Skip to content

সড়ক দূর্ঘটনা - মুখোমুখি সংঘর্ষ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরো জাতিকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় চলে গেলেন দেশের দুই কৃতি সন্তান তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর সহ আরো তিনটি অমূল্য প্রান। আমাদের হয়ত সত্যজিত রায় কিংবা মৃনাল সেন ছিলেন না, ছিলেন তারেক মাসুদ। এই দূর্ঘটনা হয়তবা এড়ানো যেত? কে বলতে পারে? তবে নিশ্চয়ই সড়ক দূর্ঘটনা যেন কোনভাবেই না ঘটে আমরা সবাই সেটাই চাইবো।

দূর্ঘটনা হঠাত করেই ঘটে, তবে রাস্তাঘাট ঠিকমত ডিজাইন করা হলে, এবং চালকেরা আইন মেনে চললে এর হার এবং মাত্রা অনেকটাই কমানো যায়। সে লক্ষ্য থেকে এই দূর্ঘটনা কেন্দ্রিক কিছু এনালাইসিস নিয়ে এ লেখা। আশা করি সবাই কিছুটা বুঝতে পারবেন কিভাবে এ জাতীয় দূর্ঘটনা ঘটে, এবং হয়তবা বুঝতে পারবেন যে এ জাতীয় দূর্ঘটনার হার কমানো এমন কিছু হাইটেক ব্যাপার না।

সড়ক দূর্ঘটনা অসংখ্য কারনে, অনেক রকমের হতে পারে। এ নিয়ে পুরো লেখা সম্ভব নয়, আমার সে জ্ঞানও নেই। সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ে অনেক উচ্চ পর্যায়ে কাজ হয়, সে লাইনের বিশেষজ্ঞরা আলাদা। মূলত যে কোন ধরনেরই স্থাপনা ডিজাইন ও নির্মানের মূল লক্ষ্য থাকে নিরাপত্তা বা সেফটি, যার সাথে সামান্যতম আপোষ নেই। এ লেখায় চেষ্টা করব এই করুন দূর্ঘটনাটি সম্পর্কেই আলোচনা করতে। যদিও ঠিক কিভাবে এই দূর্ঘটনা ঘটল তা এখনো নিশ্চিত না, আদৌ জানা যাবে কিনা সেটাও কথা। আমার কাছে ভিন্ন ভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য সাংঘর্ষিক মনে হয়েছে। বিদেশে এমন ক্ষেত্রে এক্সিডেন্ট রিক্রিয়েশন করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশে মনে হয় না সম্ভব।

ঢাকা আরিচা সড়ক বহু আগ থেকেই কুখ্যাত। বছর পঁচিশেক আগেই ঠাট্টা প্রচলিত ছিল যে আত্মহত্যা করতে চাইলে আরিচার বাসে উঠে পড়। কুখ্যাত হলেও তার দূর্নাম কমানোর তেমন কোন বাস্তব প্রচেষ্টা কতটা করা হয়েছে নিশ্চিত বলা যায় না। ’৮৩ সালে এই ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আরেক যায়গায় বাস দূর্ঘটনায় আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ট এক বন্ধুর বড় ভাই ও খালা মারা যান আরো বেশ কজনের সাথে।

সীমিত তথ্যের মধ্যে যতটুকু বুঝতে পেরেছি এ এক্সিডেন্টটি হল মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষ, যাকে বলা হয় হেড অন কলিশন। এ জাতীয় দূর্ঘটনা আমাদের দেশেই শুধু নয়, বিদেশেও প্রচুর হয়। একটু বোঝানোর চেষ্টা করি এটা কিভাবে সাধারনত ঘটে, যদিও ব্যাপারটা অত্যন্ত সরল। আমাদের দেশের আন্তঃজেলা মহাসড়কগুলি সাধারনত দুই বিপরীত দিকে দুটি লেন ওয়ালা হয়ে থাকে (ছবি-১), যেমনটি আরিচা সড়কের সেই দূর্ঘটনাস্থল। পরস্পরের দিকে ছুটে আসা দুই বিপরীত দিকের যানবাহনের মাঝে মিডিয়ান জাতীয় কিছু নেই যা শহরে দেখা যায়; শুধুমাত্র হলুদ দাগ ছাড়া। কোন গাড়ি তার সামনের গাড়িকে ওভারটেক করতে চাইলে তাকে বিপরীত দিকের লেন দিয়েই করতে হবে। তার জন্য তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য কোন গাড়ি তার পথে এসে পড়ার আগেই সে ওভারটেক নিরাপদে সেরে ফেলতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নিরাপদে ওভারটেকের সম্পূর্ন দায় যে ওভারটেক করছে তার। তবে যাকে ওভারটেক করা হচ্ছে তারও উচিত সে সময় গতি কিছুটা কমিয়ে ও একটু পাশ সরে তাকে সুবিধে করে দিতে। ব্যাপারটির মাঝে সূক্ষ্ম হিসেব আছে। বিপরীত দিকে একটি গাড়ি অনেক সময় বেশ দূরে মনে হতে পারে, কিন্তু বিপরীতে থাকা দুই গতির কারনে সে নিকটবর্তী হয়ে যেতে পারে অপ্রত্যাশিত দ্রুত গতিতে যা অনেক সময় আন্দাজ করা যায় না।


ছবি-১; আন-ডিভাইডেড বা রুরাল হাইওয়ে (আমাদের দেশের মহাসড়ক)


ছবি-২; ডিভাইডেড হাইওয়ে। বিপরীত দিকের মাঝে ঘাসের মিডিয়ান।

হিসেবে সামান্য উনিশ বিশ হলেই দুদিকের যানবাহন পরস্পরকে আঘাত হানতেই পারে। ওভারটেক ছাড়াও চালক যদি সামান্য অসতর্ক হয় তাহলেও বিপরীত দিকের লেনে হঠাত চলে যেতে পারে, এবং মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটার জন্য মাত্র ২ সেকেন্ডই হয়ত যথেষ্ট। এ শ্রেনীর সড়ককে আমেরিকা কানাডায় সাধারনত রুরাল হাইওয়ে বলা হয়ে থাকে। অপেক্ষাকৃত কম যানবাহন চলে, বিরান যায়গাতেই এই ধরনের হাইওয়ে আছে। বিদেশে, এমনকি ভারত পাকিস্তানেও আরেকটি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ হাইওয়ে আছে, যাকে বলা হয় ডিভাইডেড হাইওয়ে (ছবি-২); যা অনেক সময় হয়ে থাকে সম্পূর্ন সিগনাল বা সাইড রোড মুক্ত বা ফ্রী ওয়ে। ডিভাইডেড বলার কারন এ ধরনের হাইওয়েতে দুই বিপরীত দিকের বাহনের মধ্যখানে আড়াই ফুট উঁচু ব্যারিয়ার ওয়াল, বা শহরের বাইরে চওড়া ঘাসের মিডিয়ান থাকে যা মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষের ভয় নামিয়ে আনে প্রায় শূন্যের কোঠায়। আমাদের সীমিত জমি ও বাজেটের কারনে এই ধরনের নিরাপদ সড়ক নির্মান অনেকটা স্বপ্নের মতই। আপাতত যা আছে তাই নিয়ে চিন্তা করতে হবে।


বুঝতেই পারছেন যে আমাদের আন ডিভাইডেড টাইপের মহাসড়কগুলিতে ওভারটেক করাতেই সম্ভবত সবচেয়ে বেশী মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষ ঘটে। যদিও আমেরিকায় এক্সিডেন্ট ষ্টাডিতে দেখা গেছে যে ওভারটেক করার চেয়ে চালকের অসতর্কতার ফলে বিপরীত লেনে চলে যাওয়াই বেশী দূর্ঘটনা ঘটায়। আমাদের আলোচিত দূর্ঘটনা ঠিক কিভাবে ঘটল সে ব্যাপারে তিনটি ভিন্ন ভার্ষন পেয়েছি। প্রথম যোগাযোগমন্ত্রীর ভাষ্যে জানলাম যে তারেক মাসুদদের ড্রাইভারই ওভারটেক করতে ভুল হিসেবের কারনে বিপরীত দিকের বাসের সাথে লাগিয়ে দেয়। এই ধারনার প্রবল বিরোধীতা করেন দূর্ঘটনায় আহত হয়ে বেঁচে যাওয়া দিলারা বেগম জলি। তার ভাষ্য অনুসারে তাদের মাইক্রোর ড্রাইভার নয়, বিপরীত দিক থেকে আসা বাসই তাদের লেনে এসে লাগিয়ে দেয়। ওনার বক্তব্য নিঃসন্দেহে অনেক বেশী বাস্তব সম্মত হবার কথা। কিন্তু সেই বাসের আরেকজন যাত্রী বলেন যে মাইক্রোর ড্রাইভারই কোন কারনে তাদের লেনে এসে বাসের সাথে লাগিয়ে দেয়, যদিও ওভারটেকের ব্যাপার ছিল না। বাস ড্রাইভারও অনেকটা এমনই বলেছে বলে শুনেছি। এ বক্তব্য সত্য হলে সম্ভবত ধরে নিতে হবে যে ড্রাইভার খুব সম্ভবত ক্লান্ত ছিল, কোন এক সূত্রে জানা গেছে যে সে গত কদিন কোন বিশ্রাম পায়নি। কোন বক্তব্য সত্য তা জানা খুব দুরূহ মনে হচ্ছে। এ বিতর্ক সমাধান আমার পক্ষে সম্ভব নয়, এখানে তার তেমন দরকারও নেই। কার দায় সেটা এখানে বড় নয়।


একটু কারিগরী বা গানিতিক চোখে দেখার চেষ্টা করি আন ডিভাইডেড হাইওয়েতে ওভারটেক প্রক্রিয়াটা কিভাবে ঘটে। তৃতীয় ছবিতে খুব সরল ভাবে ওভারটেক করার কন্সেপট দেখানো হয়েছে। খুবই পরিষ্কার স্বব্যাখ্যাকারী ছবি। আপনি ওভারটেক করতে প্রথমে সিদ্ধান্ত নেবেন, তারপর গতি বাড়িয়ে বিপরীত দিকে যাবেন, ওভারটেক শেষ হলে আবার নিজেদের লেনে ফেরত আসবেন। পুরো প্রক্রিয়াটা শুরু করার আগেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে বিপরীত দিক থেকে আসা কোন বাহন আসার আগেই আবার নিরাপদে নিজের লেনে ফেরত আসতে পারবেন। এতে সামান্যতম সংশয় থাকলে ওভারটেকের আশা বাদ। ৪নং ছবিতে এই সরল প্রক্রিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্লেষন করা হয়েছে। একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন যে গোটা প্রক্রিয়াটা ঘটে ৪টা পর্যায়ে, প্রতিটা পর্যায়ের জন্য ন্যূনতম একটি দূরত্ব লাগে (d1-d4) যা গতির ওপর নির্ভরশীল (গতি হিসেবে ধরা হয় রাস্তার গতিসীমা)। এই চারটি পর্যায়ের দূরত্বের সমষ্টি হল ন্যূনতম নিরাপদ দূরত্ব (Passing Sight Distance) যা আপনাকে গোটা ওভারটেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পেতেই হবে। না পেলে সেখানে ওভারটেক করতে গেলে মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষ। রাস্তার গতিসীমার ওপর নির্ভর করে এই পাসিং সাইট ডিস্টেন্স। দুই দিকের বাহনেরই গতিসীমা ৮০ কিলোমিটারে থাকলে এই ন্যূনতম দূরত্ব ১,৯০০ ফুট। গতি বাড়ালে এটাও বাড়তে থাকবে।


ছবি-৩; আন-ডিভাইডেড হাইওয়েতে ওভারটেকিং করার সরল চিত্র।


ছবি-৪; আন-ডিভাইডেড হাইওয়ের ওভারটেকিং এর গানিতিক চিত্র।

মুশকিল হল রাস্তায় সব যায়গায় এত্ লম্বা দূরত্ব সব সময় খালি পাওয়া যায় না। আর এই কাজ আরো কঠিন হয়ে যায় কোন সূক্ষ্ম বাঁক আসলে, কারন সেক্ষেত্রে আপনার দৃষ্টিসীমা হয়ে পড়ে সীমিত। বাধামুক্ত দৃষ্টিসীমা ড্রাইভারের জন্য অত্যন্ত জরূরী। আপনি টেরই পাবেন না বিপরীত দিকের গাড়ি কতদুরে আছে। আর যদি তার মধ্যেও বাড়িঘর বা ঘন গাছপালা থাকে তাহলে হয় আরো বিপদজনক (ছবি-৫)। কাজেই এসব ক্ষেত্রে ওভারটেকিং সম্পুর্ন নিষিদ্ধ ঘোষনা করে রাস্তায় সাইন দেওয়া হয়। চালককে শার্প টার্ন আছে তাও জানানো হয় ওয়ার্নিং সাইনের মাধ্যমে। এই সাইন সঠিক যায়গায় বসানো অত্যন্ত জরুরী যা হয়ত এমনিতে আমরা বুঝি না। বুয়েটের সড়ক দূর্ঘটনার বিশেষজ্ঞ হাসিব স্যার দূর্ঘটাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন যে এ বাঁকটি তারা আগেই ব্ল্যাক স্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন, কিন্তু করিতকর্মা সড়ক বিভাগ কোন সাইন বসায়নি। বিদেশে এ জাতীয় গাফিলতির কারনে সরকারকে প্রতি বছর লাখে লাখে ডলার ক্ষতিপূরন দিতে হয়। আমাদের দেশে এমন ভয় নেই, সরকার দায়মুক্ত। যেসব যায়গায় ওভারটেক নিষিদ্ধ সেসব যায়গায় লেনের মাঝে সলিড লাইন দেওয়া হয়, ভাংগা দাগ নয়। ভাংগা দাগ মানে ওভারটেক করা যেতে পারে। সঠিকভাবে রোড সাইন বসানো, তা পড়ে বোঝা, ও মানা অত্যন্ত জরূরী। এটা প্রকৌশলী ও ড্রাইভার দুই পক্ষেরই দায়িত্ব।


ছবি-৫; কড়া বাঁকের সাথের ঘন গাছপালার জন্য সীমিত দৃষ্টি সীমা, অতি সতর্কতা প্রয়োযন।


দূর্ঘটনাটির মূল কারন যাইই হোক; একটি অপ্রীতিকর বিষয় এখন আসছে যা আলোচনা খুবই জরুরী। দূর্ঘটনা সব রকম সতর্কতা, উন্নত ডিজাইনের পরেও ঘটতেই পারে। যদি ঘটেই যায় তবে তার প্রতিক্রিয়া যেন কম হয়, জীবনের আশংকা কমানো যেন যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। আলোচিত দূর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটির ছাঁদ উড়ে যায়, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। ৫০ মাইলে থাকা একটি গাড়ি হঠাত মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষে পড়লে গতি জড়তার কারনে যাত্রীরা কোন ভাবে গাড়িতে থাকতে না পারলে ছিটকে যেতে পারেন ৫০/৬০ ফুট দূরে। শক্ত রাস্তায় পড়লে কি হাল হতে পারে সহজেই অনুমান করা যায়। এভাবে ওনাদের ছিটকে পড়ার কারন সম্ভবত সিট বেল্ট না পরা। বিদেশে যা অত্যন্ত কড়াভাবে পালন করা হয়। আমেরিকায় প্রতি বছর সড়ক দূর্ঘটনায় ৩৫/৪০ হাজার লোক প্রান হারায়, এদের ৬০%ই মারা যায় সিট বেল্ট না বাধার কারনে। আমাদের দেশেও মনে হয় আইন আছে, তবে বলাই বাহুল্য তার প্রয়োগ কি। দূর্ঘটনায় যদি আপনি গাড়ির ভেতরেই থাকতে পারেন এবং গাড়ি অন্তত ওলট পালট না খায় তবে প্রানহানীর সম্ভাবনা অনেক অনেক কমে যায়। এ কাজের জন্য সিট বেল্টের বিকল্প নেই।



শেষ যে ভাষ্য পেয়েছি তাতে মনে হয়েছে যে মাইক্রোর ড্রাইভার ক্লান্তির কারনে মনের অজান্তেই বিপরীত লেনে উঠে এসেছিল। এটা খুবই সাধারন ঘটনা, আমরা তো সবাই মানুষ। সেদিন ঘটনার সময় ছিল তুমুল বৃষ্টি। বৃষ্টির মধ্যে ড্রাইভিং বেসিক হল অতিরিক্ত সতর্ক থাকা, গতিসীমারও নীচে চালানো; কারন বৃষ্টিতে দৃষ্টিসীমা কমে যায়, ব্রেক করলেও থামার দূরত্ব বেড়ে যায়। এই ধরনের অসতর্কতা মূলক দূর্ঘটনা কিভাবে কমানো যায়? কিভাবে সজাগ করা যায় ঘুমন্ত ড্রাইভারকে? এসব সড়কে শহরের মত মিডিয়ান ব্যাবহার করা যায় না কারন তাহলে প্রচন্ড গতিতে হঠাত ভুল বশত আঘাত করলে গাড়ি বাস নিজেই ছিটকে পড়বে। তাই অপেক্ষাকৃত নুতন একটি টেকনোলজি ব্যাবহার করা যেতে পারে যা খুব সম্ভবত আমাদের দেশে এখনো যায়নি। এটাকে বলা হয় রাম্বল ষ্ট্রীপ যা আমেরিকা কানাডায় হরদম দেখা যায় রাস্তার পাশে। এতে রাস্তাকে ঘন ঘন চাপ দিয়ে গ্রুভ তৈরী করা হয় (চিন্তা করতে পারেন যে যুদ্ধের ট্যাংক রাস্তায় চেপে চেপে তার ছাপ রেখে গেছে)। মজা হল যে আপনি অসতর্ক অবস্থায় এই গ্রুভে চাকা ছোয়ানো মাত্র বিকট শব্দ হবে, তাতে আপনার ঘুম ভেংগে যেতে বাধ্য। কিন্তু বড় ধরনের কোন ইম্প্যাক্ট হবে না। আমি নিজে এভাবে কয়েকবার বেঁচেছি, তার মধ্যে একটি হয়ে যেতে পারতো একেবারে জীবন মৃত্যুর খেলা। যদিও জানি না এই পদ্ধুতির সম্ভাব্যতা আমাদের দেশে কতটা। ম্যাটেরিয়ালস বা তেমন কোন হাইটেক নেই, কেবল রাস্তা চাপ দেওয়া দিয়ে কথা। সে মেশিন যোগাড় করা গেলেই মনে হয় সম্ভব। এই গ্রুভ আমেরিকা কানাডায় সাধারন হাইওয়ের পাশে দেওয়া হয়, তবে মিডিয়ান হিসেবেও সফলভাবে ব্যাবহার করা যায়।



