Skip to content

একজন মানুষ কাটা কসাইয়ের গল্প বলি- নাম তার কাদের মোল্লা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা মুক্তিযুদ্ধের সময় মিরপুর এলাকার স্থানীয় বাঙালীদের কাছে কসাই নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। স্বাধীনতার পর পরই মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে একটি গণকবরের সন্ধান মেলে। এই গণকবর এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ গণকবর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। শিয়ালবাড়ি ও রূপনগরসহ সারা মিরপুর এলাকায় হাজার হাজার বাঙালী হত্যার প্রধান নায়ক ছিল এই কাদের মোল্লা।

'৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যখন দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন চলছিল তখনই কাদের মোল্লার নেতৃত্বে মিরপুরে বাঙালী নিধন শুরু হয়। ৭ মার্চের জনসভা সফল করতে ৬ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে কাদের মোল্লা আক্রমণ চালায়। কাদের মোল্লাই পাক হায়েনাদের আগে বাংলার স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর বর্বর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই কসাইয়ের সশস্ত্রবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস শিয়ালবাড়ি, রূপনগর, বালুঘাটসহ নানা স্থানে ধরে নিয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত মানুষ হত্যা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা হিসেবে বৃহত্তর মিরপুরে বাঙালী নিধনের কমান্ডার ইন চীফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। কাদের মোল্লা এক সময় জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামের বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদেও ছিল।

চলেন এই ভিডিওটা দেখি



See video



১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে ১৯৭২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মিরপুর, রায়ের বাজার, কেরাণীগঞ্জ, সাভারসহ ঢাকার বিভিন্নস্থানে নৃশংসতা চালিয়েছে এই কসাই। এই সময়ে এর নেতৃত্বে হাজারখানেক অপরাধ করা হয় মুক্তিকামী বাঙ্গালিদের বিরুদ্ধে।

কাদের মোল্লার হাতে সন্তান হারানো এক পিতার বক্তব্য(রাজধানীর মিরপুরের এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বাবা আফাজউদ্দিন সরকার)-
তুমি কোন্ কাদের মোল্লার কথা বলছ? যে কাদের মোল্লা অনেক মায়ের বুক খালি করে এখনও বহাল তবিয়তে আছে। রাজনীতি করছে। রাষ্ট্রমতার অংশীদারিত্বও পেয়েছিল। তুমি কি সেই কাদের মোল্লার কথা বলছ যার গড়ন ছোটখাটো, কিন্তু কাজকর্ম বীভৎস। পোশাকে আশাকে ধর্মীয় লেবাস ধারণ করলেও কার্যত সে ও তার সহযোগীরা ধর্মের সবচেয়ে বড় শত্রু, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেও আজ সে উপায়ান্ত না পেয়ে, পিঠ বাঁচাতে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করে বেড়ায়। আমি তার সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি; কিন্তু কিছুই বলব না। অনেক বলেছি কিছুই হয়নি, ওরা মাফ পেয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন
- মহান '৭১-এ কাদের মোলার জুলুমবাজি থেকে মহিলা কবি মেহেরুন্নেসা রা পাননি। তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছিল কাদের মোল্লার হাতে। প্রাণ দেয়ার আগে হয়ত তাঁকে শারীরিক নির্যাতনের শিকারও হতে হয়। অথচ স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও শহীদ কবি মেহেরুন্নেসার কোন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি। তিনি আরও বলেন, কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীদের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে এমন অনেককে এখনও খোঁজ করলে পাওয়া যাবে। এককথায় তিনি কাদের মোল্লাকে মুক্তিযুদ্ধকালীন মিরপুরে অগণিত গণহত্যার জন্য 'কসাই' হিসেবে অভিহিত করেন।


এই আফাজ উদ্দিন সাহেবের তাঁর প্রিয় সন্তান । আলাউদ্দিন ছিল আওয়ামী লীগের এক তরুণ কর্মী। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে বন্ধুদের সঙ্গে তিনিও প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ফলে স্থানীয়ভাবে যারা পাক হায়েনা ও তাদের এদেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে দেশে থেকেই প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তুলেছিলেন তাঁদের দলেই যোগ দেন আলাউদ্দিন। '৭১-এর আগস্টে পাক হায়েনারা আলাউদ্দিন ও তাঁর ৭ বন্ধুকে হত্যা করে। মিরপুরের বহুল আলোচিত শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমিতে নিয়ে তাঁদের প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে হাত ও চোখ বেঁধে গুলি করা হয়।


উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা


১। মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের তালতলার বাসিন্দা ফজর আলী (বাবা হানিফ সরদার) জানান, তাঁর ছোট ভাই মিরপুর বাঙলা কলেজের ছাত্র শহীদ পল্লবকে (টুনটুনি) কাদের মোল্লার নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে। সে বছরের ২৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর স্থানীয় দালালরা রাজধানীর নবাবপুর থেকে পল্লবকে ধরে মিরপুরে কাদের মোল্লার কাছে নিয়ে আসে। পরে কাদের মোল্লার নির্দেশে তাঁর সহযোগীরা পল্লবকে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ১ নম্বর সেকশন শাহ আলী মাজার পর্যন্ত হাতে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যায়। পরে একইভাবে সেখান থেকে মিরপুর ১ নম্বর থেকে ১২ নম্বর সেকশনের ঈদগাহ মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে গাছের সঙ্গে দুই দিন ঝুলিয়ে রাখা হয় পল্লবকে। এরপর ঘাতকরা তাঁর হাতের আঙুল কেটে ফেলে। পরে কাদের মোল্লা তাঁর সহযোগী আখতার গুণ্ডা ও অন্যদের পল্লবকে গুলি করে মারার নির্দেশ দেন। এমনকি প্রতিটি গুলির জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। পরে ৫ এপ্রিল ঘাতক আখতার গাছে ঝোলানো পল্লবের বুকে পর পর পাঁচটি গুলি করে। আবদুল কাদের মোল্লা এতটাই বর্বর ছিলেন যে পল্লবকে গুলি করে হত্যার পর লাশ দুই দিন গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল কেবল মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত করতে। এরপর ঘাতকরা পল্লবের মরদেহ মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনে কালাপানি ঝিলের পাশে আরো সাতজনের সঙ্গে মাটিচাপা দেয়।

২। ৬ মার্চ ১৯৭১,স্বাধীনতার দাবিতে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে অসহযোগ আন্দোলন। সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে পাক হায়েনাদের প্রতিরোধ করতে হবে। অবাঙালীরা বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে যে বাঙালী ইসলামী রাষ্ট্র পাকিস্তানকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। আর এ কাজে প্রতিবেশী ভারত শেখ মুজিবুর রহমানকে ইন্ধন জোগাচ্ছে। এদিন দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো পল্লবীর সিরামিক শিল্প কারখানা এলাকায় স্বাধীনতাকামী বাঙালীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সমাবেশ। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করেই সিরামিক শিল্প কারখানা এলাকায় স্বাধীনতাকামী বাঙালীদের সভা। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিদের জয়বাংলা স্লোগানে সভা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। তখন কাদের মোল্লার নেতৃত্বে একদল পাষণ্ড ওই সভায় হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাতে ছিল দেশীয় সব অস্ত্র। হামলার মাধ্যমে কাদের মোল্লার বাহিনী নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামীদের বিচ্ছিন্ন করে দিতে সম হয়। পাকবাহিনীর আগে কাদের মোল্লা এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর আক্রমণ চালায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ শুরম্নর আগেই স্বাধীনতাকামী বাঙালীর মনোভাব বুঝেই কাদের মোল্লা মিরপুরের মনিপুর, শেওড়াপাড়া, সেনপাড়া, কাজীপাড়া, চিড়িয়াখানার ঢাল, মাজার রোড, কাফরুল, ইব্রাহিমপুর, লালমাটিয়া, কালাপানি ও পল্লবী এলাকায় বসবাসকারী পাকিস্তানপ্রেমী বাঙালী ও বৃহত্তর মিরপুরে বসবাসকারী বিহারীদের সশস্ত্রবাহিনী গঠন করে।


৩। একাত্তরের ২৬ মার্চ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বরে কালাপানির ৫ নম্বর লাইনের ২১ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা হজরত আলী লস্কর দৌড়ে নিজ বাড়িতে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। স্ত্রীকে তিনি বলেন, কাদের মোল্লা পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করেছেন এবং বাড়ির দিকে আসছেন। তিনি ঘরের ট্রাংকের পেছনে ও চৌকির নিচে চার মেয়ের মধ্যে দুজনকে লুকিয়ে রাখেন। কিছুক্ষণ পর কাদের মোল্লা কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিয়ে দরজায় ধাক্কা দেন এবং দরজা না খুললে বোমা মারার হুমকি দেন। এর পরও দরজা না খোলায় তারা বোমা ও লাথি মেরে দরজা খোলে। কাদের মোল্লার নির্দেশে পাকিস্তানি সেনারা লস্করকে গুলি করে। পরে সেনারা তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়েকে জবাই করে এবং দুই বছরের ছেলেকে মাটিতে আছড়ে হত্যা করে। এ দৃশ্য দেখে ট্রাংকের পেছনে লুকিয়ে থাকা দ্বিতীয় মেয়ে চিৎকার করলে তাকে বের করে এনে ধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়। শুধু চৌকির আড়ালে লুকিয়ে থাকা বড় মেয়েকে সেনারা খুঁজে না পাওয়ায় সে বেঁচে যায়। কিন্তু ওই হত্যাকাণ্ড দেখে সে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

