Skip to content

রেডিও রুয়ান্ডা, মশিউল আলমের হা হুতাশ ও জনৈক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীর দীর্ঘশ্বাস

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৯৯০ সালে রুয়ান্ডাতে প্রকাশিত হওয়া শুরু হলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা। কানগুরা (Kangura) নামের এই পত্রিকাটি শুরু থেকেই উগ্র হুটু জাতীয়তাবাদকে প্রমোট করতে থাকল। রুয়ান্ডার সংখ্যালঘু তুতসি জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে কাল্পনিক, আগ্রাসী খবরে ভরপুর থাকল পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যা। গুজব ও ঘৃণা উৎপাদন করতে গিয়ে যাচ্ছেতাই লেখালেখিতে তাদের কোনো মাত্রা ছিল না। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সম্পূর্ণ কাল্পনিক এক কাহিনী ছাপল পত্রিকাটি, যেখানে বলা হচ্ছিল যে সংখ্যালঘু তুতসি জাতিগোষ্ঠি এক ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছে যেখানে হুতু জাতিগোষ্ঠির একজনকেও জীবিত ছাড়া হবে না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের তুতসি বিদ্রোহীদের দিকে ইঙিত করে একটি ধারালো ছুরির ছবি ছেপে ১৯৯১ সালের নভেম্বরের প্রচ্ছদ হলো- 'হুতুদের চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে যা ব্যবহার করতে হবে।'

এই উগ্র পত্রিকাটির ধারাবাহিকতায়ই ১৯৯৩ সালে রুয়ান্ডায় একটা ছোট্ট নতুন রেডিও স্টেশনের আবির্ভাব ঘটল, স্টেশনটির নাম Radio-Television Libre des Mille Collines (RTLMC) । রেডিও স্টেশনের ভাষাটা ছিল খাঁটি অশ্লীল ভাষা। যাচ্ছেতাই বলা যেত সেখানে। প্রায়ই রেডিও জকিরা মাতাল অবস্থায় অনুষ্ঠান করত। যেহেতু বাজারে অশ্লীলতা ও নোংরামির একটা গোপন চাহিদা সবসময়ই আছে, সুতরাং অল্প সময়েই রেডিও স্টেশনটি শহরের ভবঘুরে, গুন্ডা-মাস্তান শ্রেনীর লোকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়ও হয়ে গেল। তারপর ধীরে ধীরে শুরু হলো তুতসি জাতিগোষ্ঠির বিরুদ্ধে প্রচারণা। অশ্লীল, কদর্য সেই প্রচারণায় হুতু গোষ্ঠির উগ্র জাতীয়তাবাদ প্রচার হতে থাকল। সংখ্যালঘু তুতসি জাতিকে দেখানো হতে থাকল সমাজের সব খারাপ কাজের জন্য দায়ী। উগ্র তুতসি বিদ্বেষী হুতু মাস্তান, খুনি-গুন্ডাদেরকে তপ্ত করার জন্য রেডিও স্টেশনে প্রায়ই তুতসিদের বিরুদ্ধে গান আর বক্তব্য প্রচার করা হতো।
কিছুদিন পরে এই ধারায় যোগ দিল 'রেডিও রুয়ান্ডা', যারা ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে সরাসরি রাজধানীর পাশের কিছু তুতসি হত্যাকাণ্ডকে সরাসরি সমর্থন দিল।

১০০ দিনে খুন হয়ে যাওয়া ৫ লক্ষ মানুষ
ও তথাকথিত বাকস্বাধীনতা

৬০ দশকের তুতসি-হুটু সংঘর্ষ সেই দশকেই শেষ হয়ে যেতে পারত। কিন্তু হুটুরা যুগের পর যুগ সেটা ভুলতে পারেনি। আর এই বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে, উগ্র করে, টাটকা রেখে সংঘর্ষ ও সংঘাতকে পুষ্ট করেছে যে রাজনীতিবিদরা, এসব দলবাজ মিডিয়া তাদের সরাসরি পৃষ্টপোষকতা পেয়েছে। (ঠিক যেমন করে মাহমুদুর রহমানের আমারদেশ পেয়েছে জামায়াতিদের সমর্থন।) তুতসিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক উগ্র প্রচার চালিয়ে এই মিডিয়াগুলো অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত হুতু জাতিগোষ্ঠির মন বিষিয়ে দিয়েছিল মাত্র কয়েক বছরে। এর বিস্ফোরণ দেখা গেল ১৯৯৪ সালের ৬ এপ্রিল। এর আগে হুতুরা গোপনে প্রস্তুতি নিয়ে খুবই পরিকল্পিত ভাবে এদিন দাঙ্গা শুরু করল। সেই দাঙ্গায় যোগ দিল হুতু সরকারি বাহিনীও।
বিধ্বংসী দাঙ্গা যখন রুয়ান্ডাকে গ্রাস করেছে তখনই এসব রেডিও স্টেশনগুলোর আসল কার্যকারিতা দেখা গেল। তারা প্রকাশ্যে দাঙ্গাকারীদেরকে দিক নির্দেশনা দিতে শুরু করল কোথায় কোথায় তুতসিরা আছে। তারা রেডিও স্টেশনে বাড়ি ঘরের ঠিকানা বলে দিত আর হুতু মাস্তানরা দল বেঁধে সেই বাড়িতে গিয়ে হত্যা করত তুতসিদের। কোথাও পালিয়ে থাকার জো থাকল না। মাত্র ১০০ দিনের সেই গণহত্যায় খুন হয়ে গেল কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ।

