Skip to content

চীনের বাঁধ বাঙলাদেশের জন্য মরণফাঁদ : বামেরা চুপ কেনো ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চীন এবং আমেরিকা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং পাকিস্তান আমাদের জানি দোস্ত। কারণ ১৯৭১ সালে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ হয়েছে বলে সেটা তো আর চিরকাল একইভাবে থাকতে পারে না। তখন চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করে বাঙলাদেশের স্বাধীনতা-যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলো। আর আমেরিকা যার বন্ধু তার তো শত্রুর দরকার নেই।

বাঙলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করে দিতে যুদ্ধজাহাজ সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করেছিল তারা। ভাগ্যিস সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের পক্ষে ছিল, তাই নৌবহরকে ফিরে যেতে হয়েছিল। এই সকল উদ্যোগে ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশাল ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু তাতে কী? তিন দোস্ত থাকতে ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে আমরা বন্ধু ভাববো কেন? যে ভারত পেয়ারা পাকিস্তানকে ভেঙে দুই ভাগ করে দিয়েছে, তাদের বন্ধু ভাবার তো কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ভাগ্য ভাল, পূর্বের সোভিয়েত ইউনিয়ন বর্তমানে রাশিয়া আমাদের থেকে অনেক দূরে, তাই তাকে নিয়ে তেমন বাতচিৎ নেই।

কিন্তু ভারত আমাদের নিকট প্রতিবেশী এবং নানা কারণে তাদের সঙ্গে আমাদের ছোটখাটো বিরোধ লেগেই আছে। আর বিএনপি-জামাত জোটের রাজনীতি যেহেতু ভারতের ওপর নির্ভরশীল, তাই সমস্ত দোষ শুধু ভারতের। বিএনপি-জামাত কি আসলেই ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ নাকি নিজেদের চাঙ্গা রাখার জন্য তারা ভারত-বিরোধিতা করে যাচ্ছে! কিন্তু জনগণ তো তাদের এই কারণ-অকারণ বিরোধিতাকে খাচ্ছে না। যদি তাই না হবে তা হলে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কথা বলেও জাতীয় নির্বাচনে তাদের এমন ভরাডুবি হলো কেমন করে?

অবশ্য ভারত-বিরোধিতা ছাড়া তাদের আর করণীয়ই বা কি আছে? রাজনীতি করতে গেলে তো একটা মজবুত ভিত্তি চাই। তারা তাই ভারতকেই টার্গেট করে তাদের রাজনীতি চালিয়ে গেছে, চালিয়ে যাবে। এর আর একটি কারণ আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের নিরঙ্কুশ সহযোগিতাও। বিএনপি-জামাত জোটসহ মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী দলগুলো পাকিস্তানের ভাঙন মেনে নেয়নি, এখনও নিচ্ছে কিনা তাতে সন্দেহ আছে। কারণ তারা মনে করে ভারত সহযোগিতা না করলে তাদের পেয়ারা
পাকিস্তান এভাবে দু’টুকরো হয়ে যেত না। অতএব ভারতকে কোনও অবস্থাতেই ক্ষমা করা যায় না।

তাদের ক্ষোভ ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র ও ট্রেনিং দিয়ে গেরিলাযুদ্ধের পথকে সুগম করেছিল, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সারা বিশ্ব সফর করে বাঙলাদেশের অনুকূলে জনমত গঠন করেছিলেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বাঙলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় দশ হাজার সৈন্য জীবন দিয়েছিল। অতএব ভারত আমাদের প্রধানতম শত্রু। তাই শত্রুর সঙ্গে কেউ কোনও রকম আপস করতে চাইলে তাকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করা ছাড়া তাদের অন্য কোনও উপায় থাকে না। ভারত এখন পরাশক্তি, তাদের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ করে পারবো না। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ভারত-বিরোধিতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে, জাতিসংঘে কিংবা আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়া ছাড়া আর কী পথ আছে? অর্থাৎ ভারতকে বাঙলাদেশ কোনওরকমেই ছাড় দেবে না।

পাকিস্তান একাত্তর সালে আমাদের সঙ্গে কী করেছে, আমাদের মা-বোনদের সঙ্গে কী আচরণ করেছে, আমাদের কত লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে, এককোটি মানুষকে দেশান্তরী করে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য করেছে, আমাদের প্রাপ্য হাজার হাজার কোটি টাকা ফেরত দেয়নি, দেশে ফিরে যেতে উদগ্রীব কয়েক লক্ষ পাকিস্তানি অবাঙালিকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে যাচ্ছে, তবু সে আমাদের প্রাণের বন্ধু। আর চীন তো গোটা নয় মাস বাঙলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙলাদেশ যাতে ভারতের সহযোগিতায় কিছুতেই স্বাধীন হতে না পারে, তার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে গেছে। আর আমেরিকা হচ্ছে সারা পৃথিবীর মোড়ল। তারা যা বলবে, তাদের সেই কথা না শুনলেই তাদের বিরুদ্ধে যত ধরনের ষড়যন্ত্র আছে, তা করতে একটুও দ্বিধাবোধ করবে না।

একাত্তরে তারা তাই করে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, আজও তারা গোপনে গোপনে আমাদের মতো অসহায় দেশগুলোর ওপর মোড়লগিরি করে, প্রয়োজনবোধে তাদের সিআইএ-কে কাজে লাগিয়ে আলেন্দে থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু পর্যন্ত কাউকেই তারা হত্যা করতে একটুও কুণ্ঠিত হয় না। এখন এই পাকিস্তান, চীন এবং আমেরিকা আমাদের জানকা জান, আর ভারত আমাদের চিরকালের শত্রু।

হ্যাঁ, এটা তো সত্যি কথা, কোনও একটা দেশ একদিন শত্রু ছিল বলে চিরকালই তার সঙ্গে শত্রুতা থাকবে, সেটা কোনও কাজের কথা নয়। সেই কবে একাত্তরে কে কি করেছিল সেসব কথা মনে রাখলে চলে? তাই আমরা অনেককিছুকেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে দিচ্ছি। ভুলে যাচ্ছি আল-বদর, রাজাকারের কথা, ভুলে যাচ্ছি ত্রিশ লক্ষ শহীদের কথা, তিন লক্ষ মা-বোনকে ধর্ষণের কথা। আর যেই হোক, এই কাজ তো কোনও বিধর্মীরা করেনি, করেছে আমাদের ভাইকা ভাই, দোস্তকা দোস্ত।! তাই তাদের ক্ষমা করার মধ্যে ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের অনুরাগ আছে, ভালবাসা আছে, আছে প্রাণের ভেতরকার অন্তরঙ্গ টান। বাঙালি কি এতটাই বিস্মৃতিপ্রবণ জাতি? যদি তাই না হয়, তা হলে আমরা এত তাড়াতাড়ি মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া বহু বেদনার কাহিনী এমনভাবে ভুলে যেতে পারি? আজকের প্রজন্মের যারা তরুণ, তারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তারা জানে না, কত রক্ত, কত ত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাঙলাদেশ পেয়েছি।

এই এতগুলো কথা বললাম, বর্তমানে চীনের ভূমিকা নিয়ে বাঙলাদেশের কোনও রাজনৈতিক দল কোনও কথা বলছে না বলে। বিএনপি-জামাত বলবে না, কারণ চীন তাদের পরানের গহীন ভিতরে অবস্থান করছে। ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করে বাঙলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে! অতএব তাদের বিরুদ্ধে মালকোচা মেরে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য বিএনপি-জামাত জোট রণমূর্তি ধারণ করে বসে আছে। কিন্তু চীন যে গোটা বাঙলাদেশটাকেই মরুভূমি বানিয়ে ফেলতে চাইছে, তা নিয়ে এদের কণ্ঠে কোনও কথা নেই। চীন এখন ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে তাদের গোবি মরুভূমিকে সবুজায়ন করার জন্য পানি প্রত্যাহার করে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাঙলাদেশের যমুনা নদী এবং বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ নদ ব্রহ্মপুত্র সম্পূর্ণরূপে শুকিয়ে যাবে, বন্ধ হয়ে যাবে উজান থেকে প্রবাহিত ৪৯ শতাংশ পানির প্রবাহ। বেড়ে যাবে বঙ্গোপসাগরে পানির লবণাক্ততা, এমনকি বদলে যাবে দেশের চাষযোগ্য জমির অভ্যন্তরীণ গঠনও। ধ্বংস হয়ে যাবে জীববৈচিত্র্য, পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ভূমিকম্প ও দুর্ভিক্ষে মারা যাবে বাঙলাদেশ ও ভারতের কোটি কোটি মানুষ। এই দুই দেশের ১০০ কোটির মতো মানুষ পড়বে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে।

