Skip to content

নিবর্তনমূলক ৫৭ ধারার অবলুপ্তিসহ আটক দুই কিশোর ব্লগারের মুক্তি ও নিরাপত্তা চাই

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা ও ইতিহাসের সংরক্ষণে বাংলা ব্লগ ও বাঙালি ব্লগারদের যে ভূমিকা তার চূড়ান্ত প্রকাশ আমরা দেখেছিলাম শাহবাগ আন্দোলনের মাধ্যমে। এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ববিরোধী শক্তির হাতিয়ার হিসেবে ধর্মের ব্যবহারটাও আমরা দেখতে পেরেছিলাম সেই একই সময়ে। দেখেছিলাম ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে নব রূপে জন্ম নিয়েছে রাজাকার বান্ধব হেফাজতী আন্দোলন। এরই প্রেক্ষিতে পহেলা এপ্রিল ২০১৩ তারিখে চারজন নাস্তিক ব্লগারকে ডিবি পুলিশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৫৭ (১) ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিলো। যে ধারাটির সন্নিবেশন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন, মহান সংবিধানের ধর্ম-নিরপেক্ষতার মূলনীতি এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার চূড়ান্ত অবমাননা। [১] এরপরে জল গড়িয়েছে অনেকটাই, অসাংবিধানিক এই ধারাটি তার বিষবৃক্ষের ডালপালা ছড়িয়েছে আরো বহুদূর।

এই কালো আইনের সর্বশেষ শিকার চট্টগ্রাম নিবাসী দুই কিশোর ব্লগার কাজী রায়হান রাহী ও উল্লাস ডি ভাবন। গত ৩০ মার্চ’ ২০১৪ তারিখে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে নিজেদের আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গেলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ি তাদের উপর আক্রমণ চালায় জামাত-শিবির মনষ্ক ধর্মান্ধ সন্ত্রাসীরা। [২] পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা সংগ্রহ করে- অপর এক ধর্মান্ধ সন্ত্রাসি এবং একাধিক হত্যার হুমকি ও জঙ্গিতৎপরতায় উষ্কানিদাতা ফারাবি শফিউর রহমান’এর সাথে, প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসে দ্বিমত পোষণকারী রাহি ও উল্লাসের কিছু কথপোকথন। [৩] “অপরাজেয় সঙ্ঘ” নামক এই জামাতমনষ্ক সন্ত্রাসি দলটির সাথে ফারাবি’র যোগাযোগের প্রমাণও স্পষ্ট। এরই প্রেক্ষিতে, আক্রান্ত ব্লগারদের উপরে হামলা করবার পূর্বে তারা তৈরি করে ধর্মীয় উষ্কানিমূলক প্রচারপত্র এবং সময় বুঝে ঝাপিয়ে পড়ে নিরস্ত্র দুই কিশোরের ওপর। গুরূতরভাবে আক্রান্ত কিশোরদ্বয়কে স্থানীয় পুলিশ সুরক্ষা প্রদানের পরিবর্তে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করে তথতাকথিত ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেবার অজুহাতে।

উল্লেখ্য যে, অভিযুক্ত ব্লগার দুজনই অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর এবং এই বারের অনুষ্ঠিতব্য এইচ,এস,সি, পরীক্ষার্থী। তা হওয়া স্বত্বেও তাদের সাথে পুলিসের আচরণ মোটেও কিশোর অপরাধীর মত ছিল না। এমনকি অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক হওয়া সত্তেও এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবার কারণবশতও, ৫৭ ধারার অবাস্তব মারপ্যাঁচে পড়ে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়ে যায়। সেই সাথে, নিরাপত্তাজনিত কারণে এই কিশোরদ্বয়ের পক্ষে স্থানীয় আইনজীবিরাও দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। উল্লাস, ইসলাম ভিন্ন অন্য ধর্মাবলম্বী বলে অনেক আইনজীবিই তার পক্ষে মামলা লড়তে অস্বীকৃতি জানান বলেও জানা গেছে। তাছাড়া এদের পরিবারও স্পষ্ট নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই পুরো ব্যাপারটাই দেশের মধ্যে একটি নষ্ট, জঙ্গিবান্ধব ও ধর্মান্ধ পরিবেশ তৈরি হবার প্রমাণ বহন করে।

