Skip to content

মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহঃ কেমন আছো আকাশের ঠিকানায়?


উৎসর্গঃ তসলিমা নাসরিন (কূলহারা কলঙ্কিনী)


“রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ” বাংলা সাহিত্যাকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। যার জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৬ই অক্টোবর। তাঁর বাবা ছিলেন পেশায় একজন ডাক্তার রুদ্রের জন্মের সময় তার কর্মস্থল ছিল বরিশাল। কবির জন্ম বরিশাল হলেও তাদের মূল বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার মিঠেখালি গ্রামে। দ্রোহ ও প্রেমের কবির শৈশব কালটি কাটে মংলাতেই। এর পর চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৭৩ সালে ঢাকা ওয়েস্ট হাইস্কুল থেকে তিনি এস.এস.সি এবং ১৯৭৫ সালে এইচ.এস.সি পাস করেন। এর পর তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এখান থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডেভিড ম্যাকাচ্চন: আমার একাত্তরের নির্জন সুহৃদ




কিছুদিন ধরে একজন মানুষ আমায় খুব ভাবিয়ে তুলেছেন। আমার চিন্তার ফ্রেমে বারবার একটি প্রশ্ন রেখে গেছেন- ‘আমি কী বলি নাই?’ তিনি বলেছিলেন, বহুদূরের কণ্ঠস্বরের ক্ষীণ সুরের পালে হাওয়া লাগিয়ে তিনি সত্যিই বলেছিলেন; বলেছিলেন:

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার ডেভিসের ডায়েরি : দ্য চেঞ্জিঙ ফেস অব জেনোসাইড


আমার কথা: আর্কাইভ খুড়ে এই লেখাটা তুলে আনার পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথম কথা মুক্তিযুদ্ধের উপর আমার প্রথমদিকের কাজগুলো নতুন নতুন লেখার ভিড়ে আড়ালে চলে গেছে। যখন এসব লেখা তখন ব্লগার বলতে জনাপঞ্চাশেক, পাঠকও। তারপর এই দীর্ঘ ছয়বছরে এসব প্রসঙ্গে আরো লেখালেখি হয়েছে, সেখানে হয়তো সম্পূরক লিংক হিসেবে যোগ করেছি, সেগুলো কেউ ক্লিক করেছেন, কেউবা এড়িয়ে গেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন মনোবিদের একটা সাক্ষাতকার নিয়ে কাজ করছিলাম, যিনি বীরাঙ্গনাদের চিকিৎসা দিয়েছেন। সেই লেখাটা ব্লগে দেওয়ার আগে সেই সময়কালটা বুঝতেও এই লেখাগুলোর গুরুত্ব আছে। এগুলো মূলত বিশাল একটা সিরিজের অংশ হিসেবে ছিলো, এখানে একত্রিত করে দেওয়া হয়েছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গণহত্যা ১৯৭১ : বাঙালির রক্তের দাগ আছে উত্তর কোরিয়ার হাতেও

১.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে ঘটেছিল একটি বৈশ্বিক মেরুকরণ।ক্ষমতাধর এবং সম্পদশালী রাষ্ট্রগুলো সুস্পষ্ট ভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অথবা বিপক্ষে।সুপার পাওয়ার যুক্তরাষ্ট্র এবং চিন,তেল সমৃদ্ধ ধনী রাষ্ট্র সৌদি আরব,লিবিয়া সহ প্রায় সকল ইসলামী এবং আরব রাষ্ট্র ( মিশর ছাড়া ) সরাসরি পক্ষ নিয়েছিল পাকিস্তানের এবং সেই সূত্রেই সমর্থন করেছিল পাকিস্তান কর্তৃক বাঙালির উপর চাপিয়ে দেয়া ইতিহাসের অন্যতম বীভৎস গণহত্যা।অন্যদিকে ভারত,তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছে,বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোও সমর্থন করেনি এই গণহত্যা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একাত্তরের গণহত্যা এবং কয়েকটি জনপ্রিয় প্রোপাগান্ডা

