Skip to content

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কেলেঙ্কারী: দায়ী কে?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সমস্যা:

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির খুলনা ক্যাম্পাসের আইনের শিক্ষক রাজিব হাসনাত শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০ পড়াতে গিয়ে -

১) কাদের মোল্লার ফাঁসিকে অবৈধ বলেছে,
২) শেখ হাসিনাকে নাস্তিক বলেছে,
৩) বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন বলেছে,
৪) রাষ্ট্রপতিকে বটতলার উকিল বলেছে।

প্রথম কথা হলো, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পক্ষে কি এই কথাগুলো বলা সম্ভব? দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা সত্য যে, এ কথাগুলো বলা খুবই সম্ভব। এজন্য এমনকি হার্ডকোর জামায়াতিও হওয়ার দরকার হয় না, মোটামুটি লেভেলের সুশীল হইলেও চলে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে অনেক গোষ্ঠীরই চরম সর্বনাশ হয়েছে। বুয়েট শিক্ষকও হায়েনা হাসিনার মাথা কেটে বুয়েট গেটে টানিয়ে রাখার বয়ান দিয়েছে।

কথাগুলো বলা সম্ভব মানে এই না যে, শাকিল কথাগুলো ক্লাসে বলেছে। সে বলেছে কি না, সে সিদ্ধান্তে আসার মতো যথেষ্ট প্রমাণ এখনো মার্কেটে নাই। তবে কথাগুলো বলা অসম্ভব না। একটা ইউনিভার্সিটির ক্লাসরুমেও এটা বলা সম্ভব। বিশেষ করে, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির মতো "রাজনীতিমুক্ত" পরিবেশই মূলত এন্টি-বাংলাদেশ রাজনীতি চর্চার সবচেয়ে নিরাপদ স্থান।

ঘটনার প্রাপ্ত তথ্য ও বিশ্লেষণ:
ছাত্রের মুচলেকা:
এ ঘটনার পরে ফেসবুকে অনেককেই জিজ্ঞেস করেছি, শাকিল ক্লাসে আসলে কি বলেছিলো, যার জন্য ছাত্র নাঈম তার প্রতিবাদ করে। তারা অনেকেই প্রশ্নটি এড়িয়ে গেছেন। যারা উত্তর দিয়েছেন, তারা বলেছেন, এরকম কোনো ঘটনাই ঘটে নি! সমস্যা হলো 'কিছুই ঘটে নাই' কথা সত্য না। কারণ, শিক্ষক শাকিল মারফত ছাত্র নাঈমের একটা মুচলেকার কপি ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে, যেখানে নাঈম বলছে,


"এই মর্মে অঙ্গীকার প্রদান করিতেছি যে, অদ্য হইতে আমি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন কোন বিষয় লইয়া; অথবা মাননীয় শিক্ষক মহোদয়গণের কোনো বিবৃতি বা বক্তব্য কেন্দ্র করিয়া কোনো রকম বাদানুবাদ কিংবা প্রতিবাদ করিয়া বিরক্তির কারণ হইয়া দাঁড়াইবো না।"


এই স্টেটমেন্ট থেকে এটা পরিষ্কার যে, শিক্ষক মহোদয় বা মহোদয়গণ কোনো বক্তব্য দিয়েছেন, যা নিয়ে সে বাদানুবাদ করেছে। এই স্টেটমেন্ট বলা হয় নাই যে, সে কোনো 'কল্পিত' বক্তব্যের জন্য হুদাই বাদানুবাদ শুরু করেছে। উল্লেখ্য, স্টেটমেন্টটি অভিযুক্ত শিক্ষক শাকিলই আপলোড করেছেন।

ওই স্টেটমেন্টে অভিযুক্ত শিক্ষক শাকিলের কাছে ছাত্র নাঈমের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিও আছে।

ভিসির স্টেটমেন্ট:
এই ঘটনার ব্যাপারে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কর্তৃক সংবাদপত্রে পাঠানো একটি স্টেটমেন্ট। সেখানে ভিসি বলেছেন -



