Skip to content

মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তীতুমীরকে স্মরন করা হয়না-ফরহাদ মজহার! সত্যি কি তাই?

"তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রীতিলতা, সুর্যসেনের কথা বলা হয় কিন্তু তীতুমীর ও শরিয়ত উল্যাহর কথা আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন না। সিপাহী বিপ্লবের কথাও ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। একটি জাতিকে ইতিহাস বিকৃত করে বেশিদিন স্তব্ধ করে রাখা যায় না। দেশের মানুষ ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছেন। আবার সেই ভুলিয়ে দেয়া ইতিহাসের পদধ্বনি শুরু হয়েছে। জালিম শাসক-শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র লড়াই শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লড়াইয়ে জনতার বিজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে দেশি বিদেশি চক্র তা নস্যাত করতে চাইছে।"-ফরহাদ মজহার, মে ১, ২০১৩, চট্রগ্রাম।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রজন্মের চেতনার বাহক ‘ইমরান’ ও সম্পূরক কিছু কথা

পিচ্চি ইমরান, অনেকে ডাকে হৃদয় বলে। সেই ছেলেটা যে প্রথম হেফাজতের শুওরগুলার দিকে সামনে থেকে ইটা ছুঁড়েছিলো। পথশিশু, কয়েক মাস হৈলো ঢাকায় আসছে। রমনা এলাকার বাসিন্দা হওয়াতে আন্দোলনের প্রথম থেকেই সে কোন না কোন ভাবে আন্দোলনে জড়িত। প্রথমদিকে টিভি ক্যামেরার জন্য হাই ফ্রেমগুলার উপর উঠে স্লোগান দিতো। রাতে নেচে নেচে গান গাইতো। নিজেদের সীমাহীন ব্যাস্ততার জন্য কেউ হয়তো কখনো এই পথশিশুদের চেতনার দিকে খেয়াল করেনি। যা কিছু একাত্তর নিয়ে শিখেছে সবটুকু এই শাহবাগ আন্দোলনের জন্য।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিলোফার চৌধুরী মনি, আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে

বড় অদ্ভুত দেশে বাস আমাদের। এই দেশে দীর্ঘ চার দশক ধরে তার ইতিহাসকে ধর্ষণ করা হয়েছে ক্রমাগত, এদেশের জন্মের বিরোধিতাকারী গোষ্ঠী তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে ঘুরে বেড়াবার স্পর্ধা দেখাতে পেরেছে। এদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা হয়েছে ভারতের ষড়যন্ত্র, দম্ভের সাথে বলা হয়েছে - বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। সেইসব গ্লানির দিন পেছনে ফেলে এসে এই ২০১৩ সালে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি, কয়েকজনের বিচার কাজ শেষও হয়েছে। এসব ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে দেশে এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি করেছে নতুন প্রজন্ম। ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একজন সংসদ সদস্য একটি গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং একজন ভোটদাতা হিসেবে আমি মনে করি এটি এক ধরণের ঔদ্ধত্য এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্লজ্জ অবমাননা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়

১৯৭১ এর পর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়টিতে আমরা বাস করছি এখন। ইতিহাসে গায়ে জমে থাকা কিছু ক্লেদ মুছে ফেলবার যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ চার দশক পর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পেরেছি আমরা, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ও প্রদান করা হয়েছে। এই ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের ভার আমরা সহ্য করেছি গত চারটি দশক, এবার সময় হয়েছে তাদের ঝেড়ে ফেলে দেয়ার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামাতের কাছে বিক্রি হওয়া একজন অর্থলোভী কাদের সিদ্দিকীর দুর্নীতির কিছু প্রমান।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদের সিদ্দিকীর ভুমিকা নিয়ে কোন কথা বলার প্রয়োজন নাই। ঐ সময় আমরা সবাই জানি তার ভুমিকা। ঐ সময়ের ভুমিকায় তিনি আসলেই একজন বঙ্গবীর এতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু তার বর্তমান ভুমিকাতে এই কথা টাই সত্য প্রমানিত হয়, "রাজাকার সবসময়ের জন্য রাজাকার, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সবসময়ের জন্য মুক্তিযোদ্ধা নয়"।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহবাগ আন্দোলন,প্রিয় ভার্চুয়াল জগৎ,ব্লগ, শাহবাগ আন্দোলনের পুরষ্কার, এরা কারা?আসুন কিছু সাদাসিধা আলাপ করি