যেসব পাগলাটে মানুষগুলো প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির তোয়াক্কা না করে দিন-রাত্রির বালাই না রেখে আন্তর্জালে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির অপপ্রচারের জবাব দিয়ে যাচ্ছেন অক্লান্তভাবে - এই সামান্য পোস্টটি তাদের উৎসর্গ করছি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শোনো হে বাঙালি, মার্চ- উনিশশো একাত্তর বলছি

দৃষ্টিজুড়ে আলো থাকলেই অন্ধকার ঘুচায় না। আঁধারেরও একটা রঙ আছে, তারও একটা সত্তা আছে। ওইটুকু বাদ দিলে যে নিকষ কালো রাত্রির পর্দা নামে, তাতে ভয় ধরে; ভয়ার্ত মনের মধ্যে বাসা বাঁধে শব্দেরা; শব্দগুলোর কান্না পায়, চিৎকার করে কাঁদে, কেবল কাঁদে আর কাঁদে; ইতিহাসের পনেরো খণ্ডে শব্দগুলো আমার বুলেট হয়ে যায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'৭১ সালে ৬টি মহাদেশের মিডিয়ায় ২৬শে মার্চের বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার খবর

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানীদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা দেন। সে সময় এই খবরটি গুরুত্ব সহকারে পৃথিবীর একাধিক দেশের মিডিয়ায় স্থান পায়। এই পোষ্টে ৬ টি মহাদেশের ২৫ টি দেশের অসংখ্য পত্রিকার ১৯৭১ সালের মার্চ-এপ্রিলের রিলেটেড সংখ্যাগুলো যুক্ত করে দেয়া হল। দেশগুলো হল অষ্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, কোষ্টারিকা, সাউথ আফ্রিকা, পোলান্ড, আয়ারল্যান্ড, সিংগাপুর, ইটালী, থাইল্যান্ড, পর্তুগাল, জাপান, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, অষ্ট্রিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, টার্কি, গ্রেট ব্রিটেন, নরওয়ে, আমেরিকা, এবং ইন্ডিয়া। সেই সাথে বাংলাদেশেরও একাধিক আর্টিকেল দেখা যাবে। ছবির লেখাগুলো দেখতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে ফেইসবুকের এই এলবামে যাবার অনুরোধ জানাই যেখানে ১২৬ টি বেটার কোয়ালিটির ইমেজ রাখা আছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার্থে মার্কিন-বিএনপি-জামাত ত্রয়ী আতাঁত!!

জামায়াত ইসলামী তার দলের স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বাঁচাতে ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী লবিস্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৮২ কোটি টাকার চুক্তি করেছে এবং গতবছর সে অর্থ প্রেরণও করেছে। জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ও বর্তমান ওবামা সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র জেরাল্ড এস জে কেসিডি’র লবিং প্রতিষ্ঠান CASSIDY & ASSOCIATES, INC -এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার অনুভব করা মুক্তিযুদ্ধ'৭১

আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখি নি।মহান মুক্তিযুদ্ধের ২০ বছর পর জন্ম নিয়ে আসলে জানার অনেক কিছু বাকি থেকে যায়।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জানার এ ক্ষুধা আমার কোনদিন শেষ হয়নি।হবে না।

আমার বাবা যুদ্ধের সময় ক্লাস এইটে পড়তো।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অগ্নিঝরা মার্চ: ৩ মার্চ, ১৯৭১



মৌচাক মোড়ের ঠিক উল্টোদিকেই একটা স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। শহীদ ফারুক-তসলিম স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৭১ সালের এদিন ঢাকাসহ সারাদেশে গুলিতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। শহীদ ফারুক ইকবাল তাদের একজন। আবুজরগিফারী কলেজের এই ছাত্রলীগ নেতা (তখন এজিএস) বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় গুলিতে শহীদ হন। এনিয়ে আমাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এক বড় বোন ডাঃ শিমুল কলি হোসেইনের স্মৃতিচারণটা হুবহু তুলে দিলাম:

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07