ছবি-৬; রাস্তার মাঝখানে দুই বিপরীত দিকের মাঝে রাম্বল ষ্ট্রীপ।


মূল বিপত্তি হল ওভারটেকিং করায়। আরেকটি করে লেন যোগ করা মনে হয় না সম্ভব। তবে অন্তত কিছুদুর পর পর অন্তত সিকি মাইল ব্যাপী একটি করে পাসিং লেন যোগ করা যায়, এটাও হবে বেশ ব্যায়বহুল; কিন্তু কার্যকরি। রাস্তায় ভারী গাড়ির পেছনে পড়লে মানুষ ওভারটেক করবেই, কিছু সময় পর বিরক্তি চরমে উঠলে ঝুকি নিয়ে হলেও করে। আসলে আমাদের এ জাতীয় হাইওয়ে গুলিতে যে অবিশ্বাস্য পরিমানে যানবাহন চলাচল করে এবং ট্রাফিক আইন ও সেফটির ব্যাপারে মানুষ যেমন উদাসীন তাতে দূর্ঘটনা না ঘটাই অস্বাভাবিক। এই পরিমানে ট্রাফিক চলাচল করলে নুতন লেন দেওয়া ছাড়া আর করার মাত্র একটিই উপায় থাকে, সেটা হল গতিসীমা আরো কমিয়ে দেওয়া। শুধু কমিয়ে দিলে তো হল না, তা মানা হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।

রোড সাইন ও রাস্তার মার্কিং সম্পর্কে আমাদের ধারনা খুব কম বলে আলোচিত ঘটনার সাথে সম্পর্কিত কিছু সাইন ও মার্ক নীচে দেখালামঃ


সামনেই রাস্তা বাঁক নিচ্ছে, বাঁক বেশী হলে তখন সাথে কঠিন বাঁক জাতীয় শব্দও থাকবে।


রাস্তার এই অংশে কোন ভাবেই ওভারটেকিং করা যাবে না।


ওভারটেকিং নিষিদ্ধ (ছবি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে)।


সীমিত দৃষ্টিসীমা (যেমন ৫নং ছবি)


a rel="lightbox[group1][]" href="http://www.amarblog.com/sites/default/files/%20images/ca-121_nb_carneros_hwy_06.jpg">
রাস্তার দুই দিকের ট্রাফিকের জন্যই ওভারটেকিং এই অংশে অনুমোদিত।


দুই দিকের ট্রাফিকের জন্যই এই অংশে ওভারটেকিং সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।


শুধুমাত্র একদিকের জন্য ওভারটেকিং অনুমোদিত (যেদিকের দাগ ভাংগা)। এক্ষেত্রে যে গাড়ি দুটিকে দেখা যাচ্ছে তারা ওভারটেক করতে পারে।


কিছু মৌলিক সেফটি গাইড সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করবেন যারা গাড়িতে চলাচল করেনঃ

- রাস্তার সাইন ও ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যন্ত মৌলিক ব্যাপার। গতিসীমার ওপরে চালাবেন না।
-
- সিট বেল্ট অতি অবশ্যই পরবেন, আইনে থাক বা না থাক। আমার মতে সরকারের উচিত এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করা, সিট বেল্ট ছাড়া গাড়ি রেজিঃ করতে না দেওয়া, রাস্তায় কেউ বেল্ট পরেনি দেখলে ততক্ষনাত জরিমানা করা।

- ড্রাইভারকে হতে হবে সদা সজাগ। ক্লান্ত দেহে ড্রাইভ করবেন না। একান্তই করতে হলে কিছুক্ষন পর পর চা কফি বা কোক জাতীয় ক্যাফিন সমৃদ্ধ পানীয় পান করুন। সহযাত্রীদেরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব থাকে তাকে সজাগ থাকতে সাহায্য করার। কথা বলে যাওয়া তার একটি উপায়।

- বৃষ্টির দিনে বা রাতে ধীরে চালান, সময়ের দাম জীবনের চাইতে বেশী নয়। বৃষ্টির দিনে হেডলাইট জ্বালিয়ে চালাবেন।

- গাড়ি পুরো কার্যক্ষম কিনা নিশ্চিত হবেন। ওয়াইপার ঠিকমত কাজ করে কিনা, ওয়াইপারের ফ্লুইড ভরা কিনা দেখে নেবেন। চাকার গ্রুভ কিনা পরীক্ষা করবেন, পুরনো খয়ে যাওয়া চাকা সহজে স্কিড করে, ব্রেক করলে থামতে দূরত্ব বেশী লাগে।

- ভারী গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকবেন।

- ভদ্রতাও ড্রাইভিং জগতে খুব গুরুত্বপূর্ন; রাস্তায় কখনো মাথা গরম করবেন না। অপরের সাথে রেসিং, সাইড না দেওয়া এসব প্রবনতা থেকে দূরে থাকুন।

- রিয়ার ভিউ মিররে পেছনের অবস্থা ঘন ঘন এক পলক করে দেখে নেবেন।

- গাড়ি চালাবার সময় সেলফোন ব্যাবহার বন্ধ রাখুন। দরকার হলে গাড়ি নিরাপদ যায়গায় থামিয়ে কথা বলুন।

- যে কোন ধরনের পরিবর্তন; যেমন লেন বদল, ওভারটেক, রাস্তার পাশে গতি কমিয়ে পার্ক করা এসবের জন্য আগ থেকে সিগন্যাল দিন। এতে অন্য গাড়ি সতর্ক হতে পারবে। এটাও খুব গুরুত্বপূর্ন।

- হাইওয়েতে একান্ত দরকার না পড়লে রাস্তার পাশে পার্ক করবেন না। করতে হলে চওড়া অংশ দেখে পার্ক করবেন (রাস্তার কিছু অংশে ট্র্যাভেল লেনের পর শোল্ডার থাকে), লেন থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকবেন, এবং অবশ্যই সিগনাল ও বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন।


বলাই বাহুল্য যে দূর্ঘটনা অপরের কারনেও ঘটতে পারে, এজন্য কাছাকাছি থাকা অন্য গাড়ির ড্রাইভারদের লক্ষ্য রাখা নিরাপদ, তারা কেমন আচরন করতে পারে তা অভিজ্ঞতা দিয়ে অগ্রীম আঁচ করার চেষ্টা করতে পারেন।

অতি মৌলিক কিছু তথ্য দিলাম, জানি না কতটুকু কাজে লাগবে। মূল কথা হল ভাল ও নিরাপদ ডিজাইন, সতর্ক ও আইন মেনে ড্রাইভিং।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমতকার পোসট

গঠনযোগ্য আলোচনা এবং সারমর্ম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) , আপনার থেকে সিরিয়াস কমেন্ট বা প্রসংশা আদায় খুব সোজা কথা না। সেটা যখন হয়েছে তখন মনে হয় আসলেই লেখাটায় ভাল কিছু পাওয়া যাবে।

ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার তো কিপ্টা কিসিমের তাই সহজে কাওরে ভাল কয় না।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক সময় দিয়ে লিখেছেন পড়ে তা বুঝাগেল।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-) একদমই না। আসলে লেখায় মনে হয় না ১ ঘন্টার বেশী দিয়েছি বলে। এইসব জিনিস ঘাটাঘাটি করেই জীবন যায়। সোজা ছবি খুঁজতে এবং জুড়তেই সময় লেগেছে বরং কিছুটা বেশী। নুতন ব্লগের অনেক কিছুই শেখার বাকি আছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পরামর্শ। আশা করি যারা গাড়ী চালান তারা এগুলো মনে রাখবেন এবং মেনে চলার চেষ্টা করবেন।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার বিশ্লেষনধর্মী পোস্ট। আচ্ছা আপনের প্রফেশন কি এই বিষয়েই ?

আরেকটা বিষয় হলো বাংলাদেশে ইদানিং কোন যানবাহনেই হেডলাইট নামানো থাকে না,তা সে যতই ব্যাস্ত রাস্তা হোক,তথাকথিত ডিভাইডারেও বিপরীত থেকে আসা গাড়ীর আলোর বন্যায় সব কিছু অন্ধকার হয়ে যায়।অখন স্কাঊট করতাম তখন আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ি থামিয়ে উপরের অংশ কালো রঙ করে দিতাম। এখন সে রেওয়াজ ওঠে গেছে। Sad

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, আমার জীবিকা এই লাইনেই, রাস্তাঘাটের ডিজাইন করা।

হেডলাইট আমাদের দেশে পাকিস্তান আমলে শুনেছি খুব কড়া করে আধা কালো করা হত। পরে আর কেউ মানে না। এটা রাতের বেলা আসলেই খুব সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে অনেকের কু-অভ্যাস আছে হাই-বিম দিয়ে চালাবার যাতে বেশী আলো পাওয়া যায়। এটা বিপরীত দিকের গাড়ির জন্য খুবই সমস্যা করতে পারে।

বিদেশে হেড লাইট কালো করা হয় না। শহরের মধ্যে এর জন্য মিডিয়ান ওয়াল উঁচু করে দেওয়া হয়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিরাপদ চলাচল ও ড্রাইভিং এর ক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরেছেন।
মূল্যবান পোস্ট।

******************************
আজ বড়ই গর্বের সাথে উদাত্ত কন্ঠে বলতে চাই...............
বিএনপি শুধু পতিতদেরই দল নয়, পতিতাদের দলও বটে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই সুন্দর একটি পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম, শেয়ার করলাম ফেসবুকে। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গ্রেট জব। দূর্ঘটনার সাথে সাথে আমার ইমিডি্যেট প্রতিক্রি্যা হয়েছিলো আবার মুখোমুখী সংঘর্ষ!!

আমেরিকাতেও আনডিভাইডেড রাস্তায় গাড়ী চালাতে বুক কাপে। থ্যাংফুলি এসব রাস্তার পরিমান স্বল্প এবং খুব বেশী ব্যবহারের দরকার পড়েনা। আমার মনে হয় না মুখোমুখী সংঘর্ষ আ্যক্সিডেন্ট স্ট্যাটিসটিকসের একটা বড়ো অংশ। কিছু তথ্য দিতে পারেন কি?

এতো বছর পরও ঢাকা-আরিচা-চট্রগ্রাম-উত্তরবংগ এসব ভাইটাল পথগুলো মাল্টপল লেন ডিভাইডেড পথ না হওয়া আমাদের সরকারদেরই দায়। আমার
কিন্তু মনে হয় না ড্রাইভারর দক্ষতার দোষ খুব বড়ো একটা ফ্যাক্টর। আমার তো মনে হয়, বাংলাদেশের গড়পড়তা অশিক্ষিত ড্রাইভার, আমেরিকার (টিনেজার-ড্রাংক-বুড়োবুড়ি ভর্তি)গড় ড্রাইভারের চেয়ে ভালো চালায়। পারথক্যটা হলো রোডওয়ে সিস্টেম এবং নিয়ম মেনে চালানোর প্রবনতা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল ইনপুট। শেষ পয়েন্টটা আসলেই খুব সত্য। যতই ড্রাইভারদের দোষ দেই না কেন, মানতে হবে যে চালক হিসেবে তাদের দক্ষতা ঈর্ষনীয়। সমস্যা আসলেই আইন না মানার প্রবনতা, চালানোর দক্ষতা সমস্যা না। আইন না মানা আসলে শুধু তাদের দোষ না, কালচারাল সমস্যা বলা যায়।

ড; জাফর ইকবাল একবার বলেছিলেন যে বিদেশে ট্রাফিক আইন মানা দেখে বোঝা যায় যে সাধারন মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। উল্টাটাও খাটে। কোথায়ই আইন না মানলে শুধু রাস্তায় মানবে এমন আশা করা কঠিন।

আমারো আমেরিকা/কানাডায় রুরাল আন ডিভাইডেড রোডে অস্বস্থি লাগে। নেহায়েত দরকার না পড়লে ওভারটেক করি না।

রুরাল ২ লেন রোডে আমেরিকায় এক্সিডেন্টের হার কিন্তু অত্যন্ত বেশী, মোট ফেটাল এক্সিডেন্টের ৫৪%। এর ২০% হল মুখোমুখি সংঘর্ষ = বছরে ৪,৫০০ প্রানহানী।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোস্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সময়োপযোগী ও গুরত্বপূর্ন পোষ্ট। লেখককে ধন্যবাদ।

****************************


ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। অল্প কথায় অনেক বুঝিয়েছেন। আমি পোষ্ট দিবো দিবো করে সময় করে উঠতে পারি নাই। আমার কষ্ট করে পোষ্ট লেখা থেকে মুক্তি দিলেন। আমাদের দেশে এই লেন লাইনার বিষয়টা ৮০% চালক বুঝে না। আমাদের দেশের পথচারীরা রাস্তায় কোন পাশ দিয়ে হাটবেন সেটাই জানে না। সবার আগে আমাদের দেশের গাড়ী চালকদের পর্যাপ্ত সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষন একান্ত প্রয়োজন। ট্রাফিক সাইনগুলো সম্পর্কে ৭৫% চালকদের ধারণা নেই। রোড সাইনও বুঝেনা আমাদের চালকেরা। এতসব সীমাবদ্ধতার মধ্যে যে দূর্ঘটনা সংঘটিত হয় তুলনামূলক সেটা কমই মনে হয়। আমাদের দেশের পারিপার্শ্বিকতায় আরো বেশী দূর্ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা বেশী হওয়ার কথা। যাই হোক চালকসহ আমাদের সকলকে আরো সচেতন হতে হবে, এটাই মোদ্দা কথা।

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পথচারী বিষয়ক পোষ্ট দেখেই সিদ্ধান্ত নেই, যদিও চিন্তা এসেছিল আগেই।

- আসলেই আমাদের দেশের বেশীরভাগ লোকেই সাইনিং এবং মার্কিং এর গুরুত্ব সম্পর্কে একেবারেই বলতে গেলে কিছু জানে না। হয়ত অনেকে ভাবে সৌন্দর্য বর্ধক। এর গুরুত্ব অপরিসীম। আলোচ্য ঘটনায় সাইনিং এর অভাব একটা বড় ফ্যাক্টর (যদিও মূল কারন না) মনে হচ্ছে।

ড্রাইভার ট্রেনিং এবং আপডেট খুবই দরকারী।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্লাস
নিজে ড্রাইভ না করলে ড্রাইভারের ড্রাইভের দিকে নজর রাখেন।

গাড়ীতে পিছনের সীটে বসার সুযোগ থাকলে পিছনে বসেন।

গাড়ী চলা কালিন সময়ে অল্প কথা বলেন, সেল ফোনে কথা কম বলেন - ড্রাইবারের মনোযোগ যেন গাড়ী চালানো থেকে অন্য দিকে না যে তে পারে লক্ষ্য রাখেন।

বৃষ্টির দিনে হেড লাইট জ্বালিয়ে রাখা দরকার। আমাদের দেশে যতক্ষন সামান্য দেখা যায় ততক্ষন কেউ হেড লাইট জ্বালায় না -

যাই হোক - আমার মনে হয় সবচেয়ে বেশি যা দরকার ড্রাইভারদের প্রতি বছর সেইফটি ক্লাস করানো। নিউইর্য়কে প্রফেশনাল ড্রাইবারদের প্রতি ২ বছর পর পর সেইফটি কোর্স বাধ্যতামুলক। আমাদের দেশে এটা প্রতি বছর বাধ্যতামুলক করা জরুরি।

সেইফটি কোর্স থাকলে প্রতি ইয়ারে সঠিক নিয়মে লাইসেন্স প্রাপ্ত ড্রাইবারেরা কোর্সটি করবে। অন্যদেকে ভুয়া লাইসেন্স ধারিরা কোর্সের করতে পারবে না। এতে করে রাস্তায় ভুয়া লাইসেন্স ধরাও সুবিদা হবে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, বৃষ্টির দিনে হেড লাইট জ্বালিয়ে চালানো ভাল পরামর্শ। বেশী বৃষ্টি হলে থেমে অপেক্ষা করাই শ্রেয়।

নিউইয়র্কের আইন জানতাম না তো। তবে আমার ক্ষমতা থাকলে আরো কড়া কিছু আইন করতাম আপনাদের জন্য smile :) :-)

আমাদের দেশে প্রচলিত আইন যা আছে তার ওপরেও পরীক্ষা নেওয়া হলে আমি নিশ্চিত যে অর্ধেকের বেশী লিগ্যাল ড্রাইভারই লাইসেন্স হারাবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিউইয়র্কের আইন জানতাম না তো।

সবার জন্য না - কেবল প্রফেশনাল ড্রাইভারদের জন্য। অথবা ১৩ পয়েন্টের মধ্যে ৭/৮ পয়েন্ট হারালে এই কোর্স করে কিছু পয়েন্ট ফিরিয়ে আনা যায়।
তবে আমার ক্ষমতা থাকলে আরো কড়া কিছু আইন করতাম আপনাদের জন্য
নিউইয়র্ক একটি ব্যাস্ত শহর এখানে সব কিছুই অনেক দ্রুত চলে। অপেক্ষকৃত কম ব্যাস্ত নগরীর মানুষেরা মনে করে এখানকার ড্রাইবারেরা রেকলেস গাড়ী চালায়। কিন্তু তুলনা মুলক ভাবে এখানে কম দুর্ঘঠনা ঘঠে থাকে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন!! ধন্যবাদ

