Skip to content

নির্বাচন পরবর্তী তিনমাস এবং বিএনপির রাজনীতি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৯০ দিন একটি উল্লেখযোগ্য সময়, কালের বিচারে তা কোয়ার্টার বছর। বাংলাদেশের গত জাতীয় নির্বাচনের পর এরকম উল্লেখযোগ্য একটি কাল অতিবাহিত হয়ে গেছে। বলা হচ্ছিল, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন বিএনপি বর্জন করায় এই সংসদ তথা সরকারের গ্রহনযোগ্যতা দেশে-বিদেশে থাকবেনা। বিএনপি আশা করেছিলো যে, বহির্বিশ্বের মোড়লরা তাদের হয়ে সরকারের সংগে দর কষাকষি করে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে নতুন নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবে। এছাড়া নির্বাচনের পর পর এই সরকার কতদিন থাকবে, সে নিয়ে আলোচনা ছিলো।

নির্বাচনের পরে তিন মাস পেড়িয়ে গেছে, নতুন নির্বাচিত সরকারের বয়সও তিন মাস হতে চললো। এর মধ্যে সরকার উপজেলা নির্বাচনের মতোন বড় যজ্ঞ সম্পন্ন করেছে। বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছে। এখন এই তিন মাস পরে নতুন সরকারকে নিয়ে কোথাও কোন সংশয়, আলোচনা কিংবা মোড়লদের চাপ দৃশ্যমান নয়। বাংলাদেশের নির্বাচনোত্তর সংস্কৃতিটা এমন যে, নির্বাচন হলো, সরকার হলো, সংসদ হলো। এরপর সরকার সংসদে এবং বিরোধীদল রাস্তায় এবং সংবাদ সম্মেলনে নিজ নিজ অবস্থান গ্রহন করলো। সেই হিসাবে জনগন সংসদে বিরোধীদলের আসন বরাবরই ফাঁকা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছে এবং সংসদে বিএনপির অনুপস্থিতি কারোই চোখে পড়ছেনা, কেননা তারা রাজপথে না হোক সংবাদ সম্মেলনে ঠিকই টিকে আছেন।
নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি আন্দোলনে ছিলো, সেই আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা তো দূরের কথা কর্মী-সম্পৃক্ততাও ছিলোনা। তারা সন্ত্রাসী ও বোমাবাজদের ভাড়া করে মানুষ পুড়িয়েছেন। ঐ সময়টাতে আন্দোলনের ফলাফলে মানুষের চাহিদাটা সরকারের বিদায়, ত্বত্তাবধায়ক সরকার বা অন্য যে কিছুর চেয়ে আন্দোলনের নামে ঐ অন্যায্য সন্ত্রাস বন্ধের প্রতি বেশী মনোযোগী ছিলো। তাইতো নির্বাচনের পর ওই ধরনের সন্ত্রাস কমে যাওয়ার পরে মানুষ স্বস্তিতে হাঁফ ছেড়েছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সাধারন মানুষকে যতোটা সংক্ষুব্ধ করেছে তার চেয়ে ঢের বেশী স্বস্তি দিয়েছে। এটাকে রাজনৈতিক চোখে দেখে বিতর্কে টেবিল কাঁপানো গেলেও সরল সত্যি কিন্তু তা-ই। বাংলাদেশের একটি প্রধানতম রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনকে বর্জন করেছে এবং নির্বাচনের পর দেশ সেই নির্বাচনকে মেনে নিয়েছে। এটা বাস্তবতা, এখন বিএনপি আন্দোলন করে গিনেজ বুকে নাম লেখানোর কথা বলছে, কিন্তু কথা হলো; লোহা গরম থাকতেই পেটাতে হয়। আজ তিনমাস পরে, সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারপরে আন্দোলনের হুমকী সেই 'দেখিনা কি করে' কে মনে করিয়ে দেয়।
বর্তমান সময়ে সরকারকে বেশ নির্ভার বলে মনে হচ্ছে, মনে হয়না এই সরকারের ঠিক ঠিক পাঁচ বছরের আগে ক্ষমতা ছাড়ার বা মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে বাধ্য করার মতো কোন আন্দোলন বিএনপি করতে পারবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে না আসা বিএনপির একটি ঐতিহাসিক ভুল, এবং এই ভুলের মাশুল দিতে দলটি তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে দ্রুতই লিপ্ত হবে। নিকট অতীতে দলটি উপর্যুপরি ব্যর্থ হয়েছে।
