Skip to content

ব্লগপোস্ট

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেধা উন্নয়ন মঞ্চ নাকি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষশুন্য প্রশাসন?

খুব জমে ঊঠেছে রাজনীতির মাঠ। তরুন প্রজন্মের ভোটে গতবার ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামীলীগ। তাহলে ট্রাম কার্ড সবচেয়ে বড় ভোট ব্যাংক ঐ তরুনরাই। নাহ, লক্ষ্য শুধু আগামী জাতীয় নির্বাচন নয়। লক্ষ্য আরো অনেক সুদূর প্রসারী।

১) জাতীয় সঙ্গীত একজন ভারতীয় হিন্দু কবির রচিত, তাই এই জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ইচ্ছা এক শ্রেণীর দীর্ঘদিনের।
২) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশ, এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেয়া।
৩) ৭১ এর জন্য পাকিস্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়া।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অগ্নিমিছিল, শোকগাথা নয়


২০০২ থেকে শুরু । এরপর টানা একযুগ পেরিয়ে গেছে ছাত্রলীগের সঙ্গে পথচলার । হ্যা, ঠিক ধরেছেন । ক্ষয়ে যাওয়া-বখে যাওয়া- ক্লাসের ব্যাকবেঞ্চার- ডাইনিং ক্যান্টিনে ফাউ খাওয়া-চাদাবাজ-টেন্ডারবাজ ছাত্রলীগের কথাই বলছি । যেন ঘরের অবহেলিত, তিরস্কৃত ছেলেটি । প্রাত্যাহিক বাজারের অংশ হতে মেরে খাওয়া কিছুটা অনৈতিক ছেলেটি ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলার মতোই বাড়ির বিপদে-আপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে । তখন আর সংসারের পড়ুয়া, সুশীল ছেলেটির দেখা মেলে না । বখাটে ছেলেটির জন্য বাড়ির দিকে কেউ কুনজর দিতেও সাহস পায় না । যা গুন্ডা স্বভাবের, হাত-পা ভেঙ্গে দেবে একদম !

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রজন্মের চেতনার বাহক ‘ইমরান’ ও সম্পূরক কিছু কথা

পিচ্চি ইমরান, অনেকে ডাকে হৃদয় বলে। সেই ছেলেটা যে প্রথম হেফাজতের শুওরগুলার দিকে সামনে থেকে ইটা ছুঁড়েছিলো। পথশিশু, কয়েক মাস হৈলো ঢাকায় আসছে। রমনা এলাকার বাসিন্দা হওয়াতে আন্দোলনের প্রথম থেকেই সে কোন না কোন ভাবে আন্দোলনে জড়িত। প্রথমদিকে টিভি ক্যামেরার জন্য হাই ফ্রেমগুলার উপর উঠে স্লোগান দিতো। রাতে নেচে নেচে গান গাইতো। নিজেদের সীমাহীন ব্যাস্ততার জন্য কেউ হয়তো কখনো এই পথশিশুদের চেতনার দিকে খেয়াল করেনি। যা কিছু একাত্তর নিয়ে শিখেছে সবটুকু এই শাহবাগ আন্দোলনের জন্য।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবু আনন্দ কি বাজে?

আজ সোমবার। আমি বলি, ভয়ঙ্কর মান ডে ! অসম্ভব অপ্রিয় একটা দিন। সারাদিন নিচ্ছিদ্র ব্যস্ততার দখলে থাকি, সামান্য কিছু বুদবুদের সময় মেলে মাত্র ! লম্বা ড্রাইভ শেষে ডায়ালাইসিস, হাসপাতাল, অফিস একের পর এক শেষ করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে বেশ রাত হয়ে যায়! আজো তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হচ্ছে না। সমস্যা হয় যখন কাজে মন থাকে না, সারাদিন নিজেকে টেনে বেড়ানো বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়! আজ ঠিক তেমনি !

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একালের একুশ সেকালের একুশঃ শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের



একুশের মিনার সম্ভবত একমাত্র স্মৃতির মিনার যার একক কোনো স্থপতি নেই। বায়ান্নোর ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘাতকের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে গড়ে উঠে প্রথম মিনার। বাঙালির স্মৃতির আকাশে আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড’র মতোই ছিল তেজদৃপ্ত এবং ক্ষণস্থায়ি। বায়ান্নোর ড্রাকুলারা শুধু প্রাণ নিয়েই, রক্ত পান করেই তৃপ্ত থাকতে পারে নি। ভেঙ্গে দেয় বাঙালির অশ্রু থেকে গড়ে উঠা প্রথম স্মৃতির মিনার দু’দিনের মাথায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি



একরাশ মুগ্ধতা, বিস্ময় আর ভালবাসা নিয়ে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর থেকে ফিরলাম । আম্মাকে বার বার মনে পড়ছে । মনে পড়ছে বঙ্গবন্ধুকে, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের রেসকোর্সকে যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষেরা শপথ নিয়েছিলেন শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রামু-তর্পণ

[এই পোস্টটি আমাদের রামু তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় । নিতান্তই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লেখাটি শুরু করেছিলাম রামু থেকে ফেরার চারদিনের মাথায়ই । কিন্তু রামুদর্শনের দুঃসহ স্মৃতি আমাকে বারবারই তাড়া করেছে, ফলে লেখাটি সেভাবে আগায়নি । বিক্ষিপ্ত মস্তিকে যা কিছু ধারণকৃত তা থেকেই কিছু অংশ সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করার সদিচ্ছায় ধীরে হলেও লেখাটি শেষ করা হলো । বিলম্বের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করছি। যার উৎসাহে এই লেখা, হিমঘরে যাতে চলে না যায় সেজন্য বার বার তাড়া দিয়েছেন যিনি- অমি রহমান পিয়াল ভাই এবং সেইসাথে যারা ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা । ]

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেডিক্যাল ভর্তিপরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা...

১. মেডিক্যাল ভর্তিপরীক্ষা বন্ধের সিদান্ত নিয়ে চারদিকে বেশ আলোচনা-সমালোচনা, সমালোচনাই বেশি...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চৈতন্যে নিশির ডাক ও একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্মদিন



কেউ কেউ আছেন সীমাবদ্ধতার সূত্র অতিক্রম করে যান, আর কেউ কেউ আরও বেশি জড়িয়ে পড়েন; ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’কে বুকে নিয়ে অমিত রায়ের মতোন আরও বেশি কাছে আসতে গিয়ে আসলে দূরে সরে যান।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের ভাষা ও অপরাপর ভাষা।

নানান দেশের নানা ভাষা
বিনে স্বদেশী ভাষা
পুরে কি আশা?

রামনিধি গুপ্ত তাঁর টপ্পা গানে এই অমৃত বচন সৃজন করার সময় তাঁর মনে কি ছিল তা সহজেই বোঝা যায়, বস্তুতঃ যুগে যুগে অগনিত জাতি তাদের স্বদেশের ভাষাকে এভাবেই ভাল বেসেছে, তাঁদের সীমাহীন ভালবাসায় পরিপুষ্ট হয়ে উঠেছে এ পৃথিবীর শত সহস্র ভাষা।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07