Skip to content

ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে বাংলাদেশের গরীব মানুষ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করে বিবিসি একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে, আমার ব্লগের পাঠকদের জন্য রিপোর্টটির বাংলা অনুবাদ এখানে দেওয়া হল।

মূল রিপোর্টঃ

প্রথম দর্শনে কালাই গ্রামটিকে বাংলাদেশের আর দশটি সাধারণ গ্রামের চেয়ে আলাদা কিছু মনে হবে না, কিন্তু আপনি আঁতকে উঠবেন যখন জানবেন যে এই গ্রামের ই কিছু মানুষ ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা থেকে রেহাই পেতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিচ্ছে। অথচ ক্ষুদ্র ঋণ যেখানে হওয়ার কথা ছিলো তাদের দারিদ্রতা মুক্তির হাতিয়ার। ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার এক ভয়ংকর পরিণতি আমাদের সামনে তুলে আনছেন সোফি কাজিনস।

ঢাকা থেকে ৬ ঘন্টা উত্তরে জয়পুরহাট জেলার এক সাধারণ গ্রাম কালাই। বাংলাদেশের অন্যান্য গ্রামের মতই চেহারা, ধানক্ষেতের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তা, রাস্তায় ছোট বাচ্চাদের খেলা, যারা বাঁশের বেড়ার তৈরি কুঁড়েঘরে জীবন কাটায়।

লাখ লাখ দরিদ্র বাংলাদেশীর মতই তাদের জীবন মানে কঠিন সংগ্রাম, দারিদ্রতার হাত থেকে রক্ষা পেতে অগণিত মানুষ ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছেন এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে তাদের অবস্থার আরো অবনতি হয়েছে। কেউ কেউ এই করুণ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিজ শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দিয়েছেন।

শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কিছু না হলেও সাম্প্রতিক কালে ক্ষুদ্র ঋণের জাল এ জড়িয়ে পড়া অনেকে এ থেকে মুক্তি পেতে এই পথ বেছে নেয়া শুরু করেছেন।

যদিও ঋণদাতারা প্রচার করেন যে তাদের উদ্দেশ্য হল দারিদ্রতা বিমোচন, যাতে করে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে দরিদ্র মানুষ স্বাবলম্বী হতে পারে, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়, কিন্তু বাস্তবতা আসলে ভিন্ন।

কিডনি বিক্রিঃ

মোঃ আখতার আলম (৩৩), তাঁর পেটে ১৫ ইঞ্চি দীর্ঘ একটি ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন, যেখান থেকে তাঁর একটি কিডনি কেটে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে শারীরিক অঙ্গ প্রদান নিষিদ্ধ, যদি না তা পরিবারের কোন সদস্যকে দান করা হয়। হতভাগ্য এই মানুষটি কিডনি বিক্রির পর পর্যাপ্ত চিকিৎসাও পান নি, যার ফলে বর্তমানে তাঁর শরীরের কিছু অংশ প্যারালাইজড, এক চোখ নষ্ট এবং তিনি ভারী কোন কাজ করতে আর সমর্থ নন। জীবিকা নির্বাহ করতে তিনি এখন গ্রামে একটি ছোট মুদি দোকান চালান।

দুই বছর আগে আলম সাহেব রিক্সা ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেইসময় তিনি ৭ থেকে ৮টি এনজিওর কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। এটি ছিলো একপ্রকার জালের মত, যা তাঁকে আটকে ফেলে। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে এক এন জি ওর ঋণ শোধ করতে তাঁকে আরেক এন জি ওর কাছে যেতে হয় ঋণ নিতে।

এইসময়, তাঁর ভ্যানের এক যাত্রীর সাথে তাঁর পরিচয় হয়। এই যাত্রী শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বেচাকেনার দালাল হিসেবে কাজ করতো। সে আলম সাহেবকে লোভ দেখায় যে একটা কিডনি বিক্রি করলে তিনি ৪ লাখ টাকা পাবেন।

১৭ দিন পরে অর্ধমৃত আলম সাহেব ঢাকার একটি বেসরকারি হসপিটাল থেকে ফিরে আসেন, সামান্য কিছু টাকা দিয়ে তাঁকে বিদায় করে দেওয়া হয়।

