Skip to content

সুশান্ত-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগে মৌলবাদিদের উত্থান আতংকিত করে



ইদানিং মজার কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি, কেন আমি ভিনদেশে থেকে দেশ নিয়ে এতো কথা বলি। আবার এও শুনেছি, অনলাইনে কথা না বলে আমি যেন পারলে দেশে রাজপথে এসে রাজনীতি করতে যাই। আমি অবাক হয়ে যাই এসব প্রশ্ন আসছে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতা কর্মীদের কাছ থেকে। আমি নিশ্চিত এসব নেতা কর্মীরা জানে না যে, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা তথা সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং সমাজতন্ত্র তথা শোষণ-মুক্ত সমাজ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মূলনীতি। যখনই আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মীর কথা বার্তায় আচরণে উপরে উল্লেখিত কোন মূলনীতির লংঘন দেখা যায়, তখনই আমি এর প্রতিবাদ করবো।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয় জাফর স্যার! সজীব ওয়াজেদ জয়কে দয়া করে বিতর্কিত করবেন না

কারো সাথে কোন ইসুতে ১০০ ভাগ একমত হওয়া এবং কারো সাথে সবকিছুতেই একমত হওয়া খুবই অস্বাভাবিক বিষয়। যেমন ধরুন, জাফর স্যারের বেশিরভাগ বক্তব্যেই একমত হওয়ার মতো উপকরণ থাকে; তার মানে এই না যে উনার সবকিছুতেই আমি একমত হবো। একবার আমি দেশে ছিলাম, আমাকে এক ছেলে জানালো দাদা হবিগঞ্জ জেলা জামায়াত নেতার এক ছেলে হবিগঞ্জে শিশুদের একটি আইটি প্রোগ্রাম করছে। জাফর স্যার প্রধান অতিথি হিসেবে আসছেন এই প্রোগ্রামে; আপনি কি স্যারকে একটু বলে দেখবেন স্যার যেনো না আসে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডক্টর জাফর ইকবালকে নিয়ে কয়েস চৌধূরীর কটূক্তি এবং একজন প্রাক্তন ছাত্রের প্রতিবাদ/মতামত

মুখে জয় বাংলা আর শরীরে মুজিব কোট এই দুইটা জিনিস থাকলেই আওয়ামী লীগ আর বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করা যায়না। আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু অনেক বড় বিষয়।

ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত আছি। কাছে থেকেই দেখেছি অনেক কিছু। দেখেছি সারাজীবন বিএনপি জামায়াতের রাজনীতি করা যুবকটি কীভাবে আস্তে করে আওয়ামী লীগের সাথে মিশে যায়, দেখেছি উঠতে বসতে 'মালাউন' গালি দেয়া সাম্প্রদায়ীক ব্যাক্তিটি কীভাবে 'জয় বাংলা' স্লোগান দেয়া শিখে যায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা পোস্ট

সিলেট এর রাজনীতির খুব কমন একটা ফর্ম হলো কোন ফ্যামিলিতে চার ভাই থাকলে এক ভাই করবে আওয়ামী লীগ, আরেকজন বিএনপি, অন্যজন জামাত ও শেষজন জাতীয় পার্ট। ভাগ্যক্রমে আরো দুই-এক ভাই থাকলে তারা কেউ হবে বাম আরেকজন ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় কিছু।

আমরা ও চার ভাই। কিন্তু চারভাইই আওয়ামী লীগের অন্তপ্রান। যদিও অন্য ভাইয়েরা রাজনীতিতে এখন সক্রিয় না। ছোট ভাই ১-১১ এর সময় দুইবার ৩ মাস করে জেল খাটছে হুদাই। এরপর রাজনীতির শখ তার মিটে গেছে। তবে ভাগীনির মধ্যে কেনো জানি এই রাজনীতি রোগ ঢুকেছে এবং কলেজ জীবনের প্রথম দিনেই সে কলেজে মিছিল করেছে ছাত্রলীগের সাথে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাবি ছাত্রলীগ নিয়ে দু'টি কথা: পর্ব-৩

২য় পর্বে আমি লিখেছিলাম ২০১২ সালের ডিসেম্বরে যে কাউন্সিল হয়েছিলো সেটি কোন কমিটি ঘোষনা ছাড়াই শেষ হয়েছিলো। উল্লেখ্য কাউন্সিল পূর্ববর্তী সময়ে শাবিতে কোন ধরনের সদস‌্য সংগ্রহ হয়নি; স্বাভাবিকভাবেই হয়নি কোন ক্লাস কমিটি, কোন বিভাগ, কোন ফ্যাকাল্টি এবং হল কমিটি। ফলাফলবিহীন কাউন্সিলের সমাপ্তি ঘটে ৫ মাস পর ২০১৩ সালের মে মাসে। সাতজনের নাম উল্লেখপূর্বক একটি আংশিক কমিটি কেন্দ্র থেকে প্রেসরিলিজ আকারে হুট করে মে ২০১৩ তে প্রকাশ করা হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাবি ছাত্রলীগ নিয়ে দু'টি কথা: পর্ব-২

