Skip to content

কবিতা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহঃ কেমন আছো আকাশের ঠিকানায়?


উৎসর্গঃ তসলিমা নাসরিন (কূলহারা কলঙ্কিনী)


“রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ” বাংলা সাহিত্যাকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। যার জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৬ই অক্টোবর। তাঁর বাবা ছিলেন পেশায় একজন ডাক্তার রুদ্রের জন্মের সময় তার কর্মস্থল ছিল বরিশাল। কবির জন্ম বরিশাল হলেও তাদের মূল বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার মিঠেখালি গ্রামে। দ্রোহ ও প্রেমের কবির শৈশব কালটি কাটে মংলাতেই। এর পর চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৭৩ সালে ঢাকা ওয়েস্ট হাইস্কুল থেকে তিনি এস.এস.সি এবং ১৯৭৫ সালে এইচ.এস.সি পাস করেন। এর পর তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এখান থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরেক পোশাকের টানে

বেহুলা বাংলা, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত আরেক পোশাকের টানে কবিতা গ্রন্থটি কেউ যদি সরাসরি ডাক যোগে পেতে চান তাহলে এই নম্বরে ০১৭৭৬১৬২২২৮ আপনার ঠিকানা এস এম এস করুণ এবং ১৫০ টাকা বিকাশ করুন।

কয়েকদিনের ভেতরে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কন্যা

আমি যাচ্ছি বাবা,একেবারেই যাচ্ছি।
অনেক দিন ধরে এ বাড়িতে কেউ মারা যায় না,,
অনেক দিন ধরে এ বাড়িতে মাতম হয় না,,,
তাই আমার বিয়ে হয়ে গেল,,,,!
কলেজের বাংলা বইয়ের হৈমন্তী গল্পটা এখন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘৃণার সুনামী

পৃথিবীর মানচিত্র থেকে,
তোমার মুছে যাওয়াই যদি
আমার অস্তিত্বের একমাত্র শর্ত হয় -
তবে তাই হোক, আমি তাই চাইবো।
আমার মানচিত্র টিকিয়ে রাখতে,
তোমার মানচিত্রের ছিন্ন-ভিন্ন হওয়া যদি
অপরিহার্য ও অনিবার্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিবেক কথা বলে।

কবুল হজ্জ্বের হয়গো সওয়াব
বাবা মায়ের প্রতি,
এক চাহুনি নেক নজরে
হাদিস বলে সত্যি!
তাই তো আমি যাই ছুটে যাই
সময়ে পেলে ক্ষীণ,
সালাম করি তাকিয়ে থাকি
যাদের কাছে চীরঋণ।
ভুলবো না’কো বাবা-মা গো
বাঁচবো য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনের পশু

মনের পশুর রাখাল খুঁজি
পাইনা তাহার দেখা।

গাঁ গেরামে মাঠে ঘাটে
খুঁজে বেড়ায় তাহা।
কোথায় তোমার আবাস ভুমি
কোথায় তোমার চারন ভূমি
কোথায় পাল তোমার পশু।

কোন হাটেতে বেচ তুমি
তোমার পালা মনের পশ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আমার নাম লিখলাম

আমি আমার নাম লিখলাম

আমার স্কুলের লুকানো ডায়েরীর উপর
আমার পড়ার টেবিল এবং
ফিলিপসের ভাঙ্গা বাতিতে মানি প্ল্যান্ট গাছের গায়ে
মাটির সাথে , বালির উপর
বড়ই গাছের ডাল দিয়ে
আমি আমার নাম লিখলাম ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছায়াদের কোন শরীর হয় না

ওরা বলে, আমরা নাকি তরলের মতন
যখন যে পাত্রে ঢালে, আমরা নাকি তার!
দু:খিত, আমরা তরল নই বরং ছায়ার মতোই
আধো আলোতে জন্মাই
ঔজ্জ্বলে মৃত্যু আর অন্ধকারে মিশে
গায়েবী বাণীর ন্যায়-এই আছি এই নাই, এই নাই!
ছায়াদের কোন শরীর হয় না, কবিতারও নয়।
তবু তারা নড়ে, চড়ে, গান গায়, আনন্দে লাফায়
পাথর ফাটানো ঝর্ণার ন্যায় যখন মন চায়
দেয়ালের গায়ে তারা দেয়াল হয়েই লেপ্টালেপ্টি খেলে যায়।
ছায়াদের কোন শরীর হয় না, কবিতারও নয়।
তবে কবি শরীরের দাস
বারবার হেরে যায় শরীরের তাড়নায় সীমাহীন বেদনায়-মানসিক।
যে সবার, সে আসলে কারো নয়, কারো নয় হে পথিক।
কবিরা কারো হয় না, হতে পারে না, এটাই নিয়ম,
অমোঘ সত্য-জগতের দ্বারে আছে লেখা।
তবু আজ তোমাদের এক অশরীরী কবির গল্প শোনাবো।
কবি সে আজ এই মুহূর্তে এই কবিতাখানি পড়ছে।
হ্যাঁ, তোমার ভেতর ঘুমন্ত সেই দুর্বিনীত কবির কথা বলছি, তুই কই?
এই মুহূর্তে তুলে নে কিবোর্ড অথবা কলম
আছে যা তোর কাছে এই মুহূর্তে-তোল!
রচনা কর প্রলয়ঙ্করী কিছু শব্দবন্ধ যা তোর শারীরী মৃত্যুর পরেও অশরীরী ছায়ার মতো মিশে থাকবে পাঠকের হৃদয়ে, মস্তিষ্কে এবং শয়নে স্বপনে রাত্রিদিন!
তুলে নে কুঠার, আঘাত কর সব ধ্যান ধারণার মূলে যা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে তোর জীবন যৌবন-সব!
এসো হে বন্ধু, পুনরুজ্জীবিত কবি আমার
প্রতিটি হৃদয়ে জাগো, জাগো আবার...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাবতে ভালোবাসি তুমি আমার।।।

