Skip to content

জনসংখ্যার চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যাসমূহ বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাস্ট্রে পরিনত করতে পারে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ হলো আমাদের বাংলাদেশ। ভৌগলিক ভাবে বিশাল রাশিয়ার তুলানায়ও এদেশের জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৯০ লাখ। ২০০০ সালে ১৩ কোটি এবং বর্তমানে প্রায় ১৬ কোটিতে এসে

দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে যে হারে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখার জন্য

যথেস্ট হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। ঢাকা শহরে প্রতি বছর হাজার হাজার লোক জীবনের তাগিদে এসে হাজির হচ্ছে। এসে দেখে তাদের জন্যে কোন বাসস্হান নেই, নেই কোন পানি কিংবা পয়ঃনিষ্কাসন ব্যবস্হা। ১৯৫০ সালের ঢাকা শহরের তুলনায় আজকের ঢাকা শহর প্রায় ৪০ গুন বড়।এখনই শহরের বস্তিগুলো গিজগিজ করছে চরম দরিদ্র মানুষজনে যারা কিনা এর চেয়েও বেশি দারিদ্রতার হাত থেকে বাঁচার জন্যে শহরে এসে উপস্হিত হয়েছে। ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২২ কোটি এবং দেশের দক্ষিনাঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অংশ চিরদিনের জন্য পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। আর তা যদি ঘটে তবে দক্ষিণাঞ্চলের ১ থেকে ৩ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়ে দেশের বড় বড় শহরগুলোসহ পার্শবর্তী দেশগুলোতে জলবায়ু শরণার্থী হিসাবে আশ্রয় নিতে পারে।বাংলাদেশ পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল মুনিরুজ্জামানের মতে, এ ধরণের গণ অভিবাসন সৃষ্টি করতে পারে দীর্ঘমেয়াদী খাদ্য এবং পানির অভাব, রোগ-ব্যাধি, মহামারী, ধর্মীয় সংঘাত, এমন কি ইন্ডিয়া পাকিস্হানের মধ্যে পারমানবিক যুদ্ধের মত উত্তেজনাকর পরিস্হিতি।



১৭৯৮ সালে ইংরেজ অর্থনীতিবিদ এবং জনসংখ্যাতাত্বিক থমাস ম্যালথাস তার বিখ্যাত বই An Essay on the Principle of Population প্রকাশ করেন যেখানে তিনি বলেন জনসংখ্যা বৃদ্ধি একসময় খাদ্যশস্য উৎপাদনের হারকে ছাড়িয়ে যাবে। এর যুক্তি হিসাবে তিনি বলেন জনসংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে থাকে Exponentially আর খাদ্য উৎপাদনের হার বাড়ে Arithmetically. ফলশ্রুতিতে জনসংখ্যার বৃদ্ধি এমন এক পর্যায়ে পৌছে যাবে যে তখন তারা সমস্ত খাদ্য শেষ করে ফেলবে এবং কোন উদ্ধৃত্ত থাকবে না যদি জনসংখ্যার বৃদ্ধি দুর্ভিক্ষ, মহামারী, যুদ্ধ কিংবা অন্য কোন উপায়ে রোধ না করা হয়। ম্যালথাসের তত্বের পক্ষের এবং বিপক্ষের সবাই একটা জিনিষ অন্ততঃ মেনে নিয়েছেন যা হলো জনসংখ্যার চাপ এবং অ-পূরণযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত সমস্যার সমাধান যদি আমরা আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সমাধান করতে না পারি তবে তা আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এবং অপ্রিয় উপায়ে হলেও নিজে নিজেই সমাধান হয়ে যাবে, যেমনটি ম্যালথাস বলেছেন সেভাবে। পরিবেশগত সমস্যা প্রায়ই মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের সৃষ্টি করে যা বর্তমানে আমাদের দেশে কোর্ট কিংবা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসিত হয়, আবার কখনও কখনও তা হানহানিতে রুপান্তরিত হয়। জ্যারেড ডায়ামন্ড তার Collapse বইতে দেখিয়েছেন ৯৪ সালের রুয়ান্ডার গনহত্যা শুধুমাত্র হুটু এবং টুটসিদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঘৃণার বহিঃপ্রকাশই ছিলো না, এর সাথে আরও অনেকগুলো কারন জড়িত ছিলো, যেমন অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ভূমির স্বল্পতা । অসংখ্য কৃষক পরিবার একটি নির্দিষ্ট পরিমান ভূমিকে ক্রমাগতভাবে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করতে করতে এমন একটি পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যা কিনা আর একটি কৃষক পরিবারের ঠিকে থাকার পক্ষে যথেস্ঠ ছিলো না। ডায়ামন্ড তার বইতে দেখিয়েছেন ম্যালথাসের তত্বের সবচাইতে খারাপ অবস্হা কিভাবে বাস্তবে পরিনত হতে পারে।



তবে একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন যে একমাত্র পরিবেশ বা জনসংখ্যার কারণেই কোন দেশ বা সভ্যতা অতীতে ব্যর্থ হয়েছে এমন কোন উদাহরণ জানা নেই। সবসময়ই এর সাথে অন্যান্য আরও কিছু কারণ জড়িত থাকে। জ্যারেড ডায়ামন্ডের মতে একটি দেশ বা সভ্যতার ব্যর্থ হওয়ার পেছেনে ৫টি কারন কাজ করতে পারে। এই পাঁচটি কারণের মধ্যে ৪টি কারণই কোন একটি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ন হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। কারনগুলো হলোঃ পরিবেশের ক্ষতিসাধন, জলবায়ুর পরিবর্তন, প্রতিবেশী হিসাবে শত্রু দেশের অবস্হান, বাণিজ্য সহায়ক প্রতিবেশী বন্ধু দেশ। তবে পঞ্চম কারণটি প্রতিটি দেশের জন্যে অতি অবশ্যই খুবই গুরত্বপূর্ন একটি কারণ আর সেটি হলোঃ একটি দেশ তার পরিবেশের সমস্যা সমাধানে যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করে থাকে সেগুলো।



১) পরিবেশের ক্ষতিসাধান:মানুষ যখন অনিচ্ছাইচ্ছাকৃত পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে থাকে। অতীতের সভ্যতাগুলো (যেমন ইস্টার আইল্যান্ড, পিটকেয়ার্নস এবং হেন্ডারসন আইল্যান্ড, আনাসাজি, মায়া, ভাইকিংস, গ্রীণল্যান্ডের নরস্, রুয়ান্ডা, হাইতি ইত্যাদি) যেভাবে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছিলো সেগুলোকে মোটামুটি ৮টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। এই প্রক্রিয়াগুলোর সবগুলোর প্রভাবই যে সবার ক্ষেত্রে সমান গুরুত্বপূর্ন ছিলো তা অবশ্যই নয়। এগুলো হলোঃ বন উজাড় করা এবং প্রাণিদের আবাসভূমি নষ্ট করা; ভূমির ক্ষয়, লবনাক্ততা বৃদ্ধি, উর্বরতা কমে যাওয়া; পানির অব্যবস্হাপনা; অতিরিক্ত পশু-পাখি শিকার; অতিরিক্ত মৎস শিকার; স্হানীয় পশু, পাখী, উদ্ভিদ প্রজাতির উপর বাইরে থেকে আনা প্রজাতির বিরুপ প্রভাব; জনসংখ্যা বৃদ্ধি; এবং প্রকৃতির উপর মাথা পিছু মানুষের গড় প্রভাব বেড়ে যাওয়া।



