় নেন।


এই ডরপোক এখন কোথায় আসে জানেন নাকি ? এইরকম বিচি ছারা মানুষ ডিজিএফআই পর্যন্ত গেলো কিভাবে জানতে মন চায় ।

Poor people gets bored too


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওনার আর তেমন কোন খবর জানি না।

স্বাধীনতার পর অনেকেরই রাতারাতি কপাল খুলে গেছিল। অনেক অযোগ্য লোকে নানান কায়দায় গুরুত্বপূর্ন পদ দখল করে রেখেছিল।

আর বংগবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে সেনা গোয়েন্দাদের ডানপন্থী একটি দল সক্রিয় ছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রউফ সাহেব জানের ভয়ে পরিবার নিয়ে লুংগী পড়ে বাড়ীর পেছনে লুকিয়েছিলেন। ফারুক-রশিদ আর যাই হোক অভ্যুত্থানকালীন ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে তা ভালোই অনুধাবন করেছিলো। রউফ সাহেব মুভমেন্টের খবর ঠিকই শুনেছিলেন, বাট ডিসাইড করছিলেন উনিই বাচবেন, বাকীরা মরলে মরুক। এই শালা বোকাচোদা বেচে থেকে দেশের কি উপকারটা করছেন সেটা জানতে আসলেও ইচ্ছা করে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক-রশীদ-ডালিম এরা আর যাই হোক, কাপুরুষ ছিল না। এরা ছিল এক ধরনের ম্যানিয়াক, যে কোন ধর্মীয় বা অন্য ধরনের উগ্রবাদীদের মতই তারাও বোধবুদ্ধিহীন হিংস্র প্রকৃতির, তবে ভীতু না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উপকার হোক আর অপকারই হোক, সেটা কি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন না?

*************************************************************************************

"The greatest enemy of knowledge is not ignorance, it is the illusion of knowledge". Stephen Hawking


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ হেরে যায় আওয়ামী বিরোধী শক্তির কাছে যা মেজর ডালিমের 'মা' রাত ১১টায় কনফার্ম করেন ৩২ নম্বরের বাড়ীতে অবস্থান করে "শেখ মুজিবকে আজ মেরে ফেলা সম্ভব"।

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেকটু ব্যাখ্যা করবেন?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুহুল কুদ্দুস সাহেব মে মাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে বলছিল আপনার বিরুদ্ধে য়ড়যন্ত্র হচ্ছে, তখন উনি গমকে গমকে হেসেছিলেন। যা পরবর্তীতে ১৫ই আগস্ট কার্যকর হয়।

বই রেফারেন্স এখনই দিতে পারবো না।।।।।।। তবে লেখক আজো সরকারী/আধা-সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, চুকরির সময় সীমা পেড়িয়েছেন আজ প্রায় ১৪ বছর আর মজার ব্যাপার হলো কোন সরকারই ওনাকে বরখাস্ত করে না।

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বংগবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে এমন কথা ওনাকে অনেকেই অনেক ভাবে বলেছে। কারো কথাই শোনেননি। ওনার এক অদ্ভূত ধারনা হয়েছিল যে কোন বাংগালী ওনাকে হত্যা করতে পারে না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পূর্ণ সহমত........

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'৭৫ পরবর্তী দুই বছর বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ পরবর্তী দুই বছর জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্তৃক সম্ভাব্য সামরিক শাসনের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ নির্মূল-করন-প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা ও জাতীয়তাবাদী দল সৃষ্টি করার মধ্যে অনেক মজার মজার তথ্য পাওয়া যায়। যেমন জেনারেল আইয়ুব খান রাজনীতি বিদ'দের ঘারে দোষ চাপিয়ে বন্দুকের নল দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, কিন্তু ঐ রাজনীতিবিদ'দের দিকে আবার 'হাড্ডি' ছুড়ে দিয়ে চু চু করে ডেকে, দল ভাঙ্গিয়ে, দল ভাগিয়ে নিজের দল করেছিলেন। জেনারেল জিয়া ঠিক তাই করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতি অসন্তুষ্ট নেতা, টু'পাইস কামাতে আগ্রহী ভাষানী ন্যাপ নেতা, মুজাফফর ন্যাপ, ডেমোক্রেটিক লীগ, মুসলিম লীগ, জামাত ইসলামী, নেজামে ইসলামী কিংবা খানদানী পরিবারের ব্যবসায়ী যারা রাজনীতি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের দিয়ে তা করিয়ে নেন। তারা সবাই মিলিত হল জেনারেল জিয়ার পতাকা তলে। জেনারেল জিয়া হ্যাড মেইড পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ইন বাংলাদেশ। যা আজও ডিফিকাল্ট ইন বাংলাদেশ।যার প্রতি দান উনি পেয়েছিলেন ৩০শে মে।

