Skip to content

অগ্নিঝরা মার্চ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ : একটি আনাড়ি এনালজি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল - ২ কর্তৃক কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পর সে রায় আশানুরূপ হয়নি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কোন বাঙালির কাছে। ওইদিনই এই ঘৃণ্য রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নেমে আসে বাংলাদেশের জনগণ। ঢাকার শাহবাগকে ঘিরে সারা বাংলাদেশেই শুরু হয় এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ। প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল একমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাকিস্তান সমর্থন, ক্রিকেট, রাজনীতি ও ১৯৭১


ঢাকা স্টেডিয়ামে যতবার ভারত ও পাকিস্তান দলের খেলা হয়েছে প্রতিবারই ‘বাংলাদেশী দর্শকের শতকরা প্রায় ৯৯ জনই পাকিস্তান দলের প্রতিই আবেগপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যানার প্রদর্শন করলেও তা দর্শকদের মনে সামান্য প্রভাবও বিস্তার করতে পারেনি। দর্শকরা ঐ ব্যানার দেখে মন্তব্য করেছে ”রাখ মিয়া মুক্তিযুদ্ধের কথা, এখানে মুসলমানদের বিজয় চাই”... ‘ধর্মনিরপেক্ষবাদী ও ভারতপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীদের মন্তব্যের কথা শুনেছি। তারা নাকি বলেন, আমরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে যুবসমাজের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চারের জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা করি তা স্টেডিয়ামে পাক-ভারত খেলায়ই নস্যাত হয়ে যায় ... শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী ও ঘাতক দল জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন আমির গোলাম আযম (আত্মজীবনী জীবনে যা দেখলাম ৩য় খন্ড, পৃ: ১২৬-১২৭)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- ব্রাহ্মনবাড়িয়াঃ এক স্বপ্নের জন্ম এবং চেতনায় একাত্তর



উতসর্গঃ ব্লগার নাছিম

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর।

কি পোলারে বাঘে খাইলো? শ্যাষ। আইজ থাইক্যা বঙ্গাল মুলুকে মছুয়াগো রাজত্ব শ্যাষ। ঠাস্ কইয়্যা একটা আওয়াজ হইলো। কি হইলো? কি হইলো? ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পিঁয়াজী সাবে চেয়ার থনে চিত্তর হইয়া পইড়া গেছিলো। আট হাজার আষ্টশ চুরাশি দিন আগে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট তারিখে মুছলমান-মুছলমান ভাই-ভাই কইয়া, করাচী-লাহুর-পিন্ডির মছুয়া মহারাজরা বঙ্গাল মুলুকে যে রাজত্ব কায়েম করছিল, আইজ তার খতম্ তারাবি হইয়া গেল।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিভ্রান্তির জবাব, দুটো ভিডিও

[জন্মযুদ্ধ '৭১ প্রকল্পের পক্ষ থেকে দুটো ভিডিও আপলোড করেছি ইউটিউবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রচারে দুটো বড় ধারা ৭ মার্চ রেসকোর্সের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলা এবং ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে সংশয়। এই বিভ্রান্তি কাটাতে প্রমাণ হিসেবে লাগসই ভিডিওগুলো। ]

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শোনো হে বাঙালি, মার্চ- উনিশশো একাত্তর বলছি

দৃষ্টিজুড়ে আলো থাকলেই অন্ধকার ঘুচায় না। আঁধারেরও একটা রঙ আছে, তারও একটা সত্তা আছে। ওইটুকু বাদ দিলে যে নিকষ কালো রাত্রির পর্দা নামে, তাতে ভয় ধরে; ভয়ার্ত মনের মধ্যে বাসা বাঁধে শব্দেরা; শব্দগুলোর কান্না পায়, চিৎকার করে কাঁদে, কেবল কাঁদে আর কাঁদে; ইতিহাসের পনেরো খণ্ডে শব্দগুলো আমার বুলেট হয়ে যায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'৭১ সালে ৬টি মহাদেশের মিডিয়ায় ২৬শে মার্চের বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার খবর

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানীদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা দেন। সে সময় এই খবরটি গুরুত্ব সহকারে পৃথিবীর একাধিক দেশের মিডিয়ায় স্থান পায়। এই পোষ্টে ৬ টি মহাদেশের ২৫ টি দেশের অসংখ্য পত্রিকার ১৯৭১ সালের মার্চ-এপ্রিলের রিলেটেড সংখ্যাগুলো যুক্ত করে দেয়া হল। দেশগুলো হল অষ্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, কোষ্টারিকা, সাউথ আফ্রিকা, পোলান্ড, আয়ারল্যান্ড, সিংগাপুর, ইটালী, থাইল্যান্ড, পর্তুগাল, জাপান, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, অষ্ট্রিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, টার্কি, গ্রেট ব্রিটেন, নরওয়ে, আমেরিকা, এবং ইন্ডিয়া। সেই সাথে বাংলাদেশেরও একাধিক আর্টিকেল দেখা যাবে। ছবির লেখাগুলো দেখতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে ফেইসবুকের এই এলবামে যাবার অনুরোধ জানাই যেখানে ১২৬ টি বেটার কোয়ালিটির ইমেজ রাখা আছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অগ্নিঝরা মার্চ: ৩ মার্চ, ১৯৭১



মৌচাক মোড়ের ঠিক উল্টোদিকেই একটা স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। শহীদ ফারুক-তসলিম স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৭১ সালের এদিন ঢাকাসহ সারাদেশে গুলিতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। শহীদ ফারুক ইকবাল তাদের একজন। আবুজরগিফারী কলেজের এই ছাত্রলীগ নেতা (তখন এজিএস) বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় গুলিতে শহীদ হন। এনিয়ে আমাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এক বড় বোন ডাঃ শিমুল কলি হোসেইনের স্মৃতিচারণটা হুবহু তুলে দিলাম:

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা



(নোট -সবগুলো পর্ব আলাদা আলাদা না দিয়ে একসাথে দেবার যুক্তিটা পেয়েছি পিয়ালের কাছ থেকে। দয়া করে সময় নিয়ে পড়ার জন্যে পাঠকের কাছে অনুরোধ রইল)।


মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা - পর্বঃ১

১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের নিরস্ত্র জনতার উপর ঝাপিয়ে পড়ে একটা সুসজ্জিত ও পেশাধারী পাকিস্থানী সেনাবাহিনী। ২৫শে মার্চের গভীর রাত থেকে শুরু হয়ে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে বর্তমানের বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডের সাধারন মানুষের উপর হত্যা-ধর্ষনসহ একটা পরিকল্পিত গনহত্যা এবং বুদ্ধিজীবি নিধনযজ্ঞ অভিযান।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জয় বাংলার কবি কাজী নজরুল

জয় বাংলার জন্ম ১৯২৪ সালে, আওয়ামীর জন্মের বহুবছর আগে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07