বর্তমান সময়ে আমরা যে সমস্ত পরিবেশঘটিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি সেগুলো উপরেল্লিখিত ৮টি সমস্যার সাথে আরও ৪টি নতুন সমস্যার সমাহার। এগুলো হলো মানব সৃষ্ঠ জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের জমা হওয়া, জ্বালানী শক্তির সংকট, এবং পৃথিবীর সালোকসংশ্লেষন ক্ষমতার পূর্ন ব্যবহার



এই ১২ টি সমস্যার বেশির ভাগই আগামী কয়েক দশকে আমাদের জন্য বাস্তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেবে। সমস্যাগুলোর সমাধান না করলে তার পরিনতি ভয়াবহ হতে পারে তা বলাই বাহুল্য। সমস্যাগুলো মহামারী কিংবা যুদ্ধের মত অবস্হাতেও রুপ নিতে পারে। এগুলো সমাধানের জন্য আমরা যে পদক্ষেপই গ্রহন করি না কেন তা আমাদের নির্ধারণ করবে পরবর্তী জেনারেশনের শিশু এবং তরুণরা কোন ধরনের বাংলাদেশে বসবাস করবে। আমরা কি পারব আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা এই সমস্যার সমাধান করতে নাকি এই সমস্ত প্রযুক্তিই সৃষ্টি করবে আরও ভয়াবহ সব সমস্যার।







২) জলবায়ু পরিবর্তনঃ সাধারনত আমরা এই টার্মটা দ্বারা মানব সৃষ্ঠ জলবায়ু সমস্যার কথা বুঝি। কিন্তু স্বাভাবিক উপায়েও জলবায়ু পরিবর্তন সাধিত হতে পারে এবং হয়ে থাকে। নিচে



জনসংখ্যার চাপ: বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২০৫০ সালে খুব বেশি আশাব্যঞ্জক হলেও ১.৩৫ হতে পারে। তা সত্বেও জনসংখ্যা গিয়ে দাড়াবে আজকের থেকে আরও ২.৫ কোটি বেশি। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ লোক সমুদ্র তীর থেকে ৬২ মাইলের মধ্যে থাকে। আগামী কয়েক দশকে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিউইয়র্ক এবং মায়ামির সাথে সাথে পৃথিবীর বড় বড় শহরগুলি উপকূলীয় বন্যার কারণে অসহায় হয়ে পরবে। ১৩৬টি বন্দর নগরীর উপর চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর, বিশেষ করে এশিয়ার শহরগুলি সবচাইতে বেশী ঝুকির সম্মুখীন হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর যে দুটি শহরের জনসংখ্যা আনুপাতিক হারে সবচাইতে বেশী বৃদ্ধি পাবে সে দুটি শহর হলো ঢাকা এবং চট্টগ্রাম। খুলনাও খুব একটা পিছিয়ে থাকবে না। যদিও আমাদের এই বদ্বীপ অঞ্চলের কিছু অংশ নদীবাহিত পলির কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার সাথে তাল মিলিয়ে উঁচু হতে থাকবে তবে এক পঞ্চমাংশ অংশ তলিয়ে যাবে পানির নীচে।



গন অভিবাসন: ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপের সাথে সাথে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা কয়েক ফুট বেড়ে গেলে ১০ থেকে ৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পরবে। জলবায়ু শরনার্থী হিসাবে এই বাস্তুহারা মানুষগুলো মূলতঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনার মত বড় শহরগুলো ছড়িয়ে পরার সাথে সাথে প্রচন্ড চাপ ফেলবে দেশের সরকার, এর বিভিন্ন গনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, এবং সীমান্ত এলাকা গুলোতে। গনহারে অভিবাসনের মত একটি ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা খুবই প্রবল। এ অবস্হায় লক্ষ লক্ষ লোক যদি ভারত, বার্মা কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেয়ার আশায় রওনা দেয় তবে শুরু হতে পারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি সমস্যা। পাশাপাশি শুরু হতে পারে মহামারী, দুর্ভিক্ষ, ধর্মীয় সংঘাত, ব্যপক খাদ্য এবং পানির সংকট।



বন্যা এবং খরা: তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে হিমালয়ের হিমবাহের বরফগলা পানি সাধারণতঃ নদ-নদীগুলোর বাৎসরিক পানি প্রবাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়ার সাথে সাথে ভুমিধ্বস, ফ্লাশ ফ্লাড, এবং পাহাড়ী হ্রদগুলোর উপচে পড়ারও কারণ ঘটিয়ে থাকে। তাই হিমালয়ের বরফ গলে প্রতিবছরই বাংলাদেশে মৌসুমি বন্যা হয়ে থাকে। এই মৌসুমী বন্যাগুলো দিনকে দিন আরও বেশী ভয়াবহ রুপ ধারন করছে। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে উত্তারাঞ্চল পরে যায় খরার কবল। হিমালয়ের বরফ গলে শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের বিস্তীর্ন এলাকা পরিনত হবে অনাবাদী এক মরুভুমিতে। তবে আশার কথা এই যে IPCC সম্প্রতি তাদের পূর্বের দেয়া রিপোর্ট সংশোধন করে নতুন করে বলছে যে হিমালয়ের বরফ ২২৫০ সালের আগে গলে শেষ হবে না। আপাততঃ যাকে আমাদের জন্য মন্দের ভালো হিসাবে গন্য করা যায়।



খাদ্য স্বল্পতা: সংবাদ সংস্থা এএফপি এপ্রিল, ২০০৮ -এর প্রথম সপ্তাহে জানিয়েছে- বিশ্বে ৩৩টিরও বেশি দেশে তীব্র খাদ্য সংকট চলছে, যার ফলে বিরাজ করছে গণ-অসন্তোষ। বিশ্বের ৩৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও আছে। খাদ্যের স্বল্পতা বৈশ্বিক সভ্যতা ভেঙে পরার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। মানুষ প্রাকৃতিক সম্পদের উপর ভর করে বেঁচে আছে। মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, ফসলী জমি পানিতে ডুবে যাওয়া কিংবা ভূ-গর্ভস্হ পানির পরিমান কমে যাওয়া -- এই সব কিছুই খাদ্য উৎপাদনের উপর ব্যপক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি শিল্পকারখানা আর বসতবাড়ি নির্মাণে গ্রাস করছে আবাদি জমি। প্রতিদিন দেশে প্রায় ৩২০ হেক্টর কৃষি জমি চলে যাচ্ছে অ-কৃষি কর্মকাণ্ডে। যাতে করে ১৫ লক্ষ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা হারাচ্ছে। ফসলি জমিতে মাটি ভরাট করে গড়ে উঠছে ঘরবাড়ি ও শিল্পকারখানা । বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির ফলে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থা প্রশংসার দাবীদার হলেও ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ১ কোটি লোক দিনে তিনবেলা খেতে পারে না। তারা নীরব দুর্ভিক্ষের শিকার। আজ থেকে ৩০ বছর পরে এই অবস্হা কতটা ভয়াবহ আকার ধারন করবে তা হয়ত আমরা কল্পনাও করতে পারছি না।



