Skip to content

ব্লগরব্লগর

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগারদের নিরাপত্তায় একডজন টিপস

জামায়াত-শিবিরের প্ররোরচনায় ব্রেইনওয়াশড ছাগুরা ব্লগার রাজীবকে হত্যা করেছে। তদন্তে জানা গেছে যে শিবির অন্তত আরো ৮জন ব্লগারকে হত্যার পরিকল্পনা করে রেখেছে। ধারণা করা যায় গত ৫ ফেব্রুয়ারির পরে এই তালিকা আরো বাড়তে পারে। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের অনেকের উপরই চোরাগোপ্তা হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে জামায়াত শিবির চক্র। সুতরাং সতর্ক থাকার বিকল্প নেই। এখানে সতর্ক থাকার কিছু টিপস দেয়া হচ্ছে। টিপসগুলো দিয়েছেন দুইজন মিলে। একজন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্রনেতা এবং আরেকজন একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা যিনি নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ : একটি আনাড়ি এনালজি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল - ২ কর্তৃক কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পর সে রায় আশানুরূপ হয়নি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কোন বাঙালির কাছে। ওইদিনই এই ঘৃণ্য রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নেমে আসে বাংলাদেশের জনগণ। ঢাকার শাহবাগকে ঘিরে সারা বাংলাদেশেই শুরু হয় এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ। প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল একমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিলোফার চৌধুরী মনি, আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে

বড় অদ্ভুত দেশে বাস আমাদের। এই দেশে দীর্ঘ চার দশক ধরে তার ইতিহাসকে ধর্ষণ করা হয়েছে ক্রমাগত, এদেশের জন্মের বিরোধিতাকারী গোষ্ঠী তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে ঘুরে বেড়াবার স্পর্ধা দেখাতে পেরেছে। এদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা হয়েছে ভারতের ষড়যন্ত্র, দম্ভের সাথে বলা হয়েছে - বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। সেইসব গ্লানির দিন পেছনে ফেলে এসে এই ২০১৩ সালে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি, কয়েকজনের বিচার কাজ শেষও হয়েছে। এসব ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে দেশে এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি করেছে নতুন প্রজন্ম। ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একজন সংসদ সদস্য একটি গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং একজন ভোটদাতা হিসেবে আমি মনে করি এটি এক ধরণের ঔদ্ধত্য এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্লজ্জ অবমাননা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি একজন সংখ্যালঘু বলছি

একটি রাষ্ট্রের কাছে সবাই নাগরিক। আর নাগরিকের কে কী ধর্মের তা মুখ্য নয়। এটাই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের চরিত্র হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবেও সংখ্যালঘু বলে অমুসলিমদের চিহ্ণিত করা হয়। একজন রাষ্ট্রপ্রধানও এই সংখ্যালঘু শব্দটি ব্যবহার করে যা আমার জন্য চরম লজ্জার। কারণ আমি এই দেশের একজন নাগরিক। অন্য যে কোন মানুষের মতন আমিও এই রাষ্ট্রেকে ভালবাসি মন থেকে। এই দেশের মাটি, আলো-বাতাসেই আমি বড় হয়েছি। কিন্তু আজো আমাকে শুনতে হয় তুই সংখ্যালঘু।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসঙ্গ অমি রহমান পিয়াল: তুমি কেন ঘষো, আমি তাহা জানি

১. গতকাল সকালে এক ব্লগারের উত্তেজিত টেলিফোন আলাপে জানতে পারলাম, সামু ব্লগের সত্ত্বাধিকারী গুলশান ফেরদৌস জানা একটি অনলাইন পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাতকারে দাবি করেছেন যে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন থেকে সামুর কৃতিত্ব ছিনতাই হয়ে গেছে!! এরকম অদ্ভুত দাবি যে কেউ করতে পারে সেটি আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। যাই হোক, পরে যোগাযোগ করে জানতে পারলাম গুলশান ফেরদৌস জানার সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার উপর ভিত্তি করে এই সংবাদটি পরিবেশিত হয়েছে। যখন কোনো সাংবাদিক ফরমালি সাক্ষাতকার হিসেবে ঘোষণা না দিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলে সেই কথা কোট করে সংবাদ তৈরি করেন, তখন সেটির বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। প্রতিবেদনের প্রতিটি বর্ণই সত্য হতে পারে, আবার পুরোটাই মিথ্যা হতে পারে।। সাংবাদিকতার নূন্যতম শর্ত রক্ষিত হয় না, এমন খবর উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়ানো হয়। সুতরাং আমি একে গুরুত্ব দিলাম না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রজন্ম চত্ত্বরের "জয় বাংলা" স্লোগান নিয়ে ত্যানা প্যাচানোদের প্রতি...