৪। একাত্তরের ২৯ মার্চ বিকেলে আরামবাগ থেকে খন্দকার আবু তালেব নামের এক ব্যক্তি মিরপুরে তাঁর পুড়ে যাওয়া বাড়ি দেখতে যান। বাড়ি দেখা শেষে তিনি আরামবাগ ফেরার জন্য মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বাসস্ট্যান্ডে গেলে কাদের মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে ধরে জল্লাদখানা পাম্প হাউসে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

৫। অক্টোবরে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের বাসিন্দা কবি মেহেরুন্নিসাকে নির্মমভাবে হত্যা করে কাদের মোল্লার সহযোগীরা।

৬। ২৪ এপ্রিল মিরপুরের আলোকদী গ্রামে গণহত্যার সঙ্গে কাদের মোল্লা জড়িত ছিলেন। গণহত্যার দিন ফজরের নামাজের পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার গ্রামের পূর্ব দিকে নামে। কাদের মোল্লা অর্ধশতাধিক অবাঙালি ও রাজাকার নিয়ে গ্রামের পশ্চিম দিক থেকে ঢোকেন ও এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকেন। ওই ঘটনায় ৩৪৪ জনের বেশি মারা যায়।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আমীর হোসেন মোল্লা বলেন- ঘর থেকে বের করে লাইনে দাঁড়িয়ে ৬৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তারা সবাই আমার আত্মীয়স্বজন। এছাড়া বোরো ধান কাটতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ২৮০ কৃষককে গ্রামে ওই রাতে হত্যা করা হয়।আমি বাবার সঙ্গে আলোকদী গ্রামের দক্ষিণ দিকে একটি খালের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণরক্ষা করি'




সূত্র- , ,, ,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বরাহ ছানা

-----------------------------------------------

কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট স্টিকি করা হোক

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যাকা ভাই, পাকিস্তানের প্রতি এমন আনুগাত্যের কারণে কাদের মোল্লা আগামী নির্বাচনের পরে গলায় ফুলের মালা দিয়ে বের হবে

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার ছোট ভাই একটা কথা বলে বিশেষ করে আমার বড় ভাই যখন তাকে নামাজ পড়ার কথা বলে। বলে, শেষ বয়সে তারাই পাক্কা হুজুর হয় আর নামাজ কালাম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে যারা জীবনের শুরুতে ব্যাপকভাবে পাপাচারে লিপ্ত ছিল। জীবনের শেষে পাপের ভাগ থেকে মুক্তি কিংবা তার স্বীয় অবস্থান পরিবর্তনের জন্যই (ছদ্মবেশ) তাদের এই হুজুর হওয়া। তার মতে, আমি এমন কোন পাপ কাজ এখনও করি নাই যে দিনরাত আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে।

এই পাপিষ্টগুলোকে দেখলে আমার সেই ছোটভাইয়ের কথা মনে হয় সব সময়ই।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের মোল্লার মত মানুষকে যদি হাসিনা ফাঁসি না দেয় তাহলে এর থেকে বর্বতার আর কি আছে হাসিনার জীবনে?

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাসুয়াফার কাছ থেকে এই মুহুর্তে ভাল কিছু আশা করতে পারতেছি না। সাড়ে তিন বছর হয়ে গেল একটা বালও ছিড়লো না, এখন বাকী সময়টা বিদ্যুৎ-সুরঞ্জিত-ইলিয়াস-বিএনপির মাঠে নামা এইসব কাজ মিলিয়ে নিজের পু*কি সামলাইতেই ব্যাস্ত থাকতে হবে।

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনে হয়

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই থিয়োরী আংশিক সত্য বটেই; বিশেষ করে আমাদের মত দেশে। আমার ব্যাক্তিগত ধারনা আমাদের দেশের লোকের বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রবল মাত্রায় ধার্মিক বনে যাবার এটা অবশ্যই এক কারন। নৈতিকতার মান কমার সাথে সাথে ধর্মের প্রাবাল্য বৃদ্ধির আর ব্যাখ্যা পাই না, অথচ হবার কথা উলটা।