"ছাত্রটির অভিযোগ জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে ক্লাসে শিক্ষক জনাব রাজিব হাসনাত শাকিল কিছু রাজনৈতিক অশোভনীয় বক্তব্য দিয়েছেন এবং সে তার প্রতিবাদ করেছে। খুলনার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে ছাত্রটির অভিযোগের কোনো সত্যতা পায় নি।"


এখানে প্রথমেই আমার নজর কেড়েছে 'অশোভনীয়' শব্দটি। শব্দটির মাধ্যে অভিযোগের মূল বিষয়টির বক্তব্য ও গুরুত্বকে সুগারকোটিং দিয়ে আড়াল করা হয়েছে। এভাবে বিষয়টাকে আড়াল করা সন্দেহজনক। 'অভিযোগটির সত্যতা পায় নি' কথাটাও অ্যাবস্ট্রাক্ট। শাকিল-সার্টিফাইড নাঈমের মুচলেকা থেকে দেখা যায়, বাদানুবাদের ঘটনা ঘটেছে, শিক্ষকের কোনো বক্তব্যকে সে প্রতিবাদ করেছে। শিক্ষক আসলেই কাদের মোল্লার ফাঁসিকে অবৈধ বা বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন বলেছে কি না, শুধুমাত্র এটার সত্যতা যাচাই করা পেন্ডিং। সুতরাং দেখা যায়, ভিসিও বলতে চাইছেন 'কোনো ঘটনাই ঘটে নাই', যেটা অসত্য বচন।

ভিসির স্টেটমেন্টের সিংহভাগ জুড়েই এরপর ছাত্র নাঈমকে নিয়ে অপ্রমাণিত অপ্রাসঙ্গিক কুৎসা রয়েছে। ভিসির মতে, সে নাকি স্বীকার করেছে, স্থানীয়ভাবে সে ২টি মামলার আসামি। কেউ ২টি মামলার আসামি হলে তার সাথে এই বাদানুবাদের ঘটনার সম্পর্ক কি, সেটা স্পষ্ট না। নাকি কেউ মামলার আসামি হলেই সে বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন বলার প্রতিবাদের অধিকার হারায়? তবে ২ টি মামলার আসামী খবরে আসার জন্য সংবাদ সম্মেলন করে নিজের উপস্থিতি জানান দিবে, এটাও কষ্টকল্পনা।

ভিসি আরো বলছেন,
"তাকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, তার আচরণে কিছুটা ভারসাম্যের অভাব রয়েছে!"
পর্যবেক্ষণটা কে করলো, ভিসি নিজে, নাকি কোনো ডাক্তার, সেটা স্পষ্ট না। তবে নাঈমের মানসিক ভারসাম্যের সমস্যা থাকলে সেটা একটা মেডিক্যাল কেস। ভিসি এই কেসের চিকিৎসার বিষয়ে কিছু করেছেন বলে জানা যায় নাই।

পরস্পরবিরোধী বক্তব্য:
ভিসি এবং নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রছাত্রীর বক্তব্যের মধ্যে একটা বড়ো অমিল পাওয়া যাচ্ছে, তাহলো ভিসি বলছে, নাঈমের ছাত্রত্ববহাল রয়েছে। আর কিছু ছাত্রছাত্রী, যারা গতকাল আবার মানববন্ধনও করেছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে - অপরাধ কি, তা যদিও বিশ্চিত না - , তাদের মতে নাঈম ঈভ টীজার। ঈভ টিজিংয়ের কারণেই তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে।

যথারীতি সে কাকে, কবে, কোথায় ঈভ টিজিং করেছে, সে তথ্য অনুপস্থিত। সে ঈভ টিজিং করলে সেটা নিয়ে কবে কোথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিটিং হয়েছে সেটা নিয়ে বিচার করতে, সেরকম কোনো তথ্যও পাওয়া যায় নাই।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রশাসনিক কর্মকর্তার বক্তব্য:
এদিকে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন ,