এই বিপজ্জনক পত্রিকা আর রেডিও স্টেশনগুলোর তৎপরতা দেখে সম্ভাব্য গণহত্যা সম্পর্কে আগেই আঁচ করেছিলেন তৎকালীন বেলজিয়াম রাষ্ট্রদূত এবং আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এগুলো বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তারা বারবার। কিন্তু 'বাকস্বাধীনতা রক্ষা'র নামে সেগুলো বারবারই পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো উপেক্ষা করে গেছে। তথাকথিত 'বাক স্বাধীনতা'র কথা বলে আমেরিকা তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেডিও স্টেশনগুলোকে বিকল করা বা ধ্বংস করায় এগিয়ে আসেনি।
৫ লক্ষ তুতসিকে প্রাণ দিয়ে সেই 'বাক স্বাধীনতা'র দাম চুকাতে হয়েছে।

মশিউলদের হা হুতাশ
প্রথম আলো পত্রিকায় আজকে মশিউল আলমের একটি লেখা ছাপা হয়েছে। আমি এমনিতে মশিউল আলমের লেখার মোটামুটি ভক্তই বলা চলে, একসময় দৈনিক বাংলাবাজারে তাঁর ধারাবাহিক উপন্যাস 'আমি শুধু মেয়েটিকে বাঁচাতে চাইছি' পড়ার জন্যই বৃহস্পতিবারে পত্রিকাটি কিনতাম-এটাও মনে আছে। সুতরাং তাঁর লেখাটি আমি আগ্রহ সহকারেই পড়তাম। তাছাড়া লেখাটি যাতে আগ্রহ সহকারে পড়া যায় এজন্য প্রথম আলো যথাবিহীত কৌশলও গ্রহন করেছে। তাঁদের প্রিন্ট ভার্সনে লেখার সঙ্গে আমারদেশ পত্রিকার কোলাজ দিয়েছে এবং অনলাইন ভার্সনে লেখাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের পাশে সাজিয়ে রেখেছে যাতে আপনি ওয়েব ভার্সন ওপেন করলে কোনোভাবেই এই লেখাটি আপনার চোখ এড়াতে পারবে না।

লেখাটিতে যথাসম্ভব চাতুরির সঙ্গে ইনিয়ে বিনিয়ে আমারদেশ পত্রিকার মাহমুদুর রহমানের উপর সরকারের 'অন্যায় অবিচার' নিয়ে মিঁউ মিঁউ সুরে আফসোস করা হয়েছে। এর আগে হাসনাত আবদুল হাইকে কমিশনড করে শাহবাগের আন্দোলনে জড়িত নারী আন্দোলনকারীদের নামে কাল্পনিক চরিত্র হননের কাণ্ড করে যখন ঘৃণার থু থু হজম করতে হয়েছে, তারপর থেকে প্রথম আলো সেই মিশনে আরো কৌশলী হবে সেটা বলাই বাহুল্য। সুতরাং এবারে ভাড়াটিয়া লেখকদেরকে না এনে ইনহাউস লেখক মশিউল আলম এই লেখাটি উৎপন্ন করে আমাদেরকে সাংবাদিকতার সবক শেখাতে লেগেছেন।