এই থিয়োরী পুরো সত্য বলে দাবী করলে অনেক নিরীহ ধার্মিকের প্রতি মহা অন্যায় করা হয়।

এইসব কসাই জল্লাদদের ক্ষেত্রে যেটা গুরুত্বপূর্ন তা হল এই যে এরা এসব বীভতস কাজকর্মের জন্য কোন রকম অপরাধ বোধে ভোগে না, কারন তারা ধর্মকে যেভাবে বোঝে তাতে তারা সঠিক কাজই করেছে।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই থিয়োরী পুরো সত্য বলে দাবী করলে অনেক নিরীহ ধার্মিকের প্রতি মহা অন্যায় করা হয়।


আমিও আপনার সাথে একমত। তাই তো বলেছি এই জানোয়ার গুলোকে দেখলে তাই মনে হয়।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই থিয়োরী ভুল প্রমানের সহজ উপায় আছে। এই দায় থেকে মুক্তি পেতে পারেন ধার্মিকরাই। তারা এইসব কসাই জল্লাদকে দূর দূর করে তাড়ালেই কাজটা করা যায়। অথচ কার্যক্ষেত্রে অনেক সময়ই দেখা যায় উলটা। ধর্মের মোহে এই জাতের লোকরাই অনেকের কাছে বড় আলেম, দ্বীনের সেবক, ইসলামী আন্দোলনের নেতা।

এইসব জল্লাদ মসজিদে ঢুকলে অন্য নামাজিরা এদের মুখে থু দিলে, ইসলামী জলসা ওয়াজের নামে বক্তৃতা দিলে ধার্মিকরা আগে তেড়ে আসলে কারো সাধ্য ছিল এদের সাথে ধর্মের সম্পর্ক টানার।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক এই জায়গাটায় কেউই কোনদিন হাত দেয় না, কেন দেয় না জানি না।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব জল্লাদ মসজিদে ঢুকলে অন্য নামাজিরা এদের মুখে থু দিলে, ইসলামী জলসা ওয়াজের নামে বক্তৃতা দিলে ধার্মিকরা আগে তেড়ে আসলে কারো সাধ্য ছিল এদের সাথে ধর্মের সম্পর্ক টানার।


এরা মসজিদে গেলে ইমামতির দায়িত্ব পায়। তারমানে দাঁড়াইল যত খুনই করো,যতো ধর্ষন কর,যতই সুদ খাও না কেন কোন ব্যাপার না। শুধু একটু ইসলামী লেবাস গায়ে জড়াইলেই হয়।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মসজিদের প্রথম দুই কাতারে তো দাঁড়ায় তথাকথিত জনেরা,
দুর্বৃত্তজন, দুর্নীতিবাজ, চরিত্রহীন সমাজপ্রতি, সুবিধাভোগী মধ্যস্বত্বকারী, কতিপয় দালাল,এবং কতিপয় অন্ধবিশ্বাসী।
.
আর মধ্য কাতারগুলোতে তো থাকে দুর্দশাগ্রস্ত, দুর্দশাপন্ন, মধ্যবিশ্বাসের মধ্যবিত্ত জনতা।
.
এবং শেষের দিগের দুই কাতারে থাকে মগজ ধোলাই করা তরুণ সমাজ , এখন কথা হচ্ছে কে কাকে কিভাবে থুতু দিতে পারবে ,এই অবস্থা থেকে?!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই থিয়োরী আংশিক সত্য বটেই; বিশেষ করে আমাদের মত দেশে। আমার ব্যাক্তিগত ধারনা আমাদের দেশের লোকের বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রবল মাত্রায় ধার্মিক বনে যাবার এটা অবশ্যই এক কারন। নৈতিকতার মান কমার সাথে সাথে ধর্মের প্রাবাল্য বৃদ্ধির আর ব্যাখ্যা পাই না, অথচ হবার কথা উলটা।

এই থিয়োরী পুরো সত্য বলে দাবী করলে অনেক নিরীহ ধার্মিকের প্রতি মহা অন্যায় করা হয়।

