Skip to content

বইয়ের আলোচনা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিথ্যাচারের ঐতিহ্য : আ স্ট্রেঞ্জার ইন মাই ওন কান্ট্রি


পাকিস্তান - একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাসঘাতক রাষ্ট্র।একই সাথে মিথ্যাচারের ঐতিহ্যও মিশে আছে পাকিস্তানিদের রক্তের পরম্পরায়। অভিশপ্ত এই দেশটির রাষ্ট্র ও সেনানায়কেরা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে ১৯৪৭ সাল থেকেই,একটি অবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের জন্মের পরপরই। সেই ধারাবাহিকতা তারা বজায় রেখেছে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। ২৫ মার্চ,১৯৭১ ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যাগুলোর একটির সূচনা করে পাকিস্তানি সেনানায়কেরা,এবং তাতে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সহযোগিতা দেয় পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতারা ( কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ব্যতিক্রম ধর্তব্য নয় )।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সালাম

হযরত আবু হুরায়রা রা হতে বর্নিত হযরত রাসুলুল্লাহ সঃ ইরশাদ করেছেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারী ব্যক্তিকে.

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অকম্যদা আর প্রেম করবে না!!!

অকম্যদা আমাদের পাশের বাসায় থাকেন। যদিও তার ভালো নাম আবুল, তবুও তার কিছু কাজের জন্য আমাদের এলাকার সবাই তাকে 'অকম্য' বলেই ডাকে, আর বয়সে বড় হওয়ায় আমরা ডাকি 'অকম্য দা'। অকম্যদার কাজ কম্য সবই হাস্যকর, যেমন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পদ্মার বুকে অরণ্য ও আকাশ

আষাঢের বাদলা দিনে আকাশ আর অরণ্য বারান্দায় বসে গল্প করছে। দুজন একে অপরের বেস্ট ফ্রেন্ড। তারা যেখানেই যাক, যাই করুক না কেন সবসময় এক সঙ্গেই করবে। এজন্য অন্য বন্ধুরা তাদের সুপারগ্লুুতে লেপ্টানো আঠার সঙ্গে তুলনা করে। আকাশ অরণ্যকে জিজ্ঞাসা করলো, কিরে অরণ্য।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালবাসা একটি বীজগণিতের সুত্রের মত -টি এইচ মানিক

ভালোবাসা হলো পানির মতন; বিশুদ্ধ হলে জীবন আর দূষিত হলে মৃত্যুর কারণ!
উদাহরনঃ কয়েক আগে ঘটনা ভারতের এক ছেলে ফেসবুকে প্রেম করেছে আমেরিকান এক মেয়ের সাথে....
বিশুদ্ধ প্রেমের টানে ঐ আমেরিকা থেকে বিলাসবহুল

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৭ই মার্চ

কমবেশ আমরা সবাই জানি শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চ তাঁর বিখ্যাত ভাষণের শেষে জয় বাংলার পর জয় পাকিস্তান বলেছেন।
অনেক আগে এর ভিডিও সহ প্রমাণ দেখেছি।
কিন্তু আজ হুমায়ূন আহমেদ এর জোছনা ও জননীর গল্প বইটির ভিত

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্কুল ও কলেজর বিদ্যা কোন বিদ্যাই নয়

একটি জাতিকে ধবংস করতে তার শিক্ষানীতিই যথেষ্ট।আমাদের
হযরত মোহাম্মাদ (সা:) আল্লাহর
কাছে প্রার্থনা করতেন এই বলে ”হে
আল্লাহ আপনার কাছে অউপকারি
বিদ্যা হতে আশ্রয় চাই” কুরআনে
আল্লাহ বলেছেন যারা অনর্থক
ক্রিয়া-কর্ম থেকে বেচে থাকে
তারাই সফল হয়েছে” তাহলে মুসলিম
এর প্রতেক কাজের উদ্দেশ্য থাকা
উচিত।আমরা যারা স্কুল,কলেজ ও
বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়ছি আপনারা
আমােদর শিক্ষা ব্যবস্থা,পাঠ্য বই
বা বিদ্যা সম্পকে কি মন্তব্য
করেছেন?
১। আমাদের বিদ্যা পরিক্ষার হল
পর্যন্ত সিমাবদ্ধ থাকে।
২। মুল উদ্দেশ্য চাকরি,চাকরি না
পলে কোন ফায়দা নেই।চাকরি
পেলে কর্ম জিবনে প্রয়োগ
একেবারে নেই বল্লেও চলে।
৩। আমরা যতই বড়ই ডিগ্রী লাভ করি
যোগ,বিযোগ,গুন,ভাগ ছারা কিছুই
থাকেনা।
৪। চাকরি আর সার্টিফিকেট ছারা
ফায়দা নেই,তাই আমরা কম পড়ি পাশ
করতে যা লাগে,প্রয়োজনে পশ্ন পত্র
ফাশ করি।
৫। শিক্ষানিতী পরিবর্তন করা জুরুলি
খুব গন্ধ করে।
৬।আমি কুরআন পড়ে বুজতে পারছি বিদ্যার ইস্থান কথা ও কাজের পূর্বে বাট দেকছি আমাদের স্কুল ও কলেজ এর বিদ্যা ০.০০০১% ও ভুমিকা রাখছেনা।
৭।অন্যকিছু



