Skip to content

৪টি পেরেক, নিয়তির লেখা এবং কতিপয় ছদ্মবেশ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


৪টি পেরেকঃ

বাবা অসুস্থ ছিলেন, ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথী,সাথে ফুড পয়জনিং। প্রফেসরের পরামর্শে CMCH এই ভর্তি করাই। ছাত্রত্বের সুবিধায় চটজলদি একটা কেবিনও ম্যানেজ করে ফেলি।

১৯ নং কেবিন।

পাশের ৪-৫টি কেবিনেই সবসময় তরুণ কিছু পোলাপানের আনাগোনা দেখি। নার্সকে জিজ্ঞেস করে জানা গেলো,
চট্টগ্রাম ভার্সিটির সাম্প্রতিক ছাত্র সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ কর্মীদের কয়েকজন এখানে আছেন।

এতটুকুতেই শেষ, সারাদিন বাবার চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম, রাতে কিছুটা ভালো বোধ করেন তিনি। তাই কেবিনের সামনের জায়গাটায় হাঁটতে বের হলাম। হঠাৎ পেছন থেকে “ইশতিয়াক” ডাক শুনে ফিরে তাকালাম। দেখি কলেজ জীবনের এক বন্ধু। বেচারাকে কলেজ লাইফ থেকেই সবার পেইন হিসেবে জানতো, কাজেই প্যারা খাওয়ার জন্য রেডি হয়ে হাসি মুখে এগিয়ে গেলাম।

কুশল বিনিময়, এ কথা,সে কথার পর জানতে পারলাম, CU তে পড়ুয়া বড় ভাই আহত, তার জন্যই আসা।
বন্ধুর বড় ভাই, তার উপর লীগ কর্মী, দেখতে চলে গেলাম।
পরিচয় দিয়ে হাসিমুখে হাত বাড়িয়ে দিলেন খুব কষ্টে, আধশোয়া অবস্থায় বেশ ভালো কষ্টই হলো।
পরবর্তী কাহিনী আমি একটু সরাসরি বলে ফেলি, কথপোকথন আপনাদের সময় নষ্টের কারণ হতে পারে।

ওনার নাম ফাহাদ, নজরুল ইসলাম ফাহাদ, আমার এক বছরের সিনিয়র, ২০০৮-০৯ সেশনের ছাত্র। উনি সোহরাওয়ারদি হলের বাসিন্দা, যেই হলের ছাত্র শিবিরের সম্পাদক হচ্ছেন নিহত মাসউদ বিন হাবিব। প্রসঙ্গত, একমাত্র শাহজালাল হল ছাড়া চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটির প্রায় সব হলই শিবিরের দখলে।

ঘটনার দিন যখন পুরো ক্যম্পাসে বিচ্ছিন্নভাবে সংঘর্ষ শুরু হয়, তখন সোহরাওয়ারদি হলে কয়েকজন লীগের কর্মীকে মাসউদ সহ অন্য শিবির কর্মীরা ধরে নিয়ে ২৫২নং কক্ষে ঢুকান এবং শুরু করেন অমানুষিক অত্যাচার। ফাহাদের পায়ের উপরের সারফেসে, অর্থাৎ ১ম,২য়,৩য় এবং ৫ম মেটাটারসাল বোনের উপর ৪টা লোহার পেরেক মারে মাসউদ নিজ হাতে। হিমেল, যিনি লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, তার ২টা হাত আর ২টা পা’র জয়েন্ট অর্থাৎ ২টা শোল্ডার, ২টা এলবো আর ২টা KNEE জয়েন্ট হকিস্টিক দিয়ে মেরে ভেঙ্গে দেয়া হয়। তার উপর পরাগ নামের একজন ছাত্র, যে কোন দলের ছিলো না, তার অপরাধ ছিলো সে ফাহাদের সাথে থাকতো- তার হাতের এক পাশ দিয়ে রড ঢুকিয়ে আরেক পাশ দিয়ে বের করে আনা হয়। রডের আঘাতে তার পা থেঁতলে যায়, যার চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।