"এদিকে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলনা শাখার সাথে যোগাযোগ করলে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আইন বিভাগের শিক্ষক রাজীব হাসান শাকিলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

এমনকি তিনি জানান, নাঈমকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়নি।

তিনি আরো জানান, নাঈম প্রথমে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ক্যাম্পাসের ছাত্র ছিলেন। সেখানে এমন দুয়েকটি ঘটনা ঘটার পরই সে খুলনা ক্যাম্পাসে ট্রান্সফারের আবেদন জানায়। তখন নাঈম কারণ হিসেবে জানায়, ঢাকায় সে ঝুঁকিতে আছে। খুলনা ক্যাম্পাসে ট্রান্সফারের দেড় মাসের মাথায় গত জানুয়ারিতে এঘটনা ঘটায় সে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলনা শাখার ওই মুখপাত্র প্রশ্ন রাখেন, ঘটনা সত্যি হয়ে থাকলেও তা ঘটেছিল জানুয়ারিতে। তাহলে জুলাইতে এসে কেন সে সাংবাদিক সম্মেলন করবে? জানুয়ারিতেই তো করার কথা।

তিনি জানান, সোমবার রাতে শিক্ষক শাকিলের পক্ষে নাঈমের এঘটনার প্রতিবাদে খুলনা ক্যাম্পাসের ছাত্ররা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করে।

বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে ওই মূখপাত্র জানান, নাঈমের বাবা কটিয়াদিতে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এবং নাঈমের বিরুদ্ধে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ থানায় অপহরণ ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।"


অর্থাৎ, তিনি বলেছেন,
১) নাঈমের বাবা কটিয়াদীতে জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমীর!
২) তার নামে অপহরণ ও অস্ত্র মামলা আছে।
৩) সে ঢাকায়ও এরকম কয়েকটা ঘটনা ঘটিয়েছে।

উপরের নং ১ মিথ্যা। অ্যাকটিভিস্ট রাসেল রহমানসহ কয়েকজন নাঈমের বাবার সাথে সরাসরি দেখা করেছেন। ২নং অসম্ভব না হতে পারে; তবে অবাস্তব। অপহরণ ও অস্ত্র মামলার আসামি সংবাদ সম্মেলন করে সারা দুনিয়াকে তার অস্তিত্ব জানাবে না।

৩নং এর ব্যাপারেও কোনো প্রমাণ নাই। ঢাকা ক্যাম্পাসে ঈভ টিজিং কেস খাইলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বহিষ্কার করার কথা, জাস্ট অন্য ব্রাঞ্চে ট্রান্সফার করার কথা না। বাধ্য হয়ে খুলনায় ট্রান্সফার হয়ে এসেই সে একই কাজ আবার করবে না, বিশেষ করে, যেখানে প্রাইভেট ইউনিতে টাকা দিয়ে পড়তে হয়, এবং সরি, তার বাবা জামায়াতের আমীর না, দরিদ্র লোক। ঢাকা থেকে খুলনা ট্রান্সফার হওয়ার ব্যাপারে নাঈম জানিয়েছে, খুলনার খরচ কমের কথা, যদিও সে ট্রান্সফারের আবেদনে লাইফ রিস্কের সম্ভবত মিথ্যা কথা লিখেছিলো। এটাও বিশ্বাসযোগ্য। অন্যের ক্ষতি না করা এরকম আবেদনের 'মিথ্যা'র ঘটনা অহরহ ঘটে। গরীব-মেধাবী কোটায় স্কলারশীপের আবেদনের সময়ও কেউ ধনী বাপের প্রকৃত আয়ের কথা লেখে না।