ধোঁয়াশা তৈরী করে অনিশ্চয়তার মধ্যে বা দ্বিধা-দ্বন্দের মধ্যে ফেলে দেওয়াটা হচ্ছে মানুষের চেতনা বা সংকল্পে ফাঁটল ধরানোর অনেকগুলো ধাপের একটি । এতে করে মানুষ তার লক্ষ্য থেকে ক্রমেই বিচ্যুত হতে থাকে এবং হ্রাস পেতে থাকে তার লক্ষ্য অর্জনের শক্তি।রাজাকার-আলবদরদের ফাঁসীর দাবীতে তরুণ প্রজন্ম যখন দল-মত নির্বিশেষে রাস্তায় নেমে এসেছে, তখন একশ্রেণীর মতলববাজ লোক এমন কিছু প্রচারণা চালাচ্ছে, যা তরুণ প্রজন্মের কাউকে কাউকে এই আন্দোলন বিরোধী অবস্থান নিতে বা আন্দোলনের আগামী দিনগুলোতে নিষ্ক্রিয় থাকতে প্ররোচিত করার সম্ভাবনা রাখে। পাশাপাশি, আরও একটা তড়িকা অনলাইন খুব প্রচলিত দেখতে পাচ্ছি, সেটা হচ্ছে- সুশীল তড়িকা।
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই রায় প্রত্যাখ্যান করলাম মাননীয় বিচারপতি

কী বলবেন? আদালত অবমাননা করছি? তাই সই, গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরেও যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের মতো তামাশা যে আদালত করতে পারে তাকে আসলে অবমাননা করার কিছু নেই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুসলিম দেশের যতো ভাস্কর্য এবং কিছু কথা

অনেকেই হয়ত অবগত আছেন যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তো বটেই মুসলিম দেশে হিসেবে যারা পরিচিত সেইসব দেশেই রয়েছে অসংখ্য ভাস্কর্য । সেই ভাস্কর্যগুলোতে তারা তাদের ইতিহাসের বীরত্বগাঁথা, নিজ সংস্কৃতির নানাদিক তোলে ধরেছে । সভ্যতার শুরু থেকেই শিল্পকর্মের প্রতি পৃথিবীর সবপ্রান্তের মানুষের আলাদা একটা ঝোঁক লক্ষ্যনীয় ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৌদি আরবের কিছু মনোরম ভাস্কর্য এবং বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কাছে একটি জিজ্ঞাসা


সৌদি আরবের জেদ্দার ঘোড়া ভাস্কর্য।

পৃথিবীর সবর্ত্র ভাস্কর্যের আলাদা একটা কদর আছে , বিখ্যাত একেকটা ভাস্কর্যের জন্যেও কোন কোন দেশে পৃথিবীময় পরিচিত। ভাস্কর্য হচ্ছে মানুষের সুন্দর চিন্তার সর্বোচ্চ সৃষ্টিশীল প্রকাশগুলোর একটি । কিন্তু আমাদের দেশে আমরা দেখে আসছি ভাস্কর্য নিয়ে গোঁড়া মুসলিমদের মধ্যে একটি ভ্রান্ত ধারনা বিরাজ করে । তারা ভাস্কর্যকে প্রথাগত মূর্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং কোন প্রানীর ভাস্কর্য বানানোকে তাদের ধর্মবিরোধী মনে করে অথচ প্রায় সবগুলো মুসলিম দেশ তো বটেই ইসলাম ধর্মের

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজীবন বিপ্লবী অনন্য সাধারণ এক ব্যক্তিত্ব কমরেড মনি কৃষ্ণ সেন


কমরেড মণিকৃষ্ণ সেন ছবি : কমরেড শংকর বসু

কমরেড মনি কৃষ্ণ সেন আজীবন সংগ্রামী, আজীবন বিপ্লবী অনন্য সাধারণ এক ব্যক্তিত্ব। সংগ্রাম মুখর এক মহৎ জীবনের অধিকারী তিনি। ইংরেজ আমলে স্বদেশ মাতৃভূমিকে দাসত্ব ও পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত করার জন্য ১৯২০ সালে মাত্র সতের বছর বয়েসে "ইংরেজ ভারত ছাড়" এই ব্রত উদযাপনে বুকের রক্তে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। বিপ্লববাদে বিশ্বাসী হলেও তিনি বিশ্বাস করতেন জনগণকে বাদ দিয়ে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত আন্দোলন করে দেশ স্বাধীন করা সম্ভব নয়। বছরের পর বছর কারাজীবনে তিনি মানব মুক্তির মতবাদ মার্কসবাদে দীক্ষিত হন সেই ১৯৩০ সালে রাজশাহী জেলে থাকাকালীন। পরবর্তীতে তিনি নিজেই হয়ে গিয়েছিলেন সংগ্রামের মূর্ত প্রতীকে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07