Skip to content

ইতিহাস

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শোক বার্তা নেবেন কিনা সিদ্ধান্ত নিন

মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেটার স্বপ্ন ছিলো একদিন নাসা বা কেপ-কেনেডিতে বসে মহাশুন্যের গ্রহ-নক্ষত্রের রহস্য উন্মোচন করবে । ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়র হয়ে উচ্চতর ডিগ্রি করবার জন্য ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিও হয়েছিলো । কিন্তু,অর্থনৈতিক দৈনতার কারনে শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয় নাই । তবে, হাতে কিছু টাকা আসলে সে ঠিকই যাবে, এমনটাই ছিলো পরিকল্পনা । ১৯৮৯-এ বাংলাদেশে আসেন স্পেনের রাণী সোফিয়া জুলিয়ানা । তিনি কিছু টাকা অনুদান দেন গরীব দেশগুলার জন্য । তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি । '৮৮-এর বন্যার পর নদীর নাব্যতা নিয়ে এবং তা ড্রেজিং নিয়ে হইচই শুরু হয় ।পুরানো তিনটা ড্রেজার আছে মাত্র । সুতরাং ড্রেজার দরকার ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তীতুমীরকে স্মরন করা হয়না-ফরহাদ মজহার! সত্যি কি তাই?

"তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রীতিলতা, সুর্যসেনের কথা বলা হয় কিন্তু তীতুমীর ও শরিয়ত উল্যাহর কথা আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন না। সিপাহী বিপ্লবের কথাও ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। একটি জাতিকে ইতিহাস বিকৃত করে বেশিদিন স্তব্ধ করে রাখা যায় না। দেশের মানুষ ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছেন। আবার সেই ভুলিয়ে দেয়া ইতিহাসের পদধ্বনি শুরু হয়েছে। জালিম শাসক-শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র লড়াই শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লড়াইয়ে জনতার বিজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে দেশি বিদেশি চক্র তা নস্যাত করতে চাইছে।"-ফরহাদ মজহার, মে ১, ২০১৩, চট্রগ্রাম।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধুর দুইটি দুর্লভ সাক্ষাৎকার

১.
বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হবার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু। এই সময়টিতে বিশ্ব মিডিয়ার ফোকাসের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি, তার সাথে ছিল বাংলাদেশ। দেশে ফেরার পর পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়াই জানতে চেয়েছে তার কথা, তার সাথে কথা বলতে চেয়েছে। এই সাক্ষাৎকারগুলো ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহা! কী মধুর মোর মায়ের ভাষা! ( শহীদ স্মৃতি অমর হউক)

রয় শেফার্ড, আমার বন্ধু ও সহকর্মী। জার্মান বংশোদ্ভুত রয় শিশুকালেই বাবা মায়ের সাথে আমেরিকা চলে এসেছে। তার বাবা আমেরিকান, সেনাবাহিনীতে চাকুরী করতো, বছর দশেকের জন্য জার্মাণীতে পোস্টেড হয়েছিল, সেখানেই তার জার্মান মায়ের সাথে পরিচয়, ও পরিনয়, চার ভাই-বোনের জন্মও ওদেশেই। ফলে মাতৃভূমির সূত্র ধরে রয় নিজেকে জার্মান বলে পরিচয় দেয়। আগে মায়ের সাথে মাঝে মাঝে জার্মানীতে বেড়াতে যেত। এখন অবশ্য আর যাওয়া হয়না। বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন, মা-ও বয়সের ভারে আক্রান্ত। দেহে শক্তি কমে এসেছে, ইচ্ছে থাকলেও দূরে কোথাও যেতে পারে না। তাই জার্মানীর সাথে সকল বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে। তবে তার চেহারা থেকে জার্মান ছাপ এতটুকুও মিলিয়ে যায়নি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাস্টলিক্স-১: এ বিল্ডিং, শাবিপ্রবি'র জামাত শিবিরের ২০১০ এর বার্ষিক রিপোর্ট



নথিগুলো গত বছরের ১১ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমকে গেপ্তারের দিন সন্ধ্যায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষে শিবির বিতাড়িত হয়ার পর শিবির নেতাদের কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, এটা শুধুমাত্র আমাদের ক্যাম্পাসের একটি বিল্ডিং এর রিপোর্ট যেখানে কম্পুঊটার ইঞ্জি, ফিজিক্স এসব আছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চিনে নিন শাবি ক্যাম্পাসের প্রস্তাবিত ভাষ্কর্য্য বিরোধিতাকারীদের