(লিখেছেন,ব্লগার আবু সুজন)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'আমি তপু'- অসাধারণ একটি বইয়ের সাধারণ পর্যালোচনা



তখন আমি সবে মাত্র সপ্তম শ্রেণিতে উঠেছি। বাড়তি বই পড়ার অভ্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবি সৈয়দ শামসুল হকের অশ্লীল কবিতা, চরিত্রহীনতা এবং ধর্ম-বিদ্বেষ নিয়ে কিছু কথা...

মসজিদ থেকে ভেসে আসা আযানের ধ্বনি ভীষণ অপছন্দ কবি সৈয়দ শামসুল হকের। এরচেয়ে কাকের কা কা শব্দ নাকি তার কাছে বেশি মধুর লাগে। তাই তিনি তার ‘মরা ময়ূর’ নামক কাব্যনাট্যে ভোরের কাককে অনুরোধ করেছেন- ও কাক! তুই খুব জোরে কা কা কর, যাতে মুয়াজ্জিনের আজানটা আর শোনা না যায়।

বছরখানেক আগে বাংলার শীর্ষ ২০ জন নাস্তিকের পরিচয় তুলে ধরে ব্লগে একটি লেখা প্রকাশ করেছিলাম যা ভালই সাড়া ফেলেছিল। সেই ২০ শীর্ষ নাস্তিকের মধ্যে একজন হল এই শামসুল হক। এবার শীর্ষ ২০ নাস্তিকের প্রত্যেককে নিয়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত লিখতে চাই। আজকে কেবল শামসুল হককে নিয়ে আলোচনা করব।

এই কুখ্যাত ব্যক্তিটি যে কেবল ইসলামবিদ্বেষী তা কিন্তু নয়, একইসাথে সে একজন নোংরা মনের মানুষও বটে। অশ্লীল কাব্য রচনায় তার জুড়ি মেলা ভার। প্রাপ্তবয়স্ক কবিতার নামে চটিকাব্য রচনায় সে বিশেষ পারদর্শী। আরেক কুখ্যাত নাস্তিক তসলিমা নাসরিনের সাথে যৌবনে শামসুলের বিশেষ সম্পর্ক ছিল। আরো অনেকের মত সেও নাকি সুযোগ বুঝে অসহায় তসলিমাকে ভোগ করেছিল- এ অভিযোগ খোদ তসলিমার। শামসুল হকের আলোচিত কয়েকটি কবিতার খন্ডাংশ নিচে দেয়া হল-

১। যখন দু’স্তন মেলে ডেকে নিলে বুকের ওপরে
স্বর্গের জঘন খুলে দেখালে যে দীপ্তির প্রকাশ
মুহুর্তেই ঘুচে গেল তৃষিতের অপেক্ষার ত্রাশ

২। বৃষ্টিও বৃষ্টি তো নয় - জরায়ুর রক্তিম ক্রন্দন,
আজ তিনদিন থেকে অবিরাম, ক্ষান্তি নেই তার।
নিষেধ পতাকা লাল, পতাকায় শরীরী স্পন্দন,
তবুও তবুও জাগে, জাগে ইচ্ছা সেখানে যাবার।
শত বাধা সত্ত্বেও থামতে পারে না কামুক পুরুষ,
দুজনের দেহ ছিড়ে বের হয় দুধ-পূর্ণিমা,
আর তা নেমে আসে স্তনের চুড়ায়,
বাড়তে থাকে কামনার জ্বর।
আর জ্বরতপ্ত হাত কুড়ায় কামনার ফুল...

