Skip to content

লিও-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ: মুক্তিযুদ্ধের আগে-পরে

যুদ্ধকালীন ক্লাস নাইনের ছাত্র। অস্থির ছিলেন যুদ্ধে যাবার জন্য। কিন্তু বাবাকে পাকিস্তানিরা ধরে নিয়ে গেলে প্রথম সন্তান শহিদুল্লাহকে কিছুতেই মা যুদ্ধে যেতে দেন নি। হত্যা আর অত্যাচারের সিম্ফনি অব ডেসট্রাক

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি মেয়ের একটু কথা (ত্রয়োদশ অংশ)

আমাদের গর্ভে জন্মানো কুকুর
একদিন ছিঁড়েখুঁড়ে খাবে খোদ আমাদের
বলেই বুঝি আমরা মা, মায়ের জাত!
ক্ষমা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে পরে আবারো ক্ষমা করে দিই তোমাদের

বারবার।।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধুই দু’জন

কোন এক সন্ধ্যায় দেখা হবে তোমার আমার
ঝাড়বাতিগুলো আলো জ্বেলে সটকে যাবে জানালার বাইরে
বড় হলরুমে শতশত মানুষ সমাজের ম্যানেকিন চ্যালেঞ্জ খেলতে থাকবে
আর সবার অগোচরে তুমি আর আমি
আমাদের গল্পগুলো মনে করে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবারো সন্ধ্যা হবে

রক্তের মূল্য রক্ত দিয়ে নির্ধারিত হবে, আর কিছু দিয়ে নয়।

সময় যেখানে শান্ত শ্বাপদ, ধীর স্থির প্রবাহে প্রবাহিত এক অনন্ত ধারা যার
শুরু আছে শেষ নাই
সেখানে তোমার আমার আমাদের বিচরণ শুধু এক ধূসর শ্যাওলার মতো ডুবে ডুবে ভেসে থাকা ছাড়া আর কিছু নয়।
আজ এই সোনালি বিকেল, ক্লান্ত দুপুর, রূপালি ভোর, হীম রাত্রি আর তোমার অনুপস্থিতিতে আমি
আমার মতোই চুপচাপ বসে আছি একা,
যেমন ছিলাম তুমি থাকতেও
একা, একা এবং একা!

আবারো সন্ধ্যা হবে
তোমার আমার আমাদের দেখা হবে চায়ের কাপে একই টেবিলে
বন্ধু!
ভুলি নাই তোরে ভুলি নাই....

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিড়াল আর পাখির গল্প

মানুষের বুকে থাকে বিড়াল আর পাখি।

এই আরোপিত সভ্যতার কামকাজ ছেড়ে মানুষ দূর দূর বহুদূর প্রকৃতির মাঝে সপ্তাহান্তে ডুবে গেলেই
পাখিটা বেরিয়ে এসে মুক্ত ডানা মেলে উড়ে গায় মুক্তির গান।

ওদিকে মানুষের বুকে লুকিয়ে থাকা বিড়াল বের হয় যুগলবন্দী জীবনের গোপন আঁধারে সন্ধ্যায়:
প্রতিটি মানুষ আদর চায়।

সে এক স্বল্প আলোর সন্ধ্যাবেলার গল্প
বিড়ালের নরম তুলতুলে দেহ, সুমিষ্ট মাউমাউ কর্ণকুহরে আগুন ঢেলে মৃদুমন্দ স্পর্শের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় কবিতা লেখায়, লিখতে শেখায়, বাঁচতে শেখায়।
তবুও মানুষের মুখোশে আরোপিত সভ্যতার নিয়ম-কানুনে বন্দি থেকেও মুক্ত থাকার অভিনয় আর কত?

জ্বালো, আগুন জ্বালো তাই তোমার ভেতর
আগুনের উত্তাপে এই রাতে একসাথে বের কর বুকের ভেতরে রাখা আদুরে বিড়াল আর উদাসী পাখি
কফিটা শেষ হোক, বুকের আগুনে আগুন মিশিয়ে
এসো মিলেমিশে থাকি...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পলিটিকাল সেলফিবাজি