তবে এরথেকেও ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে- এই ঘটনার পরেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাহি ও উল্লাসের উপর চলা জীবন সংশয় সৃষ্টিকারী এই হামলার হোতা “অপরাজেয় সঙ্ঘ” নামক ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী সঙ্গঠনটির একাধিক সদস্যের দাম্ভিক স্বীকারোক্তি থাকা সত্তেও তাদের বিরূদ্ধে কোনো প্রকার আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি তারা প্রকাশ্যে এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির হুমকি প্রদান করা সত্তেও তারা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে। [৩] অথচ এগুলোর সবই বাংলাদেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইনে স্পষ্ট দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এদের বিরূদ্ধে কোনোপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহন করা তো হয়ইনি, বরং এদের নির্বিঘ্ন চলাফেরার সুযোগ দিয়ে প্রশাসন এই ব্লগারদের পরিবারকেও হুমকির মুখে ফেলছে।

উল্লেখ্য যে, তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারাটি প্রথম থেকেই মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের কারণে বিতর্কিত। সেই সাথে স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে বার বার ব্লাসফেমী আইনের বিকল্প হিসেবে এর ব্যবহার যথেষ্টই আশংকার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি, দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইনের সাথেও এই ধারাটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কেউ চুরি করুক, ডাকাতি করুক, খুন করুক, ধর্ষন করুক- তার জামিন আছে। কিন্তু, ৫৭ ধারার অপরাধের কোন জামিনের সুযোগ রাখা হয়নি। সেই সাথে এই ধারায় কৃত অপরাধ-এর ন্যুণতম শাস্তি ৭ বছরের কারা দন্ড, যেখানে ধর্ষনের মত জঘন্যতম একটি অপরাধের ন্যুনতম শাস্তিও এরচেয়ে কম। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে ফেইসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে ধর্মীয় মৌলবাদি ও রাজাকারদের সংগঠন জামাতে ইসলামীর কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের রায়ের আগে ও পরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের উস্কানি, পরিকল্পনা কোন রকম বাধা ছাড়াই করেছে। এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কোনপ্রকার আইনের আওতায় নেয়া না হলেও সামান্য ফেইসবুক স্ট্যাটাস যেগুলোতে কারো কোন শারীরিক ক্ষতি বা এমন কিছুর দুরতম সম্ভাবনাও নেই সেখানে ধর্মীয় অবমাননার অজুহাতে ব্লগ ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারিরা গ্রেফতার ও হেনস্থার স্বীকার হচ্ছে।

বিসিবিএ বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের মহান সংবিধান কোনো ব্যক্তিবিশেষকে যেমনটি নির্দিষ্ট ধর্মবিশ্বাস লালল করায় বাঁধা দেয় না, তেমনি কারো ধর্মের প্রতি অবিশ্বাসেরও পালন, প্রচার এবং প্রকাশকে রূদ্ধ করে না। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে বিসিবিএ ঘৃণাভরে বলতে বাধ্য হচ্ছে, স্পষ্টতঃই সরকারের মধ্যে হেফাজতী, ধর্মান্ধ একটি অংশ প্রবল ভাবে প্রভাব বলয় সৃষ্টি করেছে। এবং এদেরই প্রত্যক্ষ উষ্কানীতে জাতির সংবিধানের রক্ষক হয়েও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার মতো সংবিধানের প্রতি চরম অবমাননামূলক একটি আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। এবং ক্রমাগত অপব্যবহারের মাধ্যমে এই আইনটিকেই ব্লাসফেমি আইনের আদলে গড়ে তুলে বাংলাদেশের পাকিস্তান যাত্রা নিশ্চিত করছে তারা।

