Skip to content

জামায়াতের বান্ধবী খালেদা জিয়া এবং টার্গেট প্রধানমন্ত্রী !!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাখির কলরবের মত জেগে উঠুক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কণ্ঠগুলো । কলমের কালি ভরা শুরু হোক আবারও, সেই যুদ্ধের মেশিনগানের বুলেটের মত । যারা এখনও নিস্তব্দ আছে তারাও সরব হয়ে উঠুক । যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই না তাদের কণ্ঠে একবার উচ্চারিত হোক বিচার চাই। ব্যক্তি স্বার্থ না দেখে একবার সিংহের মত গর্জে উঠুক এবং স্বজোড়ে বলে উঠুক “আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি ।”

পাকিস্তানীদের প্রতি খালেদার প্রীতির সম্পর্ক এতই গভীর যে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি এক পাকি মিলিটারি জাঞ্জুয়ার মৃত্যুর পর সকল কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন। জাঞ্জুয়া একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে ছিল এবং ধর্ষণ-গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।

বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করছে। জিয়া গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। জিয়া একদিকে মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেছেন, অন্যদিকে সঙ্গিনের খোঁচায় সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত ও সুবিধামতো সংশোধন করে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন। কর্নেল তাহের, মেজর হায়দারসহ বহু মুক্তিযোদ্ধা ও সেনা কর্মকর্তাকে জিয়া হত্যা করেন। 'যুদ্ধাপরাধীদের' বিচার বন্ধ করে দেন।

শেখা হাসিনা এক সভায় বলেছিলেন “জানিনা কতগুলো বুলেট আমার পিছেনে ছুটছে ।” গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে শেখ-হাসিনাকে শেষ করে দিতেচেয়ছিল ওরা । কিন্তু সে উদ্যোগ সফল হয়নি । একটার পর একটা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে ।

ফেনীর জনসভায় খালেদা জিয়া বলেন “আওয়ামী লীগ একুশ বছর পর কান্নাকাটি করে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতায় এসেছিলো। এবার যে অপকর্ম করেছে তাতে ক্ষমতা চলে গেলে আর ৪১ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না ” ।

তারা আমাদের বুদ্ধিজীবী সমাজকে ধ্বংস করে দিয়েছে, আমরা হারিয়েছি হুমায়ুন আজাদ স্যারকে । লম্বা দাড়ির মারপ্যাচ এখনও খালেদা জিয়া বুঝতে পারলেন না । তাদের আতর আর গোলাপের সুগন্ধে তিনি মুগ্ধ । পাকিস্তানের প্রেমে তিনি অন্ধ । জিয়ার সাথে বিবাহ না হয়ে ওনার বিয়ে হওয়া উচিত ছিল গোলাম আযমের সাথে । যদিও এখন গোলাম আযমের সাথে তার বিয়ের প্রস্তুতি চলছে---------------

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম ।

রাজিব নূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হামভালীগের গরুপে নতুন যোগ দিয়েছেন মনে হয়, নাকি পুরাতন হামভা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জুজু বুড়ির ভয়ে কম্পমান .... Tongue এ ব্লগ তো তাদেরই জন্য ....

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জানজুয়ার প্রেমকাহিনী জানতাম চাই ।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গতকাল চট্টগ্রামের জনসভায় খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করার জন্য সেনাবাহিনীতে সেনা অফিসারদের গুম করা হচ্ছে।আজ বিএনপির সেনাবাহিনী প্রেম দেখে মুগ্ধ হচ্ছি। তবে ১৯৭৭ সনে সেনাবাহিনীতে এক ক্যুর সুত্র ধরে হাজার হাজার নিরীহ সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিচারের নামে গনহত্যা করা হয়েছিল। এই প্রসংগে মেজর জহিরুল হক খানের এক লেখা উল্লে্খ্য----

" বিদ্রোহের পর আমাদেরকে নিয়ে সুপ্রিম কমান্ড হেডকোয়ার্টারে ৪৬ ব্রিগেডের বিভিন্ন ইউনিটের অফিসারদের নিয়ে আমাদের একটি কনফারেন্স হয়। সেই কনফারেন্সে যাদেরকে নিয়ে এই বিদ্রোহীদের ট্রায়ালের জন্য এখানে কমিটি গঠন করা হয় বা ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।সেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারময়ানদের ঐ মিটিংয়ে উপস্হিত করা হয়। আমিও একটি ট্রাইব্যুনাল নং-৬ এর সভাপতি বা চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্হিত ছিলাম। আমি রিদয়বিদারক ঘটনা এইজন্য বললাম যেহেতু ৬নং ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান আমি ছিলাম, আমি প্রত্যক্ষভাবে এই ঘটনার সাথে পুরোটি পর্যবেক্ষন করেছি। আমাদের ট্রাইব্যুনাল করার পরে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানদেরকে নিয়ে জিয়াউর রহমান সাহেব নিজে তখন রাস্ট্রপতি এবং সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চীফ হিসেবে আমাদের মাঝে ভাষন দেন। সেই ভাষন এখনো আমার মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন সেনাবিহিনীর ডিসিপ্লিন ঠিক করার জন্য তাদেরকে খতম করে দাও। ইংরেজীতে সেন্টেন্সটি এই রকম ছিল- To bring the disipline of the army, slaughter them." মেজর জহিরুল হক খান বীর প্রতীক (অবঃ) ৬ নং ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান।

সশস্ত্র বাহিনীতে গনহত্যা ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ : আনোয়ার কবির : পৃস্ঠা :৯৩

সেই সময় সরকারী হিসেবে ১১৪৩ জন সৈনিকে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।বেসরকারী হিসেবে ২৫০০ সৈনিককে গনফাসি দেওয়া হয়। ফাঁসি দেও্য়া পরিবারগুলো তাদের স্বজনদের বিচারের ঘটনা জানা দুরে থাকুক ফাঁসি এবং এরপরে লাশের কোন হাদিস পান নি।আজ সেই বিএনপির মুখে মিথ্যা গুমের অভিযোগে সমালোচনা শুনে অট্টহাসি দিতে ইচ্ছে করছে।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কর্নেল তাহের, মেজর হায়দারসহ বহু মুক্তিযোদ্ধা ও সেনা কর্মকর্তাকে জিয়া হত্যা করেন। 'যুদ্ধাপরাধীদের' বিচার বন্ধ করে দেন। জিয়া কারাগারে আটক ১১ হাজার 'যুদ্ধাপরাধীকে' মুক্তি দেন।

খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান শিবিরের সমাবেশে বলেছিলেন, 'শিবির এবং ছাত্রদল একই মায়ের পেটের দুই ভাই।'

জাঞ্জুয়া একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে ছিল এবং ধর্ষণ-গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।

সুন্দর তথ্য উপস্থাপনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ @ চারবাক ।

.................................................
প্রাচীরের ছিদ্রে এক নাম গোত্রহীন
ফুটিয়াছে ছোট ফুল অতিশয় দীন
ধিক্ ধিক্ বলে তারে কাননে সবাই
সূর্য উঠি বলে তারে “ভালো আছো ভাই ? ”

glqxz9283 sfy39587p07