Skip to content

আরিফ জেবতিক-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেডিও রুয়ান্ডা, মশিউল আলমের হা হুতাশ ও জনৈক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীর দীর্ঘশ্বাস

১৯৯০ সালে রুয়ান্ডাতে প্রকাশিত হওয়া শুরু হলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা। কানগুরা (Kangura) নামের এই পত্রিকাটি শুরু থেকেই উগ্র হুটু জাতীয়তাবাদকে প্রমোট করতে থাকল। রুয়ান্ডার সংখ্যালঘু তুতসি জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে কাল্পনিক, আগ্রাসী খবরে ভরপুর থাকল পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যা। গুজব ও ঘৃণা উৎপাদন করতে গিয়ে যাচ্ছেতাই লেখালেখিতে তাদের কোনো মাত্রা ছিল না। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সম্পূর্ণ কাল্পনিক এক কাহিনী ছাপল পত্রিকাটি, যেখানে বলা হচ্ছিল যে সংখ্যালঘু তুতসি জাতিগোষ্ঠি এক ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছে যেখানে হুতু জাতিগোষ্ঠির একজনকেও জীবিত ছাড়া হবে না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের তুতসি বিদ্রোহীদের দিকে ইঙিত করে একটি ধারালো ছুরির ছবি ছেপে ১৯৯১ সালের নভেম্বরের প্রচ্ছদ হলো- 'হুতুদের চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে যা ব্যবহার করতে হবে।'

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রসঙ্গ অমি রহমান পিয়াল: তুমি কেন ঘষো, আমি তাহা জানি

১. গতকাল সকালে এক ব্লগারের উত্তেজিত টেলিফোন আলাপে জানতে পারলাম, সামু ব্লগের সত্ত্বাধিকারী গুলশান ফেরদৌস জানা একটি অনলাইন পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাতকারে দাবি করেছেন যে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন থেকে সামুর কৃতিত্ব ছিনতাই হয়ে গেছে!! এরকম অদ্ভুত দাবি যে কেউ করতে পারে সেটি আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। যাই হোক, পরে যোগাযোগ করে জানতে পারলাম গুলশান ফেরদৌস জানার সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতার উপর ভিত্তি করে এই সংবাদটি পরিবেশিত হয়েছে। যখন কোনো সাংবাদিক ফরমালি সাক্ষাতকার হিসেবে ঘোষণা না দিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলে সেই কথা কোট করে সংবাদ তৈরি করেন, তখন সেটির বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। প্রতিবেদনের প্রতিটি বর্ণই সত্য হতে পারে, আবার পুরোটাই মিথ্যা হতে পারে।। সাংবাদিকতার নূন্যতম শর্ত রক্ষিত হয় না, এমন খবর উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়ানো হয়। সুতরাং আমি একে গুরুত্ব দিলাম না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফ্যাসিবাদী তুরস্ক, তোমার এম্বেসি গোটাও



ফটোঃ তুরস্কের জাতীয় পতাকা পোড়াচ্ছে কুর্দির নিপীড়িত স্বাধীনতাকামীরা।
-

একটা সত্যি কাহিনী দিয়ে শুরু করি। ১৯৭১ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহ। ব্রাম্মনবাড়িয়ার তরুণ সার্কেল অফিসার ( বর্তমান টিএনও সমান থানা নির্বাহী পদাধিকারী) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ছুটি নিয়েছেন, সিলেটে নিজের বাড়িতে ফিরবেন কয়েকদিনের জন্য। পরেরদিন তিনি বাড়ি ফিরবেন, কারণ তাঁর ছেলের জন্ম হয়েছে বলে টেলিগ্রাম এসেছে, ছেলের মুখ দেখতে যাবেন। গভীর আনন্দ তাঁর মনে। যথারীতি ট্রেনে করে রওনা হয়েছেন পরদিন দুপুরে। হঠাৎ এক গ্রামের পাশে আটকে গেল ট্রেন। খবর নিয়ে জানা গেল পাকিস্তানী মিলিটারীরা এই ট্রেন আটকে দিয়েছে। ট্রেন চেকিং হবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এয়ারটেলের রিচার্জে দ্বিগুন লস ও ১লা মার্চে আমাদের লাভালাভের জাবেদা