এই অবস্থায় বাংলা কমিউনিটি ব্লগ এলায়েন্স অন্ত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাতে চায় যে, ইতিমধ্যেই আমাদের পক্ষ থেকে আক্রান্ত দুই ব্লগারকে সর্বোচ্চ আইনী সহায়তা দেবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই সাথে যে ঘৃণ্য ৫৭ ধারার অজুহাতে বারবার মুক্তমতকে দলিত করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধেও সর্বাত্মক প্রতিরোধ এবং জনসংযোগ সৃষ্টি করতে আমরা সচেষ্ট। এই প্রেক্ষিতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিম্নলিখিত দাবীসমূহ উপস্থাপন করা হচ্ছে-

ক) আটককৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে তাদের শিক্ষাজীবনের সুস্থ প্রবাহ ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
খ) আক্রমণকারী সন্ত্রাসিদের উষ্কানিদাতা, সঙ্গঠকসহ জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের যথাযথ ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে
গ) সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে
ঘ) আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল/সংশোধন করে মুক্তমতের প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে
ঙ) ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকরি ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে।

এছাড়াও আটককৃত ব্লগারদের মুক্তি ও নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে বিসিবিএ সচেষ্ট থাকবে এবং আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা রদকল্পে ক্রমাগত কর্মসূচি প্রদান করে যাবে বলে আমরা শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি।

তথ্যসূত্রঃ

[১] http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_all_sections.php?id=957

[২] http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article767003.bdnews

[৩] http://i.imgur.com/mPYTZqK.jpg?1

মূল পোস্ট: বি সি বি এ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বি সি বি এ-এর এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানাই।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এমনটাই চেয়েছিলাম। খানিকটা আশাবাদী হলাম। বি সি বি এ-এর কর্মসূচীকে স্বাগত জানাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ সুষুপ্ত পাঠক,

খানিকটা আশাবাদী হলাম।


আমিও আশাবাদী চিরদিনই ছিলাম কিন্তু দিন দিন যেন আশার প্রদীপটা নিভেই চলেছে। কয়েকটা জিনিস লক্ষ্য করেছো? আশ্চর্যজনকভাবে সেই সুশীলেরা এখনও নীরব। অভিজিৎ দাকে অহরহ গালি দেয়া হচ্ছে, এমন কি হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে, কিন্তু কোথাও তার আশেপাশের সুশীলদের কোন মন্তব্য দেখছিনা। আমরা ফারাবীদের পরিচয় ও তাদের জঙ্গীবাদের উৎস নিয়ে যখনই লিখেছি, ইসলামের নামে নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছি তখন, যে সুশীলেরা কথায় কত্থায় আমাদেরকে ইসলাম ব্যাশার, মুসলিম বিদ্বেষী বলে অপবাদ দিতেন, নিজেকে অতিমাত্রায় মানবতাবাদী, মুক্তমনা, নিরপেক্ষ বলে দাবী করতেন, আজ তারা এত নীরব কেন, তারা কই? এই সুশীলেরা হলো গণশত্রু। দেখো কেউ কেউ বলছেন-

- এরা ধর্মের বিরোদ্ধে লিখে নাই, তাই তাদের ছেড়ে দেয়া হউক। (যদি ইসলামের বিরোদ্ধে লিখে থাকে তাহলে তারা অপরাধী, শাস্তি ঠিকই আছে তাই না?)
- আক্রমণকারীরা একদল জামাত-শিবিরকর্মী। (বাকিরা সব তুলশি পাতা? সদালাপী, দেশী পোলারা কি শিবিরকর্মী?)
- রাহী শিবিরে যোগদান করে নাই বলে শিবিরকর্মীরা ঘটনা ঘটিয়েছে। (আক্রমণকারীরা তা অস্বীকার করছে, স্পষ্টই বলছে তাদের মোটিভ কী?
- কোন আইনজীবি রাহীর পক্ষে লড়তে চাইছেনা। (ইসলামুনুভুতি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাই না?)
- পুলিশ নিজে বলছে ছেলে দুটি ধর্মের বিরোদ্ধে খারাপ কথা লিখেছে। (রক্ষকই ভক্ষক সেজেছে)

