Skip to content

সাহিত্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাংবাদিকতা; পুলিশ উইদাউট একাউন্টিবিলিটি

নিজেকে দেখলে মনে হয় আমি একজন পুলিশ। পুলিশের বস থাকে, আমার কোন বস নাই। পুলিশের ঘুষ খেতে গিয়ে ধরা খেয়ে খাগড়াছড়িতে বদলী হতে হয়। আমি গিয়ে কোন ব্যবসায়ীকে ভয় দেখিয়ে চাঁদা নিয়ে ধরা খেলেও আমাকে কেউ কোথাও ট্রান্সফার করবে না; আমি যে জাতির বিবেক, অন্ধকারে হারিকেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রজন্মের চেতনার বাহক ‘ইমরান’ ও সম্পূরক কিছু কথা

পিচ্চি ইমরান, অনেকে ডাকে হৃদয় বলে। সেই ছেলেটা যে প্রথম হেফাজতের শুওরগুলার দিকে সামনে থেকে ইটা ছুঁড়েছিলো। পথশিশু, কয়েক মাস হৈলো ঢাকায় আসছে। রমনা এলাকার বাসিন্দা হওয়াতে আন্দোলনের প্রথম থেকেই সে কোন না কোন ভাবে আন্দোলনে জড়িত। প্রথমদিকে টিভি ক্যামেরার জন্য হাই ফ্রেমগুলার উপর উঠে স্লোগান দিতো। রাতে নেচে নেচে গান গাইতো। নিজেদের সীমাহীন ব্যাস্ততার জন্য কেউ হয়তো কখনো এই পথশিশুদের চেতনার দিকে খেয়াল করেনি। যা কিছু একাত্তর নিয়ে শিখেছে সবটুকু এই শাহবাগ আন্দোলনের জন্য।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কপাল গুণে বিধাতা নাম কিনেছে ভাগ্যদাতা

চাল ডাল তেল নুনের অভাবে রান্না না হলেও মুখ কিন্তু থেমে থাকে না মিলনদের বাড়ির লোকজনের; সারাদিন মুখ চলে পুরোদমে। তাই মিলনদের বাড়ির কান্নাকাটি বা কোলাহল- কোনো কিছুতেই আর উৎসাহ দেখায় না প্রতিবেশীরা। তবুও গ্রাম বাংলার প্রতিবেশী বলে কথা! ঝগড়ার সময় পক্ষে-বিপক্ষের মুখে কথা যোগান দেয় কেউ, কেউ বা আবার ঝগড়ার সময় উপস্থিত থেকে গোপন খবরে নিজের ভাঁড় সমৃদ্ধ করে পরে সুযোগ মতো ব্যবহার করার জন্য- এরাই হলো শত্রুপক্ষ; আর একদল আছে নীরব দর্শক।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রবীন্দ্রনাথের মহাপ্রয়াণ



প্রিয়ারে বেসেছি ভালো ,
বেসেছি ফুলের মঞ্জরিকে ;
করেছে সে অন্তরতম
পরশ করেছে যারে। [১]


এই পোস্টটা সেই প্রিয়াকে উৎসর্গ করলাম যে আমাকে ভালোবাসুক কিংবা না বাসুক আমার ভালোবাসার রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসে, সেই প্রিয়াকে উৎসর্গ করলাম যার প্রেমে পড়তে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রেমে মজেছিলাম নতুন করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুমায়ুন আহমেদ: ‘চাঁদনী পশরে কে আমায় স্মরণ করে’



হারিয়ে যাওয়া কিছু নয়; তবে হারিয়ে গেলে বিষণ্নতার দোলাচলে দোলে আমাদের সবটুকু, আমাদের হৃদয়। একজন স্রষ্টা, একজন শিল্পী- হয়তো নানা কারণেই আমাদের চারপাশের জগৎটা ছুঁয়ে থাকেন, আমাদের সবটুকু জুড়ে থাকেন- আবার হয়তো থাকেনও না, হয়তো তিনি কোনো কারণে আমাদের অন্তর্গত জগতের মাঝে খেলা করতে গিয়ে আঘাত দেন। জানি না, হয়তো তাই- আমাদের সবটুকুতে জুড়ে থাকতে চেয়েও মাঝে মাঝেই ছিটকে পড়েন শিল্পী- বেলাভূমিতে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মতোন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহঃ কেমন আছো আকাশের ঠিকানায়?