‘’আমি কিডনি বিক্রি করতে রাজি হয়েছিলাম কারণ এন জি ওর টাকা ফের দেওয়ার আর কোন উপায় ছিলো না আমার হাতে, আমরা গরীব, কেউ আমাদের সাহায্য করে না’’- বলেন তিনি।

কালাই গ্রামের মোঃ মোকারম হোসেন এরকম আরেক শিকার।

‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সব ঋণ শোধ করে দিবো’- জানান তিনি। কথা বলার সময় তিনি তাঁর ক্ষতচিহ্ন বের করে দেখান, ভারতে কিডনি অপারেশনের সময় যা সৃষ্টি হয়েছে তাঁর শরীরে।

‘ডাক্তার বলেছিলেন যে এতে কোন ঝুঁকি নেই, কিন্তু বর্তমানে আমি কোন কাজ ই করতে পারি না’- বলেন তিনি।

ঋণের পরিমাণ কত?

লাখো মানুষের দারিদ্রতা দূরীকরণে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রশংসিত হলেও এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা তেমন হয় না বললেই চলে।

এই ব্যবস্থায়, এক এন জি ওর ঋণ শোধ করতে আরেক এন জি ও থেকে ঋণ নিয়ে মানুষ ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছে, এবং অনেকে অনন্যপায় হয়ে অঙ্গ বিক্রির মত কাজে বাধ্য হচ্ছে।

মিশিগান ইউনিভার্সিটির অ্যানথ্রোপোলজি বিভাগের প্রফেসর মনির মনিরুজ্জামান ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ব্যবসার উপর গবেষণা করে আসছেন। তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ মনে করে শরীরের অঙ্গ বিক্রি করা ছাড়া তাদের আর কোন উপায় নেই। প্রচুর সংখ্যক মানুষের ঋণ এর বোঝা এত বেশী হয়ে গেছে যে তারা মনে করে তাদের হাতে একটাই উপায় আছে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আর তা হল কিডনি বিক্রি করে দেওয়া’।

তাঁর গবেষণায় বেরিয়ে আসে- কিডনি বিক্রি করেছেন এমন ৩৩ জনের মধ্যে কয়েকজন তাঁদের কিডনি বিক্রি করেছেন কারণ তারা ঋণ পরিশোধ করতে চাপের মধ্যে ছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন- গ্রামীন ব্যাংক, ব্র্যাক এর মত এন জি ওর কর্মকর্তারা ঋণ গ্রহীতার বাসায় সারাদিন বসে থেকে তাঁদের হুমকি দিয়ে বা পুলিশের কাছে অভিযোগ দেয়ার ভয় দেখিয়ে ঋণ শোধের জন্য চাপ প্রদান করে থাকেন।

তিনি জানান, একজন কিডনি বিক্রেতা তাঁর গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয় ঋণ শোধ করতে না পারায়। এন জি ও গুলোর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি কিডনি বিক্রি করে ঋণমুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

যদিও গ্রামীন ব্যাংক ঋণ গ্রহীতার উপর কোন ধরনের চাপ সৃষ্টির অভিযোগ অস্বীকার করে। তারা দাবি করেন যে তারা কোন ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে কখনো মামলা করেন নি।

গ্রামীন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ শাহজাহান বিবিসিকে বলেন, ‘গ্রামীন ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে তার জন্য কোন জরিমানা আদায় করে না, ঋণগ্রহীতারা তাঁদের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণের ব্যাপারে স্বাধীন। তিনি আরো বলেন, বেশির ভাগ ঋণ গ্রহীতার একাউন্টে মোট ঋণের ৭৫ ভাগ জমা আছে, তাই তারা খুব একটা খারাপ অবস্থায় নেই’।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এর বিশ্লেষক মোঃ আরিফুল হক বলেন, ঋণ শোধ তেমন বড় কোন ব্যাপার নয়।‘’ ব্র্যাক এর ঋণের উপর সুদের হার শতকরা ২৭ ভাগ এবং গ্রামীন ব্যাংকে এই হার শতকরা ২০ ভাগ।

ঋণ গ্রহীতাদের উপর চাপ প্রয়োগ এবং ঋণের চাপে গ্রহীতাদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রির অভিযোগ ও অস্বীকার করে ব্র্যাক।