যে দেশের সরকার, আইনপ্রণেতা, পুলিশ, বিচারক, আদালতের আইনজীবি, বুদ্ধিজীবি, শিক্ষিত সুশীল নামের ভন্ড, ভীরু কাপুরুষরা ফারাবীকে ভয় পায়, ফারাবীর সমর্থক, সে দেশ নিয়ে আর কী বা আশা করা যায়?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(যদি ইসলামের বিরোদ্ধে লিখে থাকে তাহলে তারা অপরাধী, শাস্তি ঠিকই আছে তাই না?)



বাসতে পারলাম না আকাশশ মালিক ভাই।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি একটা জিনিস বুঝলাম না । ফারাবী এখনও বাইরে কেন ? ওকে কেন জেলে নেয়া হচ্ছে না । ইদানিং ফারাবীর পোস্টে আক্রমণাত্মক কথাবার্তা বেশী দেখা যাচ্ছে । সরাসরি হত্যার হুমকি এগুলো কি অপরাধের আওতায় পড়ে না ?

আরেকটা জিনিস হলো ৫৭ ধারা যদি রাখতেই হয় তাহলে কোন কথায় কারও ধর্মানুভূতি আহত/নিহত হবে তা স্পষ্ট করে বলা হোক । নয়তো বাংলাদেশের সব মসজিদের ঈমামই মোটামোটি ৫৭ ধারায় পড়ে যাবেন । কারণ মোল্লারা যখন সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজোকে অর্থহীন বলে তখন সেটাও কিন্তু তাদের ধর্মানুভূতিকে আহত করতে পারে ।সব ধর্মই নিজেকে ছাড়া অন্য ধর্মের সমালোচনা করে । এভাবে বিবেচনা করলে যে ধর্মগুলোর অণুভূতির জন্য এ ৫৭ ধারা ব্যবহার করছে সে ধর্মগুলোকেই নিজেদের প্রচার বন্ধ করে দিতে হবে । কাজেই এই ধারাটি হয় সরিয়ে ফেলা হোক বা এর সংশোঢন করা হোক ।

আর রাহী আর উল্লাস কি আজকের পরীক্ষাটি দিতে পেরেছে ? জানেন কেউ ?


______________________________________________
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত ------বিদ্রোহি কবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাসিনুর, আপনার কমেন্ট আমাকে বিস্মিত করেছে! একই সঙ্গে আপনাকে এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে পেয়ে ভাল লাগছে। আমি যতটুকু জানি, ওদের নাকি জেলে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এটা কতটা আইনসম্মত জানি না। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পেরেছে কিনা সেটা এখনো জানি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসামীদেরকে জন্য জেলে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, এমন আইন আছে।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারাবী আমাদের মনস্তত্ব খুব ভালো বোঝে। রাহি, উল্লাসকে নিয়ে কথা হচ্ছে, ফেসবুকে এমন পোস্টে গিয়ে সে নিজেই নিজের লিংক দিয়ে বলে পারলে মামলা করতে। একবার চিন্তা করে দেখেন, স্কাউন্ড্রেলটার আত্মবিশ্বাস। কারণ সে জানে আমরা হৈ চৈ করবো, বড়জোর রাহী, উল্লাসকে সাহায্য করবো, কিন্তু অফেন্সে যাব না।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারাবী আমাদের মনস্তত্ব খুব ভালো বোঝে। রাহি, উল্লাসকে নিয়ে কথা হচ্ছে, ফেসবুকে এমন পোস্টে গিয়ে সে নিজেই নিজের লিংক দিয়ে বলে পারলে মামলা করতে। একবার চিন্তা করে দেখেন, স্কাউন্ড্রেলটার আত্মবিশ্বাস। কারণ সে জানে আমরা হৈ চৈ করবো, বড়জোর রাহী, উল্লাসকে সাহায্য করবো, কিন্তু অফেন্সে যাব না।