উৎসর্গঃ তসলিমা নাসরিন (কূলহারা কলঙ্কিনী)


“রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ” বাংলা সাহিত্যাকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। যার জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৬ই অক্টোবর। তাঁর বাবা ছিলেন পেশায় একজন ডাক্তার রুদ্রের জন্মের সময় তার কর্মস্থল ছিল বরিশাল। কবির জন্ম বরিশাল হলেও তাদের মূল বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার মিঠেখালি গ্রামে। দ্রোহ ও প্রেমের কবির শৈশব কালটি কাটে মংলাতেই। এর পর চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৭৩ সালে ঢাকা ওয়েস্ট হাইস্কুল থেকে তিনি এস.এস.সি এবং ১৯৭৫ সালে এইচ.এস.সি পাস করেন। এর পর তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এখান থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

‘সাঁঝের মায়া’ জন্মদিনে ‘উদাত্ত পৃথিবী’র শুভেচ্ছা

খুব গোপন গহিন নিশীথে, দুঃস্বপ্নের মাকড়ের জালের মতন ঝিল্লী আবরণ ভেদ করে যখন জেগে উঠি, অকারনেই পড়ে থাকা জানালার স্ফটিক-হিম ফ্রেম পেরিয়ে অস্তিত্বের এক কঙ্কাল হাত বাড়িয়ে দেয়; ঘু

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের ভাষা ও অপরাপর ভাষা।

নানান দেশের নানা ভাষা
বিনে স্বদেশী ভাষা
পুরে কি আশা?

রামনিধি গুপ্ত তাঁর টপ্পা গানে এই অমৃত বচন সৃজন করার সময় তাঁর মনে কি ছিল তা সহজেই বোঝা যায়, বস্তুতঃ যুগে যুগে অগনিত জাতি তাদের স্বদেশের ভাষাকে এভাবেই ভাল বেসেছে, তাঁদের সীমাহীন ভালবাসায় পরিপুষ্ট হয়ে উঠেছে এ পৃথিবীর শত সহস্র ভাষা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শূন্য এ বুকে, পাখি মোর ফিরে আয় ফিরে আয়



উৎসর্গ-সেই সব মানুষকে যারা আজো বিজন দুপুরে গুনগুনিয়ে গান; ‘আমি যার নূপুরের ছন্দ,বেণুকার সুর; কে সেই সুন্দর কে’, প্রেয়সীর খোঁপায় গুজে দেয় তারার ফুল, গহীন রাতের অন্ধকারে শতদল কুড়িয়ে বেড়ায়, বার্ধক্যের উর্দি যাদের মননশীলতাকে গ্রাস করেনা; সেই সকল চির নবীন, চির তরুণদের।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজি প্রণমি তোমারে....


২৫শে বৈশাখ এলেই একটু থমকে দাঁড়াই প্রতিবছর, স্তব্ধ হয়ে রই কয়েকটি মুহূর্ত, কান পাতি হৃদয়ের গভীরে.........., সেখানে সীমাহীন নৈশব্দ। তোমায় ছাড়া কবে বানী পেয়েছে আমার নির্বাক অনুভব! আমার প্রকাশ তো তোমাকে আধার করে, তোমার গদ্য, তোমার কবিতা, তোমার গান------; ভাষা দিয়েছে আমায়। তোমার হাত ধরে পেড়িয়ে এসেছি কতো অন্তবিহীন পথ.......!

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07