Skip to content

আওয়ামী মনোনিত সংসদ সদস্য গুন্ডা লিটন খুনের নেপথ্যে কে ?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন আততায়ীর গুলিতে আক্কা পেয়েছেন । গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ বাক্য আছে যে পিপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে ,ঠিক তেমনটিই ঘটেছে এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে । তিনি সুদুর উত্তর বঙ্গের গরুবান্ধা জেলার সুন্দর গঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য মনোনিত হন ,সংসদ সদস্য হওয়ার আগে তিনি ছিলেন একজন অখ্যাত ব্যক্তি , পরবর্তিতে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর তার এক ধাপ প্রমোসন হয়ে তিনি হন কুখ্যাত লিটন । আমার বক্তব্য হলো তুই ব্যটা মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওনি সুতরাং তোর উচিত ছিল এমন সব ভাল কাজ করা যাতে জনগন তোর উপর খুশি থাকে এবং পরবর্তিতে যাতে তোকে মন থেকে ভালবাসে , কিন্তু এসব চিন্তা এই বদমাইশের মাথায় ছিলনা বরং তার চিন্তা ছিল কিভাবে টেন্ডার বাজি,চাদা বাজি,মদ গাজা সেবন এবং পয়সা দিয়ে বিভিন্ন উঠতি বয়সি সুন্দরী যুবতীদের নিয়ে রঙ্গলিলা করা । এসব করার কারনেই তিনি মাতাল অবস্থায় নিজ এলাকার দরিদ্র শিশুকে গুলি করেছিলেন । তার কুকামের পরিমান এত বেশি পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছিলো যে কারনে চরম অভ্যন্তরীন দলিয় কোন্দল সৃস্টি হয় । বর্তমানে আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরে নিজেরা নিজেরা এত বেশি পরিমানে কামরা কামরি শুরু হয়েছে যে কারনে তাদের দলিয় প্রধান হাসিনা এই বদমাইশিকে টিকত কেটে পরপারে পাঠিয়ে বাদবাকি কুকুরগুলোকে একটু সাবধান করলেন, যাতে অন্য সকলে সাবধান হয়ে যায় । আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি এই কুকুরটি মরার পিছনে কলকাঠি তার নেতৃর হাতেই ছিল । কিন্তু দুক্ষ জনক এখন সকল দোষ জামায়াত ইসলামীর ঘারে চাপাতে চায় এবং ঐ এলাকার নিরিহ জামায়াত নেতা কর্মীদের বাড়ি ঘরে নির্বিচারে হামলা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে সাধারণ মানুষকে বেকুব ঠাওরাচ্ছে ।

glqxz9283 sfy39587p07