কিন্তু অফেন্সে যাব না।




ইমরান দারুন বলেছেন।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু মৌলিক বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে না।সেই মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের একমত হতে হবে। যেমন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ: এটা নিয়ে কেও বিরুদ্ধ মন্তব্য করলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

মৌলিক বিষয়ে ছাড়া যে যা খুশি লিখবে। আলোচনা সমালোচনা হবে। লেখার জবাব মুন্ড কেটে নয় লেখা দিয়েই উত্তর দিতে হবে। লেখার স্বাধীনতা যদি না থাকে তাহলে মুক্তবুদ্ধির চর্চা থেমে যাবে। কট্টরপন্হার উদ্ভব হবে।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বি সি বি এ-এর এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানাই। তবে আমি ৫৭ ধারার অবলুপ্তি চাই না। আমি চাই ৫৭ ধারার যথাযথ প্রয়োগ।

সত্য সহায়। গুরুজী।।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের বিখ্যাত বাল ইশটার,উকিল,মানবাধিকার করমিদের কোনো আওয়াজ পাইলামনা এই দুইটা মাসুম পোলার লাইগা,মা চো গোরে দেখছিলাম জামাত হেফাজতের লাইগা কানতে কানতে চোখ শুকাইয়া ফেলছিল।

কর্মসূচীকে স্বাগত জানাই।

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দশকের পর দশক এক ঘরে বাস করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও মতের অমিল হয়। তেমনি সাম্প্রতিক দুজন ব্লগারকে গ্রেফতারের ঘটনাকে আমার অনেক ঘনিষ্ট সাথী সাপোর্ট করলেও আমি সুস্পষ্টভাবে এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই ঘঠনার জন্মদাতা উসকানীদাতা জঙ্গী ফারাবী'কে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাই।

আমি আশা করবো আমার দীর্ঘদিনের সাথীরা নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞেস করবেন তাদের এই গ্রেফতারের পক্ষাবলম্বন ফারাবীকেই তার কুকর্ম করতে অনুপ্রাণিত করবে কিনা?

উল্লেখ্য এই ইসুতে মতের অমিল মানে এই না যে আমরা অন্যান্য ইস্যুতে এক সাথে কাজ করতে পারবো না!

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি এই ব্লগার দুইজনের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করছি , এবং এই নোংরামি কারীদের বিচার চাই।

আমার দুইটা প্রশ্ন ,

১) এই আইন বাতিল হইলে ফারাবী যে পোস্টে বা ফেসবুকে হুমকি দেয় সেটা কোন ধারায় অপরাধ হবে ?

২)"মুক্তমতের প্রবাহ " এইটার স্ট্যান্ডার্ড কি হবে ? " বাশের কেল্লা " আর "ধর্মকারী " মুক্তমতের প্রবাহের কোন স্ট্যান্ডার্ড হবে ?? এক্ষত্রে দেশের সাধারণ জনগণ এই "মুক্তমতের প্রবাহ " হজম করতে পারবে??

কেউ কি বলবেন ?

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আইনে তো দেশের সবাই ই জেলে থাকার কথা! কারণ এক জনের কাজে আরেকজনের অনুভূতিতে আঘাত লাগবেই! পুকুর চুরি করেও কারো কিছু হয় না আর এখানে মুলা চুরিতে ফাঁসি হচ্ছে! তাহলে আর কষ্ট করে যুদ্ধের কি দরকার ছিলো? পূর্ব পাকিস্তানই থাকতো! স্বাধীন দেশে পরাধীন হয়ে অন্তত বেঁচে থাকতে হতো না


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ এলায়েন্স এর কাছ থেকে প্রথম থেকেই এই ধরনের উদ্দ্যোগ আশা করছিলাম, বি.সি.বি.এ- এর এই উদ্দ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি | আর পোস্টে উল্লেক্ষিত বি.সি.বি.এ- এর দাবীগুলোর সাথেও একাত্বতা পোষন করছি |