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখায় পঞ্চতারকা।

আমাদের দেশে ঢাকা- চট্টগ্রাম হাইওয়েকে ৪ লেনে কনভার্ট করার কাজ শুরু হয়েছিলো। মাঝপথে কয়েকবছর বন্ধ হয়ে আবার কিছুদিন আগে শুরু হয়েছে।

২০০৭ এর দিকে ঢাকা-মেঘনাসেতু-মেঘনা-গোমতি সেতু(কুমিল্লার দাউদকান্দি) পর্যন্ত ৪ লেন করা শেষের পর থেকে অতটুকু রাস্তায় অ্যাক্সিডেন্ট প্রায় নেই বললেই চলে। ঢাকা চিটাগাং রোডে এখন অ্যাকসিডেন্ট হয় দাউদকান্দি সেতুর পর থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত। ঢাকা থেকে কোন বাস ছেড়ে গেলে প্রায় ৪০-৫০ মিনিটেই মেঘনা-গোমতি সেতু পর্যন্ত যেতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট লাগে(৫০ কিলোমিটার; জ্যাম কম থাকলে)।

কিন্তু তারপরই শুরু হয় আসল পরীক্ষা। একের পর এক কাভার্ডভ্যানকে ওভারটেইক করতে গিয়ে একেরপর এক রিস্কি ম্যানুভার। দাউদকান্দির পর থেকে আমি সিটে শক্ত হয়ে বসে দেখতে থাকি কখন বাস খুব রিস্কি অবস্থায় চলে যায়। রিস্ক দেখা মাত্রই ব্রেইস পজিশনে চলে যাই। ইম্প্যাক্ট হলে যেনো বেঁচে থাকতে পারি।

আর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: বাংলাদেশে(বা যেকোন রাইট হ্যান্ড ড্রাইভ কান্ট্রিতে) বাসে সিট সিলেক্ট করতে হলে মাঝামাঝি-পেছনদিকে এবং বামপাশে সিলেক্ট করলে হেড অন কলিশনে সারভাইভ করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

আবার বেশি পেছনে থাকলে রিয়ার ইম্প্যাক্টে অবস্থা খারাপ হয়ে যেতে পারে। আর বাংলাদেশে রাস্তার পাশের গাছে বা পোলে গাড়ি ক্রাশ করার রেইট হেড অন কলিশনের চেয়ে কম। সো বামদিকে আর মাঝামাঝিই বেস্ট অপশন মনে হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এবিসি১০ ,

আপনার তথ্যগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ন। আমি আসলেই আমাদের দেশের মত রাইট হ্যান্ড সিষ্টেমের কথা মাথায় তেমন আনিনি। আমার সেফটি টিপগুলি সবই ড্রাইভারদের জন্য, কিন্তু আমাদের দেশে মনে হয় তার চেয়ে বেশী যাত্রী হলেন বাসের সাধারন যাত্রী। তাদের জন্য তেমন কিছু চিন্তা করতে পারিনি।

বাসের সামনের দিকে বসলে ঝাকুনি কম লাগে, তবে আমি বেশ কটা ক্ষেত্রে দেখেছি যে বিশেষ করে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে সামনের কাঁচ ভেঙ্গে ছিটকে যাত্রী রাস্তায় পড়ে অন্য গাড়ির তলায় চাপা পড়েছে। দিক নির্ধারনের বুদ্ধি ভাল, তবে বাস পুরো ভরে গেলে কাউকে না কাউকে তো অন্যদিকে বসতেই হবে।

ঢাকা চিটাগাং রোডে ৪ ফেরীর যুগ থেকে চলাচল করেছি। ৪ লেন করার তথ্য জানা ছিল না। ধন্যবাদ। আশা করি আরিচাসহ সব সড়কও করা হবে। চৌদ্দগ্রাম এলাকা সব সময়ই বেশী দূর্ঘটনা প্রবন ছিল। সে তূলনায় চট্টগ্রাম অংশ নিরাপদ ছিল আগে। তবে আরিচা সড়ক দূর্ঘটনার জন্য বেশী কুখ্যাত।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমতকার পোস্ট আদিল ভাই। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বেশ কিছু পয়েন্ট যোগ করে একটা বড় মন্তব্য লিখেছিলাম, অসাবধানতায় হারিয়ে ফেলেছি Sad । দেখি পরে আবার লিখবো।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটাও দূর্ঘটনা হিসেবেই ধরে নেন, ব্লগীয় দূর্ঘটনা।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল পোষ্ট!! আমাদের দেশে ডিভাইডেড হাইওয়ে থাকলে অনেক প্রান বেঁচে যেতো!!

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে পরীক্ষা লাগে না ড্রাইভারদের।
৩০০০/- = মোটর সাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স
৫০০০/- =অপেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্স
১০০০০/-= ভাড়ি ড্রাইভিং লাইসেন্স

উল্লেখ্য যে আমি কোন ভাড়ি ড্রাইভিং এর জন্য কাউকে পরীক্ষা দিতে দেখি নি। কিন্তু লাইসেন্স বাসায় এসে যায়।

সুতরাং উপরের পরামর্শ কাকে দিবেন ?



/

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জানি...আমার বড় ভাই খুব ভাল ড্রাইভার। সে ক্লাস এইটে পড়া অবস্থায় লাইসেন্স পেয়েছিল। সম্পূর্ন আইনী উপায়ে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা হা হা হা হা হো হো হো হো

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সে ক্লাস এইটে পড়া অবস্থায় দেখছি ঢাকা-চিটাগাং রোডে ৮০ মাইলে (কিলো) চালাইছেঃ)। অনেক আগের কথা অবশ্য, ৮১ সাল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ বেলের কাঁটা, সহমত


~***********************~

যার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় তার সাথে পিরিতের কথা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই মন্তব্য মুখোমুখি সংঘর্ষের না। রিয়ার এন্ড কলিশনের জন্য।

পুরো পৃথিবীতে রি বার/রড পরিবহণ করা হয় এই রকম সেমাই ট্রেইলার দিয়ে।

অথচ আমাদের দেশে ৯৫% ক্ষেত্রে সাধারণ "সমগ্র বাংলাদেশ পাঁচ টন" ট্রাকের পেছনের কনটেইনমেন্ট ব্যারিয়ার খোলা রেখে রি বার ট্রান্সপোর্ট করা হয়। বারের সূঁচালো প্রান্তগুলো বেরিয়ে থাকে বিপজ্জনকভাবে।

রিয়ার এন্ড কলিশনে যদি কোন বাস ইনভল্ভড থাকে, যাত্রিরা গেঁথে যায় ঐ রি বারগুলোতে। ভয়াবহ দৃশ্য সেটা। ভয়াবহ মৃত্যু। এ পর্যন্ত এমন অনেক হয়েছে। কিন্তু কোন রেগুলেশন নেই মনে হয় আমাদের দেশে।

শুধু রি বার না, বাঁশও এমনকরে ট্রান্সপোর্ট করা হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বীনা আরোও উন্নয়ন হয়েছে,করিমন নছিমনে রড পরিবহন হয়

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশের এমন শনৈ: শনৈ: উন্নতি দেখে আমি বাকরুদ্ধ। Stare


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রিয়ার এন্ড কলিশন ভিন্ন ধরনের। তবে আপনি যা বললেন তা ঠিক, আমাদের দেশে এই ভয়াবহতা জানা ছিল না। অন্তত লাল পতাকা ঝুলিয়ে দিতে পারে পেছনে।

আমাদের রাস্তায় মনে হয় না সেমি-ট্রেলার চলবে। মোড় নিতে পারবে না বেশীরভাগ যায়গায়।

বিদেশে রিয়ার এন্ড সাধারনত বেশী হয় ইন্টারসেকশন গুলিতে। হাইওয়েতে তূলনামূলক ভাবে কম।

ছবিটা কিভাবে কমেন্টে দিলেন? আমি এখনো জানি না কিভাবে নুতন সাইটে কমেন্টে ছবি যোগ করে। দেখি শুধু ছবির লিংক, যাতে মনে হয় আগে আপলোড করা ছবির লিঙ্ক (কোন অয়েব এলবামের লিঙ্ক) দেওয়া যায়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

imgur.com এ আপলোড করে ছবির লিঙ্ক পেইস্ট করতে পারেন। সরাসরি আপলোডের কোন সিস্টেম আপাতত নেই মনে হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হমম, ধন্যবাদ। চেষ্টা করব imgur.com

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোস্ট । অনেক কিছু জানলাম ।
আমরা বাংলাদেশে যারা গাড়িতে চড়ি , যারা গাড়ি চালান , যারা রাস্থায়
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করেন এবং যারা ট্রাফিক আইন প্রনয়ন করেন তাদের
কারোরই মিনিমাম ট্রাফিক সেন্স নেই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলেই তাই; কাকে ফেলে কাকে দোষাবো?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক অনেক ধন্যবাদ। গাড়ি চালানোর সময় অবশ্যই সেল ফোনে কথা বলা থেকে বিরত থাকা উচিত।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
স্বপ্নগুলো এলোমেলো...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, সেলফোন পয়েন্টটাও গুরুত্বপূর্ন, পরে যোগ করে দেব।

আর দেশ ভিত্তিক আরো কিছু বুদ্ধি কেউ দিলে বলতে পারেন। আমার দেশ স্পেসিফিক তেমন ধারনা নেই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই দরকারি পোস্ট। আসলে ২৫০ কিঃমিঃ যেতে আপনাকে কয়বার ওভারটেক করতে হবে, তার কোন স্টান্ডার্ড সংখ্যা বা পরিসংখ্যান আছে কি?

আমার ধারনা ঢাকা-চিটাগং মহাসড়কে এখন প্রতি কিঃমিঃএ গড়ে ২ থেকে ৪ বার ওভার টেক করতে হবে। অর্থাত ৫০০ থেকে ১০০০ বার। আমাদের ড্রাইভাররা এই দানবিয় কাজটা সব সময়ই করে চলেছেন।

আমরা এই অমানবিক বোঝা চাপিয়ে দিয়েছি তাদের উপরে। ব্যাপারটা আলোচনায় আসে যখন কোন হেভি ওয়েটকে আমরা হাড়াই। তারপরে ভুলে যাই। কিন্তু আর হয়তু ভুলে থাকা যাবে না। সাবেক মন্ত্রি সাইফুর রহমানের পরে আমরা হারালাম দুই নক্ষত্রকে। এখন থেকেই সজাগ না হলে সামনে প্রতি তিন মাসে আমাদের ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য এমন নক্ষত্রের পতন চলতে থাকবে।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নাহ, তেমন কোন ধরাবাধা পরিসংখ্যান নেই। কারন এটা অনেকটা নির্ভর করে সেই রাস্তা কতটা ব্যাস্ত; মানে কি পরিমান যান চলাচল করে তার ওপরে। কম ব্যাস্ত হলে আপনি আর কেন ওভারটেক করতে যাবেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর হল কত % ভারী যানবাহন সেটা।

যদি ৯৫% হালকা মোটর গাড়ি হয় তবে ওভারটেক প্রবনতা কম হবে। যদি ২০% বাস ট্রাক হয় তবে এই প্রবনতা অনেক অনেক বেড়ে যাবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের দেশের ফ্রী ওয়ে/হাই ওয়ে গুলি ডিভাইডেড হাইওয়ে ( ছবি-২ ) হলে অনেক ভালো হতো । কারন ডিভাইডেড হাইওয়েতে বিপরীত দিকের ট্রাফিক নিয়ে চিন্তা না করলেও চলে , টেনশন ফ্রী ড্রাইভ করা যায় । এতে করে দূর্ঘটনা অনেক কম ঘটে । কিন্তু মাল আবুলদের গলায় ঘণ্টা বাধঁবে কে ? শুরু থেকেই প্লান করে কাজটা করলে চলতো , কিন্তু এখন তো চুরি করে খাল বানায় দিবে । যদিও " শুরু থেকেই প্লান করে কাজ " হবে এই জিনিসটা আশা করাই বোকামি ।

ড্রাইভারের সাথে সাথে সামনের সিটের আরোহীর জন্যও অবশ্যই সবসময় সীট বেল্ট পরা আইন করে বাধ্যতামুলক করা উচিত । কারন দূর্ঘটনার সময় সামনের সিটের আরোহীকেও ড্রাইভারের মত সমান ঝুঁকিতে পরতে হয় । এবং কমপক্ষে ১৬ বছরের নীচের কাওকে সামনের সিটে বসতে না দেয়াও বাধ্যতামুলক করা উচিত ।

Poor people gets bored too


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফান্ড নেই দেখে মনে হয় হচ্ছে না। তবে ভারত পাকিস্তানে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং আরো কিছু সংস্থা এ জন্য ফান্ড দিয়েছিল।

ডিভাইডেড করা গেলে আসলেই অনেক কমানো যাবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে এবং মাসকাবারির জন্য ( যদি করা হয় ) প্রস্তাব করলাম।

সড়ক ব্যবস্থার সংস্কার এবং আইন মেনে চলার প্রবনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।সেই সাথে আইন মেনে চলতে বাধ্য করাটাও জরুরি।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা আপনি রোড কনস্ট্রাকশন লাইনে অভিজ্ঞ, তাই একটা কোয়েশ্চান করি। আমাদের দু'লেইনের হাইওয়েগুলো সাধারণত এরকম(এটা মনে হয় ইস্ট এশিয়ার কোন রাস্তা):


দেখতে পাচ্ছেন, প্রতি লেইনের পাশে কিছুটা স্পেইস রাখা হয়। আমাদের দেশে প্রায়ই ৩ ফুট রাখা হয়। লেইন শেষে ঐ তিনফুট রাস্তা মেইন রোডের লেভেল থেকে সাধারণত ৪-৫ ইঞ্চি নীচু হয়। এটা কিন্তু কোন মোড়ে না; পুরো হাইওয়েতেই থাকে।

৭০-৮০ কিমি/ঘণ্টা কোন গাড়ি যদি হঠাৎ ঐ ৪-৫ ইঞ্চি নিচু পার্টে হিট করে, তাহলে কি ড্রাইভারের কন্ট্রোল হারাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় না? যদি বেড়ে যায়, তাহলে এমন ডিজাইনের হেতু কী হতে পারে বলে মনে করেন? বৃষ্টিতে তো ট্র্যাকশন এমনিতেই কমে যায়, তখন এই কয়েকইঞ্চি নিচু অঞ্চল কি ভয়ংকর হয়ে ওঠে না?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এবিসি১০,

আপনার দেওয়া ছবিটা মনে হয় ডিভাইডেড হাইওয়ের। যাইই হোক, প্রশ্নে তার ভূমিকা নেই।

ছবিটা কোথা পেলেন জানি না, তবে তথ্যে বা আপনার বোঝায় ভুল আছে।

যেই নীচে পার্টের কথা বলছেন সেটাকে বলা হয় শোল্ডার; এটা অনেকটা অতিরিক্ত অংশ যা পাস করার সময়, বা জরুরী কাজের জন্য গাড়ি থামালে ব্যাবহার হয়।

এখন কিছু ভেতরের কথা বলতে হবে। যে কোন রাস্তা একদম সোজা হলেও তাতে ড্রেইনেজের জন্য মাঝ থেকে দুই পাশে ঢাল বা স্লোপ দিতে হয়। একদম সোজা রাস্তায় এটা ২% (মানে প্রতি ১০০ ফুট পাশে রাস্তা নামবে মোটে ২ ফুট)। একে বলে নরমাল ক্রাউন। বুঝতেই পারছেন যে নামার হার তেমন বেশী নয়। তবে লেইন বেশী হলে ৩% বা তার বেশী একদিকে তখন হাত ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। নয়ত রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমে থাকবে।

শোল্ডারও ২/৩% এর বেশী নামবে না। সে হিসেবে মাত্র ৩ ফুট শোল্ডারের জন্য এই পতন হবে এক ইঞ্চির আশে পাশে। এটা কোন ব্যাপারই নয়।

তবে রাস্তায় যদি বাঁক থাকবে তবে এই পতনের হার বাড়তে থাকে, ৬% পর্যন্ত হতে পারে। এই ছবিতে সে পরিমান বাঁক নেই। একে বলে সুপার এলিভেশন।

খুব সম্ভব বোঝানো হচ্ছে রাস্তার থেকে মাটির লেভেল কত নীচে সেটা।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের রাস্তার ছবি পাইনি। সেজন্যেই গুগোল থেকে একটা ছবি নিয়ে আঁকিবুকি করে বোঝাতে চেয়েছি।

আমি সম্ভবত বোঝাতে পারিনি আমার প্রশ্নটা।

আর আমি ক্রাউন বা রাস্তার স্লোপের বা ব্যাংকিংয়ের কথা বলছি না। প্রথমে আপনি যা বললেন বললেন "শোল্ডার"- সেটার কথাই বলছি। বাংলাদেশের ঢাকা চিটাগাং হাইওয়েতে শোল্ডার প্রায় ৩ ফুট চওড়া(প্রতিপাশে) এবং রাস্তার লেইনের শেষ প্রান্ত থেকে হঠাৎ ৪-৫ ইঞ্চি নিচে। বাংলাদেশের হাইওয়ের শোল্ডার কিন্তু একটা সার্টেইন রেইটে স্লোপড না, হঠাৎ করে লেইনের শেষ থেকে ৫-৬ ইঞ্চির প্রস্থের মধ্যে ৪-৫ ইঞ্চি নিচে নেমে বাকি প্রায় ৩০ ইঞ্চি নরমাল রেইটে স্লোপড। এমন শোল্ডারে হাইস্পিডের কোন গাড়ি হিট করলে কি ট্র্যাকশন লস হবে না? আর বৃষ্টির দিনে তো অবস্থা আরো খারাপ হবার কথা।