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ কুহক

মেজর ডালিমের 'মা' রাত ১১টায় কনফার্ম করেন ৩২ নম্বরের বাড়ীতে অবস্থান করে "শেখ মুজিবকে আজ মেরে ফেলা সম্ভব"।



তারপরেও "মেজর ডালিমের 'মা' " -এর কাহিনি টা বুঝলাম না । একটু বুঝিয়ে বলবেন ?

Poor people gets bored too


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উপরে বলেছি বই রেফারেন্স এখনই দিতে পারছি না আর ওনাকে এত রাতে জিজ্ঞেস করাটাও সমিচিন মনে হচ্ছে না। স্মৃতি নির্ভর কথা।

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনিতে শুধু মাত্র তৈল মর্দন করলেই অনেক দূর যাওয়া যায়। সাথে রাজনৈতিক আনুগত্য থাকলে তো কোন কথাই নাই।
সেনা বাহিনিতে প্রচলিত একটা গল্প বলার লোভ সামলাইতে পারলাম না,

কমান্ডিং অফিসার বলতেসে, সুবেদার সাব ঈদ কবে? জবাব আসলো, স্যার আপনে যেদিন বলেন স্যার।

....................................................................
....................................................................................

লড়াইয়ের মাঠ ছাড়া যাবেনা!!
প্রতিদিন নতুন লড়াই;
নতুন রনাংগন,
নতুন সকাল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ স্বভাব আমাদের কালচারের মধ্যেই আছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ কে আমি প্রায় প্রায় কর্নেল সাফায়াত জামিল - এর সাথে মিলায় ফেলতাম । এই পোস্টে ভুলটা ভাঙলো ।

Poor people gets bored too


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমারও তেমন ভুল প্রথম প্রথম হত। দুজনেই কর্নেক, দুজনেই জামিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন একটা তথ্যবহুল পোষ্ট। অবশ্যই ষ্টিকি করা উচিৎ।
এই অভাগা দেশে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়া আর কি করতে পারি বলুন!!!!!!!!!!!!!!
এই দেশে ফালু আর হারিসদের জায়গা হয়, জায়গা হয় না জামিলদের মতো কোন বীরের।

-----------------------
মনের শুদ্ধতাই পবিত্রতা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব মানুষ গুলোর বেঁচে থাকার বড্ড দরকার ছিল।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Due to font problem, I have to read it later.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক ধন্যবাদ আদিল ভাই লেখাটির জন্যে।

পড়ে মন খুব খারাপ হলো তাই আর কিছু লিখতে ইচ্ছে করছেনা।

ড্রাইভার আমিনুদ্দিন প্রান ভয়ে কোনমতে পালিয়ে গেল।


নাম টা ঠিক করে দেন।

স্টিকি করা হোক।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উদাসী,

আপনে তো কামে তেমন উদাসী না দেখি।

ঠিক করে দিলাম, ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আদিল ভাই।
নীচের লিঙ্ক টা দেখতে পারেন। ডেইলি স্টার এর স্পেসাল এডিশনঃ

The brave heart
Wife of Col Jamil recalls how her husband died trying to save Bangabandhu


http://www.thedailystar.net/suppliments/2009/righting_the_grievous_wrong/braveheart.html

এই লাইন টা ইন্টারেস্টিং লেগেছেঃ

Anjuman said she heard him murmuring to himself, “Who's ordered withdrawal of 200 troops from the President's Guard Regiment?”


