সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ-আন্দোলনে কারা, কীভাবে এবং কেন শয়তানী করেছে | amarblog.com: Bangla Blog ( আমারব্লগ ) with no Moderation.

Skip to content

সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ-আন্দোলনে কারা, কীভাবে এবং কেন শয়তানী করেছে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ-আন্দোলনে কারা, কীভাবে এবং কেন শয়তানী করেছে
সাইয়িদ রফিকুল হক

নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রথম দুইদিন এই আন্দোলন সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ছিল। আর হ্যাঁ, এখানে কিছুসংখ্যক কোমলমতী-শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানোর জন্য মানবিক-আন্দোলন করেছে। এদের এই আন্দোলন সরকারপক্ষও সমর্থন করেছে। দেশের সরকার, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের দাবিদাওয়া মেনে নেওয়ার পর তারা ঘরে ফিরে গিয়েছে। কিন্তু এরপর থেকে এই “আন্দোলন-ছিনতাই” করেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের চিরশত্রু, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদল ও তাদের দোসর: জামায়াত-শিবির-বিএনপি। এছাড়াও, এই আন্দোলনে যোগদান করেছে জামায়াতের অনুগামী হিযবুত তাহরীর, আহলে হাদিস, এবং এই অপআন্দোলনে বিবিধ উদ্দেশ্য নিয়ে আরও শরীক হয়েছে দেশের নষ্ট, ভ্রষ্ট, পতিত চীনপন্থী বামাতী বা বামপন্থী। আজকের দিনে একটি বিষয় পরিস্কার যে, এই বামাতীরা স্বার্থের জন্য আজ জামাতীদের সঙ্গেও চলতে কোনো দ্বিধাবোধ করছে না। ১৯৭৫ সালে, বঙ্গবন্ধু-হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এই দেশের অসংখ্য বামাতী তথা চীনপন্থী-বামরাজনীতিক জিয়াউর রহমানের দলে নাম-লিখিয়ে ফায়দা-লোটার অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিলো। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া, খন্দকার দেলোয়ার হোসেন (২০০১ সালের নির্বাচনের পর সে বিএনপি’র ‘সংসদীয় দলে’র চিফ হুইপ ছিল), বিএনপি’র বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাসানী-ন্যাপের মশিউর রহমান যাদুমিয়া ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, ২০১৬ সালে, ছাত্রমৈত্রী’র সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ঢালি ও দলটির রাজশাহী-বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবু, খালেদা জিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছিলো। আরও অনেকের এই ইতিহাস রয়েছে। প্রথম জীবনে এরা চীনপন্থী-কমিউনিস্ট, আর মাঝবয়সে বা শেষজীবনে এদের আশ্রয়দুর্গ স্বৈরাচার ও সামরিকশাসনের সূতিকাগার বিএনপি। এছাড়াও, হাজার-হাজার চীনপন্থী-বামপন্থী মে.জে. জিয়াউর রহমানকে ‘খলিফা’ মেনে তার হাতে বাইয়্যাতগ্রহণ করে বিএনপিতে যোগদান করে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী-সংগঠন আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে নানারকম তথ্যসন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রপরিরচালনা করতে থাকে। তাই, চীনপন্থী-বামাতীদের চরিত্রের কোন ঠিকঠিকানা নাই। এরা নিজেদের স্বার্থে যেকোনো অপকর্মসাধন করতে পারে। এই দেশে চীনপন্থী-বামাতীদের ভালো কোনো ইতিহাস নাই। এমনকি তাদের কোনো ভালোকাজও নাই। আছে শুধু গুপ্তঘাতক ‘কমিউনিস্ট পার্টি’র মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের তথা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলা। এদের হাত ধরেই স্বাধীনবাংলাদেশে জন্ম নিয়েছিলো ‘খুনী-লুটেরা-দুর্বৃত্তদের’ সর্বহারা পার্টি। এবারের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ‘নিরাপদ সড়কে’র আন্দোলনের সঙ্গে তাদের মিশে যেতে দেখেছি, আর আন্দোলনের নামে তাদের কুরুচিপূর্ণ চেহারা আবারও দেখেছি। এরাই আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের মুখে তুলে দিয়েছে ভয়ানক কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল শ্লোগান।