ছবিটার দুটো অ্যারো আবার দেখেন। আমি একটা ব্ল্যাক লাইন টেনে আমাদের দেশের হাইওয়ের শোল্ডার বোঝাতে চেয়েছিলাম।

ছবিটা বড় করে দেখতে হলে http://i.imgur.com/qvonp.png


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন মনে হয় কিছুটা বুঝতে পারছি। আমার আসলে আমাদের দেশের রোডের ওপর তেমন প্র্যাক্টিক্যাল ধারনা নেই। তবে দূর্ঘটনায় মনে হয় না খুব বেশী ভূমিকা রাখবে। একদিকের দুই চাকা ৪/৫ ইঞ্চি নামা এমন কিছু ব্যাপার না। খুব সম্ভবত রাস্তা থেকে বের হওয়া গাড়ির চালককে সতর্ক করতে এমন করা হয়, যা আমাদের এখানে রাম্বল ষ্ট্রীপ দিয়ে করে। এটা পতন না হয়ে ওপরের দিকে উঠলে কিছুটা খারাপ হতে পারতো। কিছু যায়গায় শোল্ডারের শেষ দিকে ইঞ্চি ছয়েক রাউন্ডিং করা হয় (মানে বৃত্তাকারে মাটির সাথে মেলানো হয়)।

তবে রাস্তার ট্র্যাভেল লেন থেকে একই ক্রশ স্লোপে বা সামান্য বেশী স্লোপে সুষম ভাবেই নামানো হয়। আগে হঠাত করে ৫/৬ ইঞ্চি পতন কেন কিছুতেই বুঝতে পারছি না।

এখানে একটি অতি সাধারন সেকশন আছে দেখেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের দেশের ফ্রী ওয়ে/হাই ওয়ে গুলি ডিভাইডেড হাইওয়ে ( ছবি-২ ) হলে অনেক ভালো হতো । কারন ডিভাইডেড হাইওয়েতে বিপরীত দিকের ট্রাফিক নিয়ে চিন্তা না করলেও চলে , টেনশন ফ্রী ড্রাইভ করা যায় । এতে করে দূর্ঘটনা অনেক কম ঘটে । কিন্তু মাল আবুলদের গলায় ঘণ্টা বাধঁবে কে ? শুরু থেকেই প্লান করে কাজটা করলে চলতো , কিন্তু এখন তো চুরি করে খাল বানায় দিবে । যদিও " শুরু থেকেই প্লান করে কাজ " হবে এই জিনিসটা আশা করাই বোকামি ।



গালাগালি করবেন ভাল কথা,কিন্তু একটু যেনে বুঝে লিখলে ভালো হয়।ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ে ৪ লেনের কাজ চলছে, যার মাঝখানে ডিভাইডার থাকবে। ঢাকা ময়মনসিং ৪ লেনের টেন্ডার হয়ে গেছে গত জানুয়ারী মাসে। কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের দূর্নীতির কারনে একটি ভূয়া চায়নিজ কোম্পানির নামে বাংলাদেশের ইন্ট্রাকো কোং একটি টেন্ডার ফেলে ৪টি অংশের একটির কাজ বাগিয়ে নেয়।ইন্ট্রাকো নিজেও একটি অংশের কাজ পায়। এই জটিলতায় কাজটি এখনও শুরু করা যায় নি।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চুরির অভিযোগ তো দেখি আপনিই প্রমান করে দিলেন smile :) :-)

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চারবাক

না বুঝে ফাল পারেন কেন ? গালাগালি কখন করলাম ? কাকে দিলাম ?
আপনার লাগলো কোথায় ?
পুরা বাংলাদেশের কনটেক্সেটে আমি কমেন্ট করসি । আগে ঠিকমত বাংলা পরে ,বুঝে , তারপর লাফ দিয়েন ।

Poor people gets bored too


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু মাল আবুলদের গলায় ঘণ্টা বাধঁবে কে ?


আমারই বুঝার ভুল। এটা গালি নয়।

আমাদের দেশের ফ্রী ওয়ে/হাই ওয়ে গুলি ডিভাইডেড হাইওয়ে ( ছবি-২ ) হলে অনেক ভালো হতো । কারন ডিভাইডেড হাইওয়েতে বিপরীত দিকের ট্রাফিক নিয়ে চিন্তা না করলেও চলে , টেনশন ফ্রী ড্রাইভ করা যায় । এতে করে দূর্ঘটনা অনেক কম ঘটে


আপনার এই চাওয়া মতেই ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে কাজ চলছে।তারপরেও না বুঝে ফাল পাড়ার জন্য ক্ষমা চাইছি।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখা।

______________________
Do U Chase Ur Dreams?
or
Do They Chase U?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গাড়ী স্লো চলতেছে এই অভিযোগে আমরা যাত্রীরা যারা ড্রাইভারের ১৪ গুষ্ঠি উদ্ধার করি তাদের কি করণীয়? রাস্তার পাশে পার্কিং? সরকারী জায়গায় পার্কিং করবো কার কি সমস্যা?

আপনার পোস্ট খুব ভালো লাগছে, আমাদের যেকোন দাবী-দাওয়া বা আন্দোলন হওয়া উচিত এধরণের সুনির্দিষ্ঠ কিছু পরিবর্তনের জন্য। যাহোক, কিন্তু তেমন বিশেষ কিছু এবারো হবে বলে মনে হয়না। সামনে ঈদ এবং ঈদের পরে দুনিয়া কাঁপানো আর্জেন্টাইন মেসি আসছে বাংলাদেশে, মেসি-জ্বরে ভূগবে বাঙ্গালীর বিবেক। আপাতত কোন আশা দেখছি না। নৈরাশ্যবাদী চিন্তার জন্য দুঃখিত।

মীরসরাইয়ের ঘটনার পর একটা ব্লগ লিখিয়া "বিবেকের খাউজানি" কমাইছিলাম এবং কয়েকটা কথাও সেখানে যোগ করছিলাম। আপনার লেখার সাথে কিছুটা প্রাসংগিক মনে হলে বিধায় নীচে উল্ল্যেখ করছি--

৩। ভবিষ্যতে এহেন দূর্ঘটনা এড়াতে বাস-ট্রাকের বডি থাপরাইতে থাপরাইতে ড্রাইভার হওয়ার বাস্তবতাকে বন্ধ করবার দাবী করতে পারতাম; কঠোর একটি দাবী করতে পারতাম এ বিষয়টিতে


কিন্তু আমরা সব ভুলে গিয়ে আমাদের প্রাপ্তির আনন্দে মেতে উঠি, আমরা ওদের পরিবারের স্বপ্নভঙ্গের কথা বেমালুম ভুলে যাই, আমরা রাষ্ট্রের কাছে ওদের পরিবার বা এহেন দূর্ঘটনা এড়াতে আমাদের ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে কোন দাবী করিনা, কোন মানববন্ধনও করিনা।


পোস্টের জন্য আবারো ধন্যবাদ, ফেসবুকে শেয়ার দিলাম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক‌থা খুবই সত্য।

আমরা আসলে নিজেদের নিত্য প্রয়োযনীয় ন্যায্য ইস্যু নিয়ে তেমন সোচ্চার হই না। হই নন ইস্যু নিয়ে।

খুব দূঃখের সাথে এই পোষ্টে এ সম্পর্কিত দুটি কথা বলেছি দেখতে পারেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখা।ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।

------------------------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগটারে ভালোবাসি... আসি বা না আসি,থাকি বা না থাকি... নেটে এইটাই আমার নিজের ঘরবাড়ি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এর আগের বড় মন্তব্য ব্লগীয় দূর্ঘটনায় মারা পড়েছে। আবার লিখলাম যা যা মনে আছে। দেশে গত ছুটিতে গিয়ে ও দুয়েক বার বাসে চড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে ।পারত পক্ষে বাস এড়িয়ে চলি কিন্তু সবসময় তো আর সম্ভব হয়ে ওঠেনা। আমার পয়েন্টগুলো ঠিক টেকনিকাল নয় তবে দূর্ঘটনায় কম বেশি ভূমিকা রাখে বলেই আমার মনে হয়েছেঃ

১) বাসের ড্রাইভার রা যখন কোথাও থেকে ছেড়ে যান তখন তাদের হাতে একটা নির্দিষ্ট সময়ে পৌছার লক্ষ্যমাত্রা থাকে। সেই বাস গন্তব্যে পৌছে কিছু বিরতি নিয়ে আবার ফিরতি যাত্রা করে। ব্যবসা বলে কথা। দেখা যায় বাসের ড্রাইভার রা নির্ধারিত সময়ে কখনোই বাস ছাড়েন না সিট খালি থাকার কারনে। আবার যখন যাত্রীদের চিল্লাপাল্লায় একসময় যখন ছাড়েন ও দেখা যায় রাস্তায় এখানে সেখানে থামিয়ে যাত্রী উঠান। নন-স্টপ বাস গুলোয় ও একই অবস্থা। এভাবে করে বেশ কিছুটা সময় নষ্ট হয়। সেই সময় গুলো পুষিয়ে নেয়ার জন্যে ড্রাইভার রা পাগলের মতো বাস চালানো শুরু করে।

২) বেশির ভাগ ড্রাইভারই ইগোজনিত কারনে কখনোই পিছনের গাড়ি তাকে ওভারটেক করে সামনে চলে যাবেন এটা একদম সহ্য করতে পারেন না। শুরু হয় ওভারটেকের অসুস্থ প্রতিযোগীতা। আমার বেশ কয়েকবার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে অনেক আগে।

৩) যাত্রী রা সচেতন হলে অনেক দূর্ঘটনা এড়ানো যায়। কিন্তু উল্টা দেখা যায় উনারাই আরো উতসাহ দেয়া শুরু করেন ড্রাইভার কে তাড়াতাড়ি পৌছানোর তাগিদে।কোন গাড়ি ওভারটেক করে গেলে বিভিন্ন বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য ও ছুড়ে দেন ড্রাইভারের প্রতি। ব্যাস আর যায় কোথায়।

কোন ড্রাইভার ড্রাইভ করা কালীন মোবাইল ব্যাবহার করলে যাত্রীরা সবাই মিলে সহজেই অবজেকশন দিয়ে তা বন্ধ করাতে পারেন।

ড্রাইভার এর পিছনে বা আশে-পাশে যেসব যাত্রী বসেন দেখা যায় তারা প্রায়ই রীতিমতো খোশগল্প শুরু করে দেন ড্রাইভারের সাথে যা মোটেও উচিত নয়।

কোন ড্রাইভার যখন পাগলের মতো বাস চালানো বা ওভারটেক শুরু করেন যাত্রীরা সবাই মিলে তাকে নিরুতসাহিত করতে পারেন।

আপাতত এইসব পয়েন্ট মনে আসলো। রাস্তা ঘাট এর উন্নয়ন কাজ হয়তো আমাদের হাতে নেই কিন্তু নিজেরা সচেতন থাকলে এধরনের অনেক সমস্যা কাটিয়ে উঠা যায়।

উল্টাপাল্টা লেখা হলে দুঃখিত। আগের বড় মন্তব্য হারিয়ে যাওয়াতে কিঞ্চিত Sad এবং আছি।

ধন্যবাদ।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাসে ব্যাপারে প্র্যাকটিক্যাল কথাই বলেছেন। আমার ধারনা হাইওয়েতে একটা বড় সংখ্যক দূর্ঘটনা ঘটে বাসে বাসে কম্পিটিশনের জন্য। তারা যত জলদি ফেরত যেতে পারবে তত জলদি আরেক ট্রিপ মারতে মারবে।

আগে যখন ফেরি ছিল তখন মেঘনা থেকে গোমতি পর্যন্ত সেকশনে বাসে বাসে পাগলের মত প্রতিযোগিতা হত।

ড্রাইভিং এ ভদ্রতা ও মাথা ঠান্ডা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

*সিগন্যাল না মানা আর যান্ত্রিক সমস্যা একটি বড় কারণ দুর্ঘটনা ঘটার। ওভারটেকের সময় যিনি অভারটেক করছেন তিনি অনেক সময়ই বুঝতেপারেন না যে অভারটেকিং এর পয়েন্টে তার গাড়ী ঠিকমত স্পীড তুলতে পারবে কি পারবে না। এর জন্য মনে হয় যে অভারটেক করা সম্ভব কিন্তু বাস্তবে সঠিক সময়ে গাড়ী অভারটেক করতে পারে না যার জন্য বিপরীত দিকথেকে আসা গাড়ীর সাথে সংঘর্ষ হয়ে থাকে।

* রাস্তার পাশে গরু, ছাগল, মানুষ এর অনাকাঙ্খিত উপস্থিতি, রাস্তার উপরে ধান পাট শুকানো, সাইকেল, নসিমন করিমন এর অবিবেচক চালানো অনেক সময় ড্রাইভারকে বাধ্য করে লেনের ভিতরে ঢুকতে যার জন্যও সংঘর্ষ হয়

Star Star Star Star Star Star Star Star

****************************
ঘৃণার চাষাবাদ জারি থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।মানবতা মানুষের জন্যই সংরক্ষিত থাক।পশুদের জন্য বরাদ্দ থাক শুধুই উগ্র ঘৃণার দাবানল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, ওভারটেক মেকানিজম বোঝাতে চেষ্টা করেছি ছবি ও গানিতিক ভাবে। বিপরিত দিক থেকে আসা কত দ্রুত গায়ের ওপর চলে আসে অনেক সময়ই বোঝা যায় না।

দ্বিতীয় পয়েন্ট মনে ছিল না। এটা কোন বই এ না থাকলেও আমাদের দেশে খুবই বাস্তব। ছোটবেলায় মনে আছে রাস্তায় বিছানো শুকনো ধানের ওপর দিয়ে যাচ্ছি, কখনো গাড়ি থামিয়ে ছাগল তাড়াতে হয়েছে। এসব আসলেই বাড়তি হ্যাজার্ড।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার একাডেমিক পোস্ট হইছে।
হানিফ সংকেতের একটা কমেডি ছিল, ট্রাক বেবিট্যাক্সিকে বলছে "হর হর খাইয়া ফেলামু" রোডে হেভি ভেহিকলের এই আধিপত্যবাদ সে কতটা সত্য সেটা যে নিজে লাইট ভেহিকল ড্রাইভ করেনি সে কখনই বুঝতে পারবে না। বাস, ট্রাকগুলো কার, মটরসাইকেলকে পাত্তাই দেয় না। আর এই অসম মনোভাবই আমার মনে হয় বাংলাদেশের সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারন। আমি একবার গাবতলি থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত ড্রাইভ করে টের পাইছিলাম উহা কত প্রকার ও কি কি। এরপের স্টিয়ারিং পাশে বসিয়ে রাখা ড্রাইভারের কাছে ছেড়ে দিই, যশোর পর্যন্ত আর সাহস হয়নি।

লেখা পড়ে আপনার কানাডায় একটা দূর্ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সাবেক রাষ্ট্রপতি শাহবুদ্দিনের মেয়ে, আসাদুজ্জামান নুরের ভাবি এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রান হারায়। ডিটেল জানেন কিভাবে কার ভুল ছিল?

বস, আর একটি বিষয় নিয়ে আপনার লেখা আশা করছি।
আমাদের দেশে মৌসুমি বন্যায় অধিকাংশ রোড তলিয়ে যায় এবং ওয়াশআউট হয়ে বেহাল দশা হয়( যেটা প্রতিদিন নিউজে দেখছেন) । জাপানে দেখেছি প্রায় ছয়মাস রোডঘাট বরফের নিচে চাপা পড়ে থাকে, কিন্তু বরফ যখন সরে যায় বেশিরভাগ রোডের কোন রিপেয়ার ছাড়াই চলন উপযোগি হয়ে যায়। ওরা কি ধরনের মেটেরিয়াল এবং টেকনোলজি ব্যভার করে? ওটা কি খুবই ব্যয়বহুল? আমাদের দেশে সেই টেকনোলজি ইমপোর্ট হয়না কেন? হাসিব স্যারকেও ওটা নিয়ে কিছু বলতে শুনিনি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা কি বলেন, যতটা সম্ভব নন-একাডেমিক করার চেষ্টা করেছি।

হানিফ সংকেতের সেই ভিডিও জোক্স এখনো ভালই মনে আছে, ট্রাকের হেঁড়ে গলায় হুমকি দেওয়া, রিক্সার নাকি মেয়েলি গলায় কথা smile :) :-)

আমি দেশে কোনদিন জীবন গেলেও ড্রাইভ করব না।

শাহাবুদ্দিন সাহেবের মেয়ের কথা মনে আছে, ঢাঃবিঃ এর প্রফেসর ছিলেন মনে হয়। ঘটনা না কি কানাডায় নাকি? ঠিক মনে নেই।

বন্যায় রাস্তা নষ্ট হওয়া তো ম্যাটেরিয়ালসের ব্যাপার। হাসিব স্যার কি এখন ম্যাট নেয় নাকি? সে বিষয়ে তো জাকারিয়া (হুজুর) একচেটিয়া বস ছিল আগে। হাসিব স্যারেরও নাকি এখন বুক পর্যন্ত দাঁড়ি শুনেছি।

আমাদের দেশে জমা পানিতে প্রতি বছরই প্রচুর রাস্তা নষ্ট হয় জানি।

আমার মনে হয় না যে জাপান/কানাডা বাংলাদেশের ম্যাটেরিয়ালস এ বিরাট কোন তফাত আছে। শুধু আমাদের দেশে ব্যাবহার হয় ইটের খোয়া, সেসব দেশে পাথর। তাতে এর সম্পর্ক থাকার কথা নয়। এখানে মূল বিষয় বিটুমিনের গ্রেড, সেটাই আসল বাইন্ডার। সেটা নষ্ট হলে ইট পাথর যাইই থাক না কেন উঠে যাবেই। উন্নত গ্রেডের বিটুমিন ট্রাই করা যেতে পারে, ল্যাব এ মিক্স বানিয়ে পানিতে ভিজিয়ে টেষ্ট করতে পারে।