অন্য অনেককে দেখে এবং আমার নিজের অনুভূতি বিশ্লেষন করে আমার আমারও মনে হয় বয়স বৃদ্ধির সাথে ধর্মপরায়ন হয়ে ওঠার একটা সম্পর্ক আছে। তারুন্য এবং যৌবনে অনেকেরই যে দুর্দমনীয় একটা তেজ থাকে, বয়সের সাথে সাথে সে তেজ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তার সাথে দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা মানুষের মনে ক্রমেই একটা অসহায় বোধ জাগ্রত করতে থাকে। সে অবস্থায় যারা যুক্তিবাদী নাস্তিক নন, তাঁরা ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পন করেন। তেমন পরিস্থিতিতে যার অতীতে পাপের রেকর্ড আছে এবং সে রেকর্ড যার যত সমৃদ্ধ, সে স্বভাবতঃই পাপমুক্তির জন্য তত বেশী উদগ্রীব হয়ে পরে। তবে অধিকাংশ ধার্মিকই পারিবারিক এবং সামাজিক আবহ থেকে এমনিতেই ধীরে ধীরে ধর্মাচরনে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি আসলে এখানে ঠিক কেবল বয়সের সাথে সাথে ধার্মিক ভাব জেগে ওঠার কথা বলিনি, যদিও শাব্দিক অর্থে তেমন মনে হচ্ছে। বলেত চেয়েছিলাম আপনার কথার শেষের অংশটুকু। বয়সের সাথে ধার্মিক ভাব জেগে ওঠা খুবই স্বাভাবিক, যেমন গুরুতর অসূখে পড়ে অনেক ঘোর নাস্তিকও রাতারাতি আল্লাহ ভক্ত বনে যেতে পারে।

যেটা বলতে চেয়েছিলাম তা হল আমাদের দেশে দূর্নীতির সাথে এক বড় সংখ্যক লোকে জড়িত। সারা জীবন দূর্নীতির সাথে জড়িত থেকে শেষ বয়সে মনের গ্লানি থেকে মুক্তি পেতে এদের মধ্যে ধর্ম ভাব প্রবল মাত্রায় জেগে ওঠে বলে আমার ধারনা। এভাবে পরকালে পার পাওয়া যাবে বলে মনের স্বান্তনা পাওয়া যায়। আবার সামাজিক বাহবেও গায়ে ধর্মীয় লেবাস থাকলে লোকের চোখেও অনেকটা ভাল সাজা যায়। এই থিয়োরীর সমর্থনেই বলেছিলাম যে দেশে একই সাথে ধর্মকর্মের রমরমা বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দূর্নীতি।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব কসাই জল্লাদদের ক্ষেত্রে যেটা গুরুত্বপূর্ন তা হল এই যে এরা এসব বীভতস কাজকর্মের জন্য কোন রকম অপরাধ বোধে ভোগে না, কারন তারা ধর্মকে যেভাবে বোঝে তাতে তারা সঠিক কাজই করেছে।


আসলে ব্যাপারটা হচ্ছে এরা ধর্মের ঐসব অংশই মেনে চলে যাতে তাদের স্বার্থ ঠিক থাকে। বাকি গুলো অগ্রাহ্য করে যায়। এরাই ইসলামের অনেক ক্ষতি করছে যার ফলে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে। এরা যা করসে ঠিক সেটাই যদি এদের উপর করতে পারত আমাদের অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠন গুলো তাহলে ইসলামের অনেক উপকার হতো। কিন্তু উনারাও এই ধর্মের ব্যাপারে এসে দুর্বল হয়ে যায়। আর ঐসব রাজাকার রা ইসলামের নামে যা বলে তাই মেনে নেয়। কিন্তু স্বয়ং কোরআনেই বলা আছে যে অন্যের কাছ থেকে শুনা কথায় কোন সিদ্ধান্ত না নিয়ে আগে নিজে যাচাই করতে আসল সত্য। কিন্তু সেটা করে কয়জন। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বার্থের কারনে ধর্মের অপব্যাবহার তত্ত্ব সব সময় ঠিক না, কিছু সময় সঠিক।

স্বার্থ মানার জন্য ধর্মের অপব্যাবহার করা হলেও বিশুদ্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস বশতই নানান অমানবিক কাজকারবার করা হয়, অমানবিক কাজে উতসাহ দেওয়া হয় যা আপনারা মানতে নারাজ।