জনাব হক বলেন-‘ আমাদের কাজের ক্ষেত্রে কখনোই এমন কিছু হয় না, কারণ আমরা গ্রহীতাদের উপর চাপ প্রয়োগ করি না’।

ক্ষুদ্র ঋণ খাতে হ্রাসকৃত মোট অর্থের উপর সুদ গণনা করা হয়, এর মানে হল মোট ঋণের উপর সুদ ধারণ না করে শোধ করতে থাকা অবস্থায় যে পরিমাণ ঋণের অংক বাকি থাকে, তাঁর পরিমাণের উপরে সুদ ধার্য হয়।

জনাব হক স্বীকার করেন যে, তাঁদের ৪৩ লক্ষ ঋণ গ্রহীতার এক তৃতীয়াংশ অন্য এন জি ও থেকেও ঋণ নেন। তিনি বলেন যে, ঋণ গ্রহীতারা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিচ্ছে কিনা তা জানার কোন উপায় নেই। ব্র্যাক চেষ্টা করে ঋণ গ্রহীতাদের প্রতিবেশির সাথে কথা বলে তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে। গ্রামীন ব্যাংক দাবি করে তারাও এ ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে যদিও বিশ্লেষণে দেখা যায় যে এসব উদ্যোগ তেমন ফলপ্রসু হয় না।

লিভার বিক্রিঃ

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ক্ষুদ্র ঋণের ঋণ পরিশোধ কাঠামো এবং গ্রামে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অনির্দিষ্ট আয় সমস্যা সৃষ্টি করছে।

জাপানের ইন্সটিটিউট অফ ডেভেলপিং ইকোনমিক্স এর এক সমীক্ষায় দেখা যায়, কোন কোন পরিবার তাঁদের ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে অনেক কিছু বিক্রি করে এবং মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে হলেও তাঁদের ক্ষুদ্র ঋণ এর সুদ পরিশোধ অব্যাহত রেখেছে ভবিষ্যত ঋণের আশায়।

২০০৬-২০০৭ সালে এক সমীক্ষায় দেখা যায় যে, ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের কেবলমাত্র ৭ শতাংশ দারিদ্রতা মুক্ত হতে পেরেছেন।

যদিও বিশ্বব্যাংকের এ বছর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী ক্ষুদ্র ঋণের সহায়তায় দারিদ্রতা মুক্ত হয়েছে।

কিন্তু তারপরেও অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রির মত ঘটনা থামছে না।

কালাই এর অদূরে অবস্থিত মোলামগারি গ্রাম। এই গ্রামের মোঃ মেহেদি হাসান(২৪) জানতেন না লিভার কি জিনিস। তাঁকে বোঝানো হয় যে তাঁর শরীরের এই অংশটা দান করলে সিঙ্গাপুরের একজন মানুষের জীবন বাঁচবে, এবং সেই সাথে তিনি ৭ লাখ টাকা পাবেন।

ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশনের পর তিনি গ্রামে ফিরে আসেন, যদিও মাত্র দেড় লাখ টাকা দিয়ে তাঁকে বিদায় করা হয়। তিনি বাধ্য হন তাঁর গ্রামের বাড়ি বিক্রি করে দিতে এবং বর্তমানে বুকে তীব্র ব্যথা, দিনে ৫০-৬০ বার মূত্র ত্যাগের মত শারীরিক সমস্যার শিকার তিনি।

প্রফেসর মনিরুজ্জামান জানান, এই মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ব্যবস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে যারা অঙ্গ বিক্রি করছেন, তারাও বিক্রির পরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার শিকার হয়ে তাঁদের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলছেন। এটি তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থায় প্রভাব ফেলছে।

ক্ষুদ্র ঋণ অনেক মানুষের অবস্থার পরিবরতন ঘটালেও ধনী দরিদ্রের ব্যবধান বৃদ্ধির কারণে মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ব্যবসা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন, যা থামাতে এখন ই সচেতন হওয়া দরকার।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

• ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ বাংলাদেশি ক্ষুদ্র ঋণের আওতায় এসেছেন।
• তাঁদের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন।
• এই খাত প্রায় ৩ ভাগ জিডিপি উন্নয়নে অবদান রাখে।
• ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে কিডনি প্রতিস্থাপন শুরু হয়।
• ১৯৯৯ সালে আইন করে বাংলাদেশে মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খালেদা, হাসিনাও কি অংগও বিক্রয়ের জন্য এ্যাড দিয়েছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেশি ব্যথা পাইছেন?