আমার এ বিষয়ে ডিটেলস ধারনা এ মুহুর্তে নেই, তবে মনে হয় যে সমস্যাটা আসলে পানি বা বরফে নয়। সমস্যা মনে হয় "জমা" পানি তে। জাপান বা কানাডায় হেভিসে বরফ পড়ে তবে শীতকালে কিন্তু তা পানি হয় খুব কম, যাওও পানি হয় তা গড়িয়ে নেমে যায়। রাস্তায় জমা পানি কিন্তু কখনোই জমা থাকে না। এশফল্ট বা বিটুমিন জমা পানি সহ্য করতে পারে না।

যেসব যায়গা বেশী বন্যা প্রবন সেসব যায়গায় কনক্রিট পেভিং করা যায় যদিও ইনিশিয়াল কষ্ট বেশী আসবে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে ভাল।

আপাতত আমাদের রাস্তাঘাটে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা উন্নত করার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তবে লো-লাইয়িং দেশ, ব্যাপারটা ত সহজ নয়। ড্রেনেজ বুয়েটেও দেখতাম তেমন পাত্তা দিত না। আর ও এইচ কতটা গুরুত্ব দেয় কে জানে। আমাদের দেশে রিটেনশন পন্ড জাতের কিছু দেখেছি বলে মনে পড়ে না, যাতে রাস্তা থেকে পানি চ্যানেল করে নিয়ে জমা করা হবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বরফ না গললেও ময়েষ্ট কন্ডিশানতো বিরাজ করে। এরপর ফ্রিজিং-থইং একশানতো আছেই।

বসুনিয়া স্যারের দাড়ি দেখলে চমকায় যাবেন। অনেক স্যারই এখন দাড়ি-দাড়া রেখে পাক্কা নামাজি। ইসতিয়াক স্যার, ফখরুল আমিন স্যার, হাসিব স্যার, বদিুজ্জামান স্যার আরো অনেকে।

জে আর সির মেয়ে কারিশমা ওয়াল্ড ব্যাঙ্কের একটা প্রজেক্ট পাইছে( থ্রু ইউজিসি), ট্রাফিক সিগন্যালিংএর উপর। সে এমআটি'তে পিএইচডি করছে সম্ভবত ঐ একই বিষয়ের উপর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ময়েষ্ট কন্ডিশন থাকলেও মনে হয় জমে না থাকলে সমস্যা হয় না, শীতকালে তো বরফ আকারেই থাকে। পানি আকারে না।

ফ্রিজ-থ একশনটা গুরুত্বপূর্ন বটে। এর জন্য কানাডাতে কোর্স/ফাইন দুই এগ্রিগেটেরই ফ্রিজ/থ টেষ্ট স্পেক আছে যা পাস করতে হয়। তবে আমার মনে হয় না এটা আমাদের জন্য ম্যাটার করে, এটায় সমস্যা পানির জন্য না, টেম্প চেঞ্জ এর জন্য।

বসূনিয়ার কথা শুনছি। সবাই নাকি এখন দলে দলে হজ্জ্বে যায় smile :) :-)

বদিউজ্জামান মানে বোরহান??? এইটা নুতন নিউজ এবং কোয়াইট সারপ্রাইজিং।

কারিশমার খবর জানি। আমার এক বন্ধু কয়েক বছর আগে দেশে ভিসা নিতে গিয়ে কয়েক মাস আটকা ছিল, তখন সে বাধ্য হয়ে আর্বান প্ল্যানিং এর একটা প্রজেক্টে কার করছিল। সেখানে কারিশমাও ছিল। সিমুলেশন মডেল নিয়ে কাজ হচ্ছিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ভাল লাগলো লেখাটা পরে। আর ভাল লাগতো যদি এই টাইপ এনালাইসিস সওজ এর ইঞ্জিনিয়াররা করতো । বাল ছালেরা ঘুষ খাবার ধান্দায় থাকে, কাম করব কখন। আপনার লেখায় দশটা তারা মাইরা দিলাম।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশে থাকলে তো আমি নিজেই সেইখানে গিয়া মহা আরামে ঘুষ খাইতাম আর যেইগুলায় বিদেশে থাগো রে কথা শুনাইতাম দেখ ব্যাটারা আমি কত বিরাট দেশপ্রেমিক আর তোরা সব কয়ডা বেঈমান Laughing out loud

তবে এইবার দেখি ব্যাটাদের ভাল বাড়ি দিতেছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star Star

............................................................................................................
ভালোবাসা মানে আগাম চলার সুর,ভালোবাসা মানে অবিরাম চলাবসা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একখান ছড়া যোগ কইরা দেই-

স্বাস্থ্য ভালো যাত্রা শুভ
রাশিমালায় লেখা,
রাশিমালা পরে খালু
চলছে ঢাকা, একা।

চলতি পথে আরিচাতে
প্রান কেড়ে নেয় ঘাতক,
খালু আমার জোতিষপ্রিয়
সিঙ্গহ রাশির জাতক।

সুত্রঃ সংগ্রহ

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উন্মাদে ৮৫ সালের দিকে একবার কবরের এফিটাফ নিইয়ে রম্য লিখেছিল।

সেখানে একটা ছিলঃ

এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রান
আরিচা সড়কে তা নিঃশেষে করে গেলে দান।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন এই লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
আমাদের দেশে আমরা যারা গাড়িতে চড়ি , যারা গাড়ি চালান , রাস্থায় যারা ট্রাফিক কন্ট্রোল করেন এবং যারা ট্রাফিক আইন তৈরী করেন কারোরই
মিনিমাম ট্রাফিক সেন্স নেই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখেছেন।

-------------------------------------
আমাকে গালি দিবার মত উপযুক্ত ভাষা আদিল ভাইয়ের জানা নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই সিগ্নেচারের বুদ্ধি কই পাইলেন Laughing out loud ?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই উপযোগী এবং সময়োপযোগী একটা পোষ্ট। সমস্যা হলো চালকদের জন্য যে সাজেশন দিয়েছেন, সেটা পরিপালন করবে কে? আমাদের দেশের অধিকাংশ ড্রাইভারই তো শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। যাই হোক, আমি যত্ন করে তুলে রাখছি।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে সব সভ্য সমাজে নাগরিকদের সচেতনার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। শুধু আইন আদালত থানা পুলিশ দিয়ে সভ্য সমাজ চলে না। এই এজাম্পশন খুব সরল হলেও গুরুত্বপূর্ন।

মানুষের শুভ বিবেক জাগ্রত হোক আমি কেবল এইই কামনা করতে পারি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা খুবই উপকারী।
গরু খুবই উপকারী জন্তুর মত!
দেশে ছোটভাইয়ের বিয়ের বরযাত্রীর গাড়ীর একটাতে দেখেছি ড্রাইভার গাড়ী চালাচ্ছে আর মোবাইলে কথা বলছে! অন্য এক ভাই ধমক দেয়াতে কথা বন্ধ হয়েছিল।
দেশে মনে হয় স্কুল, কলেজের সিলেবাসে ট্রাফিক আইন যোগ করা এখন সময়ের দাবী!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপা অনেকদিন পর দেখা হল।

দেশে কি বলবো? ড্রাইভ করার সময় মোবাইল আমেরিকার বহু যায়গায় এখনো চালু আছে।

নিউ ইয়র্কে নাকি খবরের কাগজ পড়তে পড়তেও গাড়ি চালাচ্ছে এমন দেখা যায়ঃ)।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বছর বিশেক আগে কার্যোপলক্ষে ইরানে ছিলাম বেশ কয়েকবছর। সেই সময় আমার গাড়ির ইরানি ড্রাইভার একটি মূল্যবাণ কথা বলেছিল , যা আমি এখনো গাড়ি চালানোর সময় স্মরন করি।

" যখন গাড়ি চালাবে তখন মনে রাখবে , তুমিই একমাত্র সুস্থ মস্তিষ্কের। আর বাকি সকল গাড়ির ড্রাইভার পাগল। তোমাকে ওই পাগলদের গুতো থেকে বেঁচে থাকতে হবে , ওরা কখন এবং কোন দিক থেকে তোমার গাড়িতে গুতো দেবে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই।"

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

এই দর্শন বিপদজনক হতে পারে। কারন একই ভাবে তারাও যদি আপনাকে সহ বাকি সবাইকেই পাগল ভাবে?

বাংগালীর হাসির গল্পের সেই দুই বেয়াই এর কথা মনে আছে? একে অপরকে পাগল ভেবে যে লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে রওনা হয়েছিল?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

----------------------------------------------------------------
ইচ্ছে আছে উড়ব সোজা, কিম্বা বেঁকে ...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ একটা লেখা। বাইক চালানোর সময় আমি একটা রুলই মাথায় রাখি যে আমি ছাড়া বাকি সব ড্রাইভার পাগল, সো বি কেয়ারফুল। ঢাকার রাস্তায় জামের কারণে ড্রাইভাররা ফার্স্ট গিয়ারে চালাইতে বাধ্য, এই লোকগুলা একটু ফাকা রাস্তা পাইলে যে কি করতে পারে ধারণার বাইরে। তাও ভালো এখন হাইড্রোলিক ব্রেক আসছে, আগের মতো নিয়মিত ব্রেকফেলে 'ট্রাকের ধাক্কায় পথচারী নিহত' এখন শিরোনাম হয় খুব কম। সাভার রোড, আরিচা রোড এইগুলা মাশাল্লাহ উড়কে চলি। আগে ফেরি ধরার এবং ফেরিতে দেরী হওয়া সময় বাচাইতে বড় গাড়িগুলার বিপজ্জনক টান, সুবাদে দূর্ঘটনাও ছিলো নিয়মিত। সেইটা কিন্তু মাঝে বেশ কমছিলো। বড় ধাক্কা খাইলে আমাদের টনক নড়ে। নাইলে যে কে সেই। এইটাও আবুল-শাহজাহান জুটি ভালো কইরা জানে বইলাই তাগো খুব একটা গরজ নাই

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে করা বা মাথায় রুল বানাইতে হয় না। দেশের লোকজন যেমনে গাড়ি চালায় তাতে সবগুলারে এমনিতেই জেনুইন পাগল বইলাই মনে হয় smile :) :-) । রাস্তায় বাইর হইতে হইবো মনে হইলেই গা হাত পাও ঠান্ডা হইয়া যায়।

আমারও মনে হয় যে আজকাল অন্তত ঢাকা শহরের মধ্যে ফেটাল এক্সিডেন্ট কমে গেছে। কারন সম্ভবত জ্যামের কারনে এখন আর মনের হরষে স্পিড দেওয়া যায় না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আদিল মাহমুদ

যে দিন যতবারই বাংলাদেশে বাসে- মাইক্রোবাসে উঠেছি প্রতিবারই এক পর্যায়ে ড্রাইভারকে বলতে বাধ্য হয়েছি, আল্লাহর দোহাই ভাই স্টিয়ারিংটা আমার হাতে দিয়ে দাও। অন্য দেশে কোনদিন গাড়ি ড্রাইভ করি নাই তবে ইংল্যান্ডের কথা বলতে পারি, এখানে কেউ যদি হাই-ওয়ে কোড পুরোপুরি মেনে গাড়ি চালায় গাড়ি এক্সিডেন্ট কোনদিনই হবেনা। তাই বোধ হয় এ দেশে সাধারণত রোড-এক্সিডেন্ট না বলে গাড়ি-এক্সিডেন্ট বলা হয়। সেই ৮০ ইংরেজি থেকে গাড়ি চালাচ্ছি, নিজের ভুলে কোন এক্সিডেন্টে জড়িত হই নাই, যদিও অন্যের ভুলে বেশ কয়েকবার এক্সিডেন্ট হয়েছে। আমার গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে একজন মহিলা মারাও গেছে, সে ঘটনা পরে বলবো। সকল এক্সিডেন্টই মানুষের ভুলের কারণে হয়, যদিও বাঙ্গালী মুসলমানদের অনেকে মনে করেন সবটাই কপালের দ্বারা হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোডের সব আইন মেনে চললেই যে এক্সিডেন্ট হবেই না এমন বলা যায় না। এক্সিডেন্ট হবার মূল কারন অনেকগুলিই হতে পারে, যেমনঃ

ড্রাইভারের কোন রকম ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি (আপনি আইন মানলেও কিন্তু অনেক সময়ই ভুল হতেই পারে, হিসেবের ভুল, চোখে দেখার ভুল এসব)

যান্ত্রিক ত্রুটি (ব্লেক ফেল, টায়ার ফেঁসে যাওয়া) - এসবের অনেকগুলিই রাস্তায় হঠাত করেই হতে পারে।

আবহাওয়া জনিত কারন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাইক চালানোর সময় আমি একটা রুলই মাথায় রাখি যে আমি ছাড়া বাকি সব ড্রাইভার পাগল, সো বি কেয়ারফুল।

-
এটাই আসলে ড্রাইভিং লেসনের প্রথম পাঠ ইউকে'তে।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোস্টের কথা গুলো ভালো না লেগে উপায় নাই! আমাদের দেশের সমস্যা সমাধানের জন্য এগুলো ছাড়াও হয়ত বাড়তি আরো কিছু দরকার যা কিনা আমাদের দেশের কনটেক্সট থেকে চিন্তা করতে হবে (যেহেতু, আমাদের সম্পদ সীমিত)! কিন্তু এগুলা করবে কে? আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমরা নিজেরাই! কিভাবে? এই যে, এখন আমরা এত এত কথা বলছি কারণ আমাদের অতি প্রিয় ২ জন মানুষ আমাদের মাঝে আর নেই (বাকি ৩ জনের পরিচয় যদিও এখনও অনেক মানুষ জানেন না)! কয়দিন পর যথারীতি আমরা আবার যেই লাউ সেই কদু হয়ে যাব, ওই ৩ অভাগার মত হয়ত আরো অনেকেই পরলোক গমন করবে কিন্তু আমরা আবার সরব হব যদি কোনদিন "হেভি ওয়েট" কেউ পরলোক গমন করেন (আশা করি এমন যেন কখনই না হয়)! যাদের দায়িত্ব এসব নিয়ে কাজ করা তারা যে মাস শেষে বেতন গোনা ছাড়া কোনো কাজ করেন না, তার প্রমান স্বয়ং যোগাযোগমন্ত্রী (ধমক খেয়ে সাথে সাথেই শুল্কমুক্ত গাড়ি নিয়ে বের হয়ে, পানিতে পিচ ঢালার কাজ শুরু করা)! এছাড়াও, কর্মঠ লোকদের (প্রফেসনালদের) দেশ ছেড়ে বিদেশ পারি দেবার হিরিক, নিস্কর্মাদের দিয়ে তো কাজের কাজ কিছু আশাও করা যায় না!

------------------------------------------------------
"আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে..."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুদিন পরেই ভুলে যাবে তার কারন আছে। দুদিন পর আবার সম্পূর্ন নুতন দিক থেকে আরেক ভয়াবহ সমস্যা দেখা যাবে। এবং এই চিত্র সদা চলয়মান।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Shared!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোষ্ট। ভদ্র ড্রাইভিং, দূর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে পারে বলে মনে করি। আমি এখানে প্রায় তিন বছর ড্রাইভিং করছি, কোনদিনও ওভারটেকিং এর প্রতিযোগিতা, সিগন্যাল অমান্যের প্রবনতা, জানলা দিয়ে মুখ বের করে ঝগড়া করা এসব একটি বারের জন্যও চোখে পড়েনি। বাংলাদেশে একটা ব্যাপার হচ্ছে, আপনার আমার চারিপাশে যদি দশজন নিয়ম ভাঙ্গে, তাহলে সেটাই নিয়ম হয়ে যায়। আরে! সবাই করছে আমিই বা কেনো করবোনা টাইপ। মোটর বাইক যারা চালান তাদের অধিকাংশই দেখি হেল্মেট পড়েন না, হেলমেট পড়লেও রিয়ার ভিউ মিরর নাই। জাপানে নিরবিচ্ছিন হলুদ দাগ অতিক্রম নিষেধ (কিছু ব্যাতিক্রম বাদে)। সুকুবা-টোকিও, সুকুবা-মিতো এমনকি সুকুবা-নারিতার মতো অতিব্যস্ত ন্যাশনাল ওয়েতে ওই হলুদ দাগই সম্বল অবশ্য হাইওয়ে গুলির কথা আলাদা। তবুও মুখোমুখি সংঘর্ষ নেই বললেই চলে।


কিছু মৌলিক সেফটি গাইড সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করবেন যারা গাড়িতে চলাচল করেনঃ
- রাস্তার সাইন ও ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যন্ত মৌলিক ব্যাপার। গতিসীমার ওপরে চালাবেন না।
-
- সিট বেল্ট অতি অবশ্যই পরবেন, আইনে থাক বা না থাক। আমার মতে সরকারের উচিত এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করা, সিট বেল্ট ছাড়া গাড়ি রেজিঃ করতে না দেওয়া, রাস্তায় কেউ বেল্ট পরেনি দেখলে ততক্ষনাত জরিমানা করা।

- ড্রাইভারকে হতে হবে সদা সজাগ। ক্লান্ত দেহে ড্রাইভ করবেন না। একান্তই করতে হলে কিছুক্ষন পর পর চা কফি বা কোক জাতীয় ক্যাফিন সমৃদ্ধ পানীয় পান করুন। সহযাত্রীদেরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব থাকে তাকে সজাগ থাকতে সাহায্য করার। কথা বলে যাওয়া তার একটি উপায়।

- বৃষ্টির দিক বা রাতে ধীরে চালান, সময়ের দাম জীবনের চাইতে বেশী নয়।

- গাড়ি পুরো কার্যক্ষম কিনা নিশ্চিত হবেন। ওয়াইপার ঠিকমত কাজ করে কিনা, ওয়াইপারের ফ্লুইড ভরা কিনা দেখে নেবেন। চাকার গ্রুভ কিনা পরীক্ষা করবেন, পুরনো খয়ে যাওয়া চাকা সহজে স্কিড করে, ব্রেক করলে থামতে দূরত্ব বেশী লাগে।

- ভারী গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকবেন।

- ভদ্রতাও ড্রাইভিং জগতে খুব গুরুত্বপূর্ন; রাস্তায় কখনো মাথা গরম করবেন না। অপরের সাথে রেসিং, সাইড না দেওয়া এসব প্রবনতা থেকে দূরে থাকুন।

- রিয়ার ভিউ মিররে পেছনের অবস্থা ঘন ঘন এক পলক করে দেখে নেবেন।

- যে কোন ধরনের পরিবর্তন; যেমন লেন বদল, ওভারটেক, রাস্তার পাশে গতি কমিয়ে পার্ক করা এসবের জন্য আগ থেকে সিগন্যাল দিন। এতে অন্য গাড়ি সতর্ক হতে পারবে। এটাও খুব গুরুত্বপূর্ন।
এসব ব্যাপারগুলি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার সময়েই পরীক্ষা নেওয়া উচিত, আমার বাংলাদেশ ও জাপান দুই জায়গাতেই পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স নেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে, হায়! সে এক অন্য গল্প!

