Skip to content

চোর-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি কেলেঙ্কারী: দায়ী কে?

সমস্যা:

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির খুলনা ক্যাম্পাসের আইনের শিক্ষক রাজিব হাসনাত শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০ পড়াতে গিয়ে -

১) কাদের মোল্লার ফাঁসিকে অবৈধ বলেছে,
২) শেখ হাসিনাকে নাস্তিক বলেছে,
৩) বঙ্গবন্ধুকে ফেরাউন বলেছে,
৪) রাষ্ট্রপতিকে বটতলার উকিল বলেছে।

প্রথম কথা হলো, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পক্ষে কি এই কথাগুলো বলা সম্ভব? দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা সত্য যে, এ কথাগুলো বলা খুবই সম্ভব। এজন্য এমনকি হার্ডকোর জামায়াতিও হওয়ার দরকার হয় না, মোটামুটি লেভেলের সুশীল হইলেও চলে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে অনেক গোষ্ঠীরই চরম সর্বনাশ হয়েছে। বুয়েট শিক্ষকও হায়েনা হাসিনার মাথা কেটে বুয়েট গেটে টানিয়ে রাখার বয়ান দিয়েছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুয়েটে রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রথমেই একটা জিনিস পরিষ্কার করে নেয়া ভালো, বুয়েটে 'রেজাল্ট' নামে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো নোতুন ডিপার্টমেন্ট খোলা হয় নাই। তবে 'রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং' বা এর প্রতিশব্দগুচ্ছ হিসেবে 'পরীক্ষার ফলাফল পরিবর্তন'-এর কথা যদি আপনি ফেসবুক, ব্লগ, আলু পত্রিকা বা ইন্টারনেটের অন্য কোনো কোণা কানছিতে শুনে থাকেন, এবং ভেবে থাকেন যে, কেউ কোনো ছাত্রের খাতায় নম্বর বাড়িয়ে বা কমিয়ে দিয়েছে, তাহলে প্রথমেই আপনার ভাবনায় শুদ্ধ ধারণাটি অন্তর্ভূক্ত করে নিন। এখানে আসলে পরীক্ষা দেয়ার ঘটনাটিই ঘটেনি। ৩ জন ছাত্র পরীক্ষা দিতে পারে নাই। তারা কোর্স উইথড্র করতে চেয়েছিলো। অভিযোগ করা হচ্ছে যে, বুয়েট ভিসি তাদের ২ জনের কোর্স উইথড্র করতে দিয়েছেন, অন্য একজনেরটা করতে দেন নাই। সুতরাং বুয়েট ভিসি ও প্রোভিসির অপসারণ চাওয়ার পক্ষে এটা একটা অলঙ্ঘনীয় অনিয়ম।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুয়েটের চলমান আন্দোলনে ছাত্রদের স্বার্থ কি?

বাংলাদেশের আর দশটা পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে আলাদা ঐতিহ্যের ধারক-বাহক হিসেবে প্রচারিত, রাজনৈতিক হানাহানির সংখ্যা কম থাকলেও কিছুদিন পর পর ইস্যু সৃষ্টি করে বন্ধ করে দেয়া বুয়েটের চলমান আন্দোলনে ছাত্রদের স্বার্থ কতোটা রক্ষা হচ্ছে, বিভিন্ন আঙ্গিকে সেই জিনিসটাই এই পোস্টে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। পোস্টটা স্বভাবতই বিশাল হবে। সুতরাং পপকর্নের সাথে এক্সট্রা চায়ের অর্ডার দিয়া পোস্ট পড়তে বসা যায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এশিয়া কাপ ফাইনাল: পাইক্যা আর বাংপাকিদের মুখে ছাই দিয়ে কাপটা দ্যাশেই রাইখা দে বাছারা


ইউনুইছ্যা কয়দিন আগে কইছিলো বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস খাইয়া ফালাইয়া আফগানিস্তানরে দেওনের। আজ তারেই খাইয়া ফ্যাল!

পাইক্যারা ফিক্সিং কইরা ম্যাচ জিতাইছে ইন্ডিয়ারে। আজ পাইক্যাদের হোগায় লাথি মার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীবান্ধব মিডিয়া যেভাবে যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে জনমত তৈরি করে

বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীবান্ধব মিডিয়া যেভাবে যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে জনমত তৈরি করে, তার কয়েকটা ক্ষেত্র এরকম:


১। স্ববিরোধীতা: তারা দাবি করে মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে তারা নিরপেক্ষতার ধার ধারে না। বাস্তবে যুদ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোঁদধারীদের শীতনিদ্রা শেষ হবে কবে?

একটা জিনিস চিন্তা করছিলাম। "ব্লগার" মানেই নাস্তিক আর নাস্তিক মানেই খুন করা জায়েজ, এরকম বা কাছাকাছি ধারণা বাংলাদেশে বেশ প্রচলিত; অন্তত খুনের অংশ না হলেও ব্লগার আর নাস্তিক যে সমার্থক, এটা দেশের বেশির ভাগ মানুষই মনে করে। মানুষের এই ভুল ভাঙ্গাবার জন্য আমাদের সংবাদপত্র বা টিভি চ্যানেলগুলো কি কোনো কাজ করেছে? এই প্রশ্নের উত্তর এক শব্দেই দেয়া যায়, "না।" এর সম্ভাব্য কারণ নিয়ে চিন্তা করছিলাম।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবার শুরু হলো ব্লগিং

আমি ব্লগে নোতুন। সবাই স্বাগতম জানান।
ব্লগিং ভুলে গেছি। আবার শুরু করতে চাই।

জামায়াত শিবির নিপাত যাক।
যুদ্ধাপরাধী নিপাত যাক।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মতিনামা: ৫%

পু-রবি: মতি বাই, কাজটা অনেক পেশার লাগছে।

মতি: পেশারের কি আছে? জাস্ট পড়বি। পক্ষে লিখলে ছাড়বি। বিপক্ষে লিখলে ঘ্যাচাং!

পু-রবি: ওই পড়াই তো সমস্যা!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীকে বাঁচাতে প্রথম আলোর সংবিধান বিকৃতি

সম্প্রতি আপীল বিভাগ যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল রাখার পর যুদ্ধাপরাধীর পক্ষের মিডিয়া প্রথম আলোর গৃহপালিত কলামিস্ট হিসাব বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও আইন বিশেষজ্ঞ নামে পরিচিত মিজানুর রহমান খা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রথমা প্রকাশন আর এ কে খন্দকার প্রতিপক্ষ নয়, স্যার!

প্রফেসর জাফর ইকবাল অবশেষে এ কে খন্দকারের "জীবনে যা দেখলাম" ওরফে "১৯৭১: ভেতরে বাইরে" চটি নিয়া লিখেছেন

বইটি পুরোটা পড়ে সময় নষ্ট করতে চাই নি। তবে যতোটুকু পড়েছি, তাতে মনে হয়েছে, এটা অর্ডারি মাল। লেখক (এ কে খন্দকার), প্রকাশক (প্রথমা প্রকাশন), তৃতীয় পক্ষ (বৃহত্তর জামায়াত) সবাই মিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপপ্রয়াস থেকেই চটিটা লেখা হয়েছে। লেখার মান দেখে অনেকেই মনে করেছেন, এটা এ কে খন্দকারের নিজের হাতে লেখা বই না। মূলত অন্য কারো কম্পোজ করে দেয়া বক্তব্য তার সম্মতিক্রমে প্রকাশ করা হয়েছে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07