বর্তমান সময়ে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক সমীকরনে যে নিয়ামকগুলি গুরুত্বপূর্ণ
১) নির্বাচনের আগে জনসম্পৃক্ত ও কর্মী-সমর্থক নির্ভর আন্দোলন সংগঠিত করতে পারেনি। নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে তারা জনগনের আস্থা হারিয়েছে।
২) নির্বাচন বর্জন করলেও নির্বাচনকে অগ্রহনযোগ্য প্রতীয়মান করতে পারেনি। কাজেই তাদের এই বর্জন ভুল।
৩) উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহন না করলে দল রক্ষা হবেনা, এবং অংশগ্রহন করলে ওই সময়ে আন্দোলনে না গিয়ে নির্বাচনে কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে যাবেন। আওয়ামীলীগের এই রাজনৈতিক ছকে দলটি নির্বাচনে গিয়ে রাজনৈতিক চালে পরাজিত হয়েছে। আওয়ামীলীগ এই রাজনীতিতে চরম সফল হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন হওয়ার পর এখন আন্দোলনে সাড়া পাবেনা বিএনপি। বরং তাদের আন্দোলনে যৌক্তিকতাই থাকবেনা।
৪) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রহনযোগ্যতা এখন যেকোন সময়ের চেয়ে বেশী, অন্যদিকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বিতর্কে খালেদা ও বিএনপি হাস্যরসের খোরাকে পরিনত হয়েছেন। তারা ভাবছেন এই ইতিহাস বিকৃ্তির চেষ্টা কেবল আওয়ামীলীগকে বিক্ষুব্ধ করবে। আসলে যেকোন বোধ সম্পন্ন মানুষ এই প্রচেষ্টায় বিরক্ত হবেন এবং হচ্ছেন, কিন্তু সেটা তারা বুঝতে পারছেন না।
৫) এই গ্রীস্মকাল সরকারের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে পারলে বিএনপি কোন আন্দোলন জমাতে পারবে না। আর বৈশাখ মাস গেলেই রাস্তায় আন্দোলন করার জন্য মানুষতো দূরের কথা, কাক-পক্ষীও পাওয়া যাবেনা।
৬) সামনের জুনে বাজেট নিয়ে কিছু মিছিল করবে বিএনপি, কিন্তু তা কেবল বাজেট নিয়েই। মধ্যবর্তী নির্বাচন বা ফের নির্বাচন নিয়ে কোন কথাই তারা বলতে পারবেনা সে সময়। আর এই সরকার বাজেট দিয়ে দেওয়ার পর, সরকারের বয়স আধা বছর হয়ে যাবে।
৭) এরমধ্যে মাঝে মধ্যে যুদ্ধাপরাধের রায় ও রায় কার্যকর হবে, জামায়াত বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাস করবে আর বিএনপি না পারবে কিছু বলতে না পারবে সইতে।

কাজেই নিশ্চিন্ত থাকা যায় যে, এই সরকার তার প্রথম এক বছর ঝামেলাহীনভাবে কাটাবে। আসলে এই সরকার যদি মনে করে আবার নির্বাচন দেবো, তাহলেই তা কেবল সম্ভব এছাড়া বিএনপির আন্দোলন, মোড়লদের চাপ কোন কিছুই সরকারকে নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে বাধ্য করতে পারবেনা। আর সরকার যদি রাষ্ট্র পরিচালনায় সফলই হয়, পাঁচ বছরের আগে নির্বাচনের দরকারও হবেনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অ-নে-ক দিন পর আমুতে রাজনৈতিক বিশ্লেষণমূলক একটা লেখা পড়লাম। আমি যদ্দূর বুঝি, সাধারণ জনতা রাজনীতির উপরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। অধিকাংশই যার যার ধান্দায় ব্যস্ত। কৃষিপ্রধান থেকে আমরা যতই শিল্পায়নের দিকে এগুচ্ছি- আমাদের দৈনন্দিন সময় বড্ড ফুরিয়ে আসছে। রাজনীতি নিয়ে অত ভাবাবাবির অবকাশ কোথায় বলুন... Stare

```````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````
সত্য-মিথ্যাময় এ চিড়িয়াখানায় ভ্রমনরত এক চিড়িয়া...