রাস্তায় ছাত্র-নামের একশ্রেণীর ঘৃণ্য জীব এখন শ্লোগান দিয়েছে: পুলিশ কোন চ্যাটের বাল; লাঠিচার্জ চুদি না; পুলিশ চোদার টাইম নাই; ব্রিজের উপর কাউয়া পুলিশ কার শাউয়া; টিনের চালে কাউয়া নৌমন্ত্রী আমার শাউয়া; বিচারপতি চোদার টাইম নাই; ক্ষমতা চুদি না; মদ খাবা আর পুলিশ চোদবা; পাতার নাম পুদিনা পুলিশ তোমায় চুদিনা; ছাত্রলীগ আওমালীগ চুদি না, দেশ আমার রাস্তা আমার (এই বেজন্মারা আওয়ামীলীগ-শব্দটিও শুদ্ধভাবে লিখতে জানে না!); লাঠির ভয় দেখাবে না, লাঠি একদম ভরে দিব; কমরেড, রাজনীতি মেধায় লাথি মারছে, রাজা আছে নীতি নাই, নেতা চোদার টাইম নাই; পুলিশ আমার শাউয়ার বালও না; আমি পুলিশের ছেলে কিন্তু পুলিশ চোদে কে; পুলিশ খানকির পোলা; নিরাপদ কনডম নয় নিরাপদ সড়ক চাই; তালগাছে কাউয়া পুলিশ আমার শাউয়া ইত্যাদি। তবুও দেশের সরকার রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার প্রশ্নে তথা দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এদের প্রতি সহানুভূতিশীল-আচরণ-প্রকাশ করেছে।
ছাত্রছাত্রী-নামধারী এই বেজন্মাদের বহনকৃত পোস্টারের নিচে লেখা রয়েছে: wwj আর spsc এগুলো কী? এগুলো কোন জারজসংগঠন? দেশবাসী তা আজ সবিনয়ে জানতে চায়। আর কেনই-বা এইসব জারজসংগঠন ‘কোমলমতী-শিক্ষার্থী’দের আন্দোলনে ঢুকে আজ এসব শয়তানী অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে? আমরা বুঝে গিয়েছি, এরা সেই দেশবিরোধীজারজশক্তি। এদের উদ্দেশ্য যে ভালো নয়—তা এইসব লেখা দেখলেই বোঝা যায়। আর এগুলো কখনও আন্দোলনের ভাষা নয়। আর এর পিছনে ইন্ধনদাতা হিসাবে রয়েছে ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’র নষ্টরাজনীতির নষ্টরাজনীতিকরা। এদের এই রাষ্ট্রবিরোধী-অপতৎপরতা কঠোরহস্তে দমন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

জামায়াত-শিবির ও হিযবুত তাহরীর-এর এই ছাত্র-নামের বেজন্মারা একজন ‘মাননীয় বিচারপতি’র গাড়ি জোরপূর্বক আটকিয়ে জোরপূর্বক তাঁর গাড়িতে লিখে দিয়েছে: ‘আমি চোর! বিচারপতি চোদার টাইম নাই! বিচারপতি চুদি না! ইত্যাদি।’

রাস্তায়-রাস্তায় গাড়ি আটকিয়ে জামায়াত-শিবিরের ‘স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা’র ক্যাডার ও পাতিক্যাডাররা ঘুষের বিনিময়ে আবার গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে! এরা যেকোনো মানুষের সঙ্গে তুই-তোকারি থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে খারাপ ব্যবহার পর্যন্ত করেছে!

জোর করে রাস্তায় মানুষের গাড়ি আটকিয়ে তাদের সঙ্গে বেআদবি করেছে। এরা লোকজনের গাড়ির লাইসেন্স চেয়েছে! কিন্তু প্রশ্ন হলো: এরা কি গাড়ির লাইসেন্স চিনতে পারবে? আসল বা নকল বুঝতে পারবে?

