Skip to content

মানবিক মানব-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলাম আসার আগে আইয়ামে জাহিলিয়া এবং ইসলাম আসার পরে সুপার আইয়ামে জাহিলিয়া !!!

মুসলমানরা হযরত মুহাম্মদের সমস্ত অন্যায় ও বর্বর কাজগুলোকে সে নিজে এবং তার অনুসারীরা বৈধতা দিতে যে অপপ্রচার চালিয়ে ছিল তারমধ্যে সবচেয়ে বড় অপপ্রচারটা ছিল "আয়ামে জাহিলিয়া" বা অন্ধকারের যুগ' এই অপপ্রচারটি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম বা প্রার্থনা ধর্ম (Religion) আর বাস্তবতা এক নয়

ধর্ম আর বাস্তবতা এক নয়। ধর্মের ধ্যান ধারণা এবং বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। দেখা যায় যে, যেসব ব্যাপার ধর্ম বলে এক ভাবে বাস্তব ক্ষেত্রে ঘটে অন্য ভাবে। যেমন আগের পর্বে দেখানো হয়েছে যে ধর্মে যা ভালে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একবিংশ শতাব্দির বিজ্ঞানময় জগতে থেকেও মিথ্যে ধর্মগুলো কিভাবে টিকে আছে? আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে?

কয়েক বছর আগেও মানুষ ভেবেছে শুণ্যতা থেকে কিছু সৃষ্টি হতে পারে না। কোন কিছু সৃষ্টি হতে হলে একজন সৃষ্টিকর্তাকে লাগবেই। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জানিয়েছে যে শুন্য থেকেও বিশ্বজগত সৃষ্টি হতে পারে। সাধ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম ও নারী- নারী সম্পর্কে সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী কি উন্নত নাকি তাদের দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন আনা দরকার?

প্রকৃতির সব চেয়ে প্রয়োজনীয় এক নাম নারী। প্রকৃতিতে পুরুষের যতটুকু গুরুত্ব আছে নারীর গুরুত্ব তার থেকে অনেক বেশী প্রকৃতির কাছে। প্রাণী থেকে শুরু করে সভ্য মানব প্রজাতির ক্ষেত্রেও নারীর রয়েছে অভুতপূর্ণ ভূ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্মের ভাইরাসের নতুন শিকার; ওয়াশিকুর বাবু! বিশ্বাসের ভাইরাসের নতুন প্রমাণ! কিন্তু তবুও মডারেট মুসলমানগুলো একই রুপধারণ করে থাকে-

বিশ্বাসের ভাইরাসের আরেক শিকার, ওয়াশিকুর বাবু! এরপরও ইহা সহী ইসলাম নহে! ইহা বিশ্বাসের ভাইরাসের ফল নহে! সহী ইসলাম শান্তির সাদা পায়রা, বিশ্বাস কোন ভাইরাস নহে!

বিশ্বাসের ভাইরাসের কোন আকার নেই!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুসলমানরাই হবে সংখ্যায় পৃথিবীর সব চেয়ে বড় জনগোষ্ঠি। ইসলামই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ট বর্ধনশীল ধর্ম। এর কারণ কি?

মুসলমানরাই হবে সংখ্যায় পৃথিবীর সব চেয়ে বড় জনগোষ্ঠি। ইসলামই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ট বর্ধনশীল ধর্ম। এর কারণ কি ইসলাম, নাকি মুসলমান জনসংখ্যার অতি বৃদ্ধি?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম আর বাস্তবতা এক নয়। ধর্মের ধ্যান ধারণা এবং বাস্তবতা সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

ধর্মের মূল ভিত্তি হলো কল্পনা। কিন্তু বাস্তবতায় কল্পনার কোন স্থান নেই। তাই ধর্ম এবং বাস্তবতা কখনই এক হতে পারে না।
ধর্ম বলে আত্মা বলে অমর এক স্বত্বা আছে যা জীব দেহে উপস্থিত থাকে বলে জীবের প্রাণ থাকে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিশ্বাস একটি ভাইরাস। বিশ্বাসের ভাইরাসই হলো পৃথিবীর ভয়ংকরতম নীরব ভাইরাস।

বিশ্বাস একটি ভাইরাস এটি পুরনো কথা। কিন্তু বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের ভয়াবহতা সব সময়েই ভয়ংকর আঘাত হেনেছে মানব সভ্যতার উপরে। বিশ্বাসকে পুজি করে মানুষ মানুষকে দিয়ে কত অন্যায় করিয়ে নিয়েছে ইতিহাস তার সাক্ষি। নানা সময়ে হাজারও ক্রুসেডে প্রাণ হারিয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষগুলো এই একবিংশ শতাব্দিতে এসেও দাপটের সাথেই ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্মীয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠিগুলো বর্তমানের বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত ভয়াবহ রোগীদের উতকৃষ্ট উদাহরণ। আল কায়েদা, তালেবান, আই এস, বোকো হারামের মতো সন্ত্রাসীগোষ্ঠিগুলো প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে বিশ্বাস কতটা ভয়ংকর ভাইরাস।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুসলমানরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করে সভ্য মানুষ হবে কবে?

মুসলমানরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করে সভ্য মানুষ হবে কবে?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম মানুষের ক্ষতিই করে এসেছে যুগ যুগ ধরে।

পৃথিবীতে ধর্মের প্রয়োজন কতটুকু?

মানুষ বর্তমানে ধর্ম দিয়ে জীবন চালায় না। (কিছু মানুষ অবশ্য ধর্মকে পুজি করে এক ধরনের লাভজনক ব্যবসা করে; কিন্তু তাতে মানব জাতির কোন উপকার হয় না।) সর্বপরি প্রার্থনা করে কোন ফল পাওয়া যায় না। কিন্তু মানুষ প্রার্থনা করে অনেক মূল্যবান সময় অপচয় করে। আর টাকা বা সম্পদ অপচয়ে ধর্মের একটা বড় ভুমিকা আছে। ধর্মকে কেন্দ্র করে মানুষ হরেক রকমের ব্যবসা খুলে বসে। বলা বাহুল্য ওসব ব্যবসায়ে মানুষের কোন উপকার হয় না। কিন্তু সেই ব্যবসায়ীকগন ঠিকই লাভবান হয়। মাঝখান থেকে গরীব মানুষদের টাকাগুলো হাতিয়ে নিয়ে ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের পকেট ভারী করে। কিন্তু ধর্মের দ্বারা কারো আজ পর্যন্ত কোন উপকার হয়নি (হয়েছে কিছু অসত মানুষের)। ফলে গরীব গরীবই থেকে গেছে।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07