কৃষি জমির অকৃষি খাতে রুপান্তর: বিবিএস (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান অধিদফতর) -[sb]এর উপাত্ত অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪৫% পরিবার ভূমিহীন। [/sb] ভূমি জরিপ বিভাগের তথ্য মতে ১৯৭১ সালে আমাদের আবাদি জমির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৭ লাখ হেক্টর। যা ১৯৮৬ সালে এসে দাঁড়ায় মাত্র ৮১ লাখ ৫৮ হাজার হেক্টরে এবং ২০০৩ সালে কমে দাঁড়ায় ৭০ লাখ ৮৭ হাজার হেক্টরে। রাস্তাঘাট, আবাসন ও শিল্পকারখানার ফলে কৃষি জমি দিন দিন অকৃষি খাতে চলে যাচ্ছে। এতে বন্যার পানি নিষ্কাশনের পথে অন্তরায় সৃষ্টি হচ্ছে। ফসলি জমি জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। এতে ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, জমির উর্বরা শক্তি কমবার এবং রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বেড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। সব মিলিয়ে কৃষি জমি কমে চলেছে এবং অবশিষ্ট জমির উপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। ইট ভাটার সংখ্যা বাড়ছে এবং সে কারণেও নষ্ট হচ্ছে আবাদি জমি। ইট ভাটার জন্য সাধারণত ব্যবহার করা হয় আবাদি জমির উপরের উর্বর মাটি। যে মাটি কৃষি আবাদের জন্য খুবই উপযোগী। একবার আবাদি জমির উপরের মাটি কেটে নিয়ে গেলে অন্তত ১৫ বছর সময় লাগে তা আগের অবস্থায় ফিরে আসতে। এর ফলে উৎপাদন হয় ব্যাহত। নদী ভাঙ্গনেও কৃষক হারাচ্ছে আবাদি জমি। কলকারখানার দুষিত বর্জ্যরে কারণে কারখানা-সংলগ্ন আবাদি জমির উর্বরা শক্তি ও ফসল উৎপাদন ব্যবস্থা হ্রাস পাচ্ছে। কৃষক বাধ্য হয়ে তার জমি অন্যের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। সেখানে আবারও গড়ে উঠছে কলকারখানা।



ভূমিকম্প: যদিও ভূমিকম্পকে হয়ত সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সংযুক্ত করা যায় না তবে ভবিষ্যতের ২২ কোটি মানুষের আয়তনে ছোট হয়ে যাওয়া বাংলাদেশে একটা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পও ব্যপক ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা রাখে। বাংলাদেশে প্রতিবছরই ৪ থেকে ৫ মাত্রার বেশ কিছু ভুমিকম্প নিয়মিত অনূভূত হয়। ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়া প্লেট বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে দিয়ে গেছে তবুও ঐ অঞ্চলে একটা ৮/৯ মাত্রার ভুমিকম্প বাংলাদেশে আসতে আসতে পলিমাটির গঠনের কারণে হয়ত ৫-৬ এ গিয়ে দাড়াবে তারপরও সেটা কল্পনাতীত ঘনবসতিপূর্ন ঢাকা শহরে ব্যপক ক্ষতি করতে সক্ষম হবে। আর বঙ্গোপসাগরের নিচে যে ফল্ট লাইন আছে সেখানে ভুমিকম্প হলে তো সুনামীর আশংকা আছেই। বাংলাদেশ এবং আশেপাশের এলাকাতেও বেশ কিছু ফল্ট জোন আছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বগুড়া ফল্ট জোন, ত্রিপুরা ফল্ট জোন, সাব-ডাউকি ফল্ট জোন, শিলং ফল্ট জোন, আসাম ফল্ট জোন, সিলেট ফল্ট এবং কোপিলি ফল্ট।ইতিহাস থেকে আমরা জানি এই ফল্টগুলাতেও ৭ থেকে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে যা হয়ত বাংলাদেশে আঘাত হানার আগে দুর্বল হয়ে পরলেও যথেষ্ঠ ক্ষতির কারণ হতে পারে।



রোগ-ব্যাধি এবং মহামারী:জলবায়ুর পরিবর্তন জলবায়ুর সাথে সংবেদনশীল রোগ-ব্যাধির ছড়াতেও প্রভাব রাখবে। এরকম একটি রোগ হলো ম্যালেরিয়া। উষ্ন এবং বর্ষণসিক্ত আবহাওয়াই ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। গত ৩০ বছরে ম্যালেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটা এখন বাংলাদেশে একটা প্রধান স্বাস্হ্য সম্পর্কিত সমস্যা। প্রায় ১.৫ কোটি মানুষ বর্তমানেই ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হাই রিস্কে আছে। অন্যান্য রোগের মধ্যে ডিসেন্ট্রি, ডায়রিয়া, হিট স্ট্রেস থেকে হাইপার টেনশন, এ্যাজমা, এবং বিভিন্ন রকমের চর্মরোগের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাচ্ছে বলে গবেষকরা মত দিচ্ছেন। এর পাশাপাশি বার্ড ফ্লু এবং সোয়াইন ফ্লু সহ অন্যান্য নতুন ধরনের ভাইরাস প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন অবস্হায় ভয়াবহ ধরনের মহামারী সৃষ্টি করতে পারে। জেনেভায় বিশ্ব স্বস্হ্য সন্মেলনে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল, ১৭ই মে, ২০১১, সোয়াইন ফ্লু এবং এভিয়ান ফ্লুর মত রোগ প্রতিরোধে উন্নয়নে সহায়তা কারী দেশের প্রতি সাহায্যের আহবান জানিয়েছেন।





৩) প্রতিবেশী হিসাবে শত্রু দেশের অবস্হানঃ বর্তমানে এইকারনটি আর শুধু প্রতিবেশীতেই সীমাবদ্ধ নেই। পরিবেশজনিত কারণে বা অন্য কারনে যখন একটা দেশ দুর্বল হয়ে পরে তখন সাধারনত শক্তিশালী দেশটি সামরিক অভিযানের মাধ্যমে অন্য দেশটির ভেঙে পরার কারন হয়ে দাড়ায়। আমাদের জন্যে আপাততঃ এটি ছিন্তার কারন নয়।



৪) বাণিজ্য সহায়ক প্রতিবেশী বন্ধু দে্‌শঃ এটা হলো ৩ নম্বরের বিপরীত। তবে অনেক ক্ষেত্রেই শত্রু এবং বন্ধু উভয়ই একই হতে পারে। শত্রুতা এবং বন্ধুতা ক্রমাগতই পরিবর্তন হয়ে থাকে। বেশীর ভাগ দেশই প্রতিবেশী দেশটির উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল হয়। বিশেষ করে ছোট দেশগুলি বড় দেশটি থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি আমদানী করে অথবা তাদের যে সাংস্কৃতিক বন্ধনটা থাকে তা তাদেরকে মিলেমিশে থাকতে সাহায্য করে। ফলে প্রতিবেশী দেশটি যদি নিজেই কোনকারণে দুর্বল হয়ে পরে এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করতে না পারে বা কোন কারনে সাংস্কৃতিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পরে তবে নির্ভরশীল দেশটিও ক্ষতিগ্রস্হ হতে পারে। অন্যদিকে বন্ধুদেশটি যদি হঠাৎ করে সাহায্য করা বন্ধ করে তাহলেও দেশটি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।



ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ডন বেল্ট আমাদের জানাচ্ছেন ভারত বাংলাদেশের সীমান্তে বরাবর ২৫০০ মাইল দীর্ঘ কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে তাদের দেশে জলবায়ূ শরনার্থী প্রবেশের পথ বন্ধ করছে। আর এরই পূর্ব পরিকল্পনা হিসাবে প্রতিদিন সীমান্তে গুলি করে মানুষ মারছে যাতে করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বাংলাদশের মানুষের কাছে একটা শক্ত মেসেজ পৌছায় যে ভবিষ্যতে গন অভিবাসন নেয়ার চেষ্টা প্রতিরোধ করা হলে কেউ যেন তাদের দোষারোপ না করে। কিন্তু লক্ষ লক্ষ লোক যদি ভারতের সীমান্তে গিয়ে উপস্হিত হয় তবে বুলেট তাদের বেশিক্ষন ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।