এগুলো ছাত্র? এরা তো ফোনসেক্স-ইমোসেক্স-এ বিশেষভাবে পারদর্শী। এরা কখনও পড়ালেখা করা সাধারণ ছাত্রছাত্রী নয়। এরা আমাদের দেশের বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের স্কোয়াড। আর সেই দলের নাম জামায়াত-শিবির ও হিযবুত তাহরীর।

আবারও বলছি: না, এরা সাধারণ ছাত্র নয়। এরা বাংলার রাজাকারবংশের রাজাকাররক্তের উত্তরাধিকারী। এরা জামায়াত-শিবিরের, আর তাদের চিরঅনুগত হিযবুত তাহরীর-এর এজেন্ট। এদের কাজই হলো দেশের ভিতরে একটা অরাজকতা বা গোলোযোগসৃষ্টি করে ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারে’র পতন ঘটিয়ে আবার চারদলীয়-রাজাকারজোটের সরকারগঠন করা। এরা সাধারণ কোমলমতীশিক্ষার্থীদের সাধারণ আন্দোলনকে ‘ছিনতাই’ করে সেই পথেই অগ্রসর হয়েছিলো।

আর যারা কোমলমতীশিক্ষার্থী হিসাবে রাস্তায় নেমেছিলো, তাদের প্রথম দুইদিনের প্রতিবাদকে আমরা স্বাগত জানাই। দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম নিহত হওয়ার দ্বিতীয় দিন থেকে শিক্ষার্থীদের ‘আন্দোলন-ছিনতাই’ করেছে স্বাধীনতাবিরোধী—জামায়াতী আর চীনপন্থী বামাতী। আর এদের সঙ্গে সবসময় রয়েছে রাজাকারদের চিরদোসর বিএনপি।

আমাদের দেশের ইতিহাসে আগেকার রাজনৈতিক শ্লোগানের ভাষা ছিল (শ্লোগান ছিল):

মোদের গরব মোদের আশা
আ-মরি বাংলা ভাষা।...

রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।
শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না।...

ঢাকা না পিন্ডি—ঢাকা-ঢাকা।
পদ্মা-মেঘনা-যমুনা তোমার-আমার ঠিকানা।...

জাগো-জাগো, বাঙালি জাগো।...

জেলের তালা ভাঙ্গবো শেখ মুজিবেকে আনবো।
বীর-বাঙালি অস্ত্র ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন কর।...


এই ছিল আমাদের শ্লোগান। আর এই ছিল আমাদের ছাত্রআন্দোলন।

আর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে আজ ২০১৮ সালে প্রকাশ্য-দিবালোকে ছাত্র-নামধারী একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানসন্ততিরা রাজপথে শ্লোগান দিচ্ছে:

পুলিশ কোন চ্যাটের বাল! লাঠিচার্জ চুদি না! বিচারপতি চোদার টাইম নাই!...