(বি.দ্র. প্রথম অংশে মেয়েদের পিরিয়ড এবং দ্বিতীয় অংশে শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারটি তুলে ধরা হয়েছে)

৩। যখন খুলছো তুমি দেহ থেকে শাড়ি ও শেমিজ,
তখন উদ্বেল কেউ হয়ে ওঠে কৃষি-প্রতিভায়...
(বি.দ্র. এখানে কৃষি প্রতিভা রূপকটি দ্বারা যৌনতাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে)

৪। দেবী তুমি দাঁড়িয়ে রইলে,
আমি চুম্বনের ফুলে
সারাদেহ ঢেকে দিয়ে
পূজাপাঠ শুরু করলাম।
তুমি তো মাটি নও
ছুঁয়ে আমি দেখেছি আঙুলে,
তবুও মন্দিরে ঢুকে
প্রথমেই তোমাকে প্রণাম।

যাদের সাহিত্যের ভাষা এমন নোংরা তারা সেক্যুলার/নাস্তিক হবে এটাই স্বাভাবিক। এরা যদি নিজেকে মুসলমান দাবী করতো তাহলে ইসলামকে অপমান করা হত। এইসব কুখ্যাত চরিত্রহীন লম্পটদের ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব থেকেই বুঝা যায় ইসলাম সঠিক পথে আছে। মন্দরা সবসময় ভালোর বিরোধীতা করবে এটাই তো জগতের নিয়ম।




বি.দ্র. সর্বপ্রথম আমার ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত, যার লিংক- www.facebook.com/intehab

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরকার যে নতুন শিক্ষানীতি প্রকাশকরেছেন তাতে গোটা জাতি স্তব্ধ।

সরকার যে নতুন শিক্ষানীতি প্রকাশকরেছেন তাতে গোটা জাতি স্তব্ধ।আমাদের স্থির বিশ্বাস,শিক্ষাকমিশনের উদ্দেশ্য জাতিকেধর্মশিক্ষা থেকে বঞ্চিত করাছাড়া আর কিছু নয়। দেশের প্রায় সকলবিশিষ্ট ব্যক্তি কথিত শিক্ষানীতিপ্রত্যাখ্যান করেছেন।শিক্ষা হলাজাতির মেরুদণ্ড। সুতরাংশিক্ষানীতি হতে হবে এমন যাতেজাতি মেরুদণ্ডসোজা করেদাঁড়াতে পারে। পৃথিবীর সকলজ্ঞানী-গুণী স্বীকার করেন, ধর্ম,নৈতিকতাও মানবিকতাই হলোজাতির মেরুদণ্ড। সুতরাং জাতিরমেরুদণ্ড সোজা রাখতে হলেশিক্ষানীতিতে অবশ্যই ধর্মশিক্ষা ওনীতিশিক্ষাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতেহবে, অন্যথায় সে শিক্ষানীতি হবেজাতির সর্বনাশের কারণ।দুঃখেরসঙ্গেই বলতে হয়, শিক্ষাকমিশনেযাদের অন্তভুক্ত করা হয়েছে তাদেরমাদরাসাশিক্ষার প্রতি তো বটেই,এমনকি সাধারণ ধর্মশিক্ষার প্রতিওযেন একটি অন্ধবিদ্বেষরয়েছে, অন্ততশিক্ষানীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রেতাদের আচরণ ও মানসিকতা সেটাইপ্রমাণ করে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃএমাজুদ্দীন তাই বলতে বাধ্য হয়েছেন,শিক্ষাকমিশনের চেয়ারম্যান যেচিন্তা-চেতনার অধিকারী তাদেশের ৯০ভাগ মানুষের চিন্তা-চেতনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেআমি মনে করি।’ তিনি আরো বলেন,যে শিক্ষানীতিতে ধর্মশিক্ষা নেইএবং মাদরাসা শিক্ষার মত গৌরবময়ঐতিহ্যের অধিকারী শিক্ষার প্রতিগুরুত্ব নেই সেটা আর যাই হোকজাতীয় শিক্ষানীতি হতে পারেনা।শিক্ষার উদ্দেশ্য কী? শুধুচাকুরিজীবী এবং বস্তুজ্ঞানীতৈরী করা, নাকি আদর্শ মানবতৈরী করা, যাদের মাঝে থাকবেসকল মানবীয় গুণ? সম্ভবত আমাদেরশিক্ষানীতি প্রণেতারা মনেকরছেন, আগামী প্রজন্মে তাদেরমানুষ দরকার নেই, দরকার শুধুবস্তুজ্ঞানের চাকুরিজীবী ওকর্মজীবী।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07