ধন্যবাদ।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা দেখিনি আগে, ধন্যবাদ।

সে সময় সেনাবাহিনীর এমন বেশ কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখে গেছিল যেসবের কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডিজিএফআই / ডিএফআই এবং মরনোত্তর পদোন্নতি দিয়ে ব্রিগেডিয়ার পদবী ও বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা নিয়ে বাসস এর একটা খবর পেলাম:

http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=100810$date=2010-04-15&dateCurrent=2010-04-19

Jamil served as the military secretary and security in charge of the president until August June 15, 1975 as a colonel when he was posted as the chief of the then directorate of forces intelligence (DFI), which subsequently was upgraded as the DGFI.


ধন্যবাদ।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেটাই মনে হয়। একই ডিপার্টমেন্ট DFI থেকে DGFI হয়েছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নির্বাক !

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেকটা ফাটাফাটি পোস্ট।

বীর উত্তম ব্রিগেডিয়ার (মরণোত্তর) জামিলের প্রতি রইল শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা। আমাদের সময় এসব তথ্য এত সহজ লভ্য ছিলো না। এই সব বীরদের কাহিনী এখনকার জেনারেশানে ছেলে মেয়েদের বেশী বেশী করে জানা উচিৎ।

আরেকটা কথা উনি সেহেতু মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার পদে উন্নিত হয়েছেন টাইটেলে কর্ণেল না বলে ব্রিগেডিয়ার হিসাবে আপডেট করে দেন।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহজলভ্য না হওয়াতেই মনে হয় পয়দা হইছে সব ভাইয়া ম্যাডাম আপাদের চামচা চোর চোট্টার দল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার আগের কমেন্টের শেষ লাইনের কথাটা আপনি যখন টাইপ করছিলেন সম্ভবত: তখনই আমিও আপডেট করেছি। আগে না দেখে থাকলে আপনার মতামত কি?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল না ব্রিগেডিয়ার তা খুব বড় কথা না।

যেহেতু কর্নেল পদেই মারা গেছিলেন তাই আমি সেটাই রাখার পক্ষপাতি।

মরনোত্তর ব্রিগেডিয়ার সম্মানসূচক।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইত্তেফাকের একসময়কার স্টাফ রিপোর্টার জনাব (সিরাজুদ্দিন/আফতাবুদ্দিন) আহমেদ তার নিজস্ব তোলা কিছু ছবির উপর ভিত্তি করে একটি বই লিখেছিলেন "সিরাজুদ্দৌলা থেকে শেখমুজিব"। সেখান কর্ণেল জামিলের শহীদ হবার কাহিনী প্রথম পড়ি। আজ প্রায় ১০-১২ বছর আগের কথা। সময়কাল উল্ল্যেখ করে মোটামুটি ভালো একটি বর্ণণা ছিল সেখানে। অনেকদিন পর আবার পড়া হইলো, ভালো লাগলো।

আমি মনে করে বাংলাদেশ আর্মির উচিত এইসব অফিসারকে আইডল বানানো, কিন্তু এটা বাংলাদেশ তাই সেনাবাহিনীর অনেক কিছুর নামকরণে খিলজী-কাসিমদের পদচারণা থাকলেও কর্ণেল জামিল বা মেজর হায়দারদের মতন বীরেরা অগোচরেই রয়ে যায়।

আপনার পোস্টে প্লাস।

বিঃদ্রঃ বইটার নাম নিয়ে এত কথা বলার কারণঙ্গামার সংগ্রহের বইটা উঁইপোকা ধ্বংস করে দিছে এবং ব্লগের কারও কাছে যদি ওটা থাকতো তবে স্ক্যান করার অনুরোধ রাখতাম। দূর্দান্ত কিছু ছবি আছে বইটিতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বইটার কথা শুনিনি তো কখনো, সংগ্রহ করার ইচ্ছে রইল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চেষ্টা চালাবো বইটি সংগ্রহের।