৫) সমস্যা মোকাবেলায় গৃহিত পদক্ষেপঃ এই সমস্ত সমস্যা সমাধানে একটা দেশ কি ধরনের পদক্ষেপ নেয় সেগুলো একটি দেশের টিকে থাকার জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে। এই সমাধান গুলো পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত হতেও পারে আবার নাও পারে। দেশটি যে পদক্ষেপ নেবে তা নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক প্রতিস্ঠান সমূহ এবং সাংস্কৃতিক মুল্যবোধের উপর। ঐ সমস্ত প্রতিস্ঠান এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ প্রভাব ফেলে একটা দেশ সমস্যার সমাধান কিভাবে করবে বা করার চেস্টা করবে।



১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকেই দুর্ভিক্ষ, রোগ-বালাই, জীবন বিনাশী ঘূর্ণীঝড়, ভয়াবহ বন্যা, সামরিক ক্যু, রাজনৈতিক গুপ্তহত্যা, ভয়াবহ দারিদ্রতা, এবং বঞ্চনার স্বীকার বাংলাদেশের মানুষ। এতসব সমস্যা সত্বেও বাংলাদেশ হলো এমন এক দেশ যেখানে পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সাথে মানিয়ে নেয়াটা সম্ভব বলে প্রতীয়মান হয়।সম্ভাব্য সব ধরনের লো-টেক

অভিযোজন প্রক্রিয়াই বাংলাদেশে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছে। প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা জেনেভায় World Meteorological Organisation (WMO)র ১৬তম সন্মেলনে গতকাল বলেন "The fund, we envisage should be adequate, sustainable and easily accessible to meet the full cost of adaptation," আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিটা অভিযোজনই প্রক্রিয়াই হলো একটি সাময়িক সমাধান মাত্র। আমাদের দরকার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান। ১০ থেকে ৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পরলে এরা কোথায় গিয়ে দাড়াবে। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে।



NGO গুলোর সহায়তায় দুর্যোগকালীন বেসিক কিছু স্বাস্হ্যসেবা প্রদানের কাঠামো সরকার দাড় করাতে সক্ষম হয়েছে। তবুও সরকার জলবায়ু শর্নার্থীদের খাদ্য, বাসস্হান, কিংবা স্বাস্হ্যসেবা পুরোপুরি দিতে পারছে না। মাঠপর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা প্রোগাম ৭৭ সালের প্রতিপরিবার ৬.৬ টি শিশু থেকে বর্তমানে প্রিবার প্রতি ২.৭ টি শিশুতে নামিয়ে আনতে সমর্থ হয়েছে যা কিনা আমাদের মত দরিদ্র, অশিক্ষিত একটি দেশের জন্য রেকর্ড। মহিলাদের অর্থনৈতিক এবং শিক্ষার সুযোগ সুবিধা বৃদ্দি করতে সক্ষম হয়েছে। ১৯৯৫ সাল থেকে মহিলাদের বাসার বাইরে কাজে অংশগ্রহনের হার প্রায় দ্বিগুন বেড়েছে। শিশু মৃত্যুর হার নাটকীয় ভাবে কমে গেছে। ১৯৯০ সালে যা ছিলো ১০% তা এখন তা এসে দাড়িয়েছে ৪.৩% এ। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম সর্বোচ্চ। বন্যা উপদ্রুত এলাকার লোকজন, বিশেষ করে চরাঞ্চলে, বন্যার সময় ক্ষতিগ্রস্হরা দ্রুত বাড়ীঘর খুলে আবার দিনে দিনেই তা নতুন জায়গায়, উঁচু ভূমিতে বাড়ী বানাতে সক্ষম হচ্ছে। লবনাক্ততা প্রতিরোধক ধান উৎপাদন এবং বাঁধ নির্মান করে নিচু চাষযোগ্য জমি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। ফলশ্রুতিতে ধানের উৎপাদন ১৯৭০ সালের তুলানয় বর্তমানে প্রায় দ্বিগুন হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাঁধ উপচে পড়ে পানি জমিতে একবার ঢুকে পরলে তা একটি বিশাল অঞ্চলকে জলাবদ্ধ ভূমিতে পরিনত করে যা বছরের পর বছর অনাবাদী হয়ে পরে। তবে এই বাঁধগুলোকে বন্যা চলে যাওয়ার পর কেটে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্হা করলে নতুন পলিযুক্তু হয়ে একই সাথে উর্বর ফসলী জমি এবং আগের চেয়ে উঁচু জমিতে পরিনত করতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলের এটি করা অত্যন্ত জরুরী। এর ফলে নদীর নাব্যতাও বৃদ্ধি পায়, এবং জেলে সমাজও মাছের ফলন বেশী হওয়ার সুযোগ গ্রহন করতে পারে।



জনসংখ্যার নিয়ন্ত্রনই সবচাইতে সহজ উপায়ে আমাদের সব সমস্যার সমাধানের উপায় না। বস্তিগুলাতে গাদাগাদি করে থাকা মানুষগুলোর সাহায্য প্রয়োজন। আর তাদেরকে সাহায্য করার উপায় হলো তাদের দারিদ্রতা দূর করা এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন করা। কঠোর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনও বাংলাদেশকে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না।



লক্ষ লক্ষ লোক ইতিমধ্যেই বিদেশে কাজ করে দেশের জন্য একটা উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্স নিয়ে আসে। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ ভারত সহ অন্যান্য দেশের সরকারের সাথে ইমিগ্রেশন পলিসিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা যাতে করে অন্তত পক্ষে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠির একটা বিরাট অংশ অভিবাসনের সুযোগ পায়। অনেকটা পরিকল্পনা করেই মেধা পাচার করতে হবে যাতে উভয় দেশই এথেকে লাভবান হয়। আর পার্ব্ত্য চট্টগ্রামের উপস্হিত জলবায়ু শরনার্থীদের কারনে পাহাড়ী-বাঙালী সংঘর্সের মাত্রা যে আরও অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য। লক্ষ লক্ষ জলবায়ু শরনার্থীর আগমনে সেখানকার জমি এবং সম্পদ নিয়ে টানাটানির ফলে সেখানে তৈরী হতে পারে জাতিগত বিদ্বেষ যা কিনা আমাদের ঠেলে দিতে পারে রুয়ান্ডার মত পরিস্হিতির দিকে। যদি জলবায়ু পরিবর্তনের সবচাইতে খারাপ অবস্হার সম্মুখীন হওয়ার আগেই আমরা ৮ থেকে ২০ মিলিয়ন লোককে অন্যান্য দেশে অভিবাসন করাতে সক্ষম হই তবে হয়ত একটা ভয়াবহ পরিস্হিতি সামাল দেয়া সম্ভব হবে।



পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষের মত আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সুযোগ নেই কারন আমাদের বর্তমানটাই হলো অন্যদের ভবিষ্যত। আমরা এখনই জনবহুল এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনেই। বঙ্গোপসাগরের উচ্চতা ইতিমধ্যেই কিছুটা বেড়ে গেছে। উপকূলীয় অঞ্চলের জলাশয়গুলো লবনাক্ত হয়ে পরেছে। নদীবাহিত বন্যা আরও ধ্বংসাত্মক আকার ধারণ করেছে, ঘূর্ণিঝড় গুলো আরও অনেক বেশি শক্তি নিয়ে উপকূলীয় অঞ্লচগুলোতে আঘাত হানছে। প্রতিদিন হাজার হাজার লোক ঢাকা শহরে এসে উপস্হিত হচ্ছে। ঢাকা শহরে এখন আর নতুন মানুষের স্হান দেয়ার মত অবস্হায় নেই। এ শহর এখনই মানুষের ন্যুনতম চাহিদা পূরন করতে অক্ষম। আমাদের সবচাইতে বড় ভুল চেস্টা হবে যদি আমরা সব সমস্যার মাঝ থেকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন সমস্যাটি খুঁজে বের করার চেস্টা করি। যে কোন একটি সমস্যার সমাধানে বিফল হলেই আমাদেরকে তা বিপদজ্জনক অবস্হায় ফেলে দিতে পারে। পরিবেশ সমস্যার সমাধানে অবশ্যই হবে, আমাদের ছেলে মেয়েরা বেঁচে থাকতেই হবে। এখন কথা হচ্ছে সেই সমাধানকি আমাদের নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোন ভাল উপায়ে হবে নাকি যুদ্ধ-বিগ্রহ, গনহত্যা, দুর্ভিক্ষ, রোগ-বালাই, অথবা মহামারীর মাধ্যমে হবে। যার ফলাফল হবে বাংলাদেশ একটি বিফল রাস্ট্রে পরিনত হওয়া।