{ঋতানৃতঃ সত্য-মিথ্যা ; TourZoo: চিড়িয়াখানা ভ্রমন}

জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও অনেকদিন পরে লিখলাম।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

//Deki na ki hoy// ha ha ha jotil lagoche


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটার জন্য ধন্যবাদ বাউলদা,ভালো থাকবেন।

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধইন্যা।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাস্তবতা সঠিক ভাবেই তুলে ধরেছেন বলে মনে হয়।

সত্য সহায়। গুরুজী।।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আগামী চার বছরের মধ্যে ধাড়ী রাজাকারগুলি ঝুলবে ত

স্বার্থপর মনে এ ছাড়া আর সব কিছু খুব গৌন মনে হয় Sad


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেইটাইতো চাওয়া ভাই।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সমস্যা হচ্ছে, একটি দায়িত্বশীল বিরোধী দল দরকার। তা নাহলে বিএনপির কিছু করতে হবে না, এমনিতেই সামনে চলে আসবে আবার এক সময়।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত, মোল্লা ভাই। শুধুমাত্র একটি যোগ্য দ্বিতীয় দলের অভাবে বিএনপির মতোন একটা দলকে আমাদের বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চরম বিশ্লেষন মুলক পোষ্ট দাদা, ধইন্যা। আশা করছি নিয়মিত পাব smile :) :-)

**********************************************************************************************************
সতর্কতাঃ- জামাত-শিবিরের ব্যপারে আমার মা-বাবা আমারে মধু খাওয়ায় নাই তাই গাইল বাইর হইলে আমার না মধুর দোষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক ধন্যবাদ। নিয়মিত লেখার চেষ্টা থাকবে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক দিন পরে আমার ব্লগ-এ রাজনীতি নিয়ে ভাল বিশ্লেষনাত্বক লেখা পড়লাম | Star Star Star

বাউল ভাই লেখাটির জন্য ধন্যবাদ |

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা আওয়ামী লীগের প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে অন্যতম, এই বিষয়ে কোনপ্রকার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে আওয়ামী লীগ তথা দেশের সেক্যুলার শক্তি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে | তাই দ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় ঘোষনা এবং রায় কার্যকর করতে হবে|


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাউলদা কিরাম আছেন? পোষ্টে তারাইয়া গেলাম।

**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আছি ভালোই, আপনি কেমন?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাঃহাঃহাঃহাঃ আপনার তো নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত। যাই হোক আপনার প্যাচালে পরে আসছি। একটু প্রথম কমেন্টকারী তূর্যদা বলেছেন

আমি যদ্দূর বুঝি, সাধারণ জনতা রাজনীতির উপরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।
দেশে কি সাধারন জনতা আছে? থাকলওে তা নগন্য যাদরে হাত-পা বাধা রাজনীতিবীদদের শেখলে আর যাদের খুলা আছে তারা ক্ষমতার দাপটে মুখে তালা দিয়ে আছে।

যাই হোক কি জানি বলছিলেন...ওহ হা! হা! নির্বাচন সম্পর্কিত! আচ্ছা তার আগে একটু জিজ্ঞেস করি: এরশাদ জানি কিভাবে ক্ষমতা থেকে অপসারন হয়েছিল? অতীত যে কোন সময় ভবিষ্যতে পরিণত হতে পারে। জনগণ দেখছে আর ফুসছে কে জানে কখন বিস্ফোরিত হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুমন ভাই, আসসালামুওলাইকুম। আপনাকে দেখে ভেবেছিলাম লেখার যৌক্তিক বিরোধিতা করবেন। কিন্তু সেটা হবার নয়। এরশাদ নয় বছর ক্ষমতায় থেকে তারপর অপসারিত হয়েছিলো। আমি বর্তমান সরকারের এই নির্বাচনের পরে তিনমাস পরের চিত্র অঙ্কনের চেষ্টা করেছি মাত্র। ভিন্ন চিত্র থাকলে দেখিয়ে দিন না।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সুমন,

এরশাদ জানি কিভাবে ক্ষমতা থেকে অপসারন হয়েছিল?