আওয়ামী সম্মেলনে নেতাকর্মিরা সেলফিবাজি খেলবেই। এটা ম্যানেজারিয়াল পলিটিক্স। এখানের সূত্র সিম্পল। একজন নেতার মাধ্যমে সিনিয়ার আরেকজন নেতার সাথে পরিচিত হওয়া। তাঁর মাধ্যমে আরেকদিন আরেকটু সিনিয়ার আরেকজন নেতার সাথে পরিচিত হওয়া এন্ড সো অন। এভাবে ক্রমাগত উপরের দিকের লোকজনের সাথে পরিচিত হওয়া।
.
-কারণটা বাস্তব, বেকারত্ব এবং নিরাপত্তাহীনতা। পলিটিকাল অর্গানাইজেশনের কোলাবরেশনে থাকলে এলাকায় সম্মান, সমীহ, ভীতি এবং কিছুটা ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। চাকরির একটা সুযোগ থাকে। পরিবারের কাউকে পুলিসে ধরলে সাপোর্ট পাওয়া যায়। এই দেশে আমাদের অর্ধেক জীবন চলে যায় নিরাপত্তার যোগান দিতে আর বাকি অর্ধেক চলে যায় আসল প্রেমের খোঁজে। আওয়ামী কর্মিরাও এর বাইরে নয়, ওরাও মানুষ। দিনশেষে আওয়ামীও একটা পলিটিকাল পার্টি যা ইমোশনের উপর চলে না বরং লজিকের উপর চলে। কট্টর আওয়ামী আদর্শবাদী সাপোর্টাররা যতোই ইমোশনাল হোক না কেন, এইটাই সত্য কথা।
.
বুঝো নাই ব্যাপারটা?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিসিএস হিরোইজম নার্সিসিজম

ঔনারশিপ সৃষ্টি করা যে কোন অর্গানাইজেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ আর্মির দিকে তাকান। প্রতিরক্ষা ফান্ডে হোক আর পাবলিক ফান্ডে হোক, উনাদের প্রতিটা কর্মকাণ্ডে ঔনারশিপ থাকে। কাজ শেষ হওয়ার পর সেখানে সুন্দরভাবে সাইনবোর্ডে লেখা থাকে ‘বাস্তবায়নে: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’। এছাড়া সেনাবাহিনীর ব্র্যান্ডিঙে সবসময় ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী’ উল্লেখ করা হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি মেয়ের একটু কথা (ত্রয়োদশ অংশ)

আমাদের গর্ভে জন্মানো কুকুর
একদিন ছিঁড়েখুঁড়ে খাবে খোদ আমাদের
বলেই বুঝি আমরা মা, মায়ের জাত!
ক্ষমা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে পরে আবারো ক্ষমা করে দিই তোমাদের

বারবার।।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুজিবের সিদ্ধান্ত '৭২-'৭৩

মুজিবের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না বেঠিক?
.
মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পক্ষে ছিল রাশিয়া আর পাকিস্তানে পক্ষে আমেরিকা। তাই অনেকেই মনে করেন, যুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে নন-এলাইন্ড মুভমেন্টে যোগ না দিয়ে বরং রাশিয়ান সমাজতান্ত্রিক বলয়ে ঢুকলেই ভালো হতো। ব্যাপারটা পর্যালোচনা করা দরকার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বৃষ্টিপুকুর

বৃষ্টি হচ্ছে।

এখনো কেউ কেউ বৃষ্টির রাতে বের হয়, ভেজে। সবাইকে মোবাইলের ভয় জেঁকে ধরে নি। জুতোজোড়াও তেমন দামি নয়। সস্তা চামড়ার।

বৃষ্টির দুপুরে পুকুরে সাঁতার কাটা ছেলেটা ফাইল দেখছে, বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির দুপুরে অনন্ত অন্তরে অন্তরে মন্বন্তরের গানবাঁধা মেয়েটা মোবাইল টিপছে, বৃষ্টি হচ্ছে।

বৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিটি হৃদয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। আন্দোলিত পুকুরের বুকে তরল বৃক্ষের ছায়া, স্ট্রবেরি চাঁদ, আকাশে কালো কালো বক। তবুও সবার অগোচরে সেই হাস্যোজ্বল পুকুরেই বিষণ্ণ বৃষ্টি হচ্ছে।

সেদিন বৃষ্টি ছিল না। হলদে বিকেলের রোদে দেখেছিলাম তোমায় জনমের তরে তাই বৃক্ষবন্দনা করি রোজ। আমাদের বুকে দিও অগ্নিপ্রেমের খোঁজ। চুপচাপ। আমরা তো আর তোমার মতো নই। চাইলেই চলে যেতে পারি না দূরে।

আমাদের ফেরা হয় না। যে সুখ গিয়াছে চলে, যে প্রেম ডুবিয়াছে জলে তা আর ফিরিবার নহে...

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07