Source:

1. Collapse: How Societies Choose to Fail or Succee - By Jared Diamond

2. The Coming Storm - By Don Belt National Geographic May, 2011

3. Population 7 Billion - By Robert Kunzig; National Geographic, April, 2011.

4. কমছে আবাদি জমি, বাড়ছে খাদ্য অনিশ্চয়তা - সাহারা তুষার

5. Climate Change Impacts and Responses in Bangladesh - Saleemul Huq and Jessica Ayers

6. EARTHQUAKE DATABASE AND SEISMIC ZONING OF BANGLADESH By MD Hossain Ali

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৯০ সাল থেকে সে প্রসেস শুরু হয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফারমার, ব্যর্থ রাস্ট্রে পরিণত হওয়ার কথা বলছেন?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস

হ্যাঁ।্,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২০৫০ সালে সরল বৃদ্ধি হারে লোক সংখ্যা হবে ২৭ কোটী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফারমার, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও কমানো সম্ভব এবং কিছুটা হলেও কমবে। আমরা যতই ক্ষুদ্রঋণকে গালাগালি করিনা কেন খ্ষুদ্রঋণ নারীদের হাতে কিছুটা হলেও ক্ষমতায়ন করতে সমর্থ হয়েছে। তারা এখন গ্রুপ লেভেলে হলেও নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারছে। পাশাপাশি নারী কর্মীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে এবং তাদের শিক্ষার হারও এখন ছেলেদের তুলনায় বেশী। এসবই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জনসংখ্যা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে। কথা হলো তারপরেও শেষ রক্ষা হবে কিনা সেটাই হলো বিবেচ্য।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফারমার,







২০৫০ সালে সরল বৃদ্ধি হারে লোক সংখ্যা হবে ২৭ কোটী।




বাড়বে জ্যামেতিক হারে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জটিল পরিসংখ্যান। (Y)

তবে, আমাদের বোঝা আর না বোঝা সমান। কারণ আমরা জনগন চেস্টা করলে বড়জোড় পাবলিক হতে পারব, আর কিছু না। সংগ্রহে রাখলাম........... (F)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সোহেল ও রানা, সেটাই... সরকার ব্যস্ত আছে ফান্ড জোগাড়ে, তারপর ব্যস্ত হবে টেন্ডার ডাকায়। (F)

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অশনি সংকেত।



অনেক সাইন তো আজন্মই দেখে আসছি, যেমন খাদ্যের তীব্র সংকট, পরিবেশের অপূরনীয় ক্ষতি।



কথা হল সমাধান কি??? এই সমস্যা যে শুধু মানূষেরই হয় তা নয়, বনের পশুপাখীদেরও হয়। কিছু যায়গার নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতি শুধু খাদ্য বাসস্থানের তীব্র প্রতিযোগিতার ফলেই নিশসিহ্ন হয়ে যেতে পারে। তাই আজকাল অনেক বনাঞ্চলে নির্দিষ্ট মাত্রার বেশী পপুলেশন হলে গুলি করে মেরে সংখ্যা নিয়ন্ত্রনে রাখতে হয়।



এই সমাধান তো আর মানুষের বেলায় সম্ভব না।



জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও তীব্র প্রতোযোগিতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মনে হয় সামাজিক ভাবেও অনেক হয়। যার কারনেই আমাদের অঞ্চলে মানুষে মানুষে বিশ্বাস অনেক কম।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, প্রথমে পোস্টের হেডিংয়ে "অশনি সংকেত" দিতে চেয়েছিলাম। smile :) :-)



জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও তীব্র প্রতোযোগিতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মনে হয় সামাজিক ভাবেও অনেক হয়। যার কারনেই আমাদের অঞ্চলে মানুষে মানুষে বিশ্বাস অনেক কম।






ঠিক তাই। শুধু বিশ্বাস কম না .. হানাহানিও ঘটছে প্রচুর। ভাই ভাইকে মেরে ফেলছে .. ভাতিজা চাচাকে কুপিয়ে মারছে এত নিত্যদিনের খবর। কয়েকদিন আগে একটা নিউজ দেখেছিলাম.. এক মহিলার একটুকরো জমি গ্রাস করার জন্য তার হাতে পায়ে শিকল পরিয়ে পশুর মত আটকে রাখা হয়েছিলো। খবরটা এখন আর খুঁজে পেলাম না। ছবিটা দেখলে বোঝা যায় অবস্হা কত ভয়াবহ হতে যাচ্ছে।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্,



এ কারনেই আমরা কেবলই চারদিকে ষড়যন্ত্র দেখি। ডটু রাসেলের পোষ্ট দেখেন, প্রথম আলোর সম্পাদক নাকি র‍্যাব বাহিনী ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।



আমাদের দেশের সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি গ্রাস, পাহাড়ে সেটলার বসিয়ে জমি দখল এসবই সাম্প্রদায়িক মনে হলেও মূল কারন মনে হয় সম্পত্তি দখল। গুজ্রাটের দাংগার পেছনেও কলকাঠি নেড়েছিল সেখানকার রিয়েল ষ্টেট জায়ান্টরা, এমন থিয়োরী আছে।



একটা জিনিস বুঝি না, ৭১ এর সময় পশ্চীম পাকিস্তান থেকে আমাদের জনসংখ্যা বেশী ছিল। আজকের দিকে পাকিস্তান আমাদেরও টেক্কা দেয় কেমনে?

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোরান হাদিস বলে - যেখানে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিবে সেখানে নাকি প্রকৃতি নিজেই সমাধান করবে।



প্রশ্ন হল কি করে? নানান বিপর্যয়ের মাধ্যমে। ৯১ এর ঘুর্নিঝড় দেড় ঘন্টায় প্রায় দুই লক্ষ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। প্রকৃতি ভারসাম্য হীনতা পছন্দ করে না।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@পাভেল চৌধুরী,



"নিশ্চিহ্ন" করে ভারসাম্য?





কোরান হাদিস বলে - যেখানে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিবে সেখানে নাকি প্রকৃতি নিজেই সমাধান করবে।




- এটা তো অনেকটা ডারউইনের ন্যাচারল সিলেকশনের কাছাকাছি হল। যদিও ডারউইন যা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে গেছেন তা মানুষ হাজার বছর ধরেই জানে, "যে সহে, সে রহে"।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@পাভেল চৌধুরী,



৯১ এর ঘুর্নিঝড় দেড় ঘন্টায় প্রায় দুই লক্ষ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। প্রকৃতি ভারসাম্য হীনতা পছন্দ করে না।




৯২ সালে ২ লক্ষ লোকের কারনে ভারসাম্যহীনতা নষ্ট হয়েছিলো এবং প্রকৃতি ২ লক্ষ লোক কমিয়ে ভারসাম্য এনেছিলো। তারপর গত ২০ বছরে কতলক্ষ লোক বেড়েছে? কমপক্ষে ৪-৫ কোটিতো হবেই। এখন কি তাইলে আমরা ভারসাম্যে আছি। Wink

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্,





এখন কি তাইলে আমরা ভারসাম্যে আছি?


