Skip to content

আন্তর্জাতিক

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দশট্রাক অস্ত্র: আইএসআই-উলফা-তারেকের যোগসূত্র

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বিএনপির শাসনামলে শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাজনীতিবিদের মধ্যে একজন ছিলেন না, তিনি দেশের পূর্বপ্রান্তিক অংশ থেকে ভারতবিরোধী কার্যক্রম পূরণকল্পে আইএসআই এর প্রধান দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি (point man) হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেগম জিয়ার ঘষেটি সিন্ড্রম : পরাশক্তিগুলোকে সরকার উৎখাতের আবেদন!



ধারনা করি বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক অস্থিরতায় ভুগছেন। ক্ষমতায় যাবার অস্থিরতা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রথম কিস্তির রায় সমাসন্ন।যুদ্ধাপরাধের দায়ে তার ক্ষমতাধর মিত্র জামায়াতে ইসলামীর নেতাদেরই শুধু নয়, গোটা দলটির রাজনৈতিক মৃত্যুও মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। আইনগতভাবে যখন কোনো দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যুদ্ধাপরাধী বলে অভিযুক্ত হয় তখন তাদের জনসমর্থনে ভাটা পড়তে বাধ্য। তার প্রভাব ভোটেও পড়বে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিবিসি বাংলা রেডিও- লন্ডনে তুর্কী দূতাবাসের সামনে বাংলাদেশীদের বিক্ষোভ

বিবিসি বাংলা রেডিওতে উঠে এসেছে লন্ডনস্থ তুর্কী দুতাবাসের সামনে গতকালকের বিক্ষোভ।



অডিও টি আপলোড করেছেন ব্লগার আরিফুর রহমান

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লন্ডনে তুর্কি দুতাবাসের সামনে ২১ সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচী ও স্মারকলিপি প্রদান


বাংলাদেশে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কার্যক্রমের সহায়ক শক্তি হিসেবে ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ১৩ সংগঠনের আন্তর্জাতিক জোট "ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম" (আইসিএসএফ) এর আহ্বানে আজ ১৬ জানুয়ারী ২০১৩ লন্ডনে তুর্কী দূতাবাসের সামনে মুক্তিযুদ্ধ এবং বিচারের পক্ষের ২১ সংগঠনের এক সম্মিলিত প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুঃখিত হিনা রাব্বানি, আমি অতীত ভুলতে অক্ষম


হিনা রাব্বানি এসেছিলেন। হিনা রাব্বানি, মানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন, চলেও গেছেন।সকাল দশটায় এসেছেন, চলে গেছেন বিকেল চারটায়। আসা আর যাওয়ার মাঝখানে এই ছয় ঘন্টায় তিনি করেছেন অনেক কিছুই - ডি-৮ সম্মেলনের দাওয়াত পত্র দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে, সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে,দেখা করেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর সাথেও।তার সাথে সাথে করে গেছেন একটি বড় সড় তামাশা, বাংলাদেশের মানুষকে অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে বলে গেছেন হিনা রাব্বানি। অতীত মানে - ঊনিশশো একাত্তর।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর কত মিথ্যাচার!



ওপরের এই ছবিটা নিশ্চয়ই আপনি দেখেছেন, বক্তব্যটা পড়েছেন। হয়তো বিশ্বাসও করেছেন। কিংবা ইতিহাস সম্পর্কে খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা নেই বলে খানিকটা বিভ্রান্ত। আপনাকে সাহায্য করবো আমি। মাথা ঠাণ্ডা করে এবার পড়তে থাকুন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইউ-এস সিনেটের সাইটে মীর কাশেম আলীর ২,৮০,০০০ ডলারের লবিং এর তথ্যপ্রমান

ছবি সৌজন্য: বাংলাবার্তা



গুজবটা অনেকদিন ধরেই ঢাকা শহরে শোনা যাচ্ছিল - যে মীর কাশেম আলী আমেরিকায় কোন একটা লবিং ফার্ম নিয়োগ করেছে তার পক্ষে যুদ্ধাপরাধী মামলা নিয়ে মার্কিন সরকারের কাছে লবিং করার জন্য। এজন্য সে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছে। নানা ব্লগে/ ফেইসবুকে এটা নিয়ে পোষ্ট/ষ্ট্যাটস ও এসেছে। কিন্তু যথারীতি ঘাতকদের দল জামাত শিবির এটা অস্বীকার করে গেছে আর বলেছে যে ডকুমেন্ট-গুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলো জালিয়াতি করে বানানো। আজকে পেপার পড়ে বুঝলাম যে ব্যাপারটা ভার্চুয়াল জগত পেরিয়ে সরকারী পর্যায়ে চলে গেছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসঙ্গ – রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় না দেয়ার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা

আজ অনেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে অনুমতি না দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে চরমভাবে সমালোচনা করছে। এবং একই সাথে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশীদের ভারতে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। কিন্তু আমরা বাংলাদেশীরা মায়ানমারের বর্তমান দাঙ্গার ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আজ নিজেদের সঠিক তথ্য থেকে দূরে সরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের কথা বলছি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আলী আলগামদির মিথ্যাচার : জামাতের সৌদি বুদ্ধিজীবী উইং

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কার্যক্রম এই মুহুর্তে একটি সন্তোষজনক গতিতে এগোচ্ছে।খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রধান যুদ্ধাপরাধী দল জামাতে ইসলামী নিজেদের মৃত্যুঘন্টা শুনতে পেয়েছে।মৃত্যু যখন কাছাকাছি আসে তখন যেকোন শ্বাপদই চায় একটা শেষ কামড় দিতে,জামাত তার ব্যতিক্রম কিছু করেনি।এর আগে মালয়েশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে গোলাম আযমের ছেলে নুমান আযমী।জামাতের আন্তর্জাতিক আইনজীবী কাম পরামর্শক হিসেবে বাংলাদেশে এসে পানি ঘোলা করতে চেয়েছিলেন টবি ক্যাডম্যান

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার্থে মার্কিন-বিএনপি-জামাত ত্রয়ী আতাঁত!!

জামায়াত ইসলামী তার দলের স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বাঁচাতে ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী লবিস্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৮২ কোটি টাকার চুক্তি করেছে এবং গতবছর সে অর্থ প্রেরণও করেছে। জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ও বর্তমান ওবামা সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র জেরাল্ড এস জে কেসিডি’র লবিং প্রতিষ্ঠান CASSIDY & ASSOCIATES, INC -এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07