সাংপো নদীতে বাঁধ দেয়ার পরিকল্পনা চীন বহুদিন আগে থেকেই করে আসছিল। ১৯৮৮ সালে লি পেং যখন চীনের ক্ষমতায়, তখন থেকে শুরু করে ১৯৯৮ সালের মধ্যে নেয়া চীনের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। সেই উদ্যোগ রূপায়িত হচ্ছে চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্টের সময়েও। চীনের গৃহীত এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ১০টি বৃহৎ নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা। তা ছাড়া ওখান থেকে প্রাপ্ত পানি কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা নদী দিয়ে প্রবাহের মাধ্যমে মরুভূমিকে সৃষ্টি করা হবে কৃষিজমিতে। এর মধ্যে সিন্ধু নদীতে বাঁধ দেয়ার কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র, মেকং ও সানঝিসহ ১০টি নদীতে বাঁধ দেয়ার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বাঙলাদেশের পরিবেশবিদদের অনেকেই বলেছেন, চীনের এ কার্যক্রমের ফলে ব্রহ্মপুত্রের পানি একেবারেই নিঃশেষিত হয়ে যাবে এবং জীববৈচিত্র্য, অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প ও আবহাওয়ার যে ক্ষতি হবে তাকে মোকাবেলা করার সাধ্য বাঙলাদেশের নেই। চীনের এই বাঁধ দেয়া সম্পন্ন হলে বাঙলাদেশ ও ভারতের নদীভিত্তিক সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।

এই বাঁধের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটড প্রেস (এপি)-এর একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চীন ব্রহ্মপুত্র নদীতে বাঁধ দেয়ার এমন এক প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে যা বিস্ময়ের দিক থেকে ১ হাজার ৫০০ মাইলের চীনের মহাপ্রাচীরকেও ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের কথা মনে রেখেও তাদেরকে তোয়াক্কা না করেই চীন তার প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রতিজ্ঞা নিয়েই মাঠে নেমেছে। তিব্বতের বার্তা সংস্থা ‘দ্য তিবেতান’-এর রিপোর্ট থেকে জানা যায়, চীন সাংপো নদীতে বাঁধ দিলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তিব্বত, ভারতের আসাম, মিজোরাম, অরুণাচল এবং সম্পূর্ণ বাঙলাদেশ।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা অনুপাতে তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা খাদ্য ও পানি। খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে চীনের প্রয়োজন বসতি স্থাপনোপযোগী জায়গা এবং কৃষিজমির আয়তন বাড়ানো। সে-কারণেই তারা অব্যবহৃত জমি ও তাদের মরুঅঞ্চলকে মানুষের বসবাস-উপযোগী করার জন্য কৃষিজমির প্রয়োজন বোধ করছে। এ জন্য তারা শুধু বাঁধ নয়, পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কৃত্রিম খাল তৈরির মাধ্যমে গোবি মরুভূমিতে পানির প্রবাহ তৈরি করে সেখানে ফসল উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে চায়। চীন মনে করে এর ফলে তাদের পক্ষে কৃষিজমির পরিমাণ কয়েক লক্ষ হেক্টর বাড়ানো সম্ভব হবে। শুধু ব্রহ্মপুত্রই নয়, হিমালয় থেকে ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে নেমে আসা নদীগুলোতেও বাঁধ দিচ্ছে চীন।

তিব্বতের বিভিন্ন হিমবাহ থেকে উৎপন্ন এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত সব নদীকে পূর্ব-পশ্চিমে প্রবাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। অথচ ২৯৫৭ কিলোমিটার ব্রহ্মপুত্রের মাত্র ৮৭৭ কিলোমিটারের মালিক চীন। তিব্বতের কৈলাশশৃঙ্গে উৎপন্ন হওয়া নদীর যে জায়গাটিতে চীন বাঁধ দিচ্ছে তার নাম সাংপো হওয়ায় বাঁধটিরও নাম দেয়া হয়েছে সাংপো বাঁধ, চীনে যেটি পরিচিত ইয়ার লং সাংপো নামে। আণবিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে চীন যে কৃত্রিম নদী সৃষ্টি করছে, সেটি খননের নাম দেয়া হয়েছে পিসফুল নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোশন।

১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-এ প্রচারিত ‘ডাই ওয়েল্ট’ (দি ওয়ার্ল্ড) নামের এক প্রতিবেদনে সাংপো বাঁধের প্রধান পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক চেন চুয়ানয়ুর একটি সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতে জন্ম নিয়ে ভারতে প্রবেশের আগে যেখানে অশ্বক্ষুরাকৃতিভবে বাঁক নিয়েছে, ঠিক তার আগেই ওই বাঁধ নির্মাণ করে হিমালয়ের মধ্য দিয়ে ১৫ কিলোমিটার কৃত্রিম নদী তৈরির মাধ্যমে পানিকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত করা হবে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্রের ২০০ কিলোমিটারের মূল গতিপথ বদলে যাবে। আর এখান থেকে পানি পাম্পিংয়ের মাধ্যমে চীন ৪০ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে এবং লাখ লাখ হেক্টর মরুভূমি সবুজ ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। প্রকৃতপক্ষে এই বাঁধ তৈরি করে চীন সারা পৃথিবীর বিরুদ্ধেই এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ আতংকিত ও শংকাগ্রস্ত। কিন্তু তা নিয়ে চীনের কোনও মাথাব্যথাই নেই। অথচ এমন এক সময় ছিল, যখন চীনের পক্ষ থেকেই সাংপো নদীর ব্যাপারে এমন এক নিষেধাজ্ঞা ছিল, যাতে এই নদীতে কোনওভাবেই হাত দেয়া না হয়। কারণ যুগ যুগ ধরে চীনারা ব্রহ্মপুত্রের এ এলাকাকে সাংগ্রাই বা দেবদেবীর এলাকা বলেই জানতো। তাই এ এলাকাটি সম্পর্কে প্রকৌশলীদেরও তেমন ধারণা ছিল না।

কিন্তু ১৯৯০ সালে বিশ্বায়নের ফলে চীনারাও তাদের কমিউনিস্ট খোলশ থেকে বেরিয়ে আসে। বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দেয়ার জন্য পুঁজিবাদী দেশের মতো তারাও বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে। তাই ১৯৪৯ সালে চীনা নেতাদের, বিশেষভাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হো ইং চীনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নেয়া মাল্টি বিলিয়নের সাংপো বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে ২০০৯ সালে। ২০০০ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে এক সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে সে সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপাই এ ব্যাপারে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে ভারতের উদ্বেগের কথা জানান। সেই পর্যন্তই। এরপর ভারতের পক্ষ থেকেও আর তেমন উচ্চবাচ্য করা হয়নি। আর বাঙলাদেশ তো বোবা ও বধির হয়ে গেছে। এই বাঁধের সঙ্গে যেখানে বাঙলাদেশের বাঁচা-মরার প্রশ্ন জড়িত, সেখানে এখানকার অধিকাংশ রাজনৈতিক দল কিংবা পরিবেশবিদ একেবারে নিশ্চুপ। এমনকি যে বিএনপি-জামাত ভারতের টিপাইমুখ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফেলছেন, তাদের কণ্ঠেও কোনও আওয়াজ নেই।

আমাদের তথাকথিত মার্কসবাদীরা তো চীনের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে জিভ বেরিয়ে যায়। এমনকি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারও এ ব্যাপারে তেমন একটা উচ্চবাচ্য করছে না। যদিও মাত্র কয়েকদিন আগে নওগাঁ-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সংসদের চলতি অধিবেশনে ৭১ বিধিতে এক মনোযোগ আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পররাষ্ট্র, পরিবেশ ও পানিসম্পদমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সাংপো নদীর ওপরে চীন বাঁধ দিলে ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদী সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাবে। এর ফলে বরিশাল, ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, নোয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জ এলাকার পানি অতিরিক্ত মাত্রায় লবণাক্ত হয়ে গিয়ে সুন্দরবনসহ এ এলাকার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে। এরপর থেকেই সরকার এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চীন যে একতরফাভাবে সাংপো নদীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীতে বাঁধ দিতে পারে না, তা জোরের সঙ্গেই ঘোষণা করেছেন। এ ছাড়াও নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান জাতীয় সংসদে এক লিখিত উত্তরে জানান, ব্রহ্মপুত্র নদে চীন কর্তৃক বাঁধ দেবার ফলে বাঙলাদেশের প্রকৃতিতে তো বটেই, এমনকি অর্থনীতিতেও ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে। বাঙলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলোর প্রবাহ নষ্ট হয়ে গিয়ে এখানকার অধিকাংশ অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হয়ে যাবে।

এমনিতেই বাঙলাদেশের নদীগুলোতে নাব্যতার সংকট রয়েছে, আস্তে আস্তে তা শুকিয়ে গিয়ে বাঙলাদেশকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে, সেখানে চীন পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে হলেও বাঙলাদেশ ও ভারতসহ পৃথিবীর বহুদেশকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যেই বাঁধ নির্মাণ শুরু করে দিয়েছে। অথচ বিএনপি-জামাত আর বাম দলগুলোর মুখে কথা নেই। কিন্তু কেন? ভয়? চীনকে আমাদের কিসের ভয়? ভারতকে ডিঙিয়ে এসে তারা কি বাঙলাদেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে নাকি? ভাবসাব দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের ওপর যে মহাবিপর্যয় নেমে আসছে, সেটা কোনও ব্যাপারই নয়। বিএনপি-জামাত এবং বাম দলগুলো ভাশুরের নাম মুখে আনবে না, আর তথাকথিত সমাজতন্ত্রীরা তো এখন রাশিয়াকে বাদ দিয়ে আধা পুঁজিবাদী চীনের দিকে আকুল নয়নে তাকিয়ে আছেন। তাদের পক্ষে আওয়ামী লীগের পেছনে লেগে থাকা সম্ভব, ভারতের বিরুদ্ধে লাগতে পারলে তো তাদের শরীরে জোশ এসে যায়, কিন্তু চীন তো আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু, তার বিরুদ্ধে তারা কথা বলবেন কি করে? অতএব বাঙলাদেশ গোল্লায় যাক, সমস্ত দেশ মরুভূমি হয়ে যাক, তাতে কোনও ক্ষতি নেই। যা হোক, তবু তো বাঁধটা দিচ্ছে আমাদের পেয়ারা দোস্ত একাত্তরে পাকিস্তানের প্রাণের দোসর এবং বাঙলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দুর্দান্ত সহচর চীন।