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানুষের নৈতিকতাবোধ অনেকটাই আপেক্ষিক। বড় বড় তত্ত্ব কথা, ধর্মীয় আদর্শ এসব তেমন কিছু কাজে আসে না যদি না আর্থ সামাজিক অবস্থা অনুকুল না হয়। সোজা কথায় আশে পাশে যা হয়, দশজনে যা করে তাইই ঠিক; একা করলে হয়ত অপরাধবোধ জাগ্রত হত; কিন্তু দশজনকে করতে দেখলে আর তেমন খারাপ লাগে না। জ্বলন্ত প্রমান হল ঘুষ কালচার; দেশে এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে এবং দিব্ব্যী বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে।

ভাবলে খুব খারাপ লাগে যে কত অসহায় আমরা। গরীব দেশ বলে সমস্যা যত না; শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতার অভাব আরো বড় সমস্যা। এ সমস্যা দূর করা না গেলে দেশের সবাইকে হাতে কোটি টাকা ক্যাশ ধরিয়ে দিলেও কিছু হবে না।

খুবই মৌলিক কিছু নিয়ম কানুন মানলে আর একটু দায়িত্ববোধের পরিচয় দিলে কত অমূল্য প্রান রক্ষা করা যায়।।। পুরুষ কেন্দ্রিক আমাদের সমাজে একজন লোকের মৃত্যু অনেক সময়ই একটি পরিবারের ধ্বংস ডেকে আনে। মানবিক দিক তো আছেই।

ওপরে বলা আমার বন্ধুর পরিবার সেই '৮৩ সাল থেকে আজো পুরো স্বাভাবিক হতে পারেনি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই ভালো পোস্ট । রাতের বেলায় দেশে ড্রাইভিং করা আরো বিপদজনক, রাস্তায় পর্যাপ্ত আলো থাকে না, বিশেষ করে যখন কুয়াশা থাকে পুরো অন্ধকারে ড্রাইভ করতে হয়।রাস্তার লেন গুলা দেখা যায় এইরকম কোনো মার্ক থাকে না, আর ঢাকা শহরে রাস্তার সাইন দেখার আশা করে কোনো লাভ নাই, যেদিকে তাকাবেন শুধু বিজ্ঞাপন দেখবেন, কোনো নীতিমালা নাই, ইচ্চেমত সাইনবোর্ড বসায়।

-------------------------------------
বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনা
ঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথে
আজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহান
সৈনিক, যেন সূর্যসেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হমমম।

দেশে সাইনিং মার্কিং এর গুরুত্ব কিভাবে বোঝানো যায় এ নিয়ে চিন্তা করতে হবে। এ নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা আছে বলে মনে হয় না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বদমাইশ,
আপনাপর সিগনেচারটাকে কবি আবদুল হাকিম(১৬শতক) কবিতার লাইন-
যে জন বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী
সে জন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি

লিখলে ভাল হত।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাই,
লেখাটা আমার উপকারে আসবে। আমি বাইক কিনতে গেলে দোকানদার আমাকে জিজ্ঞেস করল, আপনি বাইক চালিয়েছেন কখনও। আমি বললাম না, উনি অবাক হয়ে বললেন, এটা বাসায় নিবেন কিভাবে? ভ্যান ডাকবো?
আমি নিষ্পৃহভাবে বললাম, চালিয়েই বাসায় যাব।
উনি ততোধিক অবাক হয়ে বললেন, এটাতো খেলনা না, যে মজা করা যাবে।
আমি বললাম, দেখুন, নগত টাকা দিয়ে যখন এটা কিনতে এসেছি, অন্তত এটা চালিয়ে নেয়ার মত হিম্মত আছে। আপনি আমাকে এটা চালানোর নিয়মটা বলে দিন।

উনি বললেন, এসব পাগলামি রাখেন, আমার এ ছেলেটা আপনার বাইকটা বাসায় দিয়ে আসবে।
আমি বললাম, আমি যদি ফেল করি, তারপর ও নিয়ে যাবে।
উনি বললেন, এটা ঢাকার রাস্তা। আপনি বিপদে পড়ে আমাকেও পেড়ে ফেলবেন দেখছি।
শেষ পর্যন্ত আমিই নির্বিঘ্নে বাইক চালিয়ে বাসায় আসলাম এবং এখনও বহাল তবিয়তে চালাচ্ছি।

তবে রোড সাইন ও ট্রাফিক সাইন এবং অন্যান্য বিষয় নিজের গরজেই শিখতে হয়েছে।
আর, রাস্তায় নামলে আমারও প্রথম যেকথা মনে হয়,
একমাত্র আমার মাথা ঠিক, বাকি সবার আউলা। সুতরাং পাচঁচোখে বাইক চালাও। Laughing out loud

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সমস্যা ঠিক এখানেই! জনগণ রা নিজেরাই তো নিয়ম কে শ্রদ্ধা করে না! সব সময় নিজের সব কিছু ঠিক হবে, এইটা ভাবা কিন্তু ঠিক নয়! তবে আপনি বেচে গিয়েছেন, যে পথিমধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি!

------------------------------------------------------
"আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে..."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনের কপাল ভাল।

বুড়া বয়সে যে কোন জিনিসই শেখা কঠিন, সাইকেল চালাতে গেলে দুই একবার পড়া তো আবশ্যিক।

মনে হয় ঢাকায় এখন সারাক্ষন জাম দেখেই নিরাপদে বাসায় ফিরতে পারছেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার পোস্ট। আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া খুব জরুরী।

জাপানে ছোট কার তো ছেড়েই দিলাম, হাইওয়ে বাসের সব প্যাসেঞ্জার কে বাধ্যতামূলক ভাবে সিটবেল্ট পরতে হয়।

____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা জানার ইচ্ছে ছিল। নুতন তথ্য। আমেরিকা কানাডায় বাসে সিটবেল্ট পরার নিয়ম নেই। অনেক যায়গায় গাড়ির পেছনের যাত্রীদেরও পরা বাধ্যতামূলক নয়।

ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সময় উপযোগী পোস্ট। লেখককে ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট ভাল হয়েছে। বাংলাদেশেও কোথাও কোথাও রাম্বল স্ট্রিপ ব্যবহার হচ্ছে স্পিড বাম্প-এর বদলে। বুয়েটে সিভিলের অধ্যাপকদের দাড়ি রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে আলি মূর্তজার আমলে দাড়ি-নেকাধারীদের কদর ছিল বলে শুনেছি। বোরহান ভাই তো বোধ হয় ছয়-সাত বছর আগে থেকেই দাড়ি শোভিত। হাসিবেরটা আরো পুরনো, তবে ইদানিং ঝুল বেড়েছে।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশে রাম্বল ষ্ট্রীপ দেওয়া হচ্ছে জানতাম না। তবে মিডিয়ানে কেন দেওয়া হচ্ছে না? জরুরী ভিত্তিতেই দেওয়া উচিত, বিশেষ করে যেসব যায়গায় ওভারটেক নিষিদ্ধ বা বিপদজনক।

বোরহান স্যারের দাঁড়ির খবরে কৌতূহলী হয়ে কাল বুয়েটের ওয়েব সাইটে গেছিলাম। চমকপ্রদ চিত্র smile :) :-) । তবে বোরহানের দাঁড়িটা মনে হয় সবচেয়ে ষ্টাইলিশ। উনি সুনাম এক্ষেত্রেও বজায় রেখেছেন।

বসূনিয়া কি রিটায়ার্ড নাকি বুঝলাম না। ওনার কোন পাত্তাই নাই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার তথ্যবহুল পোষ্ট। সাইন গুলির ব্যাপারে এতকিছু জানতাম না।ধইন্যা পাতা লন।

======================================================
তোমায় ভালবাসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই,তাই কেবলি ভালবেসে যাই.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথ্যবহুল পোষ্ট


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১। ২০০৯ এ চিটাগাং থেকে কাচপুর নামলাম ৪.৫ ঘন্টায়। এখন স্বপ্ন মনে হয়। প্রতিবার আসা যাওয়ার সময় প্রায়ই দেখি রাস্তার পাশে ট্রাক উলটে আছে বা বাস খাদে পরে আছে। মৃতদেহগুলো রাস্তার পাশে সারি দিয়ে রাখা হচ্ছে। দৃশ্যগুলো এত কমন হয়ে গেছে যে এখন আর গায়ে লাগে না। চোখ বন্ধ করে ঘুমিয়ে যাই। মরে গেলে ঘুমের মধ্যেই শেষ। প্রাইভেট এ করে একদিন আসার সময় দেখলাম সামনের প্রাইভেট একবার ডানে যায়, আবার বামে যায়। আমার গাড়ির ড্রাইভার বুঝল সামনের ড্রাইভার ঘুমুচ্ছে। বার বার হর্ন দিয়ে তাকে কিছুটা সচকিত করার পর তার পাশে যেয়ে গাড়ির জানালা দিয়ে বোতল থেকে পানি ছুড়ে দিল। পিছনে তাকিয়ে দেখি ড্রাইভার গাড়ি পার্ক করেছে রাস্তার পাশে। আর বাসে আসা যাওয়ার সময় একটু স্লো চালালেই যাত্রীর যেভাবে মুখ ছোটায় তাতে মাইন্ড করলে কোন ড্রাইভার জীবনেও গাড়ী চালাবে না। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি সামনে গাড়ির বিরাট লাইন ওভারটেক করার কোন সুযোগই নাই। তারপর ড্রাইভারের কোন নিস্তার নাই।

২. ঢাকা চিটাগাং ৪ লেন করে লাভ নেই। করতে হবে আলাদা রাস্তা। দুই লেনের দুই রাস্তা করা দরকার। এক রাস্তায় শুধু হেভি কার্গো আর অন্যটায় যাত্রী পরিবহন চললে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে।কারন ট্রাক,লরি,কার্গো কন্টেইনার ইত্যাদিই বেশি ওভারটেক করা লাগে। আর আমি বুঝিনা সড়ক নিয়ে আমাদের এত মাথাব্যথা কেন? লং রুটে সড়ক দরকার নাই। ৪-৬ লেনের ট্রেন ব্যবস্থা চালু করা হোক। ঢাকা চিটাগাং ৩০০ ট্রেন টিকেট করা হলেও যাত্রীর অভাব হবে না। আগে ঈদের সময় টিকেট পাওয়া যেত না। এখন সারাবছরই ৭দিন আগে থেকেই টিকেট কাটা লাগে। বিমান যোগাযোগও চালু করা যেতে পারে। বেসরকারী যেগুলো আছে তাতে ভাড়া আমার জানা মতে ২৫০০-৩৫০০ টাকা। তারপরও প্রচুর যাত্রী। বাস মালিকেরা সরকারকে কি জাদু করেছে কে জানে? ট্রেন তাদের চোখেই পড়ে না।

৩. কানাডায় বা উন্নত রাষ্টে যখন ফ্লাইওভার বানানো হয় তখন কি সিস্টেম করা হয়? আমি বলতে চাইছি আমাদের যাত্রাবাড়ীর মত অবস্থা হয় কিনা। একদিকে কাজ চলছে আরেকদিকে যান চলছে। আর সেতু তৈরি করার পর উদ্বোধনের জন্য কতদিন ফেলে রাখা হয়? ৩য় কর্ণফুলী সেতু দেখেছেন কিনা জানি না। বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দের সেতু। সেতু যখন তৈরি হয়ে গেলে মাসের পর মাসের উদ্বোধনের জন্য ফেলে রাখা হল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ততার কারনে আসতে পারছেন না। সেতু চালু হবে এই আশায় আগের সেতুর সংযোগ সড়ক মেরামত করা হচ্ছিল না। কি অবর্নণীয় দুর্ভোগ যে পোহাতে হয়েছে! শুধু থেকে থেকে সংশ্লিষ্টদের অভিশাপ দেয়া ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেল ব্যাবস্থা সম্পর্কে আমার তেমন ধারনা নেই। তবে এই আইডিয়া ভাল যে রেল ব্যাবস্থা উন্নত করার সাহায্যে বেশ কিছু ট্রাক লোড হয়ত হাইওয়ে থেকে কমানো যেতে পারে। যতটুকু জানি যে ব্রিটিশ আমল আর পাকিস্তান আমলের পর নুতন তেমন রেল বসানো হয়নি।

তবে ঢাক-চিটাগাং রাস্তা বাস ট্রাক ও গাড়ির জন্য ভিন্ন ভিন্ন করাটার চেয়ে ২ নং ছবির মত ফ্রি-ওয়ে করার চিন্তা বেশী প্র্যাক্টিক্যাল।

রাস্তার নির্মানের সময় চেষ্টা করা হয় সম্ভাব্য কম সময়ের মধ্যে পাবলিকের কম সমস্যা করে কাজটি করতে। এই জন্য কোন পুরোন রাস্তায় লেন বাড়াতে হলে এক দিক এক দিক করে সাধারনত করা হয়, যাতে অন্তত দুই দিকের ট্রাফিকই কম লেনে করে হলেও চলাচল করতে পারে। এটা শুনতে সোজা হলেও বেশ জটিল ব্যাপার।

এখানে যেদিন ওপেন করা হয় সেদিন থেকেই পুরো খুলে দেওয়া হয়, কোন মন্ত্রী এমপির লাল ফিতার জন্য অপেক্ষা করার ব্যাপার নেই। যদিও তেমন কেউ হয়ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসেন। তবে কেউ না আসতে পারলে রাস্তা খোলা হবে না এমন ঘটনা ফাঁস হলে সরকারের গদি নড়ে যাবে।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৪৭ সালে এদেশে রেল লাইন ছিল ২৮০০ কিমি আর এখন আছে ২৮৩৫ কিমি। ৬৪ বছরে রেল লাইনের পরিমাণ বেড়েছে মাত্র ৩৫ কিমি!!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পোস্ট। কেউ শিখলে হয়। অবশ্য এখানে যারা ব্লগায়, তারা গারি চালায় কিনা, কে জানে? যদি কারো ড্রাইভার থাকে, তাহলে তার উচিত এটা তাকে সহজ করে বুঝানো। ধন্যবাদ, এমন সময়োপযোগী পোস্টের জন্য।
অ:ট: আপনার সিগনেচারটা পাল্টানোর কোনো চিন্তা করছেন কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা, আমাদের দেশে এখনো বেশীরভাগ লোকে গাড়ি চালায় না এটা মাথায় ছিল। আদৌ কজন লোকের উপকারে লাগবে সে প্রশ্ন আমার মনেও আছে। তবে চালাক আর না চালাক, বেসিক ব্যাপারগুলি জানা দরকার। অন্তত ড্রাইভারকে সতর্ক করা যেতে পারে।

মৌলিক শিক্ষার একটা লেভেল ছাড়া এসব জিনিস শেখানো একটু কঠিন। আমাদের দেশের ড্রাইভাররা (প্রফেশনাল) শেখে অভিজ্ঞতার আলোকে; তারা পড়াশুনা করে শিখবে না। বিদেশে শেখে দুভাবেই। অভিজ্ঞতালব্ধ বিদ্যা অনেক মূল্যবান হলেও তত্ত্বীয় বিদ্যার দামও কম নয়।

মানুষ শুধু আইন করে দিলে যতটা না মানে; সে আইন কেন করা হল সেটা বুঝতে পারলে তা অনেক বেশী মানে। তখন শুধু শাস্তির ভয়ে না, মন থেকেই মানে। শুধু সাইন, মার্ক মানতে হবে নইলে জরিমানা- এই ফিলোসপি খুব বেশী কাজ দেবে না। মুশকিল হল কেন এসব মানা দরকার সেটা বোঝার জন্য একটু তত্ত্বীয় ব্যাপার বোঝা দরকার, যা বুঝতে আবার ন্যূততম পড়াশুনা, সামান্য গনিত/বিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড দরকার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য। আসলে বাংলাদেশের হাইওয়ে গুলির প্রশস্ততার বিকল্প নেই। প্রশস্ত রাস্তায় ডিভাইডার বহুলাংশে র্দূঘটনা কমিয়ে আনতে পারে। তার উপর অবশ্যই বাস গুলিকে একটি গতিসীমা বেধে দিয়ে ওভারটেক ও পাল্লা দেওয়া নিষিদ্ধ করতে হবে। তারপর যেমন ঢাকা হতে আরিচা সহ সব মহসড়কের মধ্যবর্তী স্থান গুলোর গুরুত্বপূর্ণ জেলা, শহড়ে ঢুকার পয়েন্টে ফ্লাইওভার দিতে হবে। যেমন ধরেন আপনি ঢাকা হতে সাভার যাবেন আরিচা সড়ক দিয়ে। তখন আলাদা লেনে সাভার ঢুকবেন এবং আসার সময় মহাসড়কের উপর দিয়ে U টার্ন উড়াল সড়কে ঢাকার পথ ধরবেন। লন্ডন হতে যখন উত্তর ইংল্যান্ডে যাই কি সুন্দর লুটন শহড়, নর্থহ্যাম্পটন, লেইষ্টার, নর্টিংহাম ইত্যাদি প্রদি জায়গায় ফ্লাইওভার। ফলে যার ইচ্ছা মত সেখানে ঢুকতে পারছে আর অন্যরা উত্তরে যাওয়া অব্যাহত রাখতে পারছে। কোন সিগন্যাল ও থামাথামি নাই। আর মটরওয়েতে কোন মার্কেট, দোকান আমাদের দেশের মততো নেই উপরন্ত আলাদা লেনে বিশাল পার্কিং স্পেস দিয়ে ফিউল ষ্টেশন, রেষ্টুরেন্ট, দোকাল ও মটেল আছে। আর সর্বোচ্চ ৮০ কিমির উপরে স্পীড তোলা যাবে না। আর পাগলের মত পাল্লা দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। আর আমাদের দেশে ১২০ কিমি/ঘন্টা এই অপ্রশস্ত রাস্তায় খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তার উপর আমরা যাত্রীরাই বলি ঐ মিয়া ড্রাইভার পিছনের বাস দেখি তুমারে পিছনে ফেলল। সে যাই হৌক আমাদের দেশের মহাসড়কে যেখানে কঠিন বাক আছে সেখানে গতিরোধক ও ডিভাইডার বসানো হৌক। নতুবা আমাদের যে আইন মানার নমুনা তাতে সহজে র্দূঘটনা এড়ানো যাবে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উড়াল সড়ক খুবই ব্যায়বহুল।

