Skip to content

জামাতহেটার(M.R.9)-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে বাংলাদেশের গরীব মানুষ

ভূমিকাঃ বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করে বিবিসি একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে, আমার ব্লগের পাঠকদের জন্য রিপোর্টটির বাংলা অনুবাদ এখানে দেওয়া হল।

মূল রিপোর্টঃ

প্রথম দর্শনে কালাই গ্রামটিকে বাংলাদেশের আর দশটি সাধারণ গ্রামের চেয়ে আলাদা কিছু মনে হবে না, কিন্তু আপনি আঁতকে উঠবেন যখন জানবেন যে এই গ্রামের ই কিছু মানুষ ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে। অথচ ক্ষুদ্র ঋণ যেখানে হওয়ার কথা ছিলো তাদের দারিদ্রতা মুক্তির হাতিয়ার। ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার এক ভয়ংকর পরিণতি আমাদের সামনে তুলে আনছেন সোফি কাজিনস।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গণজাগরণ মঞ্চঃ মিথ্যাচার ও পতন

লেখার শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার, গণজাগরণ ও গণজাগরণ মঞ্চ দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। যারা এই দুইটি বিষয়কে এক করে ফেলেন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে গণজাগরণ ছিলো আপামর জনতার, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সমবেত হয়েছিলেন। অপরদিকে গণজাগরণকে ক্ষুদ্র একটি গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ করে হত্যা করে গণজাগরণ মঞ্চ নামক একটি সংগঠন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অয়েল পেইন্টিং (ছবি পোষ্ট)

বহুদিন পোষ্ট দেয়া হয় না, ফাকিবাজি ছবি পোষ্ট দিলাম।

সব ছবি গুগল থেকে নেয়া, তৈলচিত্র জিনিসটা আসলেই অসাধারণ

আর কথার দরকার নাই, চলেন ছবি দেখি



ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসঙ্গ পাকিস্তান, পাকিস্তান ক্রিকেট, বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানী পতাকা ও ৩০ লক্ষ দীর্ঘশ্বাস

ডিসক্লেইমারঃ খেলার সাথে রাজনীতি মিশাতে না চাওয়া সুশীলরা দূরে থাকুন।


এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশে। এশিয়ার ক্রিকেট প্লেয়িং ৫টি জাতি প্রতিদ্বন্দিতা করছে এই টুর্নামেন্টে, এব

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অভিনন্দন

আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের সাথে লড়াই করে হারার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৈরিন্ধ্রীর জন্য

এই লেখাটা সৈরিন্ধ্রীর জন্য ।


যখন অনেক ছোট ছিলাম, আমার আব্বা আমাকে বই পড়া শিখাতেন। প্রথমে ছবির বই, এখনো আব্বার তোলা ছবি আছে, আমি মহানন্দে বসে বই ছিড়ছি। ছবির বই,ছড়ার বই, রুপকথার বই এসব পড়ে যখন মন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছবি ব্লগঃ রাজপথে নেমে আসা ক্র্যাক প্লাটুন (সিপি)

বাংলা ভার্চুয়াল জগতে ক্র্যাক প্লাটুন বা সিপি গ্যাং এর আবির্ভাব কে এক বাক্যে বলা যায় এভাবে। জুলিয়াস সিজার ব্রিটেন জয় করে বলেছিলেন, ভিনি, ভিডি, ভিসি। অর্থ, এলাম, দেখলাম, জয় করলাম। সিপি ও সেরকম ভাবেই অনলাইনে এসে নিজের শক্ত একটি অবস্থান গড়ে তুলেছে। মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ৭১ এর চেতনা রক্ষায় সিপি গ্যাং এর নিষ্ঠাবান সদস্যেরা দিনরাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। আজ সেই সিপি গ্যাং আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজপথে নেমে এসেছে, বি এন পি জামাতের সারাদেশ ব্যাপি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার নির্যাতন এবং প্রথম আলো গং এর সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখি, অনলাইন এর যোদ্ধারা কিভাবে রাজপথ কাপাচ্ছেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে চীনা পন্থি বামদের মিথ্যাচার এবং একজন আনু মোহাম্মদ

এবারের বিজয় দিবসে দৈনিক বণিক বার্তায় অধ্যাপক আনু মোহাম্মদের একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিজয় দিবসে আমাদের সুশীল সমাজ অনেক ধরনের বাণী দেন, অনেক জ্ঞানগর্ভ কথা আলোচনা করেন। অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ আমাদের সুশীল সমাজের উচ্চ পর্যায়ের একজন। উনি তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব। উনি পরিবেশ আন্দোলনের ও একজন সক্রিয় কর্মী। এক কথায় কর্মবীর। যদিও দুষ্ট লোকে বলে উনার আন্দোলন এর উদ্দেশ্য তেল গ্যাসের উতপাদনের লাইসেন্স চাইনীজ কোম্পানি গুলাকে পাইয়ে দেয়া, এজন্য চাইনীজ কোম্পানি কোথাও টেন্ডার পেলে সেখানকার চুক্তি এবং পরিবেশ বিষয়ে তাকে আশ্চর্য রকম নিশ্চুপ দেখা যায়। সরকার জনস্বার্থে কয়েকটা গাছ কাটতে গেলেও উনারা তীব্র প্রতিবাদ করতে দাঁড়িয়ে যান, অথচ জামাত শিবির হাজার হাজার গাছ কেটে ফেললেও উনারা নিশ্চুপ থাকেন। যাই হোক, এসব অপ্রাসঙ্গিক এই পোষ্টে। ফিরে আসি নিবন্ধের কথায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

অবশেষে, অবশেষে, সেই মুহুর্তটি এলো। ১২ ডিসেম্বর, ২০১৩, রাত ১০টা ১ মিনিট। বাঙালি জাতি কলংক মোচনের শুরু করলো।

আমার ব্লগে পথ চলা শুরু হয়েছিলো আজকের এই দিনটার জন্যই, আনন্দাশ্রু গুলো ঝরছে আর মনে করিয়ে দ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গানবোট কূটনীতি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অবিস্মরণীয় ভূমিকাঃ

১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু বাঙ্গালীদের স্বাধীকার আদায়ের যুদ্ধই ছিলো না, সময়ের সাথে সাথে এটি হয়ে উঠেছিলো আন্তর্জাতিক কূটনীতির শক্তির ভারসাম্য রক্ষার দাবা খেলার এক মহামূল্যবান অধ্যায়। তৎকালীন দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে বিপরীত ভূমিকায় আবির্ভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিক্সন বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী মার্কিন সপ্তম নৌ বহর পাঠানোর আদেশ দেন। এর জবাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন তার নিজস্ব নৌ বহর পাঠিয়ে সপ্তম নৌ বহরকে বাংলাদেশ যুদ্ধে অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07