কোথায় ৮২-৯০ এর স্বৈরশাসক এরশাদ সরকার আর কোথায় ২০১৪ এর হাসিনা সরকার। সেই গনঅভ্যুত্থা্ন ঘটানোর শক্তি বি এন পির নেই আর আওয়ামী লীগ গনঅভ্যুত্থা্নের কোন কারণও সৃষ্টি করবেনা। শত বৈরী পরিস্থিতি পরিবেশ মোকাবিলা করে যতটুকু ভাল কাজ করেছে তাতে বিরোধি দলের পক্ষে গনঅভ্যুত্থা্ন ঘটানো অসম্ভব। বি এন পি তার সর্ব শক্তি দিয়ে তার ইসলামী গুন্ডাবাহিনী নিয়ে সেই চেষ্টা করে অলরেডি দেখেছে। সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেও তারা ব্যর্থ হয়েছে।

অতীত যে কোন সময় ভবিষ্যতে পরিণত হতে পারে। জনগণ দেখছে আর ফুসছে কে জানে কখন বিস্ফোরিত হয়।


এই মহিলার নেতৃত্বে?



See video




গনঅভ্যুত্থা্নের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ কে উতখাত করা সম্ভব নয়, আওয়ামী লীগ যদি মরে সে তার নিজের পায়ে কুড়াল মেরে অথবা নিজের গলায় দড়ি দিয়েই মরবে। আর এটা হবে আওয়ামী লীগের ভিতরের দলের অন্ধভক্ত, হাসিনার অতিভক্ত, কিছু ব্যক্তিপুজারী কিছু প্রতিক্রীয়াশীল বাচালের কারণে। এরা প্রতিনিয়ত দূরে ঠেলে দিচ্ছে আওয়ামী লীগের শুভাকাংখী-শুভানুধ্যায়ী সুশীল-শিক্ষিত বিজ্ঞজনদের। এরা হাসিনার জন্যে তিলে তিলে ৭৫ এর প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করে চলেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আকাশ মালিক ভাই,

সেই গনঅভ্যুত্থা্ন ঘটানোর শক্তি বি এন পির নেই আর আওয়ামী লীগ গনঅভ্যুত্থা্নের কোন কারণও সৃষ্টি করবেনা।


কেন নাই?

কারণ, আমার যা মনে হচ্ছে,

বিএনপির মূল শক্তি ছিল অজ্ঞ জনগনকে "ইছলাম চলে গেল, ইছলাম চলে গেল" ( আমার নিজের দেখা) বলে উত্তেজিত করে, ধর্মীয় উন্মাদনাকে একমাত্র রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে, যে ভাবে মন জয় করতো, সম্ভবতঃ ইতিমধ্যে জনগন জামাতীদের, আনসারুল্লাহ টিমের, মুফতী জসিমুদ্দীর, তদোপরি আন্তর্জাতিক,IS,বোকোহারাম, তালেবান দের বর্বরীয় আচরন দেখে, তাদের ইছলাম রক্ষার ডাকের অর্থ কী, তা জন গন বোধ হয় বুঝে ফেলতেছে।

যারা কখনো ওয়াজে নারী নেতৃত্বে ভোট দিলে স্ত্রী তালাক হওয়ার ফতোয়া দেয়, আবার কখনো নারী নেতৃত্বকে বৈধ বলে তাতে নিজেরাই যোগদান করে।

এতে জনগনের নিকট তাদের ফতোয়াজীর উদ্যেশ্য ধরা পড়ে যায়না?

জনগনকে কী একেবারেই গরু গাধা মনে করে?