আমাদের দেশে কিছু বাইপাস সড়ক করা হয়েছে অনেক আগেই মূল শহরকে এড়িয়ে যেন আন্তঃনগর ট্রাফিক চলাচল করতে পারে। যেমন কুমিল্লা বাইপাস সড়ক যা সেখানে বিশ্বরোড নামে মনে হয় পরিচিত।

আসলে আমাদের দেশের সড়ক পথ দিয়ে যে পরিমান গাড়ি চলে তা অবিশ্বাস্য, এ ধরনের বিপুল ট্রাফিক দুই লেনের সড়ক দিয়ে এলাউ করা আসলে আসলে বিশাল দূঃসাহস এবং মিরাকল।

অনেকের কথা থেকেই বুঝলাম যে আসলে বাসের যাত্রীরাও কিছুটা হলেও দূর্ঘটনার জন্য দায়ী থাকতে পারে। যদিও দূর্ঘটনার পর সব সময়ই দায়ী করা হয় "ঘাতক ড্রাইভার"কেই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথ্য-সমৃদ্ধ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুবই সুন্দর পোষ্ট। সবচেয়ে বড় ব্যাপার বিশ্লেষনগুলো চমৎকার হইছে। আপনাকে পাঁচতারা।

হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর সময় একটা ব্যাপার খুবই খেয়াল রাখা উচিৎ - যখন কোন ছোট গাড়ি (প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস) ট্রেলর বা ট্রাককে একই ট্র্যাক থেকে ওভারটেকিং করতে যায়, যদি দুটি গাড়ির স্পীড ১০০ কিঃমিঃ’র অধিক হয় তাহলে বাতাসের একটা চাপ কাজ করে যা ছোট গাড়ীকে একটা টেনে রাখতে চায়। এইক্ষেত্রে চালক অসর্তক থাকলে যেকোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। আবার এই ব্যাপারটি যদি হয় বিপরিত দিক থেকে আগত আন-ডিভাইডেড হাইওয়েতে, তা আর মারত্বক। কারন, শুধুমাত্র বাতাসের টান নয়, সেক্ষেত্রে একটা বড় ধাক্কা অনুভূত হবে। সেক্ষেত্রে ছোট গড়ীর চালককে সর্তক থাকতে হবে সব সময়। আসলে দূর্ঘটনার মুল কারন নির্ভর করে চালকের সর্তকতা বা অসর্তকতার উপর।

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
যে ব্যাক্তি নিজের সমালোচনা করতে পারে, সেই সর্বোত্তম
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বস, চরম একটা পোস্ট দিছেন। যাইহোক, আমার তো মনে হয় এত কিছুর দরকার নাই, জাস্ট চার লেন আর মাঝখানে ডিভাইডার দিলেই অনেক দূর্ঘটনা এড়ানো যাবে।

আর তারেক মাসুদ যে দূর্ঘটনায় নিহত হলেন সেই গাড়ীর দূর্ঘটনা পরবর্তী অবস্থান দেখে কিন্তু আমার মনে হল বাস ড্রাইভারেরই দোষ। কারণ, মাইক্রোটি রাস্তার বাম পাশেই ছিল (বাংলাদেশে যেহেতু বাম পাশ দিয়েই গাড়ি চলে), তাই মনে হয় না মাইক্রোবাস ড্রাইভারের তেমন কোন দোষ আছে। তবে, ঢালাওভাবে ড্রাইভারকে দোষ দেয়ার চেয়ে আমি ব্যবস্থাপনাকেই দোষ দেয়ার পক্ষপাতী ....

-------------------------
ওরা কাদা ছুড়ে বাধা দেবে ভাবে -ওদের অস্ত্র নিন্দাবাদ,
মোরা ফুল ছড়ে মারিব ওদের, বলিব - ‘‘আল্লাহ জিন্দাবাদ”


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ঠিক নিশ্চিত না ব্যাপারটিতে।

এ জাতীয় দূর্ঘটনা হাই ইম্প্যাক্ট করে। হতে পারে ধাক্কা লাগার পর সেটি বাম দিকে চলে আসে।

তবে ছবি দেখে মনে হয়েছে যে ড্রাইভার সাইডে (ডান দিক) আসল ধাক্কা গেছে। সেটার মানে হতে পারে যে বাসটিই তার ওপর এসে পড়েছিল। মাইক্রো ওভারটেক বা অন্য কোন কারনে লেন পরিবর্তন করে গেলে মূল ধাক্কা আসার কথা বাঁ দিকে।

আমি জানি না কেন দূর্ঘটনাটি কেন বা কিভাবে হল এ নিয়ে কারো তেমন মাথা ব্যাথা নেই। ভাল ভাবে তদন্ত করা দরকার। শেখার আছে হয়ত অনেক কিছুই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ পোস্ট।

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কমেন্ট করার কিছুই নেই

Nirob Manush


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আদিল মাহমুদ,

তাই তো বললাম, সকল এক্সিডেন্টই মানুষের ভুলের কারণে হয়।
হিসেবের ভুল, চোখে দেখার ভুল এই দুইটা খুবই মারাত্বক, যদিও এসব নিয়ে আলোচনা সতর্ক বাণী সেইফ ড্রাইভিং এর উপর বিভিন্ন লেখা সোর্স থেকে পাওয়া যায়। আমাদের বাংলাদেশে এসব নিয়ে লেখার ও পড়ার সময় কি আর কারো আছে? উন্নত দেশগুলোতে আকষ্মিক আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে, সামনে রাস্থার অবস্থা কেমন, স্পীড লিমিট কতো হবে এসব সহ রাস্থার ওয়ার্নিং সিগন্যালও বদলে যায়।

যান্ত্রিক ত্রুটি (ব্লেক ফেল, টায়ার ফেঁসে যাওয়া) এ জন্যেই বছরে একবার গাড়ি এম ও টি পাস করাতে হয়, নির্দিষ্ট মাইল ড্রাইভের পরে সার্ভিস করাতে হয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে হিসেবের ভুল ও চোখের বা দেখার ভুল যাতে না হয় তার জন্য কি কি সতর্কতা অবলম্বণ করা প্রয়োজন সেগুলোও জানিয়ে দেয়া হয়। আমি জানিনা আমাদের দেশে হাই-ওয়ে কোড এ এসব লেখা থাকে কি না, তবে আমাদের বাড়ির মাইক্রোবাস ড্রাইভার বাছিত মিয়া যে কোন বই পড়েনি তা ভাল করেই জানি, কারণ সে বাংলা পড়তেই জানিনা।

পৌর চেয়ারম্যান, পুলিশ ও রাজনীতিবিদদের সাথে আলাপ করে অনুমান করা যায় এদেশের মানুষের জীবনের মূল্য কতো? এক একটা রাস্থা নয় যেন মরণফাঁদ। সিলেট থেকে এক মিটিং এ যাওয়ার পথে গাড়ির ঝাকুনিতে আমার বমি হওয়ার উপক্রম। আমার পাশে বসা সাংসদকে জিজ্ঞেস করলাম আপনারা এই রাস্থা দিয়ে চলেন, আপনাদের মনে কোন প্রশ্ন জাগেনা? বন্ধু সুলভ হাসি ঠোঁটে তুলে বললেন- কিছুদিন থেকে যান অভ্যেস হয়ে যাবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কানাডাতে পেশাদার চালকদের (যারা বাস/ট্রাক চালায়) দিনে একটা নির্দিষ্ট সময়ের ( সম্ভবত ৮ ঘন্টার) চেয়ে বেশী গাড়ি চালানোর নিয়ম নাই। অন্যদিকে বাংলাদেশে বাসের চালকেরা দিনে এক ঠেকে দেড় বার ঢাকা-চট্টগ্রাম আসা-যাওয়া করেন। এই পরিস্হিতিতে ড্রাইভারের ক্লান্ত আর একঘেঁয়ে হয়ে ওঠা খুবই স্বাভাবিক। পাসিং লেন যদি করাও হয়, এরা স্বভাবতই সেই পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সুযোগ পেলেই ওভারটেক করতে চাইবে। এই ড্রাইভারদের প্রায় কারোরই কোন ট্রেনিং নাই, হেলপার থেকে শিখে শিখে ড্রাইভার হওয়া অথবা আবুল-শাহজাহানের সুপারিশ - এই হচ্ছে এদের যোগ্যতা।

চমৎকার একটা পোষ্ট Star Star Star Star Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলেই তাই।

ড্রাইভার ফ্যাটিগ একটা বড় কারন হতে পারে এক্সিডেন্টের। কোথাও পড়েছি সেই মাইক্রো ড্রাইভার বেশ ক্লান্ত ছিল, তার আগের টানা দুদিন মনে হয় সে ভাড়া খেটেছে।

ড্রাইভিং এর অতি বেসিক রুল হল পূর্ন সূস্থ বোধ না করলে গাড়ি চালিয়ো না। আমাদের দেশে তো মনে হয় উলটো, সূস্থ অবস্থায় চালাবার উপায় নেই।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল লিখেছেন। যাদের জানা দরকার তাদের কিভাবে জানাবেন?

**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে আমি একেবারেই নাচার। দেশে যারা আছেন তারা হয়ত চিন্তা করে কিছু আইডিয়া বার করতে পারেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন পোস্ট, কিন্তু বোধহয় কোন কাজে আসবে না।

কারণ এত কিছুর কিছুই এদেশে হবে না আর হলেও কাজে লাগবে না, যেখানে সরকারের এক মন্ত্রী বলেন যে রাস্তায় গরু, ছাগল, মোষ চিনতে পারলেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যাবে। এখানে কীই বা আর আশা করা যায়। Sad


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেবা,

এ ব্যাপারে দুদিন আগেই একটা জোক্স দেখলাম।।।

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গেছে একজন।

তাকে পরীক্ষক নানান সিগনাল, মার্কিং দেখায়, সে কিছুই চেনে না।

সব শেষে তাকে যোগাযোগমন্ত্রী ও নৌমন্ত্রীর ছবি দেখানো হল।।।এদের চেন?

সেই প্রার্থী এবার লাফিয়ে বলে, হ্যা হ্যা এনাদের খুব ভাল চিনি।

পরীক্ষক সাথে সাথে তাকে লাইসেন্স দিয়ে দিলেন, কারন মন্ত্রীদের নির্দেশ আছে গরু ছাগল চিনতে পারলেই লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া হবে।

কাজে আসবে না আমিও জানি। এত গুরুতর সমস্যা এক ব্লগের লেখায় কিছু হবে না। তবে শুরু করা দরকার, বসে থাকলতে তো অবস্থা আরো দিনে দিনে খারাপই হবে। সে শুরুর জন্য কিছু প্রারম্ভিক জ্ঞান দরকার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল মাহমুদ ভাই,
খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরামর্শ সম্ভলিত একটি পোষ্ট লিখেছেন । কাজের জিনিস।

তবে এসব ব্যাপারে আমিও পোষ্ট দিয়েছিলাম। দেখেছেন কিনা জানিনা, পোষ্টগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সমস্যা চিহ্নিত কওে মহাসড়ক দূর্ঘটনা রোধে সমাধানও দেখিয়েছিলাম। লিংক গুলো দেখতে পারেন।
তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের সড়ক দুর্ঘটনা , টার্নিং পয়েন্ট ও রোড ডিভাইডার না থাকায় নয়তো?

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতি: মহাসড়কের টার্নিং পয়েন্টে (বাঁকে বাঁকে) মিনি রোড ডিভাইডার অথবা স্পিড ব্রেকার বাঁচাতে পারে হাজার মানুষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডিভাইডার লাগিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কিন্তু যত সোজা ভাবেন অত সোজা না। এতে উলটো ফল হতে পারে, সে আশংকা বেশ ভালই আছে। তাতে হয়ত মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষ এড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সেই ডিভাইডারের সাথে বেশী বেগে বেমক্কা লাগলে গাড়ী বাস নিজে থেকেই উলটে যেতে পারে।

ডিভাইডার দিতে হলে রাস্তা একটি নির্দিষ্ট মানের চওড়া হতে হবে; কারন ডিভাইডারের কিনারা থেকে গাড়ি যেন সব সময় অন্তত ফুট দুয়েক দুরে থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

আরো মনে রাখতে হবে যে ড্রাইভার বিহেভিয়ার খুব বড় ব্যাপার। আপনি যদি সারা দেশের রাস্তায় এই জাতীয় কোন ব্যাবস্থা না করে কেবল একটি রাস্তার অল্প কটি মোড়ে এটি লাগান তবে ড্রাইভাররা এতে অভ্যস্ত হবে না। তাদের প্রবনতা থাকবে রাস্তা অন্য অংশের মতই ডিভাইডার মুক্ত এটা ধরে নেওয়া, যার কারনে দূর্ঘটনা বেড়েও যেতে পারে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই,
আমি দূর্ঘটনার একটি পয়েন্ট (টার্নিং পয়েন্ট / সড়কের বাঁক) দেখিয়ে দিয়েছি, দিয়েছি ২টি অপশন। আপাতত কমপে ৪লেনে সকল মহাসড়ক উন্নীত করা না হওয়া পর্যন্ত যে কোন প্রক্রিয়ায় আমাদের ঐ পয়েন্ট গুলোর সমাধান দিতে হবে, ফলে অনেক দূর্ঘটনা হতে প্রাণ বাঁচবে, যা ইতি পূর্বে যুগ ধরেও তেমন বেশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নাই। আর এই ধরনের কৌশল কোথাও দেখেননি ফলে এর সহমত পোষন করতে পারছেন না। এটি আমার গবেষণারই একটি ছোট্ট প্রস্তাব। এভাবে শুধু আপনার কথাই আপনি আমার বহু পোষ্টেও আড়াআড়ি ভাবে বলে গিয়েছিলেন।

তবে দেখুন এখন এই ধরনের কৌশলেই কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। তাহলে কি তারা আপনার চেয়ে ভাল বোঝে না? দয়াকরে কথাটিতে মনে কষ্ট নেবেন না।

লিংকটি দেখতে পারেন ঃ-
ঢাকা-আরিচা সড়কে মোট ১৭টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকে দ্রুত বিভাজক স্থাপনের নির্দেশ দেন যোগাযোগমন্ত্রী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ ধরনের সিদ্ধান্ত যত সহজে নেওয়া হচ্ছে আদতে অত সহজে নেওয়া উচিত নয়। ডিভাইডার দেওয়া যাবেই না এমন কথা কি আমি বলেছি? তবে যোগাযোগ মন্ত্রীর এক কলমের খোঁচাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে - ব্যাপারটি এত সোজা না।

কারন আগেই বলেছি এতে হীতে বিপরীত হতে পারে। এই সম্ভাবনা কি যোগাযোগ মন্ত্রী চিন্তা করেছেন? তিনি কি বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েছেন, নাকি তার কোন দরকার নেই? আমি ঠিক জানি না। হয়ত আপনার মতই ওনারাও চিন্তা করেননি যে এর মাঝে আবার এত প্যাঁচ থাকতে পারে।

এর জন্য কিছু ষ্টাডির দরকার আছে সিদ্ধান্ত নেবার আগে। দূর্ঘটনা বেড়ে যাবারও সমূহ সম্ভাবনা আছে।

এর জন্য আপনাকে নিশ্চিত হতে যে রাস্তা নির্দিষ্ট মাপের চওড়া আছে।

ডিভাইডার সেকশনের বেশ কিছুটা আগ থেকেই ড্রাইভারকে সতর্ক করার জন্য সাইন দিতে হবে।

রাতের বেলা বিশেষ করে রিষ্ক অনেক বেশী থাকবে, সেজন্য ডিভাইডারে রাতের বেলা দেখা যায় এমন চকচকে কিছু দিতে হবে।

এমন আরো বেশ কিছু পয়েন্ট গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে, সেসবের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাবস্থা নিতে হবে। হুট করে অন্ধের মত ঢাকা শহরের মত ডিভাইডার হাইওয়েতে লাগানো যায় না, খুবই বিপদজনক হতে পারে।

আমি ব্যাক্তিগতভাবে সলিড ডিভাইডার দেবার চাইতে ৬নং ছবির রাম্বল ষ্ট্রীপ ব্যাবহারের পক্ষপাতি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই,
এটি একটি প্রাথমিক প্রস্তাব মাত্র। এটা অবশ্যই সাম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া তো হবে না, বিভিন্ন প্রক্রিয়াই কৌশলটি আপডেট যোগ্য। তারেক মাসুদসহ ৫জনের সড়ক দূর্ঘটনার পোষ্টে মহাসড়কে মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণ, উপযুক্ত ট্রাফিক সাইন, রোড ডিভাইডার সম্পর্কে তথ্যও আমি দিয়েছি। ধরুন, একটি বিল্ডিং করতে হলে প্রথমে তো প্রস্তাব রাখতে হবে বিল্ডিং করতে হবে, নাকি শুরুতেই বলতে হবে রড, সিমেন্ট, পেরাক, গাজালি ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়া বিল্ডিংটা করতে হবে, এটা অবশ্যই বিশেষজ্ঞ দ্বারা সাম্ভাব্যতা যাচাই করে পর্যায়ক্রমে যা যা প্রয়োজন তাই করতে হবে। ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি তো তাই বলেছি। আগে এত উত্তেজিত হলেন কেন তাহলে?