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গ্রামাঞ্চলে যাও,এই ক্ষুদ্র ঋণের ভয়াবহতা ভালোভাবে টের পাবা। ৩০০০ টাকার ঋন প্রতি সপ্তাহে ৯০০ করে দিয়ে একমাসেই শোধ করতে হবে,নইলে টানা-হ্যাচরা,এইটা-ঐটা বিক্রি। আর একটুসুযোগ পাইতে হইলে কালেকশন দাতারে বউ-মাইয়া লীজ দিতে হয়।

মিডিয়ায় যা আসে তারচেয়েও ভয়াবহ অবস্থা বাস্তবে।

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভয়াবহ অবস্থা

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইউনুচ্ছ্যারে আরেকটা নোবেল দেওয়া উচিত ।

.....................................................................................................................।

মানুষ না হলে, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, হিন্দু, মুসলিম কিছুই হওয়া যায় না ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্র্যাক এর অবস্থা কেমন গ্রামিন ব্যাঙ্ক এর তুলনায় ? কেউ জানলে একটু আওয়াজ দেন ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাদের সুদের হার গ্রামীনের চেয়েও বেশি, ২৭%

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাপে ১৫ বছর গ্রামীণ ব্যাংকে কাজ করার কারণে আমার চোখের সামনেই বেশ কিছু বিব্রতকর ঘটনা ঘটছে।
কিস্তি দিতে পারে নাই বইলা টিন, গরু, বাছুর, ছাগল এসব ধরে আনা হয়েছে এমন লোকসংখ্যা নেহায়েত কম নয়।
আসলে ইউনূস সদস্যদের সরাসরি চাপ দেয় নাই কখনো; বরং বেশ ভালো আচরণ করছে। ইউনূসের সিস্টেম ছিলো তার কর্মকর্তা\ কর্মচারীদের চাপ দিয়া কার্যোদ্ধার করা। এমনই বলা হয়েছে এই মাসে আদায়ের হার অত পারসেন্ট (৯০ এর নিচে নয় কোনোভাবেই) এর নিচে নামলে বেতন থেকে সে টাকা কেটে রাখা হবে! ফলশ্রুতিতে এক সদস্যের বাড়িতে সাইকেল চালাইয়া ৫-৭ বারও যাইতে হইতো…