কোনভাবে অন্য হলের লীগের ছেলেরা খবর পান এসব ব্যাপারে, তারা এগিয়ে আসেন সোহরাওয়ারদি হলের দিকে। তখন তাদের ঐ অবস্থাতেই ফেলে রেখে নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে মাসউদের নেতৃত্বে অন্যরা রড হাতে রওনা দেন। যার একটি ছবি পরদিন প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়।

নিয়তির লেখাঃ

এতটুকু শোনার পর, আমি স্তব্ধ হয়ে বসে ছিলাম। ঠিক ঐ সময় একজন ছেলে কেবিনে ঢুকে সবাইকে বের হয়ে আসতে বলেন। বাইরে যাওয়ার পর যা শুনলাম, তাতে শুধু একটা ইচ্ছাই হচ্ছিলো- রাস্তায় নেমে যেখানে শিবির পাই, পুঁতে ফেলি।

শিবির লীগের অসংখ্য ছেলের নামে কেইস ফাইল করেছে, যেখানে ফাহাদ একজন আসামী মাসউদকে খুনের অভিযোগে। ফাহাদের বাসায় যখন পুলিশ ইনকোয়ারির জন্য যায়, তখন তার বাবা বাসায় ছিলেন, যিনি সঙ্গত কারণেই এসব কিছুই তেমন জানতেন না। পুলিশের মুখ থেকে সবকিছু শুনে তিনি স্ট্রোক করেন এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।

একটু পর ওনার জানাযা, তাই ফাহাদকে সবাই নিয়ে যেতে এসেছেন।

কিছু প্রশ্ন করি, বিবেকের কাছে আপনিও করুন,জবাব কি আসে দেখুন-

১। ফাহাদ নামের ছেলেটাকে এর চেয়ে ঐদিনই গুলি করে মেরে ফেলা কি ভালো হত না তার জন্য?

২। এই ছেলেটা সারাটা জীবন কি নিজের পঙ্গুত্বের বোঝা বয়ে নিয়ে বেড়াবে, নাকি নিজেকে বাবার হত্যাকারী হিসেবে ভেবে নিয়ে দিনাতিপাত করবে?
৩। যদি আপনি আল্লাহর বিচার/নিদেনপক্ষে নিয়তির বিচারে বিশ্বাস করে থাকেন, আপনি কি মনে করেন,মাসউদের মৃত্যু এসবের সাথে একটি অবিচ্ছিন্ন ঘটনা?


ছাত্র রাজনীতিতে বাংলাদেশে ছাত্রের মৃত্যু নতুন কোন ঘটনা নয়, প্রতিটা সংঘর্ষে কোন না কোন দলের কেউ না কেউ দিয়ে যাচ্ছে তার জীবন, খালি হচ্ছে কোন না কোন মায়ের বুক।

কিন্তু শিবিরের হাতে মানুষ আজ পর্যন্ত সহজভাবে মৃত্যু পায় নি, নির্মমতম অত্যাচারের পরই তার মৃত্যু হয়েছে। আর যাদের হয়নি মৃত্যু, তারা সবচে বড় দুর্ভাগা। পায়ের রগ কাটা, হাতে-পায়ের জয়েন্ট ভেঙ্গে দেয়া, পেরেক মারামারি করে আজীবনের জন্য পঙ্গু করে দেয়া হয় তাদের।

সাথে পরোক্ষ ক্ষতি তো বলে শেষ করা যায় না, এখানে যেমন বাবার মৃত্যু, কোথাও হয়েছে সাহসের মৃত্যু।
কোথাও সেই ছেলের উপর নির্ভরশীল পরিবারের বোনের বিয়ে না হবার কারণে বোনের আত্মহত্যা।

এই বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যুই কি শ্রেয় ছিলো না????


