Skip to content

যুদ্ধাপরাধ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গনজাগরন মঞ্চের আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ প্রসংগ- মুরশেদ তাহমিদ



গত ২২ শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর সিলেটে ঘটা সংঘর্ষে নিহত হয় সিলেট এম সি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র মুস্তফা মুরশেদ তাহমিদ । অনেকে প্রথমে ধারনা করেন যে সে শিবির কর্মী ছিল। স্থানীয় পত্রিকায় ও সেই খবর আসে। কিন্তু পরবর্তীতে তার পরিবার জানায় যে সে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলনা। সে ছিল আমাদের মত একজন সাধারণ ছাত্র , সাধারণ বাবা মার সাধারণ সন্তান। যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের দাবির একনিষ্ঠ সমর্থক ছিল সে যা উপরোক্ত ছবিতে প্রমানিত। কাদের মোল্লার ফাসির দাবীতে সমাবেশে ও তার ছিল সরব উপস্থিতি ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহবাগ আন্দোলন,প্রিয় ভার্চুয়াল জগৎ,ব্লগ, শাহবাগ আন্দোলনের পুরষ্কার, এরা কারা?আসুন কিছু সাদাসিধা আলাপ করি

হ্যালো ব্লগার!
বেশ অবাক হলাম একদিন সকালে এইচআর ম্যানেজারের এমন সম্বোধনে!
ভাবলাম উনি কি করে জানলেন আমি ব্লগার! আমিতো কখনও কারো কাছে গল্প করিনি সেভাবে অফিসে যে আমি ব্লগিং করি!
মার্কেটিং চিফ এক্সিকিউটিভ বললেন যে সনি আপনি কি শাহবাগে গিয়েছিলেন?
আমি বললাম জি।
উনি শুনে বললেন যে আমি জানতাম আপনি যাবেন!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহরীর নয়, শাহবাগ…



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা শহরকে বিচ্ছিন্ন করেছে যে জায়গাটা, সেটা এখন চৌরাস্তা। নবাবী আমলের বাগিচার নামে নাম। শাহবাগ। নিমতলী থেকে কলাভবন যখন এখনকার জায়গায় স্থানান্তর হলো তখন থেকেই যে কোনো আন্দোলনের ব্রেকিং পয়েন্ট। এখানেই পুলিশি বেরিকেড পেরিয়েই ১৪৪ ধারা ভাঙা। পঞ্চাশের দশক থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত শাহবাগ একটি রণাঙ্গনের নাম। এবং আশির দশকের শেষ ভাগে একটা দীর্ঘ সময় এখানে মিশুক নামে একটা হরিণছানার ভাস্কর্য ছিলো। সেখানে বিপ্লবীদের কেউ একজন লিখে দিয়েছিলো ‘গাধা এরশাদ’। সাদা খড়ির সেই চিকাটিও ছিলো পথযাত্রীদের ব্যাপক বিনোদন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা পাওয়া



যে দিন থেকে কোন জিনিসের প্রতি অনাগ্রহ টের পাই তার প্রতি আর জীবনে আগ্রহান্বিত হতে পারিনা।আমার তেমন এক অনাগ্রহের জিনিসে পরিণত হয়েছে খবরের কাগজ পড়া। কিন্তু এক সময় সকালের চায়ের আগে খবরের কাগজের পাতায়ই চুমুক দিতাম।এই একটা ব্যাপারে কোন আপোষ ছিল না কারো সাথে।কোন অনিয়ম ও ছিলনা কোন দিন।সবার আগে খবরের কাগজের ভাঁজটা আমিই খোলতাম।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লন্ডনে তুর্কি দুতাবাসের সামনে ২১ সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচী ও স্মারকলিপি প্রদান