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওরে বাবা রে, আপনারা সবাই সহমত জানাচ্ছেন, ফারাবীর গ্রেফতার দাবী কররছেন, কিন্তু হু উইল বেল দি ক্যাট? ফারাবীর বিরূদ্ধে অভিযোগ করেছেন কি কেউ? ফারাবীর বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় অভিযোগ করা যায়, মৃত্যু হুমকির অভিযোগ করা যায়, করেছেন কি কেউ? সরকার কেন জামিন বাতিল করে গ্রেফতার করবে, যদি কেউ অভিযোগই না জানায়? স্ক্রিনশট কি আপনারা কেউ নিতে যানেন না?

আসলে গত এক বছরে ফারাবীকে মুখে মুখে গুরুত্ব না দিয়ে, আবার ভার্চুয়ালি অসম্ভব গুরুত্ব দিয়ে ওকে অনলাইন সুপারস্টার বানানো হয়েছে। আজ সে দুইটা বাচ্চা ছেলেকে ট্র‍্যাপে ফেলার পরেও আমরা কি করছি? কেউ রাহীর মাথায় টুপি পরাচ্ছি, ব্লগ ফেসবুকে লিখে ফাটিয়ে ফেলছি, ৫৭ ধারার বিলুপ্তি চাইছি

৫৭ ধারা সরকার বাতিল করবে না, তর্ক করতে চান? আমাদেরকে ৫৭ ধারার সুযোগ নিতে হবে, অভিযোগ আমাদের গঠন করতে হবে। নয়তো আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার হবে। অফেন্স ইজ দি বেস্ট ডিফেন্স, সহব্লগারেরা।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@@ ইমরান
যেহেতু আমি "গোট" তাই "ক্যাট" ধরা সম্ভব না। আকাশ মালিক এর মত একজন প্রতিবাদী ব্লগারের উচিত "বেল দি ক্যাট " অন্তত নিদেন পক্ষে সুসুপ্ত পাঠক তো হইতেই পারে। সাথে ম্যা ম্যা করার জন্য আমরাতো আছিই। ...কি বলেন ??

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই আউল বাউল নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে পোন্দাপুন্দি আপাতত: না করলেই কি নয়। সামনে অনেক সময় পড়ে আছে এই পোন্দাপুন্দি করার জন্য। আপাতত: কদিন ক্ষ্যামা দেন না রে ভাই।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফেরাউন কে ট্র্যাপে ফেলা যায় না!

..................................................................................................
জয় হোক মানুষ ও মানবতার!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিবিএত বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের মহান সংবিধান কোনো ব্যক্তিবিশেষকে যেমনটি নির্দিষ্ট ধর্মবিশ্বাস লালন করায় বাঁধা দেয় না, তেমনি কারো ধর্মের প্রতি অবিশ্বাসেরও পালন, প্রচার এবং প্রকাশকে রূদ্ধ করে না।


পোস্টের এই অংশের সাথে একমত হতে পারলাম না। এতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি নষ্ট হবার সম্ভাবনা আছে।

আমি যদি হিন্দু ধর্মের দেবদেবীকে গালিগালাজ করতে থাকি, তাহলে এর প্রতিক্রিয়া হতে বাধ্য।
ঠিক তেমনি আল্লাহ আর তার রাসূলের ব্যাপারে খারাপ কথার প্রচার প্রতিক্রিয়া দেখা দেবেই।


তাই যার যার ধর্ম প্রচারের সমান সুযোগ থাকতে পারে, কিন্তু অবিশ্বাস প্রচার আর প্রকাশের অবাধ সুযোগ থাকতে পারে কি না তা ভাবতে হবে।

কারন অভিজ্ঞতা বলে অবিশ্বাস প্রচারের নামে ধর্মগুরুদের শুধু গালিগালাজ আর অশ্লীল কথা প্রচার ছাড়া গঠনমূলক কিছুই হয় নি।
তাছাড়া এদেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রিতি খুব নাজুক অবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