লেখাটিতে মজার যে কৌশলটি ব্যবহার করা হয়েছে তাতে করে মাহমুদুর রহমানের অপরাধকে একেবারেই লঘু করে দেয়া হয়েছে। ইনিয়ে বিনিয়ে বলা হয়েছে যে মাহমুদুর রহমানের সাংবাদিকতা ঠিক সাংবাদিকতা পর্যায়ে পড়ে না, সেখানে ত্রুটি লক্ষ করা যায়। সেখানে টেনে আনা হয়েছে কাবা শরীফের গিলাফ চড়ানোর ছবি বিকৃত করার মতো অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিংবা থাবা বাবার ব্লগের লেখাগুলো পুনঃপ্রচার করার নৈতিকতা। আর ব্যক্তির জীবনকে মশিউল দেখিয়েছেন, "ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকি"র মতো হালকা চালে। তা-ও আবার সেই নিরাপত্তা ঝুঁকির বয়ান শুধু মুহম্মদ জাফর ইকবাল কিংবা আনিসুল হকের মতো বড় বড় লেখকদের বেলাতেই ঘটেছে বলে মনে করেন মশিউল আলম। আর আমাদের মতো যাদের ছবি ছাপিয়ে আমাদের জীবনকে আজীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে, তাঁদের বেলা খরচ করেছেন একটি মাত্র লাইন, ' উপরন্তু অনেকে দাবি করেছেন, ব্লগের ওই লেখাগুলো যাদের নামে ছাপা হয়েছে সেগুলো আসলে তাদের লেখা নয়।'
হোয়াট দ্য হেল মিস্টার মশিউল, আপনি জানেন না এমন এক লোকের ছবি ছাপিয়েছে আমারদেশ যিনি জীবনেও ব্লগ লিখেননি? তিনি একন জীবনের হুমকির কারণে লন্ডনে পুলিশের হেফাজতে আছেন? আপনি জানেন না যে প্রযুক্তি বিশ্লেষন করে স্পষ্ট দেখা গেছে আমার নামে একটি ভূয়া ব্লগ খোলা হয়েছে আমারদেশ পত্রিকায় খবর প্রকাশের ঠিক আগের দিন? জ্বি স্যার, আপনি সবই জানেন তবে এখন 'উটপাখির মতো বালিতে মুখ' গোজার আপনাদের কর্পোরেট নীতিটাকেই আঁকড়ে ধরে আছেন।
মশিউল তার আজকের লেখাটি শেষ করেছেন, "তবু, এসব সত্ত্বেও মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া, ১৩ দিন ধরে তাঁকে পুলিশি রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা, তাঁর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস ধরে বিনা বিচারে তাঁর আটক থাকা এবং আমার দেশ-এর প্রকাশনা বন্ধ থাকা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। সংবাদমাধ্যমের জন্য এটা দুর্ভাগ্যজনকও বটে। "
হ, ডাইলের মজা তলে, মশিউল সাহেবের লেখার মজাও এই তলেই পাওয়া গেল।

মাহমুদুর রহমানের রাজনৈতিক আনতি
এবং হুমকির মুখে পড়ে থাকা স্বদেশ

আমারদেশ পত্রিকার প্রকাশণা বন্ধ এবং এর সম্পাদককে গ্রেফতারের দাবি কেন যৌক্তিক ছিল সেটি এই লেখার শুরুতেই আমি রুয়ান্ডার উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছি। আপাত নিরীহ একটি পত্রিকা আর দুইটি রেডিও স্টেশনকে 'বাক স্বাধীনতা'র নামে ছাড় দেয়ার পরিণতি কী ভয়ংকর হতে পারে সেটি রুয়ান্ডার সাম্প্রতিক ইতিহাসেই লেখা আছে।
আমারদেশ নামের প্রচারপত্রটিও রুয়ান্ডার সেই পথেই হাঁটছিল। এর দীর্ঘমেয়াদি কূপ্রভাব আগামীতে দেখা যেত। আপাততও কিছু যে দেখা যায়নি তেমনও না।
সারাদেশ জুড়ে হেফাজতের নামে তাণ্ডবের মূল উস্কানিদাতা এই মাহমুদুর রহমানের আমারদেশ।
আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক তুলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার পেছনে মূল পরিকল্পক এই মাহমুদুর রহমানের আমারদেশ। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে চলতি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হেফাজতের ইস্যু ভোটে জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। ধর্মীয় ইস্যুকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহারের এই প্রবণতা যে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়, একথা মশিউল এবং তার গুরুরা জানেন, বুঝেন, কিন্তু বলবেন না। সুস্পষ্ট মামলার অধীনে গ্রেফতার হওয়া মাহমুদুর রহমানকে আটক রাখা তাদের চোখে ' বিনা বিচারে আটক রাখা।' কিন্তু এই মাহমুদুর রহমানের উস্কানিতে যে কোনো মামলা ছাড়াই ব্লগারদেরকে গ্রেফতার করে লম্বা লম্বা তারিখ ফেলে তাদেরকে হয়রানি করা হলো এটা নিয়ে এসব তথ্য ব্যবসায়ীদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আইন ভঙ্গ করে যে এসব ব্লগারের ছবি পত্রিকায় দিয়ে তাঁদের জীবন ধ্বংস এবং মৃত্যুর মুখোমুখি ফেলে দেয়া হলো এটা নিয়ে এসব খবর বেনিয়াদের কোনো লেখা আপনার চোখে পড়বে না।

ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীদের আফসোস
জসীম উদ্দিনের গ্রামীন রূপকথাগুলোর ছায়া অবলম্বনে বাংলা ব্লগে একটা কথা চালু আছে-'তুমি কেন ঘষো, আমি তাহা জানি।' জ্বি, আমরাও জানি কেন প্রথম আলো আদাজল খেয়ে মাহমুদুর গংদের পাশে নেমেছে। দেশে অরাজকতা হলেই তৃতীয়পক্ষের সুযোগ তৈরি হয়, সুশীল ডিসকোর্স কপচানোর চান্স পাওয়া যায়-আর তখন লাভবান হয় প্রথম আলো।
রাষ্ট্রের হাতে অস্ত্র দেয়াই হয়েছে সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি শৃংখলা রক্ষা করার জন্য। দেশের গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়া, দেশের সাধারণ নাগরিকদেরকে জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়ার অপপ্রয়াসে লিপ্ত মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে রাষ্ট্র সেই ক্ষমতার চর্চা করছে। আমি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাই। এই পদক্ষেপটি যদি আরো একমাস আগে নেয়া যেত তাহলে হয়তো দেশের আরো বেশি সম্পদ রক্ষা পেত।