আর বিএনপি জামাত যে একই সারীর রাজনীতি করে, জামাত বিহিন বিনপি যে অস্তিত্ব হীন, তাতো সবার স্বীকার করতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের ইতিহাসে সাধারনত সরকারী দলের ব্যার্থতার হিসাব নিকাশ হয়। বিএনপি নুতন ধারা যোগ করেছে, বিরোধী দল হিসেবে পপুলার ইস্যু থাকাস সত্ত্বেও আন্দোলনে নেমে চরম ব্যার্থতার এমন নজির এরাই প্রথম গড়ল। বড় বড় কথা, ফাঁকা হুমকি টানা হরতালের নামে জ্বালাও পোড়াও করে মানুষ পুড়িয়ে মারা কিছুই বাদ রাখেনি। উলটা লাভ হয়েছে সরকার আরো জেঁকে বসেছে। বিএনপির সরকার নামানোর কাগুজে হুমকি এখন সংবাদপত্রের পাতায় খুঁজতে হয়, সম্ভবত তাদের বাড়ির কাজের লোকেও শুনলে হাঁসে। দলটি চিরদিনই ছিল তথাকথিত ভদ্র সুশীল (অন্য কথায় সুবিধাবাদীদের) আখড়া। এদের দিয়ে যে আওয়ামী লীগের মত শক্ত দলের বিরুদ্ধে জনমত থাকা সত্ত্বেও কার্যকরী আন্দোলন গড়া সম্ভব না তা আবারো প্রমান হয়েছে। যা ভরসা ছিল বিদেশীরা তারাও এক তরফা নির্বাচন না মেনে নিলেও জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন কড়াভাবে অস্বীকার করেছে।

আন্দোলনের ডাক দিয়ে বড় নেতারা নিজেরা আরামে ঘরে বসে থেকে জামাতী আর ভাড়াটিয়া বোমাবাজ লেলিয়ে দেওয়া শুধু জনগনকেই নয়, দলের সাধারন কর্মীদেরও হতাশ করেছে।। জনসাধারন হয়ে গেছে আন্দোলন সম্পর্কে উদাস। সরকারও এর সুবিধে পুরো মাত্রায় নিয়েছে। নির্বাচনের আগে তাদের বলতে শোনা যেত যে এক তরফা নির্বাচন অনেকটা নিয়ম রক্ষার জন্য, নির্বাচনের পর আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সব দলের অংশগ্রহনে আরেকবার নির্বাচনের চিন্তা করতে তারা রাজী আছে। বিএনপির ধ্বজভংগ অবস্থা দেখে সরকারও এখন ৫ বছর আগে আর নির্বাচন দেবে না সরাসরি বলছে।

আওয়ামী লীগের সামনের দিনগুলি একেবারে নিশ্চিন্ত যাবে এমন ভাবনারও তেমন কারন নেই। এটা মনে রাখতে হবে যে নানান ইন্ডিকেটর দেখায় যে ফেয়ার ইলেকশন হলে আওয়ামী লীগ হেরে যাবার সম্ভাবনা ছিল অতি তীব্র।

চুড়ান্ত কথা হল একটা অস্বাভাবিক অবস্থায় দেশ চলছে, এটা কারো জন্যই দীর্ঘ মেয়াদে ভাল নয়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আদিল ভাই, বর্তমান সময়ে নির্বাচন ফেয়ার না হলে সেটা গোপনীয় কিছু হতো না। এইতো উপজেলা নির্বাচন, এতোগুলো কেন্দ্রের ভিতরে যে কয়টাতে অনিয়ম হয়েছে তার সবই প্রকাশিত। বিএনপি নির্বাচনে এলে, সেই ফল পরিবর্তন কি সম্ভব ছিলো? আর সম্ভব হলেও তার প্রতিক্রিয়াটা কেমন হতো? বিএনপি নির্বাচনে জিততে পারতো, নির্বাচনে না এসে তারা সেই সুযোগ হারিয়েছে। এটা একটূ ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিলো। যখন নির্বাচন বর্জন করার কৌশল নেওয়া হলো, তখন সেই বর্জনের ফসল যদি আওয়ামীলীগের ঘরে ওঠে তাহলে এটা বিএনপির কৌশলের ব্যর্থতা। আপনার চুড়ান্ত কথার সাথে একমত পোষন করেই অতি সংক্ষেপে বলেছি যে, আসলে এই সরকার যদি মনে করে আবার নির্বাচন দেবো, তাহলেই তা কেবল সম্ভব এছাড়া বিএনপির আন্দোলন, মোড়লদের চাপ কোন কিছুই সরকারকে নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে বাধ্য করতে পারবেনা। উপরোন্ত, বিএনপির ভাষায় প্রহসনের নির্বাচনের পরে তিনমাস পেড়িয়ে গেছে, এই তিন মাসেই জনগনের মন থেকে এই ইস্যু মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিএনপির উচিত ছিল হারার ঝুকি নিয়েও নির্বাচনে যাওয়া। হেরে গেলেও কারচুপির কারনে সিম্প্যাথি পেত, আন্দোলনের মানসিক বল পেত। বিএনপি রাস্তা ঘাটে আন্দোলন করে টিকে থাকার দল না, সরকারে না থাকলে এই দলের অস্তিত্ব নিয়েই টান পড়তে পারে, কেবল বিপুল পরিমান এন্টি-লীগ বা ডানপন্থী ভোট এদের টিকিয়ে রাখবে।

আওয়ামী লীগের অবস্থা যতটা শক্ত আপাত চোখে মনে হয় অতটা নাও হতে পারে। বিএনপি থ্রেট হিসেবে না আসলেও অন্যভাবে থ্রেট আসতে পারে। অবস্থা যা তাতে হাসিনা বা তার সরকারের ক্ষমতার বাইরে গেলে পরিনতি হবে ভয়াবহ, '৭৫ সালের মতই অবস্থা নানান কারনে হয়ে গেছে। তারা স্বেচ্ছায়ও ক্ষমতা ছাড়তে পারবে না।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকারগুলি ঝপাঝপ ঝুলে গেলেই বিএনপি শেষ। আগামী পাঁচ বছরের মাঝে বহিঃশক্তির গোপন ও অতিসক্রিয় হস্তক্ষেপ ছাড়া বিএনপির পক্ষে সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা কোনভাবেই সম্ভব না। দেখার মতো বিষয় হলো এই 'বহিঃশক্তির গোপন ও অতিসক্রিয়' হস্তক্ষেপ। আমি কেন যেন এই সময়টার সাথে ৭২-৭৫ সময়ের মিল পাচ্ছি।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাইদীর মামলার কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে, এই মামলার রায় কার্যকর হলে অন্যগুলি আরো সহজ হয়ে যাবে। আজকের বিডি নিউজে মজহার আর রফিকুলে বাদানুবাদ দেখলে বিএনপির আসল অবস্থা চোখের সামনে চলে আসবে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুন

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ বাউল ভাই,
একটি সুন্দর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ মূলক পোস্ট দিয়েছেন৷ আমার 1-7 পর্যন্ত সমীকরণিক বিশ্লেষণটা বেশি ভাল লেগেছে ৷ আপনার পোস্ট অনুযায়ী একটা বিষয় ক্লিয়ার হয়েছে যে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক দিক থেকে বি,এন,পি আওয়ামীলীগের চেয়ে অনেকাংশে দূর্বল৷ দেখেছি সংসদ নির্বাচনের পূর্ব থেকেই বি,এন,পির কোন দাবি তারা মানেনি৷ আওয়ামী লীগ একটা বিষয় ভাল করে বুঝে ফেলেছে বি,এন,পির দূর্বলতা কত খানি৷ আর এজন্য আওয়ামী লীগ তারা যতই আন্দোলন করুক সেটা কে তারা পরোয়ানা করবে না ৷ কারণ,ক্ষমতা তো এখন তাদের হাতে ৷ আর বিরোধীরা এখন তাদের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলন করলে,সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবে কিনা সন্দেহ৷ বর্তমানে আওয়ামী লীগ একটা সৌরতান্ত্রিক পন্হায় ক্ষমতায় আছে বলে মনে করি৷ আর এভাবে বিরোধী দলকে বাদে এককভাবে নির্বাচন টা করে ক্ষমতায় আসা একটা হীন মনের পরিচয় দিয়েছে আওয়ামী লীগ ৷ একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে এটা গনতান্ত্রিক দেশ৷ এখানে সবার অধিকার সমান৷
তা সে যে দলের লোক হোক না কেন?