নাই তাইত কই কুলফুআল্লা সুরা পড়তে থাকেন। যে কোন দুর্যোগের জন্য প্রস্তুত থাকেন। যেমনে ভুমিকম্প লড়াচড়া করতাছে। কোনদিন ....। আল্লাহ মাফ করুক।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যাদের দুই বাচ্চা দরকার তাদেরকে দুটি বিবাহের সুযোগ দেওয়া হোক। প্রতি জননী থেকে একটা। তাইলে তিন জন মরলে দুইজন বাকী থাকব, এতে জনসংখ্যা গানিতিক হারে কমিবে। প্রতিটি বাচ্চা জন্মানের সাথে সাথে মাকে পারমানেন্ট লাইগেশন পদ্ধতির আওতায় আনলে ভাল হয়।



এই ধারার প্রচলিত থাকলে কন্যা দায়গ্রস্ত পিতারাও সহজেই সুপাত্র পাইবে। সুম্মা - আমিন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শিয়াল মামা, চামে ২ বিয়া করার মতলব। >:) প্রতিটি বাচ্চা জন্মানের সাথে সাথে মা বাবা উভয়কে পারমানেন্ট লাইগেশন/ভ্যাটেসকমি করা দরকার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পোস্ট। (Y) (Y) (Y)

বাংলাদেশকে প্রায় ব্যার্থ রাষ্ট্র এখনই বলা যায়। যাইহোক ভবিষ্যত জনসংখ্যা সবচেয়ে বড় সমস্যা হবে এটা নিশ্চিত। বর্তমান হিসেবে বলা যায় ২০৫০ নাগাদ জনসংখ্যা ২৫ কোটির বেশি হবে, এরপর ৩০ কোটিতে স্ট্যাবিলাইজ হতেও নাও পারে। ২৫ কোটি ঠেকনোর তেমন কোন উপায় নাই। তবে চীনের মত কঠোর ব্যাবস্থা নিলে ২৫ কোটিতে স্ট্যাবিলাইজ করা (অর্থাৎ জনসংখ্য বৃদ্ধির হার শুন্য) সম্ভব। কিন্তু কোন রাজিনৈতিক সরকার কঠোর ব্যাবস্থা নিতে চাইবে না। স্ট্যাবিলাইজেশনের জন্য শতকরা জন্মহার ২.১ এ আনা দরকার। কিন্ত জন্মহার ৩ এর কাছাকছি থেমে বসে আছে। যদি কঠোর ব্যাবস্থার মাধ্যমে ২০১৫ এর মধ্যে জন্মহার ২.১ এ আনা যায় তাহলে ২০৬০ এর মধ্যে ২৫ কোটিতে জনসংখ্যা স্ট্যাবিলাইজ হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শাওন, এর সাথে যদি দেশের এক পঞ্চমাংশ ডুবে গিয়ে আয়তন ছোট হয়ে যায় তাহলে ভেবে দেখুন কি অবস্হা হবে?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখা প্রিয়তে নিলাম। এ লেখা প্রথম পাতায় কয়েক দিন রাখা উচিত। চট-জলদি এর উত্তর হয় না।



আমরাই আমাদের সর্বনাস ডেকে আনছি। (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)

Sabar Upare Manush Satya Tahar Upare Nai.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চেনামানুষ, বুঝতেছি না মডুদের কাছে কোনটা বেশী গুরুত্বপূর্ন। বন্ধুকে নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি না সমগ্র দেশের জন্যে "অশনি সংকেত"?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের বক্তব্যের সাথে সহমত জনসংখ্যার চাপ আগেও ছিল কিন্তু দিন দিন এখন খুবই অসহ্য লাগে, যখন কোন কাজেই গেলেই বিশাল লাইনে খাড়া হয়ে গলদগর্ম হতে হয় , ছোট বেলায় জনসংখ্যার বৃদ্ধির কুফল নিয়ে যেরকম ক্যাম্পেইন হতো এখন ব্যক্তিগত মতে তা অনেকটা স্ববির হয়ে গেছে

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আজাদ মাস্টার, জনসংখ্যা অবশ্যই আমাদের অন্যতম প্রধান সমস্যা তবে অন্যান্য পরিবেশ জনিত এবং জলবায়ু সমস্যার দিকেও আমাদের সমান মনযোগ ও গুরুত্ব দিতে হবে।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রকৃতি অবশ্যই ইনোভায়ারমেন্টাল ডিজাস্টার দিয়া ট্রাই কইরা দেখছে যে এতে খালী গরীব ও অশীক্ষিত লোকরাই বেশী মরে! যদিও এইটা প্রকৃতির জন্য ভালো কেননা এই ক্যাটাগরিই প্রকৃতির সবচেয়ে বেশী ১২টা বাজাইতেছে। এইবার মনে হয় প্রকৃতি সুদুর প্রসারি প্লান করছে। মানে, দ্য এলিমিনেশ প্রসেস বিন স্টার্টেড!!



আগামি দশ বছরে বাংলাদেশে একটা ম্যাসিভ গৃহ যুদ্ধ(!) হওনের সম্ভাবিলিটি আছে যাতে করে একটা উল্যেখযোগ্য অংশই মারা পড়ব। এইটা হইব পিলিটিক্যাল কলাপ্স!

যেমন ধরেন আগামী নির্বাচনে বিম্পী ও জামাত জোট লড়বে তাদের বিপন্ন অস্তিত্ব টিকায়া রাখতে আবার আম্লীগ লড়ব তাগো ক্ষমতা বহাল রাখতে। রাজনীতিতে এই জন্য একটা ম্যাসিভ কলাপ্স আসংকা করা অমুলক হিসেবে দেখি না!



২০১৮ এর নির্বাচনে বেশ কিছু ছোট দলের অস্তিত্ব হুমকীর মুখে পতিত হইব আর বড় দলগুলো লড়ব নিজেদের ক্ষমতায় নিয়ে যাবার অন্য। সেই ক্ষেত্রে পুরা বাংলাদেশের রাজনীতিই দুইটা অংশ জোট বিভক্ত হইয়া যাইব। দলগুলোর অর্থনীতি সচল রাখতে ক্ষমতায় আসা জরুরী সেইজন্য ক্ষমতায় আসার মরিয়া প্রচেষ্টায় লড়াই অবসম্ভাবী!!



আবার ইদানিং দলগুলোতে আন্তঃকোন্দল বৃদ্ধি আসংকাজনক হারে দেখা যাইতেছে। এর প্রধান কারণ হইতেছে স্থানীয় সাম্রাজ্যবাদ। বাংলাদেশের একটা বড় জনগীষ্ঠি সম্পূর্ণ ভাবে রাজনীতির উপর নির্ভরশীল। তাদের ব্যাবসা বাণিজ্যের সময় ততক্ষণই যতক্ষণ তাদের দল ক্ষমতায় থাকে। রাজনৈতিক নেতৃত্বও আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাইতেছে, সহজ উপায়ে অর্থ কামানোর জন্যই এই তৃণমূল নেতাদের উত্থান! নেতা বৃদ্ধির পরিনামে টেন্ডারে প্রতিযোগীতা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উচ্ছিষ্ট জীবী নেতাদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের উচ্ছিষ্ট দখলের প্রতিযোগিতা ও দখল বহাল রাখার প্রতিযোগিতা ইত্যাদী জন্ম দিচ্ছে খুন খারাবীর! যা আরো বৃদ্ধি পাইব! নির্বাচনের পরে পরেই এই বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের অন্তর্কোন্দল অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাবে! এবং বিরাট একটা অংশ মারা পড়বে!!