জানি তোমার সাথে আমার শেষ পর্যন্ত হবে না কোন দিন। তবু ভাবতে ভালোবাসি, যদি হয়?
.
এভাবেই ভাবতে ভাবতে দিন চলে যায়, বছর গড়ায় বছরের মতন। ওদিকে আমরা শত শত কাজের ভিড়ে হারিয়ে যাই শালিকের বেশে। ঐ যে শালিক, যার কথা বলেছিলাম। পাখিটা শিল্পী হতে চেয়েছিল।
.
বিজ্ঞানীরা বলে, বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় কুসংস্কারের নাম ভালোবাসা। সবই দেহতাত্ত্বিক লীলাখেলা। তুমি বল, আমার চোখে তুমি নাকি এক মাংসপিণ্ড ছাড়া আর কিছু নও।
.
হ্যাঁ, আমি বলি, কথা সত্য। আমার চোখে তুমি শুধু আমার হৃদয়ের মাংসপিণ্ড। প্রতি মুহূর্তে ধুকপুক করতে করতে জানিয়ে দাও, আমি আছি, তুমি আছো। আমি আছি, তুমি আছো।
.
আসলেই ভালোবাসি না। শুধু আক্ষেপ করি যদি পার্থক্যটুকু হতো আরেকটু কম, যদি আমার আরো কিছু থাকতো, যদি তোমার থাকতো কিছু কম। তবে হয়তো, হয়তো একদিন, আমরাও একদিন শালিকের মতো পাশাপাশি ডানা মেলে উড়তাম।
.
এগুলো ভাবতে ভালোবাসি। জানি, এগুলোর কোনটাই সত্য নয়, সবই মরীচিকা, অলস মস্তিষ্কের লীলাখেলা। কারণ তোমার আর আমার হবে না কোন দিন।
.
তবুও ভাবতে ভালোবাসি। তবুও দিন শেষে বিশ্বাস করি যে আলো আসবেই। বিশ্বাস করি যে হবে, হতেই হবে, যে কোন মূল্যে হবে, হওয়াবো, হওয়াতেই হবে...
.
তুমি আমার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রেমিকার গন্ধ

মাঝে মাঝে প্রেমিকার গন্ধ বাতাসে ভাসে। আধো ঘুম, আধো জাগরণে সে গন্ধ ঘ্রাণান্দ্রীয় থেকে শুরু করে মন মনন মস্তিষ্ক গ্রাস করে আফিমের মতো সতেজ অনুভবে।
আফিমের কথায় মনে পরে গেল, ছেলেবেলায় এলাকার টঙের দোকানে আফিম মেশানো চায়ের খুব নামডাক ছিল। আদতে আফিম মেশাতো না গুড়ো গুড়ো ডানো, তা জানা ছিল না। লোকে ওটা পেয়েই খুশি। স্বাদে তো বুঝি কিছুটা চমক এলো!
মাঝে মাঝে প্রেমিকার গন্ধ বাতাসে ভাসে। সে প্রেমিকার স্বাদে চমক লাগে না, নতুনত্ব লাগে না, দরকার নেই। সে থামলেই পথ থেমে যায়, হাঁটলেই কলকল করে বহে ঝর্ণাধারা। ঘুম ভাঙ্গলেই ঘুম ছুটে যাওয়া সৈনিকের মতো হুড়মুড় করে উঠে বসা লাগে। অস্ত্রহীন সে প্রেমিকের কবিতাই হয় সর্বশক্তিমান মারণাস্ত্র- আঘাতে যার পৃথিবী আহত হয়, বাতাস গলে গলে পরে, ভ্যাপসা গরমে বৃষ্টির ছাঁট ভিজিয়ে দেয় মুখমণ্ডল।
মাঝে মাঝে প্রেমিকার গন্ধ বাতাসে ভাসে। এ গন্ধ বাকি সব গন্ধের মতো নির্বিরোধী বায়ুকণা নয়।

এ গন্ধ মানে ধ্বংস
এ গন্ধ মানে সৃষ্টি
এ গন্ধ মানে মাদক

এ গন্ধ মানে তুমি...

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07