আর আফসোস জানাই সেই পথের ধারের ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীটির জন্য, যার হাতে ব্যাংক নেই, মিডলইস্টের টেকাটুকা নাই। যদি থাকত, তাহলে সেই ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীটি গ্রেফতার হলেও মশিউলের গুরুরা বিবৃতি দিতেন, ভাড়াটিয়া লেখক দিয়ে গল্প লেখাতেন, মশিউলরা 'বিনা বিচারে আটক' নিয়ে মিথ্যা কলাম লিখতেন।
মাহমুদুর রহমানকে যদি সাংবাদিক বলে স্বীকৃতি দেয়া যায়, তাহলে ভালো টেকাটুকা পেলে মশিউল আলম যে ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীকেও 'কফ সিরাপের নিরীহ ব্যবসায়ী' হিসেবে উল্লেখ করে কলম ধরতেন-এ ব্যাপারে আমার অন্তত কোনো সন্দেহ নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি নিজেই তো ভাড়া খাটছেন মনে হয়! বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ভাড়া খাটার স্তর অতিক্রম করেনি!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না, ভাড়া খাটার স্তর অতিক্রম করেনি। কিন্তু তাই বলে দেশজুড়ে দাঙ্গা লাগিয়ে দেয়ার মতো অবস্থায় খুব বেশি সাংবাদিক ভাড়া খাটেনি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একা কেহ দাংগা লাগাতে পারে না, সে রকম বাংগালী এখনো জন্মেনি; দাংগার জন্য অনেক ফ্যাকটরের দরকার হয়, সে রকম ক্ষেত্র থাকতে হয়।
রেডিও রুয়ান্ডার পুরো কাহিনী তো বলেননি: হুটু ও তুতসীদের আজীবনের (অকারণ) শত্রুতার কথা তো বলেননি।

মাহমুদুর, খালেদা, হাসিনা, ফারুক, ফালু, সালমান, শাহ আলম, মহিউদ্দিন আলামগীররা নিজেদের মাঝে একটা সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছে; আমরা ওদের সংগ্রামের সৈনিক ও বলি; আপনারা ওদের গোয়েবলস!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখার প্রথম মন্তব্যেই ছাগোলের মুখ। Sad

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইডিয়ট,
এসব লেখা সবার জন্য গুরুত্বপুর্ণ নয়, আমার কোন উপকার হবে না, কোন বাংগালীর উপকার হবে না; উনার জন্য গুরুত্বপুর্ণ; তুমি বালছাল মাটির প্রদ্বীপ হয়ে চাঁদকে দাদা ডাকছ;


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যা বলেছিলাম, পোস্টে ছাগোল মুখ দিলে পোস্ট আর বাড়ে না।
এই পোস্টে ছাগোলের কোন উপকার হবে না, ক্ষতি হবে, তা ম্যাতকার করে না জানালেও চলে রে ছাগু।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইডিয়ট,
ব্লগ পারসোননেলিটি ক্লেশের কাহিনী লেখার জায়গা নয়: জেবতিক ও মশিউল আবারও এক হবে, গ্লাস ঠুকবে, ওগুলো রসুন: শুধু তোমার মতো ইডিয়টকে ওদের আড্ডায় ঢুকতে দেবে না। তুমি মাটির দ্বীপ চাঁদকে দাদা ডেকে খুশী হবে।
"আমার" শব্দটা বুঝাচ্ছে সাধারণ মানুষকে; ওকে ইডিয়ট!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওহে খানকির ছেলে, তুমি আবার সাধারণ মানুষের অন্তর্গত হইলা কবে? বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তো তোমার ভাষায় সব ইডিয়ট।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইডিয়ট,
মাকে গালি দিস! তুই বোধ হয়, কোন মহিলার পেট থেকে বের হসনি!
যাক, নীচে একজন সঠিক কমেন্ঠ করেছে এ পোস্টের উপর, পড়ে দেখ!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খানকির ছেলে, গালিও তুই আগে দিলি এখন কান্নাকাটিও তুই শুরু করলি! মানুষকে গণহারে ইডিয়ট ডাইকা আবার নিজেরে সাধারণ মানুষ দাবি করার ভণ্ডামি ছাড়।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোর দা, চীনা বাম দের কাছে তো আমাদের ইডিয়ট বলেই মনে হবে Wink