সম্ভবত এই সুযোগটা চীনকে দেয়াই উচিত বলে তারা মনে করে। বাঙলাদেশের বামদের প্রতিদিনের রুটিন ওয়ার্ক হচ্ছে ভারতকে গালি দেয়া। তা না হলে তার পেটের ভাত হজম হয় না। কিন্তু এদিকে চীন যে পুরো দেশটাকেই গ্রাস করতে চলেছে, তাতে সম্ভবত তার শরীরে এক ধরনের আনন্দের অনুভূতি জাগ্রত হচ্ছে। তারা ভাবছে তাদের কাজ একটাই, ভারতকে আক্রমণ করো আর আওয়ামী লীগকে ধসাও। কিন্তু তারা একটিবারও ভাবছে না, পুরো দেশটা মরুভূমিতে পরিণত হলে তারা ক্ষমতা দিয়ে কি করবেন? তখন কোথায় থাকবে বিএনপি-জামাত জোট, আর কোথায় থাকবে আওয়ামী লীগ বা অন্য দলগুলো? দেশ যদি না থাকে তা হলে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, নেতা, পাতিনেতা, এদের কোনও অস্তিত্ব থাকবে? এ নিয়ে কারও ভাববারও যেন সময় নেই। আসলে এরা সব সবকিছুই জানে ও বোঝে। এরা জ্ঞানপাপী। এখন তাদের পরিবেশবিজ্ঞানীরা কোথায় হাওয়া খেতে গেছেন? তারা কোনও কথা বলছেন না কেন? টিপাইমুখ বাঁধ দিলে আমাদের যেখানে ২%পার্সেন্ট ক্ষতি সাধিত হবে, সেখানে চীন সাংপো নদীতে বাঁধ দিয়ে বাঙলাদেশকে প্রায় মরুভূমি বানিয়ে ফেলার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করার পরও চীনের যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখে আমাদের নেতানেত্রীরা লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন। সমস্যাটা আমাদের সবচেয়ে বেশি।

ফলে আমাদের যেখানে খুব বেশি উচ্চকণ্ঠ হওয়ার কথা, সেখানে আমরা মনের আনন্দে নাকে তেল দিয়ে ঘুমুচ্ছি। আমাদের নেতানেত্রীরা বোধহয় ভাবছেন, ঘুমের মধ্যে যদি ঘটনা ঘটে যায়, তা হলে তারা তো তা দেখতে পাবেন না। তাই তাদের আবার ভয় কিসের? এদের মধ্যে তো আবার জাতীয়তাবাদী শক্তিও আছে, তারা নাকি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পাহারাদার। এখন যখন আমাদের গোটা জাতির সামনে ভয়াবহ বিপদ উপস্থিত এবং আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব মরুভূমির আগুনে দগ্ধ হতে চলেছে, তখন সেই তেজ এবং জোশ এখন আর দেখতে পাই না কেন? কারণ বাঁধটা তৈরি করছে চীন। আসলে সত্যিকার দেশপ্রেম থাকলে, দেশটাকে মাতৃভূমি মনে করলে আরও বহু আগেই এ ব্যাপারে শুধু প্রতিবাদ নয়, এটা বন্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। তারা মুখে যেটা বলে, কাজে যে সেটা করে না, তাদের পুরোটাই যে ভাঁওতাবাজী, জনগণ তা ইতোমধ্যেই বুঝে গেছে। সাংপো নদীতে বাঁধ হলে দেশটা তো মরুভূমিতে পরিণত হবেই, এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটলে বাকিটা জনগণই ‘জাতীয়তাবাদী’দের ভালো করে বুঝিয়ে দেবে।

এ ব্যাপারে আমাদের পরিবেশবাদীরাও স্পিকটি নট। যারা ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সময় পরিবেশ রক্ষার জন্য ওসমানী উদ্যানে গাছকে জড়িয়ে ধরে গাছ কাটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, যারা জলাশয় রক্ষায় এবং বুড়িগঙ্গা রক্ষার জন্য মানববন্ধন থেকে শুরু করে সব ধরনের কর্মকাণ্ডেই অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা এখন কোথায়? এত বড় একটা বিপর্যয়ের সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়ে তারা কিভাবে চুপ করে ঘরে বসে আছেন, সেটাই বিস্ময়ের বিষয়! আসলে এসকল প্রতিবাদ-প্রতিরোধের জন্য তাদের চাই আওয়ামী লীগের মতো একটা দল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্রের নামে, পরিবেশ রক্ষার নামে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে তাদের সুবিধে হয়, তারা এক একজন হয়ে ওঠেন অতিবিপ্লবী। কিন্তু চীন তো আগুন নিয়ে খেলা শুরু করে দিয়েছে, তাতে ঝাঁপ দিয়ে রাজনীতিবিদরা, পরিবেশবাদীরা শেষ পর্যন্ত জীবনটা দেবে নাকি? নিজের স্বার্থ পাগলেও বোঝে। আর এরা তো রাজনীতিবিদ-বুদ্ধিজীবী। নিজের নাড়ি টিপে তারা রাস্তায় বের হয়। কোথাও কোনও সংঘাত-সংঘর্ষ দেখলে তড়িঘড়ি ঘরে ঢুকে বিবৃতি দেয়াই এদের স্বভাব।

আসলে এই সব বুদ্ধিজীবীর পরিবেশ-সংক্রান্ত একটি অনুকূল বিষয় নিয়ে মাঠে নামতে সুবিধে হয়। তা ছাড়া চীন হলো পরাশক্তি। তাদের সঙ্গে বাঙলাদেশ পেরে উঠবে? তাই চুপচাপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। আমাদের এইসব সুবিধাবাদী রাজনীতিক এবং পরিবেশবাদীরা চায়, তাদের রান্নাটা অন্যে রেঁধে দেবে, আর তারা ডাইনিং টেবিলে বসে প্রাণের সুখে হালুয়া-রুটি খেয়ে যাবেন। এ কথাটা আরও বিশেষভাবে মনে হলো এ জন্য যে, এ নিয়ে বাঙলাদেশের কোনও হেলদোল না থাকলেও বিশ্ববাসী কিন্তু চুপ করে বসে নেই। আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক ডেভিড মন্টোগোমারি আশংকা প্রকাশ করেছেন, চীন এই বাঁধ দিলে এতে প্রকৃতির স্বতঃস্ফূর্ততা নষ্ট হয়ে যাবে। আবহাওয়া, জীববৈচিত্র্য, কৃষি ও জনজীবনে এর গভীর প্রভাব পড়বে। সুইজারল্যান্ডের আর এক পরিবেশবিদ ও গবেষক আলিভার ক্রোপ ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় লেখা তাঁর এক প্রবন্ধে বলেছেন, এটা দক্ষিণ এশিয়ার ১০০ কোটি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই তিনি এ ব্যাপারে চীনকে এই বাঁধ দেয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। ভারতও এখনও এ ব্যাপারে চীনের কাছে খুব জোর প্রতিবাদ জানায়নি।

তবে ভারত যে এ ব্যাপারে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকবে না, তা জোরের সঙ্গেই বলা যায়। তাদের প্রতিবাদও যে খুব দুর্বল প্রতিবাদ হবে না, সেটা বোঝা যায় বিশ্বব্যাংকের সাবেক ভাই প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সেরাগেলদিনের ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্য দিয়ে। তিনি তার ভবিষ্যদ্বাণীতে বলেছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি শুরু হয়, তা হলে তা হবে পানি নিয়ে। চীন যেভাবে সাংপো নদীতে বাঁধ দিয়ে ভারত ও বাঙলাদেশসহ বিশ্বকেও একটা বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তাতে করে ভারত বিশ্বের বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে চীনকে মোকাবেলা করার কাজে পিছপা হবে না। কারণ ভারত নিশ্চয়ই তার পুরো উত্তর-পূর্বাচল মরুভূমি হয়ে যাবে, তা কিছুতেই মেনে নেবে না। তার ফলে ভারতের সঙ্গে চীনের সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে। দুটি দেশই এখন পরাশক্তি। তাদের উভয়ের হাতেই রয়েছে পারমাণবিক বোমা। তা ছাড়া ১৯৪৯ সালেই চীনের নেতারা নিজেরাই এই যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন। ফলে এটা বুঝতে কোনই অসুবিধা হবার কথা নয়, চীন পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই মাঠে নেমেছে।