ছদ্মবেশঃ

জামায়াতের গঠনতন্ত্রেই আছে-“আমরা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনীতি করি”।

এই একটি বাণী তাদের চরম কুফরীপনার কথা নির্দেশ করে। আল্লাহ তার সার্বভৌমত্ব সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করে রেখেছেন, এই পৃথিবীর আকাশ,বাতাস, মাটি,পানি সব তার সার্বভৌমত্বের কথাই সর্বক্ষণ প্রকাশ করে।

নতুন করে তা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা তীব্র মুনাফেকি ছাড়া আর কিছুই নয়।
বরঞ্ছ, ইসলামের বাইরের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই বানীতে ২টি কারণে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়-

১। এই বাণী স্পষ্টত গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যায়, কারণ ইসলামে গণতন্ত্রের জোরদার স্থান নেই,

২। গণতন্ত্র বলতে “গণ” মানুষের কথা বুঝানো হয়, যেখানে শুধু মাত্র মুসলিম নয়, অসংখ্য ভিন্ন ধর্মাবলম্বীও রয়েছেন। তাদের গঠনতন্ত্রের উক্ত শর্ত স্বাভাবিকভাবে অন্য ধর্মের মানুষের নিরাপত্তার অভাব আরো প্রকট করে তুলে, যেখানে এই উপমহাদেশে ধর্মের নামে মানুষের উন্নাসিকতা আর সহিংসতা নতুন কিছু নয়।

এর উপর, ইসলামে নারী নেতৃত্বের কোন স্থান দেয়া হয় না। এই কথা হাদীসে যেমন আছে, তেমনি জামায়াতের ভগবান গোলাম আযমও নিজ মুখে পূর্বে বলেছেন। সেখানে এখন নিজেদের বাঁচাতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব মেনে নিয়ে তার আঁচল তলে জায়গা খোঁজা তাদের চিরায়ত ভন্ডামির আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি করে।

সাথে আছে শিবির এবং ছাত্রী সংস্থা। শিবিরের কিছুটা বর্ণনা আমি উপরের পোস্টে দিয়েছি, আর লিখে পোস্টটাকে বেশি নষ্ট করতে ইচ্ছা করছে না। ইসলামের ইজারা যেন জন্মসূত্রে একমাত্র তারাই এদেশে পেয়েছেন। শুধু নির্মল বিনোদনের জন্য এই লিঙ্কটা দেখুন -

তাদের কর্মকাণ্ডজন্ম জানুন এখানে-


ছাত্রী সংস্থা নিয়ে কিছু কথা আমার বলার আছে, যেহেতু এই একটা সংগঠন সবসময় পর্দার আড়ালে থেকে যায়। ধীরে ধীরে এই সংগঠন সকলের মাঝে মৌলবাদ আর ধর্মান্ধতার যে বিষবাষ্প ঢুকিয়ে দিচ্ছে, তা সত্যি আতঙ্কিত হবার মত। একে তো নারী হবার কারণে তাদের ভন্ডামি জেনেও অনেকে চুপ থাকেন, নারীদের কিছু বলাটা আমাদের সমাজের চোখে কখনোই ভালো চোখে দেখা হয় না। তাই শুধু নারী হবার সুযোগটাকে ব্যবহার করে শিবির ছাত্রী সংস্থার মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।

এর আরেকটা সুবিধাও পান শিবিরের নেতারা।
ধর্মের দোহাই, তথা সংগঠনের অঘোষিত নিয়মের কারণে নারী সঙ্গ তাদের কাছে কিছুটা দুষ্প্রাপ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেক্ষেত্রে কাজের দোহাই দিয়ে খানিকটা কথপোকথন তাদের মাঝে খানিকটা পুলকেরও সৃষ্টি করে। এটা অস্বাভাবিক নয়,
>যারা কখনো এভারেস্ট দেখেনি, তাদের কাছে উইয়ের ঢিবিও কেওক্রাডাং।