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সাথে তর্ক করে লাভ নাই আমি জানি, ব্লগে আপনার মতো জিনিস আমরা বহু দেখেছি, কাফিতো ব্লগই ছেড়ে দিলো! চোরদার সাথে সহমত! প্রথম কমেন্টেই এতো বড় ছাগলামী কমেন্ট দেখে খুবই বিরক্ত হইলাম! আর চোরদা আপনার মা তুলে গালি দিছে কারন আপনার কথা শুনে এইডাই মনে হয়, যার দেশ মাতৃকার প্রতি কোন মায়া নাই তার নিজের মা ও নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মশিউল আর সোহরাবের মজহার ঘেষা মনে হইতাছে, লাদেনরে নিয়া সোহরাব তো কাইন্দা মজহারের লুঙ্গি ভিজায় ফেলছিলো শুনছিলাম!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারমার এতো দারুণ একটা লেখা।আর আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হলো সত্যিই আপনি বড় ধরনের চুদনা।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মশিউল আলম ঢোলের দুই দিকেই বাড়ি দিল। তার আসল উদ্দেশ্য কি? ঢোলের বাড়ি দিয়ে খাজনা তোলা? কিন্তু কোন পক্ষের থেকে সেটা পরিস্কার না।

@আবার সময় হল যুদ্ধে যাবার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলেই চুতিয়ায় ভইরা গেছে বঙ্গদেশ

................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো কাজ করতে যেমন মাথা লাগে, খারাপ কাজ করতেও তেমনি মাথা লাগে। মহাচুদুরদের সেই গোখরা সাপের মাথা আছে। সাপের ঝাপি নিয়ে বেড়ালে খেলা দেখানো, ভয় দেখানো, টেকাটুকা কামানো সবই হয়।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাহামুদুর রহমান হল সেই ব্যক্তি যে বিএনপির সময় জ্বালানী উপদেস্টা ছিল, এক মেগাওয়াট বিদ্যুত উতপাদন করতে পারে নাই, এই মাহামুদুর হল সেই উত্তরা অভিসারের খলনায়ক, এই মাহামুদুর রহমান হল সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে ধর্মীয় বিদ্বেস ছড়িয়ে দেশে গৃহ যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃস্টি করেছিল।অর্ধসত্য/মিথ্যা খবর ছাপিয়ে দেশে নাস্তিক,আস্তিক বিভাজন সৃস্টি করে জননিরাপত্তা হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছিল।এই ব্যক্তি নিজের পাছা বাচাতে গনমাধ্যমের শেল্টার ব্যাবহার করছে, যা ভবিষত গনমাধ্যমকে কলুষিত করবে, সবাই এরকম রাজনীতি করবে, অপকর্ম করবে , আর একটা পত্রিকা, টিভি খুলে গনমাধ্যম ব্যাক্তিত সাজবে, তাদের কিছু করলে গনমাধ্যমের স্বাধিনতা হরন করা হবে।এই ধারায় যে কেউ এখন সাংবাদিক বা সম্পাদক হতে চাইবে, সাংবাদিকতা পেশার যে মৌলিকত্ব তা থাকবে না। অন্য যেকোন পেশায় যেমন 'হিসাব রক্ষক,আইন কর্মকর্তা,কেমিস্ট প্রতিটি জায়গায় একাডেমিক এবং কর্মঅভিজ্ঞতা ছাড়া সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়া যায় না, অথচ এখন সাংবাদিকতায় নুনতম পড়াশোনা বা অভিজ্ঞতা ছাড়া লোকজন সম্পাদক উপস্থাপক হয়ে যাচ্ছে।তরুন এক এমপি এখন অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক, ডাকসুর একজন সাবেক ভিপি এখন টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক কাম প্রেজেন্টর ।সাংবাদিকরা হয়তো এখন না বুঝলেও পরে টের পাবে বিষয়টা কত খারাপ, ইন্জিনিয়ার এখন সম্পাদক, ভবিষতে পতিতালয়ের সর্দারনি,মাস্তান, ছিনতাইকারি ও পত্রিকার সম্পাদক হবে। এবং আমাদের মতি,মুসারা নিজেদের সগোত্রীয়দের অধীকার নিয়ে ঠিক একইভাবে সোচ্চার থাকবে আশা করি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে একটি বিষয় অন্তত পরিষ্কার যে টাকা থাকিলে মশিউলদের দিয়ে যেকোন কলাম লেখানো সম্ভব!

