Skip to content

জাহিদুর রহমান মাসুদ-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৌদী কূটনীতিক হত্যাঃ পরিস্থিতি ঘোলাটে হওয়ার আগেই কিছু করুন

রাজধানীর গুলশানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন সৌদি দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা। গতকাল সোমবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ গুলশানের ১১৭-১২০ নম্বর রোডের মাঝামাঝি এলাকা থেকে আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক বিভাগের কর্মচারীদের প্রাইমারীর প্রশ্নপত্র ফাসঃ অভিযোগটি সত্য হলে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়া উচিত

প্রশ্নপত্রের ফাসের অভিযোগটি আমাদের দেশে নতুন নয়। কোন কোন সময়ে এটা সত্যি আবার কখনো কখনো গুজব। গুজব বা সত্যি যাই হোক না কেন এটা আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, কখনো দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদে ফেলে।

একটু আগে আমার এক পরিচিতজন ফোন করে জানালো জিপিও এর ডেলিভারী শাখায় কাজ করেন এমন পিয়নেরা প্রাইমারী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র টাকার বিনিময়ে বিলি করছেন। ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে যার কাছ থেকে যা পাচ্ছেন আদায় করে নিচ্ছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আমি এখানে আমার সেই পরিচিত ব্যক্তিটির নাম উল্লেখ করতে পারছি না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাননীয় অর্থমন্ত্রী, নৈতিকতার সর্বশেষ টুকরোটুকুনও বঙ্গোপসাগরে বিসর্জন দিলেন

শেষ পর্যন্ত আমাদের জনগণের সরকার জনগণের অর্থ উদ্ধারের জন্য সমঝোতার হাত বাড়িয়েছেন দেশের ব্যাংক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়া হল-মার্ক এর দিকে। এ প্রক্রিয়ায় তাদের আরও ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। শুধু তাই নয় হল-মার্কের কারখানাগুলো চালু করার জন্য জেল থেকে বের করে আনা হবে কেলেঙ্কারির হোতাদের। সরকারের বিজ্ঞ অর্থমন্ত্রীর মতে এভাবেই লুট করা অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গণজাগরণ মঞ্চ কি ঐ চিহ্নিত গডফাদার শামীম ওসমান এর বিচার দাবি করার সাহস রাখেন?

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পুরো নারায়ণগঞ্জতো বটেই নিজ বাড়ির কেন্দ্রে পর্যন্ত শোচনীয়ভাবে পরাজিত হবার পর চিহ্নিত গড ফাদার শামীম ওসমান এতোদিন অস্বাভাবিক রকম নীরব ছিলেন। শাহবাগ এর গণজাগরণ মঞ্চ এবং তৎপরবর্তীতে ব্লগার রাজীবের হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে তিনি আবার সরব হন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজীব, নাস্তিকতা আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে অতোটা রক্ষণাত্বক হওয়ার প্রয়োজন ‘শাহবাগ’ এর আছে কি?

‘আমার দেশ’ এর মাহমুদুর রহমান-কে গ্রেফতারের জন্য গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। যে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প মাহমুদুর রহমান নামক কালসাপের মুখ হতে ছাড়া হয়েছে আর যে কারণে দেশে এতো হানাহানির ঘটনা ঘটেছে তাতে মাহমুদুর রহমানকে বহু পূর্বেই গ্রেফতার করা যেত। সরকার বা তার গুণধর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন তা করেননি তার ব্যাখ্যা তারাই দিতে পারবেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিনয়ের সাথে 'শাহবাগ'-কে যে কথাগুলো বলা প্রয়োজন বলে মনে করছি

কয়েকদিন যাবতই কথাগুলো বলব বলে ভাবছিলাম। মনে একটু দ্বিধা ছিল। ভেবেছিলাম অল্প যে কয়েকজনই পড়েন না কেন তারা হয়তো ‘শাহবাগ’ সম্পর্কে কোন ভুল ধারণা নিতে পারেন। এখন মনে হচ্ছে ‘শাহবাগ’এর স্বার্থেই কথাগুলো বলা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সৌধ নির্মাণের প্রয়োজন আছে, তবে তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন হত্যাকান্ডের বিচার হওয়া

রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের বিচারের নজির আমাদের দেশে তেমন একটা নেই। তবে হত্যার শিকার হওয়া হতভাগ্যদের নামে সৌধ, প্রতিষ্ঠান, সড়ক, সেতু নির্মাণের নজির অসংখ্য আছে। এরশাদ আমলে আওয়ামী ল

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব স্রোত আজ শাহবাগে মিলাক

সব স্রোত আজ শাহবাগে মিলাক
যেমন মিলেছিল একাত্তরের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে
ধুয়ে-মুছে যাক বিয়াল্লিশ বছরের কলংক রেখা
আদ্র হোক বাতাসে ছড়িয়ে থাকা আমার ধর্ষিতা বোনের চোখের জলের বাষ্পকণা
শান্তিতে ঘুমাক ধুলো হয়ে যাওয়া আমার পিতার খন্ডিত পাজর।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদালতকে বকার আগে খুঁজ করুন কোন চুক্তি হয়েছে কিনা

জানোয়ার কাদের মোল্লার রায় ঘোষিত হয়েছে। অপরাধের হার বিবেচনা করলে বাচ্চু রাজাকার তুলনামূলকভাবে অনেক কম অপরাধ করেছে। কিন্তু আদালত বাচ্চুকে ফাঁসী আর কাদের মোল্লাকে দিয়েছে যাবজ্জীবন। এখন মনে হচ্ছে বাচ্চু রাজাকার ফেরার না হলে তাঁকেও কাদের মোল্লার মতো দায়মুক্তি দেয়া হতো। বিচিত্র রায়! যাদের-কে খুন করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে তাদের প্রতি কি নির্মম পরিহাস! গণহারের সবাই আদালতকে দুষছেন। এদেশের বিচারালয়ের ইতিহাস পর্যবেক্ষণে এ দুষারোপ আমার কাছে খুব একটা যৌক্তিক মনে হয় না। আদালতকে দোষারূপ করে কোন লাভ নেই। আমাদের আদালতের মেরুদণ্ড এতোটা শক্ত নয় যে, তারা ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে যাবে। বিচারালয়ের ইতিহাস তাই বলে। তাই আদালতের বাইরে কোন চুক্তি হয়েছে কিনা সেটা অনুসন্ধানের চেষ্টা করুন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসংগ বিপিএলঃ একাত্তরে হারিনি, এবারও হারব না

ব্যক্তিগতভাবে আমি টুয়েন্টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের খুব একটা ভক্ত নই। এ ধরণের ক্রিকেটের আঁতুর ঘর যদি ভারতের আইপিএল-কে ধরে নেই তবে সেই লীগের ম্যাচগুলোর কোনটারই পুরোটা এ অবধি আমার দ্বারা দেখা হয়নি। যতটুকুন দেখেছি তাতে খেলাগুলোকে আমার কাছে পাতানো খেলার মতোই মনে হয়েছে। চার-ছক্কার বাহারি মারের মাধ্যমে দর্শক মাতানো আর বোলারদের অসহায়ত্ব উপহার দেয়া ছাড়া এ ক্রিকেটের আর কোন লক্ষ্য আছে বলে আমার মনে হয় না। তারপরেও ক্রিকেট বোর্ডের বাণিজ্য বা মিডিয়ার মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে হয়তো এ পাতানো বা সাজানো খেলাগুলোকে পরিচর্যা করতে হবে। তাই হয়তো এর এতো গুরুত্ব বা এর পিছনে এতো ছুটোছুটি।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07