জনাব বিশ্ববিদ্যালয় মুখপাত্র প্রশ্ন রেখেছেন, জানুয়ারীর ঘটনা নিয়ে এখন জুলাইতে এসে সংবাদ সম্মেলন কেন? এই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মোটিভ বিবেচনা করার জন্য। উদ্দেশ্য ছাড়া কোনো ঘটনা ঘটে না। নাঈম যদি মিথ্যা অভিযোগ করে থাকে, তাহলে তার উদ্দেশ্য কি, সেটা পরিষ্কার না। আমাকে একজন জানিয়েছেন, এইভাবে সে হয়তো সরকারের সুদৃষ্টি পেতে চাইছে। নিজের শিক্ষাজীবন বিপন্ন করে কেউ সরকারের সুদৃষ্টি দিয়া কিভাবে লাভবান হবে, আমার মাথায় ঢোকে না। হয়তো কোনোভাবে সম্ভব; কিন্তু সেটা উদ্দেশ্য হলে এই ৫/৬ মাস কালক্ষেপন না করে গরম গরম থাকতেই তো সংবাদ সম্মেলন করার কথা।

বিচারের আশায়:
যাহোক, আশা করছি আইনিভাবেই বিষয়টার মীমাংসা হবে। নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষও প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে ছাত্রটির চরিত্র হননে তৎপর হওয়া আপাতত মূলতবি রেখে আসলে ঘটনা কি ঘটেছিলো, সে বিষয়ে টু দ্য পয়েন্টে বলবেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির মতো "রাজনীতিমুক্ত" পরিবেশ


এসব জিনিষ কই পান?

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সংগৃহীত তথ্য, এ জন্যই কোটেড। smile :) :-)

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির সব টিচারগুলো ছাএশিবিরের সাথে জড়িত, এগুলোকে ১০ বছর ধরে চিনি জানি,

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাকিল ঢা বি তে পড়েছে, তাসলিমা মানসুরের সাথে তার ছবি, আগা-গোড়া শিবিরের পোলা, তাকে চটকানা না দিয়ে পাতা পাতা নাট্য রচনা করার কারন খুজে পাই না! আপনারা ইবলিস শাকিলকে নিয়ে রচনা লিখতেছেন , পারলে ইবলিস শাকিলকে বলেন সে এসব বলেনি।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপরাধীর সুষ্ট বিচার চাই

চোর দার বিশ্লেষন অসাধারন

**********************************************************************************************************
সতর্কতাঃ- জামাত-শিবিরের ব্যপারে আমার মা-বাবা আমারে মধু খাওয়ায় নাই তাই গাইল বাইর হইলে আমার না মধুর দোষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১। নর্দান বিশ্ববিদ্যালের ভিসি তার ছাত্র মোঃ নাঈমের বিপক্ষে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। এর ফলে তার থেকে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা করা যায় না।
২। নর্দান বিশ্ববিদ্যালের ভিসি নিজেই অপরাধী কারণ তিনি খুলনাতে একটি অবৈধ শাখা খুলেছেন।
৩। বিশ্ববিদ্যালের খুলনা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আনোয়ারুল আরও কিছু অজ্ঞাত পরিচয় লোকেদের সাহায্যে বল পূর্বক একটি মুচলেকাতে ভিকটিম মোঃ নাঈমের সাক্ষর নিয়েছে যা একটি অপরাধ।
৪। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ রাজীব হাসানাত শাকিল শ্রেণী কক্ষে বঙ্গবন্ধু, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছে। সেইসাথে সে কাদের মোল্লার রায়কে অবৈধ বলে আদালত অবমাননা করেছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষের বাইরে গিয়ে খুব কম ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা নিজের শিক্ষা জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে চাইবে। যেখানে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য ইতিমধ্যেই একজনের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে সেখানে তো অন্য কেউ এগিয়ে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। যারা অপরাধ করেছে তারা সংজ্ঞবদ্ধ এবং অপরাধের ধরণ অত্যন্ত গুরুতর। মহামন্য রাষ্ট্রপতি যিনি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও বটে, আমি মনে করি এক্ষেত্রে তিনি সুবিচার করতে পারেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে ঐ ভিসি, তার খুলনা ক্যাম্পাস ইন চার্জ এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে অপসারন করে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা প্রয়োজন। নতুবা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবার কোনই সম্ভাবনা নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোর দার বিশ্লেষন অসাধারন