একবার আমরা ব্যাংকের দোতলায় ভাড়া থাকতাম। তখন দেখতাম সদস্যরা আইসা মায়ের লগে খাতির লাগাইতো! লাউ, কুমড়া, জায়নামাজ ইত্যাদি লইয়া আসতো যেনো বাপে দ্রুত ঋণের টাকা পাশ করে সেই জন্য! (অবশ্য আমি যদ্দূর জানি বাপের এইসবের প্রতি লোভ ছিলোনা; উনি মায়ের সাথে ঝগড়া করতেন কেনো সেসব রেখেছে)

```````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````
সত্য-মিথ্যাময় এ চিড়িয়াখানায় ভ্রমনরত এক চিড়িয়া...
{ঋতানৃতঃ সত্য-মিথ্যা ; TourZoo: চিড়িয়াখানা ভ্রমন}

জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাধারণত আপনার মত যারা আছেন তারা ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন এসব, ভালো লাগলো আপনার সরল স্বীকারোক্তি।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২২ পরিবার হতে এখন কত পরিবারের হাতে পুজি চলে যাছে?
http://www.bbc.co.uk/bengali/news/2013/10/131028_mh_bangladesh_poor_selling_organs_to_pay_debt.shtml

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই জামাত হেটার,
বিবিসি বাংলায় পুরা নিউজ আছে ওখান থেকে হুব হু কপি করে আবার দেন , তাহলে পোসটি আরো ভালো হবে মনে হয়।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত অংগ প্রত্যংগ দিয়া গরিবের কি কাম? : বাবুনগরী
নিজস্ব মতিবেদক

ক্ষুদ্র ঋনের বোঝা সহ্য করতে না পেরে অংগ প্রত্যংগ বিক্রয় করে ঋন শোধ করছেন বাংলাদেশের গরিব বৃন্দ।

এমনই চিত্র উঠে এসেছে ইংরাজ সংবাদ সংস্থা বিবিসির প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই এলাকায় ক্ষুদ্র ঋন গ্রহনের পর দেনার কিস্তি শোধ করতে না পেরে কিডনী, যকৃত প্রভৃতি বিক্রয় করছেন গরিব মানুষ। সস্তায় এসব অংগ প্রত্যংগ কিনে নিচ্ছে একটি বেবসায়ী মহল। অংগ প্রত্যংগ বিক্রয়ের টাকা দিয়ে গ্রামীন বেংক, ব্রেক, আশা প্রভৃতি ক্ষুদ্র ঋন সরবরাহ কারী প্রতিষ্ঠানকে দেনার কিস্তি শোধ করছেন এ অঞ্চলের অনেক গরিব।

এ বেপারে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. ইউনূস বাবুনগরীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুস্টি প্রকাশ করেন।

বাবুনগরী বলেন, ক্ষুদ্র ঋন বাংলাদেশকে দিয়াছে বেগ, আর কাড়িয়া লইছে আবেগ। আবেগ দিয়ে ক্ষুদ্র ঋনকে বিচার করলে চলবে না। কুন জামানত ছাড়াই গরিব দুঃখীর কাছে আমরা হাজার হাজার কুটি টেকা আমানত রাখি। সেই টেকা দিয়া তারা বড়লোক হয়। আর এভাবেই দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের সব বড় বড় পন্ডিতগন এই পদ্ধতিকে স্বিকৃতী দিয়াছে।

আবেগঘন কণ্ঠে কায়েদে নোবেল বলেন, ক্ষুদ্র ঋনের টেকা দিয়া ভাগ্য উন্নয়ন করিয়া কুটিপতি হইছে এমন লোকের সংখ্যা কম নহে। আমাকেই দেখ। ক্ষুদ্র ঋনের বেবসা খুলিবার পর গ্রামীন বেংকের নাম দিয়া নরওয়ের সংগে পাটনারশিপে গ্রামীন ফুন কম্পানী চালু করিয়া উহার মালিক হইলুম। টেকা কামালুম তিরিশ হাজার কুটি। সংগে ফাউ হিসাবে নরওয়ে হইতে শান্তিতে নোবেলও পাইলুম। তারপরও কি তুমি বলিবে যে ক্ষুদ্র ঋন খারাপ?


তুমাদের কাছে এসে বিপদের সাথী হতে আজকের চেস্টা আমার: বাবুনগরী

হাসতে হাসতে ইউনূস বলেন, ক্ষুদ্র ঋনের কারনে আমাদের ভুখা নাংগা গরিব বৃন্দের গরিব পরিচয় ঘুচিয়াছে। তারা ক্ষুদ্র ঋনের এক ঠাপে গরিব হইতে উদ্যক্তায় পরিনত হইছে। কেহ যদি নিজের অংগ প্রত্যংগ নিয়া বেবসা করে দুটু লাভের মুখ দেখে, তুমি আমি বাধা দিব কেন?

শরীরে অংগ প্রত্যংগের আধিক্যের বাড়াবাড়ির প্রতি ইংগিত করে বাবুনগরী বলেন, একটি দিয়াই যেখানে কাজ চলে, সেখানে দুটি দিয়া গরিব কি করবে? দুটি চুখ, দুটি কান, দুটি কিডনী, দুটি যকৃত। আরে সালা ঘোচু একে তুই গরিব, তার উপর সব কিছু ডাবুল ডাবুল। এত ভাত ত দুধ দিয়া খাওয়া যায় না। ক্ষুদ্র ঋন লইছ, পরিশুধ করতে পার না যখন, একটি কিডনী, একটি যকৃত বিক্রয় করিয়া দেও। কুন অভাগা উহা সস্তায় খরিদ করিয়া দুটি খেয়ে পরে বাচুক।

অংগ প্রত্যংগ বিক্রয় করা আইনত নিষিদ্ধ, এ তথ্য জানালে ‌উত্তেজিত হয়ে কায়েদে নোবেল বলেন, বানচুদ সরকার দেশটার কুন উন্নয়নই করতে দিবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন, গ্রামীন বেংক আইন, আয়কর আইন, একের পর এক এমন কাল আইন বানাইয়া বানাইয়া তারা দেশের মানুষের উন্নয়নের পথে খালি খালি কাটা বিছাইয়া রাখে। শেখের বেটীর কাল হাত ভেংগে দাও গুড়িয়ে দাও।

দেশের আপামর গরিবকে রুখে দাড়ানর আহোভান জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে অংগ প্রত্যংগ বেচিয়া উন্নয়নের পথে সকল প্রতিবন্ধকতা দুর করতে হবে। আমার মালিকানাধীন ৮৪ লক্ষ গরিব নারী, যাদের আমি পুষি, আস আমরা এক লগে উঠি ফুসি। আমার কিডনী আমি বেচব, যাকে খুশি তাকে বেচব। হুয়াটস দি প্রবলেম?

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, জুটে যদি মুটে একটি কিডনী যত্ন করিও মুতার লাগি, দুটি যদি জুটে একটি বেচিয়া ঋণ শুধ কর, হে অনুরাগী।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাউলদা,
হাস্তে হাস্তে চেয়ার তন পইড়া গেলাম; মাইরি বলচি- পেট ব্যথা হই গেচে…
মন্তব্যটা অনায়াসে একখান স্যাটায়ার পোস্ট হৈতে পারে… (দিয়া দিতে পারেন; দশজনে পইড়া ইনুচ নবীর রাহে দুআ বকসাইয়া দিবো)

