Skip to content

সেলিনা হায়াত আইভরি মাদ্রাসা চিন্তা ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নারায়নগঞ্জের পৌরসভার চেয়ারওমেন সেলিনা আইভি তথাকথিত জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের মাদ্রাসা বৃদ্ধির হার কে দুষলেন
এবং তিনি আরো দুষলেন যে ইদানীং মাদ্রাসায় মেয়েদের পড়াশুনার হারও নাকি বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ! আশ্চর্য যে তিনি সঠিক চিন্তা করতে পারলেন না অথচ তিনিই এ সকল ইসলাম পন্থি মানুষের ভোটে মেয়র হয়েছিলেন অন্যথায় শামিম ওসমানকে হারানো তার মতো মহিলার পক্ষে সম্ভব ছিলনা । এখন আসি মানুষ মাদ্রাসার দিকে বেশি ঝুকছে কেন ? আমাদের দেশের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সকল ছেলে মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে তারা মূলত নৈতিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এবং সমাজ বা পরিবারের প্রতি যে দায়িত্ব ও কর্তব্য সে সম্পর্কে তাদের তেমন কোনো বিশেষ জ্ঞান দেয়া হয়না, বিধায় সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা বেশির ভাগই আত্ম কেন্দ্রীক হয় । পড়াশুনা শেষ করে কোনো মতে একটা উপার্জনের পথ পেলেই পছন্দের মেয়েকে নিয়ে সংসার শুরু করাই তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাড়ায় , কোথায় মা কোথায় বাবা এবং ভাই বোন আত্মীয় স্বজন পারা প্রতিবেসি এসব নিয়ে তাদের তেমন ভাবনা থাকেনা । কারন এ সব বিষয় নিয়ে ভাবনা যে জীবনের গুরত্বপূর্ণ একটা কাজ এবং তা না করলে যে পরকালে কঠিন জবাবদিহিতা ও শাস্তি পেতে হবে সেই শিক্ষা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় নাই । অপর দিকে আপনি লক্ষ করবেন যে সমাজের যে কেউ বিয়ে সাদি করার জন্য ভালো চরিত্রের সতি সধি মেয়ে খুজে বেড়ায় এমনকি ধর্ষনের সেঞ্চুরি উৎযাপন কারি সেই মানিক কেও যদি বিবাহের কথা বলা হয় তবে সেও ঘরের বৌ হিসাবে একজন সতি চরিত্র বান পরহেজগার মেয়েকেই বেছে নিতে চাইবে । বর্তমানে দেশের যে পরিস্থিতি তাতে সাধারণ কলেজে বিশ্ববিদ্যালয় পড়া মেয়েদের প্রতি বিশ্বাস রাখা খুবই কঠিন , যেমন আমার নিজের একটা অভিজ্ঞতা পাঠকদের জন্য বলছি , লন্ডনে আমার পাসের কক্ষে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবক কয়েক মাস বসবাস করছিলেন তার সাথে এক বাংলাদেশের একজন মুসলমান মেয়ে দীর্ঘ ২ বছর একত্রে স্বামী ও স্ত্রীর ন্যায় বসবাস করার পরে তারা চিন্তা করলো যে তাদের পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেবে না তাই পৃথক হওয়াই শ্রেয় , এরপর সেই মেয়ে জাপান নিবাসি অপর একজন মুসলমান পাত্রের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । এর কিছু দিন পর সেই নতুন স্বামী কে নিয়ে সে আবার লন্ডনে বেড়াতে আসলে স্বামী সহ তার পুরানো হিন্দু বন্ধর সাথে দেখা করতে আসে এবং একত্রে রেস্টুরেন্ট খাওয়া দাওয়া হাসি তামাসায় করে চলে য়ায় , তখন আমি হিন্দু যুবক টিকে জিজ্ঞাস করলাম যে মেয়েটির নতুন স্বামি কি জানেন যে আপনার সাথে তার দীর্ঘ দিন সম্পর্ক ছিল সে বলে নতুন স্বামী খুবই ভাল মনের মানুষ এবং মেয়েটি তার নতুন স্বামীকে বলছে যে সে কোনো একসময় হিন্দু ছেলেটিকে শুধুই পছন্দ করতো অন্য কিছু করে নাই যেহেতু পরিবার মানবেনা তাই বিয়ে করেনি । সুতরাং যেখানে এসব নোংরামি নিয়ে কথা না বললে ভাল মনের মানুষ হওয়া যায় সেখানে তো দিন দিন মাদ্রাসার সংখ্যা বাড়বেই এবং সমান ভাবে মেয়েদেরও মাদ্রাসায় পড়াশুনা আগ্রহ তৈরি হবে আরো দ্বিগুন বেগে এটাই স্বাভাবিক ।

glqxz9283 sfy39587p07