------------------------------------

তারা চায় তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে। কিন্তু আল্লাহ‌ তার নূরের পূর্ণতা দান করবেনই, তা ওদের কাছে যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন।-- আল-কোরান


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গঠনমূলক কিছুই হয় না? আপনি অনলাইনে নিজের বিচরণক্ষেত্র বাড়ান, দেখতে পাবেন। তবে শফি হুজুর, আল্লাম সাইদী এদের বিরুদ্ধে অশ্লিল গালাগালির কথা যদি বলেন তো আলাদা কথা

আর অবিশ্বাস প্রকাশের সুযোগ কেন থাকবে না? অবিশ্বাসীরা কি মানুষ না? ইসলাম, সনাতন,খ্রীস্টান, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মে অবিশ্বাস করে না? আপনারা আগে ঈশ্বরবিশ্বাসকে কেন্দ্রীভুত করুন, পরস্পর ধর্মের নামে খুন খারাপী বন্ধ করুন, তারপর অবিশ্বাসীদের ব্যাপারে কথা বলতে আসবেন। অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদের মত মানুষ মারার টেন্ডার নেয়নি।

.
.
(অন্ধকারে ঘামে ভেজা আতঙ্কে কুঁকড়ে বলতে চাইনা, আমি বিশ্বাস করি
শুধু জানি আলো চাই, বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলো
অজ্ঞানতার আঁধার ফুঁড়ে আলো ফোটাবো বলে, বিশ্বাসের টুঁটি চেপে ধরি )


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার কিছু মতামত:
(১) আমার মতে ৫৭ ধারা থাকুক,তবে কিছুটা সংশোধন করতে পারেন,আর সেটা সঠিক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করুন ৷
(২) ব্লগের নীতিমালা গুলো পালনের জন্য তাকিদ দিন,সুষ্ঠু ব্লগিংয়ের জন্য৷ নীতিমালা ভঙ্গের জন্য
আজ ব্লগে একটা বিশৃঙখলা দিচ্ছে ৷
(৩)" কিছু কথার আঘাত তলোয়ারের আঘাতের চেয়েও কঠিন!"যেমন:
গালাগালি,অশ্লীল বাচনভঙ্গি ইত্যাদি ৷
আর এ ভুলের জন্য কিছু ব্লগার আজ অপ্রিয় হচ্ছে এবং বিপদে পড়ছে ৷
(আসুন সকলে আমরা নিজেদের মতামত প্রকাশ করি,সুন্দর ব্লগিংয়ের জন্য)

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ঠিকানা:
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট

আমার বাংলা ওয়েবসাইট ঠিকানা:
বর্ণনীড়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেখা যাক কি হয়।

হয় আলোতে উদ্ভাসিত হবে দেশ; অথবা অন্ধকারে নিমজ্জিত।
বাংলার জনগনের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত এখন যাদের হাতে তাদের সুবুদ্ধির আশা রাখছি।

_______________
এম এস নিলয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৫৭ ধারা থেকে মুক্তি চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন ধর্মকে আঘাত কৱে বলা বা লেখা ঠিক না,কাৱণ এতে সাম্প্ৰদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পৱতে পাৱে আৱ অনেক হতাহত হওয়াৱ সম্ভাবনা থাকে।
কেননা প্ৰত্যেকেই তাৱ নিজ নিজ ধর্মকে তাদেৱ জীবনেৱ চেয়েও বেশী ভালবাসেন।
সুতৱাং ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয়াৱ জন্য তাদেৱ গ্ৰেপ্তাৱ কৱা যেতে পাৱে।

Nine Eleven,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যখন রাসেল বিন সাত্তারকে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করা হয় তখন কোথাও তো শুনি নাই যে ৫৭ ধারা বাতিল করার কথা। আর এখন রাহী আর উল্লাসের সময় ৫৭ ধারার বিলুপ্তি চাও?

Omor


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিষয়টি যেন সর্বদাই গুরুত্ব পায় সেদিকে যেন দৃষ্টি থাকে।
ধন্যবাদ।

glqxz9283 sfy39587p07