```````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````
সত্য-মিথ্যাময় এ চিড়িয়াখানায় ভ্রমনরত এক চিড়িয়া...
{ঋতানৃতঃ সত্য-মিথ্যা ; TourZoo: চিড়িয়াখানা ভ্রমন}

জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তূর্য্য ভাই,ঐটা মতিকন্ঠের রিপোর্ট-বাউলদা মনে লয় মতিবেদক।এইখানে দেখেন-

https://motikontho.wordpress.com/

(M.R.9) ভাই,কালাই তো উপজেলা,সব জায়গায় গ্রাম উল্লেখ আসছে কেন?

………………………………………………………………………………………………………………….
মোদের খাটো করে রাখে নি কেউ কোনো অসত্যে
নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী স্বত্বে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই কালাই গ্রাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিবিসির রিপোর্টে, আমি সেইটাই অনুবাদ করেছি কেবল।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মতিকন্ঠ রক্স

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো পোস্ট।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পুস্টটা করার জন্য ধন্যবাদ

আমি কিছু বলতে চাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওঁম শান্তি। দারিদ্র জাদুঘরের কিউরেটর ইউনুসের জয়।

__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি যে কি বলেন না, ইউনূসের কোন দোষ না, দোষ সব ওই আবাল- আইলসা-কুইরা গেরাইম্মা ভূতগুলার। তারাই কাজকাম করে না খালি ঘুইরা বেরায়, ঋণ শোধ করব ক্যামনে?

------------------------------------------------------------------
আমি ঈশ্বর পুত্র


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আননের উপরে ঠাডা হইরবো,আমনে নবিরে লই কথা কইছেন।
লেখা বরাবরের মত জোস হইছে

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গ্রামীন ব্যাঙ্কে শুরু থেকেই সরকারের শেয়ার ছিল, এখনও আছে। সুদ খোর, রক্ত চোষা-সরকার নয় কি?
এক সময় বি-এন-পি/জামাত এনজিও গুলোর বিরুদ্ধে বিষোদগার করত, এনজিও পরিচালিত স্কুল পুড়িয়ে দিত। তখন আওয়ামী-এমনকি বামরাও এনজিওগুলোর পক্ষে সাফাই /কর্মকান্ড চালাতো। এখন দেখছি উল্টা চিত্র । বি-এন-পি/জামাত এনজিও শিরোমনিকে দলে টেনে সরকারকে ‘শিক্ষা’ দিতে চায়। আওয়ামী, বামরা দরিদ্রদের পক্ষে সোচ্চার। সবই রাজনীতি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজনীতির বাইরে এসে দেখেন চোখ খুলে, সাধারণ মানুষ শরীরের অংশ বেঁচে দিচ্ছে, এতই যদি সমাজ সেবা হয়, কোন জাদুমন্ত্রবলে এত জলদি ২০ তলা বিল্ডিং উঠে গেলো মিরপুরে, মাথা খাটান।