ভালোবাসি যা আমি করি লালন
ভালোবাসি যার আমি হয়েছি কারণ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভেবেছিলাম এসব নিয়ে আর মাথা ঘামাব না, কিন্তু আজকের মশিউল আলমের কলামটি পড়ার পর আবার মাথা গরম হয়ে গেল। সারা ঘর লেপে দুয়ারে কালি দিয়েছেন উনি। লেখার মাঝে মাহমুদুরের অপকর্মগুলি তুলে ধরেছেন বটে তবে তা তার সুশীলতা প্রকাশ করার জন্য যথেষ্ট নয়, আরও কিছুর দরকার ছিল। আর অপকর্ম করা একটা ব্যক্তির এতগুলা অপকর্মের কথা বলেও লেখার শুরুতে ও শেষে কীভাবে তাকে সাপোর্ট করলেন মশিউল আলম তা আমার মাথায় ঢুকছেনা, বেচারার প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গি এতদিন ভালই ছিল, কিন্তু আজ থেকে দুই 'ম' কে এক চোখেই দেখতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাতে পুরোটা পড়ব, এখন বাইরে যাওয়ায় পড়তে পারলাম না!

*********************************

আমি তাদের দলে যারা নিকৃষ্টকে ভালোবাসে
নিকৃষ্ট থেকেই উৎকৃষ্টের সৃষ্টি....
তাই চেয়ে থাকে অবিরত অপলক দৃষ্টি......।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগলো
<:-P


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাহামুদুর বাহিরে থাকলে ঠিকই দাঙ্গা বাধিয়ে দিতো।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন ব্যবসায়ির কোন ধান্দা বলা মুস্কিল। গুজবের যে গাছ জামাতিরা লাগাইছে, এর ফল বহুদিন ধরে তারা খাবেই।

---------------------------------------------------------------
ছাগুরা চাঁদের গায়ে রাজাকারের ছবি দেখলে হাউকাউ করলে মেলা
তোমরা বোলোগারেরা বেবুনের পুঁটুতে, সানির বুকে দেখলে, তার বেলা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ফারমার, আপনি জানেন না বাংলাদেশে ধর্মকে পুঁজি করে এই পর্যন্ত কি ব্যাপক নৃশংসতা চালান হয়েছে? আপনি কি জানেন না সংবাদ পত্রে মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে দুদিন আগেও কিভাবে মানুষ খুন করা কে উৎসাহিত করা হল। আরিফ জেবতিক তো খুব ভালো ভাবেই মশিউল আলমের একপেশে এবং সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত খবরটাকে বিশ্লেষণ করলেন। আপনি কিছু বলতে পারলে নির্দিষ্ট ভাবে বলেন। রাজনীতিবিদদের মতো চাপাবাজি করতে আইসেন না প্লিজ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার ভাবনা ঠিক আছে, মাহমুদুর রহমানকে আমি জানি: তার হাওয়া ভবন কানেকশন থেকে সাম্প্রতিক নাস্তিক বানানোর পড়সেস কোনটাই ভুলিনি; তার ও তার শিষ্যদের ব্যাপারেরও খেয়াল রাখছি।
কিন্তু মশিউল আলম থেকে মতিউর রহমান, জেবতিক থেকে ফেবতিক সবাইকে মাহমুদুর বা আহমেদুররা দরকার মতো ক্রয় বিক্রয় করে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডিয়ার ফারমারসাব,
কিন্তু মশিউল আলম থেকে মতিউর রহমান, জেবতিক থেকে ফেবতিক সবাইকে মাহমুদুর বা আহমেদুররা দরকার মতো ক্রয় বিক্রয় করে।
একমাএ ফারমারসাব ছাড়া
আহারে কি আমার সলিড জিনিষ(ফারমার)! রে

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপ্নে বেশি বেশি কইরেন না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আলুতে উদ্দেশ্যহীনভাবে একটা দাড়িকমাও ছাপে না। প্রত্যেকটা লেখার পেছনেই তাদের আকামেচ্ছা কাজ করে। মতি ও মশিউলকে সাকার বেডে পাঠানো হোক।