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল জামিল সম্বন্ধে যখন প্রথম শুনি তখন প্রথমেই মনে হয়েছিলো লোকটা বোকা। না হলে যাদের কিছু করার ক্ষমতা ছিলো তারাই কিছু করেন নি আর উনি নিধিরাম সর্দার দৌড়ে গেছেন। কিন্তু আসলে উনিই সঠিক কাজটা করেছিলেন। সাহসীরা আর কর্তব্যপরায়ন লোকেরা অনেক সময় বোকাই হয়।

তার বীরোত্তম পাওয়ার কথা শুনেছিলাম, অন্য ব্লগে একজন তাকে বিইউ উল্লেখ করায় সোর্স জানতে চেয়েছিলাম, সে অবশ্য সোর্স দিতে না দিয়ে বিইউ মুছে দিয়েছিলো। Stare

পোষ্ট আর ইনফরমেশনের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মলি,

বোকা আর সরল/নিঃস্বার্থ অনেক সময়ই সমার্থক।

ওনার একশনে হয়ত তেমন কিছু আসে যায় নাই, তবে উনি দেশের প্রতি, নিজের বিবেকের কাছে যে শপথ করেছিলেন তা ১০০% রেখেছিলেন। এখানেই ওনার স্বার্থকতা।

অন্যদের মতন নানান ছলছূতা করে সহজেই এড়াতে পারতেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুণ পোস্ট।

__________________
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক অজানা তথ্য জানলাম। ধন্যবাদ অসাধারন পোস্টের জন্য।

----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদেরকেই বলে দেশপ্রেম, মানবতা, দায়িত্বশীল, কর্ত্যবপরায়ণ, এদের জন্য চোখের কোনে জল আসে।

কেউ কেউ বলে থাকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের নিয়ে আর মাতামাতি করা কি দরকার?
রাজাকারদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করা আর কি দরকার?
আমি বলি দরকার হয় এক বেলা খাবো তবুও ঐ খানকির পুলাগো সব খতম করা দরকার আগে।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইতিহাস শুধু গল্প শোনার জন্য না।

ইতিহাস থেকেই শিক্ষা নিতে হয়। ইতিহাস হল অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞান আহোরনের খুবই ভাল উপায় যা থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত পরবর্তি প্রজন্মকে উদ্ধুদ্ধ করতে পারে।

সে কারনেই ওনার কথা জানাতে চেয়েছি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক কিছু জানা গেল। ধন্যবাদ আপনাকে।

- - - - - - - - - - - - - - - -


"হাঁসিখুশি থাকা মানে, হাজার দুঃখের মাঝে বেঁচে থাকার বল "

হৈমন্তী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট কর্ণেল জামিল।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে নিলাম । আদিল স্পেশাল Star Star Star Star Star Star

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রাসংগিক মনে করে ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন (বর্তমান ইলেকশান কমিশনার) লিখিত "বাংলাদেশ : রক্তাক্ত অধ্যায় ১৯৭৫-৮১" বই থেকে কিছুটা তুলে ধরছি-------

