Skip to content

ইরাক ও সিরিয়ার পরিস্থিতি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইসলাম ধর্ম মতে এজগতে যত ফ্যাসাদ তা সবকিছুই জগতের মানুষে দুই হাতের কামাই। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত পথ পরিহার করে বস্তুবাদি পশ্চিমা ধাচের জীবন যখন পরিচালনা করে তখন তাদের জীবনে কোনো একসময় চরম বিপদ নেমে আসে তার বাস্তব উদাহরন ইরাক ও সিরিয়া । এই দেশ দুটি আরবি ভাষা ভাষী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তবে দীর্ঘ দিন যাবৎ তাদের রাস্ট্র পরিচালিত হয়েছে বাম ধাচের বাথ পার্টির শ্বাসকদের আধিনে । আমি যখন ৭ম শ্রেনিতে পড়ি তখন বাংলা পাঠ্য বইয়ের ইরাক ভ্রমন কাহিনী নিয়ে একটি প্রবন্ধ ছিলো সেখানে লেখিকা উল্লেখ্য করেছিলেন যে তিনি ইরাকে যাওয়া পর মেয়েদের জিন্সের টাইট প্যান্ট ও খোলামেলা পোষাক দেখে বুঝতেই পারেননি যে এটা কি ইউরোপ না আরব মুসলিম দেশ। তদ্রুপ ২০১০ সালে লন্ডনে আমার এক সিরিয়ান শিক্ষক ছিলেন যিনি ছিলেন একজন অবিবাহিত মহিলা , যেহেতু সিরিয়ানদের গায়ের রং প্রায় ইউরোপিয়ানদের মতোই সুতরাং আমার ঐ শিক্ষকে দেখে কোনো উপায়ই ছিলনা বোঝোর যে তিনি আরবীয় মুসলমান শুধুই তার ইংরেজী উচ্চারন সুনেই বুঝতে পেরেছি যে তিনি আরবীয় । এভাবে ঐ সকল দেশের মুসলমানরা ইসলামী জীবন বিধান থেকে নিজেদের অনেক দূরে নিয়ে গিয়েছিলেন । বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ যেটা সবেমাত্র শুরু করেছে ! আমার পরিচিত অনেক জন যারা দ্বীনি আন্দোলনের লোক ছিলেন এখন তাদের কিছু পয়সা পাতি হাতে আসছে আর তারা পাশ্চাত্য ধাচে কেক কেটে ২ বছরের শিশুর জন্মদিন পালন আরম্ভ করছে । সুতরাং সিরিয়ার আলেপ্পোর মানুষের চরম দূর্দসা দেখে যদি পৃথিবীর অন্য অঞ্চলের মুসলমানরা শিক্ষা গ্রহন না করে তবে তাদেরকেও হয়তোবা অচিরেই এরকম কঠিন পরিস্থিতিতে পরতে হতে পারে ।

glqxz9283 sfy39587p07