--------------------------------------
সুশীলরা গণমানুষের শত্রু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের মূল উদ্দেশ্য ঠিক আছে। এরূপ আরো কিছু লেখা ব্লগে আসা দরকার।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঃ আপনাকে ধর্ষণ করা হয়েছে?
ঃ জি।
ঃ এ ব্যাপারে আপনার অনুভূতি কি ? সেটা যদি আমাদের একটু জানাতেন‌‌‌‌‌‌‌
ঃ ভাই, মিষ্টি ত মিষ্টিই, জোর কইরা দিলেও হেই মিষ্টি।
------------------------
ঃ মহাচুদুর বাংলাদেশকে ধর্ষণ করেছে, এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য/অনুভূতি কি?
ঃ উনি ধর্ষক হলেও 'ইমানদার'।
ঃ এডা কোন কথা হইল?!?!
ঃ আরে ভাই বুঝলেন না? উনি হচ্ছেন দ্বিতীয় পক্ষ আর আমি হইলাম তৃতীয় পক্ষ। উনি চুদলে ত আমার রাস্তা কিলিয়ার/প্রশস্ত হয়।
__________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখায় মতি মিয়ার নাম কি ইচ্ছা করে উহ্য রাখা হইসে- এসব ফরমায়েশী লেখার লেখকের চেয়ে সম্পাদকের মুল্য বেশী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মশিউল আলমের লেখাটি দুইকুল রক্ষার ভালো উদাহরণ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাতি যদি পানিতে পড়ে পিঁপড়া তার মাথাতেই চড়ে । আওয়ামীলীগ সরকার যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতো(জনজাগরণ মঞ্চকে যেমন নিজেদের পক্ষে টেনেছে, হেফাজতকে যদি সেইভাবে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা না করত) তাহলে এসব সমস্যার সৃষ্টি হতো না । মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে পত্রিকাগুলো এত নাচানাচি করার সুযোগ পেত না । মাহমুদুর রহমানকে কে হিরো বানিয়েছে, বিএনপি ? আমার তো মনে হয় বিএনপি-র চেয়ে অনেক বেশি ভূমিকা সরকারের । আমাদের দেশ, মাহমুদুর রহমান, জামাত শিবির, এসব যেমন নতুন নাম নয়, এদের চরিত্রও নতুন না । কিন্তু আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়ে আমরা এবার আওয়ামীলীগের নতুন রূপ দেখতে পেলাম ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আলু দেশের প্রভাবশালী এবং ভয়ংকর পত্রিকা। আর যায় হোক এই জিনিসের শেকড় এই দেশে না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুয়ান্ডার পত্রিকার মত মাহমুদুর রাহমানের পত্রিকা ঐভাবে অসত্য তথ্য প্রচার করে নি । মাহমুদুর রাহমান জা করেচেন , ভুল কিছু করেছে বলে আমার মনে হয়ই না । মাহমুদুর এই সরকারের আমলে না হক আরেক সরকারের বেলাই ঠিক ই মুক্তি পাবেন । এবং সেইভাবে মুক্তি টা পাবেন ।

ইসলাম ধর্ম কে চরম অবমাননা করে থাবা , আসিফ দের লেখা যদি মুক্তমত হয় । বা বাকশধিনতা হয় , তাহলে মাহ মুদুর রাহমান এর কথা মুক্তমত এর মদ্ধে পরবে না কেন ।

সরকারের একের পর এক মিডিয়া বন্ধ করাটা বা গনমাধ্যমের স্বাধীনতা হরন করাটা একটা জিনিস ই নিরদেশ করে তা হল বাকশাল কায়েমের চেষ্টা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবাল রুবেল তুমি মাহমুদুর রহমান কে ভাল বলছো।তুমি সাইদীকি ভালৈ বলবা,তুমি আবার পাকিস্থানে ফিরে যেতে চাইবা।গনজাগরন মন্চ তোমার বাপের ইশারায় হয়নি। তোমার মতো ছাগুদের দিন শেষ ।পুটকিতে তেল মালিশ করো আমরা রেডী।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটি যতোটা প্রয়োজনীয়, বেশ কিছু মতামত ততটাই অপ্রয়োজনীয়। বোঝা যাচ্ছে, ভাষার প্রয়োগ এবং শালীনতা বোধে আমরা এখনো কতোটা গরীব!

মাহমুদুর রহমানের ভূমিকা '৭৪-'৭৫ এর গণকন্ঠকে স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশে যদি আমরা আইনের শাসন এবং গণতন্ত্র চাই, তাহলে এর প্রয়োগ অবশ্যই হতে হবে! আইন অমান্যকারীর পক্ষে অবস্থান নেয়া আর তৃতীয় শক্তিকে উস্কে দেয়া সমান কথা।

আওয়ামী লীগের অনেক সমালোচনা আছে। সরকারের কিছু লোকের দুর্নীতির ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। তাই বলে একটি নির্বাচিত সরকারকে খড়কুটোর মতো সরিয়ে দেয়ার মাহমুদীয় অপচেষ্টাকে সমর্থন করবেন কিভাবে? যে সব সম্পাদক মাহমুদুরের মুক্তির জন্য কলা পাতায় সই করেছেন, তাদের দ্বিতীয়বার চিন্তা করা উচিত ছিল!

লেখাটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ। কিছু মন্তব্য চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে।

একজন সাধারণ মানুষ কিংবা একজন ব্লগার আর পত্রিকার সম্পাদককে একই পাল্লায় মাপা যায় না। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো আমাদের অধিকাংশ সম্পাদক নিজেদেরকে বিচারকের ভূমিকায় ভাবতে অভ্যস্থ নন!