মূলত ইসলামের নাম বিক্রি, নামাজের জন্য ডাকা, হিজাবের গুরুত্ব বুঝানো এসব মহতী কাজের মাধ্যমেই গ্রামাঞ্চলে কিংবা লেডিস হোস্টেলে মন জয়ের চেষ্টা করে ছাত্রী সংস্থা। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের করে তোলে ধর্মান্ধ, জিহাদী মানসিকতার এক উন্মাদ।

জানিনা কি বলতে চাইলাম, কতটুকুই বা বলতে পারলাম, তবু কিছুটা আশা-
আমার মেসেজের একটা শতাংশও কেউ না কেউ পেয়েছেন।

সবার শেষে আমার গুরু কবীর সুমনের একটা কথা দিয়ে শেষ করি-

"রুখে দাও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এই দেশটা জুড়ে,
লালনের কসম, তোমার আমার স্বদেশ আজ যাচ্ছে পুড়ে”

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্টিকি নাকি এইটা

***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনে হয় ভাই

ISHTIAK


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিবিরদের মনে প্রানে ঘৃণা করি।

*********************************

আমি তাদের দলে যারা নিকৃষ্টকে ভালোবাসে
নিকৃষ্ট থেকেই উৎকৃষ্টের সৃষ্টি....
তাই চেয়ে থাকে অবিরত অপলক দৃষ্টি......।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেবুতে দেখেছি আগেই

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেবুতে পড়েছি। Star Star Star Star Star

_________________________________________________________________________________

সিগনেচার নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
স্বেচ্ছায় নেওয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতই ভোগ করা যায় ........................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইশতিয়াক ভাই, কিছু ঘটনা জানলাম। পরিমাপ মতো কষ্ট ভি পাইলাম। কিন্তু এইটা যদি একটা সাহিত্যের অংশ বা গল্প হয়, তাইলে ঠিক আছে কিন্তু, ক্যাটেগরি দেখলাম, ধর্ম, মানবতা, রাজনীতি, কাজেই এটা গল্প নয়। তাহলে এটা এখানে কেন দিলেন ভাই? আমাদের দ্বিলে ঘা দেয়ার জন্য? এই রকম টুকটাক আঘাত তো গত ২০ / ২৫ বছর (সম্ভবত বেশী হবে) ধরেই খাচ্ছি। আবার কেন ভাই? যদি কিছু দিতেই হয়, আমি মনে করি, আঘাত টাঘাত দিয়ে আর কিছু হবে না। প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে, তারুণ্যের উৎসাহ টগবগ করে ফুটিয়ে, সেই লাভায় যদি ছাত্রদের নেতৃত্ব শেখার চর্চাকে রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুরবৃত্তি থেকে পুড়িয়ে ছাড়খাড় করে ছাত্রত্বের মধ্যে ফিরিয়ে আনা যায়, মানে, রাজনৈতিক দলগুলোর মাগনা মাগনা লাশের উৎস আর সম্মুখ সমরের সৈনিক সাপ্লাই যদি বন্ধ করার জন্য ডাক দেয়া যায়, তাহলে কিছুটা গাত্র জ্বালা ঠান্ডা হয়। ঘন্টা বাধার জন্য আর কোন মুজিব নাই??

*************************************************************************
দুটি মানুষের মধ্যে গোপন কথার সংখ্যা এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার অনুপাত একটি ধ্রুবক। যতদিন সম্পর্ক সুস্থ থাকে এই ধ্রুবক সকল তাপ ও চাপে অপরিবর্তীত থাকে।
about.me/anmfarukh


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উরে খাইছে। খোমেনির চামুচরা চরমে আছে ফারুক রশীদের ল্যাঞ্জায় চইড়া বয়ান দেয় আজকাল!

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাইজানের কাছে সত্যকে যদি সাহিত্য মনে হয়, তাইলে আর কি করা।
সকল সাহিত্য সত্য হয় না, কিন্তু সত্য সাহিত্য হতে পারে

ISHTIAK


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এর নামই ব্লগ-ফেসবুক। জীবন ছেনে আনা যে কাহিনীগুলো পত্রিকার পাতায় ছাপা হয় না...