হুম বিশ্লেষনটা নো ম্যানসল্যান্ডে গিয়া পড়ছে, তবে জানোয়ার-শিবিরের বেলায় তাল গাছ আমার সালিশ-বিচার মানিনা এই নীতি মেনে চলি।আমি অবাক হয়নি, পরাজয়ের শুরু এভাবেই হয়, বেমলুম হজম করার আয়োজন।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নো ম্যানসল্যান্ডে পড়ার কথাটা পুরোপুরি না হলেও আংশিক সত্য। smile :) :-)

আমাকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই কথা বলতে হয়েছে এই পোস্টে, এবং তথ্য অপ্রতুল। নর্দার্ন সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা যোগ করলে তথ্য বাড়বে।

আমার দিক দিয়ে এটা এখনো ওয়ার্ক-ইন-প্রোগ্রেস ফেইজ। সিদ্ধান্তে আসার আগতক আইন দেখানো ছাড়া উপায় নাই।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিচারের আশায়:
যাহোক, আশা করছি আইনিভাবেই বিষয়টার মীমাংসা হবে। নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষও প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে ছাত্রটির চরিত্র হননে তৎপর হওয়া আপাতত মূলতবি রেখে আসলে ঘটনা কি ঘটেছিলো, সে বিষয়ে টু দ্য পয়েন্টে বলবেন।


লেখাতে লাইনে লাইনে সমস্যা, বুঝতে পারতেছিনা এভাবে রিভারস খেলার ফল কি হবে, কিসের বিচার চান ? বদ্দারহাটের ৮ হত্যা মামলার বিচার? রা বি ম্যানহোলের বিচার? সাপের বিষ দাত রেখে মাজা সোজা করে দাড়াতে দিয়ে সাপ নিয়ে খেলা করা ওঝার পরিনতি আপনি আমার থেকে ভাল জানেন। আমি আবারও বলছি ইসলামী ব্যাংক/হাসপাতাল-নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কোন ফারাক নাই , মোড়ক আলাদা মাএ।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজ ২ জুলাই ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটা পত্রিকা, বাংলা ব্লগ ও ফেইসবুকে যে ভাবে খবরটা ছড়িয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষক মনে হয় না শেষ রক্ষা পাবেন। পত্রিকার ভাষ্যমতে শিক্ষক শাকিল ক্লাস চলাকালীন সময়েই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কটূক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। সুতরাং সাক্ষী শুধু নাঈম না আরো ছাত্র-ছাত্রী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন, হাসিনাকে নাস্তিক বলতে গেলে অন্তরে কোন একটি ব্রান্ডের ইসলামী জোশ থাকতে হয়, হউক সে জামাতি ইসলাম বা অন্য কোন ব্রান্ডের ইসলাম। পত্রিকায় প্রফেসর শামসুল হকের দেয়া ষ্টেইটমেন্ট প্রমাণ করে ঘটনা সত্য।

নাঈমের বাবা কটিয়াদিতে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এবং নাঈমের বিরুদ্ধে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ থানায় অপহরণ ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।


সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে সম্পর্কহীন বিষয় টেনে এনে বাদীর চরিত্র হনন করা বা বাদী অন্য কোন কেইসের আসামী, এটা উল্লেখ করার পেছনের উদ্দেশ্যটা কী?

নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একই সূত্রে গাঁথা। জাতির জনকের নেতৃত্বে যে সোনার বাংলা স্বাধীন হয়েছে আমরা সেই বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার ছেলে তৈরির লক্ষ্যে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছি। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতি আমরা গভীরভাবে আস্থাশীল।


অকারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে একজন ইউনিভার্সিটি প্রফেসরের, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রতি অতিভক্তি দেখানোর প্রয়োজন পড়লো কেন? আমি একটু অবাক হলাম এই ছাত্র-ছাত্রীদের মানব বন্ধন দেখে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মোক্তারনামা ভাই, নর্দার্ন এর জামায়াত কানেকশন নিয়া একটু ডিটেলস বলেন প্লিজ। সম্ভব হলে সোর্সসহ।

লেখা রিভার্স না। তথ্য অপ্রতুল।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Starting of IBAT Trust



Bangladesh Institute of Business Academy (BIBA) started in 1996 under National University to offer BBA Program and a group of some students (MBAs) took over its management under Institute of Resources Development (IRD) in 1998. IRD students were transferred to International Islamic University Chittagong কিছু বুঝলেন এখানে?(IIUC), Dhaka Campus. Some of IRD's sponsors established Institute of Business Administration & Technology (IBAT) in1998. From 1999 to 2002 IBAT offered BBA course of National University (NU) and MBA and EMBA courses of Canadian School of Management (CSM) as its study center at Dhaka. Through our commitment to quality education we established a reputation and we were able to obtain support from our alumni to set up NUB. By the
mercy of Allah, we succeeded in getting approval from the University Grants Commission of Bangladesh and Ministry of Education on 17 October 2002. Northern University, Bangladesh (NUB) is a project of IBAT Trust. The Trust has Harvard International School (HIS), Northern College, Bangladesh (NCB), and IBATS as other sister educational institutions. The aim of IBAT Trust is to offer “Quality education an affordable cost.”

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাননীয় চোর,


http://privateuniversityofbd.blogspot.co.uk/2010/01/nub.html

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিক্যাল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা নর্দার্ন ফাউন্ডেশন, যেখানে প্রায় পঁচাশি ভাগ ট্রাস্টি সরাসরি জামাতি বা জামাত ঘেঁষা বাকি পনের ভাগ বিম্পি। নর্দার্নকে এত নরম ভাষায় পালিশ দিয়ে লাভ নেই, শিরিষকাগজ ঘষতে হবে।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিক্ষকরা জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ, জাতির মূল মেরুদন্ড ....তাদের আলো জাতিকে আলোকিত করে .... তাদেরকে আর দশটা সাধারণ মানবাধিকার / সামাজিক কর্মী ভাবাটা মুর্খামী ছাড়া আর কিছুই নয় .... সুতরাং তাদের বাক স্বাধীনতাকে উন্মুক্ত করে দিতে হবে ..... আমার দৃষ্টিতে স্যার তো ভুল কিছু বলেন নি ...... তার বক্তব্যের প্রতি সবারই সমর্থন থাকা উচিত, যারা সমর্থন করতে পারবে না , তারা জাতির অশুভো শক্তি smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই বুকচুদ মাসুদরানা রে অশুভো শক্তি পুটুদিয়া ভৈরা দেওয়া হৌক

................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব মুমিন মুসলমানরা ছাগু না, কিন্তু সব ছাগুরাই অবশ্যই মুমিন মুসলমান আর ব্লগমোল্লা Grade


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

http://thedailystar.net/how-bangabandhus-name-being-abused-35953

ডেইলি ষ্টার আজকে সেই ছাত্রকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ঐ শিক্ষককে নিরপরাধ বলে একটা রিপোর্ট করেছে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মন্তব্য আমিই করছি মনে হচ্ছে, you r right

আমার পোষ্ট এখানেই,
www.amarblog.com/blogs/xtraaa


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাবাস বাংলাদেশ।

,
,
,
,
কোনঠে বাহে জাগো সবাই
,
<><><><><ধন্যবাদান্তে><><><><>
____♣♣জরীফ উদ্দীন♣♣____
♣বিএ অনার্স, ইতিহাস (অধ্যয়নরত) ♣


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

kiccu bujhina,
Bojhar chestaw korina!

Sahidesarwar

glqxz9283 sfy39587p07