Skip to content

এত প্রশ্নের উত্তর কি খালেদা জিয়ার কাছে আছে ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাহাড় সমান এত প্রশ্ন যে গড়েছে তার কাছে কি কোন উত্তর পাওয়া যাবে ? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা, তার তনয়াদের রক্ষা, দুর্নীতি, হাওয়া ভবন, সংবিধান, সংস্কার পন্থী, হরতালের সময় নেতাদের গাঁ ছাড়া ভাব ইত্যাদি । বিএনপির রাজনীতির পুরোটাই ইস্যুহীন । সরকারের সাথে যুদ্ধতো দূরের কথা নিজের ঘরের ভিতরের যুদ্ধও তিনি সামাল দিতে পারছেন না । কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারের সফলতা অনস্বীকার্য । বিএনপি কিছু কিছু ইস্যু সৃষ্টি করতে পারলেও শেখ হাসিনার দক্ষতার কারণে তা আশায় গুঁড়ে বালি হয়ে যায় । বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থা খুবই সঙ্কটাপূর্ণ । বিএনপিতে নেই কোন গণতান্ত্রিক চর্চা । স্বৈরশাসন ব্যবস্থাই তাদের একমাত্র কাম্য । ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দলের বিপরীতে গিয়ে সত্য কথা বললেও তাকে চেয়ারপারসন বহিষ্কার করে । আর মওদুদ সাহেব যখন কোন এক টিভির টকশোয় যখন বঙ্গবন্ধুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন , অনুষ্ঠানের পর পরই চেয়ারপারসন তাকে ভর্ৎসনা করেন । কিন্তু আওয়ামীলীগ এর ক্ষেত্রে ওবায়দুল কাদের, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ নেতারা যখন সরকারের সমালোচনা করছেন তখনই দেশের মানুষ বুঝতে পারে আওয়ামীলীগের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক মনোভাব আছে তা বিএনপির কাছে নেই । আমরা যুবসমাজরা বুঝতে পারি বিএনপি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে রহিত করে রেখেছে, কায়েম করছে স্বৈরশাসন ব্যবস্থা । আমরা ছাড়াও খালেদার কাছে শেখ হাসিনার খোলা চিঠির কিছু অংশ দেওয়া হল…………

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি খাতে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে কোনোভাবেই হোক পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের জন্য অপেক্ষা করা হবে না। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) অধীনে এ সেতু হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারাই এগিয়ে আসবে, তাদেরই কাজ দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণের জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথায় কারা কত টাকা দুর্নীতি করেছে তার প্রমাণ দিতে হবে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে সুষ্ঠুভাবে এ অভিযোগ তদন্তের সুযোগ হয়েছে। তদন্ত করে দুর্নীতি প্রমাণ করুন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর যারা তাদের সরকারের নির্দেশে একাত্তরে এ দেশে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে তাদের অপরাধ এক ধরনের। কিন্তু যারা এ দেশের মানুষ হয়েও পাকিস্তানিদের দোসর হয়ে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও অগি্নসংযোগ করেছে, দেশের মাটিতে বসে দেশের সঙ্গে বেইমানি ও গাদ্দারি করেছে তারা যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধী। তাদের বিচার হতেই হবে। বিচার শেষ করে জাতিকে অভিশাপমুক্ত করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও হবে। এ বিচারে ঐক্যবদ্ধ হতে ও সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন, বিশ্বব্যাংক কী পদ্মা সেতুর অর্থ ছাড় করেছে? করেনি। যদি টাকাই না দিয়ে থাকে তাহলে দুর্নীতি হলো কীভাবে? বিশ্বব্যাংকের এ দুর্নীতির অভিযোগও অনুমাননির্ভর। তারা একটি ধারণাপত্র দিয়েছে মাত্র; কিন্তু দুর্নীতির কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যা-ক্যুর মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছেন, বিচার বন্ধ করে দিয়ে তাদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছেন। এমনকি মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীও বানিয়েছেন। কাজেই তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইবেন না, বাধাগ্রস্ত করতে চাইবেন_ এটাই স্বাভাবিক। এটা দেশবাসীকে উপলব্ধি করতে হবে, এর বিরুদ্ধে আরও সোচ্চার হতে হবে।

টিপাইমুখ বাঁধ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতেই সরকার ভারতে প্রতিনিধি পাঠিয়েছে, তথ্য চেয়েছে। এরপরও সরকার সেখানে নজরদারি অব্যাহত রাখবে। ভারত এ নিয়ে এখনও সার্ভে শুরু করেনি। সার্ভে শুরু হলে তখন আবারও সরকার নজরদারি করবে, প্রয়োজনে আবারও প্রতিনিধি পাঠাবে।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না। দেশের স্বার্থরক্ষায় যা যা প্রয়োজন সরকার তা-ই করবে। একমাত্র আওয়ামী লীগই সেটা পারে, অন্য কেউ নয়।

টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের লংমার্চের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, এখন যারা লংমার্চ করছেন, চিঠি লিখছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন, ক্ষমতায় থাকতে এ নিয়ে কিছু করেননি কেন? খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি বণ্টনের কথা তুলে ধরতে ভুলে গিয়েছিলেন। আর টিপাইমুখ বাঁধের কথা তার স্মরণেও ছিল না। ক্ষমতায় থাকলে তারা ভুলে যান আর বিরোধী দলে গেলে সোচ্চার হন। তবে আওয়ামী লীগ কখনও ভোলে না, তারা সবসময়ই দেশের স্বার্থে কাজ করে। তিনি বলেন, বিরোধী দল টিপাইমুখ নিয়ে সস্তা রাজনীতি করছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তিনি দেশের ৬৪টি জেলার সবটিতে সফর ও জনসভা-সমাবেশ করবেন, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

আমরা চাই বিএনপির মাঝে গণতান্ত্রিক ব্যস্থা প্রবর্তন হোক । মুখে নয় আগে নিজের দলের মাঝখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা গেলে তখনই সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চর হতে পারবে । সেই সাথে দেশটা অনেক এগিয়ে যাবে ।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসেন সবাই হাসু বুর লং ড্রাইভ পার্টনারকে ক্ষমতায় আসতে সাহয্য করি ... Wink

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একই সঙ্গে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণের জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথায় কারা কত টাকা দুর্নীতি করেছে তার প্রমাণ দিতে হবে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে সুষ্ঠুভাবে এ অভিযোগ তদন্তের সুযোগ হয়েছে। তদন্ত করে দুর্নীতি প্রমাণ করুন।


খালেদা মোটামুটি শেষ হয়ে গেছে, আগামী ইলেকশনের পর আর নেই!

হাসিনা বাবার পার্টি আওয়ামী লীগ দখল করে বাংলাদেশের সর্বনাশ করেছে ও করছে!
বিশ্ব ব্যাংক ঠেকায় পড়েনি বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতি প্রমাণ করার জন্য।
দুর্নীতি কোথায় হয়েছে হাসিনা জানে, আপনি ইডিয়টই জানেন না; আপনার মতো ৮/৯ কোটি ইডিয়ট থাকায় সে বিশ্ব ব্যাংক সম্পর্কে এ রকম কিছু বলছে, এসব কথা দুতাবাস মারফত প্রতিটি দেশের সরকার শুনছে, ইডিয়ট!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না মুদ্রা ভাই এ কথা নয়,কাঁদা-মাটির হৃদয় টা কে পুড়ে-পুড়ে শক্ত ইস্পাতে পরিণত করবেন..সব ঠিক আছে ।

A.H.tufan

glqxz9283 sfy39587p07