আপনার দেওয়া খবর মত তো যোগাযোগ মন্ত্রানালয় সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে। কোন ষ্টাডি করছে বা তেমন কিছুর খবর তো দেখছি না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না ভাই আমি কাউকে খবর দেইনি।

ঘুরে ফিরে কিন্তু একই কথা। তবে আপনি সরাসরি আমার প্রস্তাবটিকে গ্রহণযোগ্য স্বীকার করতে চাচ্ছেন না মনে হয়। যাক অনেক মানুষ হয়ত এরকমই হয় মনে হয়। ভাল থাকবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব,

যাক অনেক মানুষ হয়ত এরকমই হয় মনে হয়।


আপনিএ সমস্যা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন ভাল কথা। তবে মনে হয় সাথে সাথে কেন যেন আপনার ধারনা হয়ে যাচ্ছে যে আপনি এ বিষয়ে খুব বড় বিশেষজ্ঞ হয়ে যাচ্ছেন, এবং দুনিয়া শুদ্ধ মানুষ আপনার সব আইডিয়া চুরি করে নিচ্ছে।

এ কারনেই মনে হয় আপনার মনে হচ্ছে যে আমি "আপনার" প্রস্তাব গ্রহন করতে চাচ্ছি না নিজে ভূয়া প্রমান হচ্ছি বলে। তাও ভাল দাবী করেননি যে যোগাযোগ মন্ত্রনালয় আপনার প্রস্তাব চুরি করে নিয়েছে। আপনার প্রস্তাব বলে যা দাবী করছেন তা যে কোন লোক, যার ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে কোন মৌলিক ধারনা নেই তারও মাথায় প্রথম আসবে।

"আপনার" প্রস্তাব যা মিডিয়ান বা ডিভাইডার লাগানো, তা কেন একটু বিপদজনক হতে পারে বা এক কথায় লাগিয়ে দেওয়া যায় না তা আমি আমার মূল লেখাতেই সামান্য ব্যাখ্যা করেছি, যা আপনার কথার পরিপ্রেক্ষিতে এখন আরেকটু ব্যাখ্যা করেছি। এখানে ব্যাক্তিগত ভাল লাগালাগির কিছু নেই।

"এসব সড়কে শহরের মত মিডিয়ান ব্যাবহার করা যায় না কারন তাহলে প্রচন্ড গতিতে হঠাত ভুল বশত আঘাত করলে গাড়ি বাস নিজেই ছিটকে পড়বে। তাই অপেক্ষাকৃত নুতন একটি টেকনোলজি ব্যাবহার করা যেতে পারে যা খুব সম্ভবত আমাদের দেশে এখনো যায়নি। এটাকে বলা হয় রাম্বল ষ্ট্রীপ যা আমেরিকা কানাডায় হরদম দেখা যায় রাস্তার পাশে। "

আমি নিজে এই জাতীয় কোন কমিটিতে থাকলে হাজার বার চিন্তা করতাম যে ফুটন্ত কড়াই এর বদলে জ্বলন্ত চুলা আনা হচ্ছে কিনা। শহরের মধ্যের ডিভাইডার এক জিনিস আর শহরের বাইরে হাই স্পীড পরিবেশে ডিভাইডার সম্পূর্ন ভিন্ন জিনিস।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি বললেন ঃ=
"এসব সড়কে শহরের মত মিডিয়ান ব্যাবহার করা যায় না কারন তাহলে প্রচন্ড গতিতে হঠাত ভুল বশত আঘাত করলে গাড়ি বাস নিজেই ছিটকে পড়বে। "


উঃ
আপনিতো ভাই অনেক কিছু বুঝেন, এটা বুঝেন না ঐসব টার্নিং পয়েন্ট / বাঁকে প্রচন্ড গতিতে ( বেপরোয়া / অসর্তকতার) কারণেই দুর্ঘটনা গুলো ঘটছে। তাহলে কেন প্রচন্ড গতিতে ঐ পয়েন্টে গাড়ি চালাতে হবে হবে? এজন্যই মিনি রোড ডিভাইডার যাতে অন্তত ঐ সব পয়েন্টে মুখোমুখি সংর্ঘষ এড়ানো যায়। যে যদি রোড ডিভাইডারে আঘাত খায় তাহলে তো নিজের ত্র“টির জন্য অন্য গাড়িকে মুখোমুখি দূর্ঘটনা ঘটাবেই। মিনি রোড ডিভাইডার থাকলে এবং উপযুক্ত ট্রাফিক সাইন প্রদানে যদি মিনি রোড ডিভাইডারে আঘাত খেয়ে তার কিছু ক্ষতি হয়, তা হলো চালকের ত্র“টির জন্য, এছাড়া তেমন একটা ভয়াবহ নিহতের আশংকা দেখা যাবে না, মিনি রোড ডিভাইডার না থাকলে তার ত্র“টির জন্য ঐ পয়েন্টে বিপরীত মুখী গাড়িটিও অকারণে দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারে।

আসলে আপনাদের কাছেই আমাদের চাওয়া ছিল। যুগ পার হলেও রাজধানীর যানজট ও মহাসড়কের দূর্ঘটনা রোধে কতটুকু সমাধান এসেছে তাতো সকলেরই জানা। কারও মনে কষ্ট নেবার জন্য বলিনি। প্রতি নিয়ত এই ধরনের পরিস্থিতি গুলো মনে খুব নাড়া দিয়েছিল। যেহেতু বিভিন্ন পদক্ষেপেই এর কার্যকরী কোন সুফল মানুষ পাচ্ছেনা, মনে মনে ভেবেছি এগুলো এতই কঠিন যে কারও মাধ্যমে সুরাহা হচ্ছেনা? ফলে ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছি আমার সাধারণ তথ্য ও গবেষণা দিয়ে মানুষের উপকারের জন্য, এটুকুই।

আপনি বললেন ঃ=
আপনিএ সমস্যা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন ভাল কথা। তবে মনে হয় সাথে সাথে কেন যেন আপনার ধারনা হয়ে যাচ্ছে যে আপনি এ বিষয়ে খুব বড় বিশেষজ্ঞ হয়ে যাচ্ছেন, এবং দুনিয়া শুদ্ধ মানুষ আপনার সব আইডিয়া চুরি করে নিচ্ছে।

উঃ
আমি কোন বড় বিশেষজ্ঞ বলে নিজেকে দাবী করিনি। আপনার কোন গবেষণার তথ্য হুবহু অন্যের নামে পত্রিকায় প্রকাশ হতো তাহলে আপনার কেমন লাগতো? আমার তথ্য ডুপ্লিকেট করেছে বলেই এর আগে পোষ্ট করেছিলাম।
এখন বিষয়গুলো নিয়ে অন্যভাবে তথ্য প্রদান করা কাটা ঘায়ে লবনের ছিটা দেওয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারুক সাহেব,

আপনার সমস্যা খুবই মৌলিক। আপনার তত্ত্বীয় সামান্য পড়াশুনা দরকার আগেও বলেছি, কর্নপাত করেননি। বুঝতেও পারেন না যে কত বড় হাস্যকর কথাবার্তা অবলীলাক্রমে বলে যেতে পারেন। বোঝালেও বুঝতে চান না, নিজে যা জানেন সেটাই ঠিক অন্যরা বেঠিক এমন মনোভাব আঁকড়ে ধরে থাকেন।

ডিভাইডারে আঘাত খায় তাহলে তো নিজের ত্র“টির জন্য অন্য গাড়িকে মুখোমুখি দূর্ঘটনা ঘটাবেই। মিনি রোড ডিভাইডার থাকলে এবং উপযুক্ত ট্রাফিক সাইন প্রদানে যদি মিনি রোড ডিভাইডারে আঘাত খেয়ে তার কিছু ক্ষতি হয়, তা হলো চালকের ত্র“টির জন্য, এছাড়া তেমন একটা ভয়াবহ নিহতের আশংকা দেখা যাবে না, মিনি রোড ডিভাইডার না থাকলে তার ত্র“টির জন্য ঐ পয়েন্টে বিপরীত মুখী গাড়িটিও অকারণে দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারে।


- আপনার চিন্তা চেতনার মধ্যে একচেটিয়ে আসন গেঁড়ে আছে "মুখোমুখি" সঙ্ঘর্ষ। এ ছাড়া দুর্ঘটনা যে অন্যভাবেও ঘটতে পারে এবং সেগুলিও যে মারাত্মক আকারই ধারন করতে পারে তা আপনি চিন্তা করতে পারছেন না। দূর্ঘটনা মুখোমুখি হোক আর ডিভাইডারে লেগে হোক সেটা দূর্ঘটনাই। জেনে শুনে কেউ দূর্ঘটনা বাড়তে পারে এমন ব্যাবস্থা নেবে না। বাস ট্রাকের মত ভারী যানবাহন যদি ৬০ মাইল বেগে রাস্তার মাঝখানের ডিভাইডারে বাড়ি খায় তবে সেটা "কিছু ক্ষতি" পর্যায়ে থাকবে না, বিশেষ করে ব্যাপারটি যদি বাঁকের মাঝে থাকে তবে ভয়াবহতা আরো বেড়ে যেতে পারে। উলটে যাওয়া খুবই সম্ভব। সেটি চালকের ত্রুটি বলে হালকা করে দেখার কোন অবকাশ নেই।

চালকের ত্রুটির কথা উঠলে তো এসব দূর্ঘটনার বেশীরভাগই চালকদেরই ত্রুটি।

চালক সতর্ক হলে তো ডিভাইডারের কোন প্রশ্নই আসার কথা নয়, শুধু বাঁকের আগে সাইন দিয়ে বললেই তো হয় বাঁকের ওভারটেক নিষিদ্ধ। দূর্ঘটনা ঘটলে বলে দিলেই হবে চালকের দোষ। আমরা তো সাইন দিয়ে বলেছিইই সতর্ক থাকতে, ওভারটেক না করতে। একজন দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন প্রকৌশলী শুধু নিজের দায় সারেন না, তাকে সম্ভাব্য আরো অনেক কিছুই চিন্তা করতে হয়। হিউম্যান এররের চিন্তা সবসময়ই মাথায় রাখতে হয়, যেখানে হিউম্যান এররের সম্ভাবনা প্রবল সেখানে অবশ্যই বহুবার চিন্তা করতে হয়। চালকের কোন ত্রুটি থাকবে না এমন ধরে বসে থাকা যায় না।


হাইওয়ে জগতে এমন ঘটনা বহু আছে। একটা ত্রুটি সারাতে কোন নুতন ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা গেছে যে আগের সমস্যা হয়ত দূর হয়েছে তবে নুতন আরো ভয়াবহ সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেটা যাতে না হয় সেজন্যই আমি সতর্ক থাকতে বলেছি, শুধু ডিভাইডার অন্ধভাবে লাগিয়ে দিলেই মুশকিল আসান এমন ভাবনা ধরে বসে থাকা বড় ভুল হতে পারে।

আমার মতে সলিড ডিভাইডার না লাগিয়ে রাম্বল ষ্ট্রীপ অনেক নিরাপদ সমাধান। আমাদের দেশেও নাকি এখন এর ব্যাবহার হচ্ছে।

আমাদের দেশের মৌলিক যে সমস্যা তা সমাধানের সোজা কোন উপায় নেই, এর জন্য দরকার আলাদীনের যাদু চেরাগ। যে বিপুল পরিমান যানবাহন সামান্য পরিমান রাস্তায় চলাচল করে তাতে তেমন কিছু করার নেই। আশা করতে পারেন, অনেকে আশ্বাসও দেবে, কেউ কেউ আপনার মত গবেষনাও করে অনেক কিছু প্রস্তাব করবে। তবে যানবাহন না কমাতে পারলে বা নুতন রাস্তা/লেন যোগ না করতে পারলে চূড়ান্ত ফল তেমন আসবে না।

আমি কোন বড় বিশেষজ্ঞ বলে নিজেকে দাবী করিনি। আপনার কোন গবেষণার তথ্য হুবহু অন্যের নামে পত্রিকায় প্রকাশ হতো তাহলে আপনার কেমন লাগতো? আমার তথ্য ডুপ্লিকেট করেছে বলেই এর আগে পোষ্ট করেছিলাম।
এখন বিষয়গুলো নিয়ে অন্যভাবে তথ্য প্রদান করা কাটা ঘায়ে লবনের ছিটা দেওয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়।


- দয়া করে বুয়েটের দুই প্রফেসর আপনার কথা চুরি করে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছে এমন অভিযোগ দিয়ে যে পোষ্ট দিয়েছিলেন সেটার কমেন্টগুলি ভাল করে খেয়াল করেন।

এটা ঠিক যে আপনার মিনি ওভারপাসের অবাস্তব তত্ত্ব ছবি হিসেবে দেখলে অনেকেরই চিত্তাকর্ষক লাগবে, কেউ কেউ অতি উতসাহে নিজের বলে চালিয়ে দিতেও পারে। তাই বলে সকলে আপনার পেছনে লেগে আছে এমন ধারনা করে থাকা ভুল। আমি এক বাক্যে আপনার ডিভাইডার তত্ত্ব সমর্থন করতে পারছি না দেখে "যাক অনেক মানুষ হয়ত এরকমই হয় মনে হয়।" এমন কথা বলার জন্যই আপনাকে কথাগুলি মনে করাতে চেয়েছি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আগেও লিখেছি যে যানজটের যেমন বহু কারণ থাকতে পারে, তেমন সড়ক দূর্ঘটনারও বহু কারণ রয়েছে। তবে আমি একটি সমস্যা চিহ্নিত করে এর সমাধাণ দেখিয়েছি মাত্র। এখন যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তাদের যদি দৃষ্টি আকর্ষন হয় এবং সম্ভব ও সুবিধা হবে মনে করে তাহলে প্রয়োগ করতে পারে।
আমরা তত্ত্বীয় জ্ঞান সংকট নিয়েই চেষ্টা করে যাচ্ছি দেশের জন্য। ভাই আপনারা তত্ত্বীয় জ্ঞানের অধিকারী। আপনারা সবই জানেন। দুঃখের বিষয় হচ্ছে এ পর্যন্ত আপনাদের দ্বারা এর প্রতিকার আমরা পাইনি। কেন আপনারা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারছেন না ? আমাদের মত মানুষ গুলো কেন চেষ্টা করতে হবে, আপনাদের মত লোক থাকতে, ভেবে দেখবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশে হাজার হাজার পাশ করা যোগ্যতা সম্পন্ন ডাক্তার থাকতেও মানুষ মারা যায়, অনেক সময় তাদের দোষেই মারা যায়। এই প্রশ্নের জবাব ডাক্তারদের কাছে চেয়েছেন কখনো?

আমাদের ক্ষেত্রেও ঘটনা একই। যদিও আমি দেশে কোনদিন কাজ করিনি।

কোন কিছুই বিচ্ছিন্ন নয়, সব সেক্টরই যেমন অভাব, জনসংখ্যার ভীড়ে জর্জরিত, ফান্ডের অভাব, কর্তব্যরত লোকদের দায়িত্বশীলতার অভাব, দূর্নীতি আছে তেমনি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও আছে। আশা করতে পারেন না যে তারা আসমান থেকে নাজিল হওয়া কিছু লোক যারা একেবারে ১৮০ ডিগ্রী ব্যাতিক্রমী কিছু দেখিয়ে ফেলবে।

আপনার উদ্যোগ অবশ্যই সাধুবাদ যোগ্য। শুধু একটু বাস্তবতার চোখে প্রস্তাবনাগুলি ভাবুন, আর তত্ত্বীয় দিকও জানতে চেষ্টা করুন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল যুক্তি দেখিয়ে মন্তব্য দিলেন আদিল মাহমুদ ভাই ধন্যবাদ।
এই বিষয় নিয়ে আর বিষদ মন্তব্যে যাবনা, পরিশেষে এই মন্তব্য দিয়ে শেষ করতে চাই, বহু অবাস্তব কাজও কিন্তু আজ বাস্তবে পরিনত হয়েছে, চাঁদের দেশে যাওয়াটা যেমন অসাধ্য ছিল, কল্পনাও করতে পারেনি, এখন তা বাস্তবে পরিণত হয়েছে, এই রকম অনেক কিছু অবস্তব জিনিষ গুলো আজ বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। সমস্যা গুলোর সমাধানে অবাস্তব বলে দূরে রাখলে চলবে না, কঠিন কিছুর সমাধান দিতে গেলে চেষ্টা, গবেষণা থাকতে হবে, কোন না কোন ভাবে সমাধান আসবে (ইনশাআল্লাহ্)।
ভাল থাকবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কথা ঠিক। অবাস্থব বলে বসে থাকলে হবে না, চেষ্টা চালাতেই হবে তার কোন বিকল্প নেই।

তবে যদি এক তরফা কোন বিশেষ প্রফেশনাল গ্রুপকেই কেবল তাদের ব্যার্থতার জন্য দায়ী করে প্রশ্ন করে যেতে থাকেন তবে তা ফেয়ার হয় না। সে হিসেবে দেশের প্রায় সবাই ব্যার্থ।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট খুবই ভালো হইছে। আগেই পড়ছিলাম। কমেন্ট করা হয় নাই।

glqxz9283 sfy39587p07