Skip to content

সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীর ক্ষমতা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন আইন প্রণেতা হয়েও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীর সাথে একই মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন সুনামগঞ্জ -১ আসনের মাননীয় সংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। থানা পুলিশ ও এক উপমন্ত্রির উপস্থিতিতে থানা চত্বরে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে মঞ্চে নিয়ে এমপি রতন সমাবেশ করেছেন। একজন আইন প্রণেতা হয়ে পলাতক আসামীকে নিয়ে তিনি কি ভাবে সমাবেশ করেন তা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে। ধর্মপাশার মধ্যনগর থানা ভবন চত্বরে শনিবার বিকেলে থানা আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশ মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন আদালত কর্তৃত চেক ডিজওনার মামলার ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী এমপি রতনের ঘনিষ্ট বন্ধু ও আ’লীগ সদস্য অমরেশ চৌধুরী। তিনি মধ্যনগর থানা সদরের প্রয়াত অনন্ত চৌধুরীর ছেলে।’
মামলার বাদী ও মামলার পরিচালনাকারী আইনজীবীর সুত্রে জানতে পারলাম, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের মুক্তারপাড়ার মৃত বাহা উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের নিকট থেকে ২০১৬ সালে কয়লা-ধানের ব্যবসায় বিনিয়োগ করার কথা বলে একই জেলার মধ্যনগরের প্রয়াত অনন্ত চৌধুরীর ছেলে অমরেশ চৌধুরী ১৩ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে অমরেশ চৌধুরী সুনামগঞ্জ প্রাইম ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবের অনুকুলে ৭ এপ্রিল ২০১৬ সালে ১৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করলে ওই টাকা ব্যাংকে নগদায়ন না হওয়ায় তিনি সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। দায়রা মামলা নং ১৯১/২০১৭ ইং। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৫ অক্টোবর প্রতারণার দায়ে অমরেশ চৌধুরীকে সুনামগঞ্জ জেলা যুগ্ন জজ (প্রথম) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ১৩ লাখ টাকা পরিশোধ ও ৬ মাসের করাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরপর আদালত থেকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হয়ে সংশ্লিস্ট থানায় অমরেশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়।
https://blog.bdnews24.com/tmp-cam-1454523466#

মামলার বাদী ও মামলার পরিচালনাকারী আইনজীবীর সুত্রে জানতে পারলাম, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের মুক্তারপাড়ার মৃত বাহা উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের নিকট থেকে ২০১৬ সালে কয়লা-ধানের ব্যবসায় বিনিয়োগ করার কথা বলে একই জেলার মধ্যনগরের প্রয়াত অনন্ত চৌধুরীর ছেলে অমরেশ চৌধুরী ১৩ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে অমরেশ চৌধুরী সুনামগঞ্জ প্রাইম ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবের অনুকুলে ৭ এপ্রিল ২০১৬ সালে ১৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করলে ওই টাকা ব্যাংকে নগদায়ন না হওয়ায় তিনি সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। দায়রা মামলা নং ১৯১/২০১৭ ইং। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৫ অক্টোবর প্রতারণার দায়ে অমরেশ চৌধুরীকে সুনামগঞ্জ জেলা যুগ্ন জজ (প্রথম) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ১৩ লাখ টাকা পরিশোধ ও ৬ মাসের করাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরপর আদালত থেকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হয়ে সংশ্লিস্ট থানায় অমরেশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়।
অমরেশের বিরুদ্বে জুডিসিয়াল আদালতে মামলা দায়েরের পরই সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ও সাজাপ্রদানের পর যুগ্ন জেলা জজ (প্রথম আদালত) থেকে পুন:রায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ও মধ্যনগর থানাতেও গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির পর তিনি থানা পুলিশের নিকট ফেরার হলেও সুনামগঞ্জ -১ আসনের সংসদ এমপি রতনের ঘনিষ্ট জন ও বন্ধু হওয়ার সুবাধে নির্বাচনী এলাকাতে প্রায়ই থানা পুলিশ ও এমপির উপস্থিতিতে তিনি সরব পদচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাকে পুলিশ গ্রেফতার করছেনা কেন?’
পুলিশের চোখে ফেরারি হলেও শনিবার বিকেল চারটার দিকে মধ্যনগর থানা আ’লীগের উদ্যোগে খোদ থানা চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্যও রাখেন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী অমরেশ চৌধুরী। ওই সমাবেশে গিয়াস উদ্দিন নুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ রতন এমপি সহ দলীয় নেতাকর্মীগণ।’ সাজাপ্রাপ্ত আসামী শুধু বক্তব্য দিয়েই ক্লান্ত থাকেননি সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে ও থানা পুলিশকে বিতর্কিত করতে সমাবেশের পুর্বে থানা ভবনের ভেতরে বসে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সেলফি তুললে সেই সেলফি দলীয় নেতাকর্মীরাই বিকেলে সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী থানা পুলিশের সামনে সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে আইনের প্রতি আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিজের ক্ষমতার জানান দিয়েছে। অন্যদিকে একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি থানা পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে পুলিশকে জনগণের নিকট বিতর্কে ফেলেছে। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করা, সভা সমাবেশে থানা পুলিশের সামনেই উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করাটা আইন পরিপন্থি কাজ নয় কি? এর দায় পুলিশ প্রশাসন এড়াতে পারবে কি??

glqxz9283 sfy39587p07