আমরা জানি না, এই সমস্যার সমাধান কিভাবে হবে। তবে যদি পানির জন্য চীন এবং ভারতের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যায় তা হলে বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিধর দেশ যে ভারতের পাশে এসেই দাঁড়াবে, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। কারণ একটি ভারসাম্যহীন প্রাকৃতিক অবস্থার ফলে তার প্রতিক্রিয়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এখন সোভিয়েত ইউনিয়ন নেই। মার্কিনী ষড়যন্ত্রে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে আমেরিকা এবং এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল, তার অবসান ঘটার ফলে মাঝখান থেকে চীন তার ফায়দা লুটে বিশ্ববাজারকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে দখল করে নিয়েছে, তেমনি পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ার ফলে সে এখন সারা পৃথিবীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমত যা খুশি তাই করে যাচ্ছে। সাংপো নদীতে বাঁধ দিয়ে ভাটির দেশগুলোকে ধ্বংস করে দেয়ার প্রয়াস তার একটিমাত্র প্রমাণ।

এও জানি, বাঙলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তা সত্ত্বেও নিজের দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা নিয়ে কথা বলার অধিকার তার আছে। ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় কাজ না হওয়ায় সমুদ্রের জলসীমা নির্ধারণের জন্য যদি বাঙলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারে, তা হলে ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে বাঙলাদেশ এবং ভারত কেন যৌথভাবে চীনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারবে না? আমাদের মনে রাখতে হবে, এটা আমাদের জন্য একটা জাতীয় বিপর্যয়ের শামিল। এ সময়ে সমস্ত দল ও মতের রাজনৈতিক নেতা, পরিবেশবাদী, পানিবিশেষজ্ঞ, ভূতাত্ত্বিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকদের সঙ্গে আলোচনা করে বাঙলাদেশ কিভাবে এগুবে, তার একটি রূপরেখা প্রণয়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ভারতের কাছে জানতে চাইতে হবে, এ ব্যাপারে তারা কি ভূমিকা গ্রহণ করতে যাচ্ছে। যদি ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে এ ব্যাপারটি নিয়ে এগুনো যায়, তা হলে হয়তো কোনও ফলাফল বেরিয়ে আসতেও পারে।

যদিও এটার ওপর ভরসা করা খুব আশাপ্রদ হবে বলে মনে হয় না, কারণ চীন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। সমাজতান্ত্রিক (আসলে আধা পুঁজিবাদী) একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা যে ভয়ংকর ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে চলেছে, তাতে করে আমাদের মতো দেশ আতংকিত না হয়ে পারে না। আর পানি নিয়ে শেষ পর্যন্ত যদি ভারত এবং চীনের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেই যায়, তা হলে অসহায়ভাবে মৃত্যু বরণ করা ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় থাকবে না। আমাদের ভারতবিরোধী দল এবং ভারতের বন্ধুপ্রতিম দল এটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল। কিন্তু আমরা হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করছি, আমাদের দেশের আর কারোরই এ ব্যাপারে কোনও মাথাব্যথা নেই। সেই সাথে দীর্ঘদিন থেকে গলা ফাঁটানো পেইটভুক্ত বামেরাও চায়না দূতাবাসের বিশেষ সুবিধা নিয়ে অনেকটা মুখে কস্টিপ এঁটে বসে আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কারণ ১৯৭১ সালে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ হয়েছে বলে সেটা তো আর চিরকাল একইভাবে থাকতে পারে না।

এই কুত্তা, তোর পাকি বাবাদের সাথে বাংগালীদের যুদ্ধ হয়েছে, তোর ফাকড-আপ পকি বাবারা পরাজিত হয়েছে, কোন বিবাদ হয়নি। বিহারীর বাচ্ছা, তোকে খুঁজে বের করতে পারলে লাথি মেরে দেশ থেকে বের করে দেবো।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনারে খোঁজার চেষ্টা করতাছি, এককালে তো কাদের সিদ্দিকীর মতো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, এখন তাহলে চায়না আর পাকিস্তানের দালাল হয়ে গেছেন ? ভালো।
ভাবছিলাম আপনার মতো বয়স্ক মানুষটাকে একটু শ্রদ্ধা করমু, কিন্তু আর পারলাম না। আমেরিকা বসেই গাজাখুরি বহুত গপ্প করতে পারেন আপনি। পারলে দেশে আসেন। আর টাকিলা বেশি মেরে এভাবে গাজাখুড়ি কমেন্ট না করে পোস্ট পইড়া কমেন্ট করেন। তাতে আপনার বয়সের তুলনায় ভারিক্কিটাও একটু বাড়বে। (একটু আগে পর্যন্ত আপনাকে সম্মান করতাম মামা চিঙ্কু বাম)।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট'এর শুরুতে যদি অন্য কারো বক্তব্য দিয়ে পোস্ট শুরু করা হয়, সে বালছাল বক্তব্য 'ডবলকোটের' ভেতরে রাখতে হয়। বালচাল কিছু টাইপ করে দিলে তো পোস্ট হয় না; লেখার নিয়ম আছে।

যেহেতু প্রথম প্যারাটুকু ডবলকোটের মাঝে ছিল না, ওটুকু আপনার বক্তব্য হিসেবে নেয়া হয়েছে; তখন বাকীটুকু পড়ার কোন দরকার ছিল না; প্রথম প্যারার উপর নির্ভর করেই কমেন্ট করা হয়েছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোখে আতশ কাঁচ লাগাইয়া ভালো কইরা পড়েন, পড়ে কমেন্ট কইরেন। অন্য কারো কমেন্ট দিয়া লেখা শুরু করা হয়নি। আপনার বয়সী মানুষের কাছে এই কমেন্ট শোভা পায় না। এরপর কোনো পোস্টে কমেন্ট করার আগে ভালো করে পইড়া তারপরে কমেন্ট কইরেন, তা নাহলে গণহারে পুন্দানি খাইয়া চায়না গিয়া আস্তানা গাড়তে হইবো আপনার। আপনি কোন চ্যাটের ভাল সেটা আমার জানা আছে। কয়েকটি জার্নালের ইনফরমেশন আর জাতীয় সংসদের অধিবেশকালীন কিছু বক্তব্য ছাড়া এখানে অন্য কারো কথা কোড করা হয়নি, আর আপনি যতই আবাল হন না কেনো আপনি যে পাকিপন্থী আর চায়নাপন্থী একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এই পোস্টের কমেন্টে সেটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। চায়নাকে ধরায় আপনার কেনো টাডাচ্ছে সেটা আমার বুঝতে বাকি নেই মিস্টার চিঙ্কু ফারমার। আর হাজার চেষ্টা করলেও ডাক্তার আইজূ হইতে পারবেন না। আবাল কোথাকার।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আঙ্কেল পোস্টের মোটিভ না বুঝেই মন্তব্য করাটা আপনার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। এন এটা রোগ হয়ে গেছে। মাইন্ড ইওর ল্যাঙ্গুয়েজ। আপনি না বুঝেই কমেন্ট করেছেন।


চীন এবং আমেরিকা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং পাকিস্তান আমাদের জানি দোস্ত। কারণ ১৯৭১ সালে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ হয়েছে বলে সেটা তো আর চিরকাল একইভাবে থাকতে পারে না। তখন চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করে বাঙলাদেশের স্বাধীনতা-যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলো।


এটা যে স্যাটায়ার ভাষায় লিখা সেটা বোঝার মতো যথেষ্ট ব্রেইন আপনার আছে বলেই জানতাম। টাকিলার ওভাওডোজ হয়ে গেলে অবশ্য ভিন্ন কথা। শখের দেশ প্রেমিকদের জন্যে করুণা রইলো। মনোযোগ দিয়ে পোস্ট পড়ে মাথায় প্রবেশ করিয়ে কমেন্ট করবেন।

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@বনলতাসেন৭১,
কিসের স্যাটায়ার প্যাটায়ার লিখছে সে? সে তো লেখার সাধারণ নিয়মও শিখেনি টিউটর থেকে!
যেহেতু প্রথম প্যারাটুকু ডবলকোটের মাঝে ছিল না, ওটুকু ঐ ডামীর বক্তব্য হিসেবে নেয়া হয়েছে; তখন বাকীটুকু পড়ার কোন দরকার ছিল না; প্রথম প্যারার উপর নির্ভর করেই কমেন্ট করা হয়েছে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি তো লিখতেই পারি না, আপনি তো মাগার কমেন্টও করতে শিখেননি। আর আপনার মতো একটি বালছাল চিঙ্কু চুতিয়া যে লেখালেখির জন্য কোনো আবাল শিক্ষকের ছাত্র ছিলেন সেটা আপনার কমেন্টে স্পষ্ট। একদিনের মুক্তিযোদ্ধা চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা থাকে না সেটা জানেন ?