" আমি কর্নেল জামিলের গাড়ির কাছে কতক্ষন দাড়িয়ে ছিলাম বলতে পারব না। এই ছোটখাটো গড়নের সূদর্শন সদাহাস্যোজ্জ্বল সেনা অফিসার ১৯৫৬ সনে পাকিস্তান সিগন্যাল কোরে কমিশন প্রাপ্ত হন। তিনি চাকুরিতে শফিউল্লাহ ও জিয়ার সিনিয়র ছিলেন। অত্যন্ত কর্তব্য পরায়ন ও দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা ছিল তার। মনে পড়ে জামিল পরিবারের সাথে আমার প্রথম পরিচয় ১০৭০ সনে লাহোরে। তার এবং তার সহধর্মীনির অমায়িক ব্যবহার আর অতিথি পরায়নতার কথা যারাই তদের সংস্পর্শে এসেছিলেন এক বাক্যে স্বীকার করবেন। আর তাদের এ ব্যবহারের জন্যই আমরা লাহোরে চাকুরিরত কয়েকজন তরূন অফিসার অনেক বেশি ঘনিস্ঠ হওয়ার সুযোগ পাই।প্রায়ই তার বাসায় আমাদের জন্য মাছ ভাতের ব্যবস্হা করা হত। এমন কোন দিন ছিলনা যেদিন তার বাসায় গিয়ে না খেয়ে এসেছি। আমি তখন থেকেই দেখেছি বাংলাদেশ আর বাংলাদেশের মানুষের জন্য তার অন্তরের বেদনা। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম আর বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিল তার গভীর সমর্থন আর শ্রদ্ধা।বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের সময় থেকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও আমরা তার বাসাতেই একত্র হয়ে আমদের দেশ ও তার ভবিষ্যত সমন্ধে অত দূরে বসেও উতকন্ঠার সাথে আলোচনা করতাম।মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রায়ই দেখতাম তার বাড়ীর চারপাশে পাক গোয়েন্দাদের আনাগোনা।একদিন তাকে আমি সতর্ক করলে তিনি সহাস্যে বললেন ' ওদের বেতন হালাল ত করতে হবে'।
এর কিছুদিনের মধ্যে তাকে কোয়েটায় বদলি করা হয়। মনে পড়ল মাস খানেক আগে তার সংগে আমার শেষ দেখা গনভবনে তার অফিসে। আমি কোন কাজে গনভবনে গেলে তার অফিসে বসেই তাকে অনুরোধ করলাম বঙ্গবন্ধুর সংগে ক্ষনিকের দেখা করার ব্যবস্হা করে দেওয়ার জন্য যদিও বঙ্গবন্ধুকে আমি বহুবার দূর থেকেই দেখেছি।সেদিন অফিস শেষে বঙ্গবন্ধু বাড়ীতে ফেরার পথে তার অফিসের সামনেই জামিলের সৌজন্যে বঙ্গবন্ধুর সংগে আমার প্রথম ও শেষ কথা বলার সৌভাগ্য হয়। কয়েক মিনিটের কথা বলার ফাকে আমার স্ত্রীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে বাইরের কলেজ থেকে বদলি ভর্তির সমস্যার কথা জানালে তিনি জামিলকে সাহায্য করতে বললেন।দূর্ভাগ্য যে, সেটা তার জীবিত অবস্হায় আর হয়ে উঠেনি।

ভাবছিলাম এ কর্তব্যপরায়ন লোকটি তার সৈনিক জীবনের শেষ কর্তব্যটুকুও পালন করে গেলেন। জানিনা বাংলাদেশের ইতিহাস এই ত্যাগের কি মূল্যায়ন করবে।কারন তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে প্রান বিসর্জনকারী একমাত্র অরাজনৈতিক বেতনভূক কর্মচারী অথচ বঙ্গবন্ধু তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সঙ্গীদেরকেও ডেকে ছিলেন কিন্তু প্রানের ভয়ে কেউ সারা দেয় নি। কর্নেল জামিলের মৃতদেহ এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরেকবার আমি ও কর্নেল নূরুদ্দিন খান (পরে সেনা প্রধান) এখানে আসি কিন্তু প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ায় জামিলের অগ্রজ জালাল সাহেবের লাল মাটিয়ার বাসায় গিয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সংগে দেখা করি।"

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ, মূল্যবান সংযোজন।

যতদুর মনে হয় জামিলকেও '৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Soldiers, politicians, bureaucrats everybody take an oath to serve the republic when they begin their service. For most of them this is just a quaint aspect of the ceremony. For a few like Col Jamil, an oath is an oath. It is because of people like him that taking an oath still has some implications.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেটাই বলতে চেয়েছি।

শপথ যে ঘটা করে হাত উঁচিয়ে করলেই কেবল শপথ এমন নয়।

আমি আমার অফিসে কাজ করি, তার বিনিময়ে বেতন পাই; এখানে আমার প্রতিজ্ঞা বা শপথ আছে কাজের প্রতি ১০০% কমিটেড থাকার জন্য।

