Skip to content

ইন্টারনেট হোক আমার জান্নাতের ওসীলা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও আগেও বলেছি
আর এখনো বলি ফেসবুক হোক আমাদের জান্নাতের ওসীলা।
অনেকে আমায় প্রশ্ন করে কোন হাদিসে কি আছে জান্নাত পেতে হলে ফেসবুক চালাতে হবে!
আর যারা এই প্রশ্নগুলো করে তারা কিন্তু মার্কা মারা মুসলমান,আর তারাও ফেসবুক ব্যবহার করে বিভিন্ন নামে,আমার মনে হয় তারা বোধহয় জান্নাতের ভিখারি না,
কারন ফেসবুক যদি জান্নাতের বিপরীত হয় তবে তো জাহান্নামের পথ,আর তারা বুঝি জাহান্নাম চায়!

এখন আসুন তাদের কি বলি,
শুনেন ভাই/বোন।
ইসলাম কিন্তু একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি,এর জন্য অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়েছে,অনেককে শহীদ হতে হয়েছে ইসলাম দীন কায়েম করতে,অনেক নববধূর মেহেদি রাঙ্গানো হাত না শুকাতেই স্বামীকে জিহাদের ময়দানে যেতে হয়েছে আর তারা ফিরেনি,
অনেকে তো স্বামীকে ভালোমতো দেখতেই পারেনি।
অনেকে নির্যাতিত হয়েছে,
অনেকের হাত,ছোট বাচ্চা,যুবক ছেলে অনেকের সম্পদহারা হতে হয়েছে ইসলাম কায়েম করতে,আর এই ত্যাগের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আজকের ইসলাম,নবী সাঃ বলেছেন প্রচার করো যদি একটি আয়াত ও হয়,যেহেতু ফেসবুক বর্তমানে যোগাযোগ ও প্রচারের সার্বজনীন একটি মাধ্যম তাই আমার উদ্দেশ্য ইসলামিক কিছু প্রচার করা,
আর যদি আল্লাহ কবুল করেন তো আমি সফল।


অনেকে প্রশ্ন করে ইসলাম যেহেতু আল্লাহর মনোনীত ধর্ম তাহলে আল্লাহ রক্ষা করছেনা কেন!
আরে ভাই আল্লাহ রক্ষা করলে তো জান্নাত যাওয়া সোজা হয়ে যেত,তাহলে তো কঠিন পরীক্ষার দরকার পরতোনা,আর দরকার হতোনা জাহান্নামের।নিশ্চই আল্লাহ সবরের মাধ্যমে বান্দাকে পরীক্ষা করে,আর যে সবরে অটল থাকে সেই হয় কামিয়াবি।

এক ভাই আমায় বলেছিলেন আমি জান্নাত দেখিনি তাই না দেখাতে আমি বিশ্বাসী না,উনাকে যখনি বলি আপনি তো আপনার বাবাকেও দেখেন নি তাহলে বিশ্বাস করেন কেন?
তখন তিনি জবাব দেয় আমি এটা DNA টেষ্ট করে চিনতে পারবো।
ব্যস ভালো তো আপনি কি আপনা আপনি আসলেন?
তার জবাব মায়ের গর্ভ থেকে,
মা কোথা থেকে?
তার মা থেকে,
তার মা?
তার মা থেকে!
সর্ব প্রথম আপনার জন্ম চক্র কোথা থেকে?
তিনি আর বলেনা,তখন তার পাল্টা প্রশ্ন সৃষ্টিকর্তা আসলো কোথা থেকে,
আপনি তাদের যতোই বোঝান সৃষ্টিকর্তা এমন এক সত্তা যিনি অনাদি ও অনন্ত,চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী,তিনি সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা।
তিনি মানবেনা।
তিনি আপনাকে এমনো প্রশ্ন করবেন যার জবাব আপনি সারা জনম সারা দুনিয়া অন্বেষণ করলেও পাবেন না,যেমনটা পবিত্র কুরআনের কিছু হরফ আছে যার ব্যাক্ষা স্বয়ং আল্লাহ ছারা কেউ জানেন না,উদাহারনস্বরুপ:(الٓمّٓٓ,قٓ‌‌ۚ,يٰسٓ,حٰمٓ)
তারা বার বার একই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করবেন,আপনি যতোই তাকে বোঝান এগুলো আমি কেন আমার চৌদ্দগুষ্টি আসলেও বলতে পারবেনা,তারা মানবেনা আপনার কথা,
তাদের একটাই জবাব আগে এর ব্যাক্ষা আনো,তারপর বাকি প্রসঙ্গ।
তারা এটা দেখবেনা যে আল্লাহ কতো মহব্বত সহকারে আমাদের মাতৃগর্ভে রেখেছিলো,যেখানে ছিলোনা কোন অক্সিজেন,ছিলোনা খাদ্য,ছিলোনা পর্যাপ্ত জায়গা,তবুও আমরা একসময় সেখান থেকে এসেছি,
তারা দেখবে বাচ্চাটি কেনো বিকলাঙ্গ হলো,আল্লাহর সাথে মাসুম বাচ্চাটির তো কোন দন্দ ছিলোনা,যদি আল্লাহ বলে কেউ থাকে আর যদি তিনি দয়াবান হোন তাহলে তো দয়াবানরা এমন কিছু করতে পারেনে,বাচ্চাটি নিষ্পাপ অথচ বিকলাঙ্গ এটা কেমন দয়ালুর কাজ,আপনি যতোই তাদের বোঝাবেন এটাও আল্লাহর একটা খেলা,তারা কখনো মানবেনা।

তারা ডকুমেন্ট চাইবে আপনার কাছে,এটা কোন সুরায় লিখা আছে,কতো নম্বর আয়াত,যদিও তারা কুরআনে বিশ্বাস করেনা।

এমন পরিস্থিতিতে আমি অনেকবার পরেছি,কিন্তু আমি কুরআনের সেই আয়াতটা মেনে আর তাদের সাথে প্যাচাল পারিনা যেটাতে লিখা আছে,
"মূর্খদের সাথে তর্ক করোনা"
••••••••••••••••••••••••
মোঃরাব্বি সাহিদি সারোয়ার হোসেন।
Sahidesarwar@yahoo.com

glqxz9283 sfy39587p07