Skip to content

অমি রহমান পিয়াল-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহরীর নয়, শাহবাগ…



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা শহরকে বিচ্ছিন্ন করেছে যে জায়গাটা, সেটা এখন চৌরাস্তা। নবাবী আমলের বাগিচার নামে নাম। শাহবাগ। নিমতলী থেকে কলাভবন যখন এখনকার জায়গায় স্থানান্তর হলো তখন থেকেই যে কোনো আন্দোলনের ব্রেকিং পয়েন্ট। এখানেই পুলিশি বেরিকেড পেরিয়েই ১৪৪ ধারা ভাঙা। পঞ্চাশের দশক থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত শাহবাগ একটি রণাঙ্গনের নাম। এবং আশির দশকের শেষ ভাগে একটা দীর্ঘ সময় এখানে মিশুক নামে একটা হরিণছানার ভাস্কর্য ছিলো। সেখানে বিপ্লবীদের কেউ একজন লিখে দিয়েছিলো ‘গাধা এরশাদ’। সাদা খড়ির সেই চিকাটিও ছিলো পথযাত্রীদের ব্যাপক বিনোদন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেগম জিয়ার ঘষেটি সিন্ড্রম : পরাশক্তিগুলোকে সরকার উৎখাতের আবেদন!



ধারনা করি বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক অস্থিরতায় ভুগছেন। ক্ষমতায় যাবার অস্থিরতা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রথম কিস্তির রায় সমাসন্ন।যুদ্ধাপরাধের দায়ে তার ক্ষমতাধর মিত্র জামায়াতে ইসলামীর নেতাদেরই শুধু নয়, গোটা দলটির রাজনৈতিক মৃত্যুও মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। আইনগতভাবে যখন কোনো দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যুদ্ধাপরাধী বলে অভিযুক্ত হয় তখন তাদের জনসমর্থনে ভাটা পড়তে বাধ্য। তার প্রভাব ভোটেও পড়বে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাকিস্তান সমর্থন, ক্রিকেট, রাজনীতি ও ১৯৭১


ঢাকা স্টেডিয়ামে যতবার ভারত ও পাকিস্তান দলের খেলা হয়েছে প্রতিবারই ‘বাংলাদেশী দর্শকের শতকরা প্রায় ৯৯ জনই পাকিস্তান দলের প্রতিই আবেগপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যানার প্রদর্শন করলেও তা দর্শকদের মনে সামান্য প্রভাবও বিস্তার করতে পারেনি। দর্শকরা ঐ ব্যানার দেখে মন্তব্য করেছে ”রাখ মিয়া মুক্তিযুদ্ধের কথা, এখানে মুসলমানদের বিজয় চাই”... ‘ধর্মনিরপেক্ষবাদী ও ভারতপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীদের মন্তব্যের কথা শুনেছি। তারা নাকি বলেন, আমরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে যুবসমাজের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চারের জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা করি তা স্টেডিয়ামে পাক-ভারত খেলায়ই নস্যাত হয়ে যায় ... শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী ও ঘাতক দল জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন আমির গোলাম আযম (আত্মজীবনী জীবনে যা দেখলাম ৩য় খন্ড, পৃ: ১২৬-১২৭)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেই দিন আর নাইরে মামু, ক'বি বাঙালীর মাথায় কাঠাল ভাইঙ্গা খামু…



এই তো মাত্র কয়দিন আগে মোনাফেক জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের মোনাফেকির প্রমাণ দিলাম। তবে তারা কি থামে, নিত্যনতুন মিথ্যাচার, গিবত আর অপপ্রচারে তারা মশগুল। ওই যে বলছিলাম কুফরি কালামের চর্চা করে। যাহোক স্বল্প কথায় দেখি তাদের নতুন কাহিনী। আলহামদুলিল্লাহ, এইবার তাদের টার্গেট বেগম সাজেদা চৌধুরী। আর মানুষ পাইলো নারে ভাই, একটা অট্টহাসি আগে হাইসা নিই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন পিরিতির গল্প কইতেছো মামুরা!!!!



