Skip to content

রোদে পুড়ে রাস্তায় মন্ত্রীরা!!!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘটনাস্থল শাহবাগ মোড়। বেলা তিনটা। হাতে হাত রেখে তৈরি করা হয়েছে বিশাল মানববন্ধন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের ডাকে পালিত হচ্ছে এ কর্মসূচি। রাজধানীতে এক ঘণ্টার এ মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও এর সমমনা দলের নেতা-কর্মীরা। এত মানুষের ভিড়ে ঠিক শাহবাগের চার রাস্তার মোড়ে রোদের মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

বসন্তের আগে আগে এ সময়টাতে দিনের বেলায় রাজধানীতে এখন গরমের আবহ। সেই সঙ্গে দুপুরের রোদ। এসব উপেক্ষা করে কর্মীদের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। টানা এক ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে। এ তিন বছরে কোনও মন্ত্রী এভাবে রোদে পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন এমন নজির নেই। অথচ এদিন সব কষ্ট ঠেলে সাধারণের কাতারে চলে এলেন মন্ত্রীরা।

এভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সম্পর্কে ইয়াফেস ওসমান বলেন, আজ আমি এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছি না। আজ আমি তরুণ প্রজন্মের পেছনে দাঁড়িয়েছি। দেশের ৬৫ শতাংশ নাগরিক এখন তরুণ। এটি শুভ লক্ষণ। কারণ তরুণরাই পারে সবকিছু বদলে দিতে। আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এ দাবিতে একত্রিত হওয়া সবার জন্য একটি অমূল্য সুযোগ।

শুধু ইয়াফেস ওসমান নন, রাজধানীজুড়ে পালিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন সরকারের বেশিরভাগ মন্ত্রী।তিন বছর পর নেতাদের এত কাছে পেয়ে কর্মীরাও কিছুটা উচ্ছ্বসিত।

রমনা থানা আওয়ামী লীগের ৫৩ নং ওয়ার্ডের কর্মী মোহাম্মদ মিন্টু বলেন, মন্ত্রীদের কাছে পেলে খুব ভালো লাগছে। অনেক দিন পর ওনাদের রাজপথে দেখে নিকটজন মনে হচ্ছে। আরও বেশি বেশি বিভিন্ন কর্মসূচিতে আমাদের মাঝে মন্ত্রীদের দেখতে চাই।

শাহবাগ এলাকায় মানববন্ধনে রমনা থানা আওয়ামী লীগ, ওয়ার্কার্স পার্টি, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। তবে এ এলাকায় সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতা-কর্মীরা।

স্বাচিপের এক কর্মী ডা. শাহিন। তিনি সরকারি চাকরি করেন। তারপরও যোগ দিয়েছেন এই মানববন্ধনে। তার কথা যে দাবিতে এই মানববন্ধন সেই দাবিতে সোচ্চার হওয়া উচিত সবার। এখানে কোনও দলীয় ইস্যুর প্রাধান্য থাকতে পারে না। রাজপথের এ কর্মসূচিতে মন্ত্রীদের উপস্থিতি তাকেও কিছুটা বিস্মিত করেছে। পুরো একটি ঘণ্টা ইয়াফেস ওসমান আমাদের সঙ্গে থাকলেন। এটি খুবই ইতিবাচক। মন্ত্রী হলেও তিনি এ দেশের নাগরিক। স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী হিসেবে ওনাদের দায়িত্ব একটু বেশি।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম........তেলবাজি...

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......

glqxz9283 sfy39587p07