'৭১ সালের কথাই ভাবেন। জামাত, মুসলিম লীগ না হয় মানা যেতে পারে রাজনীতির স্বার্থে বা ক্ষমতার লোভে ধর্মের অপব্যাবহার করেছে। যাদের সাথে রাজনীতির লেশমাত্র নেই, যেমন দেশের বেশীরভাগ শীর্ষ আলেম মোল্লার পাক বাহিনীর প্রতি অকুন্ঠ সমর্থনের কারন কি ছিল? বায়তুল মোকারম মসজিদের ইমাম সাহেব পাক বাহিনীর কাছ থেকে কত টাকা পেয়েছিলেন? ইসলাম পন্থী বলে পরিচিত বুদ্ধিজীবিদের পাক দালালির কারন কি ছিল? তারা কে টাকা পেয়েছিল? এনারা কেউই লুটতরাজ নারী ধর্ষনে অংশ নেননি বা ভাগ পাননি। তারা তাদের বিশুদ্ধু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী যা করনীয় বলে মনে করেছিলেন সেটাই করেছিলেন।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা , উনারা ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে কাজগুলো করেছেন। কিন্তু উনাদের বিশ্বাসে ভুল ছিল বা জানার ভুল ছিল বা জানলেও তা এড়িয়ে গেছেন। কারন ইসলাম কখনো কোন অন্যায়ের সমর্থন করে না। অন্যায় যেই করুক হোক সে আপন ভাই বা নিজের ঔরসজাত সন্তান, তাকে তার প্রাপ্য শাস্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি ন্যায় অন্যায়ের হিসেবে ছেলে পিতার সাথে বা পিতা ছেলের বিপরীতে যেতেও বলা হয়েছে ইসলামে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যা , উনারা ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে কাজগুলো করেছেন।


- আপনার কাছ অন্তত থেকে এটাই আশা করছিলাম। ধন্যবাদ।

বাকি অংশ নিয়ে বহু কথা হতে পারে যার স্থান এখানে নয়।

শুধু এইটুকুই এখানে বলি যে ন্যায় অন্যায় কাকে বলে তা আপেক্ষিক হতে পারে। লাদেন বাহিনী আমেরিকায় বোমা মেতে মানুষ মারলে সেটা কারো কাছে অন্যায়, কারো কাছে ন্যায় মনে হতে পারে। আজকে ৪০ বছর পরের বাংলাদেশের উন্মুক্ত ব্লগে বসে ওনাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ভুল ছিল বলা খুব সহজ বা যৌক্তিক মনে হলেও '৭১ সালের প্রেক্ষাপটে ততটা সহজ ছিল না। তার প্রমান সে আমলের মোল্লা আলেমদের মাঝে কোনদিকে সমর্থন করা যায় এ নিয়ে কোন বিভাজন ছিল না। সে আমলে আপনি আমি মোল্লা আলেম লাইনের লোক হলে আমরাও পাক সমর্থনই দিতাম।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একাত্তরে যারা আমার ভাইকে খুন করেছে, আজ স্বাধীন দেশে তাদের বুক ফুলিয়ে চলছে___ এর চেয়ে দুঃখজনক ৃশ্য আর কিছু হতে পারে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কসাইয়ের মুখে পেসাব করি

----------------------------------
© সমান্তরাল ®


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তথবহুল লেখা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়তে পড়তে এখন অনেকটা সহনীয় হয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের স্বীকৃত রাজাকারদের আর কবে বিচার হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্য কোন কারনে না, শুধু এই সব নরপশু আজো আমার দেশে মাথা উঁচু করে দাপিয়ে বেড়চ্ছে আর আমরা চুপ করে আছি, ইএ কথা ভাবলেই বাঙ্গালী হিসেবে নিজের উপর ঘৃণা হয়।

স্যালুট বস।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকারদের সময় শেষ, এদের কোন রক্ষা নাই।
কশাই কাদের মোল্লা ফাঁসিতে ঝুলবেই।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকারদের সময় শেষ, এদের কোন রক্ষা নাই।


এই কথা নির্বাচনের পর থেকেই শুনতেছি, বাস্তবায়ন দেখতেছি না

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে শেষ নাই
যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।।
---
পোস্টটিকে স্টিকি করা হোক! Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট এখনো স্টিকি হয় নাই কিল্লাই???