এভাবেই রাষ্ট্রের প্রতি প্রতিটি নাগরিকই শপথবদ্ধ।

বংগবন্ধুও এই উপাখ্যানে মূখ্য নন, মূখ্য জামিলের কর্তব্যনিষ্ঠা, নির্ভীক ন্যায়পরায়নতা।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট কর্নেল জামিলকে।

------------------------------------------------
মোম গলে লাভার স্রোতে ভেসে, ঝড়া পাতার সূরের মুর্ছনায়, দিগন্ত লালিমায় যদি রং ধনু হতে পারতাম তাহলে বলতাম, দেখো কবিতায় তোমায় আঁকতে পারি.......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট কর্ণেল জামিল।তখন সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ কি বাল ছির ছিল??ব্যথ্র্তারদায়ে শফিউল্লাহর বিচার হওয়া উচিত।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শফিউল্লাহর সেদিন নেক ত্রুটি দেখা যায়।

তবে বিচার করার মত অপরাধ মনে হয় না করেছিলেন বলে। পরিস্থিতির কাছে তিনি ছিলেন অনেকটা অসহায়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল জামিলের জন্য থাকল শ্রদ্ধা আর সালাম।
উনার ছেলেমেয়েরা কে কি করছেন? সবাই কি দেশে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিস্তারিত জানি না, অন্তত দুইজন মনে হয় দেশে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল লাগল পড়ে। চমৎকার লিখা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুনলাম।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক পোষ্ট পড়ে মন্তব্য লেখার মত কিছুই পাই না, আসলে ঠিক ভেবে পাই না কি লেখা উচিৎ, তাই লিখি না। এই লেখাটিও আমার সে ক্যাটাগরীতে পরেছে। তবে আমি যে পড়েছি তা লেখক কে জানানো একটা নৈতিকতা বলে এই পড়লাম কমেন্ট।

অফটপিকঃ
আপনার একটা ভিড্যু দিছি আজাদ মাষ্টারের পোষ্টে ।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট ভাল হয়েছে।

নিজেও সিভিল পোষাকে তৈরী হওয়া শুরু করলেন।


আমি কোথাও পড়েছিলাম তিনি তাড়াহুড়া করে স্লিপিং গাউন পরেই রওনা হয়েছিলেন। আমার বইয়ের সংগ্রহ সাথে নাই, তাই রেফারেন্স দিতে পারছি না।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও অমন পড়েছিলাম কোথায় যেন। স্লিপিং গাউন কাহিনী মনে হয় না সত্য। বংগবন্ধুর ফোন পাবার পর বাসা থেকে বের হতে তার কিছু সময় লেগেছিল, একেবারে দেন এন্ড দেয়ার রওনা হননি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ধরনের ব্যাক্তিদের ইতিহাস আমাদের প্রেরণা যোগায়।
স্যালুট তার কর্তব্যবোধকে।

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এধরনের মানুষ সহজে জন্ম নেয়না আর জন্মালেও এরা বেশিদিন থাকতে পারেনা। কর্নেল জামিলের এই ধরনের আত্মত্যাগ এবং কর্তব্যপরায়নতা নতুন প্রজন্মকে শেখার এবং জানার ব্যবস্থা থাকলে ভাল হয়। সরকার করেছে কিনা জানিনা। আমরা যদি স্কুলের বইতে মীর মদন, সিনফ্রে এর পাশাপাশি ঘসেটি বেগম, মীর জাফরদের ইতিহাস জানতে পারি, বিংশ শতকের মীর মদন ও মীর জাফরদের ইতিহাসও বিস্তৃত হোক। আগামী প্রজন্ম জামিলের উদাহরন দিক সশ্রদ্ধ চিত্তে

--------------------------------------------------------------------------------
আবার আসিব ফিরে, ধানসিঁড়ি নদিটির তীরে এই বাংলায়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই ভাল কথা বলেছেন।