সো দেখা যাইতেছে প্রকৃতি তথা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বলছেঃ এ ব্যাড টাইম ইজ এহেড হোয়ার দ্য "নেচারাল" উইল্বি ওনলি বেনিফিসিয়ারি!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মুরুব্বি, মুরব্বি চমৎকার একটা পর্যবেক্ষণ করেছেন দেশের জনগণের একটা বিশাল অংশের অর্থনীতি স্বার্থ জড়িত বা নির্ভর করে দুইটা দলের ক্ষমতায় থাকা না থাকার উপরে

পরের ইলেকশনকে উপলক্ষ করে সিভিল ওয়ারের সম্ভবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না যখন উভয় পক্ষই মনে করে ক্ষমতায় থাকার উপরের একমাত্র তাদের টিকে থাকা নির্ভর করে এনিয়ে পারলে আরেকটু বিস্তারিত পোস্ট দেন।

____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মুরুব্বি, পলিতিক্যাল কলাপ্সের ব্যাপারে যা বলেছেন তা ঘটার সম্ভাবনা খুবই বেশী। তবে হয়ত আরও বেশ কিছু বছর সময় লাগবে। তবে আমার মতে তার চেয়েও বেশী সম্ভাবনা হচ্ছে ব্যাপক হারে পাহাড়ী-বাঙালী সংঘর্ষ ঘটার সম্ভাবনা এবং খুব তাড়াতারি। কারণ এটার প্রসেসিং অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। জাস্ট ওয়েটিং ফর দ্য রাইট মোমেন্ট টু এক্সপ্লোড।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম..................

**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম।



বাংলাদেশকে একক এনটিটি হিসাবে বিবেচন করলে ঠিক আছে। কিন্ত গ্লোবালাইজেশনে একটা বিরাট প্রভাব বাংলাদেশের উপরে পড়বে।



আফ্রিকা মহাদেশে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে - এমনকি ইউরোপেও জনসংখ্যা কমে যাবে। তাদের জীবনযাত্রা এই লেভেলে রাখার জন্যে তাদের দরকার হবে জনশক্তি।



বাংলাদেশের মানুষের সার্ভাইবাল পটেনশিয়াল অনেকের চাইতে বেশী। এদের ইমিউনিটিও বেশী। সুতরাং বাংলাদেশ গ্লোবাল কমিউনিটিতে একটা দরকারী দেশ হিসাবে পরিচিত হবে।



বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসাবে টিকে থাকার জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন যে কাজটা করতে হবে তা হলো দূর্নীতি বিরোধী একটা অবস্থানে দেশটাকে নিয়ে যাওয়া। দূর্নীতির কারন যে কোন টিকে থাকার যে কোন পদক্ষেপ ভেস্তে যাবে। যেমন - জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন বা পরিবেশ দূষন বন্ধ করা সবই দূর্নীতির চাপে যদি অসফল হয় তবে আপনার কথাই ঠিক হবে।

----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, বর্তমান অভিবাসন নিয়ম অনুযায়ী আফ্রিকা আর পশ্চিমাদেশগুলো খুব বেশী মানুষকে অভিবাসন দিতে পারবে না। বছরে ৫, ১০ বা ৫০ হাজার? এটা খুবই অল্প একটা সংখ্যা। বরং পশ্চিমা দেশগুলোতে এখন এন্টি ইমিগ্রেশন সেন্টিমেন্ট গ্রো করতেছে। যেটা খুবই আশংকাজনক।



বর্তমান সরকার এবং দলগুলোর পক্ষে দুর্নীতি বন্ধ করা অসম্ভব। কারণ এরাই দূর্নীতিকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তাই সব দিক থেকেই আমাদের হতাশ হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই। আমি কোন পজেটিভ সাইন দেখি না।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্,



আসলেই তাই। ইমিগ্রেশনের ভরসায় খুব সুখী হবার কিছু নেই। আর ইউরোপ কানাডা আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া এরা ইমিগ্র্যান্ট নিলে যে শুধু আমাদের দেশ থেকে নেবে এমন নয়। বহু দেশই ক্যান্ডিডেন্ট আছে। আমাদের কপালে জুটবে তা নিতান্তই গৌণ। এসব দেশও আজকাল বাইরে থেকে, বিশেষ করে আন্ডার ডেভেলপড দেশ থেকে ইমিগ্র্যান্ট না এনে নিজেদের ইন্টার্নাল বার্থ রেট বাড়াতে মনোযোগি হচ্ছে।



হতাশ হওয়া ছাড়া আসলেই কোন তেমন কোন উপায় আমিও দেখি না।



তবে কিছুটা আশা জাগে নুতন কোন টেকনিকে। যেমন সেদিন বিবিসির খবরে দেখলাম যে আমাদের দেশের কোন কোন ইনভেষ্টার কৃষি খাতে আফ্রিকায় ইনভেষ্ট করছে। মানে তারা আফ্রিকার বিরান যায়গায় চাষের জমি লীজ নিয়ে সেখানে ফসল ফলাবে, যার ৪০% সে দেশকে দিতে হবে, ৬০%ই দেশে আনা সম্ভব হবে। এই আইডিয়া বেশ ভাল লেগেছে আমার কাছে, হয়ত খাদ্য সমস্যা এভাবে কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া যাবে, কিছু কর্মসংস্থানও হতে পারে। দেখা যাক কতটা ফলপ্রসূ হয়। কথা হল আফ্রিকায় আভ্যন্তরীন সমস্যা এত ব্যাপক যে এখনই বলা মুশকিল।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, খাদ্য সমস্যা না হয় সমাধান করা গেল ... অন্যান্য সমস্যাগুলোও কিন্তু সমান গুরুত্ব পূর্ন। সেগুলোর সমাধান না করলেও ফলাফল একই হতে পারে। জমি নিয়ে কামড়া-কামড়ি তো এখনও সেভাবে শুরু হয় নাই। যখন হবে তখনকার কথা আর ভাবতে চাই না। ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা দ্বিগুন তিনগুন হলে কি হবে ভেবে দেখেছেন। প্রতিদিন দশটা করে লিমন আইন রক্ষাকারীর হাতে গুলী খাবে। অপরাধীদের কথা বাদই দিলাম। পানি, বিদ্যুত, বাসস্হান, যানজট, এগুলোর অবস্হা চিন্তা করেন। ঢাকা শহর এখনই বস্তির শহর, তখন কি হবে কে জানে?

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্,



ভাই রে, প্রথম চিন্তা পেট নিয়াই করতে হয়। মানুষের মেন্টালিটি দেখেন তো? নিজে খাইতে পারলে ২/৪টা লিমনের ঠ্যাং কাটা গেলে কারো তেমন কিছু যায় আসে না। না খায়া মারা গেলে আর ক্রাইম রেট, বিদ্যুৎ পানি দিয়া কি করবেন।



পানি, বিদ্যুৎ এইগুলা তো অলরেডি গন কেস। আল্লাহ খোদা বলে আসলেই যে কেউ আছে তার বড় প্রমান হল এই গন কেস সিচুয়েশনের পরেও খুব বড় ধরনের গোযোগ হচ্ছে না দেখে। তবে আল্লাহয় আর কতদিন দেখে এইটা হইল কথা। গ্রাউন্ড ওয়াটার যে হারে নামতেছে তাতে সামনের ১০ বছর পর আক্ষরিক অর্থেই ঢাকায় পানি্র জন্য হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, ঢাকা একট বস্তি,বস্তিতে সামান্য আগুনে যেমন ধংস হয়ে যায়,তেমনি সামান্য ভুমিকম্পেই এই বড়লোকেরবস্তি শেষ হয়ে যাবে। এইটারে নিয়া চিন্তাকরনের টাইম নাই।অন্যান্য অংশ নিয়া চিন্তা করেন।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেলের কাঁটা• •,



সেই চিন্তা কইরাই তো আমি আর হোরাস ভাই কাফের নাছারার দেশে থানা গাড়ছি smile :) :-)

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, জিয়া ভাইয়ের কথা বাদ দেন কেন ?

