Skip to content

শুভ্র চন্দন মহালী-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হতাশার ফানুস

আই সি ইউ রুমে পেশেন্ট মনিটরটা সমানে বিপ বিপ করেই যাচ্ছে। প্রত্যেক আই সি ইউ রুমে রোগীর পাশে একটা করে পেশেন্ট মনিটর থাকে। এটা রোগীর ই সি জি, ওয়েভ ফরম, পালস রেট, হার্ট রেট, টেম্প

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশ সমানতালে এগিয়ে চলেছে। একটা কথা এখন প্রায়শঃই শোনা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ অতি শীঘ্রই মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে বিশ্ব দরবারে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। মধ্যম আয়ের দেশ কি? আর কিভাবেই বা এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় তা আমাদের অনেকেরই অজানা। আসুন সংক্ষেপে বিষয়টি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জয়তু রবীন্দ্রনাথ

মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যামসমান।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজূট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট,
তাপবিমোচন করুণ কোর তব
মৃত্যু-অমৃত করে দান।
তুঁহুঁ মম শ্যামসমান ।।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সোনালী আলোয় রেশমার পুণঃজন্ম


মাথার ওপর থেকে টিক টিক শব্দ আসছে। শব্দটা কিসের? ঘড়ির মনে হয়। হ্যাঁ, ঘড়িই তো। ঠিক এক সেকেন্ড পর পর টিক করে একটা শব্দ হচ্ছে। ঘুম ভেঙেছে রেশমার। ঘরে সুনশান নিরবতা, তাইতো ঘড়ির শব্দটা এতো জোরে কানে লাগছে। ঘরের এক কোণ থেকে সুঘ্রাণ আসছে। মনেহয় কেউ একরাশ ফুল এনে রেখে গেছে, এটা তারই ঘ্রাণ। ঘরটা বেশ ঠান্ডা, মনেহয় এসি চলছে। প্র্চন্ড দূর্বল লাগছে শরীরটা। ধীরে ধীরে চোখ খুলতে ইচ্ছা করছে তার। অসহ্য সোনালী আলোকছটাকে আরও একবার উপভোগ করতে ইচ্ছা করছে। অনেকক্ষণ অন্ধকারে থাকার পর চোখে হঠাৎ করে আলো পড়লে চোখ তা সইতে পারে না, বিরক্ত লাগে খুব। কিন্তু রেশমার জীবনে এই অনুভুতি যে কতটা আনন্দের, তা প্রকাশের ভাষা তার জানা নেই। আচ্ছা, এই ঘরে কি জানালা আছে? কাউকে ডেকে জানালার পর্দাটা সরিয়ে দিতে বলতে ইচ্ছে করছে। আর একবার সোনালী আলোর ঝাপটা উপভোগ করতে চায় সে। এই আলোকছটা তার পুণঃজন্মকেই মনে করিয়ে দেয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভয় পেয়েছে রফিক

রফিক আজ বাড়ি ফিরছে। প্রায় ১০ বছর পর সে বাড়ির পথটি ধরলো। পাঞ্জাবির বাম পাশে শুকনো রক্তের কালসিটে রড় একটা ছোপ পড়ে আছে, সেদিকে তার খেয়াল নেই। ট্রেনের জানালার পাশে বসে উদাস দৃষ্টিতে বাইরে তাকিয়ে থাকলেও তার চোখে ভাসছে গতরাতের দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের লেলিহান শিখা, হাজারো মানুষের ছোটাছুটি, ইট-পাটকেলে ঢাকা রাজপথ আর অন্ধকারের মাঝে চোখ ঝাপসা করে দেবার মত বিষাক্ত ধোঁয়া। রেলের ঝম-ঝম দুলুলির শব্দের বদলে সে শুনে চলেছে হাজারো মানুষের আর্তনাদ, কান্না আর চিৎকার আর শেষ না হওয়া কথা নারায়ে তাকবীর....। ভয় পেয়েছে রফিক। খুব ভয় পেয়েছে সে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সপ্তম শতাব্দীর প্রথম দিকে যে বঙ্গ জনপদ এই বাংলায় গড়ে ওঠে, আমাদের আজকের চুয়াডাঙ্গা তারই একটি অংশ। সপ্তম শতাব্দীর প্রথম দশক থেকেই ইহা মহারাজ শশাঙ্ক শাসিত ছিল বলে ধারনা করা হয়। এরপর পাল, খড়গ ও দেব শাসনের কথা জানা গেলেও তার সুনির্দিষ্ট প্রমান পাওয়া যায়নি।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07