শুভেচ্ছা রইল সকলের জন্য। একজন সাহসী ব্লগারের কাছ থেকে এমন লেখাই আশা করি সব সময়।

zahirul chowdhury


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সাথে সহমত। লেখাটা জরুরী ছিল আরিফ ভাই।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোরে চোরে মাসতুতু ভাই ।

" মুক্তি এখনো আসে নি, বিপ্লব অপেক্ষমাণ "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লাগলো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

“তৃতীয় শক্তির পথ পরিষ্কারে নির্লজ্জ কলমবাজি” কিংবা “দুহাতে ঢোল বাজিয়ে চাঁদাবাজি”


প্রথম আলোর এমন গুনাবলী নতুন কিছু নয়। আবদুল হাই, মশিউল আলমদের টাকার প্রয়োজন এখনো ফুরিয়ে যায়নি।

*********************************************************
মানবতা হরণকারীদের জন্য মানবতা দেখানো চরম অমানবিক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাকে Facebook এ দেখুন
www.facebook.com/omith.hasan.9
আমি অপনাদের বন্ধু হতে চাই...

omith


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মসিউর রহমান, ধরি মাছ না ছুই পানি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মশি আর প্রথম আলো,
দুইটাই পন্যর নাম smile :) :-)
টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া পণ্য smile :) :-)

-------------------------------------------------------
যে জামাত-শিবির করে, সে একটা জারজ ।
গালি দিলাম, আরো দিমু, সমুস্যা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুইটা ব্যাপার দেখে গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল। প্রথমত আরিফ জেবতিক নাকি সাংবাদিক Shock Shock Shock !( ঘোড়া গাধাও যদি সাংবাদিক হয়ে যায় তাহলে বাকি রইল আর কে।)! দ্বিতিয়ত আমুর ব্লগারদের প্রশ্নছাড়া "আহলে কিতাবে" বিশ্বাস স্থাপন দেখে। সাংঘাতিক সাহেব সত্য বলছেন নাকি মিথ্যা বলেছেন কেউ এ নিয়ে এত্টুকু আগ্রহও দেখালোনা। অথচ ইন্টারনেটে একটু সার্চ করলেই দেখা যায় লেখক তার ফাঁদা গল্পের প্রয়োজনে ইতিহাসের পাতা ঘসামাজা করতে দ্বিধা করেননি। উনি বোঝাতে চেয়েছেন একটা রেডিওর কারনে রুয়ান্ডায় গনহত্যা হয়েছে, রেডিওর ইন্দনে হঠাত করে হুতু গোত্রের লোকেরা তুতসিদের উপর হামলে পড়েছে। অথচ উইকিপে সুস্পষ্টভাবে লিখা আছে রুয়ান্ডায় গোত্রিয় সংঘাত শুরু হয়েছে বিংশ শতাব্দির শুরুতেই। রুয়ান্ডার গনহত্যা ষাটের দশক থেকে চালু হয়েছে এবং দুই গোত্রের লোকেরা গনহত্যার স্বীকার হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ১৯৯৪ সালের গনহত্যা সম্পুর্ন পরিকল্পিত এবং এই গনহত্যা হয়েছে যখন সংখ্যালঘু তুতসি গোত্রের কিছু বিদ্রোহি (FPR) স্বচস্র সংগ্রাম চালুকরার ভিত্তিতে। সুস্পষ্ট তথ্য প্রমান থাকার পরেও রুয়ান্ডায় থাকা ফ্রান্স এবং জাতিসংঘ মিশন এই গনহত্যা রোধে কোন ব্যাবস্থা নেয় নাই। বাংলাদেশে কোন গোত্র নাই, স্বাধীনতার পরে কেও গনহত্যার স্বিকার হয় নাই। সুতরাং রুয়ান্ডার সাথে বাংলাদেশের তুলনা করা আগর তলাকে উগুর তলার সাথে তুলনা করা সমান।
তার উপরে সাংঘাতিক সাহেব বলতে ভুলে গেছেন মাহমুদুর রহমান মিথ্যা কথা ছাপেননি, মাহমুদুর রহমানকে গায়ের জোরে রিমান্ডে এবং জেলে পুরে রাখা হয়েছে এবং তিনি যাদের গায়ে ফেন্সি ব্যাবসায়ি ট্যাগ দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রমান উপস্থাপন করতে পারেননি।
ইতিহাসকে কাট-ছাট করে, প্রতিপক্ষকে মনগড়া টাইটেল দিয়ে উনি হাগাচৌর মত হলুদ হাগা হাগছেন। আমার মতে মাহমুদুরের জায়গায় এসব বাস্টার্ড আবর্জনাই জেলের খুপরিতে পচার দরকার।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
"সোনার বাংলাদেশ, বুঝে নিতে হবে সোনা কোনটা!!!"--কেকবাংলাদেশ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"হোটেল রুয়ান্ডা" মুভিটা গতকালই দেখলাম জেবতিক ভাই, ভয়াবহ । আফ্রিকানদের মত আমরাও দিন দিন অশিক্ষার জাতিতে পরিনত হচ্ছি।

__________________________________________________
__________________________________________________
মানুষ হিসেবে আমার নিজস্ব মতামত আমি সবার হতে নিকৃষ্ট


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডুয়াল স্ট্যান্ডার্ড ডুয়াল স্ট্যান্ডার্ড এভ্রিহোয়াইর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডুয়াল স্ট্যান্ডার্ড ডুয়াল স্ট্যান্ডার্ড এভ্রিহোয়াইর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি আর বলব? বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কোথায় আমরা আছি।।।?

glqxz9283 sfy39587p07