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আঙ্কেল এই রকম আব্লামি মার্কা কমেন্ট আপনার কাছে আশা করি নাই। আপনি পুরোপোস্ট না পড়েই এটলিস্ট আধাটা পড়েই কমেন্ট করতেন!! প্রথম প্যারার উপর নির্ভর করে কমেন্ট করেছেন এইটা আপনার ভুল পোস্ট দাতার নয়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফার্মার ক্যান ইউ শাট দা ফাক ইউর ডার্টি মাউথ। এন্ড গো এওয়ে

অন্তহীন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনে এক কাজ করেন, লেখালেখির একটা কোচিং খুলেন। ব্লগ লেখা বাদ দেন। চোখে দেখেন না! কানে শুনেন না। পোলাপানরে ব্লগ লেখা শিখাইবেন। Tongue


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Love


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটুকু সেন্স নাই আপনে আবার "সিনিয়র" ব্লগার ? আজকে থেকে আপনার সিনিয়রিটির উপ্রে আমি লল্লা ফালাইলাম ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ লেখা লেখেছেন । আসলে দেশের এই পরিস্থিতি আমাদের এক হয়ে প্রতিরোধ করা উচিত ।

Shurjoo Shoinik


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন লেখা লেখেছেন ।

Shurjoo Shoinik


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই বিষয়ে এখন সবার একযোগে কাজ করতে হবে, বামদের দিয়ে কিছু হবে না ভাই।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Farmer Sir wrong comment

GOOD POST

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

I think, I did the right thing; if someone is starting a post with a statement made by other people, the statement has to be inside the double quotes; this dummy has not followed the simple rules of writings. I do not like this kinds of statements; so, the begining statement was good enough to make a comment; moreover, I do not look for for diamonds inside shit.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সম্পূর্ণ লেখাটা পড়তে পারলাম না। তবে বেশির বাগ অংশ পড়তে পড়েছি। কথা গুলোও ভাল লাগলো। তবে একটু কাট ছাট করে ছোট আকারে লিখলে পাঠক আগ্রহ নিয়ে পড়তে পারে।

AShraful


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ ক্যানভাস অনেক বড় তাই ইচ্ছা থাকলেও ছোটো করতে পারিনি

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো বলেছেন

নাস্তিক ও যুদ্ধপরাধিমুক্ত বাংলাদেশ চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই রুদ্র সাইফুল, আপনার লেখা আমার বিশেষ পছন্দের কিন্তু আপনার আগের কয়েকটা লেখার বিষয়ে সুত্র সম্মন্ধ্যে জানতে চেয়েছিলাম কিন্তু জানান নি জানলে আমার বিশেষ উপকার হত ।

ফারমার ভাই, প্রকৃতির একটা নিয়ম আছে যে ফলের বীজ শক্ত তার আবরণ হয় নরম আর বীজ নরম হলে আবরণ হবে শক্ত । আপনি প্রথমে একটু শক্ত দেখেই বুঝে ফেললেন এটা খারপ । আর ওমনি তা থেকে দূরে সরে গেলেন এটা আপনার পূর্বের বক্তব্যের সাথে মেলে কি ? এই ধরনের মন ও সাহস নিয়ে দেশের পরিবর্তন করবেন ? বিষয়টা হাস্যকর !

.....................................................................................................................।

মানুষ না হলে, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, হিন্দু, মুসলিম কিছুই হওয়া যায় না ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বি এই লেখার সূত্র এই লেখাতেই স্পষ্ট করে দেওয়া আছে। আর আগের লেখাগুলোর সূত্রও সেই লেখার সাথেই আছে আপনি একটু খেয়াল করে পড়লেই পাবেন। কিছু লেখা আছে আমার নিজের মৌলিক লেখা। আপনাকে ধন্যবাদ ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে আমরা অকারণে ভারতবিরোধীতা করতে গিয়ে চীনের বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি, আর এই বিষয়টি সময়োপযোগী বলে সবার নজরে আনলাম। আপনাকে ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা অনেক বড়। অনেক কষ্ট হল পড়তে এবং এই অনেক বড় লেখাটি পড়ে অনেক বেশি শংকিত হলাম।

নারায়ন অধিকারী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমানে আমাদের এই বিষয়টিকে কাজ করা উচিত

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব বড় লেখা , পড়তে পড়তে কখন শেষ হয়ে গেল বুঝতে পারিনি ।
লেখায় ১০৮ তাঁরা ।

# Satyajit Das #
# Powered by MacOSX Lion #


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারমার ভাই,
চীনা বাদামের জন্য এত দরদ ক্যান? যে কারনে ভারত বাধ দিছে একই কারনে চীন বাধ দিছে যা ভাটির দেশের জন্য ভাল নয়।
ধন্যবাদ ভাই রুদ্রকে

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকেও

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মোক্তারনামা
আমি পোস্টটি পড়িনি, এবং পড়ার কোন প্ল্যান নেই; গল্প, কবিতা ব্যতিত ১৫ লাইনের বড় পোস্ট আমি পড়ি না। প্রথম প্যারাতে যা আছে, তা পড়ে কমেন্ট করেছি।

তবে 'বামদের' বিরুদ্ধে শিক্ষিত কোন সোস্যালিস্ট লিখলে আমি পড়ি; কারণ, আমি মনে প্রাণে সোস্যালিস্ট। বাংলাদেশে বামদের/সোস্যালিস্টদের বিরু্দ্ধে লেখার মতো কেহ নেই; বামদের বিরুদ্ধে লেখা সহজ নয়, লিখতে হলে সোসয়ালিজম বুঝতে হবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি ভোদাইর মতো না পইড়া কমেন্ট পুন্দাইতে আসেন ক্যান ? আপনি অরজিনাল অশিক্ষিত সেটা প্রমাণিত হইছে আপনার কমেন্টেই। বালছাল কোথাকার!

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই রুদ্র সাইফুল ফারমার ভাই একজন সন্মআনিত মানুস,ওনার ভূল হতে পারে,গালী গালায না করলে ভালো।

__________________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনি নিজে ওনার সম্মান হারিয়েছেন

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১৫ লাইনের বড় পোস্ট আমি পড়ি না।

ভাই ফারমার, আপনি যা গিলেন না তা কি জন্য আরেকজনকে গিলাতে চান- এটাকি দীচারীতা নয়,তাই আপনি ১৪ লাইনের বড় পোস্ট লিখবেনা না দয়া করে।

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@Moktarnama,
In average, most of my posts are within 15 lines.


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের লেখকের উদ্দেশ্য নিয়ে আমি সন্দিহান।

ভারত যখন বাংলাদেশের চারিদিকে ছোট বড় প্রায় সকল নদীতেই বাধ দিয়ে বাংলাদেশকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলেছে , তখন আমাদের চিল্লাচিল্লিতে না লাভ হয়েছে , না কাউকে আমাদের সঙ্গী হিসাবে পেয়েছি না ভারত বাধ তৈরি বন্ধ রেখেছে। ভারত কি আমাদের ন্যায্য দাবী কখনো মেনে নিয়েছে? সুরমা নদীর উপরে বাধ নিয়ে তো কম জল ঘোলা হয় নি। আমাদের শত শত নদী ভারতের কারনে মজে গেছে।

চীন যে বাধ দিচ্ছে তাতে ভারতের ক্ষতি , আমাদের ক্ষতি যা হওয়ার তা ভারত আগেই সেরে ফেলেছে। এমন না যে ভারতের সাথে চীনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যোগ দিলে ভারত আমাদের বেশি পানি দিবে। Let India taste their own medicine. এখন শালারা বুঝুক - অন্যের জন্য কবর খুড়লে , তাদের জন্যে ও অন্যেরা তাদের দেখানো পন্থায় কবর খুড়তে পারে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিস্টার ফারুক পুরো পোস্ট পড়ে আপনি যদি কিছুই না বুঝতে পারেন তাহলে আর কিছু বলার নাই। এখানে স্পষ্ট করে প্রশ্ন করা হয়েছে বাঙলাদেশের বামদের ভূমিকা নিয়ে, আর সরাসরি দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে চীনের বাঁধের ফলে আমাদের কি ক্ষতি হতে পারে। তাই পুরোটা বুঝে কমেন্ট করেন।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্রাদার অনেক লম্বা পোষ্ট মেরেছেন, তবে আপনি যে একজন গরুচোদা তা বোঝার জন্য পুরা পোষ্ট পড়ার দরকার নেই। আপনার মত গরুচোদা লজিক নিয়ে চলে বলেই দেশের রাজনিতীবিদদের?? কেউ কেউ ভারতের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় আর কেউ কেউ ভারত বিরোধী ট্যাগের ভয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বলেনা।
চীনের বাধ প্রকল্প বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারিদের একার্ত করে দেয়ার বদলে এন্ট ইন্ডিয়া এন্টি পাকি এন্টি চিনাদের শ্রেণীকরন এক আচোদা আবালে পক্ষেই সম্ভব।
অন্য কথা, ফারমার নামক আবালটার পাছায় গদাম দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
"সোনার বাংলাদেশ, বুঝে নিতে হবে সোনা কোনটা!!!"--কেকবাংলাদেশ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনিও তো ফারমারের মতো আবলামি কইরা ফালাইলেন, পুরো পোস্ট না পইড়াই এমন আবলামি করবেন না আশা করি।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সত্য কথাগুলো সত্যভাবে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ।আপনি আপনার মত করে চালিয়ে যান।যতদিন সত্য কথা বলবেন আমি আপনার সাথে আছি।

RAJU AHMED


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল বিষয়ের উপর অনেক গোছানো একটি লেখা,এসব ব্যাপারে দলমত নির্বিশেষে সবার একযুগে কাজ করা উচিত।তবে আমার মনে হয় লেখাটায় শ্রেণী বিন্যাস না করে শুধু বিষয়টার গুরুত্ব বুজালে ভাল হত,এখন অনেকে লেখাটার উদ্দেশ্যের দিকে না তাকিয়ে এর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে মাথা ঘামাবে।আপনাকে ধন্যবাদ।