(ইট মারলে পাটকেলটি খেতেই হবে,সেটা যে কোন একসময়)
বিরোধী পার্টি একদিন না একদিন তার হারানো শক্তি ফিরে পাবেই পাবে৷

সকল বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
www.webpot.tk


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ। বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা দিন দিন প্রকটভাবে ফুটে উঠছে। সরকারের গত টার্মে তাদের কোন ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলন ছিলো না। তারা সংসদ বর্জন শুরু করেছিলো সামনের আসনে বেশী আসনের আবদার নিয়ে। প্রথম হরতাল দিয়েছিলো খালেদার বাড়ী হারানো কেন্দ্র করে। আসুন একটু পেছনে ফিরে দেখি এককভাবে নির্বাচন করা ছাড়া আওয়ামীলীগের হাতে কি কি পন্থা ছিলো
১) ত্বত্তাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে এনে বিএনপি সহ নির্বাচনে অংশ নেওয়া। বিএনপি এই ইস্যুতে আন্দোলন করছিলো। আপনার মনে আছে কী-না নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী ফোন দিয়েছিলেন। আপনার কি সেই ফোনের আলাপন মনে আছে? সেই আলাপে সংলাপের প্রস্তাব ছিলো এবং তার প্রত্যাখানও ছিলো। এইখানে রাজনীতি ছিলো, এই ফোন একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিলো। কিন্তু কার প্ররোচনায় কিংবা খালেদা জিয়া নিজেই কেনো সেই সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করেছিলেন? এক্ষেত্রে নির্বাচন না করে আওয়ামীলীগ বিএনপির দাবী মেনে নিয়ে ত্বত্তাবধায়ক সরকার মেনে নিতে পারতো, পরবর্তীতে বিএনপি প্রধান উপদেষ্টা সহ অন্যান্য উপদেষ্টা নিয়ে আপত্তি তুলতো।
২) আওয়ামীলীগ বিএনপি বিহীন নির্বাচন করেছে, এবং এই নির্বাচন করে আওয়ামীলীগ একটি বদনাম নিজের কাঁধে তুলেছে। এজন্য আওয়ামীলীগকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে সন্দেহ নেই। সর্বদলীয় সরকার গঠন করা হয়েছিলো, সেই সরকারে বিএনপিকে আমন্ত্রন করা হয়েছিলো, বিএনপির এক দাবী ছিলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ। তিনি পদত্যাগ করেননি এবং তিনি নিজের ইচ্ছাতে সেই পদে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত থাকতে পারবেন বলে সংবিধান স্বীকৃত। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে আমন্ত্রন জানাতে পারতেন।
৩) সারা দেশে নির্বাচনের আগে এক ভয়াবহ অবস্থা তৈরী করা হয়েছিলো। নির্বাচনের পরে তার আপাত সমাধান হয়েছে। জনমনে স্বস্তি নেমে এসেছে, ওই সময়ের ভয়াবহ রাজনৈতিক সন্ত্রাস সাধারন মানুষকে আন্দোলন এবং রাজনীতি বিমুখ করে তুলেছে। উপরোন্ত সেই সময়য়ে জায়গায় জায়গায় আওয়ামী নেতা-কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। আজ সেই ফটিকছড়ির ভুজপুর হত্যাকান্ড দিবস। শেখ হাসিনা সেই সময়ে পদত্যাগ করে তার দলকে একটি যুদ্ধাবস্থার সামনে এনে দিতে পারতেন।
গোয়ার্তুমী দু’পক্ষই করেছে। যদিও শেষ হিসাবে আওয়ামীলীগ বিএনপি না আসা অবস্থাতেই নির্বাচন করেছে। এখন এই দায় কাঁধে নিয়ে নির্বাচন, সরকার গঠন, রাষ্ট্র পরিচালনা, সংসদ শুরু (ইতিমধ্যে প্রথম অধিবেশঅন শেষ হয়ে গেছে) এই কাজগুলি করেছে, এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই দায় কাঁধে নিয়ে এই সরকার পূর্ণ মেয়াদে থাকবে কী-না। নির্বাচনের তিনমাস পরে যা অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে বোঝা যায়, সরকার