এরা তো আমাদের নীতি-নৈতিকতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, সভ্যতা, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিতে চায়। আর যাই হোক, এদের উদ্দেশ্য কখনও ভালো নয়।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে এখন আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে না। এখানে, এখন নেমেছে ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’র ভয়ংকর নেতা-কর্মী, পাতিনেতা, ক্যাডার, মহিলাদলের নেতা-কর্মী, গুজবসৃষ্টিকারী জাতীয়তাবাদী পতিতাদলের নেতাকর্মী। হিজাবপরা কলগার্ল। অভিনেত্রী ও মডেল নামের স্মার্ট ও আধুনিক কলগার্ল। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—কাজী নওশাবা আহমেদ, মৌসুমী হামিদ, আঞ্জুমান কাজী ইত্যাদি। এরা এখন সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম গুজবসৃষ্টিকারী-শ্লোগান দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। এরা জামায়াত-শিবিরের ‘পেইড-এজেন্ট’। কিন্তু এই বেজন্মাদের তো আমরা খুব ভালোভাবে চিনি। এরা ২০১৩ সালে, ‘বিএনপি-জামায়াত-শিবিরে’র একটানা ৯০দিনের ভয়ংকর ‘আগুনসন্ত্রাসে’র আত্মীয়স্বজন, আর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারভুক্ত। এরা ২০১৩ সালের ৬ই এপ্রিল ও ২০১৩ সালের ৫ই মে ভয়ানক সন্ত্রাসসৃষ্টিকারী ও বাংলাদেশের চিরশত্রু ‘হেফাজতে ইসলাম ওরফে হেফাজতে শয়তানে’র প্রকৃত বংশধর। মূলত এখানে বাংলাদেশবিরোধী তথা একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশের সকল স্তরের, সকল ইউনিটের ও সকল প্রকারের সর্বদলীয় শয়তান ভিড় করেছে। এরাই কোমলমতীশিক্ষার্থীদের সাধারণ একটা আন্দোলনকে ‘ছিনতাই’ করে তাকে দেশবিরোধী তথা সরকারবিরোধী-আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে। আর এইজাতীয় সকল শয়তান এখন মিলেমিশে দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চেয়েছিলো, এবং এখনও হয়তো চাইছে। এই অপশক্তিকে আমাদের কঠোরহস্তে রুখতে হবে। এরা কোনো সাধারণ আন্দোলনকারী নয়, এরা বাংলাদেশবিরোধী সর্বদলীয়-সর্বস্তরের কুখ্যাত অপশক্তি। এদের জন্মই হয়েছে বাংলাদেশের ক্ষতি করার জন্য। আর তাই, এদের মোকাবেলা করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বাধীন এই অপআন্দোলনের সঙ্গে আজ দেশের সাধারণ মানুষের কোনো সম্পর্ক নাই। এখানে, সর্বদলীয় ও সর্বস্তরের ষড়যন্ত্রকারীগোষ্ঠী একত্রিত-এককাট্টা হয়েছিলো, এবং এখনও হয়তো আছে।

বাংলাদেশে শুরু হওয়া এই অপআন্দোলনে শরীক হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী সর্বস্তরের সংগঠন। এরা সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ব্যানারে মাঠে নামিয়েছে তাদের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু ও কোমলমতী (?) জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের। ইতোমধ্যে জামায়াত-পরিচালিত ইংলিশ-মিডিয়াম স্কুল ‘মাস্টার-মাইন্ড’সহ আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনেক ছেলেমেয়ে এখানে ভিড় করেছে। প্রিয় পাঠক, বুঝতে পেরেছেন, এদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল?

এটি যে এখন সাধারণ কোনো ছাত্রআন্দোলন নয়—বরং এটি দেশের সর্বস্তরের স্বাধীনতাবিরোধী ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’দের অপআন্দোলন তার পক্ষে এখানে সবিনয়ে কয়টি কারণ তুলে ধরছি:

১. এই আন্দোলনের দ্বিতীয় দিন থেকেই আন্দোলনে সক্রিয় ছাত্রছাত্রী-নামধারী-সন্ত্রাসীদের জন্য ঢাকার নামি-দামি রেস্টুরেন্ট থেকে প্রচুর পরিমাণে খাবার তথা বিরিয়ানি, তেহারি, পোলাও-মাংস, ফাস্টফুড, মিনারেল ওয়াটার ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়েছে। আর এগুলো দেশের স্বাধীনতাবিরোধী-অপশক্তিই সরবরাহ করেছে।