ছোটবেলায় কুফরি কালাম বইলা একটা কথা শুনছিলাম। অনেকটা ব্ল্যাক ম্যাজিক টাইপের ব্যাপার। নামেই বুঝা যায় আল্লাহর পবিত্র কালামের কুফরি ব্যবহারই এর সার কথা। এই সিস্টেমে পবিত্র কোরআন শরীফ নাকি উল্টা কইরা পড়তে হয়, তারপর ইবলিস আইসা বান্দার যাবতীয় মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। অনেকটা গল্পের ডঃ ফসটাসের মতো দ্বীন দুনিয়ার অশেষ ক্ষমতা লাভ হবে শয়তানের কাছে আত্মা বিক্রির মাধ্যমে। ধারণা করি এই কুফরি কালামের চর্চাটা জামায়াতে ইসলামী এবং তার বশংবদ ইসলামী ছাত্র শিবির বেশ ভালো মতোই করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজা(কার) ত্রিদিব রায় : এ লাশ সইবে না বাংলার মাটি



[লেখাটি মূলধারার মিডিয়ার জন্য লেখা হয়েছিলো। কিন্তু রাজা ত্রিদিব রায় বিষয়ে বাংলাদেশের যাবতীয় মিডিয়া হঠাতই রেডিও সাইলেন্স বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মনে হচ্ছে, পুরাই ব্ল্যাক আউট। তাই আসল জায়গাতেই দিতে হচ্ছে। মূলত ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে শুরু করেছিলাম এর কিছু অনুচ্ছেদ, কিছু তথ্যে ভ্রান্তি ছিলো, সেগুলাও ঠিক করে দিলাম সঠিক রেফারেন্স ঘেটে]

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর কত মিথ্যাচার!



ওপরের এই ছবিটা নিশ্চয়ই আপনি দেখেছেন, বক্তব্যটা পড়েছেন। হয়তো বিশ্বাসও করেছেন। কিংবা ইতিহাস সম্পর্কে খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা নেই বলে খানিকটা বিভ্রান্ত। আপনাকে সাহায্য করবো আমি। মাথা ঠাণ্ডা করে এবার পড়তে থাকুন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যাংকক টু লিবিয়া : মার্কিন দলিলে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশত্যাগ ও পুনর্বাসন-১



[ ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর ভোরে ব্যাংককে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট ল্যান্ড করে। এসটু-এবিও (S2-ABO) নাম্বারধারী এই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকজন অফিসার, তাদের অধঃস্থন এবং পরিবার। সব মিলিয়ে ২৯ জন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু: রাজবন্দীর চিঠি... বাজেয়াপ্ত


ছবি: ১৯৫১ সালে কারাগারে রাজবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান

অখন্ড পাকিস্তানের ২৩ বছরের প্রায় অর্ধেকটাই জেলে কেটেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। নির্দিষ্ট করে বললে ১২ বছর, আর দশ বছর কড়া নজরবন্দীতে কাটিয়েছেন এতটাই মাথাব্যথা ছিলেন পাকিস্তান সরকারের, সেটা গণতান্ত্রিক হোক কিংবা সামরিক। এই পোস্টটি তার সেই জেল জীবনের সময়কার কিছু বাছাই চিঠি নিয়ে। রাজবন্দীদের সব চিঠিই সেন্সর হয়। এই সেন্সরশীপের মাত্রা পার হতে না পারলেই সেসব বাজেয়াপ্ত হতো। তারপর জমা পড়তো সরকারী বিশেষ বিভাগের ফাইল ক্যাবিনেটে। পূর্ব পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফাইলপত্র থেকে উদ্ধার করা এই চিঠিগুলো তুলে দিলাম। এরমধ্যে শুধু একটি চিঠির প্রাপক বঙ্গবন্ধু, যা তার হাতে পৌছেনি, বাকিগুলা তার লেখা যা সরকারী হস্তক্ষেপে প্রাপকের হাতে পৌছেনি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন অরুন নন্দী ও একটি বিশ্বরেকর্ডের গল্প





১৯৭১-এর মাঝামাঝি একটা সময়। মুক্তিযুদ্ধের তখন উত্তুঙ্গ পর্যায়। প্রতিদিন শয়ে শয়ে মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং শেষ করে জন্মভূমিতে ফিরে যাচ্ছেন মাকে মুক্ত করার প্রতিজ্ঞাপূরণে। কলকাতার বুকে শরণার্থীদের একজন অরুন নন্দী সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের জন্য অন্যরকম কিছু করার। বন্দুক হাতে যুদ্ধ করার সামর্থ্য তার আছে। তবে তারচেয়েও বড় এক প্রতিভা দিয়েছেন তাকে ঈশ্বর। সাঁতার। অবিরাম সাঁতরে যাওয়ার বিরল ক্ষমতা। চাঁদপুরের ছেলে তিনি। পদ্মা-মেঘনার সঙ্গমেই সাঁতার কেটে মানুষ।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07