Skip to content

সৌদিআরবে নারীধর্ষণ সবসময় জায়েজ!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



সৌদিআরবে নারীধর্ষণ সবসময় জায়েজ!
সাইয়িদ রফিকুল হক

সৌদিআরবে আবার বাংলাদেশী-নারী ধর্ষিত হয়েছে। মেয়েটিকে ৩০হাজার টাকা বেতন দেওয়ার কথা বলে তাকে মাত্র ১০-১২ হাজার টাকা দিয়ে তার সর্বস্বহরণ করা হয়েছে। মেয়েটি সারাদিন সৌদিনাগরিকের বাসায় কাজ করতো। আর রাতে একটু বিশ্রামের আশা করতো। তবুও সে এই অমানুষদের কাছে দিনে-রাতে কোনো সময় বিশ্রাম পেতো না। আরবের ওই খান্দানি মুসলমান-পাঁঠা শুধু নিজেই মেয়েটিকে ভোগ করতো না। সে একইসঙ্গে তার ৪ ছেলেকেও এই ভোগের কাজে লাগিয়েছিলো। ভাবতে অবাক লাগে: এই শূয়রদের কোনো ধর্ম আছে? আর এরাই নাকি আবার মুসলমান? শুধু এই একটি ঘটনা নয়—এরকম শত-শত ঘটনা ঘটছে সৌদিতে। আজ, কাল, পরশু এবং আগামীদিনেও এমনটিই ঘটতে থাকবে। কারণ, এরা সৌদিআরবের লোক! আর এদের কোনো পাপ নাই! এতোকিছু দেখার পরও বাংলাদেশের অনেক হারামজাদা আজকাল-এখনও ভাবে—সৌদিরা সম্পূর্ণ নির্দোষ!

সৌদিআরবের পাঁঠাগুলো সবসময় নারীধর্ষণে ব্যস্ত। ওদের কাছে ধর্ম মানে যৌনাচার। আর যে যতো যৌনকাজে নিয়োজিত হতে পারবে—সে ততো ধার্মিক। আর ওরা মনে করে থাকে: ওদের নামাজ-রোজা আর লোকদেখানো হজ্জ ওদের সব পাপ ধুয়ে-মুছে সাফ করে দিবে। তাছাড়া, ওরা কাবাশরীফের দেশের লোক। ওদের জন্য ধর্ষণ জায়েজ! এইজন্য ওরা জিনাব্যভিচার আর ধর্ষণকে নিজেদের জন্য হালাল বলে ঘোষণা করেছে। আর এশিয়ার যেকোনো অঞ্চলের কোনো মুসলমান সৌদিআরবে গিয়ে সামান্যতম কোনো ভুল করলে তাদের কতবার শিরোচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু এই শূয়রগুলো যখন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দরিদ্র-দেশের মুসলিম-মেয়েদের গৃহপরিচারিকার কথা বলে সৌদিআরবে নিয়ে গিয়ে রীতিমতো রুটিন করে বাপ-বেটা, ভাই-বন্ধু মিলেমিশে ধর্ষণ করে—তখন এদের শিরোচ্ছেদ করা জায়েজ হয় না? বরং এদের জন্য রয়েছে নানারকম পুরস্কার! আর যত শাস্তি এশিয়ার দরিদ্র-মুসলমানদেশগুলোর কর্মজীবী-মানুষদের জন্য। এই হলো সৌদিদের ধর্ম।

সৌদিআরবের লোকগুলো ভালো ছিল কবে? ওদের পূর্বকালের ইতিহাস ‘আইয়ামে জাহেলিয়া’ আর বর্তমান-ইতিহাস ‘আইয়ামে মুজ্জাহেলিয়া’। অর্থাৎ, এখনকার সৌদিনাগরিকরা আরও বড় জাহেল। এরা সভ্যসমাজে চলাফেরা করার একেবারে অযোগ্য। এদের মধ্যে সামান্যতম মনুষ্যত্ব আছে কিনা সন্দেহ। এদের মাথায় সারাক্ষণ খুন-ধর্ষণ, আর ব্যভিচার ঘুরপাক খাচ্ছে। তেলের টাকার গরমে তারা নিজেদের জন্য ব্যভিচার ও ধর্ষণকে আজ জায়েজ বলে স্বীকার করে নিয়েছে, এবং তারা সুদীর্ঘকাল-যাবৎ ব্যভিচারের পথেই হাঁটছে। এরা ইসলাম বলতে বোঝে শুধু বিয়ে আর নারীসম্ভোগ। এদের জীবনে শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান প্রভৃতির কোনো কদর নাই। তেলের টাকার গরমে আজ এদের শরীর প্রচণ্ড গরম। আর এই গরমে সৌদিআরবের অধিকাংশ লোকই এখন ব্যভিচারে আসক্ত।

সৌদিনাগরিকরা জিনাব্যভিচার কিংবা ধর্ষণকে কোনো অপরাধ বা গুনাহের কাজ মনে করে না। অধিকন্তু, এরা মনে করে থাকে: এটি দ্বারা তার ঈমান আরও পাকাপোক্ত হবে। তাই, সে তার একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও পরনারীতে-অন্যনারীতে-গৃহপরিচারিকাদের সঙ্গে জোরপূর্বক যৌনাচারে লিপ্ত হয়ে থাকে।
সৌদিআরবে ধর্ম কোথায়? যা আছে সে তো লোকদেখানো। এরা দিনের বেলা দলবেঁধে লোকদেখানো নামাজআদায় করে থাকে। আর বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে ঘটা করে হজ্জপালন করে থাকে। আর মাঝে-মাঝে তাদের পাপমোচনের জন্য ওমরাহজ্জপালন করে থাকে। কাবাঘরের পাশে রক্ষিত একসময়কার সাদাপাথরটি আজ তাদের পাপশোষণ করতে-করতে একেবারে কৃষ্ণবর্ণধারণ করেছে। আর এই পাপশোষণের লোভে তারা আজও পাপ করে যাচ্ছে।

সৌদিআরবের লোক পাপকে পাপ মনে করে না। তারা মনে করে থাকে: পাপ তো অনারবদের (আরবের বাইরের লোকদের) জন্য। আর তারা—যারা সৌদিআরবে জন্মেছে তারা বিনা হিসাবে বেহেশতে যাবে। আর আটটি জান্নাত সৌদিনাগরিকদেরই দখলে থাকবে। আর তাদের দৃষ্টিতে বর্তমান-সৌদিআরবও একটি জান্নাত। আর জান্নাতে আছে ৭০-৭২ জন করে হুর। আর তাই, জান্নাতের স্টাইল ফলো করে তারা এখন (দুনিয়াতে তাদের অসংখ্য স্ত্রী থাকতেও) অন্যনারীদের হুর মনে করে তাদের মনের সুখে ধর্ষণ করছে। তারা আরও মনে করে থাকে: বেহেশতে যেমন খুশি তেমন নারীসম্ভোগ করা যাবে—আর সেখানে কোনো বাধা নাই। সৌদিআরবও একটি বেহেশতো। তাই, এখানেও তাদের ইচ্ছেমতো তারা যখন-তখন যেকোনো নারীভোগ করতে পারবে। এই হলো আজকের সৌদিদের ধ্যান-ধারণা। আর এর উপর ভিত্তি করেই চলছে তাদের যৌনসন্ত্রাস।



সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২৭/০১/২০১৭

glqxz9283 sfy39587p07