২. আন্দোলনকারী ছাত্র-নামধারী সন্ত্রাসীদের জন্য দেশের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা অশ্লীল ও আপত্তিকর শ্লোগানসম্বলিত পোস্টার বা হাত-ব্যানার সরবরাহ করা হয়েছে। এইসব ব্যানার লেখার জন্য রাস্তার পাশে বেশ কয়েকটি ছাউনির মতো তুলে সেখানে কয়েকটা ছেলেমেয়েকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এইসব ছাত্রছাত্রী-নামধারী-বেজন্মারা শ্লোগান লিখছে: পুলিশ কোন চ্যাটের বাল; লাঠিচার্জ চুদি না; পুলিশ চোদার টাইম নাই; ব্রিজের উপর কাউয়া পুলিশ কার শাউয়া; টিনের চালে কাউয়া নৌমন্ত্রী আমার শাউয়া; বিচারপতি চোদার টাইম নাই; ক্ষমতা চুদি না; মদ খাবা আর পুলিশ চোদবা; পাতার নাম পুদিনা পুলিশ তোমায় চুদিনা; ছাত্রলীগ আওমালীগ চুদি না, দেশ আমার রাস্তা আমার (এই বেজন্মারা আওয়ামীলীগ-শব্দটিও শুদ্ধভাবে লিখতে জানে না!); লাঠির ভয় দেখাবে না, লাঠি একদম ভরে দিব; কমরেড, রাজনীতি মেধায় লাথি মারছে, রাজা আছে নীতি নাই, নেতা চোদার টাইম নাই; পুলিশ আমার শাউয়ার বালও না; আমি পুলিশের ছেলে কিন্তু পুলিশ চোদে কে; পুলিশ খানকির পোলা; নিরাপদ কনডম নয় নিরাপদ সড়ক চাই; তালগাছে কাউয়া পুলিশ আমার শাউয়া ইত্যাদি। তবুও দেশের সরকার এদের প্রতি সহানুভূতিশীল-আচরণ-প্রকাশ করেছে।

৩. ছাত্রছাত্রী-নামের স্বাধীনতাবিরোধী এইসব বিপথগামীর অপআন্দোলনকে সমর্থন করেছে দেশের কিছুসংখ্যক মানুষ-নামধারী নরপশু। এরা বহু আগে থেকে আওয়ামীলীগবিরোধী, আওয়ামীলীগ-সরকারবিরোধী ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ-চেতনাবিরোধী। এবার একটা সুযোগ পেয়ে তারা তাদের খোলস থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। এই বেজন্মাদের দেশ পাকিস্তান নামক জারজ-রাষ্ট্রটি। তাই, এরা বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না। এরা সামান্য একটি বিষয়কে অবলম্বন করে আজ দেশের ভিতরে অস্থিতিশীল-পরিবেশ তৈরি করে তাদের বাপ ‘জামায়াত-বিএনপি’দের রাজনীতি-খেলার সুযোগ করে দিতে চায়। আরও একটি চক্র আছে এই দেশে—এরা হলো সর্বজনস্বীকৃত নষ্ট, পচা, গলা, বাসি, পতিত চীনপন্থী বামরাজনীতির ধারক-বাহক বা বামাতীসম্প্রদায়। এদের মনুষ্যত্ব আজ সম্পূর্ণরূপে লোপ পেয়েছে। এরা তাই, দেশবিরোধী এই অপশক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।

৪. সাধারণ ‘সড়ক-দুর্ঘটনা’র প্রতিবাদ, সভা, সমাবেশকে এরা রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে চেয়েছিলো। আর এখানেই তাদের দুরভিসন্ধি সম্পূর্ণরূপে ধরা পড়ে গিয়েছে।

৫. দেশের সরকার সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কথিত-৯-দফাকে মেনে নিয়েছেন, এমনকি সরকারের নৌমন্ত্রী তার মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া সম্পূর্ণরূপে মিটে গিয়েছে। তবুও কারা রাস্তায় নেমে এখনও বিশ্খৃলাসৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে। এরা কারা বুঝতে পারছেন? এরাই সেই একাত্তরের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীবংশজাত নবপ্রজন্মের জামায়াত-শিবির ও হিযবুত তাহরীর নামক রাজাকারচক্র। এদের দমন করা রাষ্ট্রের জন্য অতীব অপরিহার্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।