চিনে নিন ।

শাবি ক্যাম্পাসের প্রস্তাবিত ভাষ্কর্য্য বিরোধিতাকারীদের নামের লিস্ট পাওয়া গেছে। আমি মনে করি দেশ ও জাতির অধিকার আছে এদের চিহ্নিত করার এবং সামাজিকভাবে বয়কট করার।আমি নিজে ও খুব আপসেট এই লিস্ট দেখে। এখানে আমার অনেক প্রিয় বড়ো ভাই আছে, বন্ধু আছে এবং জুনিয়রও আছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজীবন বিপ্লবী অনন্য সাধারণ এক ব্যক্তিত্ব কমরেড মনি কৃষ্ণ সেন


কমরেড মণিকৃষ্ণ সেন ছবি : কমরেড শংকর বসু

কমরেড মনি কৃষ্ণ সেন আজীবন সংগ্রামী, আজীবন বিপ্লবী অনন্য সাধারণ এক ব্যক্তিত্ব। সংগ্রাম মুখর এক মহৎ জীবনের অধিকারী তিনি। ইংরেজ আমলে স্বদেশ মাতৃভূমিকে দাসত্ব ও পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত করার জন্য ১৯২০ সালে মাত্র সতের বছর বয়েসে "ইংরেজ ভারত ছাড়" এই ব্রত উদযাপনে বুকের রক্তে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। বিপ্লববাদে বিশ্বাসী হলেও তিনি বিশ্বাস করতেন জনগণকে বাদ দিয়ে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত আন্দোলন করে দেশ স্বাধীন করা সম্ভব নয়। বছরের পর বছর কারাজীবনে তিনি মানব মুক্তির মতবাদ মার্কসবাদে দীক্ষিত হন সেই ১৯৩০ সালে রাজশাহী জেলে থাকাকালীন। পরবর্তীতে তিনি নিজেই হয়ে গিয়েছিলেন সংগ্রামের মূর্ত প্রতীকে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ : একটি চলমান গণহত্যার ইতিবৃত্ত

১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে; বিস্ফোরণ, বারুদ আর রক্তের ফোয়ারার ঠিক মাঝখানে। ভূমিষ্ট হবার পর নয়টি মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে - বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে। এই নয়টি মাস ভুলে যাবার নয়, এই নয় মাসে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যা ঘটেছে তাকে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বিবেচনা করেছে বিশ শতকের সবচেয়ে নৃশংস পাঁচটি গণত্যার একটি হিসেবে, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী এই হত্যার মাত্রা ছিল প্রতিদিনে ছয় হাজার থেকে বারো হাজার মানুষ যার সামষ্টিক পরিমান তিরিশ লক্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি। এই নয়টি মাসে ধর্ষণ এবং আরো অসংখ্য ধরণের শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার লক্ষ বাঙালি নারী। গণহত্যা কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো বিশ্বজুড়ে ঘৃণ্য অপরাধগুলোর যতগুলি প্রকরণ রয়েছে তার প্রায় সবক'টি সংঘটিত হয়েছে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল ও আন্তর্জাতিক আইন - ভুমিকা ও জুরিসডিকশন

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আমি কিছু বলবো না আমার এই লেখা সম্পূর্ণই অন্য এক পয়েন্টে। ইদানীং বেশ শোর উঠছে যে আমাদের ট্রাইবুন্যাল হচ্ছে এই ট্রাইবুনাল কি যথাযথ কিনা। আসুন দেখি আইন কি বলে বিভিন্ন দেশে কিভাবে বিচার হয়েছে বা হচ্ছে। ট্রাইবুনালই বা কিভাবে হচ্ছে বা কারা করছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পশ্চিম পাকিস্তানিদের উপনিবেশিকতাঃ শিক্ষা ও সংস্কৃতি

একটি জাতিকে চিরকাল শোষণ করতে হলে তার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে হয়। ভেঙ্গে দিতে হয় তার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে। মুছে দিতে হয় তার চেতনার উৎসমূহকে। ইতিহাসের যে মহান গতিধারা থেকে কোনো জাতি সাহস সঞ্চয় করে বাঁধ দিয়ে দিতে হয় সে গতিধারার অন্তস্থলে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07