প্রথম পর্বে আমি শাবি ক্যাম্পাসের একটা সূচনা দিয়েছিলাম। আমি খুব বেশি দূর থেকে শুরু করতে চাই না। আমি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন ও সেক্রেটারি মাহফুজ হায়দার চৌধুরী রোটন স্বাক্ষরিত ২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল শামসুজ্জামান চৌধুরী সুমনকে আহ্বায়ক করে যে কমিটি আহবায়ক কমিটি করা হয়েছিলো সেখান থেকেই শুরু করতে চাই। আহবায়ক কমিটির অন্যরা হলেন, যুগ্ম আহবায়ক নাঈম হাসান, আসাদুজ্জামান আসাদ, কামরুজ্জামান সুইট, মাহিবুল হাসান মুকিত,আতিকুর রহমান ও হাফিজুর রহমান হাফিজ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাবি ছাত্রলীগ নিয়ে দু'টি কথা: পর্ব-১

একজন রাজনীতিসচেতন ব্যক্তি হিসেবে এবং শাহজালাল বিশ্ববিদ‌্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র ও সাবেক ছাত্রলীগার( ১৯৯৫-২০০১) হিসেবে অনেকেই ইনবক্সে সম্প্রতি ক্যামপাসে ঘটে যাওয়া খুন নিয়ে আমার কাছে জানতে চে্যেছে। আমি নিজে অসুস্থ থাকার কারনে ঝটপট লিখতে পারি নাই। তবে হাসপাতালে বসে পুরো ঘটনাবলি নজরে রেখেছি।

দুই একদিনের মধ্যেই বিস্তারিত লেখার আশা রাখি। ইতোমধ্যে দেখেছি যে যার সুবিধামতো একে অন্যকে দুষারোপ করে যাচ্ছে ; এমনকি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও অভিভাবকসূলব স্টেইটমেন্ট দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। ভার্সিটি প্রশাসন ও সঠিক তথ‌্য উপস্থাপন করেনি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশ ১৯৭১-১৯৭২: সিআইএর ডকুমেন্টারি

১৯৭২ সালে এবিসি টেলিভিশনের প্রযোজনায় "বাংলাদেশ!" নামের ডকুমেন্টারি নির্মিত হয়। নামের শেষে আশ্চর্যবোধক চিহ্নের অর্থ নিশ্চয়ই রয়েছে, ভিডিও দেখলে এবং ইতিহাসের পাতা উল্টালে সেই চিহ্নের অর্থ হয়তো দর্শক বুঝতে পারবেন। যারা ক'দিন আগে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়ে পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষা করতে চেয়েছে, সেই তাদের কাছে বাংলাদেশ- এদেশের মানুষ বিস্ময় বৈকি। পিটার জেনিংস ও হাওয়ার্ড টাকনারের নেয়া বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাতকার রয়েছে এই ভিডিওটিতে। সাক্ষাতকারের শুরুতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বলেন যে, আমরা মানুষ। আমরা কারো বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চাই না। আমরা মানুষের মত বাঁচতে চাই, একটা মুক্ত স্বাধীন দেশ হিসেবে। "বাংলাদেশ" এখন বাস্তবতা। আমরা বদলাতে বিশ্বাসী নই। বাঙালির জীবন দর্শন - ভালবাসা, ভালবাসা এবং ভালবাসায় বিশ্বাসী।
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু অপ্রিয় সত্য কথা; জননেত্রীর লন্ডন আগমনে



এই তিনদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার লন্ডন আগমনে খুব কর্মব্যস্ত সময় কাটালাম। কালকে থেকে আবার নিয়মিত লাইফ। নেত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে কমপক্ষে চারটি প্রস্তুতি সভা হয়েছে আমার অফিসগুলোতে। আমি পুরো অফিস ছেড়ে দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ থেকে ব্যানার ডিজাইন করিয়ে এনেছি। কমপক্ষে সাতবার সাইজ চেঞ্জ করতে হয়েছে। এক নেতা বলে এই সাইজ, আরেক নেতা বলে ঐ সাইজ। ফাইনালী ২৫/১৫ ফুট ব্যনার প্রিন্ট করার জন্য এক প্রিন্টারকে রাজি করালাম। ৩ ফুট প্রিন্ট হওয়ার সাথেই এক নেতা ফোন করে বললেন , ২০/৫ ফুট প্রিন্ট করো। প্রিন্টারকে ডেমারেজ দিয়ে আবার নতুন প্রিন্ট করালাম নতুন সাইজে।

যখন ব্যানার পৌছাইলাম এক নেতা বললেন কতো বাই কতো প্রিন্ট করছো? কই থাইক্কা করছো?

আমি কইলাম, আপনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০/৫ এবং অমুক প্রিন্টার থেকে। উনি রেগে গিয়ে বললেন, তমুক প্রিন্টার থেকে করলে না কেনো? তারা তো যে কোন সাইজ করতে পারে!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফাদার্সডে'র সারপ্রাইজ



ইংল্যান্ডে এসেছি ৯ বছর হতে চলছে , এখনো সকালে ডাল-ভাতই আমার ব্রেকফাস্ট। আমার মেয়েরা একজন ৭ এর কাছাকাছি, আরেকজন ৫ এর। তারা সকালে আমার ভাত খাও‌‌য়া দেখে হাসাহাসি করে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07