****************************************************

দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ আর মানুষ্যমূত্র একই জিনিস!!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই রাজনৈতিক গুরুত্ব ছাড়া পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। তাই যেভাবে বাঙলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের এগিয়ে আসার কথা ছিলো তারা সেভাবে এগিয়ে আসেন নি। আমি সেখানেই আলোকপাত করার চেষ্টা করেছি, সেই সাথে এটাও দেখিয়েছি কিভাবে চীনের বাঁধের ফলে পুরো বাঙলাদেশ মরুভূমিতে পরিণত হবে। যাইহোক আপনার কমেন্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আঁতে ঘা লাগলেও বক্তব্যর বিষয়বস্তু বুঝে নিয়ে মন্তব্য করা উচিত।সময়পযোগী পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

<======================================================================================>
"অনেক কাল পেরুল
রোদে মরা তৃণের মতো
শুকিয়ে গেল সময়-
আমার পিতার হন্তারকের তবু শান্তি হলো না" -আশরাফ রোকন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে নিলাম আপনার লেখাটা।ভালো লেগেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে ভারত বিরোধিতা করে ইদানিং ফেসবুকে ও ব্লগে নিজেকে চুশিল প্রমাণে ব্যস্ত! এখন ভারত বিরোধিতা একটা ফ্যাশন। আমি বলতে চাচ্ছি সমালোচনা আর বিরোধিতা এক নয় আমার কাছে।
যাহোক, আম বাম সবটায় যার যার আখের গোছাতে ব্যস্ত। কিন্তু চায়নার বিরুদ্ধের আমাদের দাঁড়াতে হলে আবারো ভারতের কাঁধেই বন্দুক রাখতে হবে মনেহয়।
আপনি কি বলেন ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বি ভাই আপনি হক কথা কইছেন

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের ভুলেগেলে চলবেনা, আঙ্গুলের মাথায় ঘা হলে আঙ্গুল কেটে দিতে হয়না। ওখানে মেডিসিন ব্যাবহার করতে হয়।(এটা সবাই জানেন, শুধু আবাল ছারা)

এখন কি এর প্রতিবাদী হওয়া যায়, কোন কোন ক্ষেত্রে আমাদের এগুতে হবে, তা নিয়ে পরবর্তী পোস্ট আপনার কাছথেকে আশা করছি ।

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অবশ্যই, পাবেন

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন বামেরা চুপ চাইনিজ না রাশিয়ান বাম? বামেরাতো টেকাটুকা ছাড়া কথা কয়না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাসেল দুই বামেরাই চুপ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ।পোস্টটার দরকার ছিল। Star Star Star Star Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১. বাংলাদেশ কে বাঙলাদেশ লিখে দেশপ্রেম দেখানোর তড়িকা বেশ ভাল হইছে।
২. বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর হতে এখন পর্যন্ত বামেরা যেহেতু কোন অবস্থান গড়তে ব্যর্থ হয়েছে সেহেতু তারা চুপ না কারো অন্য কিছু করতে ব্যস্ত এইটা অবান্তর প্রশ্ন
৩. বর্তমান প্রেক্ষিতে চীনে বাঁধ দিলে যেহেতু আমাদের ক্ষতি সেহেতু এইটা নিয়ে বাম ডান কে কি বলল তা প্রশ্ন হইতে পারে না. আর এই প্রশ্ন করার মানে হইল চীন আর ভারতের স্বার্থ চীনা বামের আড়ালে নিয়ে যাওয়া.
৪. এই পোস্টের আগের কমেন্টদাতাদের কমেন্টে আমার ত মনে হইল সব দোষ চীনা বামদের যারা এইটা বিরুদ্ধে কথা বলছে না, অন্যদিকে বাঁধ নির্মাতা ভারত ও চীন খুব ভাল.
৫. পোস্ট দাতা পোস্টে লিখেছেন বামেরা টাকা পয়সা নিয়ে ব্যস্ত আছে. (কপি করা যায় না তাই কোন করতে পারলাম না)

প্রশ্ন :

পোস্ট দাতা কেন চুপ আছেন !!!!! প্রতিবাদে সে নিজে কেন নামছে না !!!! বামেরা কামলা দিল কি দিল না এইটা নিয়ে না ভেবে দেশের স্বার্থে তার দুই কলম লিখা প্রয়োজন ছিল !!!! তাহলে কি, বামেরা যে কারণে চুপ --- পোস্ট দাতাও সে কারণে চুপ !!!! বামেরা সরব হলে চুপ থাকার জন্য ভেট কি বাড়বে ডানে !!!!? ?

আই লাভ ইউ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে প্রথমেই ক্লিয়ার করি আমি আমার নিজের লেখায় বাঙলাদেশ এভাবেই লিখতে সাচ্ছন্দ পোষণ করি। আর এতে ব্যকরণগত কিছু প্রবলেম সলভ হয়ে যায়, বিশেষ করে সন্ধিগত সন্দেহ ধূর হয়ে যায়। আশা করবো বাঙলা ভাষা ভালো করে ঘেটে আসবেন। আহমদ শরীফ স্যার, হুমায়ুন আজাদ স্যারের লেখাগুলো পড়বেন আশা করি। এরপর আপনাকে বলবো আজ অব্দি কোনো বাম লিডার এই বিষয়টি নিয়ে এখনো উচ্চবাচ্চ করেনি। মাত্র তিনটি সেমিনার হয়েছিলো এই বিষয়টি নিয়েই, সেই সেমিনার তিনটির সম্পূর্ণ অর্থ যোগান দেই আমি ও আমার এক প্রবাসী বন্ধু। এরপর আমরা ২০০৯ সালের দিকে এই বিষয়টি নজরে আনি সংসদী কমিটির, যাইহোক এই বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলাপও হয়েছে। আর বামেরা যে টাকা পয়সা নিয়ে ব্যস্ত নেই সেই কথা কিভাবে অস্বীকার করবেন বলেন ? এই পর্যন্ত তাদের অনেকবার জানানো হয়েছে বিষয়টি সম্মন্ধে। তারা কোনো উচ্চবাচ্চ করেননি। আশা করি আপনি বুঝতে পারছেন।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সংবিধানে দেশের নাম কি লিখা আছে ?

চীন বাঁধ/ব্যারেজ/ড্যাম কোনটা আসলে নির্মান করছে ?

রুগ্ন বামেরা চিল্লাচ্ছে না ত অসুবিধা কি হচ্ছে ?

টিপাইমুখ বাঁধ বলছেন আপনি কিন্তু যতদুর জানাযায় ঐখানে ড্যাম হবে তাহলে বাধ আর ড্যাম কি একই জিনিস?

টিপাইমুখ সুরমা আর কুশিয়ারা নদীর উৎসমুখে হবে বলে জানি -- এর ফলে উত্তর বঙ্গ মরুভুমি হবে কিভাবে ?

পানি পাম্প করে কিভাবে বিদ্যুত তৈরী করে ?

ঐ পাম্প মেশিন কি এমনি চলে ?

দেশের মানুষ কি দেশের স্বার্থ দেখতে কি চীনা বামদের ২৭০ আসন দিয়েছে ?

চীনা নিয়া আপনার বেপক টেনশন কিন্তু মস্কোপন্হী নিয়া কিছু বললেন না দেখি. আমার জানামতে বাসদ, সিপিবি মস্কোপন্হী দল আর ওরা তেল গ্যাস নদী নিয়া ব্যাপক আন্দোলন করতেছে. টিপাইমুখ নিয়ে লংমার্চও করেছে এর আগে.

ভারত চুপ আছে -- টাকা খাইছে
লীগ চুপ আছে -- টাকা খাইছে
চীনাবাদাম চুপ আছে -- টাকা খাইছে
১৮+জোট চুপ আছে -- টাকা খাইছে
মস্কোপন্হিরা চুপ আছে -- টাকা খাইছে

সাবাশ -- চুপ থাকলে টাকা পাওয়া গেলে মুখ খুলার পর মুখ বন্ধ করতে টাকার অফার আসবে তাই না smile :) :-)

উত্তরের অপেক্ষায় আছি.

আই লাভ ইউ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন একটা পোষ্ট।অনেকদির পর ভাল লাগলো।ধন্যবাদ লেখককে

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টিপাই নিয়ে কথা বলতে গেলে বলে রাজাকারদের বিচার চায়না । আর গুম হওয়া ত আছেই । হাম্বারা এ বিষয়ে কথা বলে শুনে চোদনা হয়ে যেতে হয় । আর ভারত সহযোগিতা করেছে বলে বাপের ভিটার উপর দিয়া ট্রাক যাইতে দিবেন , ফেলানীর ঝুলতে দেখবেন , ঘর থেকে ধরে নিয়ে যাবে আর আন্নেরা আঙ্গুল চুষবেন তা হতে পারে । ভারতরেই আটকাতে পারার নামে মুরোদ নাই আর আসছে চীন নিয়া কথা কইতে । চোদনা কারে কয় ? বিরোধীরাত মহাচোদনা ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি আবাল মার্কা কমেন্ট করছেন পোস্ট না পইড়াই, ভালো করে পোস্ট পড়েন। আর চীন কাবা ঘর নাকি যে ওইটা নিয়া প্রশ্ন তোলা যাইবো না ? আপনার গোলাপী আম্মারে কন না কেনো এই বিষয়ে একটু কথা কইতে ? এইভাবে আবলামি না কইরা কাজে মন দ্যান। আবাল কোথাকার!