হ্যালো ব্লগার!
বেশ অবাক হলাম একদিন সকালে এইচআর ম্যানেজারের এমন সম্বোধনে!
ভাবলাম উনি কি করে জানলেন আমি ব্লগার! আমিতো কখনও কারো কাছে গল্প করিনি সেভাবে অফিসে যে আমি ব্লগিং করি!
মার্কেটিং চিফ এক্সিকিউটিভ বললেন যে সনি আপনি কি শাহবাগে গিয়েছিলেন?
আমি বললাম জি।
উনি শুনে বললেন যে আমি জানতাম আপনি যাবেন!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহরীর নয়, শাহবাগ…



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা শহরকে বিচ্ছিন্ন করেছে যে জায়গাটা, সেটা এখন চৌরাস্তা। নবাবী আমলের বাগিচার নামে নাম। শাহবাগ। নিমতলী থেকে কলাভবন যখন এখনকার জায়গায় স্থানান্তর হলো তখন থেকেই যে কোনো আন্দোলনের ব্রেকিং পয়েন্ট। এখানেই পুলিশি বেরিকেড পেরিয়েই ১৪৪ ধারা ভাঙা। পঞ্চাশের দশক থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত শাহবাগ একটি রণাঙ্গনের নাম। এবং আশির দশকের শেষ ভাগে একটা দীর্ঘ সময় এখানে মিশুক নামে একটা হরিণছানার ভাস্কর্য ছিলো। সেখানে বিপ্লবীদের কেউ একজন লিখে দিয়েছিলো ‘গাধা এরশাদ’। সাদা খড়ির সেই চিকাটিও ছিলো পথযাত্রীদের ব্যাপক বিনোদন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লন্ডনে তুর্কি দুতাবাসের সামনে ২১ সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচী ও স্মারকলিপি প্রদান


বাংলাদেশে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কার্যক্রমের সহায়ক শক্তি হিসেবে ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ১৩ সংগঠনের আন্তর্জাতিক জোট "ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম" (আইসিএসএফ) এর আহ্বানে আজ ১৬ জানুয়ারী ২০১৩ লন্ডনে তুর্কী দূতাবাসের সামনে মুক্তিযুদ্ধ এবং বিচারের পক্ষের ২১ সংগঠনের এক সম্মিলিত প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাবিপ্রবিতে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধীতাকারীদের রুখে দাঁড়ান



তখন মনে হয় ক্লাস সেভেন কিংবা এইটে পড়ি। পত্রিকা খুললেই দেখতাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নামকরণ আন্দোলন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিং-এর নামকরণ কয়েকজন জাতীয় বীরের, বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিকদের নামে করার প্রতিবাদে তৎকালীন ছাগুরা আন্দোলনে নেমেছে। বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা বিশাল সেশনজটে পরতে যাচ্ছে। শেষপর্যন্ত ছাগুদেরই জয় হল। আজো একযুগ পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্ডিংগুলো নামপরিচয়হীন। গতবছর কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ সাস্টিয়ানের রক্ত পানি করা পরিশ্রমের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে “চেতনা’৭১” নামক ভাস্কর্য স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তারপরেও অনেক চেষ্টা হয়েছে এটিকে ভেঙ্গে ফেলার। জানিনা এটাকে কতদিন টিকিয়ে রাখা যাবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশ-১৯৭১, নতুন প্রজন্ম এবং প্রাসংগিক অসম্পূর্ণ-আলোচনা

ক।

টাইম ম্যাগাজিন, ২০ ডিসেম্বার, ১৯৭১

That crackdown took a terrible toll: perhaps 1,000,000 dead, 10 million refugees, untold thousands homeless, hungry and sick.

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07