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুরু থেকেই গ্রমীন গ্রুপ আমাদের হাড় মাংস মজ্জা খাচ্ছে, ২০ তলা বিল্ডং তো নস্যি। শত শত কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা সরকার কখনোই কিছু বলে না। কেন বলে না? রাজনীতিতে এসব বিষয় বাদ দিতেই সবাই মাথা খাটায়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওস্তাদ আপনি ইনুচের নুনুভুতিতে আঘাত দিছেন। আপ্নের উপরে লানত পড়বো। মিষ্টির সিরা পড়বো মনে করছেন?????? Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হা হা হা

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরীরের অঙ্গ বিক্রির ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় দরিদ্র মানুষেরা অনেকদিন ধরেই এই কাজ করছেন। কিন্তু যেটা অজানা, তা হলো ক্ষুদ্র ঋণের দায় শোধ করার জন্যও এখন অনেকে শরীরের অঙ্গ বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ ধরনের রিপোর্টগুলো কেন যে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় না!
ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করতে হয় জেনেও, গ্রামের দরিদ্র মানুষগুলো কেন যে ঘুরে-ফিরে ঐ গেরামিন ব্যাংক থেকেই ঋণ নিতে যাই আমার কিচ্ছু বুঝে আসেনারে ভা্ই................

১০০ টাকাই সপ্তাহে ৩৫ ট্যাহা গেরামিন ব্যাংকে দিতে অয়........
১০০ টাকাই বছরে ১২ ট্যাহা ছরকারি ব্যাংকে দিতে অয়.........

এই সুজা ইসাবটাও বাংলার গেরামের সোজা সাফটা মানুষ গুলান এত বছর ফরেও বুঝতে হারলো না...... সত্যিই বিস্বাস অইতে চাই না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই গ্রামীন পার্যায়ে অবস্থা আরও করুন। এখন আর শুধু গ্রামীণ বা ব্র্যাক এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই, আনাচে কানাচে মাছির মতো ভনভন করছে এনজিও। সেগুলোর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।

------------------
স্বাধু সেজনা, স্বাধু হও....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই রিপোর্টটা বিবিসির, কিন্তু আমাদের দেশের মিডিয়া এটা ছাপায়নি। ইউনূস নোবেল পেয়েছেন তাই তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে সাহস করেনা। বিব্রতবোধ করে। তাই তিনি যা খুশী তাই করেন। সমাকামিতা সমর্থন করেন, গরীবের কিডনি, লিভার বেচে টাকার পাহাড় গড়েন, আবার কেউ প্রতিবাদ করলে বলেন “হাত ভেঙ্গে দেব”। আহ নোবেল, বাহ নোবেল!

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই লেখাটা মিসাইছিলাম ক্যামনে !!!!!
দারুন লেখা ভাই

....................................................................................................
আমি ফাজিল শ্রেষ্ঠ মহা ফাজিল, খুব খেয়ালে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব দুঃখজনক


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোষ্টটা ভাই বহু তথ্য মূলক তাই কৃতপক্ষের কাছে আবেদন পারলে বিআরটিতে লিংস্ক দিয়ে দিন
সারা বিশ্বের সবাই জানুক কি অসহায় অবস্থায় আছে বাংলার মানুষ গুলো ।
অথচ সরকারী দল বেসরকারী দল কেউ মাথা গামায় না এ ব্যপারে ।
কিনতু ক্যন তবে কি তারাউ বিক্রি হয়ে গেলো দাদার কাছে ।

আমি ব্লগার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইউনুছ এখন নতুন কারবার শুরু করছে - সামাজিক ব্যাবসা {নতুন মাল আমদানি }
এইবার কি হইব ??

Nemo


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি আর বলতাম।

glqxz9283 sfy39587p07