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই লেখাটা ভাল হয়েছে
মিনহাজ উদ্দিন মিরান


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খারাপ লাগে যখন একটা সুচিন্তিত লেখা'র কমেন্ট অশ্লীলতায় ভরে যায়। জনাব লেখক, আপনিও এর বাহিরে নন।
আমার দুএকটা বিষয় জানার আছে:
১। বাংলাদেশে বাম কারা এবং রাজনীতি/সিধান্তগ্রহনে তাদের অবদান কতটুকু?
২। যমুনা বা অন্য যে কোন নদীতে এখন পানি আছে কি ?

পরবতী বিশ্বযুদ্ধ লাগবে পানি নিয়ে। তা আবার চীন ভারতের মাঝে। তখন আবার সকল দেশ ভারতের পাশে দাড়াবে।তাই এখনই আমাদের উচিত ভারতের পাশে দাড়ানো। নট এ ব্যাড আইডিয়া।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো বলছেন, বাহ আপনিও দেখি পুরো পোস্ট না বুইঝাই কমেন্টখান মাইরা দিলেন। যমুনা নদীতে পানি আছে কি না আপনি আমি সবাই ভালো করেই জানি। আর যমুনা ব্রিজ কোন দেশের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে তাও আমরা ভালো করেই জানি। আপনি প্রশ্ন করেছেন বামেরা সিদ্ধান্তগ্রহণে ভূমিকা রাখে কি না, বামেরা সিদ্ধান্তগ্রহণে ভূমিকা রাখার যোগ্যতা এখনো অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু প্রতিবাদ তো করতে পারতো ? সেটা কেনো করেনি ?

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বটে বটে। সবাই পোস্ট না বুঝেই কমেন্ট করছে।আমিও। আমার এসবে নলেজ যিরো।
বামরা নিদেন প্রতিবাদ করলেই তাদের ভাই-বেরাদর রা শুনতো। এ কথাটা আমি ভাবিইনি।

আর আইডিয়া নিয়ে যা বলছিলেন। ভালো।
সাথে থাকবো


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যেইখানে টেকাটুকা সেইখানেই বামের প্রতিবাদ এইহানে তো আর কেউ টেকাটুকা দিবে না।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

“বামের মুখে চীনের নাম আর ভুতের মুখে রাম নাম”--- সমানে সমান ।। সুন্দর, সোজা সাপ্টা লেখা। তবে না পড়ুয়াদের কমেন্ট গুলো বিরক্তিকর। যারা একখান বইয়ের শিরোনাম দেখেই বিশাল সমালোচনাকাব্য লেখায় অভ্যস্ত, তাদের এখানে না আসাই ভালো। কারন, এখানে ভন্ডামীর কোন চান্স নাই।। লেখককে ধন্যবাদ। Star Star Star

০<--< --------------------------------------------------------------------------------------------------------------- >-->০
গদ্যে-পদ্যে-কাব্যে আর বেসুরো ছন্দে
গেয়ে যাই দুঃসহ কষ্টগাঁথা,
রাজাকার-আলবদর-যুদ্ধাপরাধীরা সব
কবে দিবি দড়িতে মাথা ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পারমানবিক চুল্লি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে বোমা তৈরী করতে হবে!!

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিসের ভিতরে কি ?

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র সাইফুল ভাই,

অসাধারণ। এই ব্যাপারটা নিয়ে কয়েক দিন ধরে ভাবছিলাম। নদিতা চিনের মধ্যে অনেক গুলা বাক খেয়েছে। ফলে প্রতিটা বাকে তারা ড্যাম বানায়ে বিশ্বর সর্ব বৃহৎ জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে কাজ করে চলেছে। কাজ অনেক করেও ফেলেছে।

ফার্মার ভাই,

আমি এখানে খুব অল্প দিন এসেছি। মাত্র কয়েক সপ্তাহ। কিন্তু আপনি কয়েক দিন আগে আমাকেও যেভাবে আক্রমণ করেছিলেন, আমি হতাশ হয়েছিলাম। তখন আপনার উদ্দেশ্য নোংরা মনে হয়েছে, খারাপ না। ভদ্রতা গায়ে লেখা থাকে না। যদি মনে করে ব্লগ গুলাও আপনাদের বিশ্ব সমিতির অংশ তাহলে ভুল করবেন।

ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আশানুর ভাই ধন্যবাদ আপনাকে, এখন থেকে আমাদের একযোগে কাজ করে যেতে হবে। আশা রাখি আপনাকেও সাথে পাবো।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরে ভাই এখন দেখি ভারত চীন লইয়া মারামরি শুরু হইয়া যাবে । সব পন্থি দেরকেই বলছি ২০০০টাকা পকেটে নিয়ে আজই গ্রেটার রাজশাহীর ছোট ছোট খাল গুলি দেইখা স্থানীয় পাবলিকরে জিগাইবেন খালগুলি মরে ভরাট হয়ে গেল কেন ? দেখবেন সবাই একযোগে বলবে আমদের পানি উন্নয়ন বোর্ডের সোনার ছেলেদের মহান কীর্তির ফল ।

.....................................................................................................................।

মানুষ না হলে, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, হিন্দু, মুসলিম কিছুই হওয়া যায় না ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো বলছেন ভাই, কিন্তু চীনের এই প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হয়ে গেলে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লেখা। ধন্যবাদ লেখার জন্য।

________________________

দ্বাবি একটাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি চাই।
___________________
@সুলতান মির্জা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!!! মন্দ নয় কনসেপ্টটা। কিন্তু এই যুদ্ধে ভারত জয়ী হয়ে তারা কি আমাদের পানি আবার শুষে নিতে থাকবে আরো বেশি পরিমাণে নাকি বন্ধুপ্রতিম হবে তা ভেবে নেওয়া দরকার। আমাদেরকে যুদ্ধকালীন সময়ে এমন পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে যুদ্ধপরবর্তীকালীন সময়ে ভারত আমাদের সাথে বন্ধুর ন্যায় আচরণ করে ও পানির নায্য অধিকার দেয়। নতুবা পানির জন্য যুদ্ধ থিওরি অনুসারে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ কিন্তু আমাদেরই করা লাগবে।
আর ফারমার ভাইয়ের মতো সিনিয়র ব্লগারের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে সুচিন্তিত মতামত আশা করেছিলাম, কামড়াকামড়ি নয়।

-------------------------
প্রতিদিন মানুষেরা তাদের চুল বাধে, আমি বুঝি না কেন যে তারা এভাবে প্রতিটা দিন তাদের হৃদয় বাধে না।
- চে গুয়েভারা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে, আসলে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করার লক্ষ্যে এখনই আমাদের জেগে উঠতে হবে।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তোকে খুঁজে বের করতে পারলে লাথি মেরে দেশ থেকে বের করে দেবো।-ফারমার

ফারমার কে বলি হাওড়া ইস্টিশনে যাও , গদাম পাবা নগদে, রায়হান চুতিয়া বসে আছে!

attorney


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো বলছেন

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের নদীগুলান এমনিতেই ড্রেজিংয়ের অভাবে ভরে গেছে - নাব্যতা কমে গেছে। তাই চীন বাধ দিলেই কি আর ভারত বাধ দিলেই কি????

বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে গভীর ভাবনার জন্য আপনেরে ধন্যবাদ। ভাবনার দরকার আছে।