সহমত আরিফ ভাইয়ের সাথে।
বিস্ময় আর ভয়ে ববর্ণ হই যে এই শিবির, জামাতের রাজনীতিতে এখনও কত মানুষের গভীর বিশ্বাস।
আবার অরাজনৈতিক বিশ্বাসও আছে। শুধুই ধর্মীয় বিশ্বাস- এরা নাকি ইসলামের ধারক- বাহক।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘটনার দিন যখন পুরো ক্যম্পাসে বিচ্ছিন্নভাবে সংঘর্ষ শুরু হয়, তখন সোহরাওয়ারদি হলে কয়েকজন লীগের কর্মীকে মাসউদ সহ অন্য শিবির কর্মীরা ধরে নিয়ে ২৫২নং কক্ষে ঢুকান এবং শুরু করেন অমানুষিক অত্যাচার। ফাহাদের পায়ের উপরের সারফেসে, অর্থাৎ ১ম,২য়,৩য় এবং ৫ম মেটাটারসাল বোনের উপর ৪টা লোহার পেরেক মারে মাসউদ নিজ হাতে। হিমেল, যিনি লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, তার ২টা হাত আর ২টা পা’র জয়েন্ট অর্থাৎ ২টা শোল্ডার, ২টা এলবো আর ২টা KNEE জয়েন্ট হকিস্টিক দিয়ে মেরে ভেঙ্গে দেয়া হয়। তার উপর পরাগ নামের একজন ছাত্র, যে কোন দলের ছিলো না, তার অপরাধ ছিলো সে ফাহাদের সাথে থাকতো- তার হাতের এক পাশ দিয়ে রড ঢুকিয়ে আরেক পাশ দিয়ে বের করে আনা হয়। রডের আঘাতে তার পা থেঁতলে যায়, যার চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।


এরপরও যারা ছাত্র রাজনিতিকে ঘৃনা করে না আমি তাদেরকে ঘৃনা করি। সরকারের উচিত এই দেশে ছাত্র রাজনীতি একেবারে বন্ধ করে দেয়া। অনেক অপুর্ন স্বপ্নের মাঝে এটিও একটি স্বপ্ন রয়েই যাবে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভুমি চাচা আপনার জন্য বই রেখে গেছে আমার কাছে। কখন, কোথায় কিভাবে নিবেন।

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
স্বেচ্ছায় নেওয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতই ভোগ করা যায় ........................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রিয়েলি! অবাক কান্ড! বুঝতেছি না কেমনে নিব! আপনে বলেন কেমনে নেয়া যায়?

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেসবুকে দেখেছি, শিবিরের বিরুদে লিখে কি এত লাভ হবে???

i am already first......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন লাভ নাই, কিন্তু চুশীল চোদা যেগুলা আছে, তাদের খানিকটা সত্য জানাইয়া মনের শান্তি পাই

ISHTIAK


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাত্র রাজনীতি থেকে যদি না ছাত্ররা নিজেরা ফিরে না আসে তা হলে রজনৈতিক দলগুলো এদেরকে পুঁজি করে তাদের ব্যবসা চালিয়েই যাবে। অতএব, সাধু সাবধান।


~***********************~

যার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় তার সাথে পিরিতের কথা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদেরকে যে কি বলে গালি দিব খুজে পাইতেছি না। কারন তাতে "গালি" টারে অপমানই করা হবে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামাত শিবির হল হিংস্র পশু, এদের খোলা ছেড়ে রাখা বিপদজনক, তাদেরকে হয় খোয়াড়ে ঢুকাতে হবে না হলে পাকিস্তান পাঠাতে হবে

-------------------------------------
বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনা
ঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথে
আজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহান
সৈনিক, যেন সূর্যসেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামাতি কুত্তার দল, এরা মানুষ না।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট স্টিকি করা হোক

---- আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশী সত্য আমরা বাংগালী ----

glqxz9283 sfy39587p07