৬. সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ-আন্দোলনকে হঠাৎ ছিনতাই করে এ-কে রাজনৈতিক অপআন্দোলনে রূপদানের অপচেষ্টার পিছনে বিএনপির ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গডফাদার তারেক জিয়ার প্রকাশ্য ইন্ধন ও হাত রয়েছে। এই বেজন্মা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম শয়তানীআন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এখন সে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নাম ব্যবহার করে নিজেদের ভোগ-বিলাসিতার রাজনৈতিক স্বার্থহাসিলের জন্য এইজাতীয় ‘শয়তানী-আন্দোলন’ করার অপচেষ্টা করেছে। তারেক জিয়ার ভেরিফাইড ফেসবুক-পেইজে এতদ্বিষয়ক ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত প্রমাণও মিলেছে।

৭. সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নাম ব্যবহার করে এখন রাস্তায় নেমেছে ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’র ক্যাডার, গুন্ডাপান্ডা, অর্থদাতা, মদদদাতাগোষ্ঠী।

৮. এখানে, রাস্তাঘাটে আন্দোলনকারীরা দেদারসে মনের সুখে, উন্নতমানের খাবার খাচ্ছে, ফুর্তি করছে, আড্ডাবাজি করছে কার টাকায়? আর এগুলো কি আন্দোলন না বিনোদন? এদের এই আচরণই বলে দেয় যে, এরা কারও প্ররোচনায় এসব করেছে।

৯. আন্দোলনের কথা বলে এই ছাত্রছাত্রী-নামের রাষ্ট্রবিরোধী-কুলাঙ্গারগুলো এখন জোর করে মানুষের গাড়ির চাবি ছিনতাই করেছে—হ্যাঁ, এরা রীতিমতো জেনেশুনে নিজেদের শয়তানী-খেয়ালের বশে ছিনতাইয়ের মতো অপকর্ম করেছে। কারও ড্রাইভিং-লাইসেন্স না-পাওয়া গেলে তার গাড়ি আটকিয়েছে! তারপর এই গাড়ির ড্রাইভারকে একটু দূরে নিয়ে গিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছে। তারপর চাঁদার বিনিময়ে বা ঘুষের টাকা খেয়ে এইসব গাড়ির চাবি ফেরত দিয়েছে! এসব কীসের আলামত? কারা আমাদের রাষ্ট্রকে ব্যর্থ করতে চায়? এরা সেই পুরাতন পাপী—বাংলাদেশরাষ্ট্রের চিরশত্রু একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশজাত নরকের কীট। এরা চিরদিন তাদের জারজরাষ্ট্র-পাকিস্তানের সমর্থক। ছাত্র-নামের এইসব কুলাঙ্গার এখন হয়তো চাঁদাবাজি করছে।

১০. এখন যারা রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নামে বিশ্খৃলাসৃষ্টি করেছে তারা কোনোভাবেই ছাত্র নয়, এরা অছাত্র। এদের বেশিরভাগেরই ছাত্রপরিচয়পত্র নাই। এরা ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’র রাজনৈতিক ক্যাডার বা গুন্ডাপান্ডা।

১১. একটি শ্রেণী ঘরে বসে বা রাস্তায় নেমে এদের এইসব অপকর্মকে বাহবা দিয়েছে বা সমর্থন করেছে—এরাও সেই যুদ্ধাপরাধীবংশজাত বাংলাদেশরাষ্ট্রের শত্রু। এরা ইতঃপূর্বে নানাভাবে, নানাষড়যন্ত্রে আওয়ামীলীগসরকারবিরোধী-আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়ে এখন এইসব দুধের বাচ্চাদের ঘাড়ে সওয়ার হতে চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু বাচ্চারা এই বুড়ো-দামড়াদের ঘাড়ে নিতে রাজী না-হওয়ায় এরা অত্যন্ত কুকৌশলে তাদের পাকি-বীর্যের ফসলদের মাঠে নামিয়েছিলো। এরাই এখন ছাত্রছাত্রী-নামে আন্দোলনের কথা বলে যাবতীয় শয়তানী-বাঁদরামি ও বদমাইশি করেছে। নইলে, আন্দোলনকারী, আমাদের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাতো সেই কবে ঘরে ফিরে গিয়েছে। এখানে, আন্দোলনের আর কোনো অবকাশ নাই। এখন স্বাধীনতাবিরোধী-রাজনৈতিক দলের সুযোগসন্ধানীরা মাঠদখলের অপচেষ্টা করেছে। কিন্তু পুরা জাতি সজাগ ছিল, আর এখনও আছে। এই বেজন্মাদের স্বপ্ন কখনও পূরণ হবে না, ইনশা আল্লাহ। তোমরা যারা চীনপন্থী, পাকিস্তানপন্থী তাদের চীনে কিংবা পাকিস্তানেই ফেরত চলে যেতে হবে। এই রাষ্ট্রে স্বাধীনতা-বিরোধী-বেজন্মাদের কোনো ঠাঁই হবে না। আর কাউকে ঘোলাপানিতে মাছশিকার করতেও দেওয়া হবে না।