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব নরপশুদের বিচার কবে হবে?? যতদিন না বাংলার মাটিতে শেষ যুদ্ধাপরাধীটার বিচার হয়, ততদিন পর্যন্ত জাতি হিসেবে আমরা বেঈমান হয়েই থাকবো ৩০ লক্ষ শহীদের কাছে।

=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের মোল্লার নির্দেশে পাকিস্তানি সেনারা লস্করকে গুলি করে। পরে সেনারা তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়েকে জবাই করে এবং দুই বছরের ছেলেকে মাটিতে আছড়ে হত্যা করে। এ দৃশ্য দেখে ট্রাংকের পেছনে লুকিয়ে থাকা দ্বিতীয় মেয়ে চিৎকার করলে তাকে বের করে এনে ধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়।

এই কাহিনী জানার পরে কি মিরপুরে একটা লোক নাই যে এই হায়েনার বাচ্চাকে খুন করতে পারে!!!!
আমাদের সরকারের উপর কোন আস্তা নাই। এই সরকার এইসব ভন্ড বক ধার্মিকদের প্রোপাগান্ডার ভয়ে রাস্ট্র ধর্ম ইসলাম করে তাদের উপর এই সব হায়েনা বাচ্চাদের বিচারের আশা নাই। সাধারন মানুষ্কেই করতে হবে।

এইসব ভন্ডদের কথা সবাই কম বেশী জানে তারপরও কেমনে এরা সমর্থন পায় বুঝিনা। চট্টগ্রামে এদের দোউরাত্ব দেখলে শিউরে উঠতে হয়। বিশেষ করে স্বল্প শিক্ষিত মায়েদের কাছে।

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মডু ভাইদের মনে হয় সুপার গ্লু কমে গেছে।

----------------------পোষ্ট দেয়ালে আটকে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি---------------------

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad Sad

‍‍‌‍‍‍‍**********
স্বপ্নের কারিগর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেয়ার দিলাম বস।
পোস্ট স্টিকি করা হউক।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই হারামীর বাচ্চা জানোয়ার, এখন কোথায় আছে?

ঝুলাইতে দেরী হচ্ছে কেন?

যুদ্ধাপরাধের সুষ্ট এবং দ্রুত বিচারের আবেদন জানাই।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেড়টা বচ্ছর অপেক্ষা করেন, তারপর দেখেন কে কারে ঝুলায়।

------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব কসাই, জল্লাদ, জানোয়ারদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই;বিচার পাওয়ার অধিকার নেই।
এদের পশুর মতো মারা দরকার।

পোস্টে পাঁচ তারা।

.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট

---------------------------------------------------------------
ছাগুরা চাঁদের গায়ে রাজাকারের ছবি দেখলে হাউকাউ করলে মেলা
তোমরা বোলোগারেরা বেবুনের পুঁটুতে, সানির বুকে দেখলে, তার বেলা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাক্ষী প্রমান সব থাকার পরেও ঝুলাতে দেরি কেন? ঝুলন্ত দেখতে চাই।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মনে হয় না এই সরকার এদের বিচার করতে পারবে!!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি নতুন এখানে, পূর্ব অভিজ্ঞতাও নেই ব্লগিংয়ে, তাই ক'দিন শুধু দেখছি আপনাদের। কাজেই ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করে দেবেন।

আমার মনে হয়, এখানে, ভার্চুয়াল দুনিয়ায়, যেমন প্রতিবাদমুখর একটা কমিউনিটি গড়ে উঠেছে, সেরকমটা বাস্তব দুনিয়ায় এখনো হচ্ছেনা কেন? এখানে প্রতিবাদী কন্ঠ অনেক, সেরকমটা আমরা রাস্তায় পাচ্ছিনা কেন?
যেদিন আমরা রাস্তায়ও এরকম প্রতিবাদী কন্ঠ দেখতে পাব, সেদিনই হয়ত আপনাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।

off the light, and see.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

,,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্মৃতি আপা, আজমাল ভাই কই ? বিয়া হইয়া গেছে ?

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবে হবে বিচার?

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দিন বেশি নাই। মানুষ এরে ফুলের মালা দিলো বলে!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বুধবার, ০২/০৫/২০১২ - ২৩:৪৯ তারিখে #দেবা ভাই# বলেছেন
দিন বেশি নাই। মানুষ এরে ফুলের মালা দিলো বলে!!


দেবা ভাই ঠিকই কইছে
হয়তো একদিন এই শুকর ছানার গাড়িতেও আমার প্রিয় পতাকা উরবে আর তো মাত্র দেড়টা বছর।
Sad Sad Sad

................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠিক এক জায়গায় কোনো ঘোর-প্যাঁচ রাখা উচিত না; তা হলো কুত্তার বাচ্ছাদের বিচার।
ব্যর্থ হলে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিবে ক্ষমতাসীনদের।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু তেমন তৎপরতা তো লক্ষ্য করছি না এই সরকারের সাড়ে তিন বছরে।

==============================
বাংলার মাটি
দুর্জয় ঘাঁটি
বুঝে নিক দুর্বৃত্ত ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারাবি মনে হয় এরই ছেলে চেহারায় মিল আছে।

---------------------------------------------------------
''যদি কখনো হারিয়ে যাই পথের বাঁকে, ভুল বুঝোনা বন্ধু''


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা গান শুনেন

...........................................
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি............।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব হায়েনার দল, কালো জিভ নেড়েচেড়ে, আজ রয়েছে ঘিরে মোর সাধের ফুলবাগানটিরে

..............................................................

সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে_
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাও যদি অন্যান্য কুত্তাগুলা এই কুত্তাগুলারে রক্ষার জন্য উইঠ্যা পইড়া লাগে তাইলে অনেক কষ্টেও বলতে হয় -এমন স্বাধীনতা আমার দরকার নাই। এমন দেশের নাগরিকত্বে আমি গর্বিত না।

---------------------------------
লাইগ্যা থাকিস, ছাড়িস না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই জানোয়ার দের বিচার করতেই হবে এই মাটিতে।

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"অনেক বলেছি কিছুই হয়নি, ওরা মাফ পেয়ে গেছে..." বলেছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বাবা আফাজউদ্দিন সরকার। কিন্তু কেন কিছুই হয়নি? কেন মাফ পেল? এবারো কি মাফ পেয়ে যাবে? এর উত্তর কে দিবে?

------------------------------------------------------
"আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে..."


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকার কুত্তার বাচ্চারা ফাসিতে ঝোলানের আগে মারা গেলেও যাতে সেই কুকুরের লাশটা অন্তত ১০মিনিট ফাসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

...............*...............
বাজুক বিদ্রোহের গান
জ্বলুক আগুনের শিখা লেলিহান
অন্যায় অবিচার আর মিথ্যাকে করা হোক মৃত্যুদন্ড দান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাদের সিদ্দিকির মতে অবশ্য কাদের মোল্লার অপরাধ হাল্কা ধরনের, সরকার নেহাতই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য এরকম তুচ্ছ অপরাধের কারনে তাকে আসামী বানিয়েছে।

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন তথ্য ছারা ই এই পোস্ট টি আমরা তথ্য ভিত্তিক ও বাস্তব কথা জানতে চাই।।।।।।।।। এই পোস্টের সব বচন মিথ্যা। কোন প্রমান নাই। এমন রুপ কথা লেখা বন্ধ করুন প্লিজ।

ভালোবাসার মানুষ কেন ভালবাসে না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন তথ্য ছারা ই এই পোস্ট টি আমরা তথ্য ভিত্তিক ও বাস্তব কথা জানতে চাই।।।।।।।।। এই পোস্টের সব বচন মিথ্যা। কোন প্রমান নাই। এমন রুপ কথা লেখা বন্ধ করুন প্লিজ।


তুমি কোন চ্যাটের বাল ? এইসব বচন যে মিথ্যা তার পরমান দাও দেখি ?

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুখে দাড়ি আর গায়ে জুব্বা পড়লে হুজুর হওয়া যায়না । এরা হলো তেরা তেরা, তেরা হুজুর । এদের চেয়ে ও অনেক নোংরা মানুষ আমাদের দেশে আছে । যারা ডাইরেক্ট রাজাকার না হলে ও তারা নয়া কাদের- এ সমস্ত লোকের সাফাই গায় ব্যালট ভর্তি বাক্সের জন্য ।

shobuz sarker


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ে ও দেখে চোখের জল আটকানো যায় নি।

--------------------------------------------------------------------
মানুষের সাধ্যেরে বাইরে কিছুই নেই, যদি তার নির্ভেজাল বোধগম্যতা থেকে থাকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম। ভালো লাগলো। নির্মম ইতিহাসের কথা, আমাদের জীবনের কথা।
কাদের মোল্লাদের কঠিন শাস্তি হউক।

---------------------------------------
জীবনের প্রত্যেক প্রবাহ অমৃত চায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবে এমন সংবাদ পাবো যে জাতির এই কুলাঙ্গারদের ঝুলানো হয়েছে? বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেলো। এখন তো শুরু হবে আগামী নির্বাচন নিয়ে দর কষাকষি। তাহলে কবে হবে বিচার সম্পন্ন?

==============================
বাংলার মাটি
দুর্জয় ঘাঁটি
বুঝে নিক দুর্বৃত্ত ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে আমার মনে হয় যদি এবার এর মতো পার পেয়ে যায় তারপর আবার এই সরকার ক্ষমতায় আসলে এই পিশাচগুলো পার পাবে না

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে

glqxz9283 sfy39587p07