চাইলে সেটা সম্ভব হবে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিএনপি নির্বাচনে না গিয়ে সঠিক কাজটিই করেছে। আলীগ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি করে সরকার গঠন করে ফেলত। তখন নির্বাচন নিয়ে নানা সমালোচনা করে, রাজপথ উত্তপ্ত করে কিংবা ওবামার বাড়ির সামনে অনশন করেও বিএনপির কোন লাভ হত না। মনে রাখতে হবে দুধ জমে একবার দই হয়ে গেলে সেই দইকে আবার দুধে ফেরান যায় না, বড়জোর ঘোল বানিয়ে খাওয়ান যায়। বিএনপি সেই ঘোলই এখন খাচ্ছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম, তাহলে কি এখন আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করেনি? সংসদের একটি অধিবেশন কি শেষ হয়নি? সরকারের অধীনে বিএনপি কি একটি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেনি? নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি কোন লাভ ঘরে তুলেছে, যা দিয়ে বিচার করা যেতে পারে যে, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে ভুল করেনি? আর বিএনপি যদি এখন ঘোল খেয়ে থাকে, তাইলে বর্জন করে কিভাবে সঠিক কাজ করলো?

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ও-আলাইকুম-আসসালাম বাউল দা, আপনার মতো মহাজ্ঞানী পন্ডিত মহাশয়ের পোষ্টের ‍"যৌতিক" বিরোধীতা করা তো আমার কম্ম নয়। আমি কালকের নাদান পোলা আমার সঙ্গে কি আপনার তুলনা হয়। তবে যেই ভাবে আপনি লেজ সমেত আওয়ামীর ভেতরে ঢুইকা পোষ্টখান দাখিল করছেন তাতে এর থেকে ভাল আর কি আশাই করতে পারেন? আওয়ামী ব্লগে আওয়ামী পোষ্ট হবে এটাই স্বাভাবিক যতই যৌতিকতা থাকুক না কেন মূল্যহীত হবে এটাই স্বাভাবিক। তাই তো ধীরে ধীরে আমু তার নক্ষত্রদের হারাচ্ছে, আগের মতো জৌলুস কি আর আছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচীর মাঝে বেগম জিয়া তার দলীয় কার্যালয়ের সামনে এলে আইনশৃংখলা বাহিনীর ধমকে নেত্রীকে রাস্তার মাঝে ফেলে রেখে যেই দলের নেতারা পালায় তাদের সম্পর্কে মন্তব্য করার কিইবা থাকতে পারে। তবে একথা বলা যায় যে, মানুষ মেরে ক্ষমতা দখল একাত্তরেও যেমন করতে পারেনি তেমনি ২০১৩/১৪-তে না।


~***********************~

যার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় তার সাথে পিরিতের কথা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধুমাত্র একটি যোগ্য দ্বিতীয় দলের অভাবে বিএনপির মতোন একটা দলকে আমাদের বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়।


সবচেয়ে বড় অযোগ্যতা হলো ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা। আর যুদ্ধাপরাধী জামাতকে সাথে রাখা। এই দুইটা কারনে আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে বিএনপির কথা ভাবে না অনেকেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাউল ভাই, আমি এই ব্লগের নবীন পথিক।
এই পান্থশালার আপনি একজন বিজ্ঞ
সেবক। আপনার সবগুলো ব্লগ পড়ার চেষ্টা করছি।
আশা করি, আপনার বিশ্লেষনধর্মী ব্লগ পড়ে এই কচি বালক
তার জ্ঞানক্ষুধা মিটাতে সক্ষম হবে।

_________________
তবুও পথ চলি
ভোরের আলো দেখব বলে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমানে বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলই আসলে রাজনীতির যোগ্য আর নেই।
রাজনীতি এখন চোরনীতি। Sad

রিফাত সিকদার

glqxz9283 sfy39587p07