Skip to content

শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নয়া চসেস্কু: এরশাদ শিশু / আবু জুবায়ের

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে ঝুকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে ভারত। আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ভারত এদেশে প্রবেশ করেছিলো। আওয়ামী লীগকে ভারত তাদের লোকাল পলিটিক্যাল এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ প্রদান করে। কিন্তু ভারত একের পর এক আওয়ামী লীগকে দিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী নানা প্রকারের কার্যক্রম হাতে নেয়। ভারত কেন্দ্রিক রাজনীতি করার কারণে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করার প্রেক্ষাপট হারিয়েছে । যেমন পৃথিবী অনেক দেশে অনেক রাজনৈতিক দলকে আমরা বিলুপ্ত হতে দেখে দেখেছে অন্য আরেকটি দেশের দালালি করার কারণে । রোমানিয়াতে দেখেছি চসেস্কুর শাসন। ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে যায় সে , সে জানতোই না তাঁর দল আর তাঁর গ্রহনযোগ্যতা যে দেশের মধ্যে নেই। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা নব্য চসেস্কু হিসাবে আবির্ভিত হয়েছে । কালে কালে এই ধরনের রাজনৈতিক চরিত্র বার বার ফিরে আসে। আমাদেরকে দেখতে হয় এর ভয়াবহতা। বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত গনহত্যা চলেছে। এটা কে বলা যায় জেনোসাইড। চসেস্কু যে জেনোসাইড করেছিলো শেখ হাসিনা তাঁর থেকেও অনেক খানি বেশি করেছে । শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষ হত্যা করার জন্য ভারতের সেনাবাহিনী ব্যবহার করেছে । প্রতিদিন বর্ডারে শেখ হাসিনা ভারতের সেনাবাহিনীকে দিয়ে হত্যা করছে বাংলাদেশের নীরিহ কৃষকদেরকে । এদেশের মানুষ শেখ হাসিনার পতনের ইচ্ছা অনেক আগেই ত্যাগ করেছে । তাঁরা চসেস্কুর মত বিচার দেখতে চায় আজকে । শেখ হাসিনার বর্তমান থাকার জায়গা গণভবনকে জন্স্রোতের মাধ্যমে গুড়িয়ে দেওয়ার অপেক্ষায় আছে জনগন।
চসেস্কু আর শেখ হাসিনার ক্ষমতা অনুশীলন একদম এক রকম । চসেস্কু তাঁর স্ত্রী ইলিনা চসেস্কুকে তাঁর উপদেষ্টা নিয়োগ করে। যেমন সজীব ওয়াজেদ জয়কে উপদেষ্টা নিয়োগ করে। ইলিনা চসেস্কু সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার তৈরি করা। সে পুরো দেশের নানা ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে। বিভিন্ন প্রকার তথ্য , নিয়োগ , প্রশাসনিক কার্যক্রম এই সেকেন্ড ক্যাবিনেট করতে থাকে। দেশের মধ্যে কোন প্রকার প্রতিবাদের সুযোগ রহিত করে ফেলে। চলাচলের জন্য নতুন নিয়ম করে এবং দেশের মধ্যে অন্যকোন রাজনৈতিক চিন্তা কোনভাবই অনুমোদিত ছিলো না। সবেচেয়ে মজার বিষয় চসেস্কু সারা জীবন ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য যা যা কিছু করা প্রয়োজন তাই করেছে । সে একদিকে আমেরিকার কাছে ছুটে গেছে এই বলে যে সে সমাজতন্ত্রকে রিফর্ম করবে আর অন্যদিকে রাশিয়ার কাছ ছুটে গিয়ে বলেছে আমি একজন সাচ্চা কমিউনিষ্ট। তাঁর প্রতারনা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে শুরু করে। শেখ হাসিনাও চসেস্কুর মত ভারতের কাছে গিয়ে বলেছে আমি তোমার, চীনকে বলছে আমার দেশে তুমিই সব, পাকিস্তানকে বলছে আমরা ঝগড়াও করবো আবার সম্পর্কও রাখবো। আমেরিকাকে বলছে দেশে জঙ্গীবাদ ভরে গেছে আর বিএনপি জামাত তাঁর মদদ দাতা, রাশিয়াকে বলছে তুমি স্বাধীনতার যুদ্ধে আমার পক্ষ নিয়েছিলে আর আমেরিকা বিরোধীতা করেছিলো। আমি তোমাদের ব্লকের লোক। ইউরোপকে বোঝচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য উন্নয়ন আগে প্রয়োজন । গণতন্ত্র না উন্নয়ন আগে । মানে চারিদিকে ঘোলা পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশের মধ্যে অরাজক পরিস্থিত তৈরি করা যাতে করে সবাই যার যার সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে আর শেখ হাসিনা আজীবন দেশ শাসন করবে । সব কিছু মিলে যাচ্ছে চসেস্কুর সাথে । এদেশের জনগণ অপেক্ষায় আছে তাঁরা বাংলাদেশে নয়া চসেস্কুর বিচার দেখতে চায়।

glqxz9283 sfy39587p07