ইতিহাসের বইতে আলেক্সান্ডার বাবর আকবর মোহাম্মদ বিন কাশেমের ইতিহাস পড়ানোর থেকে সমসাময়িক ইতিহাস পড়ানো আরো জরুরী বলেই আমিও মনে করি। বাবরের আদর্শ থেকে এই যুগের বালক যত না শিখবে তার চাইতে অনেক বেশী শিখবে তাজউদ্দিনের আদর্শ থেকে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাবরের আদর্শ থেকে এই যুগের বালক যত না শিখবে তার চাইতে অনেক বেশী শিখবে তাজউদ্দিনের আদর্শ থেকে


সেইটা বইপত্র যারা লেখেন তাদের মাথায় ঢুকাবে কে !!!

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদ্দিন শুধু নামটাই জানতাম,আদিল ভাইকে ধন্যবাদ জানাবার ভাষা নেই।ফেসবুকে শেয়ার দিলাম।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(*) (*) (*) (*) (*)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট হিম ফ্রম মাই হার্ট।

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ।

------------------------------------
উপদেশের চেয়ে দৃষ্টান্ত বেশী শিক্ষণীয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন লেখা আদিল ভাই -

Sabar Upare Manush Satya Tahar Upare Nai.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা পড়েছেন মন্তব্য করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

প্রাসংগিক আলোচনা কিংবা প্রশ্ন ছাড়া সবার মন্তব্যের জবাব দেই না খামোখা মন্তব্যের সংখ্যা বেড়ে যাবে বলে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখা দারুন হয়েছে, অনেক ধন্যবাদ।

কর্তব্যপরায়নতার বিরল দৃষ্টান্ত, নির্ভীক কর্নেল জামিলকে অশেষ শ্রদ্ধা জানাই। অন্য কোন সভ্য দেশ হলে আসলেই জামিলের আদর্শ স্কুলে পড়ানো হত। আর আমাদের দেশে বেশীরভাগ মানুষ তাঁর নামই জানে না। তাঁর মৃতদেহের প্রতি ঘাতকদের অমর্যাদা আর তাঁর পরিবারের প্রতি একদা ঘনিষ্ঠ জিয়া পরিবারের অসহযোগীতাও দুঃখজনক।

মিসেস জামিলকেও স্যালুট তার সফল সংগ্রাম মুখর জীবনের জন্য। সুইডিশ সরকারের রাজনৈতিক আশ্রয়ের ব্যাপারটা জানা ছিলনা। তাঁর ছেলে মেয়েরা এখন কে কোথায় আছেন জানেন কী? এই পরিবারের সাফল্য কামনা করি।

------------------------------------------------------------------------
"জাতির পতাকা খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন।"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা জাতিগত ভাবেই কেন জানি মোহন লাল দের চাইতে মীর জাফরদের নাম বেশি উচ্চারন করি। ফারুক-রশিদ দের সবাই চেনে অথচ কত জামিল হাড়িয়ে যায় ইতহাসের অতলে। স্যালুট টু দিস হিরো।
লেখককে ধন্যবাদ ইতিহাস হাতড়ে মনি-মুক্তা তুলে আনার জন্য।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star Star Star

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি ঘরে ফিরবো, কিন্তু ফিরতে গিয়ে দেখলাম আমি বাড়ি ফিরেছি। আমার ঘরে ফেরা আর হল না...(সংগৃহীত)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা ভালো হয়েছে। আশেষ শ্রদ্ধা কর্নেল জামিলকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল জামিলকে লাল সেলাম
আদিল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট...

প্রিয়তে নিলাম...

আমার একটা লেখা ছিলো তাকে নিয়ে...
স্যালুট টু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম...

.
.
.
~ ~ ~ * * * মানবতাই হোক মানুষের ধর্ম * * * ~ ~ ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ পড়া ও ওনাকে নিয়ে লেখার জন্য।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেল্যুট মাই কর্নেল! Star
---
প্রিয় পোস্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সালুট কোরনেল জামিল।

glqxz9283 sfy39587p07