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ, আশা করি আপনিও ভাববেন

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাম বিশেষতঃ "চৈনিক বাম"রা প্রতিবাদ না করায়, চীন মহানন্দে বাধ বানাতে পারছে!!!! লেখক নিজেও তা ভাবেন না। তবে, উনার আক্ষেপ বামরা কেন, প্রতীকি প্রতিবাদ করে নাই। এরা করলেও যা হইত, না করলেও তা হবে!
বাংলাদেশে রাজনীতিতে, চীনপন্থি বামদের ভূমিকা সব সময় বেশ নাজুক। আইয়ুবের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময়, চীনের "ডোন্ট ডিস্টার্ব আইয়ুব" নীতির কারনে, ভাষানী স্বয়ং বেকায়দায় ছিলেন। উনি আম না ছালা সামলাবেন, এই দোলচালের মধ্যে, শেখ মুজিব একক নেতা হিসাবে আবির্ভুত হোন।
সেই চীন পন্থি বামরা ক্রমাগত দেশিয় রাজনীতিতে, ইতিহাসের উল্টোপথে হাটতে হাটতে, সর্বহারা, গলাকাটা রাজনীতি শেষে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একটা ভাল গোয়াল পেয়ে সেখানে আশ্রয় নেন।
আর যারা, এখনো বাকি আছেন, তাদের একাংশ এখন ফরহাদ মাঝারে লুঙ্গি রাজনীতি চশমায়, হেফাজতিদের মধ্যে "আম-জনতার" বিপ্লবি উপাদান খুজেন।
মোদ্দা কথা, আজকের দেশের দুই প্রধান শক্তি বা রাষ্ট্রের নিয়ামকদের ভক্তরা, কোন কালেই বামদের সাথে থাকবেন না। বড় দলের সবাই, সহ দেশের মানুষ, বামদের অনেক শুদ্ধ দাবীকে " যাদের তিন ভোট পাবার যোগ্যতা নাই, তাদের আবার দাবী" বলে মশকরা করেন।
তাই সম্পুর্ন লেখা্‌য় বামদের "প্রতিবাদ নাই", আক্ষেপকে খুব বেশি হাস্যকর মনে হয়।
এই বিষয়ে, নিজপ্রিয় দলদের বিন্দুমাত্র দৃষ্টি আকর্ষনে ব্যর্থ হয়ে, অসহায় বাম রাজনীতিকদের এক হাত নিয়ে যদি মন জুড়ায় ভাল কথা। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হবে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দীর্ঘ কমেন্ট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, যেখানে রামপাল, টিপাই মুখ বাঁধ নিয়ে বামেরা সোচ্চার সেখানে চীনের বাঁধ নিয়ে তারা কেনো নীরব সেই কথাই এখানে বলা হয়েছে। আর আপনার কাছে এটা হাস্যকর মনে হতেই পারে। তাতে আমার বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নাই। পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু পোষ্টের টাইটালের উপর ভিক্তি করে এই মন্তব্য করছি। বামরা চুপই থাকবে কারন চীনা বামরা(!) তাদের বাপ লাগে তাই। এরা মুক্তিযুদ্ধকে হাইজ্যাক করতে গিয়েও সাকসেস হতে পারেনি, তারপর হিডেন রাজাকারদেরকে আশ্রয়ে রেখে তাদেরকে রবিনহুডের মত ৭৩/৭৪ এর বৈজ্ঞানিক ডাকাতীতে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধু'র সরকারের পতন নিশ্চিত করে স্বাধীনতাকে হাইজ্যাক করতে গিয়েও ব্যার্থ হয় জিয়া'র চতুর বুদ্ধির কাছে। তারপর হিডেন রাজাকাররা বামদের আশ্রয় থেকে জিয়া'র কুন্জকানের ছায়া তলে আশ্রয় পায় ফলে বামদের রবিনহুডের মত ডাকাতী করা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে এরা শুধু চিপাগলির মাধ্যমে ক্ষমতার স্বাদ নিতেই ব্যাস্ত। জামাত যেমন পাকিদের স্বার্থে রাজনীতি করে তেমনি আমাদের এই বামরা চীনা বামদের স্বার্থে রাজনীতি করে। একজন এক্সট্রিম ডান আর অপরজন এক্সট্রিম বাম। একজন আস্তিক আর অপরজন নাস্তিক। চরিত্র দুজনের একই। দেশের ক্ষতিতে তাদের কিছু আসে যায় না তাদের বাপের ক্ষতি না হলেই হলো।

-------------------------------------------------------------------------------------------------

মানুষের দোষে ধর্ম দোষী
রাজা'র দোষে রাজ্য দোষী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার বিশ্লেষণ করার জন্য

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুদ্র
সব বাম "চীনা বাম", এই জেনারাইলেজশন কি ঠিক? আমাদের ইতিহাসে, বাম রাজনীতির ধারা-প্রক্রিয়া, আজকের এবং তদানিন্তন সময়ের বিশ্বরাজনীতির থেকে বিচ্ছিন্ন করা কি সমীচিন?
নিজ দেশে চীন এখনো এক-দলীয় শাসন রেখে ধীরে সুস্থে পরিবর্তন আনছে। আর, বহির্বিশ্বে "সমাজতন্ত্র" এক্সপর্ট কারার চাইতে, বাজার দখল প্রধান লক্ষ্য।
তাই, চীনা বাম বলে আজকে আর কিছু নাই।
আমাদের দেশে, চীনা বামদের কোন অস্তিত্ব নাই। যা আছে, কিছু পুরানা আতেল, নিজদের ক্ষত চেটে যাদের সব ক্ষোভ আওয়ামি লীগ আর ভারতের বিরুদ্ধে (বদরুদ্দিন ঊমর, ফরহাদ মাজহার, নুরুল কবীর, গনস্বাস্থের জাফুরুল্লাহ প্রমুখ)।
তাই, এত বড় একটা ইস্যুর জন্য "বামদের" কোন উত্তাপ না দেখে, লেখকের আহাজারি আসলে, অরন্যে রোদন।
আজকে টিপাই বাধ, ফারাক্কা বাধ নিয়ে, "ডান পন্থিদের" ভুমিকা বিশেষতঃ আওয়ামি লীগ, জাতীয় পার্টি এবং পথহারা বিএনপির দিকে প্রশ্নবান ছুড়া উচিত!
দুর্বলদের গালাগালাজ করা সহজ। মুরোদ থাকলে, বড়দের পিছনে লাগেন, যদি এক্টিভিজম আপনার মূল উদ্দেশ্য হয়।
আমি, ব্যপারটির গুরুত্ব অনুধাবন করি বলেই, বলছি।
আর বাম রাজনীতি বা মতবাদ নিয়ে ধারনা ছাড়া এই ধরনের ঢালাও লেখা লিখতে হলে, হালকা ইস্যু নিয়ে করেন।
আপনি একদা নিজ অর্থায়নে সেমিনার করেছিলেন।। সেখানে চীন বিরোধি "জয় বাংলার" ক জন এসেছিল যদি প্রশ্ন করি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি আমার পোস্টে দেখেন যে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ দুই দলের দিকেই প্রশ্নবান ছোড়া হয়েছে।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে শিরোনাম বদলান


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না বদলাবো না, তাছাড়া যে বামেরা প্রতিবাদে মাস্টারপিস তারা কেনো চুপ সেটাই হচ্ছে কথা।

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আচ্ছা ঠিক আছে।
মনের সাধ মিটাইয়া বাম'গো লগে কাইজ্জা করেন।
(কামের কাম এক খান সেমিনার, যেখানে নিজদের দশটা মানুষ যোগাড় করতে পারেন নাই।)
বিপ্লব দীর্ঘজীবি হঊক!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ, লোক লাগলে আপনাকে নক করুমনে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি




দেখেন নি!!!!
এড়িয়ে গেছেন!!!!
উত্তর জানা নাই !!!!

কোনটা ?

আই লাভ ইউ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মাথার মধ্যে যে চায়না গোবর বোঝাই সেটা স্পষ্ট

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বোঝাগেল দেখেও উত্তর দেন নাই
এখন বাধ্য হয়ে দিলেন

কথা হইল ড্যাম, বাধের পার্থক্য বোঝেন না কিন্তু চুথা মেরে পোস্ট লিখেন আবার ডান বাম ভাল চিনেন. আপনার পোস্টে যারা তালি , সাবাশ, বেশ বলেছে তাদের প্রতি করুণা হচ্ছে. লো স্টেন্ডার্ড একটি পোস্ট কিভাবে দেশের প্রথম সারির একটি ব্লগে চার দিন ধরে স্টিকি হয় তাও বুঝলাম না.

আগে ড্যাম বাধের পার্থক্য কি জানেন, ড্যাম ব্যারেজের পার্থক্য কি জানেন, তার পর আমি চিনা, মস্কো না ডান এইটা নিয়ে আলোচনা করা যাবে.

আমাকে না জেনে আমাকে চীনা বলায় আমি বুঝলাম আপনি একটা নিরেট আবাল বোকচোদ
------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আই লাভ ইউ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার মুখে আই লাভ ইউ শোভা পায়, আপনি এটাকে লো সারির পোস্ট কোন যুক্তিতে কইলেন ? আবাল একটা, আপনারে কইয়া কি এইটা স্টিকি করতে হবে ?

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশ রক্ষার্থে ভারতের সাথে যৌথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণের ধারণা দিয়েই তো আপনি সবাইরে ক্ষেপিয়েছেন। চীন বাঁধ দিলে ভারতের ক্ষতি হবে, আর কি চাই? এতে যদি বাংলাদেশ সাহারা মরুভূমিও হয়ে যায়, কুচ পরোয়া ন্যাহি। দেশের বড় একটি অংশ ভারত বিদ্বেষী, এই অংশে বিএনপি, জামায়াত, চীনা বামপন্থিরাই প্রধান। নিজের নাক কেটে হলেও তারা ভারতের ক্ষতি প্রত্যাশি।

বাঙালি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এদেশ স্বাধীন হলেও, এখন সবাই ইসলামি চেতনায় উজ্জীবিত। তাই কৃতঘ্নের মতো আমরা ভারতের ক্ষতি প্রত্যাশা করি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সহযোগিতার জন্য বড় বড় অস্ত্রের চালান পাচারের জন্য ট্রানজিট দেই।

আর বামদের কথা বাদ দেন, ওরা সব বুড়োভাম- সুরসুরি দিতে জানে, চুলকানি মেটাতে পারে না।

এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণা এবং জনমত গড়ে তুলতে হবে। এগিয়ে যান, সমর্থন থাকবে।

প্রত্যেকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকতেই পারে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে

..............
জয় বাঙলা
জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশের কথা আর কি বলব? যে ক্ষমতায় যায় সেই বিরাট দেশ প্রেমিক হয়ে যায়, কেউ বলে দেশটা তার বাবার আবার কেউ বলে দেশটি তা স্বামীর। আমরা তো আমজনতা তাই কোন কালেই আমাদের কোন মূল্য নেই। <:-P Sad(

glqxz9283 sfy39587p07