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেলের কাঁটা• •, Laughing out loud



উনি তো বস, আমাগো সব্বাইরে পথ দেখাইছেন। মুরুব্বীর কথা ফেলি কেমনে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বস,আপনার প্রায় সব কথাই বর্তমান সময়ের একটা ক্যালকুলেশন। প্রকৃতি, ক্যালকুলেশনে চলে না। আপনার লেখা আর আমার কাছে যতটুকু তথ্য প্রমান আছে তাতে শুধু বাংলাদেশ একটি বিফল রাস্ট্রে পরিনত হওয়া।তেই সীমাবদ্ধ থাকছে না,এই দেশ থাকবে কিনা তাও নিয়ে সন্দেহের সুযোগ আছে।



যতই আমরা এর বিপরীতে চেষ্টা চালাই আল্টিমেটলী ফলাফল শুন্যই আসবে। ২০৫০ সাল আসতে আর বাকী মাত্র ৩৯ বছর। হাতে নেই মুহুর্তকাল সময় অথচ এখনও দেশে একটা পরিবেশ নীতি বা কৃষিনীতি তৈরি করা সম্ভব হয় নাই। আদৌ হবে কিনা সন্দেহ। কি ভিত্তিতে আমরা চলব ?



নদী-খাল-বিল অনেক আগেই শেষ। মাটি ভরাট করা হচ্ছে পানি নিষ্কাষনের ব্যাবস্থা করেই। স্থায়ী জলবদ্ধতার স্বীকার ভবদহও আমরা দেখলাম। নির্বিচারে গাছ কাটাও দেখছি। কই কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে? বার বার হাইকোর্ট থেকে তাগিদ দেয়া সত্বেও এখনও নদী নালা দখল্মুক্ত করার চেষ্টা নেয়া হয় নাই,যা নেয়া হয়েছে তা শুধু বৈদেশিক ঋণ আনার জন্যই।



বস কোন আশাই নাই,বরং মাইগ্রেট হয়ে কোন সেফ জায়গা যাওয়ার পথ বাৎলান।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেলের কাঁটা• •,



বাংলাদেশ একটি বিফল রাস্ট্রে পরিনত হওয়া।তেই সীমাবদ্ধ থাকছে না,এই দেশ থাকবে কিনা তাও নিয়ে সন্দেহের সুযোগ আছে।




আমি একটু আশসবাদী হইতে চাইছিলাম। Sad

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হোরাস্, আশাবাদী হওয়ার সুযোগ দেখান

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বেলের কাঁটা• •, কোন সুযোগ নাই। Sad

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গত শতাব্দীর ষাটের দশকের শেষ দিকে আমরা যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র, আমার সহপাঠী/পাঠীনির মধ্যে আর কেউ আমার মত সুখী পরিবারের সন্তান ছিল না। মার্কিন সরকারের দাক্ষিন্যে দেশে তখন সবে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির প্রচারনা শুরু হয়েছে, সেই প্রচারনা অনুযায়ী "ছোট পরিবার সুখী পরিবার" এবং "ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট"। তখনকার দিনে ছোটদের উদ্দেশ্যে অপরিচিত এবং স্বল্পপরিচিতদের একটা কমন প্রশ্ন ছিল- তোমরা কয় ভাই বোন? অন্য সবার উত্তর হতো পাঁচ, সাত, দশ, বারো, ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশী। শুধু আমিই খানিকটা গর্ব করে বলতে পরতাম তিন। গর্বের কারন, উত্তর শুনে প্রায় সবাই বলতো- বাহ্ সুখী পরিবার। এখন চিত্র বদলে গেছে, ধনী নির্ধন নির্বিশেষে ছোট পরিবারের সংখ্যাই এখন বেশী।

সত্তরের প্রারম্ভে দেশের জনসংখ্যা ছিল সাত/আট কোটি। তাদের সিংহভাগ মানুষ সারা বছর পেট পুরে খেতে পারতো না, খাদ্য ঘাটতি ছিল বিপুল। এখন জনসংখ্যা হয়েছে দ্বিগুন, তবুও খাদ্য ঘাটতি সামান্য। সারা বছর নিরন্ন থাকে, এমন মানুষ এখন আর নেই বললেই চলে। কৃষি উৎপাদন পদ্ধতি এখনও বলতে গেলে প্রায় সাবেকী ধরনের, কৃষি ব্যাবস্থার সামান্য উন্নতিতেই খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পুর্ন। বর্তমান কৃষিবিদ্যা অনুযায়ী উন্নততর কৃষি ব্যাবস্থায় উৎপাদন আরও তিন-চারগুন হতে পারে, আমার বিবেচনা মতে আমাদের কৃষি ব্যাবস্থা উন্নতির পথেই আছে। সুতরাং জনসংখ্যা দ্বিগুন, এমনকি তিনগুন হলেও পঞ্চাশ-ষাট দশকের মত খাদ্য সংকটজনক পরিস্থিতি আর কখনও আসবে বলে মনে হয় না।

তবে বাস্তু সংস্থান এবং শিল্পায়নের জন্য জমির চাহিদা একটি বড় সমস্যা বটে। পরিকল্পিতভাবে বাসস্থান নির্মান করতে পারলে সে সমস্যাও খুব সহজেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব। বর্তমানের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ এবং প্রহেলিকাময় পরিবেশে তেমনটি হয়তো বাস্তব বলে মনে হচ্ছে না, কিন্তু গরজ বড় বালাই! ভবিষ্যত প্রজন্ম প্রয়োজনের নিরিখেই সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করবেন, অবশ্যই করবেন!

খাদ্য এবং বাসস্থানের অভাব দূর হলে অন্য প্রয়োজনগুলো প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিটে যাবে। হতাশ হওয়ার কোন কারন নাই!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@চিরসবুজ বন,



তবে বাস্তু সংস্থান এবং শিল্পায়নের জন্য জমির চাহিদা একটি বড় সমস্যা বটে। পরিকল্পিতভাবে বাসস্থান নির্মান করতে পারলে সে সমস্যাও খুব সহজেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।




পরিকল্পনা মাফিক কিছুই হচ্ছে না। প্রতি বছর কি পরিমাণ ফসলী জমি নস্ট হচ্ছে তাতো আমার পোস্টেই বলা আছে। এর সাথে জলবায়ুর কারণে এক পঞ্চমাংশ জমি পানির তলে চলে গেলে কি হবে ভাবাই যায় না। চিন্তা করে দেখেন তখনকার ঢাকা শহরে কম করে হলেও দুই-তিন কোটি লোকের বাস হবে। আরও বেশী হতে পারে। ভয়াবহ অবস্হা, তাই না?



বর্তমানের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ এবং প্রহেলিকাময় পরিবেশে তেমনটি হয়তো বাস্তব বলে মনে হচ্ছে না, কিন্তু গরজ বড় বালাই! ভবিষ্যত প্রজন্ম প্রয়োজনের নিরিখেই সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করবেন, অবশ্যই করবেন






ভবিষ্যত প্রজন্মের হাতে ছেড়ে দিলে কোন রকম আশাই নাই। যা করার এখনই করতে হবে, আমাদেরই করতে হবে।

.
~ ‎"বিদ্যা স্তব্ধস্য নিস্ফলা" ~

glqxz9283 sfy39587p07