১২. সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘নিরাপদ সড়কে’র দাবির এই আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধীচেতনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এরা যে ষড়যন্ত্র করছে—তার প্রমাণস্বরূপ চট্টগ্রামের বিএনপি-নেতা আমির খসরু মাহমুদের “ষড়যন্ত্রমূলক অডিওবার্তা” ফাঁস হয়েছে। ঢাকার গাজীপুর-জেলা বিএনপি-সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলনের “ষড়যন্ত্রমূলক অডিওবার্তা” ফাঁস হয়েছে। নাগরিক ঐক্যের ষড়যন্ত্রকারী মাহমুদুর রহমান মান্নার “ষড়যন্ত্রমূলক অডিওবার্তা” ফাঁস হয়েছে। আর কত প্রমাণ দিতে হবে? বিএনপি’র জন্মই তো হয়েছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে।

১৩. ০৪/০৮/২০১৮ তারিখ দুপুর থেকে ‘জামায়াত-বিএনপি’র এজেন্ট অভিনেত্রী-কাম-কলগার্লরা পরিকল্পিতভাবে গুজবসৃষ্টিতে মেতে ওঠে। আর এদের ‘পেইড-এজেন্ট’ হিসাবে গুজব-প্রচারে মেতে ওঠে কাজী নওশাবা আহমেদ। আরও গুজবসৃষ্টিতে মেতে উঠেছিলো অভিনেত্রী-কাম-কলগার্ল মৌসুমী হামিদসহ অন্যান্যরা। এরা ফেসবুক-লাইভে এসে বলেছিলো: জিগাতলায় একজনের দুচোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে! আরও দুই-তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে! মোট চারজনের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে! আওয়ামীলীগ-অফিসের ভিতরে চার-পাঁচজন মেয়েকে আটকিয়ে রাখা হয়েছে! এদের ধর্ষণ করা হয়েছে!
আবার কেউ-কেউ কান্নাকাটির অভিনয় করে বলছিলো: আমাকে ছাত্রলীগের ছেলেরা ধর্ষণ করেছে! ইত্যাদি। এসব গুজবসৃষ্টি পূর্বপরিকল্পিত। আর এগুলো জামায়াত-শিবিরের এই অপআন্দোলনের অংশ।

