Skip to content

... এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি




... এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?
সাইয়িদ রফিকুল হক

পহেলা বৈশাখ আসার আগেই মনটা কেমন যেন আনচান করে! আর কী যে ভালো লাগে! আমাদের বাংলার নিজস্ব একটি সংস্কৃতি এই পহেলা বৈশাখ। এর আগমনে দেহমন ভীষণরকম সজীব হয়ে ওঠে। আর এসব এককথায় বলে বোঝানো যাবে না। শুধু জানি: মন যে কেমন করে!

পহেলা বৈশাখের ওপর একটি লেখা তৈরি করার জন্য ইউটিউব ঘাঁটছিলাম। কারণ, আমাদের সমাজের ফতোয়াবাজরা পহেলা বৈশাখ নিয়ে খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর এদের বাড়াবাড়িটা আজকাল ধৃষ্টতার সীমাঅতিক্রম করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরা আজ সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পাচ্ছে। আসলে, এদের নাকে লেগে আছে পাকিস্তানীদের মূত্রঘ্রাণ! তাই, এরা বাঙালি-জনসমাজের সবকিছুতেই হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পায়। ওদের আদিপিতা পাকিস্তানীজেনারেলগণও বাঙালির সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে বেড়াতো। এরা তো তাদেরই বংশধর। নিজদেশের সমাজ, রাষ্ট্র, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এরা আজ এতোটাই উন্মত্ত ও অসভ্য হয়ে উঠেছে যে তা ভাষায় প্রকাশ করা দুরূহ। আর এরা দিন-দিন খুব বেশি হিংস্র ও জংলী হয়ে উঠেছে। এদের মুখোশউন্মোচনের জন্য একটি লেখা তৈরি করার কথা ভাবছিলাম।

ইউটিউব ঘাঁটতে-ঘাঁটতে পেয়ে গেলাম কয়েকটি ভয়ংকর ভিডিও। এগুলো দেখে আমার মনে হলো: কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র খোঁয়াড় ভেঙ্গে আমাদের লোকালয়ে এসে পড়েছে। কী ভয়ংকর এদের চেহারা! আর কী উগ্র ও হিংস্র এদের কথাবার্তা! এরা নিজদেশে থেকে খেয়ে-পরে সেই দেশকে পদাঘাত করছে, আর সাধারণ মূর্খ-মুসলমানদেরও তা-ই করতে বলছে! এদের ধৃষ্টতা, বেআদবি আর শয়তানীর যেন কোনো শেষ নাই! এরা ইসলামের নাম-ভাঙ্গিয়ে নিজেদের নাজায়েজ-শয়তানী কথাবার্তাকে আজ কুরআন-হাদিসের কথা ও ব্যাখ্যা বলে অপপ্রচারের দুঃসাহস দেখাচ্ছে! এদের বক্তব্য শুনে ও আচার-আচরণ দেখে আমার মনে হলো: দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে কোথায়? আর থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

আসুন, আমরা আগে ভিডিওগুলি দেখি। নিচে পশুত্বের ক্রমানুসারে ভিডিওগুলির লিংক দেওয়া হলো:

প্রথম পশু-দেখার ভিডিওলিংক:



See video




এই পশুটি একেবারে আদিম ও হিংস্র। সে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের মাতৃভাষা-বাংলা, আমাদের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, পহেলা বৈশাখসহ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ইত্যাদি নিয়ে নানারকম অশ্লীল ও মিথ্যা বলে আসছে। আর এই পশুটির নাম আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। সে নিজের নামের আগে মাওলানা, মুফতী, আল্লামা ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে। আসলে, সে নিরেট পশু। আর চিরমূর্খ।
এই ভিডিওটির শেষের পশু হচ্ছে শাইখ মুযাফফর বিন মুহসিন। পরে তাকে আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাবে। পঞ্চম ভিডিওতে তাকে আবারও গলাবাজি করতে দেখবেন।

দ্বিতীয় পশু-দেখার ভিডিওলিংক:


See video




দ্বিতীয় পশুটির নাম মোহাম্মদ সিফাত হাসান। সে বাংলাভাষা, বাঙালি-জাতি আর বাংলাদেশ কোনোকিছুই মানে না। সে একেবারে জাহেল আর নরপশু। আর এমন পশু এই দুনিয়ায় খুব কমই আছে। সে ‘জাতি’ বলতে কোনোকিছুই বোঝে না। তবুও সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

তৃতীয় পশু-দেখার ভিডিওলিংক:


See video




তৃতীয় পশুটির নাম আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক। আর সে প্রথম পশুটির সন্তান। এবার বুঝতেই পারছেন—সে কেমন নরপশু!

চতুর্থ পশু-দেখার ভিডিওলিংক:


See video




এই পশুটির নাম ফয়জুল করিম। আর এই পশুটি চিরমূর্খ। কিন্তু এই ভণ্ডশয়তান তার নামের আগে সবসময় ব্যবহার করে ‘আল্লামা-মুফতী’ শব্দ!

পঞ্চম পশু-দেখার ভিডিওলিংক:


See video




এই পশুটির নাম শাইখ মুযাফফর বিন মুহসিন। এর মতো পশু আর কয়টা আছে? আছে-আছে। এই বাংলায় এইরকম পশুর সংখ্যা বাড়ছে। এরা ইসলামের নামে বৈশাখবিরোধী ওয়াজ-নসিহত করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

এইরকম পশু দেশের কোন কাজে লাগে? আর এরা কার বা কাদের কাজে লাগে? আর এদের কেনই-বা গ্রেফতার করা হয় না?
এদের ভণ্ডামি আর শয়তানী দেখে মনে বিরাট প্রশ্ন জাগে—দেশে কি সরকার আছে? আর থাকলে কোথায়? আর এইসব আদিম-হিংস্র নরপশুকে এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি?