আমার এক অতি দূর সম্পর্কের ভাগ্নে আছে, দুনিয়ার বিপনন বিজ্ঞান নিয়ে তার মাথাব্যথা। এর কারণও আছে, পড়ালেখা শেষ করেছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার এক বড়সড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট থেকে। সুতরাং তার কাছে দুনিয়া দুইভাগে বিভক্ত। ক্রেতা আর বিক্রেতা। সে দ্বিতীয় দলে। পৃথিবীর যেকোন জিনিসই তার কাছে বিক্রয়মূল্যে বিবেচ্য।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আয়োডিন বিহীন বাইট্টাদের দেশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩০ জন বাম

ঢাকারিপোর্ট২৪ নামের একটি নিউজ পোর্টালে আজ লেখক অদিতি ফাল্গুনির একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। ছোট দল গণসংহতি আন্দোলনের ৬ ফুট দৈর্ঘের নেতা জোনায়েদ সাকি গ্রেফতার হচ্ছেন- এই দৃশ্য দেখে অদিতি ফাল্গুনির মনে পড়ে গেল মহাশ্বেতা দেবীর একটা গল্প, যেখানে এক জনপদের গরীব মানুষরা লবন কিনে খেতে না পারার কারণে বামনাকৃতির, সেখানে স্বাভাবিক মানুষদেরকে দেখলেই তাঁরা অবাক হয়ে ভাবে-এই লোক এত লম্বা কেন? মানুষের স্বাভাবিক দৈহিক আকৃতিই সেই বামনদেশে অবাক হওয়ার বস্তু।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে কারণে আপনাকে সক্রিয় হয়ে উঠতে হবে

ডুবন্ত মানুষ খড়কুটোকে আঁকড়ে ধরেও বাঁচতে চায়। নদীর তীরে বসে মাঝনদীতে ডুবন্ত সেই মানুষের দিকে তাকিয়ে হয়তো সমালোচনা করা যায়, কিন্তু যে ডুবে সে ডুবছে, সে শেষ খড়কুটোও হাতছাড়া করতে চায় না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মৃত্যুকূপে উল্লসিত যেন না হই

যে পিতা সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে গুলির সামনে নিজেকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, যে মা নিজের কন্যাকে ধর্ষন থেকে রক্ষা করতে নিজেই ধর্ষিতা হয়েছেন বারংবার, যে আহত কিশোর যোদ্ধা পানি পানি বলে কাতরাতে কাতরাতে চিরঘুম ঘুমিয়ে পড়েছিল যুদ্ধবিদ্ধস্থ কোনো ধানখেতে, যে লেখককে চোখ বেঁধে তোলে নেয়া হয়েছিল ঘাতকের গাড়িতে-তাঁরা সকলেই তাঁদের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে নিশ্চিতই জেনে গিয়েছিলেন যে তাঁরা তাঁদের এই হত্যার বিচার পাবেন। দেশ স্বাধীন হবে, সেই স্বাধীন দেশে তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম তাঁদেরকে অশ্রুজলে স্মরণ করবে, অন্তরে ধারণ করে রাখবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভোট দিয়েছি, সিলেট ধ্বংসের ইজারা দেইনি কাউকে

খুব ভোরে প্রথম সংবাদটিই হচ্ছে-এমসি কলেজের ছাত্রাবাস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাস মানে উন্মুক্ত মাঠের মাঝে সারি সারি কলোনিয়াল বাংলো প্যাটার্ণের ঘর, পেছনের পাহাড়ের দৃশ্যপটের এই ঘ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাহারার পেছনে যাহারাই থাকুন, আমরা দেবই পাহারা

আমার এক ঘনিষ্ট বোকা বন্ধু আজ সন্ধ্যায় মিনতি করে বলেছে, আমি যেন সাহারা গ্রুপের ব্যবসায়ী উদ্যোগের বিরুদ্ধে কোনো উচ্চবাচ্য না করি। আমি ভাবলাম, সে বোধহয় সাহারা গ্রুপের ঢাকা অফিসে চাকুরি টাকুরি নিয়ে ফেলেছে, তাই এই মিনতি। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা মিনতির যে কারণটি সে বলল, তাতে সত্যি সত্যই চমকালাম। সে বলল, ‌'দোস্ত, ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বললে তুই যে কোনোদিন গুম হয়ে যাবি। ইন্ডিয়া এদেশে তাদের স্বার্থ রক্ষায় যে কোনো কাজ করতে তৎপর। বারবার ঘু ঘু ধান খেয়ে গেলেও ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ধান খেতে যাস না, পরাণে বধ হয়ে যাবি।'

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07