Skip to content

মো : নাদিম হোসেন-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোখের জলে ভাসবো আমি

চোখের জলে ভাসবো আমি,
সকাল দুপুর রাতে,
তবু আর ফিরবো না তোর কাছে,
ঘুরবো না তোর পাছে পাছে,
জানি হয়না তোর কিছু তাতে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে কথা বলতে চেয়েছি তোমায়

যে কথা বলতে চেয়েছি তোমায় ,
বলতে পারিনি আজও ,
জানি না বলতে পারবো কিনা
কি করে বলব বল
যখনি বলতে গিয়েছি,
শীতল হয়ে গিয়েছে আমার শরীল,
প্রচন্ড তৃষ্ণায় বুক ফেটেছে
কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারিনি,
যখন ভেবে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক ফোঁটা জল


এক ফোঁটা জল
দেবে কি আমায়?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালবাসা নাকি , দেহের সাদ,গন্ধ পাবার ইচ্ছা পর্ব - ১

মনের কিছু অপার্থিব কথা বলার ইচ্ছা জাগলো মনের ভিতর। এ গুলো কাউকে বলতে পারলে মনের কষ্টটা কিছু হয়তো বা কমতো।বলবো যে সে যদি আমার কষ্ট নাই বুঝতে পারে, তাহলে তাকে বলে ও লাভ কি। আর সে যদি আমর কষ্টের কথা গুলো

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওরা আমার ইসলাম কে খুনিদের ধর্মে পরিণত করছে

আমি এক জন মুসলমান । জন্মগত ভাবে মুসলমান । জন্মগত ভাবে আমাকে মুসলমান হিসাবে পৃথিবীতে পাঠানোর জন্য আল্লাহ্‌ কে অশেষ ধন্যবাদ । এর কারন পৃথিবীর সর্ব শ্রেস্ট্

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধ নয় শান্তি চাই


যুদ্ধ নয় শান্তি চাই,
মায়ের বুকে আঘাত হানলে,
তাদের বুকের তাজা রক্ত চাই।
৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ,
তোদে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একুশ তু্মি আমায় দিয়েছ-

একুশ তু্মি আমায় দিয়েছ-
মুখ বুজে কথা বলার অধিকার,
একুশ তু্মি আমায় দিয়েছ-
বুলেটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত রক্ত শূন্য কয়েকটি দেহ,
একুশ তু্মি আমায় দিয়েছ-
রক্তে রঞ্জিত পিচঢালা পথ।
একুশ তু্মি আমায় দিয়েছ-

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হরতাল

মিদুল গার্মেন্টস এর এক জন শ্রমিক। ওর অর্থেই ওর পরিবার চলে। ওর বাবা তিন বছর যাবত সঠিক চিকিৎসার অভাবে ঘড়ে অসুস্থ হয়ে পরে আছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। রিদুল ওর ছোট ভাই টাকার অভাবে ওর লেখা পড়া

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই কবিতাটির নাম কি দেয়া যায়, দয়া করে মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন

পথ চলতে গিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত থামি,
আজ ও শুধু তোর কথা ভেবে আমি।
বর্ষা এলে কদম ফুল আজ ও খুঁজি,
অন্ধকারে চোখ বুঝে তোর খোপায় ফুল গুজি।
নদীর তীরে একলা জখন হাটি,
বলে শুধু তোরি কথা চরের বেলে মাটি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কতই প্রেম করলাম আমি ২য় পর্ব

২য় প্রেমটা হল যখন,
অস্টম শ্রেণীতে পড়ি তখন।
হঠাৎ তার সাথে হল দেখা,
তখন থেকে নিজেকে লাগছিল একা,
আমার স্বভাবটা ছিল একটু আঁকাবাঁকা।
সুযোগ বুঝে বলিলাম ভালবাসি,
তাই শুনে দিল সে মুচকি হাসি,
তাই দেখে পড়িলাম প্রেমের ফাঁশি।
দু, তিন মাস পর,
বলে ছাড়তে পারে আমার জন্য ঘড়।
একদিন বললো, দু, তিন দিনের জন্য যাবে সে বাড়ি, বাড়ি থেকে আর ফিরলো না সে নারী, জানি না কোন কারনে দিল সে আমার সাথে আড়ি।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07