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১৪/০৪/২০১৭


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

http://www.somewhereinblog.net/blog/KHALID1223/30193568



[yt|http://www.youtube.com/watch?v=CHHcm62B7Hs]


দুটো ভিডিও লিঙ্ক দিলাম। মুলত প্রথম ভিডিও লিঙ্কটি ব্যখ্যা করার উদ্দেশ্যে কথাগুলো লেখা। প্রথম ভিডিওটি না দেখলে আমার বক্তব্য বুঝতে পারবেন না।
আল্লাহর রসুল ছিলেন মিষ্টভাষি। কোন রকম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তার না থাকলেও তিনি স্পষ্ট , শুদ্ধ ও ভদ্র ভাষাতে কথা বলতেন। আল্লাহ তাকে ও সকলকে ভদ্র ভাষায় কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন। পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতি ও মত রয়েছে। সহনশীলতা ও ভালো কাজের দিকে ডাকা সকলের দ্বায়িত্ব।
আমি একজন মুসলমান। কোরআন ও হাদিস আমার গর্ব। আমি কোরআন ও হাদিস সমর্থন করি।
সেখানে পৈহেলা বৈশাখ পালন যদি নিষেধ থাকে তো -তাই। মেনে নিলাম।
কিন্তু খারাপ লাগে যখন হুযুরদের হাজারো দল। লামাযহাবি, মাযহাবি, শিয়া ,সুন্নি, আহলে হাদিস। এগুলো দেখি। হাজার রকমের মাছলার প্রার্থক্য দেখি । তর্ক ,মারামারি দেখি। বাড়াবাড়ি দেখি।
যাইহক - এক সময় শুনেছিলাম শাড়ী পরা হারাম । কারণ তা হিন্দুদের পোশাক। আবার এক সময় শুনলাম শাড়ী পরা যাবে যদি পেট ও পিঠ মানে শরীরটা পুরো ডেকে শাড়ী পরা। অর্থাৎ ব্লাউজটা হাতাটা বড় করা , ব্লাউজটা জামার মত করে লম্বা করে বড় করে নিলে শাড়ী পরা যাবে।
যাইহক বিষয়টা পৈহেলা বৈশাখ। তার অাগে আরেকটা কথা। ভাষা আল্লাহর দান। বাংলা ভাষার উৎপত্তি হিন্দু ও বিভিন্ন জাত ধরেই। আজ থেকে এক হাজার বা তারও আগে। আর আমরা যে সমস্ত জিনিস দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করছি ,কিনছি সেগুলোও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে কেনা বা নেওয়া। যেমন আমার জামাটা হয়তো হিন্দুর কাছ থেকে কেনা। আমি গাড়ী চড়ে বাজারে গেলাম হয়তো গাড়ীর মালিক খ্রিষ্টান। যে টিভি প্রিজ ফ্যান ব্যবহার করছি। তা হয়তো হিন্দু খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার। মানে আমরা সমাজের লোকেরা একে অপরের উপর নির্ভরশীল। যে আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিল তিনি দ্বিনি এলাহী ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন ।তার পরেও আমার বাংলা সনের ব্যবহার করছি। আমরা মুসলমানরা ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছি। জীবনের প্রয়োজনে আমরা মুসলমানরা খ্রিষ্টানদের দেওয়া টেকনলোজি ব্যবহার করছি।

যিনি পৈহেলা বৈশাখকে লাথি মারলেন । ইংরেজি মাসের প্রথম দিনটি উদযাপনের উপর লাথি মারলেন । তিনি ঠিকই ইংরেজি মাসের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করবেন। হিন্দুদের মাধ্যয়ে উন্নতি লাভ করা -বাংলা ভাষায় কথা বলবেন।
নীচে দুটি ভিডিওতে দেখবেন একজন হুযুর বলছেন -পৈহেলা বৈশাখের উপর লাথি মারি। মানে পৈহেলা বৈশাখ পালন একবোরেই না যায়েজ।
আরেকজন হুযুর বলছেন যে দোয়া খায়ের ও আদব কায়দার মাধ্যমে পৈহেলা বৈশাখ পালন করে যাবে।
এখন কথা হল যে -পৈহেলা ব্শৈাখ পালন যে হারাম বা নিষেধ তা মেনে নিলাম। কিন্তু হুযুর আপনার ভাষা যে কতটুুকু বর্বর তা ভেবে দেখবেন কি? আপনি যে ভাষায় কথা বলে হিন্দুদের গালি দিচ্ছেন ।জানেন হিন্দুরা এই ভাষার কে? অল্পবিদ্য ভয়ঙ্করি। উত্তম ভাষায় কথা বলুন। আপনি যেটা ভাল বুঝেন -সেটা প্রচার করুন । কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ভাষা অশালীন করবেন না। [yt|https://www.youtube.com/watch?v=qBHp5HLFZas]





http://www.somewhereinblog.net/blog/KHALID1223/30193568#nogo

ier


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আর সঙ্গে রইলো শুভেচ্ছা।

glqxz9283 sfy39587p07