Skip to content

মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ : একটি চলমান গণহত্যার ইতিবৃত্ত

১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে; বিস্ফোরণ, বারুদ আর রক্তের ফোয়ারার ঠিক মাঝখানে। ভূমিষ্ট হবার পর নয়টি মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে - বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে। এই নয়টি মাস ভুলে যাবার নয়, এই নয় মাসে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যা ঘটেছে তাকে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বিবেচনা করেছে বিশ শতকের সবচেয়ে নৃশংস পাঁচটি গণত্যার একটি হিসেবে, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী এই হত্যার মাত্রা ছিল প্রতিদিনে ছয় হাজার থেকে বারো হাজার মানুষ যার সামষ্টিক পরিমান তিরিশ লক্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি। এই নয়টি মাসে ধর্ষণ এবং আরো অসংখ্য ধরণের শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার লক্ষ বাঙালি নারী। গণহত্যা কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো বিশ্বজুড়ে ঘৃণ্য অপরাধগুলোর যতগুলি প্রকরণ রয়েছে তার প্রায় সবক'টি সংঘটিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দিন



গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম পদত্যাগে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছেন, রাজাকার দোসর আইনজীবি ব্যারিষ্টার রাজ্জাক এবং ব্যারিষ্টার মউদুদ। একজন বলছেন বিচার বন্ধ করতে হবে অন্যজন বলছেন পুনঃবিচার করতে হবে। যে আইনটিতে বিচার হচ্ছে আসুন দেখি সেই আইনটি কি বলে, ...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল ও আন্তর্জাতিক আইন - ভুমিকা ও জুরিসডিকশন

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আমি কিছু বলবো না আমার এই লেখা সম্পূর্ণই অন্য এক পয়েন্টে। ইদানীং বেশ শোর উঠছে যে আমাদের ট্রাইবুন্যাল হচ্ছে এই ট্রাইবুনাল কি যথাযথ কিনা। আসুন দেখি আইন কি বলে বিভিন্ন দেশে কিভাবে বিচার হয়েছে বা হচ্ছে। ট্রাইবুনালই বা কিভাবে হচ্ছে বা কারা করছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাকিস্তান সমর্থন, ক্রিকেট, রাজনীতি ও ১৯৭১


ঢাকা স্টেডিয়ামে যতবার ভারত ও পাকিস্তান দলের খেলা হয়েছে প্রতিবারই ‘বাংলাদেশী দর্শকের শতকরা প্রায় ৯৯ জনই পাকিস্তান দলের প্রতিই আবেগপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যানার প্রদর্শন করলেও তা দর্শকদের মনে সামান্য প্রভাবও বিস্তার করতে পারেনি। দর্শকরা ঐ ব্যানার দেখে মন্তব্য করেছে ”রাখ মিয়া মুক্তিযুদ্ধের কথা, এখানে মুসলমানদের বিজয় চাই”... ‘ধর্মনিরপেক্ষবাদী ও ভারতপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীদের মন্তব্যের কথা শুনেছি। তারা নাকি বলেন, আমরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে যুবসমাজের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চারের জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা করি তা স্টেডিয়ামে পাক-ভারত খেলায়ই নস্যাত হয়ে যায় ... শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী ও ঘাতক দল জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন আমির গোলাম আযম (আত্মজীবনী জীবনে যা দেখলাম ৩য় খন্ড, পৃ: ১২৬-১২৭)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পশ্চিম পাকিস্তানিদের উপনিবেশিকতাঃ শিক্ষা ও সংস্কৃতি

একটি জাতিকে চিরকাল শোষণ করতে হলে তার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে হয়। ভেঙ্গে দিতে হয় তার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে। মুছে দিতে হয় তার চেতনার উৎসমূহকে। ইতিহাসের যে মহান গতিধারা থেকে কোনো জাতি সাহস সঞ্চয় করে বাঁধ দিয়ে দিতে হয় সে গতিধারার অন্তস্থলে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেই দিন আর নাইরে মামু, ক'বি বাঙালীর মাথায় কাঠাল ভাইঙ্গা খামু…



এই তো মাত্র কয়দিন আগে মোনাফেক জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের মোনাফেকির প্রমাণ দিলাম। তবে তারা কি থামে, নিত্যনতুন মিথ্যাচার, গিবত আর অপপ্রচারে তারা মশগুল। ওই যে বলছিলাম কুফরি কালামের চর্চা করে। যাহোক স্বল্প কথায় দেখি তাদের নতুন কাহিনী। আলহামদুলিল্লাহ, এইবার তাদের টার্গেট বেগম সাজেদা চৌধুরী। আর মানুষ পাইলো নারে ভাই, একটা অট্টহাসি আগে হাইসা নিই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধ এবং জিয়া-প্রেক্ষিত ১৯৭১



গতকাল চলে গেলো বাংলাদেশের ইতিহাসের আরেকটা ভয়ংকর দিন ৩ রা নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের ৩ রা নভেম্বরে জেলখানায় পৈশাচিকভাবে খুন করা হয় আমাদের জাতীয় চার নেতা বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। স্বাধীনতাপরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-ইতিহাসের এই ভয়ানক বাঁকে যদি আপাতঃ খলনায়ক হিসেবে খোন্দকার মোশতাক চিহ্নিত হলেও চুড়ান্ত বিচারে এই সমস্ত ঘটনাবলী’র বেনিফিসিয়ারী হলেন একজন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জেনারেল জিয়াউর রহমান।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজা(কার) ত্রিদিব রায় : এ লাশ সইবে না বাংলার মাটি



[লেখাটি মূলধারার মিডিয়ার জন্য লেখা হয়েছিলো। কিন্তু রাজা ত্রিদিব রায় বিষয়ে বাংলাদেশের যাবতীয় মিডিয়া হঠাতই রেডিও সাইলেন্স বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মনে হচ্ছে, পুরাই ব্ল্যাক আউট। তাই আসল জায়গাতেই দিতে হচ্ছে। মূলত ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে শুরু করেছিলাম এর কিছু অনুচ্ছেদ, কিছু তথ্যে ভ্রান্তি ছিলো, সেগুলাও ঠিক করে দিলাম সঠিক রেফারেন্স ঘেটে]

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন মহান রাজাকারকে স্যালুট


তৎকালীন চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় ১৯৭১ সালে রাজাকার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যখন বুঝতে পারলেন যে পাকিস্তানীদের পরাজয় অনিবার্য, তখন নভেম্বর মাসে মায়ানমান হয়ে পালিয়ে গেলেন পাকিস্তানে। তারপর থেকে নিবিরভাবে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিলেন জীবনের শেষ মহুর্ত পর্যন্ত।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিথ্যাচারের ঐতিহ্য : আ স্ট্রেঞ্জার ইন মাই ওন কান্ট্রি


পাকিস্তান - একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাসঘাতক রাষ্ট্র।একই সাথে মিথ্যাচারের ঐতিহ্যও মিশে আছে পাকিস্তানিদের রক্তের পরম্পরায়। অভিশপ্ত এই দেশটির রাষ্ট্র ও সেনানায়কেরা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে ১৯৪৭ সাল থেকেই,একটি অবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের জন্মের পরপরই। সেই ধারাবাহিকতা তারা বজায় রেখেছে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। ২৫ মার্চ,১৯৭১ ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যাগুলোর একটির সূচনা করে পাকিস্তানি সেনানায়কেরা,এবং তাতে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সহযোগিতা দেয় পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতারা ( কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ব্যতিক্রম ধর্তব্য নয় )।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07