বাংলাদেশে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কার্যক্রমের সহায়ক শক্তি হিসেবে ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ১৩ সংগঠনের আন্তর্জাতিক জোট "ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম" (আইসিএসএফ) এর আহ্বানে আজ ১৬ জানুয়ারী ২০১৩ লন্ডনে তুর্কী দূতাবাসের সামনে মুক্তিযুদ্ধ এবং বিচারের পক্ষের ২১ সংগঠনের এক সম্মিলিত প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ : একটি চলমান গণহত্যার ইতিবৃত্ত

১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে; বিস্ফোরণ, বারুদ আর রক্তের ফোয়ারার ঠিক মাঝখানে। ভূমিষ্ট হবার পর নয়টি মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে - বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে। এই নয়টি মাস ভুলে যাবার নয়, এই নয় মাসে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যা ঘটেছে তাকে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বিবেচনা করেছে বিশ শতকের সবচেয়ে নৃশংস পাঁচটি গণত্যার একটি হিসেবে, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী এই হত্যার মাত্রা ছিল প্রতিদিনে ছয় হাজার থেকে বারো হাজার মানুষ যার সামষ্টিক পরিমান তিরিশ লক্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি। এই নয়টি মাসে ধর্ষণ এবং আরো অসংখ্য ধরণের শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার লক্ষ বাঙালি নারী। গণহত্যা কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো বিশ্বজুড়ে ঘৃণ্য অপরাধগুলোর যতগুলি প্রকরণ রয়েছে তার প্রায় সবক'টি সংঘটিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দিন



গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম পদত্যাগে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছেন, রাজাকার দোসর আইনজীবি ব্যারিষ্টার রাজ্জাক এবং ব্যারিষ্টার মউদুদ। একজন বলছেন বিচার বন্ধ করতে হবে অন্যজন বলছেন পুনঃবিচার করতে হবে। যে আইনটিতে বিচার হচ্ছে আসুন দেখি সেই আইনটি কি বলে, ...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল ও আন্তর্জাতিক আইন - ভুমিকা ও জুরিসডিকশন

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আমি কিছু বলবো না আমার এই লেখা সম্পূর্ণই অন্য এক পয়েন্টে। ইদানীং বেশ শোর উঠছে যে আমাদের ট্রাইবুন্যাল হচ্ছে এই ট্রাইবুনাল কি যথাযথ কিনা। আসুন দেখি আইন কি বলে বিভিন্ন দেশে কিভাবে বিচার হয়েছে বা হচ্ছে। ট্রাইবুনালই বা কিভাবে হচ্ছে বা কারা করছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম


হিনা রাব্বানি এসেছিলেন। হিনা রাব্বানি, মানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন, চলেও গেছেন।সকাল দশটায় এসেছেন, চলে গেছেন বিকেল চারটায়। আসা আর যাওয়ার মাঝখানে এই ছয় ঘন্টায় তিনি করেছেন অনেক কিছুই - ডি-৮ সম্মেলনের দাওয়াত পত্র দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে, সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে,দেখা করেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর সাথেও।তার সাথে সাথে করে গেছেন একটি বড় সড় তামাশা, বাংলাদেশের মানুষকে অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে বলে গেছেন হিনা রাব্বানি। অতীত মানে - ঊনিশশো একাত্তর।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধ ১৯৭১ - পর্ব পাঁচ : লুন্ঠন,অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ

১.

৬৫,০০০ গ্রাম এই বাংলাদেশে।৫৪,০০০ বর্গমাইল এই বাংলাদেশের আয়তন।সাড়ে সাতকোটি লোক বাস করে এই বাংলায়।তারা গর্ব করে বলে গিয়েছিল যে,বাংলাদেশের লোক - জয় বাংলার লোক - স্বাধীন হবে ; কিন্তু এমন ধ্বংস করে দিয়ে যাব যে, এই দেশের মানুষ আর কোনদিনও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না এবং দুর্ভিক্ষে লক্ষ লক্ষ লোক মারা যাবে।


- শেখ মুজিবুর রহমান,জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া সংক্রান্ত ভাষণ,১২ অক্টোবর,১৯৭২।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07