১৪. গত শনিবার ০৪/০৮/২০১৮ খ্রিস্টাব্দ প্রায় মধ্যরাতে সুজন(সুশাসনের জন্য নাগরিক)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের নেতৃত্বে এক ষড়যন্ত্রমূলক গোপন-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের চিহ্নিত-ষড়যন্ত্রকারীগোষ্ঠী (দৈনিক প্রথম আলো’র সম্পাদক মতিউর রহমান, দি ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, গণফোরামের ড. কামাল হোসেন ও তদীয় পত্নী হামিদা হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, বিএনপি’র ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আরও কয়েকটি লোক) অংশগ্রহণ করে। সাধারণ ছাত্রআন্দোলনকে ‘জামায়াত-শিবিরে’র নেতৃত্বে আরও দীর্ঘস্থায়ী করে দেশে একটা অরাজকতাসৃষ্টি করে আওয়ামীলীগসরকারকে উৎখাত বা বেকায়দায় ফেলতেই তারা এই ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলো। যারা গত শনিবার জেনেশুনে, বুঝেশুনে শুধু চক্রান্তের উদ্দেশ্যে ০৪/০৮/২০১৮ খ্রিস্টাব্দ প্রায় মধ্যরাতে সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের বাসায় ‘জামায়াত-শিবির-বিএনপি’র পক্ষে দেশবিরোধী-ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করেছিলো—তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, এবং রাষ্ট্রবিরোধী-কুলাঙ্গার। এরা চিরদিন মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রের দালাল, এবং একইসঙ্গে মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ-এরও এজেন্ট। এদের নির্মূল করা রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমাদের মনে রাখতে হবে: এরা কখনও-কোনোদিনও ভালো হবে না। এরা বাংলার ভণ্ডশয়তান ও জাতীয় ভণ্ড।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা জোরপূর্বক কিংবা যেকোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দখল করার জন্য বিএনপি-জামায়াত এখন একেবারে উন্মাদ। এদের কোনো হিতাহিতজ্ঞান নাই। এরা রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করার জন্য যেকোনো জঘন্য ও হীন অপকর্মসাধন করতে পারে। এটিই তাদের প্রধান ধর্ম। এরা একদিকে যেমন মিথ্যা বলতে ও মিথ্যার প্রচার-প্রসারে দক্ষ অপরদিকে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রে অভিজ্ঞ। এদের জন্মের ইতিহাস আজও তা-ই বলে। এরা কোনোদিনও মানুষ হবে না। কোনোদিনও সামান্য পরিমাণে ভালো হবে না। কারণ, কয়লা ধুইলে কখনও ময়লা যায় না। আর এদেশে জাতীয় ভোটের রাজনীতিতে বা সাধারণ নির্বাচনে কোনোদিনও ‘রাজাকার জামায়াত-শিবির’ জিততে পারবে না। তাই, এরা বিএনপি’র কাঁধে সওয়ার হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করে তাদের মরহুম আব্বাজান—কাদের মোল্লা, নিজামী, মুজাহিদ ইত্যাদির ফাঁসির প্রতিশোধ নিতে চায়।

সাধারণ ছাত্রছাত্রী-নামে এখন মাঠে নেমেছে একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধী রাজাকার, আলবদর, আলশামসের ঘাতক-জল্লাদবংশীয় কুলাঙ্গার সন্তানসন্ততি। এদের মধ্যে ন্যূনতম মনুষ্যত্ব বা মানবিকতা বলেতে কিছুই নাই। এরা চেনে শুধু অর্থ, ক্ষমতা ও নারী। এদের আমির তারেক জিয়াও এই চরিত্রের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা শান্তিপূর্ণভাবে যত খুশি তত আন্দোলন করতে পারে। তাতে রাষ্ট্র ও সরকারের কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের দাবিদাওয়া পূরণ হওয়ার পর তারা খুশি মনে ঘরে ফিরে গিয়েছিলো। তাদের আর-কোনো আক্ষেপ ছিল না। কিন্তু তাদের নাম-ভাঙ্গিয়ে কারা মাঠে নেমে এইসব ষড়যন্ত্র করেছে? এরা কারা? কী এদের পরিচয়? আর কেনই-বা তারা এসব করছে? আর আমাদের দেশের চিহ্নিত-শয়তানের জারজপুত্ররা কেন এভাবে মাঠে নেমেছিলো? কেন?
(উত্তরটা আশা করি, সবারই জানা আছে—বাংলাদেশরাষ্ট্রের বর্তমান-মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে উৎখাত করে তদস্থলে চারদলীয় রাজাকারজোট-সরকারকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য এই অপআন্দোলন পরিচালিত হয়েছিলো। আর এটি ছিল সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। আর তাই, জামায়াত-শিবির ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে’র নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলো।)



সাইয়িদ রফিকুল হক
০৩/০৮/২০১৮

glqxz9283 sfy39587p07